Home আঞ্চলিক সারা খুলনা অঞ্চলের সব খবরা খবর

সারা খুলনা অঞ্চলের সব খবরা খবর

41
গাছের ডালে বসে আছে এক জোড়া চিল--সংগৃহীত

 

 

রামপালে জেন্ডার সংবেদনশীল জনসেবা নিশ্চিতকরণে সভা
নিজস্ব প্রতিনিধি
রামপালে স্থানীয় পর্যায়ে জেন্ডার সংবেদনশীল জনসেবা নিশ্চিতকরণের জন্য এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১ টায় বাঁধন মানব উন্নয়ন সংস্থা এবং একশনএইড বাংলাদেশের সহযোগিতায় এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দীন, বাঁধনের প্রকল্প সমন্বয়কারী খন্দকার মোস্তাফিজুর ইসলাম, প্রেসক্লাব রামপালের সিনিয়র সহ সভাপতি মোতাহার হোসেন মল্লিক, পেড়িখালী ইউপি ইউপি সচিব রাজীব মজুমদার, ডাক্তার সুদর্শন বিশ্বাস, মহিলা ইউপি সদস্য করেনা বেগম হেনা, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা বীথি পারভিন, মহিদুল ইসলাম, বিজলী আক্তার প্রমুখ। সভায় স্থানীয় পর্যায়ে জেন্ডার সংবেদনশীল জনসেবা নিশ্চিত করতে সরকারি বেসরকারি সকালের সহযোগিতা কামনা করা হয়।

রামপাল উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যকে কথিত গাড়ী পোড়ানোর অভিযোগে আটক
রামপাল (বাগেরহাট) সংবাদদাতা
রামপাল উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য মো. মোফাজ্জল হোসেন বদল (২০) কে খুলনা র্যাব বৃহস্পতিবার (১৪ ডিসেম্বর) বিকেলে আটক করেছে। আটক মোফাজ্জল হোসেন কে কথিত গাড়ী পোড়ানোর অভিযোগে গ্রেফতার দেখিয়ে শুক্রবার (১৫ ডিসেম্বর) বেলা ১১ টায় রামপাল থানা পুলিশ বাগেরহাটের আদালতে প্রেরন করেছে।

রামপাল থানার ওসি সোমেন দাশ জানান, রামপালে গাড়ীতে অগ্নি সংযোগের ঘটনায় মোফাজ্জল হোসেন বাদলের সম্পৃক্ততার অভিযোগ পাওয়া যায়। আমারা র্যাবের মাধ্যমে সনাক্ত করে তাকে আটক করি। আটক বাদলকে শুক্রবার বেলা ১১ টায় বাগেরহাটের আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ইংরেজি ২৮ নভেম্বর বুধবার রাত ৯ টায় উপজেলার ফয়লায় খুলনা-মোংলা মহাসড়কের পাশে বাবুল কাজীর মৎস্য ঘেরের পাশে রাখা যাত্রীবাহী বাসে আগুন দেয় অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা। ওই ঘটনায় বাস মালিক খুলনার রূপসা উপজেলার সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে রামপাল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ইতিমধ্যে ওই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে বিএনপির ১২ নেতা কর্মীকে আটক করে তাদের জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় বিষ্ময় প্রকাশ করে বাগেরহাট জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, বাস পোড়ানোর ঘটনা দুঃখজনক। তবে প্রকৃত দোষীদের শাস্তির আওতায় না নিয়ে হয়রানির জন্য বিএনপি নেতাকর্মীদের আটক করা হচ্ছে। তিনি সকল নেতাকর্মীদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবী করেছেন।#

