মোড়েলগঞ্জে চোরা শিকারিদের হাতে প্রাণ গেলো ২২৮ ঘুঘু ও কবুতর
মোড়েলগঞ্জ প্রতিনিধি
বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে দুর্বৃত্তদের ছিটানো বিষাক্ত খাবার খেয়ে ২৮টি পোষা কবুতর ২০০টি ঘুঘু প্রাণ হারিয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা ২টার দিকে উপজেলা সদরের উত্তর সরালিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ নাছির উদ্দিন ফরাজী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
বণ্য পাখি ঘুঘু শিকারের জন্য ছিটানো বিষাক্ত খাবার খেয়ে কবুতরও মারা যায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে নাছির উদ্দিনের কমপক্ষে ২৫ হাজার টাকার ক্ষতি হলেও অপূরণীয় ক্ষতির শিকার হয়েছে প্রকৃতি।
এ বিষয়ে থানা অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মোড়েলগঞ্জ সদর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের সাথে এমপি’র মতবিনিময়
মোড়েলগঞ্জ প্রতিনিধি
বাগেরহাট-৪, মোড়েলগঞ্জ-শরণখোলা আসনের সংসদ সদস্য কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সদস্য এ্যাড. আমিরুল আলম মিলন-এর সাথে মোড়েলগঞ্জ সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এক সৌজন্য স্বাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভা করেছেন।
বৃহস্পতিবার আসর নামাজবাদ সংসদ সদস্য’র বাসভবন কার্যালয়ে এ মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন এ্যাড. আমিরুল আলম মিলন এমপি।
অন্যান্যের মধ্যে আলোচনা করেন মোড়েলগঞ্জ সদর ইউনিয়নের নৌকা প্রতিকের মনোনীত প্রার্থী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মো. হুমায়ুন কবির মোল্লা, নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক উপজেলা শ্রমীক লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. জালাল উদ্দিন তালুকদার, সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. দেলোয়ার হোসেন, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, শ্রমীক লীগ নেতা কামাল হোসেন প্রমুখ।
এ সময় সংসদ সদস্য এ্যাড. আমিরুল আলম মিলন বলেন, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা-এর নির্দেশনা অনুযায়ী প্রাণঘাতি করোনা সচেতনতায় সকলকে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলতে হবে প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাহিরে বের না হওয়ার জন্য আহবান জানান।
খাদিজা নার্সিং হোম’র উদ্যোগে দুস্থদের মাঝে জেলা আ’লীগ নেতা জামালের ইফতার বিতরণ
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা মহানগরীর খাদিজা নার্সিং হোম এন্ড ডায়াগণস্টিক সেন্টারের পরিচালক ও জেলা আওয়ামী লীগ সদস্য শিউলী সারোয়ার এর উদ্যোগে গতকাল শুক্রবার দুস্থদের মাঝে ইফতার বিতরণ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও জেলা যুবলীগের সভাপতি মো. কামরুজ্জামান জামাল।
এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগ নেতা জামিল খান, বসুন্ধরা ডায়গণষ্টিক এর পরিচালক শামীম আরা নীলা, অ্যাপোলো ডায়াগণষ্টিক সেন্টারের পরিচালক মাসুম বিল্লাহ, সেন্ট মার্টিন প্যাথলজি এর পরিচালক পলাশ সাহা, ডা. আব্দুল লতিফ, ডা. রবিউল ইসলাম, যুবলীগ নেতা মাহফুজুর রহমান সোহাগ, বিধান চন্দ্র রায়, তালিউর রহমান সানি, জহির রায়হান, মো. ফারুক মাস্টার, রাকিবুজ্জামান ইমন, দ্বীপ পান্ডে বিশ^, চিশতী নাজমুল বাশার, রায়হান জামান অয়ন, ইসমাইল মৃধা ইমন, হৃদ আহলান হাবিব, প্রতীক, আজবার রাজ।
ফুলবাড়ীগেটস্থ পশ্চিম সেনপাড়া পাগলা কুকুরের অত্যাচারে অতিষ্ট : আতংকে রয়েছে এলাকাবাসী
ফুলবাড়ীগেট(খুলনা)প্রতিনিধি
নগরীর কেসিসি ২নং ওয়ার্ড এলাকার পশ্চিম সেনপাড়া এলাকায় পাগলা কুকুরের অত্যাচারের আতংকে রয়েছে এলাকাবাসী। হাঁস, মুরগী, গৃহপালিত পশুসহ দিনে রাতে কেউ এলাকায় ঢুকলে পগলা কুকুর তেড়ে আসে কামড়ানোর জন্য। এতে করে আতংকে রয়েছে এলাকাবাসী। এলাকার মোঃ আবুল হোসেন জানান, ২৯ এপ্রিল দুপুরে তার খামারের ভিতর পাগলা কুকুর প্রবেশ করে ১৮টি হাঁস- মুরগী কামড়িয়ে মেরে ফেলে। পাশ্ববর্তী নিহারের মুরগীর বাসায় প্রবেশ করে কয়েকটি মুরগী মেরে ফেলে। কুকুরটিকে লাঠি দিয়ে তাড়া করলেও মানুষের উপর ঝাপিয়ে পড়ে। সর্বক্ষণ ভয়ে ভয়ে আতংক মনভাব নিয়ে বাসাবাড়ী এবং রাস্তায় চলাচল করতে হচ্ছে স্থানীয়দের । ডাঃ রফিক হোসেন বলেন, পাগলা কুকুরে কামড়ালে শুধু জলাতঙ্কই নয়, ধনুষ্টঙ্কারসহ বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রামক রোগও কুকুরের আঁচড় বা কামড় থেকে ছড়াতে পারে। সময়মতো চিকিৎসা না নিলে জলাতঙ্ক যেমন প্রাণসংশয়ের কারণ হতে পারে, তেমনই আক্রান্ত স্থানে বিবিধ সংক্রমণ ছড়িয়ে সমস্যাকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। অতিদ্রুত কুকুরগুলোকে মেরে ফেলা প্রয়োজন। গত এক সপ্তাহে এলাকার ২০ থেকে ২৫টি হাঁস, মুরগী কামড়িয়ে মেরে ফেলেছে এবং ২ টি ছাগলকে কামড়িয়েছে। নিরাপত্তার জন্য সিটি কর্পোরেশনের কোন কার্যক্রম দেখা যায় নি। অতিদ্রুত বেওয়ারিশ কুকুর নিধন নিয়ন্ত্রণকারি কর্মকর্তাদের পাঠিয়ে হিংস্র কুকুরগুলোকে ধরে নিধন করার ব্যবস্থা করার দাবী জানান এলাকাবাসী। এ ব্যাপারে কেসিসি ২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন করোনা কালিন সময়ে কুকুর নিধন টিম কাজ করতে পারছে না । এলাকাবাসীকে বেওয়ারিশ কুকুর গুলোকে মেরে খবর দিলে সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।
বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় ২৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির দোয়া মাহফিল
খবর বিজ্ঞপ্তি
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র চেয়ারপারসন, সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ও খুলনা মহানগর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক মহিবুজ্জামান কচিসহ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সকল নেতাকর্মী ও দেশবাসির সুস্থতা কামনায় শুক্রবার (৩০ এপ্রিল) বাদ জুম্মা মিয়াপাড়া কায়েমিয়া জামে মসজিদে ২৮নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ইসাহাক তালুকদার, ওহিদুর রহমান দিপু, মোল্লা মশিউর রহমান নান্নু, মেহেদী হাসান দিপু, হাবিবুর রহমান, ইদ্রিস আতিয়ার, সেলিম বড়মিয়া, আবুল কালাম, মঞ্জুরুল আলম, জাহিদ হোসেন, রিয়াজুর রহমান, মাসুদ খান বাদল, মিজানুর রহমান, আলমগীর হোসেন বাবু, এম এ জামান হাসু মোল্লা,আশিকুর রহমান সেলিম, আরিফুল ইসলাম আরিফ, রিপন ফরাজী, মো. জুয়েল রহমান, ইদ্রিস, সাকিব, শফি, শাকিল, টিটো প্রমূখ। নেতৃবৃন্দ অপর এক বিবৃতিতে দৈনিক অনির্বাণ সম্পাদক অধ্যক্ষ আলী আহমেদ এর মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।
খুলনার সাংবাদিক জগতের অভিভাবক অধ্যক্ষ আলী আহম্মদ স্যারের মৃত্যুতে রূপসা উপজেলা প্রেসক্লাবে র বিবৃতি
খবর বিজ্ঞপ্তি
সাবেক সাংসদ বাংলাদেশ আঞ্চলিক সংবাদপত্র পরিষদের সভাপতি,খুলনা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি অধ্যক্ষ আলীআহম্মদ স্যার(৭৮) গত ২৯ এপ্রিল বেলা ১২-৩০মিঃ সময় খুলনার নার্গিস মেমোরিয়াল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ——–রাজিউন।
তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করে বিবৃতি প্রদান করেছেন,রূপসা উপজেলা প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ,বিবৃতি দাতারা হলেন, প্রেসক্লাবের সভাপতি সৈয়দ মোর্শেদ আলম বাবু,সিনিয়র সহ সভাপতি জি এম আসাদুজ্জামান, সহ সভাপতি মূর্শীদ আলী,সাধারন সম্পাদক আঃরাজ্জাক,যুগ্ম সম্পাদক মুস্তাফিজুর রহমান মোস্তাফিজ,সাংগঠনিক সম্পাদক আঃ মজিদ, কোষাধ্যাক্ষ ফ ম আউব আলী ,চন্দন ভট্টাচার্য্য,মোসারেফ হোসেন,নাজিম সরদার,এইচ এম রোকন শাহারিয়ার হোসেন মানিক,মিলন সাহা,ফিরোজ সেখ,আরিফুর রহমান রিপন,এস এম নূর,কোরবান আলী প্রমূখ।
মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলনের খুলনা জেলা কমিটি গঠিত
খবর বিজ্ঞপ্তি
মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ৩০ এপ্রিল শুক্রবার বিকেল ৩টায় বটিয়াঘাটার জলমা ইউনিয়নের কাউন্সিল অফিস প্রাঙ্গণে সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলনম খুলনা জেলা কমিটি গঠনের উদ্দেশ্যে এক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বটিয়াঘাটা উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই গাইন। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এড. প্রসেনজিৎ দত্তকে সভাপতি ও কামাল হোসেন জোয়ার্দ্দারকে সাধারণ সম্পাদক এবং প্রফেসর সুব্রত কুমার মিস্ত্রীকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলনম খুলনা জেলা কমিটি গঠিত হয়।
যশোরে ইয়াবা বেচাকেনার সময় যুবক গ্রেফতার
যশোর অফিস
ইয়াবা বেচাকেনা সময় ফরিদ হোসেন নামে এক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সে যশোর সদর উপজেলার রামনগর গ্রামের শফি হোসেনের ছেলে। এ ঘটনায় কোতয়ালি মডেল থানায় মামলা হয়েছে।
কোতয়ালি মডেল থানার এসআই হারুন অর রশিদ জানান, বৃহস্পতিবার ২৯ এপ্রিল রাতে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সদর উপজেলার রামনগর আমতলা গ্রামের জনৈক রেনু বেগমের কাপড়ের দোকানের সামনে অভিযান চালিয়ে ফরিদ হোসেনকে গ্রেফতার করে। পরে তার দখল হতে ২১ পিস ইয়াবা উদ্দারন করে। পরে তাকে কোতয়ালি মডেল থানা হাজরে রেখে রাতেই মাদক আইনে মামলা করেন। শুক্রবার ৩০ এপ্রিল তাকে আদালতে সোপর্দ করে।
যশোরের বাঘারপাড়ার সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করে আশংকার মধ্যে দিনাতিপাত এক পরিবারের
যশোর অফিস
চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করে রায়পুর গ্রামের নাছির উদ্দিন ও তার পরিবার চরম আশংকার মধ্যে দিনাতিপাত করছে। সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়ে মারপিট করে উল্টো নাছির উদ্দিনের পরিবারকে অব্যাহত হুমকী ধামকী দিচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সন্ত্রাসী কার্যকলাপের অভিযোগে বাঘারপাড়া উপজেলার উমরপুর গ্রামের মৃত ইয়াকুব্বারের ছেলে কামরুল ইসলাম ও একই এলাকার মৃত আবুল হোসেনের ছেলে মশিয়ার রহমানসহ অজ্ঞাতনামা ৩/৪জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করার পর উল্টো আসামীরা নাছির উদ্দিনের পরিবারকে নানা ভাবে হেনস্থা করার জন্য ষড়যন্ত্র করছে। যার ফলে নাছির উদ্দিন ও তার ভাই আনিছুর রহমান রতন ও তাদের পরিবার চরম আতংকের মধ্যে রয়েছে।
যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার রায়পুর গ্রামের মৃত আলতাফ হোসেনের ছেলে নাছির উদ্দিন বাদি হয়ে বাঘারপাড়া থানায় অভিযোগে বলেছেন, কামরুল ইসলাম ও মশিয়ার রহমানের সাথে দীর্ঘদিন যাবত শত্রুতা ও দ্বন্দ্ব চলে আসছে। নাছির উদ্দিন ও তার ভাই আনিছুর রহমান রতনকে মারপিট খুন জখমসহ বড় ধরনের ক্ষতি করার ষড়যন্ত্র করে আসছে। গত ২২ এপ্রিল বিকেল সোয়া ৫ টার পর উক্ত আসামী ও তাদের অজ্ঞাতনামা সন্ত্রাসী সহযোগীরা রায়পুর গ্রামের নাছির উদ্দিনের বাড়িতে প্রবেশ করে ৩ নং রায়পুর ইউনিয়ন পরিষদে শালিশ বৈঠকে যাওয়ার কথা কলে কথা কাটাকাটির এক পর্যায় ক্ষিপ্ত হয়ে দা,লোহার রড, বাশের লাঠি, জিআই পাইপ নিয়ে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে পরস্পর যোগসাজসে নাছির উদ্দিনকে লক্ষ্য করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করার এক পর্যায় আক্রমন করে মশিয়ারের হুকুমে কামরুল ইসলাম তার হাতে থাকা ধারালো ছুরি দিয়ে নাছির উদ্দিনের গলায় ঠেকিয়ে মারপিট পূর্বক জখম করে। নাছির উদ্দিন ও আনিছুর রহমান রতনকে প্রকাশ্যে আসামীরা প্রাণ নাশের হুমকী দিয়ে চলে যায়। এ ঘটনায় বাঘারপাড়া থানায় অভিযোগ দায়ের করার পর বিবাদীরা আরো ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। তারা নাছির উদ্দিন ও আনিছুর রহমান রতনের পরিবারকে যে কোন সময় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি করবে বলে প্রকাশ্যে হুমকী ধামকী অব্যাহত রেখেছে।
করোনাকালে যশোরের প্রান্তিক কৃষকের ধান কেটে দিচ্ছেন সাংস্কৃতিক কর্মীরা
যশোর অফিস
যখন করোনার করাল গ্রাসে নিমজ্জিত গোটা পৃথিবী, তখন বরাবরাই ন্যায় এবারও যশোরের প্রান্তিক চাষিদের ধান কেটে দিচ্ছে সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা। জেলা সাংস্কৃতিক জোটের উদ্যোগে শুক্রবার সকাল ৭টা থেকে তারা এ ধান কাটা কার্যক্রম শুরু করেছে। প্রথম দিনে যশোর সদর উপজেরার পতেঙ্গালী গ্রামের বর্গাচাষি ইমরান হোসেনের ২৫ কাঠা, পঙ্কজ বিশ্বাসের নিজের জমির ৮ কাঠা, কালাম গাজীর ১২ কাঠা, আনসার আলীর ৬ কাঠা, ফারক গাজীর ৮ কাঠা এবং কৃষ্ণবাটি গ্রামের সাইদুর রহমানের ১০ কাঠা ধান কেটে দেয় সাংস্কৃতিক কর্মীরা।
এদিকে অর্থ সংকট ও শ্রমিক সংকটের এ সময়ে বিনাপয়সায় ধান কাটাতে পেরে খুশি চাষিরা। অন্যদিকে প্রান্কি কৃষকের ধান কেটে দিতে পেরেও প্রশান্তিতে যশোরের সাংস্কৃতিক কর্মীরা।
ধান কাটা দলের মধ্যে অন্যতম ছিলেন যশোর সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তরিকুল ইসলাম তারু, সাধারন সম্পাদক সানোয়ার আলম খান দুলু, শিল্পকলা একাডেমির সাধারন সম্পাদক মাহামুদ হাসান বুলু, জোটের অন্যতম নেতা সুকুমার দাস, হারুন আর রশিদ, নন্দন যশোরের সাধারন সম্পাদক ডি এইচ দিলসান, সংবাদিক নেতা প্রনব দাসসহ যশোরের অর্ধশতাধীক সাংস্কৃতিক কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের নেতা হারুন আর রশিদ বলেন, “করোনার প্রভাবে মানুষ ঘরবন্দি। এ অবস্থায় কৃষকের ধান পেকে গেছে। কিন্তু শ্রমিক সংকটে মাঠ থেকে ধান ঘরে নিতে পারছে না কৃষকরা। ইতোমধ্যে কৃষকদের ধান ঘরে তুলে দিতে কাজ শুরু করেছে বিভিন্ন সংগঠন ও রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা। তারই ধারাবাহিকতায় যশোরে প্রান্তিক চাষিদের ধান কেটে দিচ্ছে সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা। তিনি বলেন আমরা দেশের ক্রান্তিকালে সব সময় সাধারন মানুষের পাশে ছিলাম , আছি এবং থাকব।
যশোরে জাগপার উদ্দোগে ঈদ সামগ্রী বিতরন
যশোর অফিস
শুক্রবার বিবেলে শহরের ষষ্ঠীতলা পাড়ার বিপি রোড এলাকায় জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি-জাগপা’ যশোর জেলার পক্ষ থেকে, যশোর সদরের ২০০ পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, ২০ দলীয় জোটের শরীক জাগপা’র প্রেসিডিয়াম সদস্য যশোর জেলার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, খুলনা বিভাগীয় প্রধান সমন্বয়কারী নিজামদ্দিন অমিত।
ত্র সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জাগপার যশোর জেলা শাখার সাধারন সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক কামাল চৌধুরী, সহ-সভাপতি বজলু হাত্তলাদার, সহ-সাধারণ সম্পাদক খন্দকার জাহিদ হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন মধু, প্রচার সম্পাদক শাহজাহান মল্লিক, দপ্তর সম্পাদক ডাঃরবিউল ইসলাম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী জাবেদ, জাগপা নেতা, মকুল শেখ, প্রতাপ বিশ্বাস, সুরুজ খান, ইমাম হোসেন, রঘুনাথ বিশ্বাস, রাজু আহম্মেদ, বাচ্চু মিয়া, রিয়াজ হোসেন, মতিউর রহমান মতি, পারফেজ হোসেন প্রমুখ।
যশোরে ভারত ফেরত যাত্রীদের কোয়ারান্টাইনে আরো ১৬ হোটেল
যশোর অফিস
