স্পোর্টস ডেস্ক
আবু ধাবিতে ইন্টারন্যাশনাল লীগ টি-টোয়েন্টিতে (আইএল টি-টোয়েন্টি) এমআই এমিরেটসের বিপক্ষে শ্বাসরুদ্ধকর লড়াইয়ে ১ রানে জয় তুলে নেয় ডেজার্ট ভাইপার্স। তবে মঙ্গলবারের ম্যাচটি নিয়ে আলোচনা উঠেছে নিকোলাস পুরানের একটি সিদ্ধান্ত নিয়ে। একদম সহজ সুযোগ পেয়েও ম্যাক্স হোলেন্ডকে স্টাম্পিং করা থেকে বিরত থাকেন পুরান। পরে হোল্ডেনকে রিটায়ার্ড আউট হিসেবে তুলে ভাইপার্স তুলে নিলে বিষয়টি তুমুল আলোচনার জন্ম দেয়।
টসে হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নামে ভাইপার্স। ইনিংসের ষোড়শ ওভারে দলের খাতায় রান ১ উইকেটে ১১০। তখন ক্রিজে ছিলেন স্যাম কারেন ও হোল্ডেন। হাতে উইকেট থাকলেও দু’জন মিলে দলের খাতায় রান যোগ করতে হিমশিম খাচ্ছিলেন। ১২ থেকে ১৫ ওভার পর্যন্ত দু’জন মিলে করেন ২০ রান। এমন অবস্থায় রশিদ খানের ওভারটির তৃতীয় ও চতুর্থ বলে কোনো রান নিতে ব্যর্থ হন হোল্ডেন। পরের বলে ২ রান নেয়ার পরই মঞ্চস্থ হয় সেই নাটক।
রশিদ খানের অফ স্টাম্পের বেশ বাইরে থাকা শেষ বলটি খেলতে গিয়ে অনেকটা সামনে এগিয়ে যান হোল্ডেন। তবে ব্যাটে বল লাগাতে পারনেনি তিনি। ওয়াইড বলটি চলে যায় উইকেটের পেছনে থাকা পুরানের হাতে। ক্রিজ ছেড়ে অনেকটা বেড়িয়ে আসা হোল্ডেন উইকেট বাঁচানোর আশা একেবারেই ছেড়ে দেন। তবে সবাইকে অবাক করে দিয়ে স্টাম্পে বল দিয়ে আঘাত করা থেকে বিরত থাকেন পুরান। ধারাভাষ্যকার থেকে শুরু করে দর্শক, সবাই হতবাক। পরের ওভারেই হোল্ডেনকে তুলে নেয় রিটায়ার্ড আউট হিসেবে।
পুরানের এই ঘটনাটিকে ক্রিকেটবিশ্ব আখ্যা দিচ্ছে ‘ট্যাকটিকাল নন-স্টাম্পিং’ নামে। সাবেক ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটারের বুদ্ধির প্রশংসা করছে সবাই। আবার মিশ্র প্রতিক্রিয়াও রয়েছে দর্শকদের মধ্যে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফিক্সিংয়ের অভিযোগও তুলছেন কেউ কেউ। তবে এমন সিদ্ধান্তকে ‘কৌশলগত কারণ’ হিসেবেই দেখছেন বোদ্ধারা।











