মহান বিজয় দিবসে খুলনা মহানগরী জামায়াতের আলোচনা সভা
খবর বিজ্ঞপ্তি
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও খুলনা মহানগরী আমীর অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান বলেন, ক্ষমতাসীনদের উপর্যুপরি ব্যর্থতা, দুঃশাসনের কারণেই স্বাধীনতার প্রায় ৫ দশক পরেও আমরা বিজয়ের সুফলগুলো পুরোপুরি ঘরে তুলতে পারিনি। যা কোন স্বাধীন, সার্বভৌম ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্য হতে পারেনা। তাই মহান বিজয় দিবসকে অর্থবহ করতে হলে দল-মত নির্বিশেষে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সবার আগে জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করতে হবে। সাম্য, গণতন্ত্র, আইনের শাসন, সামাজিক ন্যায়বিচার ও অর্থনৈতিক মুক্তিই ছিল স্বাধীনতা যুদ্ধের মূল চেতনা। মহান মুক্তিযুদ্ধের এই চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে শোষণ-বঞ্চনামুক্ত গণতান্ত্রিক ও ন্যায়-ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় জাতিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান। শুক্রবার সকালে একটি মিলনায়তনে খুলনা মহানগরী জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত মহান বিজয় দিবসের আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ আহবান জানান।
এ সময় মহানগরী নায়েবে আমীর অধ্যাপক নজিবুর রহমান, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও খুলনা মহানগরী সেক্রেটারি এডভোকেট শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল, জামায়াত নেতা আবু আব্দুল্লাহসহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।
তিনি আরও বলেন, দেশবাসী আজ এমন এক সময় ‘মহান বিজয় দিবস’ পালন করছে, যখন দেশে এক শ্বাসরুদ্ধকর ও ভয়াবহ পরিস্থিতি বিরাজ করছে। স্বাধীনতার মূল অর্জন গণতন্ত্রকে হারিয়ে দেশ আজ এক অনিশ্চিত গন্তব্যের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। দেশে আইনের শাসন ও মানবাধিকার বলতে কিছু নেই। জনগণের ভোটাধিকার ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া হয়েছে। দুর্নীতি-দুঃশাসন গোটা জাতিকে গ্রাস করেছে। মানুষের জানমালের কোনো নিরাপত্তা নেই। দেশি ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন মহল থেকে আজ দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। যা জাতি হিসেবে আমাদের জন্য খুবই লজ্জাজনক। বিরোধী মতের শীর্ষ নেতাদের অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করে দীর্ঘদিন ধরে কারাগারে আটকে রাখা হয়েছে এবং নেতাকর্মীদের নানাভাবে হয়রানি অব্যাহত রয়েছে। দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের শীর্ষস্থানীয় আলেমদের অন্যায়ভাবে কারাগারে আটকে রাখা হয়েছে। লেখক, সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী, শিক্ষাবিদ এমনকি পেশাজীবীরাও সরকারের জুলুম-নিপীড়ন থেকে রেহাই পাচ্ছেন না।

ইসলাম ভিত্তিক বাগমারা মধ্যপাড়া প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের বার্ষিক ফলাফল বিতরণ
রূপসা প্রতিনিধি
রূপসা ইসলামিক ফাউন্ডেশন পরিচালিত মসজিদ ভিত্তিক বাগমারা মধ্যপাড়া ফোরকানিয়া মাদ্রাসা প্রাক-প্রাথমিক গণশিক্ষা কার্যক্রমের শিক্ষার্থীদের বার্ষিক ফলাফল বিতরণ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। ফলফল বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন রূপসা প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম মাহবুবুর রহমান। বাগমারা মধ্যপাড়া মোমিন সূফি জামে মসজিদের খতিব মাওলানা ইমরান হোসাইনের সভাপতিত্বে ও প্রাক প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক মাওলানা মিরাজুল ইসলামের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মসজিদ পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ ফরিদ শেখ, বাগমারা দক্ষিণপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ লুৎফর রহমান, সহকারী শিক্ষক মোঃ কবির হোসেন ও ব্যবসায়ী মোঃ ইউনুছ সরদার। অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

পাইকগাছায় গাঁজা সহ আটক- ২
পাইকগাছা প্রতিনিধি।
খুলনার পাইকগাছায় ৫শ গ্রাম গাঁজা সহ মাদক ব্যবসায়ী ও সহযোগীতাকারীকে আটক করেছে থানা পুলিশ। থানা সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকাল ১০ টার দিকে থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ ওবাইদুর রহমানের দিকনির্দেশনা মোতাবেক এসআই সাদ্দাম হোসেন, এএসআই শেখ পলাশ সঙ্গীয় অফিসার ফোর্স নিয়ে পাইকগাছা উপজেলার নাসিরপুর পাল পাড়া এলাকা থেকে মাদকদ্রব্য গাঁজা বিক্রয় কালে সালাম গাজীর স্ত্রী অচিন্তা পরামানিক (৫০) ও সহযোগী মোথান পালের ছেলে কালীপদ পাল (৭৮), কে ৫’শ গ্রাম গাঁজা সহ আটক করেছে থানা পুলিশ। এবিষয়ে থানায় মাদকদ্রব্য আইনে মামলা হয়েছে, মামলা নং- ৮।
উপরে উল্লেখিত বিষয়ে থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ ওবাইদুর রহমান এর কাছে জানতে চাইলে তিনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আটক ব্যক্তিদের শুক্রবার বিকাল ৩ টায় বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

কুয়েটের ইআইএএ প্রকল্পের প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভা অনুষ্ঠিত
খবর বিজ্ঞপ্তি
“খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামো ও একাডেমিক কার্যক্রম সম্প্রসারণ” (ইআইএএ) প্রকল্পের প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি’র (পিআইসি) সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৫ ডিসেম্বর শুক্রবার দুপুর ৩টায় বিশ^বিদ্যালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মিহির রঞ্জন হালদার। সভায় প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর ও পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) প্রফেসর ড. সোবহান মিয়া, সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী ড. মোঃ জুলফিকার হোসেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের যুগ্ম সচিব মুহাম্মদ জহুরুল ইসলাম, পরিকল্পনা কমিশনের আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো বিভাগের উপ-প্রধান নাজিয়া ইসলাম, কার্যক্রম বিভাগের উপ-প্রধান ড. লায়লা আখতার, সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের উপ-প্রধান নাহিদ ফারজানা সিদ্দিকী ও এসইআইডি এর উপ-প্রধান সৈয়দা নুরমহল আশরাফী, ইউজিসি’র পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ মাকছুদুর রহমান ভূইয়া, উপ-পরিচালক রোকসানা লায়লা, কুয়েটের প্রধান প্রকৌশলী এ বি এম মামুনুর রশীদ, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী জি এম মাহফুজুর রহমান, উপ-পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) মোঃ মাহমুদুল হাসানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
গভার পূর্বে প্রতিনিধিবৃন্দ চলমান প্রকল্প এলাকা ঘুরে দেখেন এবং উন্নয়ন কাজের বর্তমান অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

