Home আঞ্চলিক খুমেকে অবৈধ কফিন ব্যবসা : সুইপার জাহাঙ্গীর আটক

খুমেকে অবৈধ কফিন ব্যবসা : সুইপার জাহাঙ্গীর আটক

25
  • স্টাফ রিপোর্টার


খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল সোমবার দুপুরের অভিযানে অবৈধ কফিন কারখানা করার দায়ে সুইপার জাহাঙ্গীরকে আটক করা হয়। আউটসোর্সিংয়ের সুইপার জাহাঙ্গীর কফিন নিয়ে অবৈধ ব্যবসা করছেন খুলনা মেডিক্যাল কলেজে।


জানা যায়, হাসপাতালের মর্গের পাশে আলাদা দুটি ঘর করে একটি ঘর কারখানা আর অপরটি গোডাউন হিসেবে ব্যবহার করছেন জাহাঙ্গীর। যারাই হাসপাতালে মরদেহ নিয়ে আসেন অথবা হাসপাতাল থেকে নিয়ে যান, তাদের কফিন কিনতে বাধ্য করেন তিনি।
দুদক খুলনা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারি পরিচালক শাওন মিয়া জানান, যেসময় জাহাঙ্গীরের হাসপাতাল পরিষ্কার করার কথা সেসময় তিনি কফিন বিক্রি করেন। কফিন বিক্রির সময় তাকে হাতেনাতে ধরা হয়েছে। জাহাঙ্গীরের আউটসোর্সিং বাতিল করার জন্য হাসপাতাল কর্তৃপকে বলা হয়েছে জানান তিনি।
এছাড়া খুমেকের বর্হিবিভাগে নানা অনিয়মের অভিযোগে অভিযান চালায় দুদক। অভিযানে দায়িত্বত চিকিৎসকের ক থেকে বেসরকারি কিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের প্যাড ও প্যাথলজি স্লিপ উদ্ধার হয়। অভিযোগ রয়েছে সরকারি হাসপাতালে পরীা-নীরিার ব্যবস্থা থাকলেও টাকার বিনিময়ে সাধারণ রোগীদের ওইসব কিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পাঠানো হয়।

এ প্রসঙ্গে দুদক কর্মকর্তা শাওন মিয়া বলেন, নিয়ন্ত্রণহীন কিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সঙ্গে কমিশন বানিজ্যে জড়িয়ে পড়েছে এই হাসপাতালের চিকিৎসকরা। হাসপাতালে ভ্রাম্যমাণ এক্স-রে, ইসিজি মেশিন নিয়ে ডায়াগনস্টিক সেন্টারের দালাল ও ওষুধের দোকানের প্রতিনিধিদের সক্রিয় দেখা গেছে। বেশি টাকার বিনিময়ে বাইরের কিনিক থেকে এ পরীা-নীরিায় আর্থিক তি ও ভোগান্তিতে পড়তে হয় রোগীদের।
গাইনী ওয়ার্ডে ভর্তি থাকা এক রোগীর স্বামী মাছুম উদ্দিন মোল্লা জানান, তার স্ত্রীকে স্লিপে লিখে ৮-১০টি টেস্ট ফাতেমা হাসপাতাল থেকে করাতে বলেন ওই বিভাগের চিকিৎসক। স্লিপের নিচে দেওয়া ফোন নম্বরে যোগাযোগ বললে তারা টেস্টের জন্য চার হাজার টাকা দাবি করে। পরে খোঁজ-খবর নিয়ে তিনি এই সরকারি হাসপাতাল থেকে পাঁচশ টাকা দিয়ে ওই পরীা করিয়েছেন।
খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. এটিএম মঞ্জুর মোর্শেদ বলেন, অভিযুক্তদের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, আগে থেকে এ বিষয়ে সতর্ক করে চিঠি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কমিশন বানিজ্যে জড়িত চিকিৎকদের নিয়ন্ত্রণ করা যায়নি।