স্টাফ রিপোর্টার।।
খুলনার খালিশপুরে একটি সংঘবদ্ধ চক্র কর্তৃক বহুতল ভবন ও একাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান জোরপূর্বক দখল এবং ভুক্তভোগী পরিবারকে এলাকা ছাড়া করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ, উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা ছড়িয়ে পড়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, খালিশপুর থানার ১০নম্বর ওয়ার্ডের বহিষ্কৃত নেতা আব্দুল মতিন বাচ্চুর প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় তার ছোট ভাই শহিদুল ইসলাম সুজন এবং জাহিদুল ইসলামসহ একটি সংঘবদ্ধ চক্র এই দখলদারিত্বের সাথে জড়িত। চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে ভুক্তভোগী পরিবারটিকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি-ধামকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আসছিল। একপর্যায়ে চরম নিরাপত্তাহীনতার মুখে পরিবারটিকে এলাকা থেকে বিতাড়িত করে তারা পুরো সম্পত্তি জবরদখল করে নেয়।
স্থানীয় ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, খুলনার খালিশপুর থানাধীন গোয়ালপাড়া পাওয়ার হাউস গেট এলাকায় অবস্থিত ৬১৬ নম্বর হোল্ডিংয়ের বহুতল ভবন এবং উক্ত ভবনে থাকা ‘লাকি ইলেকট্রনিক্স’সহ একাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান জোরপূর্বক নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে ওই চক্রটি।
এদিকে প্রকাশ্য দিবালোকে এমন দখলদারিত্বের ঘটনায় পুরো এলাকাজুড়ে এক ধরনের থমথমে পরিস্থিতি ও সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, অভিযুক্তরা প্রভাবশালী হওয়ায় অনেকেই চরম ভয়ের কারণে প্রকাশ্যে মুখ খুলতে বা প্রতিবাদ করতে সাহস পাচ্ছেন না। ব্যবসা-বাণিজ্য টিকিয়ে রাখা এবং জানমালের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন ওই এলাকার অন্যান্য ব্যবসায়ীরাও।
১০নম্বর ওয়ার্ডের বহিষ্কৃত নেতা আব্দুল মতিন বাচ্চু জানান, তার ছোট ভাই শহিদুল আলম ও জাহাঙ্গীরের কাছে ৫৫ লাখ টাকা পাবেন । সেই টাকা না দিয়ে তারা আত্ম গোপনে গেলে স্থানীয় বনিক সমিতির মাধ্যমে উক্ত ভবনটি নিজেদের হেফাজতে নিয়েছেন। দখলের নেয়ার প্রশ্নটি সঠিক নয়। স্থানীয় খালিশপুর থানা পুলিশ সবকিছুই জানেন।
খুলনা জজ কোর্টের আইনজীবী আমিনুল ইসলাম জানান, টাকা পেলে দেশে প্রচলিত আইনের সহায়তা নিতে পারতেন কিন্তু তিনি আইনের সহায়তা না নিয়ে আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে অপরাধ করেছেন।
এলাকাবাসী ও স্থানীয় সচেতন মহল এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বিষয়টির সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন। একই সাথে ভুক্তভোগী পরিবারের ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণ এবং এলাকায় শান্তিপূর্ণ ও ব্যবসায়িক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দ্রুত ও কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।











































