- খুলনাঞ্চল ডেস্ক
প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস সংক্রমণে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ ২০ দেশ বা অঞ্চলের মধ্যে রয়েছে ভারত ও মিয়ানমার। তবে এ তালিকায় নাম নেই বাংলাদেশের। সম্প্রতি জার্মানির হামবোল্ট ইউনিভার্সিটি ও রবার্ট কচ ইনস্টিটিউটের এক গবেষণায় এ তথ্য জানানো হয়েছে। খবর এনডিটিভি ও সিএনএনের।
বিশ্বজুড়ে এখন পর্যন্ত করোনা ভাইরাসে মারা গেছেন ৮১৩ জন। এর মধ্যে চীনের মূল ভূখ- ও এর বাইরে মৃত্যু হয়েছে ৮১১ জনের। এছাড়া হংকং ও ফিলিপিন্সে মারা গেছেন একজন করে। চীনের উহান শহর থেকে ছড়ানো করোনা ভাইরাস সংক্রমণের দিক থেকে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে থাইল্যান্ড, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া। থাইল্যান্ডে এ পর্যন্ত এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৩২ জন। জাপানে আক্রান্ত হয়েছেন ৯০ জন। এদের মধ্যে ৬৪ জনই একটি প্রমোদতরীর। এছাড়া দক্ষিণ কোরিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন ২৫ জন। তালিকায় চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানে রয়েছে হংকং ও তাইওয়ান। হংকংয়ে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে, আক্রান্ত আরও ২৬ জন। তাইওয়ানে ভাইরাসে আক্রান্ত ১৭ জন। সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকা শীর্ষ দশের বাকি দেশগুলো হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া,
সিঙ্গাপুর ও কম্বোডিয়া। যুক্তরাষ্ট্রে এ পর্যন্ত ১২ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস পাওয়া গেছে। ভিয়েতনামে রয়েছে ১৩ জন, মালয়েশিয়ায় ১৬ জন, সিঙ্গাপুরে ৪০ ও কম্বোডিয়ায় একজন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এরপর রয়েছে যথাক্রমে অস্ট্রেলিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ম্যাকাও, ফিলিপিন্স, রাশিয়া, কানাডা, ভারত, জার্মানি, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও মিয়ানমার। অস্ট্রেলিয়ায় এখন পর্যন্ত করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১৫ জন, ম্যাকাওতে ১০ জন। ফিলিপিন্সে ভাইরাস আক্রান্ত তিনজন এবং মারা গেছেন একজন। এছাড়া রাশিয়ায় দুজন, কানাডায় সাতজন, ভারতে তিনজন, জার্মানিতে ১৩ জন এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে সাতজন ভাইরাস আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। মূলত চীনের সংক্রমিত এলাকা থেকে আকাশপথে বিভিন্ন দেশে করোনা ভাইরাস আক্রান্ত রোগী প্রবেশের হারের সম্ভাবনার ওপর ভিত্তি করে গবেষণা প্রতিবেদনটি তৈরি হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, আকাশপথে ভ্রমণকারীর সংখ্যা দেখে ধারণা করা যায়, কী হারে ভাইরাস অন্যান্য এলাকায় ছড়িয়ে পড়তে পারে। যে রুট যত ব্যস্ত, সেটিতে আক্রান্ত যাত্রী চলাচলের সম্ভাবনা তত বেশি। এই সম্ভাব্য ধারণা ব্যবহার করে অন্যান্য বিমানবন্দরগুলোতে ‘আপেক্ষিক আগমনী ঝুঁকি’ হিসাব করা হয়েছে। বাংলাদেশ থেকে চীনের বেজিং, গুয়াংজু, কুনমিংসহ কয়েকটি রুটে বিমান চলাচল করে। তারপরও ঝুঁকিপূর্ণ দেশের তালিকায় নাম আসেনি বাংলাদেশের, এখানে এখন পর্যন্ত করোনা ভাইরাস আক্রান্তও পাওয়া যায়নি। করোনা ভাইরাসের উৎসস্থল উহানে এক মার্কিন ও এক জাপানী নাগরিক মারা গেছেন।











































