Home আঞ্চলিক সারা খুলনা অঞ্চলের খবর

সারা খুলনা অঞ্চলের খবর

19

সোনাডাঙ্গা থানা সিপিবি’র উদ্যোগে মাস্ক বিতরণ

খবর বিজ্ঞপ্তি

করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে মাস্ক ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), সোনাডাঙ্গা থানার উদ্যোগে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের মাঝে বৃহস্পতিবার সোনাডাঙ্গা থানা এলাকায় মাস্ক বিতরণ করা হয়।

মহানগর সাধারণ সম্পাদক এড. মোঃ বাবুল হাওলাদার এ মাস্ক বিতরণ করেন। এ সময়ে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেনÑসোনাডাঙ্গা থানা সিপিবি’র সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নিতাই পাল, সাধারণ সম্পাদক রুস্তম আলী হাওলাদার, আইন ও অধিকার বাস্তবায়ন ফোরামের বিভাগীয় সভাপতি এস এম দেলোয়ার হোসেন, সিপিবি নেতা অধ্যাপক সঞ্জয় সাহা, যুব ইউনিয়ন নেতা সৈয়দ রিয়াসাত আলী রিয়াজ প্রমুখ। নেতৃবৃন্দ সকলকে বাধ্যতামূলক মাস্ক ব্যবহার, সামাজিক ও শারীরিক দূরত্ব এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানান।

শরণখোলা উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা করোনায় আক্রান্ত

শরণখোলা প্রতিনিধি

শরণখোলা উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা অতিশ সরকার করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকালে তার নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট শরণখোলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসে পৌছায়। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ ফরিদা ইয়াসমিন জানান, গত শনিবার উপজেলা সমাজ সেবা  কর্মকর্তা জ্বর ও চোখের সমস্যা নিয়ে চিকিৎসার জন্য তার কাছে আসেন। এসময় তিনি ব্যাবস্থাপত্র দিয়ে তার করোনা ভাইরাস সনাক্ত করনের নমুনা সংগ্রহ করে খুলনার পিসিআর ল্যাবে পাঠান। সেখান থেকে সকালে তার করোনা পজেটিভ রিপোর্ট আসে।

তিনি এখন খুলনায় তার বাসায় আইসোলেশনে আছেন। এছাড়া ওই রিপোর্টের সাথে মোতাসিম বিল্লাহ (৫০) নামের অপর এক ব্যাক্তিরও করোনা পজেটিভ রিপোর্ট আসে। তবে ওই ব্যাক্তি শরণখোলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নমুনা পরীক্ষার জন্য দিলেও তার বাড়ি পাশ্ববর্তী মোরেলগঞ্জ উপজেলার আমতলী গ্রামে। আমতলী বাজারে তাহেরা ফার্মেসী নামে তার একটি ঔষধের দোকান রয়েছে। শরণখোলা কাছে হওয়ায় তিনি এখানে নমুনা পরীক্ষায় দেন। এনিয়ে শরণখোলায় এখন পর্যন্ত আক্রান্তে সংখ্যা ১৬ জন। এছাড়া আক্রান্তদের মধ্যে থেকে সাতজন করোনা মুক্ত হয়েছেন।

বিএনপি নেতা নেতার মায়ের মৃত্যুতে শোক

খবর বিজ্ঞপ্তি

খুলনা মহানগর বিএনপি এবং অঙ্গ-সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এক শোক বার্তায় বলেন, আমরা গভীর দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে ১৮ নং ওয়ার্ডের সম্মানীত কাউন্সিলর ও ১৮নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি হাফিজুর রহমান মনি এবং শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ ছাত্র-সংসদের সাবেক ভিপি আতিয়ার রহমানের মাতা বুধবার আনুমানিক রাত ০৮-০০ টায় বার্ধক্যজনিত কারণে ইন্তেকাল করেছেন, বৃহস্পতিবার বাদ যোহর মরহুমার জানাযা নামায অন্তে বসুপাড়া গোরস্থানে তাঁর দাফন সম্পন্ন হয়। তাঁরা হাফিজুর রহমানের মাতার মৃত্যুতে গভীর শোক জ্ঞাপন করেন, মহান রাব্বুল আলামিনের নিকট মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেণ এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেণ।

