শামিম শিকদার।।
খুলনা মহানগরীর ট্যাংক রোড এলাকার একটি পরিত্যক্ত ভবন থেকে মো. আলামিন ওরফে সবুজ (৩৭) নামে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার নিয়ে নানা গুজ্ঞন শুরু হয়েছে। প্রশ্ন দেখা দিয়েছে যুবক আত্মহত্যা করেছে নাকি তাকে হত্যা করা হয়েছে।
শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা পৌনে ১১টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। সবুজ জেলার রূপসা উপজেলার পিঠাভোগ এলাকার বাসিন্দা সিরাজ মল্লিকের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে. শনিবার বেলা পৌনে ১১ টার দিকে নগরীর ট্যাংক রোডের (৬৬ এমটি রোডের) চারতলা পরিত্যক্ত ভবনে সবুজের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয় এলাকাবাসী। পুলিশ লাশের সুরতহাল রিপোর্ট করে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।
যদিও খুলনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘‘সবুজ মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। তিনি ফার্নিচারের দোকানে কাজ করতেন। গত ২৪ সেপ্টেম্বর কাজের উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরেনি। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য সকল যায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও পায়নি। শুক্রবার এ ঘটনায় রূপসা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তারা। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
কিন্তু স্থানীয় একাধিক সুত্রের দাবি পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে সবুজের সাথে কয়েক দফায় দ্বন্দ্ব হয়েছে তার এক চাচার সাথে। সবুজের পিতা সিরাজ মল্লিকের সৎভাই সম্পত্তি দখলে নেয়ার জন্য আগেও কয়েক দফায় সবুজকে মারপিট করেছেন।
এছাড়া সবুজের মরদেহ উদ্ধারের পর তার ওই চাচা আত্মগোপনে রয়েছে বলে একাধিক সুত্র দাবি করেছে। অসহায় সবুজের আত্মীয় স্বজন ওই চাচার ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না তারা অনুসন্ধান করে আসল রহেস্য উদঘাটনের জন্য প্রশাসনের প্রতি দাবি জানিয়েছেন।









































