Home খেলাধুলা আফঈদাদের এশিয়া কাপ শিক্ষা

আফঈদাদের এশিয়া কাপ শিক্ষা

4

স্পোর্টস ডেস্ক ।।

নারী এশিয়ান কাপের মতো বয়সভিত্তিক এশিয়া কাপেও ছিল কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার সুযোগ। মঙ্গলবার থাইল্যান্ডের ননথাবুরি স্টেডিয়ামে ভিয়েতনামের সঙ্গে ড্র কিংবা জিতলে অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপের শেষ আটে খেলার স্বপ্ন পূরণ হতো বাংলাদেশের। কিন্তু অর্পিতা বিশ্বাস-আফঈদা খন্দকাররা পারেননি সমীকরণ মেলাতে। ভিয়েতনামের কাছে ১-০ গোলে হেরে বিদায় নিয়েছেন প্রতিযোগিতা থেকে।

অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত নারী এশিয়ান কাপের মতো একই দশা বয়সভিত্তিক প্রতিযোগিতায়। সেই আসরের মতো এখানেও টানা তিন ম্যাচে হেরেছে পিটার বাটলারের দল। সাফের গণ্ডি পেরিয়ে প্রথমবার এশিয়ান কাপে খেলা বাংলাদেশের মেয়েরা বুঝেছে আসল বাস্তবতা। অন্যান্য দেশের চেয়ে তারা কতটা পিছিয়ে তা ফুটে উঠেছে প্রায় প্রতিটি ম্যাচেই। এশিয়ান কাপের এই শিক্ষা থেকে ভবিষ্যতে এগিয়ে যাওয়ার আশা ফুটবলারদের। এশিয়ান কাপ মিশন শেষ করে গতকাল দেশে ফিরেছেন মিলি আক্তার-সুরমা জান্নাতরা।

থাইল্যান্ডে অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপে গ্রুপ ‘এ’তে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ছিল ২০০৬ সালের চ্যাম্পিয়ন চীন, স্বাগতিক থাইল্যান্ড এবং ভিয়েতনাম। নিজেদের প্রথম ম্যাচে থাইল্যান্ডের বিপক্ষে অবিশ্বাস্য পারফরম্যান্স দেখান মেয়েরা। বিশেষ করে মোসাম্মৎ সাগরিকার জোড়া গোলে দুই গোলে লিড নেওয়া বাংলাদেশ জয়ের পথে ছিল। কিন্তু রক্ষণভাগের দুটি ভুলে সবকিছু হয়ে যায় এলোমেলো। মাত্র ১০ মিনিটের মধ্যে তিন গোল হজম করে ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়েন তারা। অথচ এই ম্যাচ জিতলে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা উজ্জ্বল হতো।

পরের ম্যাচে শক্তিশালী চীনের বিপক্ষে লড়াকু পারফরম্যান্স উপহার দেওয়া বাটলারের দল হেরে যায় ২-০ গোলে। তবুও শেষ আটের স্বপ্ন বেঁচে ছিল। যে ম্যাচে তাকিয়ে ছিল ভালো করার, সেই ভিয়েতনামের বিপক্ষেই কিনা টুর্নামেন্টে নিজেদের সবচেয়ে বাজে পারফরম্যান্স করেন মেয়েরা। তিন ম্যাচে ৬ গোল হজম করা বাংলাদেশ করতে পেরেছে দুই গোল।

এই প্রতিযোগিতায় দলের পারফরম্যান্স নিয়ে কোচ পিটার বাটলারের ব্যাখ্যা, ‘আমি নিরলসভাবে কাজ করেছি, কিন্তু আমাদের সেই মানের খেলোয়াড় নেই। আবার যোগ্যতা অর্জন করতে হয়তো অনেক সময় লেগে যেতে পারে।’ মে-জুনে ভারতের গোয়ায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা নারী সাফ ফুটবল। টানা তৃতীয়বারের মতো এই ট্রফি জেতার স্বপ্ন দেখছে লাল-সবুজের দলটি।