বিবৃতি দাতারা হলেন, খুলনা মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি সাহারুজ্জামান মোর্ত্তজা, মহানগর বিএনপির উপদেষ্টা জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু, মহানগর বিএনপির যুব বিষয়ক সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন, মহানগর বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল হাসান দুলু, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ পারভেজ বাবু, সহ-প্রচার সম্পাদক কেএম হুমায়ুুন কবির, ইকরামুল কবির মিল্টন, মহানগর যুবদলের সভাপতি মাহবুব হাসান পিয়ারু, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি একরামুল হক হেলাল, মহানগর শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মজিবর রহমান, মহানগর মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক আজিজা খানম এলিজা, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম শাহীন, মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি মোঃ তারিকুল ইসলাম, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক ফারুক হিল্টন, যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি নেহিবুল হাসান নেহিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আজিজ সুমন, মহানগর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হেলাল আহম্মেদ সুমন, কাউন্সিলর মাজেদা খাতুন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক মুনতাসির আল মামুন প্রমূখ।

রামপালে অধ্যক্ষের খরিদা সম্পত্তি পুনঃদখলের অপচেষ্টার অভিযোগ

রামপাল (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

রামপালে এক ইউপি সদস্যের বিরদ্ধে অধ্যক্ষের কেনা সম্পত্তি পুনঃদখলের অপচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী ওই সম্পত্তি দখলকারীর বিরুদ্ধে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আঃ খালেক বরাবর অভিযোগ দায়ের করেছেন।

লিখিত অভিযোগ থেকে জানাগেছে, গাববুনিয়া গ্রামের আঃ রশীদ শেখ এর পুত্র অধ্যক্ষ শেখ জুলহাস উদ্দিন একই গ্রামের মৃতঃ ঈমান উদ্দিন শেখ এর পুত্র ইউপি সদস্য আসাবুর রহমান (৫০),শেখ মােতালেব (৬০), মৃত শেখ উকিল উদ্দিন এর পুত্র মোস্তফা মাহামুদ গোলাম (৬০) থেকে ২টি দলিল এর মাধ্যমে (দলিল নং-১৯০০/১১ ও ২৫০৪/১৫) ০.২৪+০.০৬=০.৩০ একর জমি খরিদ করে। কিন্তু জমি খরিদের অনেকদিন অতিবাহিত হওয়ার পরও বিবাদীপক্ষ জমির দখল-পজেশন বুঝিয়ে দিতে গড়িমসি করতে থাকে। বর্তমানে জমির দখলে যাওয়ার চেষ্টা করলে ওই ইউপি সদস্য মিথ্যা-অভিযোগ এনে তাকে ব্যপকভাবে হয়রাণী করছে বলে উল্লেখ করেন।

ভুক্তভোগী অধ্যক্ষ শেখ জুলহাস উদ্দিন ও মোঃ শের আলী জানান, জমি কেনার পরথেকে আমরা বিগত ৭-৮ বছর যাবত ওই সম্পত্তি ভোগ-দখল করে আসছি। গত ১৪ মে ওই সম্পত্তিতে বসত বাড়ি র্নিমানের জন্য মাটি ভরাট করতে গেলে ইউপি সদস্য আসাবুর গং আমার পিতা ও দুই পুত্র কে কিল-ঘুষি ও লাথি মেরে চরমভাবে লাঞ্ছিত করে।

ইউপি সদস্য আছাবুর রহমানের কাছে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ওই দাবীকৃত জায়গার মধ্যে উভয় পক্ষের ১৫ শতাংশ জায়গা আছে যা তারা দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করছে। জমি না মেপে ওই জমিতে বেড়া দিতে গেলে আমি দিতে দেয়নি।

অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আনসার উদ্দিন জানান, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। উভয়পক্ষকে নিয়ে আমরা বিষয়টির নিস্পত্তি করার চেষ্টা করছি।

