মহেশপুর প্রতিনিধি
দীর্ঘদিনের ভোগান্তির পর নতুন সড়ক নির্মাণে আশার আলো দেখেছে স্থানীয়রা। ১ কোটি ৬৮লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মান করা হয় ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার মান্দারবাড়িয়া ইউনিয়নের বাথানগাছী পান্তার মোড় থেকে মির্জাপুর মবিনের বাড়ি পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার নতুন রাস্তা। কিন্তু নির্মান কাজ এখনো শেষ না হতেই ভাঙ্গতে শুর করেছে সে রাস্তা। সড়কের এজিং (সড়কের পাশ্ব ভাঙন প্রতিরোধ করা জন্য) ভেঙে হুমকিতে পড়েছে নির্মাণাধীন দেড় কিলোমিটার সড়ক। এতে নিম্নমানের ইট-খোয়া নিন্মমানের সামগ্রী দিয়ে নির্মাণ ও সড়কের পাশদিয়ে মাটি না দেওয়ার অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে।
সরজমিনে গিযে দেখা গেছে, সড়কের পাশে মাটি না থাকায় একাধিক জায়গায় এজিং ধসে পরেছে। অনেক জায়গায় সড়কের একপাশ বসে গিয়ে সড়ক ভেঙে গেছে। সড়কের মাঝে মাঝে দেখা দিয়েছে ফাটল,পিচ উঠে গর্ত সৃষ্টি হয়েছে মাঝে মাঝে। কাজ এখনো শেষ হয়নি এমনকি এলজিইডি অফিসকেও কাজ বুঝিয়ে দেয়নি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান। এরি মধ্যে সড়কের বেহাল অবস্থা দেখে গনমাধ্যম কর্মীরাও হতবাক।
উপজেলা এলজিইডির সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরে এক কোটি ৬৮লাখ টাকার বাদ্দের দেড় কিলোমিটার রাস্তা নির্মানের কাজ পান ঝিনাইদহরে স্মার্ট কনস্ট্রাকশন। রাস্তা নির্মান কাজ এখনো চলমান রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দরা জানায়, সড়কে ব্যবহার করা হয়েছে নিম্নমানের ইট-খোয়া ও নিন্মমানে সামগ্রী দিয়ে রাস্তা নির্মান করার কারণে সামান্য বৃষ্টিতে রাস্তার বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং এর মাঝখানে পানি জমে থাকে। বিভিন্ন স্থানে উচু নিচু হয়ে দেবে গেছে রাস্তা। সড়কের পাশে ৩ ফুট মাটি দেওয়ার কথা থাকলেও নামমাত্র মাটি দিয়েছিল। রাস্তার পাশে মাটি না থাকায় একাধিক জায়গায় এজিং ধসে সড়ক ভেঙে গেছে। সরকারের প্রায় দুই কোটি টাকা ব্যয়ে সড়ক নির্মাণের এক মাসেই ভাঙতে শুরু করেছে। শিগগির ব্যবস্থা না নিলে ৩ মাসের মধ্যে সড়কে যান চলাচলের অযোগ্য হয়ে পরতে পারে। সড়কের ভালোভাবে সংস্কারে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছে তারা।
বাথানগাছী গ্রামের আব্দুল হাকিম বলেন,সড়ক নির্মাণের কাজ শেষ না হতেই রাস্তা নষ্ট হয়ে গেল বিষয়টি খুব দুঃখজনক। তারা আরও বলেন উপজেলা প্রকৌশলী অফিসকে মানিয়ে নিম্নমানের কাজ করেছে ঠিকাদার।
পান্তার মোড়ের আব্দুর রাজ্জাক বলেন, নতুন সড়ক নির্মাণ করায় আমরা খুশি ছিলাম। কিন্তু কাজ শেষ হবার এক মাস না যেতেই ভেঙে যাওয়া দেখে আমরা হতবাক। কাজের শুরু থেকেই ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নিন্মমানে সামগ্রী ব্যবহার করছে। একাধিকবার ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেও কোন লাভ হয়নি,তারা আমাদের কোন কথা শোনেনি।
এদিকে স্মার্ট কনস্ট্রাকশন প্রতিষ্টানের পক্ষে কাজটি করেন মহেশপুরের ঠিকাদার হাচান আলী। তিনি বলের আমি এ রাস্তার কাজ করিনি অন্যজন করেছে।
উপজেলা প্রকৌশলী খালিদ হাসান বলেন, আমি রাস্তাটি দেখে এসেছি মাটি ধসে অনেক জায়গায় ভেঙে গেছে। অফিসে এসেই ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে চিঠি করেছি। কাজ বুঝিয়ে না দেওয়া পর্যন্ত কোন বিল পাবে না ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান। তিনি আরও বলেন এক বছরের মধ্যে রাস্তা ভেঙ্গে গেলে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান রাস্তা মেরামত করে দিবে। না হলে জামানত ফেরত পাবে না।











