ভারত ফেরত পাসপোর্ট যাত্রীদের কোয়ারেন্টাইন রাখার জন্য যশোর শহরের ১৬টি হোটেল রিকুইজিশন করা হয়েছে। স্থান সংকুলান না হলে পার্শ্ববর্তী চার জেলার হোটেলগুলোতেও রিকুইজিশন করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
যশোরের জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে শুক্রবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এক জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সভায় যশোরের হোটেলের মালিক প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলাম খান জানান, ভারত থেকে যে পরিমান পাসপোর্ট যাত্রী ফেরত আসার কথা আমরা চিন্তা করছিলাম তার থেকে অনেক বেশি লোকজন আসছে। বেনাপোলের হোটেলগুলো পূর্ণ হয়ে গেছে। ঝিকরগাছা উপজেলার গাজীর দরগাহ এতিমখানা ও মাদ্রাসার ভবনও পূর্ণ হয়ে গেছে। সেখানে ২০২জনকে রাখা হয়েছে। যে কারণে ভারত থেকে ফেরত আসাদের কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করতে যশোর শহরের হোটেলগুলো রিকুইজিশন করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। হোটেলের মালিকগণ স্বল্প মূল্যে পাসপোর্ট যাত্রীদের রাখতে সম্মত হয়েছেন। এছাড়া এসব হোটেলে স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সবধরণের উদ্যোগ নেয়া হবে।
তিনি আরো বলেন, ফেরত আসার সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে যাচ্ছে। যে কারণে যশোর শহরের হোটেলগুলোর পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী খুলনা, সাতক্ষীরা, ঝিনাইদহ ও নড়াইল জেলার হোটেলগুলোতেও তাদের রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ফেরত আসাদের দেখভালের বিষয়টি দেখছেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. রফিকুল হাসান। বিস্তারিত তিনি বলতে পারবেন।
এ বিষয়ে জানতে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. রফিকুল হাসানের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ব্যস্ত বলে কথা বলতে রাজি হননি।
তবে এনডিসি কেএম মামুনুর রশিদ বিকেল ৫টায় জানান, এখন পর্যন্ত ১৬টি হোটেল রিকুইজিশন করা হয়েছে। এর মধ্যে যশোর আইসিটি পার্কের থ্রি-স্টার মানের হোটেল, জাবের ইন্টারন্যাশনাল, হোটেল হাসান ইন্টারন্যাশনাল, হোটেল সিটি প্লাজা, হোটেল ম্যাগপাই, হোটেল আর এস, হোটেল মনিহার, হোটেল ম্যাক্স, হোটেল সোনালী, সিটি হোটেল, হোটেল শাহরিয়ার, হোটেল বলাকা, হোটেল নয়ন, হোটেল নিউ ওয়ে, হোটেল প্রিন্স, হোটেল সিটি, যশোর হোটেল রয়েছে।
তিনি আরো জানান, ইতিমধ্যে যশোরের নয়ন হোটেল ৩৭জনকে, হাসান ইন্টারন্যাশনালে ৪৪জনকে, হোটেল ম্যাগপাই ১৭জন, আরএস হোটেলে ৭জন, হোটেল ম্যাক্সে ১১জন, শেখ হাসিনা আইটি পার্ক হোটেল ৬জনকে রাখা হয়েছে।
এদিকে যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সেখ সালাউদ্দিন শিকদার জানান, যেসব স্থানে ভারত ফেরত যাত্রীদের রাখা হয়েছে সেসকল স্থানে নিরাপত্তার জন্য পুলিশ ও আনসার মোতায়েন করা হয়েছে। ১৪দিন অবস্থানের পর করোনা নেগেটিভ সনদ প্রপ্তি সাপেক্ষে এসব যাত্রীদের নিজ বাড়ির উদ্দেশে যেতে দেয়া হবে।
শুক্রবার যশোরে ৪১ জনের করোনা শনাক্ত
যশোর অফিস
শুক্রবার যশোরে ৪১ জনের করোনা শনাক্তযশোরে শুক্রবার নতুন করে ৪১ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এনিয়ে জেলায় মোট শনাক্তের সংখ্যা দাড়ালো ছয় হাজার তিনশ’ ৪১ জন।
সিভিল সার্জন শেখ আবু শাহীন জানান, শুক্রবার যবিপ্রবি (জিনোম) সেন্টারে ১৪৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৪১ জন পজিটিভ এসছে।
যশোর বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের ও পরীক্ষণ দলের সদস্য অধ্যাপক ড. ইকবাল কবীর জাহিদ জানান, যবিপ্রবি জিনোম জেন্টারে এদিন ১৮৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৫৩ জনের করোনা পজিটিভ এবং ১২৩ জনের নেগেটিভ ফলাফল এসেছে। এর মধ্যে যশোরের ১৪৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৪২ জন, মাগুরার ২৯ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৯ জন ও নড়াইলের ১২ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৩ জনের নমুনা পজিটিভ পাওয়া গেছে।
শেখ সোহেলের উদ্যোগে নগরীর ২৭নং ওয়ার্ডে ইফতার বিতরণ
খবর বিজ্ঞপ্তি
পবিত্র রমজান মাসে চলমান লকডউনে পথচারি ও ছিন্নমূল মানুষের মাঝে ইফতার বিতরণ করছেন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ সোহেল। শুক্রবার তার অংশ হিসেবে নগরীর ২৭নং ওয়ার্ডের মিস্ত্রীপাড়া বাজার সংলগ্ন এলাকায় ইফতার বিতরণ করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ খুলনা মহানগর শাখা প্রচার সম্পাদক ও ২৭নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর জেড এ মাহুমদ ডন, খুলনা মহানগর যুবলীগের আহবায়ক সফিকুর রহমান পলাশ, যুগ্ম আহবায়ক শেখ শাহাজালাল হোসেন সুজন, ২৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ফেরদাউস হোসেন লাবু, যুবলীগ নেতা আব্দুল কাদের শেখ, আবুল হোসেন, অভিজিৎ চক্রবর্তী দেবু, মসিউর রহমান সুমন, অলি আহমেদ, মোঃ রাজু, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা এস এম সাঈদুজ্জামান, ছাত্রলীগ নেতা মাহামুদুর রহমান সুজন, কামরুজ্জামান ইমরান, মাহামুদুর রহমান রাজেস, হিরন হাওলাদার, সৈকত কুমার দাস, শাহ আরাফাত রাহিব, নিশাত ফেরদাউস অনি, ওয়ার্ড যুবলীগ নেতা ইব্রাহিম হোসেন তপু, মাসুম উর রশিদ, জামিল আহমেদ সোহাগ, জিহাদুর রহমান জিহাদ, মুহিদুল হক শান্ত, সাগর মজুমদার, শেখ রাসেল, মোত্তাদুল ইসলাম সোহাগ, ওমর কামাল, মিজানুর রহমান মিজান, বরকত হোসেন, রাব্বি আহমেদ, একরাম আলম প্রমুখ।
কাজী ফয়েজ মাহমুদের করোনা মুক্তির জন্য দোয়া
খবর বিজ্ঞপ্তি
এক্স ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন খুলনার সভাপতি ও খালিশপুর থানা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কাজী ফয়েজ মাহমুদ গত ২৭ তারিখ মঙ্গলবার করোনায় আক্রান্ত হয়। করোনায় আক্রান্ত হয়ে তিনি গত চারদিন যাবৎ হোমকারেন্টের হয়েছেন। কাজী ফয়েজ মাহমুদের সুস্থতা কামনা করে খুলনায় এক্স ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনসহ বিভিন্ন সংগঠন, ব্যক্তির উদ্যোগে গত চারদিন ধরে বিভিন্ন মসজিদ ও মাদ্রাসায় দোয়া করা হয়। গতকাল শুক্রবার ও খুলনার বিভিন্ন মসজিদে দোয়া করা হয়।
এক্স ক্রিকেট এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নাসির হোসাইন, আনিছুর রহমান কবির, আনসারুল হাসান, কাজি নোমান এর পক্ষ থেকে ফেরিঘাট হজরত বিলাল (র) মসজিদে,শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদ খুলনা মহানগর সভাপতি আনিছুর রহমান কবির এর পক্ষ থেকে মুজগুন্নী কাজী পাড়া বাইতুল হেরা জামে মসজিদ এ দোয়া পরিচালনা করেন হাফেজ মাওলানা মোঃ আতিকুল ইসলাম সরোয়ার, এসময় উপস্থিত ছিলেন মোঃ তৌহিদুজ্জামান, শেখ রফিকুল ইসলাম রাজু, ওসমান গনি জুয়েল। সাবেক ছাএলীগ নেতা মোঃ ফয়সাল এ পক্ষ থেকে যোগিপোল ইউনিয়নের দারুত তুরাব হাফেজিয়া নূরানী মাদ্রাসায় রোজাদারদের মাঝে ইফতার বিতরণ ও কোরআন খতম করা হয়। এছাড়া খালিদ ,ফরহাদ ,গোলাম রব্বানী টিপু, মাসুদ পারভেজ, জিয়াউর রহমান, মনির, পারভেজ সহ বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় দোয়া করা হয়।
ফকিরহাটে ইটের আঘাতে নারীকে হত্যার অভিযোগ
ফকিরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটের ফকিরহাটে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের ইটের আঘাতে তাসলিমা বেগম (৪২) নামে এক নারীকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। নিহত তাসলিমা বেগম ব্রাহ্মণ রাকদিয়া গ্রামের নাসির উদ্দিনের স্ত্রী। শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে মডেল থানা পুলিশ, ময়না তদন্তের জন্য ওই নারীর মৃতদেহ উদ্ধার করে বাগেরহাট সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছেন। ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযাগে নিহতের জা রাজিয়া বেগম (৪৫) কে আটক করেছেন মডেল থানা পুলিশ। অপর অভিযুক্ত বাবু শেখ পালিয়ে গেছে। নিহতের পরিবার জানায়, ২৮এপ্রিল সন্ধ্যায় ফকিরহাট সদর ইউনিয়নের কাঠালতলার ব্রাহ্মণ রাকদিয়া গ্রামের নাসির উদ্দিনের পুত্র মো: হামিমের সাথে তার চাচাতো ভাই মহিবুল্লাহ শেখের পুত্র বাবু শেখ এর সাথে শরবত খাওয়াকে কেন্দ্র করে উভয় পরিবারের সাথে বাকবিতন্ডা সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে তাসলিমা বেগম-কে তার জা রাজিয়া বেগম ও রাজিয়ার ছেলে বাবু শেখ ইট দিয়ে মাথায় আঘাত করে। গুরুত্বর আহত তাসলিমাকে ঐদিন রাতে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৯ এপ্রিল রাত সাড়ে ৯টার দিকে তিনি মারা যান। নিহতের পুত্র মো: জামাল ও হামিম শেখ জানান, তার মাকে মাথায় ইটের আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। তারা এই হত্যার সঠিক বিচার দাবী করেন। এ ব্যাপারে মডেল থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবু সাঈদ মো: খায়রুল আনাম জানান, নিহতের মাথায় আঘাতের চিহ্র পাওয়া গেছে। এক নারীকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। ময়না তদন্ত প্রতিবেদন ও সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে মৃত্যুর কারন উদঘাটন করা সম্বব হবে বলেও তিনি জানান।
রূপসায় অসহায় কৃষকের ধান কেটে দিচ্ছে উপজেলা যুবলীগ নেতৃবৃন্দ
রূপসা প্রতিনিধি
করোনাকালীন সময়ে কৃষক শ্রমিক সংকট বা অধিক টাকায় শ্রমিক ক্রয় যারা ব্যর্থ হয়ে পড়েছেন এমন ধান চাষিদের পাশে দাড়ালেন যুবলীগ নেতৃবৃন্দ। রূপসা উপজেলার বিভিন্ন এলাকার গরিব ও অসহায় কৃষকদের খুজে তালিকা করে একেকদিন একেক এলাকায় ধান কাটা কার্যক্রম শুরু করেছে এমপির প্রধান সমন্বয়কারী ও যুবলীগ নেতা মো. নোমান ওসমানী রিচির নেতৃত্বে অর্ধশত যুবলীগ নেতৃবৃন্দ এ ধান কর্তন অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহন করেন। গত ৩০ এপ্রিল সকালে কাঁঠালতলা বিলে ইউপি সদস্য প্রার্থী শেখ মাসুমের বাড়ির সামনে প্রচন্ড তাপদাহ উপেক্ষা করে রোজা থাকা অবস্থায় প্রধান মন্ত্রীর নির্দেশনা মোতাবেক এবং কেন্দ্রীয় যুবলীগের কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ ধান কর্তনে নেতৃবৃন্দ অংশ গ্রহন করেন। রূপসার নৈহাটী ইউনিয়ন সামন্তসেনা গ্রামের কৃষক ইকবাল ফৌজদারের ২ বিঘা জমির ধান কেটে দিলেন। মানবিক এ সহায়তা কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক এবিএম কামরুজ্জামান, জেলা যুবলীগ নেতা নাসির হোসেন সজল, আওয়ামীলীগ নেতা ফ,ম, আইয়ুব আলী, মো. ইলিয়াজ শেখ, উপজেলা যুবলীগ নেতা আশিষ কুমার রায়, ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ক আ. মজিদ শেখ, বাদশা মিয়া, ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মল্লিক শাহনেওয়াজ কবির টিংকু, যুবলীগ নেতা মহিউদ্দিন মানিক, তুষার দাস, সাইফুল ইসলাম শাওন, আ. রহিম মিনা, জাহিদুর রহমান, মাসুম শেখ, তরিকুল ইসলাম বাদল, শাহাজাদা খালিদ, উমর ফারুক, নাহিদুজ্জামান, আলতাফ শেখ, ইমান শেখ, ওলিয়ার শেখ প্রমূখ।
আছিয়া-সাত্তার ইসলামী সমাজকল্যাণ পরিষদের প্রতিষ্ঠাতার মায়ের মৃত্যুবার্ষিকীতে দোয়া ও ইফতার মাহফিল
খবর বিজ্ঞপ্তি
আছিয়া-সাত্তার ইসলামী সমাজকল্যাণ পরিষদ-এর প্রতিষ্ঠাতা প্রাণিপ্রেমী এস এম সোহরাব হোসেনের শ্রদ্ধেয় মা মোছাঃ আছিয়া খাতুনের ১৮তম মৃত্যুবার্ষিকী ছিল ৩০ এপ্রিল শুক্রবার। মরহুমার রুহের মাগফেরাত কামনায় কবর জিয়ারত, কোরআন খতম, দোয়া ও ইফতার বিতরণ আজ বাদ আছর মৌলভীপাড়া বায়তুল হামদ জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়। স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন মসজিদের পেশ ইমাম মুফতি মোঃ আব্দুল্লাহ ও হাফেজ মোঃ আবুল কাশেম। এ সময়ে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেনÑপরিষদের আহ্বায়ক প্রফেসর সাইদুল হাসান, যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ্ব শেখ রুস্তম আলী, আলহাজ্ব শেখ এশারুল হক, সদস্য সচিব মোঃ জমসের আলী খান খোকন, মহানগর ছাত্র লীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম আসাদুজ্জামান রাসেল, পরিষদের যুগ্ম সদস্য সচিব এস এম এনছান হোসেন, আফরোজ আলম, জিন্নাত খন্দকার, কাজল আরেফীন, শেখ মোঃ রুবেল, শেখ মোঃ রাফাত, মেহেদী হাসান, শামীম আজাদ, হাফিজুর রহমান তারেক, সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, সরদার মোশাররফ হোসেন, ছলেমান খান, এস এম তামজিদ হোসেন সৌরভ প্রমুখ। অনুরূপ দোয়া মাহফিল সংগঠনের নিজস্ব কার্যালয়ে মহিলাদের পৃথকভাবে অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া পরিচালনা করেন পরিষদের মহিলা পরিচালক উম্মে জিন্নাত আরা বানু।
খুলনা উন্নয়ন কমিটির আজীবন সদস্য এড. এস এম মঞ্জুরুল আলমের মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জ্ঞাপন
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনার প্রবীণ আইনজীবী, বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির আজীবন সদস্য ও সর্বজন শ্রদ্ধেয় এস এম মঞ্জুরুল আলমের মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি প্রদান করেছেনÑবৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সভাপতি শেখ আশরাফ-উজ-জামান, মহাসচিব শেখ মোহাম্মাদ আলী, শাহীন জামাল পন, মোঃ নিজাম-উর রহমান লালু, মিনা আজিজুর রহমান, মোঃ মনিরুজ্জামান রহিম, বীর মুক্তিযোদ্ধা মাস্টার বদিয়ার রহমান, অধ্যাপক মোঃ আবুল বাসার, জেড এ মামুন ডন, মামনুরা জাকির খুকুমনি, অধ্যক্ষ রেহেনা আক্তার, মিজানুর রহমান বাবু, শেখ হাফিজুর রহমান হাফিজ, চৌধুরী মিনহাজ-উজ-জামান সজল, আরজু ইসলাম আরজু, এড. শেখ হাফিজুর রহমান হাফিজ, মীর বরকত আলী, মিজানুর রহমান জিয়া, হাসান ইফতেখার চালু, জুবায়ের আহমদ খান জবা, মাস্টার মনিরুল ইসলাম, মফিদুল ইসলাম টুটুল, এস এম আখতার উদ্দিন পান্নু, এস এম ইকবাল হোসেন বিপ্লব, কামরুল করিম বাবু, মোঃ খলিলুর রহমান, মতলেবুর রহমান মিতুল, সৈয়দ এনামুল হাসান ডায়ম-, শেখ আবিদুল্লাহ, রকিব উদ্দিন ফারাজী, মোঃ হায়দার আলী, প্রমিতি দফাদার প্রমুখ।
ইসলামী যুব আন্দোলন সদর থানার ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত
খবর বিজ্ঞপ্তি
গতকাল শুক্রবার (৩০ এপ্রিল) বিকাল সাড়ে ৫ টায় নগরীর পাওয়ার হাউস মোড়স্থ আইএবি মিলানায়তনে ইসলামী যুব আন্দোলন খুলনা সদর থানার উদ্দোগে ঐতিহাসিক বদর দিবস আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল সদর থানার সভাপতি মোঃ ফেরদাউস গাজী সুমনের সভাপতিত্বে ও মাওঃ হাবিবুল্লাহ গাজীর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা মহানগর সেক্রেটারী শেখ মোঃ নাসির উদ্দিন।
প্রধান বক্তা ছিলেন ইসলামী যুব আন্দোলন খুলনা মহানগর সভাপতি আলহাজ্ব আবুল কাশেম।
বিশেষ অতিথি ছিলেন ইসলামী আন্দোলন খুলনা মহানগর সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলাম, সদর থানার সেক্রেটারী মুফতী আমিরুল ইসলাম, ইশা ছাত্র আন্দোলন কেন্দ্রীয় শূরা সদস্য এইচ এম খালিদ সাইফুল্লাহ।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মোঃ আবুল কালাম মৃধা, ইঞ্জিনিয়ার হায়দার আলী, মুফতী মেহেদী হাসান, মোঃ আরিফুল ইসলাম, আব্দুল্লাহ মাহমুদ, আকবর আলী জমাদ্দার, হাবিবুল্লাহ মেসবাহ, উসামা আবরার প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
বাগেরহাটে দুঃস্থ ও অসহায়দের মাঝে নৌবাহিনীর মানবিক সহায়তা অব্যাহত
খবর বিজ্ঞপ্তি
বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসের প্রভাবে কর্মহীন, অসহায় ও দরিদ্র জনগণের জন্য বাংলাদেশ নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে মানবিক সহায়তা অব্যাহত রয়েছে। এরই অংশ হিসেবে কমান্ডার ফ্লোটিলা ওয়েস্ট এর পক্ষ থেকে মংলা কর্তৃক বাগেরহাট জেলাধীন দিগরাজ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় শুক্রবার (৩০.০৪.২১) অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা ও ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। খুলনা অঞ্চলে করোনা পরিস্থিতি উন্নত না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ নৌবাহিনী কর্তৃক এইরূপ কার্যক্রম চলমান থাকবে।
উলে¬খ্য বর্তমানে সরকার ঘোষিত লকডাউনে নৌবাহিনী কর্মহীন ও অসহায় জনগণের মাঝে ত্রান কার্যক্রম ও খাদ্য সহায়তা অব্যাহত রেখেছে। দেশের সামগ্রিক করোনা পরিস্থিতি উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত নৌবাহিনীর এই মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে আশা করা যায়।
রাজধানীতে মিট দ্যা প্রেস অনুষ্ঠানে এমপি আক্তারুজ্জামান বাবু: উপকূলের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা জরুরী ভিত্তিতে বেড়িবাঁধ সংস্কারের আহ্বান
খবর বিজ্ঞপ্তি
উপকূলীয় অঞ্চলের জীবন-জীবিকার সুরক্ষায় টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় গৃহীত প্রকল্পসমূহ দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছেন খুলনা-৬ (কয়রা-পাইকগাছা) আসনের সংসদ সদস্য মো. আক্তারুজ্জামান বাবু। তিনি দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বেড়িবাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টগুলো বর্ষা মৌসুম শুরুর আগেই জরুরী ভিত্তিতে সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন। শুক্রবার (৩০ এপ্রিল) দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে ‘দূর্যোগের ঝুঁকিতে থাকা উপকূলের সুরক্ষায় প্রয়োজন টেকসই বেড়িবাঁধ ও আশু করণীয়’ শীর্ষক মিট দ্যা প্রেস অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এই আহ্বান জানান। নাগরিক সংগঠন সুন্দরবন ও উপকূল সুরক্ষা আন্দোলন এবং বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা লিডার্স আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সুন্দরবন ও উপকূল সুরক্ষা আন্দোলনের সমন্বয়ক নিখিল চন্দ্র ভদ্র। আলোচনায় অংশ নেন বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) যুগ্ম সম্পাদক মিহির বিশ্বাস, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মোরসালিন নোমানী, উন্নয়ন ধারা ট্রাস্টের সদস্য সচিব আমিনুর রসুল বাবুল, নৌ সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক আশীষ কুমার দে, স্ক্যান সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মুকুল, সচেতন সংস্থার সাকিলা পারভীন, লিডার্সের সাইফুল ইসলাম, নাগরিক প্রতিনিধি শেখ আব্দুল্লাহ-আল মামুন, অ্যাডভোকেট সব্যসাচী মন্ডল, নিউটন কুমার রায় প্রমূখ। অনুষ্ঠানে এমপি আক্তারুজ্জামান বাবু সম্প্রতি দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় অঞ্চলের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ৬০ এর দশকে নির্মিত বাঁধগুলো দীর্ঘ দিন অবহেলিত ছিলো। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় আসার পর বাঁধগুলো সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়। সরকারের ডেল্টা প্লানে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের সুনির্দ্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া আম্ফান পরবর্তী সময়ে খুলনা-সাতক্ষীরা অঞ্চলে চারটি মেগা প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী কয়েকদফা ওই এলাকা পরিদের্শন করেছেন। তারা মেগা প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ নিবেন বলে আশাকরি। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, করোনা পরিস্থিতির ভয়াবহতার মধ্যে গত বছর সুপার সাইক্লোন আম্ফান উপকূলীয় অঞ্চলে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে। ঝড় ও জ্বলোচ্ছাসে বাঁধ ভেঙ্গে খুলনা-সাতক্ষীরায় কয়েক লাখ মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়ে। এরপর টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হলেও তার বাস্তবায়ন কাজ শুরু হয়নি। এরআগে ঘূর্ণিঝড় সিডর ও আইলার পর বেশকিছু প্রকল্প বাস্তবায়ন হলেও তার সুফল পাওয়া যায়নি। যে কারণে কপোতাক্ষ নদের মামুদকাটি, আগড়ঘাটাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের দুই শতাধিক পয়েন্টে বেড়িবাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। তাই ঝড়ো মৌসুমকে সামনে রেখে চরম ঝুঁকির মধ্যে দিন কাটাচ্ছে ওই অঞ্চলের জনগণ। এই ঝুঁকি মোকাবেলায় দ্রুত প্রকল্প বাস্তবায়ন ও মনিটারিং জোরদার করার দাবি জানান তারা। অনুষ্ঠানে ৬ দফা দাবি তুলে ধরে বলা হয়, সুন্দরবনের তীরবর্তী দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় অঞ্চলকে দূর্যোগ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা ঘোষণা করে ঝুঁকিতে থাকা বেড়িবাঁধগুলো দ্রুত সংস্কারের উদ্যোগ নিতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগকে মাথায় রেখে স্থায়ী ও মজবুত বেড়িবাঁধ নির্মাণ করতে হবে। বাঁধ রক্ষণাবেক্ষনের জন্য জরুরি তহবিল গঠন ও বাঁধ ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় সরকারকে সম্পৃক্ত করতে হবে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের (ওয়াপদা) বাঁধের ১০০ মিটারের মধ্যে চিংড়ি বা কাঁকড়ার ঘের তৈরিতে সরকারের দেওয়া নিষেধাজ্ঞা দ্রুত কার্যকর করতে হবে। উপকূলীয় জনগণের নিরাপদ খাবার পানির টেকসই ও স্থায়ী সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। সর্বোপরি উপকূলের উন্নয়নে পৃথক বোর্ড গঠনের সুপারিশ করা হয়। #
জাতীয় পার্টির সাবেক আহ্বায়ক এড. মঞ্জুরুল আলমের মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জ্ঞাপন
খবর বিজ্ঞপ্তি
জাতীয় পার্টির সাবেক কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও মহানগর আহ্বায়ক এবং আইনজীবী ফেডারেশনের সভাপতি এড. এস এম মঞ্জুর উল আলম (৮০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন (ইন্নালিল্লাহে….রাজিউন)। তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন জাতীয় পার্টি নেতৃবৃন্দ। প্রদত্ত বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বলেন, তাঁর মৃত্যুতে জাতীয় পার্টির অপূরণীয় ক্ষতি হলো এবং খুলনাবাসী একজন স্বচ্ছ্ব পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদকে হারালো। বিবৃতিদাতার নেতৃবৃন্দ হলেনÑজাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য সুনীল শুভ রায়, কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক সাংসদ আলহাজ্ব শেখ আবুল হোসেন, জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক সাংসদ আলহাজ আব্দুল গফফার বিশ্বাস, সাবেক কেন্দ্রীয় সদস্য আব্দুল্লাহ্ আল মামুন, সাবেক কেন্দ্রীয় সদস্য এড. মাসুদুর রহমান, সাবেক সদস্য সচিব মোল্লা শওকত হোসেন বাবুল। অনুরূপ বিবৃতি দিয়েছেনÑজাপা মহানগর যুগ্ম আহ্বায়ক শাহ মোহাম্মদ লায়েক উল্লাহ, অধ্যাপক গাউসুল আজম, খান আকরামুজ্জামান, আব্দুর সামাদ খান, মল্লিক আসাদুজ্জামান আসাদ, মোঃ মামুস হায়দার, মোঃ দেলোয়ার হোসেন, মুন্সি সিরাজুল ইসলাম, জি এম কাওসার, মোঃ আব্দুর রাজ্জাক হাওলাদার, ডাঃ হাফিজুর রহমান, মোঃ রাসেল হোসেন, মোঃ শাহাবুদ্দিন, মোঃ শহিদুল ইসলাম, আব্দুল গফফার মোড়ল, এম এ কালাম, মোঃ কালাচাঁদ, মোল্লা সাইফুল ইসলাম, মাজাহার জোয়ার্দ্দার পান, মোঃ এজাজ মিয়া, প্রিন্স হোসেন কালু, বাবুল হাসান রাজু, শহিদ হাওলার, জাহিদুল ইসলাম, গাজী খোকন, জি এম জাকির হোসেন, ফকির লুৎফর রহমান, মোঃ আলমগীর হোসেন, কালাম হোসেন সেণ্টু, কাজী মুনীর, শরীফ মোঃ ইউনুস, মোঃ জাহিদ, মোঃ হানিফ হাওলাদার, মোঃ মিণ্টু হাওলাদার, মোঃ রফিজুল ইসলাম, মোঃ রিপন হাওলাদার, আব্দুল হাকিম, গোলাম সরোওয়ার, মোঃ সোহাগ হাওলাদার প্রমুখ।