চুয়াডাঙ্গায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্রসহ দু ডাকাত গ্রেফতার
দামুড়হুদা (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি
চুয়াডাঙ্গায় পুলিশ পৌর এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ২ ডাকাতকে গ্রেফতার করেছে।
বৃহস্পতিবার চুয়াডাঙ্গা সদর থানার টহলরত পুলিশের একটি দল মাঝরাতে চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার কুলচারা গ্রামে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে এক অভিযান চালিয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার ইসলামপাড়ার ঝন্টু আহম্মদের ছেলে ফয়সাল আহম্মেদ তুহিন (২৩) ও একই এলাকার বিশারত আলীর ছেলে বিপ্লব কুমার দাস (২৮)কে গ্রেফতার করে। চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ সেকেন্দার আলী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের কাছে থাকা ১টি ধারালো হাসুয়া ও ১টি চাকুসহ দুইজনকে হাতেনাতে আটক করা হয়।বাকীরা পালিয়ে যায়। গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।

কপিলমুনি চলার সাথী আহবায়ক কমিটির জরুরী সভা
কপিল মুনি সংবাদদাতাঃ-
গতকাল রাতে কপিলমুনি চলার সাথী আহবায়ক কমিটির জরুরী সভা অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। আহবায়ক কমিটির আহবায়ক,প্রতিষ্টাতাপ্রধান শিক্ষক শেখ আব্দুর রহমান সভাপতিতে বক্তব্য রাখেন রেজাউল করিম খোকন রফিকুল ইসলাম মোড়ল হেদায়েত আলী টুকু, দেবাশীষ দে, বাবুলাল হালদার, জগদীশ দে,হিমাদ্রি শেখর দে। সভায় প্রতিষ্ঠাতা শেখ আঃরহমান কে সভাপতি, প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি যুগল কিশোর দের জ্যেষ্ঠ পুত্র হিমাদ্রি শেখর দে কে সাধারণ সম্পাদক ও বাবুলাল হালদার কে কোষাধাক্ষ করে এক কমিটি হয়। এই কমিটি পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রস্তুত করবে।

 

 

 

সুন্দরবন সংলগ্ন হড্ডা গ্রামে বাঘ আতঙ্ক
কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি
খুলনার কয়রার একটি গ্রামে বাঘ আতঙ্ক বিরাজ করছে। বৃহস্পতিবার ভোরের দিকে উপজেলার মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের সুন্দরবন সংলগ্ন হড্ডা গ্রামের বাঁধের ওপর বাঘের পায়ের ছাপ দেখতে পান স্থানীয় কয়েকজন। খবরটি দ্রুত চাউর হয়ে যায়। এর পর গ্রামবাসীর মধ্যে ভীতি ছড়িয়ে পড়ে। উদ্বিগ্ন অনেকে পরিবারের শিশুদের বাইরের গ্রামে আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়েছেন। তবে গ্রামবাসীকে আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে বন বিভাগ।

বন বিভাগ জানায়, হড্ডা গ্রাম হয়ে বয়ে যাওয়া কয়রা নদীর এক পাড়ে সুন্দরবন। নদী পার হয়ে দুটি বাঘ গ্রামে ঢুকেছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বানিয়াখালী ফরেস্ট স্টেশন থেকে ২০০ মিটার দূরে বেড়িবাঁধের রাস্তার ওপর প্রথমে বড় একটি বাঘের পায়ের ছাপ দেখতে পান গ্রামবাসী। পরে এর একটু দূরে অপেক্ষাকৃত ছোট আরও একটি বাঘের পায়ের ছাপ দেখা যায়। খবর পেয়ে বন বিভাগ, ভিলেজ টাইগার রেসপন্স টিম (ভিটিআরটি), কমিউনিটি প্যাট্রলিং গ্রুপ (সিপিজি) সদস্যসহ গ্রামবাসী লাঠিসোটা নিয়ে ওই এলাকায় তল্লাশি শুরু করেছেন। বাঘ দুটি লোকালয়ে এলেও পরে আবার সুন্দরবনে ফিরে গেছে বলে পায়ের ছাপ দেখে ধারণা করা হচ্ছে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মহাশীস সরদার জানান, এই শুষ্ক মৌসুমে ভাটার সময় নদীতে পানি একেবারেই কমে যায়। ভোরের দিকে সুন্দরবন থেকে প্রায় শুকিয়ে যাওয়া কয়রা নদী পার হয়ে দুটি বাঘ হড্ডা গ্রামে ঢুকে পড়ে। বাঘ দুটি নদীর পাড়সহ বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেড়িয়েছে। সকালে গ্রামবাসী ওই সব স্থানে বাঘের পায়ের ছাপ দেখতে পেয়ে বন বিভাগকে খবর দেয়।

