
কলারোয়া (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি।।
তীব্র স্রোতে কলারোয়ায় একই দিনে ভেঙে গেল বেত্রবতী নদীর ৩ সেতু। এতে উপজেলা সদর ও পৌর সদরের সঙ্গে ৩টি ওয়ার্ড ও উপজেলার ৬ ইউনিয়নের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। যশোরের কেশবপুর, মনিরামপুর ও ঝিকরগাছা এবং সাতক্ষীরার তালা উপজেলার সঙ্গেও সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।
গত বছরের আগস্ট মাসে উপজেলা ও পৌর সদরের প্রাণকেন্দ্র পশুহাট মোড়ে বেত্রবতী নদীর ওপর সেতু নির্মাণ শুরু হয়। এরপর ৮ মাস কাজ বন্ধ ছিল। চলতি বছরের মে মাসে কাজ শুরু হলে বিকল্প হিসেবে পাশেই লোহার বেইলি সেতু স্থাপন করা হয়। এ পথে ৬ ইউনিয়ন ও পৌরসভার ৩ ওয়ার্ডের মানুষ চলাচল করে। বৃহস্পতিবার সকালে পানির তোড়ে সেতুটি ধসে রাস্তা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।
একই সময়ে কলারোয়া তরকারি বাজারসংলগ্ন ও গোপীনাথপুর তারকনন্দী এলাকার কাঠের সাঁকো মাঝখান থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এতে বন্ধ হয়ে গেছে দুই পাড়ের যাতায়াত। বিকেল পর্যন্ত দুই সাঁকো দিয়ে কোনোরকম মানুষজনকে পারাপার হতে দেখা গেছে। যেকোনো মুহূর্তে পুরো সাঁকোটি ভেঙে চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাবে।
কয়েকজন শিক্ষার্থী জানায়, সকালে সেতু পার হয়ে স্কুলে গিয়েছে। ফেরার পথে দেখে সেতু ভাঙা। বাড়ি ফিরতে হিমশিম অবস্থা তাদের। দ্রুত সেতু চলাচলের উপযোগী করার দাবি জানিয়েছে তারা।
সকালে ক্ষতিগ্রস্ত তিনটি সেতু পরিদর্শন করেন কলারোয়া পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা তুষার কান্তি দাশ, সহকারী প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম, উপসহকারী প্রকৌশলী এসএম সোহরাওয়ার্দী, পৌরসভার করনির্ধারক নাজমুল ইসলাম, কলারোয়া পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শেখ শরিফুজ্জামান তুহিন ও বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি শওকত হোসেন।
কলারোয়া পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা তুষার কান্তি দাশ জানান, দ্রুত সেতু ও সাঁকো সচল করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। তবে বেইলি ব্রিজটি সড়ক ও জনপথ বিভাগের আওতাধীন। তাদের বিষয়টি অবগত করা হয়েছে।










