জাতীয় পার্টির সাবেক আহ্বায়ক এড. মঞ্জুরুল আলমের মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জ্ঞাপন
খবর বিজ্ঞপ্তি
জাতীয় পার্টির সাবেক কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও মহানগর আহ্বায়ক এবং আইনজীবী ফেডারেশনের সভাপতি এড. এস এম মঞ্জুর উল আলম (৮০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন (ইন্নালিল্লাহে….রাজিউন)। তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন জাতীয় পার্টি নেতৃবৃন্দ। প্রদত্ত বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বলেন, তাঁর মৃত্যুতে জাতীয় পার্টির অপূরণীয় ক্ষতি হলো এবং খুলনাবাসী একজন স্বচ্ছ্ব পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদকে হারালো। বিবৃতিদাতার নেতৃবৃন্দ হলেনÑজাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য সুনীল শুভ রায়, কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক সাংসদ আলহাজ্ব শেখ আবুল হোসেন, জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক সাংসদ আলহাজ আব্দুল গফফার বিশ্বাস, সাবেক কেন্দ্রীয় সদস্য আব্দুল্লাহ্ আল মামুন, সাবেক কেন্দ্রীয় সদস্য এড. মাসুদুর রহমান, সাবেক সদস্য সচিব মোল্লা শওকত হোসেন বাবুল। অনুরূপ বিবৃতি দিয়েছেনÑজাপা মহানগর যুগ্ম আহ্বায়ক শাহ মোহাম্মদ লায়েক উল্লাহ, অধ্যাপক গাউসুল আজম, খান আকরামুজ্জামান, আব্দুর সামাদ খান, মল্লিক আসাদুজ্জামান আসাদ, মোঃ মামুস হায়দার, মোঃ দেলোয়ার হোসেন, মুন্সি সিরাজুল ইসলাম, জি এম কাওসার, মোঃ আব্দুর রাজ্জাক হাওলাদার, ডাঃ হাফিজুর রহমান, মোঃ রাসেল হোসেন, মোঃ শাহাবুদ্দিন, মোঃ শহিদুল ইসলাম, আব্দুল গফফার মোড়ল, এম এ কালাম, মোঃ কালাচাঁদ, মোল্লা সাইফুল ইসলাম, মাজাহার জোয়ার্দ্দার পান, মোঃ এজাজ মিয়া, প্রিন্স হোসেন কালু, বাবুল হাসান রাজু, শহিদ হাওলার, জাহিদুল ইসলাম, গাজী খোকন, জি এম জাকির হোসেন, ফকির লুৎফর রহমান, মোঃ আলমগীর হোসেন, কালাম হোসেন সেণ্টু, কাজী মুনীর, শরীফ মোঃ ইউনুস, মোঃ জাহিদ, মোঃ হানিফ হাওলাদার, মোঃ মিণ্টু হাওলাদার, মোঃ রফিজুল ইসলাম, মোঃ রিপন হাওলাদার, আব্দুল হাকিম, গোলাম সরোওয়ার, মোঃ সোহাগ হাওলাদার প্রমুখ।
ফুলতলায় পরিবারের ৪ সদস্যের উপর হামলা ঘটনায় মামলা হলেও আসামী আটক হয়নি
ফুলতলা প্রতিনিধি
ফুলতলার খানজাহানপুর গ্রামে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে গৃহবধু জাকিয়া বেগম (৫০) এর স্বামীকে মারপীট, ৫০ হাজার টাকা মূল্যের স্বর্ণের চেইন ছিনতাই ও নগদ ৩৯ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়ার ঘটনায় থানায় মামলা (নং-১০, তারিখ-২১/০৪/২১) হয়েছে। মামলায় ঐ গ্রামের মৃতঃ শেখ আলীয়াতারে পুত্র শেখ রুবেল (৩৫), মৃতঃ আজিজ শেখের পুত্র রহিম শেখ (৬০) ও আলতাফ শেখ (৪৫)ম রুবেল শেখের স্ত্রী ফারজানা বেগম ২৫) ও মৃতঃ আলীয়ার শেখের স্ত্রী সাহিদা বেগম (৪২) কে আসামী করে থানায় মামলা দায়ের হয়। তবে কোন আসামী আটক না হওয়ায় বাদি পক্ষ সুবিচার চেয়ে গত ২৫ এপ্রিল খুলনা পুলিশ সুপার বরাবর আবেদন করেছেন।
খানজাহানপুর গ্রামে গৃহবধু জাকিয়া বেগম কর্তৃক খুলনা পুলিশ সুপার বরাবর দায়েরকৃত অভিযোগে জানা যায়, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে একই এলাকার আসামী শেখ রুবেল গত ১৯ এপ্রিল জাকিয়া বেগমের স্বামী শেখ কুদ্দুস জমিতে কাজ করতে গেলে তাকে গালি-গালাজ ও চুল ধরে টেনে হেচড়ে মাটিতে ফেলে দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করে। একই দিন দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে স্বামী কুদ্দুস, ছেলে মোঃ সোহাগ ও মেয়ে আমেনা বেগমকে সাথে নিয়ে ঘটনার কারণ জানতে চাওয়ায় রুবেল শেখ চড়াও হয়ে আমাদের উপর পুণরায় আক্রমন করে। এ সময় আসামীরা আমার ছেলে সোহাগের বাম পায়ে আঘাত করে পা ভেঙে দেয় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম করে। অপর আসামী রহিম শেখ ও আলতাফ শেখ আমার স্বামী কুদ্দুস শেখের মাথায় কাচি, কিল ঘুশি ও বাশের লাঠি দিয়ে আঘাত করে। এক পর্যায়ে আসামী গং আমাকে ও আমার কন্যা আমেনা বেগমকে কিলঘুষি মেরে গলায় থাকা ১৫ আনা ওজনের স্বর্নের চেইন ও ৪ আনা ওজনের কানের দুল যার আনুমানিক মূল্য (৫০ হাজার টাকা) ছিনিয়ে নেয়। এবং পুত্র সোহাগের পকেটে থাকা ৩৯ হাজার ৩শ’ ৩০টাকাসহ মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেয়। এ সময় ঐ গৃহবধু ও তার পুত্র-কন্যার চিৎকারে এলাকাবাসী উপস্থিত হলে আসামীরা তাদেরকে প্রাণনাশের হুমকী দিয়ে চলে যায়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা থানার এসআই মধুসূধন পান্ডে আসামী আটক না হওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, একাধিকবার তাদের বাড়িতে অভিযান চালিয়েও আসামীদের পাওয়া যায়নি। তবে আসামীদের আটকের জোর টেষ্টা চলছে। সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে মামলার চার্চশীট প্রদান করা হবে। অপরদিকে বাদি জাকিয়া বেগম জানান, আসামী শেখ রুবেল গংরা বিভিন্ন ভাবে আমাদের উপর একাধিবার প্রাণ নাশের হুমকী এবং একাধিক মামলা দিয়ে হয়রানী করছে। থানায় অভিযোগ দিয়েও কোন কাজ হচ্ছে না। তাই পুলিশ সুপারের নিকট সুবিচারের জন্য আবেদন করেছি।
ফুলতলায় বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের দোয়া অনুষ্ঠান
ফুলতলা প্রতিনিধি
বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন ও অবসরপ্রাপ্ত সেনা কল্যাণ সমিতি ফুলতলা উপজেলা শাখার উদ্যোগে কমিশনের সাধারণ সম্পাদক মরহুম আলহাজ্ব শেখ হারুন অর রশিদের আত্মার মাগফেতার কামনা করে জামিরা সড়কের নিজস্ব কার্যালয়ে শুক্রবার বিকাল বাদ আছর এক দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। প্রাক্তন সৈনিক সংস্থার সভাপতি আতিয়ার রহমান আকুঞ্জীর সভাপতিত্বে এবং কমিশনের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নুর হোসেন অঞ্জনের পরিচালনায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মোঃ আমিনুল ইসলাম, ক্যাপ্টঃ (অবঃ) হাজ্বি আবুল কাশেম, মোঃ মনিরুল ইসলাম সরদার, জাহিদ বিশ্বাস, ক্যাপ্টেন কুদ্দুস, সার্জেন্ট মনির, সার্জেন্ট জহুরুল ইসলাম, সার্জেন্ট আঃ রউফ সরদার, ইমান আলী, আঃ কাদের, কায়েসুজ্জামান পিকলু, সোনিয়া খান, হাসানুল বান্না প্রমুখ। দোয়া অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আতিয়ার রহমান আকুঞ্জী।
কম দামে পিচ হিসেবে কিনে বেশি দামে কেজিতে বিক্রি মোংলায় তরমুজ সিন্ডিকেট বেপরোয়া, প্রশাসন নীরব
মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
তরমুজ সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান ও জরিমানা করা হলেও একেবারে ভিন্ন চিত্র মোংলায়। প্রশাসনের নীরবতায় এখানকার তরমুজ সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। এমনিতেই প্রচন্ড গরম, তারপর রমজানের ইফতারীতে তরমুজের কদর সাধারণ একটু বেশি। তাই ক্রেতা সাধারণের কাছ থেকে সিন্ডিকেট চক্র কেজি দরে হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অংকের টাকা। এ যেন স্বাভাবিক ব্যবসা নয়, অধিক মুনাফা লাভের খেলা তরমুজ ব্যবসায়ীদের। এ নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার কমলেশ মজুমদার বলেছেন, খুব শিগগিরই তরমুজ সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে অভিযান চালাবেন তিনি। তবে তার এমন কথার পরও পেরিয়ে গেছে কয়েকদিন।