সাতক্ষীরায় মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ নিহত-১, আহত-২

খান নাজমুল হুসাইন, সাতক্ষীরা

সাতক্ষীরার মাধবকাটিতে দুটি মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে এক ব্যাবসায়ী নিহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে তিনটার দিকে সাতক্ষীরা-যশোর মহা-সড়কের মাধবকাটি এলাকায় এ দূর্ঘটনাটি ঘটে। এসময় আহত হয়েছেন আরো দুই জন। নিহত ব্যবসায়ীর নাম হায়দার সরদার (৪৫)। তিনি সদর উপজেলার বলাডাঙ্গা গ্রামের মৃত বজলে সরদারের ছেলে। স্থানীয়রা জানান, মুদি ব্যবসায়ী হায়দার সরদার বাড়ি থেকে বের হয়ে মোটরসাইকেল যোগে সাতক্ষীরা শহরের  দিকে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে মাধবকাটি বাজার পার হয়ে কিছু দূর পৌছালে সাতক্ষীরা শহরের দিক থেকে আসা অপর একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ব্যবসায়ী হায়দার সরদারসহ তিন জন আহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় হায়দার সরদারকে সাতক্ষীরা শহরের একটি বে-সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এদিকে, আহত অপর দুই জনের মধ্যে একজন খুলনায় ও অপর জন স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে জানা গেছে। তবে, তাদের নাম পরিচয় এখনও জানা যায়নি।

শার্শায় রাস্তায় ধান রোপন করে পাকা করনের দাবি

বেনাপোল প্রতিনিধিঃ

শার্শার কায়বা ইউনিয়নের রুদ্রপুর বিলপাড়ার একটি কাঁচা রাস্তা পাকা করনের দাবিতে  গ্রামবাসী রাস্তার উপর ধান রোপন করে প্রতিবাদ জানিয়েছে।

রুুদ্রপুর গ্রামের বিলপাড়ায় রাস্তাটি একটু বৃষ্টি হলে কাঁদাতে মানুষ হাটতে পারে না। রাস্তার উপর পানি জমে যায়। প্রতিবছর এ বর্ষা মৌসুমে পানি জমে যাওয়ায় স্কুলের ছেলে মেয়েরা স্কুলে যেতে পারে না। গ্রামের লোক পাকা সড়কের উপর  উঠতে পারে না। হাটে বাজারে তাদের উৎপাদিত ফসল উঠাতে পারে না। হাটবাজার থেকে গ্রামবাসিদের কাঁদা পায়ে ঘরে উঠতে হয়। দুর্বিসহ জীবন যাপন কাটাতে হয় বছরের অর্ধেক সময়। দীর্ঘদিন ধরে তাদের দাবি দাওয়া স্থানীয় চেয়ারম্যান মেম্বার মেনে না নেওয়ায় গ্রাম বাসি ফুঁসে উঠেছে। তারা গ্রামের এই কাঁচা রাস্তাটিতে ধান রোপন করে পাকা করনের জন্য অভিনব প্রতিবাদ  জানিয়েছে।

স্থানীয় আয়ুব হোসেন বলেন রুদ্রপুর বিল পাড়ার মানুষ এই যুগে এসেও মনে হয় এখনও ১০০ বছর পিছিয়ে আছে। তারা বাড়ি থেকে বর্ষা মৌসুমে বের হতে পারে না। এক দুর্বিসহ জীবন যাপন অতিবাহিত করে গ্রামের এই সাধারন মানুষ।  গ্রামের লোকজনের ডিজিটাল এই যুগে রাস্তাটি পাকার হওয়ার খুব প্রয়োজন। এখানে শুধু নেতা কর্মীরা ভোটের সময় পাড়া দেয়। এরপর আর এসব মৌসুমী নেতাদের দেখা যায় না। এ ব্যাপারে কায়বা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হাসান ফিরোজ টিংকুকে কয়েকবার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেন নাই।