সুন্দরবনের বানিয়াখালী ফরেস্ট স্টেশনের কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থলে দুটি বাঘের অসংখ্য পায়ের তাজা ছাপ দেখতে পেয়েছি। আশপাশে তল্লাশিও করা হয়েছে। বেশ কিছু জায়গায় বাঘ দুটিকে বিচরণ করতে দেখা গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, বাঘ দুটি সুন্দরবনে ফিরে গেছে। তবে আবার যাতে লোকালয়ে ফিরে কোনো মানুষের ক্ষতি না করতে পারে, সে জন্য এলাকাবাসীকে সতর্ক থাকতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে লোকালয় সংলগ্ন নদীতে টহল জোরদার করা হয়েছে।

সুন্দরবন খুলনা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক এজেডএম হাছানুর রহমান বলেন, বন্যপ্রাণীর সুরক্ষা ও বন সংলগ্ন বাসিন্দাদের নিরাপত্তায় বনরক্ষীদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

অস্পষ্ট সড়ক বিভাজকে মৃত্যুর ফাঁদ পাতা
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
কুমারখালীর কুষ্টিয়া-রাজবাড়ী আঞ্চলিক মহাসড়কের একটি অংশ বিপজ্জনক হয়ে পড়েছে। চড়াইকোল রেলক্রসিং থেকে নন্দলালপুর ইউনিয়নের কালুমোড় পর্যন্ত দেড় কিলোমিটার অংশে চলতি বছর আটটি দুর্ঘটনার তথ্য পাওয়া গেছে। এতে প্রাণ গেছে এনজিওকর্মী-স্কুলছাত্রীসহ চারজনের। আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। স্থানীয় লোকজন দুর্ঘটনার জন্য সড়ক বিভাজক বুঝতে না পারা এবং গতিরোধক না থাকাকে দায়ী করছেন।

সবশেষ সোমবার ভোরে কালুমোড়ে একটি বৈদ্যুতিক খুঁটির সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে পাশের খাদে পড়ে কাভার্ডভ্যান। এ দিন সকাল ৮টার দিকে চড়াইকোল রেলক্রসিং এলাকায় সড়ক বিভাজকে উঠে যায় আরেকটি কাভার্ডভ্যান। দুর্ঘটনায় ভ্যান দুটির চালক ইমরান শেখ (২৫), জাহিদ হোসেন (৪০) ও তাদের সহকারীরা সামান্য আহত হন।

এ দিন সকালে চড়াইকোল রেলক্রসিং এলাকায় দেখা গেছে, কংক্রিটের সড়ক বিভাজকের ওপর উঠে গেছে কাভার্ডভ্যানটি। এতে সামনের অংশ পুরোপুরি দুমড়েমুচড়ে গেছে।

রেলক্রসিং নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকা (গেট কিপার) কাউসার মোল্লা বলেন, এ সড়কে কোনো গতিরোধক (স্পিড ব্রেকার) নেই। আবার ডিভাইডারের (বিভাজক) হলুদ ও কালো রং আঁধারে স্পষ্ট দেখা যায় না। যে কারণে প্রায়ই এ সড়কে দুর্ঘটনা ঘটে। চলতি বছরেই অন্তত আটটি দুর্ঘটনার তথ্য জানান তিনি।

সেখান থেকে কালুমোড়ে গিয়ে দেখা যায়, একটি বৈদ্যুতিক খুঁটি ভাঙা। পাশেই খাদে উল্টে রয়েছে কাভার্ডভ্যানটি। বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মীরা সেখানে নতুন খুঁটি বসাচ্ছেন।

কথা হয় কুমারখালী ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের শাখাপ্রধান আতিয়ার রহমানের সঙ্গে। তিনি বলেন, ঘন কুয়াশার কারণে সড়কের দেড় কিলোমিটার অংশে দুর্ঘটনা দুটি ঘটেছে। এতে প্রাণহানি না হলেও যানবাহনের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। তিনি বলেন, গতিরোধক না থাকায় কালুমোড় ও চড়াইকোল রেলক্রসিং এলাকায় প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। হাইওয়ে পুলিশের উপসহকারী পরিদর্শক তরিকুল ইসলামও ঘন কুয়াশাকে দুর্ঘটনার জন্য দায়ী করেন।