মোংলা পৌর শহরের বাজারের তরমুজের পাইকারী ও খুচরা ব্যবসায়ীদের রয়েছে পরস্পর বিরোধী বক্তব্য। পাইকারী ব্যবসায়ী মোঃ বাবুল বলেন, পটুয়াখালীর গলাচিপা এবং খুলনার বাজুয়া থেকে তারা ১৬০ টাকা পিচ দরে তরমুজ ক্রয় করেন। এরপর মোংলা বন্দরের খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে তা ১৮০ টাকা পিচ দরে বিক্রি করেন। এইভাবে তিনি এই মৌসুমে এ পর্যন্ত ১৬ লাখ টাকার তরমুজ বিক্রি করেন বলেও জানান তিনি।
তবে পাইকারী ব্যবসায়ী বাবুল মিথ্যা বলেছেন দাবী করে তরমুজের খুচরা ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান বলেন, আমরা ১২০০ টাকা দরে এক মন তরমুজ কিনে তা ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করি। একই রমক বক্তব্য দেন অন্য দুই খুচরা ব্যবসায়ী সুশান্ত ও শাহাবুদ্দিন। তারা বলেন, ১২০০ থেকে ১৫০০ টাকা দরেও মন কিনতে হয় তরমুজের। এই পাইকারী ব্যবসায়ীরা একটা বড় সিন্ডিকেট। এই দলে আছেন বাবুল, বাচ্চু, মোয়াজ্জেম, মাসুম, শামিম, মোশারেফ, ইব্রাহিম, শাহালম ও সিরাজ। এরাই মূলত মোংলা বন্দর ও পৌর শহরে যে কোন মৌসুমী ফল সিন্ডিকেট করে বিক্রি করেন বলেও অভিযোগ তাদের। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে সিন্ডিকেট চক্র বলেন, সিন্ডিকেট নয়, এক সাথে মিলেমিশে ব্যবসা করেন তারা।
সাধারণ ক্রেতা শাজাহান সিদ্দিকি, তৌহিদুল ইসলাম বলেন, সারাদিন রোজা রেখে ইফতারিতে একটু তরমুজ না হলে হয় না। তাই প্রতিদিনই তাদের বেশি দামে তরমুজ কিনে খেতে হচ্ছে উপায় নাই। প্রশাসন এক্ষেত্রে একটু ব্যবস্থা নিলে আমরা সঠিক দামে তরমুজ কিনতে পারতাম।
মোংলা উপজেলা বাজার মনিটরিং কমিটির সদস্য ও উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান নুর আলম শেখ বলেন, কৃষি বিপণণ ২০১৮ আইন অনুযায়ী তরমুজ কেজিতে সর্বোচ্চ তিন থেকে পাঁচ টাকা লাভ করতে পারবেন ব্যবসায়ীরা। কিন্তু এখানে সেটা হচ্ছেনা, পিচ হিসেবে তরমুজ কিনে ক্রেতাদের কাছে ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছেন। এটা সুস্পষ্ট প্রতারণা। প্রশাসনের নজরদারি না থাকায় প্রতিনিয়তই সাধারণ ক্রেতারা এই প্রতারণার শিকার হচ্ছেন।
বাজার মনিটরিং এর সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার কমলেশ মজুমদার বলেন, তরমুজ ব্যবসায়ীদের শুক্রবার বিকেলে ডাকা হয়েছে, সেখানে তাদের নিয়মনীতি বলে দেয়া হবে। সেই নিয়ম নীতি না মানলে তারপর থেকে কঠোর অভিযান চালানো হবে। #
মহেশপুরে অসহাই ২০০ পরিবারের হাতে তুলে দিলেন ইফতারীসহ চাল,ডাল,তেলসহ বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী
মহেশপুর(ঝিনাইদহ)প্রতিনিধিঃ
দেশে মহামারী করোনা ভাইরাসের কারনে যখন গ্রামের মানুষ গুলো একেবারেই অসহাই হয়ে পড়েছে ঠিক সে সময় আমেরিকা প্রবাসী আব্দুল ছিদ্দিকীর (ওয়াহিদ) পরিবারের সদস্যরা তাদের হাতে তুলে দিলেন ইফতারীসহ চাল,ডাল,তেলসহ বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী।
গতকাল শুক্রবার বিকালে ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার সুন্দরপুর গ্রামে প্রায় ২০০ অসহাই পরিবারের মধ্যে এসব খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সুন্দরপুর গ্রামের বিশিষ্ঠ সমাজ সেবক আবুল খায়ের চৌধুরী,এস,বি,কে ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আরিফান হাসান চৌধুরী নুথানসহ গ্রামের বিশিষ্ঠ জনেরা।
উল্লেখ্যঃ নিউওয়ার্ক শহরে আমেরিকা প্রবাসী আব্দুল ছিদ্দিকীর (ওয়াহিদ), শাহারিয়ার রহমান ও মাহাব মিয়া প্রতিবরের ন্যায় এবারও চার হাজার বাঙ্গালীদের মধ্যে ইফতারীসহ চাল,ডাল,তেলসহ বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছেন।
ভারত থেকে ১০৫ বাংলাদেশি যাত্রী বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে দেশে ফিরেছেন
বেনাপোল প্রতিনিধি
ভারত থেকে আজ শুক্রবার সকাল থেকে বিকেলে পর্যন্ত ১০৫ বাংলাদেশি যাত্রী বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে দেশে ফিরেছেন।
ইমিগ্রেশন ও স্বাস্থ্য বিভাগের আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাদের বেনাপোলে একটি আবাসিক হোটেলে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। তারা তাদের নিজ খরচে সেখানে অবস্থান করবেন।
কোলকাতাস্থ বাংলাদেশের ডেপুটি হাই কমিশন অফিস থেকে এনওসি নিয়ে দেশে ফেরেন তারা। এদিকে, বাংলাদেশ থেকে ২১ জন ভারতীয় নাগরিক ভারতে ফিরে গেছেন।
বাংলাদেশ সরকার ১৪ দিনের জন্য ভারতের সঙ্গে সীমাšত বন্ধের ঘোষণা দেয়ার আগে অনেক রোগী ও শিক্ষার্থী দেশে ফেরার জন্য রওনা হয়েছিলেন।
ভারত থেকে আসা আ: সামাদ নামে এক যাত্রী জানান, অšতত একদিন আগে বর্ডার বন্ধের ঘোষণা দেওয়া উচিত ছিল। তাহলে বর্ডারে এসে আমাদের এই ভোগাšিততে পড়তে হতো না।
ওপারে আটকে থাকা যাত্রীদের মধ্যে বেশির ভাগ রোগী এবং শিক্ষার্থী।
বেনাপোল ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহসান হাবিব জানান, ১৪ দিন ইমিগ্রেশন বন্ধের নির্দেশনাপত্র হাতে পেয়ে যাত্রীদের পাসপোর্টের যে আনুষ্ঠানিকতা সেটি বন্ধ রাখা রয়েছে। হাইকমিশনার কর্তৃক বিশেষ অনুমতিপত্র নিয়ে আসা যাত্রীদের ছাড় দেয়া হচ্ছে। গত ৪ দিনে বেনাপোল দিয়ে ভারত থেকে ৮১০ জন যাত্রী দেশে ফিরেছেন।
খুলনার সাংস্কৃতিক আন্দোলন সমন্বয় কমিটি
খবর বিজ্ঞপ্তি
শুক্রবার সকাল ১১টায় খুলনা নাট্যনিকেতন কার্যালয়ে মোঃ এনামুল হক মিলু মিলানায়তনে গত ২৬.৪.২০২১ সভার সিদ্ধান্ত সমূহ নিয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
সভায় খুলনা সাংস্কৃতিক আন্দোলন সমন্ময় কমিটির সকণ সদস্যকে যথা সময় উপস্থিত থাকার জন্য মুক্তিযোদ্ধা মোকলেসুর রহমান বাবলু আহ্বায়ক ও মহানগর আওয়ামীলীগের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক কামরুল ইসলাম বাবলু ও অ্যাডভোকেট মিনা মিজান যুন্মআহ্বায়ক এবং সদস্য সচিব এম এম জাফর ইকবাল অনুরোধ যানিয়েছেন।
অনির্বাণ সম্পাদক স্মরণে শোক ও প্রার্থনা
খবর বিজ্ঞপ্তি
বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, দৈনিক অনির্বাণ সম্পাদক ও বাংলাদেশ আঞ্চলিক সংবাদ পত্র পরিষদের সভাপতি অধ্যক্ষ আলী আহমেদ স্মরণে শোক ও প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বেলা ১১টায় বাজার কালিবাড়ি মন্দিরে এর আয়োজন করা হয়।
সভাপতিত্ব করেন ধর্মীয় সংবাদ পরিবেশক সুব্রত হালদার তপা। অনষ্ঠান পরিচালনায় ছিলেন সুশান্ত ব্যানার্জী ও উজ্জল ব্যানার্জী। উপস্থিত ছিলেন মন্দিরের সেবায়েত ও পুরোহিত শিবচন্দ্র ব্যানার্জী, বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ নগর শাখার সভাপতি শ্যামল হালদার, সাবেক সভাপতি গোপী কিষান মুন্ধাড়া, সাধারণ সম্পাদক প্রশান্ত কুমার কুন্ডু, তোতন হালদার, ভোলানাথ ভট্টচার্য, আকাশ ব্যানার্জী, স্বপন সরকার, দিলীপ সাহা, তপন সাহা, শংকর ঘোষ, রতন নাথ, ভবেশ সাহা, বিধান চন্দ্র রায়, রুপন দে, ইন্দ্রজিৎ কুন্ডু, রাজু শীল, দিপ্র দাস, সবুজ ভট্টচার্য ও মনি সাহনী। ভক্তবৃন্দ আলী আহমেদের আত্মার শান্তি কামনা করেন।
খুলনা প্রেসক্লাবের শোক
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম জাহিদ হোসেনের বড় শ্যালিকা ও খুলনার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জমাদ্দার ইমাম হোসেনের স্ত্রী রোজী ইমাম(৬২) আজ শুক্রবার কোলকাতার একটি হোটেলে স্থানীয় সময় সকাল ৮টার দিকে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি …. রাজিউন)।
তিনি স্বামীর চিকিৎসার জন্য বড় মেয়ে ও জামাইকে নিয়ে গত ৭ মার্চ ভারতের চেন্নাই যান। সেখানে চিকিৎসা শেষে তারা কোলকাতার একটি হোটেলে এসে পৌঁছান। গতকাল তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। মৃত্যুকালে তিনি স্বামী, দুই মেয়ে, দুই জামাতা, ভাই-বোন আত্মীয়-স্বজনসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।