ফকিরহাটে ২৫৬জন কৃষককে বীজ ও আর্থিক সহায়তা প্রদান

ফকিরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাটের ফকিরহাটে করোনা দুর্যোগ পরিস্থিতির মধ্যেও থেমে নেই কার্যক্রম। উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্যোগে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, বীজ বিতরণ ও আর্থিক সহায়তা প্রদান সহ কৃষকদের নানা প্রকারের সহযোগিতা করে যাচ্ছেন। তারই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় উপজেলা কৃষি অফিসের আয়োজনে ২৫৬জন কৃষক-কৃষাণীদের মাঝে ১০প্রকারের বীজ ও আর্থিক সহায়তা স্বরুপ চেক প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান স্বপন দাশ। উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) রহিমা সুলতানা বুশরা এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ফকিরহাট সরকারি ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মহিলা (ডিগ্রি) কলেজের অধ্যক্ষ অমিত রায় চৌধুরী ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান শেখ মোস্তাহীদ সুজা। স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ নাছরুল মিল্লাত। উপ-সহকারি উদ্ভিদ সংরক্ষণ অফিসার নয়ন কুমার সেন এর সঞ্চালনায় এসময় বক্তব্য রাখেন উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা বিপুল পাল, কৃষক বসন্ত শিকদার প্রমূখ। এসময় সহকারি অধ্যাপক মাসুদুর রহমান মুক্ত, উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা নীল রতন রায়, মো: বিল্লাল হোসেন, বিপ্লব দাশ সুমন বাগচী, দেবদাশ বালা সহ বিভিন্ন উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা, সংবাদকর্মী ও কৃষক-কৃষাণী উপস্থিত ছিলেন। এদিন প্রত্যেক কৃষকদের মাঝে বেগুন, পেকে, করোলা, বরবটী সিম সহ ১০প্রকারের বীজ ও সার, জৈব, অজৈব সার ও কৃষি ক্ষেত পরিচর্চার জন্য জনপ্রতি ১৯৩৫টাকার চেক প্রদান করা হয়েছে।

“চাঁদাবাজি বন্ধে” কাটাখালী হাইওয়ে থানা পুলিশের ব্যাপক তৎপরতা

ফকিরহাট প্রতিনিধি

মহাসড়কে চাঁদাবাজি বন্ধে কাটাখালী হাইওয়ে থানা পুলিশ ব্যাপক তৎপর রয়েছে। পরিবহন মালিক সমিতি ও শ্রমিক সংগঠন গুলোর সাথে একাধিক সভা সেমিনার ও মিটিং করে এটি বন্ধ করা সম্ভাব হয়েছে। পাশাপাশি স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তি ও কমিউনিটি পুলিশের সমন্বয়ে চাঁদাবাজদের নিয়ন্ত্রনে আনতে হাইওয়ে পুলিশ কাজ করছে। কাটাখালী হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ যে কোন স্থানে যে কোন ব্যক্তি বা গোষ্টি কারো নাম করে কোন প্রকার চাঁদাবাজি করলে তাৎক্ষণিক পুলিশকে অবহিত করার জন্যও অনুরোধ করেছেন। তাছাড়া মাইকিং এর মাধ্যমে কাটাখালী মোড়, কুদির বটতলা মোড়, নওয়াপাড়া মোড়, ফকিরহাট বিশ্বরোড মোড়, ফয়লা মোড়, ভাগা মোড় ও দ্বিগরাজ মোড় সহ বিভিন্ন এলাকা যানবাহন ষ্টপেজে ষ্ট্যাটার ও চাঁদাবাজদের সতর্ক করার পাশাপাশি বিভিন্ন উপায়ে মহাসড়কে চাঁদাবাজি রোধে কাজ করে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে কাটাখালী হাইওয়ে থানার পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ রবিউল ইসলাম এর সাথে আলাপ করা হলে তিনি জানান, মহাসড়কে কোন প্রকার চাঁদাবাজি সহ্য করা হবে না। সব ধরনের চাঁদাবাজি বন্ধে হাইওয়ে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

কয়রায় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্থদের ত্রাণের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