৪ নভেম্বর ওই সড়কের বিভাজকে ধাক্কা খেয়ে দুর্ঘটনায় পড়ে একটি পণ্যবাহী ট্রাক। সেদিন চালক ও সহকারী আহত হন। কয়েক ঘণ্টা একপাশে যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকে। ৭ অক্টোবর একটি মাইক্রোবাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিভাজকে ধাক্কা খায়। এতে ছয়জন আহত হন। এর আগে ১২ জুলাই গ্যাস সিলিন্ডারবাহী একটি পিকআপ একইভাবে দুর্ঘটনায় পড়ে। এতে সামনের অংশ দুমড়েমুচড়ে যায়।

এ সড়কে ২ অক্টোবর একটি ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ যায় সীমা খাতুনের (৩২)। তিনি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (এনজিও) ব্র্যাকের খোকসা কার্যালয়ের হিসাবরক্ষক ছিলেন। নন্দলালপুর ইউনিয়নের বজরুখ বাঁখই গ্রামে স্বামী-সন্তান নিয়ে থাকতেন সীমা। স্কুটি চালিয়ে সেখানে ফেরার পথে ট্রাকের ধাক্কায় নিহত হন তিনি।

৩০ জানুয়ারি নন্দলালপুর ইউপি সামনে দ্রুতগামী ট্রাক চাপা দেয় দুই শিশুকে। তাদের মধ্যে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী সাদিয়া আফরিন নিহত হয়। মৌ নামে আরেক ছাত্রী আহত হয়। ২ জানুয়ারি কালুমোড়ে পিকআপ ভ্যান, শ্যালো ইঞ্জিনচালিত নছিমন ও মোটরসাইকেলের ত্রিমুখী সংঘর্ষ হয়। এতে প্রাণ যায় শাহিন ও ইকরাম নামে দুই ব্যক্তির।

কুষ্টিয়া সওজ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মুহাম্মদ মনজুরুল করিম বলেন, শিগগিরই ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যাবেন। দুর্ঘটনা প্রতিরোধে ব্যবস্থা নেবেন।

মাগুরায় চোর সন্দেহে পিটিয়ে হত্যা
মাগুরা প্রতিনিধি
মাগুরা সদর উপজেলায় গরু চোর সন্দেহে কাজল মুন্সী (৪০) নামের এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। কাজল জগদল ইউনিয়নের আজমপুর গ্রামের লোকমান মুন্সীর ছেলে।
শুক্রবার (১৫ ডিসেম্বর) গভীর রাতে মগুরা সদর উপজেলা ছোনপুর গ্রামে কাজলকে গণপিটুনি দেওয়া হয়।

নিহতের চাচাতো ভাই রমজান আলী বলেছেন, আমরা শুনেছি, পাশের মঘি ইউনিয়নের শেখ পাড়া এলাকার কহিনুর বিশ্বাসের বাড়িতে গরু চুরি করতে গিয়েছিল কাজলসহ অন্যরা। গোয়াল ঘরের তালা কেটে গরু নিয়ে আসার পথে ছোনপুর এলাকায় স্থানীয় লোকজন টের পেয়ে ধাওয়া করে। এ সময় দুজন মোটসাইকেলে করে পালিয়ে গেলেও কাজল মাঠের মধ্যে দৌড় দেয়। পরে বিক্ষুব্ধ জনতার গণপিটুনিতে গুরুতর আহত হয় সে। তার পুরো শরীরে আঘাতের চিহ্ন আছে। গ্রাম পুলিশের সহযোগিতায় শনিবার সকালে তাকে মাগুরা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। জরুরি বিভাগের চিকিৎসক কাজলকে মৃত ঘোষণা করেন।

মঘি ইউনিয়নের শেখ পাড়া গ্রামের কৃষক কহিনুর বিশ্বাস বলেছেন, গভীর রাতে আমার গোয়াল ঘরের তালা কেটে গরু নিয়ে পালিয়ে যাচ্ছিল চোরেরা। এ সময় ছোনপুর গ্রামে চিৎকার শোনা যায়। সকালে মঘির মাঠে গরু দুটি পেয়েছি। তবে, রাতের আঁধারে কে বা কারা কাজলকে মেরেছে, আমি জানি না।

মাগুরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মেহেদি হাসান বলেছেন, সদর উপজেলা ছোনপুর গ্রামে গণপিটুনির শিকার হওয়া এক ব্যক্তি মাগুরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তার লাশ মর্গে আছে। তাকে কে বা কারা হত্যা করেছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

 

দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা চুয়াডাঙ্গায়
চুয়াডাঙ্গা সংবাদদাতা
দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে চুয়াডাঙ্গায়। শুক্রবার (১৫ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১০ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে, গতকাল একই সময় ১০ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের জ্যেষ্ঠ পর্যবেক্ষক রকিবুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, চুয়াডাঙ্গার শুক্রবার সকাল ৯টায় ১০ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এটি দেশের মধ্যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।

তিনি আরও বলেন, চুয়াডাঙ্গায় আগামী কয়েক দিন তাপমাত্রা আর কমার সম্ভাবনা নেই। তবে, ডিসেম্বরের শেষের দিকে চুয়াডাঙ্গায় মাঝারি থেকে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।