মরহুমার লাশ আগামীকাল খুলনাস্থ ছোট মির্জাপুর নিজস্ব বাসভবনে আনার কথা রয়েছে। পরে জানাজা শেষে টুটপাড়া কবরস্থানে দাফন করা হবে।
এদিকে মরহুমার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন খুলনা প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক হাসান আহমেদ মোল্লাসহ নির্বাহী পরিষদের সদস্যবৃন্দ।
দাকোপে ২৫ বিঘা জমির তরমুজ লুট-পাট ও মারপিটের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত
নিজস্ব প্রতিবেদক
খুলনা জেলার দাকোপ উপজেলার ৪ নং কৈলাশগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিহির মন্ডলের নেতৃত্বে ২৫ বিঘা জমির তরমুজ কেটে লুটপাট, দফায় দফায় হামলা-মারপিট ও জীবনাশের হুমকি এবং মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানী করার প্রতিবাদে এক সংবাদ সম্মেলন ৩০ এপ্রিল বেলা ১১ টায় খুলনা প্রেসক্লাবের হুমায়ুন কবীর বালু মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন দাকোপের ধোপাদী গ্রামের ফারুক মল্লিকের ছেলে হুমায়ুন কবীর মল্লিক।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন-উপজেলার নায়দের খাল ধোপাদী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পূর্ব পাশের বিলে আমার পিতা মোঃ ফারুক মল্লিক, গনেশ সরকার, খুলনার বসুপাড়া এলাকার এনাম আহমেদ ও রূপসার মুজিবর রহমানের ৩৫ বিঘা জমি রয়েছে। ক্রয় সুত্রে মালিকানা ওই জমি আমরা ভোগদখলে রয়েছি। এদিকে ওই জমি নিয়ে একই এলাকার আবুল খায়ের ও তপন মন্ডলের সাথে আমাদের বিবাদের জের ধরে প্রতিপক্ষদ্বয় আদালতে মামলা দায়ের করে। মামলায় বিজ্ঞ আদালত আমাদের পক্ষে রায় ঘোষণা করেন। এদিকে চলতি মৌসুমে ওই ৩৫ বিঘা জমির মধ্যে ২৫ বিঘা জমিতে আমরা তরমুজের আবাদ করেছি। এদিকে গত ইংরাজী ২৫/০৪/২০২১ তারিখ সকাল সাড়ে ০৯ টায় ৪নং কৈলাশগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান মিহির মন্ডল বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তপন মন্ডল, বিলাস মন্ডল, পলাশ মন্ডলসহ প্রায় শতাধীক লোকজন নিয়ে ১০টি পিকআপসহ আমাদের তরমুজের খেতে হাজির হন। তিনি রাস্তার উপর পিকআপ গুলি দাঁড় করিয়ে লোকজন নিয়ে ক্ষেতে নেমে তরমুজ তুলে পিকআপে তুলতে থাকেন। আমি ও আমার লোকজন তাদের বাধা দিলে মিহির মন্ডল ক্ষিপ্ত হয়ে তার লোকজনদের আমাকে হত্যার নির্দেশ দেন। সাথে সাথে তার সশস্ত্র বাহিনী আমাকে ও আমার লোকজনদের ধাওয়া করলে আমরা দৌঁড়ে পালিয়ে প্রাণ রক্ষা পাই। এসময় আমার ডাক চিৎকারে গ্রামবাসী এবং আমার ক্ষেতের সেচকাজে নিয়োজিত কর্মচারীরা ছুটে আসলে চেয়ারম্যান মিহির মন্ডলের নির্দেশে বিলাস মন্ডল ও রতন কুমার রায় অপর্ণা সরকারকে লোহার রড ও বাশের লাঠি দিয়ে পেটাতে থাকে। তাকে উদ্ধারের জন্য আমেনা বেগম, ফাতেমা বেগম, ফাহিম বেগম ও পুতুল সরকার ছুটে গেলে পলাশ মন্ডল, অভিজিৎ পাল, দূর্গাপদ মন্ডল, আরাফাত আজাদ ও তোতন তাদেরকে চড়-থাপ্পড়, কিল-ঘুষি, লাথি মারতে থাকে। মারতে মারতে তাদের বিবস্ত্র করে শ্লীলতাহানী করে। গ্রামবাসীর উপস্থিতি বেশি হওয়ায় আমি ঘটনাস্থলে এগিয়ে গেলে রতন কুমার রায় আমাকে আকস্মিক মুখে ঘুষি মারে। এতে আমার নিচের ঠোট ফেটে রক্তাক্ত জখম হয়। এলোপাতাড়ি মারপিটের সময় মিহির মন্ডল মারপিটের হুকুম দেওয়ার পাশাপাশি নিজে আমাদের বেধড়কভাবে মারপিট করতে থাকে। একদিকে মারপিট অনদিকে জমির তরমুজ তুলে পিকআপে করে নেওয়ার প্রস্তুতি চলতে থাকে। একপর্যায়ে পিকআপ ভর্তি করে তরমুজ নিয়ে চলে যেতে থাকলে দাকোপ থানা পুলিশ ঘটনান্থলে পৌঁছে তরমুজ বোঝায় ৬টি পিকআপ আটক করে। এসময় চেয়ারম্যান মিহির মন্ডল ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে দুইটি পিকআপ ছাড়িয়ে নেয়। তরমুজ বোঝায় বাকী ৪টি পিকআপ পুলিশ থানায় নিয়ে যায়। ক্ষেত থেকে কেটে নেওয়া তরমুজের মূল্য প্রায় ৩০ লাখ টাকা। এছাড়া তারা আমাদের ক্ষেতে থাকা ১ টি ইলেকট্রিক ও ৩টি ডিজেলসহ ৪টি ওয়াটার পাম্প মেশিন, ১২টি ড্রাম, ৩মণ সেচ পাইপ, ক্ষেত পাহারার ৪টি টর্চ লাইট নিয়ে যায়। যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ১,০৩,৪০০/=টাকা।
অপরদিকে ২৬ এপ্রিল সন্ধ্য ৬টা ২০ মিনিটে তাদের খোজ-খবর নেওয়া ও ওষুধ কিনে দেওয়ার জন্য যায়। হাসপাতাল থেকে আমার পিতা ফারুক মল্লিক, বেল্লাল মল্লিক, মোঃ নুরুল হক, দিলিপ ও আবুল হাওলাদারসহ হাসপাতলের বাইরে আসা মাত্র তপন মন্ডল এক হাত দিয়ে আমার পিতাকে জড়িয়ে ধরে এবং অপর হাত দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে গলা টিপে ধরে। এসময় মিহির মন্ডল চাইনিজ কুড়াল দিয়ে আমার পিতা ফারুক মল্লিকের মাথার বামপাশে সজোরে কোপ মারে। এসময় মিহির বাহিনীর হামলায় গনেশ সরকার গুরুতর আহত হন। সাথে সাথে আমরা ধরাধরি করে আমার পিতাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করায়। তার অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় পরে তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। বর্তমানে আমার পিতা খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতলে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে।
এ ঘটনায় ৩২ জনের নাম উল্লেখ সহ অজ্ঞাত ৫০/৬০ জনকে আসামী করে থানায় মামলা দায়ের করেছি। অপরদিকে আসামী পক্ষ নিজেদের বাঁচাতে আসামী তপন মন্ডলকে বাদী করে আমাদের বিরুদ্ধে থানায় মিথ্যা ঘটনা সাজিয়ে কাউন্টার মামলা দায়ের করে হয়রানী করছে। সংবাদ সম্মেলনে
মিহির মন্ডলসহ তার বাহিনীর সকল সদস্যদের অনতি বিলম্বে গ্রেফতার পূর্বক আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। সেই সাথে আমাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবী জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মোঃ মুজিবর রহমান, এনাম আহম্মেদ, গণেশ সরকার, আবুল হাওলাদার, বেল্লাল মল্লিক ও শহিদুল ইসলাম।
অ্যাডভোকেট এস এম মঞ্জুর-উল-আলমের মৃত্যুতে খুলনা মহানগর বিএনপির শোক
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতির সিনিয়র সদস্য, সাবেক পাবলিক প্রসিকিউটর, বর্ষিয়ান ও পরিচ্ছন্ন রাজনীতিক অ্যাডভোকেট এস এম মঞ্জুর-উল-আলম ইন্তেকাল করেছেন (ইন্ন লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১ টার দিকে খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে এক ছেলে ও এক মেয়ে, নাতি-নাতনি, আত্মীয়-স্বজনসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। মঞ্জুর-উল-আলমের মৃত্যুর মাত্র এক সপ্তাহ আগে তার স্ত্রী করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যান। অ্যাডভোকেট এস এম মঞ্জুর-উল-আলম’র মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করে বিবৃতি দিয়েছেন খুলনা মহানগর বিএনপি নেতৃবৃন্দ।
বিবৃতিদাতারা হলেন, খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু, সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মনি, সাহারুজ্জামান মোর্ত্তজা, মীর কায়সেদ আলী, শেখ মোশাররফ হোসেন, জাফরউল¬াহ খান সাচ্চু, জলিল খান কালাম, সিরাজুল ইসলাম, এড. ফজলে হালিম লিটন, এড. বজলুর রহমান, এড. এস আর ফারুক, স ম আব্দুর রহমান, শেখ ইকবাল হোসেন, শেখ জাহিদুল ইসলাম, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, শেখ আমজাদ হোসেন, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, সিরাজুল হক নান্নু, মো. মাহবুব কায়সার, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, এস এম আরিফুর রহমান মিঠু ও ইকবাল হোসেন খোকন প্রমুখ।











