শাহজাহান সিরাজ, কয়রা

কয়রায় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্থ হতদরিদ্র পরিবারে ত্রানের টাকা বিতরণ করে রাতে বাড়ী বাড়ী গিয়ে সেই টাকা ফেরত নিয়ে আত্মসাৎ করলেন বেসরকারি সংস্থা উত্তরণের ম্যনেজার ও তার সহযোগিরা। বিষয়টি উত্তরণ কতৃপক্ষ জানার পর তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন বলে সংস্থার পরিচালক নিশ্চিত করেছেন। এদিকে ত্রাণের লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাতের ঘটনাটি জানাজানি হলে সমগ্র কয়রায় প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। এছাড়া তালিকা প্রস্তুত করতে ব্যাপক অনিয়ম করেছেন বলে ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বরগণ অভিযোগ তুলেছেন।খবর নিয়ে জানা গেছে বেসরকারি সংস্থা উত্তরণ ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারে ত্রাণ বিতরণের জন্য উপজেলার দক্ষিণ বেদকাশি, মহারাজপুর ও কয়রা সদর ইউনিয়নে ৭৫০ পরিবারের তালিকা প্রস্তুত করে এবং প্রতিটি পরিবারে নগত ৩ হাজার টাকা সহ একটি কিট বক্স বিতরণের কথা বলেন। স্থানীয় উত্তরনের ম্যানেজার মাসুদ আহসান জানান, গত ১৪/১৫ তারিখ কয়রা সদর ও ১৬/১৭ তারিখ মহারাজপুর ইউনিয়নে ৪৮৬ পরিবারে ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, দক্ষিণ বেদকাশি ইউনিয়নে বৃহস্পতিবার ত্রাণ বিতরনের কথা থাকলেও হেড অফিস বন্ধ করে  দিয়েছে। সূত্র জানায় মঙ্গলবার মহারাজপুর ইউনিয়নের কালনা, মহারাজপুর, দশালিয়া, মঠবাড়ী, আটরা, শ্রীরামপুর সহ একাধিক গ্রামে ২৫০ পরিবারে ৩ হাজার টাকা ও একটি করে কিট বক্স বিতরণ করা হয়। সরেজমিনে জানা গেছে, ম্যানেজার মাসুদ ও তার সহযোগি বাসার মঙ্গলবার রাতে বাড়ী বাড়ী গিয়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে ৩ হাজার টাকা ফেরত নিয়েছেন এবং আগামীতে ১২ হাজার টাকা দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত হতে বুধবার কালনা গ্রামে সালেহা খাতুন স্বামী সুরাত মোড়ল, নুরজাহান স্বামী মৃত সাহেব আলী, আসমা স্বামী আলাউদ্দিন, মহারাজপুর গ্রামের রুবেল পিতা জামাল গাজী, জামাল গাজী পিতা জয়নুদ্দীন গাজী সহ প্রায় ২০ টি পরিবারে খবর নিয়ে জানা গেছে বিকেলে টাকা দিয়ে সন্ধার পর ৩ হাজার টাকা ফেরত নিয়ে ম্যানেজার মাসুদ ও বাসার বলেন, এই টাকা ফেরত দিলে কিছুদিন পর ১২ হাজার পাবা। এ সম্পার্কে ম্যানেজার মাসুদের সাথে কথা বললে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমি এর সাথে জড়িত নই। তবে বাসার ও আরো কয়েকজন এমন কাজ করেছেন বলে শুনেছেন এবং তদন্ত শুরু হয়েছে। এবিষয় উত্তরনের সহকারি সমন্বয়কারি (প্রশাসন) শম্ভু চৌধুরি জানান, বুধবার এ ধরনের অভিযোগ জানার পর ৩ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কয়রা সদর ইউপি চেয়ারম্যান সাংবাদিক হুমায়ুন কবির জানান, তার ইউনিয়নে ব্যাপক অনিয়ম, দূর্নীতি করেছে উত্তরনের ম্যানেজার মাসুদ। এছাড়া তারা নিজেরাই তালিকা করে একই পরিবারে স্বামী, স্ত্রী, সহ সন্তানদের ও নামে তালিকা করে ত্রাণ দিয়েছেন।

বটিয়াঘাটায় আগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ দোকান মালিকদের মাঝে শেখ সোহেল এর আর্থিক সহায়তা প্রদান

খবর বিজ্ঞপ্তি

গত ২৭ মে বটিয়াঘাটা নতুন বাসস্ট্যান্ড বাজারে আগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ দোকান মালিকদের মধ্যে বৃহস্পতিবার বঙ্গবন্ধুর ভ্রাতষ্পুত্র, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সন্মানিত পরিচালক জনাব শেখ সোহেল এর পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়। প্রদান কালে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শেখ মোঃ আবু হানিফ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক রবিন ঢালী, দোকান মালিক সমিতির সভাপতি ও বটিয়াঘাটা সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি পঙ্কজ কুমার বিশ্বাস, দোকান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সমীর কুমার সরকার, আওয়ামী লীগ নেতা চয়ন বিশ্বাস, সাবেক ছাত্রনেতা এম এম হোসেন ইমরান, অরিন্দম গোলদার, অশোক মন্ডল, খুলনা জেলা ছাত্রলীগ নেতা সুরজিত মন্ডল, শেখ মোঃ রাসেল, এম এ মান্নান, অনিমেস মল্লিক, আবেদ আলী, শিবু রায়, অঞ্জন ঢালী, রঞ্জন মন্ডল, প্রতিফল বাছাড় এম এ সুজন সহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ। এসময়ে ক্ষতিগ্রস্থরা আর্থিক সহায়তা গ্রহন করেন এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও শেখ সোহেল এর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

