মোঃ রেজাউর রহমান তনু, কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
কুষ্টিয়া জেলা ট্রাক, ট্রাক্টর, কাভার্ডভ্যান, ট্যাংকলরী (দার্হ্য পদার্থ বহনকারী ব্যতীত) শ্রমিক ইউনিয়ন রেজিস্ট্রেশন নং খুলনা-১১১৮ এর আইলচারা শাখা অফিসে জুয়ার আসর। শনিবার (৭ নভেম্বর) রাতে কুষ্টিয়া মডেল থানা পুলিশের অভিযানে ১৬ জুয়ারি আটক। এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, এই অফিসের শাখা প্রধান ইছাহক। তিনি সেখানে এই জুয়ার আসর চালায় বলে জানান এলাকাবাসী। জুয়ার পাশাপাশি সেখানে চলে মাদক সেবন এমনটি অভিযোগ করলেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকার একাধিক ব্যক্তি।শাখা প্রধান ইছাহক এর মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি অকপটে স্বীকার করে নেন যে কিছু ড্রাইভার এখানে এসে মাদক সেবন করেন এবং জুয়া খেলে। কিন্তু আমি এগুলো করায় এটা সত্য নয়।কুষ্টিয়া জেলা ট্রাক, ট্রাক্টর, কাভার্ডভ্যান, ট্যাংকলরী (দার্হ্য পদার্থ বহনকারী ব্যতীত) শ্রমিক ইউনিয়ন রেজিস্ট্রেশন নং খুলনা-১১১৮ এর সাধারণ সম্পাদক শাহীনের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, আইলচারা শাখা অফিসে অভিযানের সময় আমি ছিলাম। সেখানে ইছাহকের নেতৃত্বে জুয়া ও মাদক সেবনের বিষয়টি সত্য নয়।কুষ্টিয়া মডেল থানার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআই মাসুদ, এসআই আতিক, এসআই জাহিদ ও এসআই ফিরোজের নেতৃত্বে সদর উপজেলার আইলচারা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে নগদ অর্থ ও জুয়ার সামগ্রিক সহ ১৬ জুয়াড়িকে আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন বড় আইলচারা এলাকার আব্বাস আলীর পুত্র রুবেল হোসেন (৩৬), কুদ্দুস আলীর পুত্র আলামিন(২৮), চিথলিয়া এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে জাকির হোসেন(২৪), বড় আইলচারা এলাকার সদর আলির ছেলে মামুন হোসেন(৩৭), আহসান আলির ছেলে আসমত আলি(৩৫), আইয়ুব আলির ছেলে বাহার (৩২), আনছার আলির ছেলে লিটন (৩৪), আরশাদ আলির ছেলে আমিরুল(৪০), জহিরুল ইসলামের ছেলে শিশির(২৫), মুকবুল মালিথার ছেলে মন্টু মালিথা(৪১), রহিমের ছেলে আনোয়ার(৪২), আমজাদের ছেলে করিম(২৮), কলিমের ছেলে ওয়াসিম(২৫), আমজাদ হোসেনের ছেলে শাহিন(৩৪), সোনা মন্ডলের ছেলে সায়েদ(৫৪), জুর আলির ছেলে করিম(৪৭)। আটকদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে জুয়া খেলার অপরাধে কুষ্টিয়া মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-১৬। এ বিষয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কালাম জুয়াড়িদের আটকের বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।











