উষ্ণতার খোঁজে পুরোনো গরম কাপড়ের দোকানে ভিড়
নিজস্ব প্রতিনিধি

শীতের প্রকোপ বাড়ায় কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় পুরোনো গরম কাপড়ের বিক্রি বেড়েছে। শহরের বিভিন্ন রাস্তার পাশে অস্থায়ী পুরোনো কাপড়ের দোকানগুলোতে সারাদিন লেগেই থাকছে ভিড়। কম দামে মিলছে ভালো মানের গরম কাপড়। ফলে বেচাকেনাও ভালো হচ্ছে। বিক্রেতারা বলছেন, চাহিদা থাকায় মাঘের শেষ পর্যন্ত বিক্রি চলবে।

ভেড়ামারা শহরে অস্থায়ী ভাবে রেলওয়ে পাশে গড়ে উঠা দোকানগুলোতে এবারো শীতের গরম পোশাক বিক্রি জমে উঠেছে। বিত্তশালীদের ছুটছেন অভিজাত বিপণী বিতানে আর নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষরা স্বল্প দামে শীতের পোশাক কিনতে ভিড় জমাচ্ছেন অস্থায়ী পুরোনো কাপড়ের দোকানগুলোতে।

সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, পুরোনো শীতের পোশাকের ১৫টি দোকানে বসেছে। ক্রেতা-বিক্রেতাদের হাঁক-ডাকে মুখরিত পুরো এলাকা। যেখানে নিম্ন আয়ের মানুষের পাশাপাশি মধ্যবিত্তরাও এসেছেন স্বল্প দামে পছন্দের গরম কাপড় কিনতে। অস্থায়ী এসব দোকানে কোরিয়া, তাইওয়ান ও জাপানসহ বিভিন্ন দেশের পুরোনো ব্লেজার, জ্যাকেট, সোয়েটার, ট্রাউজার, মাফলার, টুপি, হুডি, ফুলহাতা গেঞ্জি, কম্বলসহ বিক্রি হচ্ছে শীতবস্ত্র।

অস্থায়ী শীতের পোশাক বিক্রেতা মমিন শেখ ও দেলোয়ার মণ্ডল বলেন, দীর্ঘ ৭-৮ বছর ধরে শীতের সময় অস্থায়ীভাবে আমরা পোশাক বিক্রি করে থাকি। দোকানে নিম্নবিত্ত ও স্বল্প আয়ের মানুষের পাশাপাশি মধ্যবিত্তদেরও ভিড় দেখা যায়। এখানে কমদামি ৫০ থেকে ৩০০ টাকার মধ্যে, মাঝারি ধরনের ৩০০ থেকে ৮০০ টাকা (বিদেশি জ্যাকেট ও সুয়েটার) পর্যন্ত বিক্রি হয়ে থাকে। কিছু কিছু পোশাক ও কম্বল ১ধেতে ২ হাজার টাকায়ও বিক্রি হয়।

শীতের পোশাক ক্রেতা মো. আজিজুল ইসলাম বলেন, বাজারে একটি মানসম্মত শীতের পোশাক কিনতে ১৫শ থেকে ২ হাজার টাকা লাগে। কিন্তু এখানে পুরোনো শীতবস্ত্র হলেও স্বল্প দামে একটি ভালো শীতের পোশাক কিনতে পারি।

শীতের পোশাক ক্রেতা রিকশাচালক মো. আলমগীর শেখ বলেন, শীত পড়তে শুরু করেছে। নতুন শীতের পোশাক কেনার সামর্থ্য নেই আমার। তাই মেয়ের জন্য ৩০০ টাকা দিকে নতুন কোয়ালিটির পোশাক কিনেছি। আমাদের মতো অতি দরিদ্রদের জন্য একমাত্র ভরসা এই পুরোনো শীতের পোশাকের দোকানগুলো।

বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা প্রায় ৮ লাখ হেক্টর
নিজস্ব প্রতিনিধি
সাতক্ষীরায় ধানের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে চলতি মৌসুমে ৭ লাখ ৯৮ হাজার ৮২০ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে হেক্টর প্রতি ৪.২২ মেট্রিক টন উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়।

জানা যায়, চলতি মৌসুমে সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় হাইব্রিড ৫,৫০০ হেক্টর এবং উফশী ১৭,৭৫০ হেক্টর জমিতে উৎপাদন এবং লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। কলারোয়া উপজেলায় হাইব্রিড ২,৫০০ হেক্টর এবং উফশী ১০,১৫০ হেক্টর জমিতে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তালা উপজেলায় হাইব্রিড ৭,০০০ হেক্টর এবং উফশী ১৩১৬০ হেক্টর জমিতে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। দেবহাটা উপজেলায় হাইব্রিড ৩,০০০ হেক্টর এবং উফশী ৩,১৫০ হেক্টর জমিতে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

কালিগঞ্জ উপজেলায় হাইব্রিড ১,৫০০ হেক্টর এবং উফশী ৫,৩৮০ হেক্টর জমিতে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আশাশুনি উপজেলায় হাইব্রিড ৪,০৫০ হেক্টর এবং উফশী ৪,২৫০ হেক্টর জমিতে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। শ্যামনগর উপজেলায় হাইব্রিড ১০০০ হেক্টর এবং উফশী ১,৪৩০ হেক্টর জমিতে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। হেক্টর প্রতি ফলনের লক্ষমাত্রা হাইব্রিড ৪.৭৮ এবং উফশী ৩.৯ মেট্রিক টন। এছাড়া সাতটি উপজেলায় উফশী ২,১৯,৪২২ এবং হায়ব্রিড ১,১৭,৩৪৯ মেট্রিক টন চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সাতক্ষীরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, কোথাও জমি অনাবাদি থাকবে না- সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। তবে এই লক্ষ্যমাত্রার অনেক বেশি হবে বলে আমরা আশা করছি।

তিনি আরো বলেন, এক ইঞ্চি জমিও অনাবাদি থাকবে না, স্বয়ং সম্পূর্ণ হবে দেশ সেই লক্ষ্যে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে সাতক্ষীরার সাতটি উপজেলায় উফশী এবং হাইব্রিড ধান উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর।

ফকিরহাটের বাহিরদিয়া-মানসা ইউনিয়নে উন্মুক্ত ওয়ার্ড সভা অনুষ্ঠিত
ফকিরহাট প্রতিনিধি।
বাগেরহাটের ফকিরহাটে জনঅংশীদারিত্বে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) অর্জনের লক্ষ্যে উপজেলার বাহিরদিয়া-মানসা ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডে উন্মুক্ত ওয়ার্ড সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদের আয়োজনে বৃহস্পতিবার (১৪ ডিসেম্বর) বিকেল ৫টায় কামারপাড়া মন্দির চত্ত্বরে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শহীদুর রহমান। অনুষ্ঠানে উদ্বোধক ছিলেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিম ফকির। এতে সভাপতিত্ব করেন মহিলা সদস্যা (সংরক্ষিত মোমেনা বেগম। ইউপি সচিব ফাতেমা তুজ জোহরার পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারন সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ আলতাফ হোসেন টিপু, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ফকির কওসার আলী, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ও প্যানেল চেয়ারম্যান মো. সাইফুল ইসলাম, পল্লী বিদ্যুতের সুপারভাইজার আ. মান্নান হাওলাদার। এসময় উপজেলা জাতীয় মৎস্যজীবী লীগের যুগ্ম আহবায়ক বাচ্চু মোড়ল, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সেলিম হাওলাদার খোকন, মো. আনোয়ার হোসেন সহ বিভিন্ন জনপ্রতিনিধি, উপকারভোগী ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। #

 

খুলনা ৪ আসনে ঐক্যজোটের মনোনীত প্রার্থী মুফতি রিয়াজ উদ্দীন
ফুলবাড়ীগেট প্রতিনিধি
মানুষের ভোট ও ভাতের অধিকার আদায়ে নির্বাচনে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসলামী ঐক্যজোট। আশা করছি নির্বাচন কমিশন (ইসি) একটি অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দিবে। শুক্রবার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত মতবিনিময় সভায় খুলনা ৪ আসনের রুপসা,তেরখাদা ও দিঘলিয়া উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ইসলামী ঐক্যজোট মনোনীত প্রার্থী মুফতি রিয়াজ উদ্দীন খান এ-সব কথা বলেন।এছাড়া জুম্মার নামাজ শেষে মসজিদে মুসাল্লিদের সাথে ও তিনি মতবিনিময় করেন। ভোটারদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন এবার নির্বাচনে একজন খোদাভিরু সৎ যোগ্য নেতৃত্ব বেছে নেওয়ার আহবান জানান, তিনি বলেন, নির্বাচনে যেন পেশি শক্তির প্রভার না থাকে। মানুষ ভোট দেওয়ার জন্য উন্মুখ হয়ে আছে। ভোটারার ঈদ ও উৎসবের আনন্দ হিসাবে গ্রহণ করতে উন্মুখ হয়ে আছে। এই উৎসবকে যেন জলাঞ্জলি না দেওয়া হয় এ ব্যাপারে প্রশাসনে প্রতি আহবান জানাই। তিনি খুলনার ৪ আসনের ভোটরা সহ সকলের দোয়া ও সমর্থন কামনা করেন। নির্বাচিত হতে পারলে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও মাদক মুক্ত এলাকা উপহার দিতে পারবেন বলে তিনি আশা করেন , এছাড়া তার নির্বাচনি এলাকাকে আদর্শ মডেল এলাকা গড়ে তুলতে চান, এছাড়া ভ’মিহীনদের জন্য সরকারের যে সকল খাস জমি আছে সে জমি যাহাতে তাদের ভিতর সমবন্টন করে দেওয়ার ব্যবস্থা করবেন বলেও উল্লেখ করেন। এ নির্বাচনে ইসলামি ঐক্যজোট একটি গনজাগরন সৃষ্টি করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি আরো বলেন নির্বাচনে যদি কালো টাকা ছড়াছড়ি না হয় এবং দিনের ভোট দিনে হলে আমরা বিপুল ভোটে জয়ি হবো। ভোট কেন্দ্রে ভোটাররা আসতে পারলে জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী বলেও তিনি জানান। মজুদদার ও সিন্ডিকেট এর কারনে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের মুল্য বৃদ্ধি পাচ্ছে । বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের সাথে মতবিনিময়কালে ইসলামী ঐক্য জোটের মনোনীত প্রার্থী মুফতি রিয়াজ উদ্দীন এর সাথে সংগঠনের খুলনা মহানগর, জেলা, উপজেলা সহ বিভিন্ন স্থানের নেতৃবৃন্দ ও ওলামা মাশায়েখবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ফকিরহাটে অংশগ্রহণ মূলক ভোট নিশ্চিত করতে উঠান বৈঠক
ফকিরহাট প্রতিনিধি।
বাগেরহাটের ফকিরহাটে আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনঅংশগ্রহণমূলক ভোট নিশ্চিত করতে বাড়ি-বাড়ি উঠান বৈঠক করছে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সকল সহযোগী সংগঠন। উপজেলার নারী ভোটারদের কাছে শেখ হাসিনার উন্নয়ন ও নাগরিক হিসেবে ভোট দেওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরছেন নেতাকর্মীরা। বৃহস্পতিবার বিকালে উপজেলার সদর ইউনিয়নের পাগলা শ্যামনগর গ্রামের মোল্লাপাড়াসহ একাধিক গ্রামে এই উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলার প্রতিটি উঠান বৈঠকে বিপুল সংখ্যক নারী ভোটারের উপস্থিতি লক্ষ করা গেছে। বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান স্বপন দাশ, বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক মল্লিক আবুল কালাম আজাদ (সাহেব)। এতে আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাডঃ মোঃ কামরুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক নির্মল কুমার দাস ও শ্রমিক লীগের সভাপতি শেখ সিরাজুল ইসলাম সহ বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ। উঠান বৈঠকে উপজেলা আওয়ামী লীগ, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বটিয়াঘাটায় নবাগত ইউএনও’র নেতৃত্বে মহান বিজয় দিবস পালন হবে আজ
কাজী আতিক বটিয়াঘাটা খুলনা,
খুলনা বটিয়াঘাটা উপজেলার সদ্য যোগদান করা নবাগত উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বিজয় দিবস উদযাপন কমিটির সভাপতি শরীফ আসিফ রহমান মহান বিজয় দিবস ২০২৩ উদযাপনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন। সম্প্রতি বিজয় দিবস পালন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা উপজেলা পরিষদ সভা কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। সভার শুরুতে সভাপতি উপস্থিত সকলকে স্বাগত জানিয়ে সভার কার্যক্রম শুরু করেন। বক্তব্যের শুরুতে স্বাধীনতার মহান স্থপতি সর্বকালের সর্ব শ্রেষ্ট বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের সশ্রদ্ধ চিত্তে স্বরণ করেন। বিজয় দিবস বর্ণাঢ্য আয়োজনের মাধ্যমে সকল দপ্তরকে আহবান জানান। তিনি আরও বলেন,জাতির জীবনে গুরুত্বপূর্ণ দিন হচ্ছে মহান বিজয় দিবস। ১৬ ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসের কর্মসুচি হলো সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে সকল প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন। ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের শুভ সুচনা এবং গল্লামারী সৃতি সৌধে পুষ্পমাল্য অর্পণ। সকাল সাড়ে ৮ টায় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আশরাফুল আলম খান কতৃক জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও সালাম গ্রহন,পরে কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ১০ টায় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ১১ টায় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও বিষয় দিবসের আলোচনা। দুপুর ১২ টায় ইউএনও এবং উপজেলা পরিষদ একাদশের প্রীতি ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত হবে। বাদ যোহর বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনা। দুপুরে উন্নত মানের খাবার বিতরণ। সন্ধ্যা ৬ টায় প্রামান্য চিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে। মহান বিজয় দিবস সুন্দর ও জাঁকজমকপূর্ণ ভাবে পালনের জন্য সকলের মতামতের ভিত্তিতে ১৭ টা উপ-কমিটি গঠন করেন। কমিটির প্রধান উপদেষ্টা জাতীয় সংসদের হুইপ পঞ্চানন বিশ্বাস,উপদেষ্টা খুলনা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ হারুন অর রশিদ,উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আশরাফুল আলম খানের, ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই গাইন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান চঞ্চলা মন্ডল। বিজয় দিবস সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন এ বিষয়ে নবাগত উপজেলা নির্বাহী অফিসার শরীফ আসিফ রহমান বলেন,বিজয় দিবস পালনে প্রায় সব প্রস্তুতি ইতি মধ্যে সম্পন্ন করেছি। এজন্য দিবসটি পালনে সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।