বাণিজ্য মন্ত্রী টিপু মুনশি এমপিসহ বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদের সুস্থতা কামনা খুলনা চেম্বারের

খবর বিজ্ঞপ্তি

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী, বীর মুক্তিযোদ্ধা টিপু মুনশি এমপিসহ বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত সকলের আশু সুস্থতা কামনা করে খুলনা চেম্বারের সভাপতি কাজি আমিনুল হকসহ পরিচালনা পরিষদ মহান আল্লাহ রাব্বুল আল-আমিনের দরবারে দোয়া করেন যাতে সকলে দ্রুত সুস্থ হয়ে তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারেন। বিবৃতিদাতারা হলেন খুলনা চেম্বারের সভাপতি কাজি আমিনুল হক, উর্দ্ধতন সহ-সভাপতি শেখ আসাদুর রহমান, সহ-সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বিশ্বাস বুলু, সহ-সভাপতি মোঃ মোস্তফা জেসান ভূট্টো, পরিচালকবৃন্দ গোপী কিষণ মুন্ধড়া, এম এ মতিন পান্না, জেড এ মাহামুদ ডন, এস এম ওবায়দুল্লাহ, আলহাজ্ব মোঃ মফিদুল ইসলাম টুটুল, ঠাকুর মোঃ শাহ্ আলম, জোবায়ের আহমেদ খান (জবা), মোঃ সিরাজুল হক, কাজী মাসুদুল ইসলাম, আলহাজ্ব মোঃ মোশাররফ হোসেন, শেখ আল্লামা ইকবাল তুহিন, মোঃ আবুল হাসান, দীপক কুমার দাস, মোঃ ইসলাম খান, উজ্জ¦ল কুমার গাঙ্গুলী, শেখ মোঃ গাউসুল আজম, খান সাইফুল ইসলাম, মোঃ মনিরুল ইসলাম মাসুম, মোঃ মাহবুব আলম ও চৌধুরী মিনহাজ উজ জামান। অপর একবিবৃতিতে ২৪নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি কাজী বেলায়েত হোসেনের সহধর্মিনী এবং খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা কাজী জাহিদুল ইসলাম ও যুবলীগ নেতা কাজী কামাল হোসেনের মাতা আবেদা বেগম, খুলনা প্রেসকাবের স্থায়ী সদস্য ও দৈনিক পূর্বাঞ্চল পত্রিকার সহকারী সম্পাদক মাহমুদ হাসান সোহেল এর নানী ছবুরা খাতুন, এছাড়াও খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়ন (কেইউজে) এর সদস্য, দৈনিক সময়ের খবর পত্রিকার সাংবাদিক দিলীপ পালের মাতা এবং কেইউজে’র কোষাধ্যক্ষ, ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশন খুলনা ব্যুরোর স্টাফ রিপোর্টার, খুলনা মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক অভিজিৎ পালের ঠাকুমা ননী বালার মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোকাহত পরিবারবর্গের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।

খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের শোকবার্তা

খবর বিজ্ঞপ্তি

জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক  যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক, খুলনা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারন সম্পাদক কাজী শামীম আহসানের মেজো ভাই কাজী আক্তারুজ্জামান বুলবুল (৬৮) মাদারীপুরে গতরাতে এশা নামাজ পড়তে যেয়ে মসজিদে অজু বানানো অবস্থায় ষ্ট্রোক করে ইন্তেকাল করেন।

এছাড়া খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক শিক্ষা সম্পাদক অধ্যাপক মিজানুর রহমানের বড় বোন নূর জাহান বেগম (৯০) বার্ধক্য জনিত কারণে সাতক্ষীরা জেলার অন্তর্গত আশাশুনি উপজেলার শ্রীউলা গ্রামে ইন্তেকাল করেন।(ইন্নানিলাহি————-রাজেউন)। তাঁদের এই মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ হারুনুর রশীদ ও সাধারন সম্পাদক এডঃ সুজিত অধিকারী।

মণিরামপুরে চেতনানাশক স্প্রে করে তিন বাড়ি লুট

মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি :

যশোরের মণিরামপুরে চেতনানাশক স্প্রে করে তিন কৃষকের বাড়িতে লুটের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১৭ জুন) দিবাগত রাতে উপজেলার কাশিপুর মাঝের পাড়ায় এঘটনা ঘটে।

ক্ষতিগ্রস্ত তিন পরিবার হলেন ওই পাড়ার ইউনুস আলী, তার ভাই ইসহাক আলী ও ভগ্নীপতি আবুল বাসার। খবর পেয়ে মণিরামপুর থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই দেবাশীষ বিশ্বাস ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ইউনুস আলী বলেন, বুধবার সন্ধ্যের সময় বিশ্রাম নিতে গিয়ে বাড়ির সবাই ঘুমিয়ে পড়ি। রাতে কি হয়েছে কিছু বলতে পাবর না। সকালে অন্যবাড়ির লোকজন এসে আমাদের ঘুম ভাঙায়। ঘরে হালখাতা ও ধান বিক্রির ৫০ হাজার টাকা ছিলো। ঘুম থেকে উঠে দেখি সেগুলো নেই। ডাকাতরা টাকাসহ কিছু স্বর্ণালংকার নিয়েছে। ইউনুস আলীর ছেলে ইব্রাহিম হোসেনের ধারণা, কেউ তাদের চেতনানাশক কিছু স্প্রে করেছে। তাই সন্ধ্যের সাথে সাথে বাড়ির সবাই ঘুমিয়ে পড়ে।

এদিকে ক্ষতিগ্রস্থ আবুল বাশার বলেন, বুধবার বিকেল ধরে গায়ে বল পাচ্ছিলাম না। সন্ধ্যের পরপরই সবাই ঘুমিয়ে যাই। বৃহস্পতিবার সকালে ফজরের নামাজ পড়তে উঠে দেখি ঘরের জিনিসপত্র এলোমেলো।  ডাকাতরা স্বর্ণালংকারসহ নগদ পাঁচহাজার টাকা নিয়েছে। তিনি বলেন, জীবনে কোনদিন এমন ঘুম আসিনি। এখনো ঘুমঘুম ভাব হচ্ছে। একইভাবে ইসহাক আলীর বাড়ি থেকে নয় ভরি স্বর্ণালংকারসহ জিনিসপত্র লুট হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে দশটার দিকে সরেজমিন ঘটনাস্থল ঘুরে জানা যায়, লুট হওয়া তিন বাড়িই কৃষিভিত্তিক ধনী পরিবার। গ্রামের ভিতরে বাড়ি হওয়ায় তারা সাধারণত রাতে দরজা খুলে ঘুমান। ঘটনার রাতেও তাদের ঘরের দরজা লাগানো ছিলো না। এসময় বাড়ির লোকজনকে ঘুমিয়ে থাকতে দেখা গেছে। অপরদিকে একইরাতে উপজেলার চালুয়াহাটি ইউপির মনোহরপুর ও হায়াতপুর গ্রামে দুই কৃষকের বড় দুটি গরু চুরি হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

খেদাপাড়া ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই খাইরুল আলম বলেন, কাশিপুর গ্রামে তিন বাড়িতে চুরি হওয়ার ঘটনা শুনেছি। মণিরামপুর থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই দেবাশীষ বিশ্বাস বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছি। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষনিক জানাতে পারেরি ক্ষতিগ্রস্থরা। তাদের থানায় আসতে বলা হয়েছে। মণিরামপুর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) শিকদার মতিয়ার রহমান বলেন, বুধবার রাতে তিন বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটেছে বলে শুনেছি।

এ্যাড. সৈয়দা সাবিহা’র রোগমুক্তি কামনায় খুলনা নাগরিক সমাজ

খবর বিজ্ঞপ্তি

সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জুর স্ত্রী বিশিষ্ট মানবাধিকার সংগঠক এ্যাড. সৈয়দা সাবিহা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন আছেন। তাঁর রোগমুক্তি কামনা করে খুলনা নাগরিক সমাজ-এর নেতৃবৃন্দ বিবৃতি প্রদান করেছেন। বিবৃতিদাতারা হলেনÑখুলনা নাগরিক সমাজের আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব এ্যাড. আ ফ ম মহসীন ও সদস্য সচিব এ্যাড. মোঃ বাবুল হাওলাদারসহ নেতৃবৃন্দ।

সোনাডাঙ্গা থানা সিপিবি’র উদ্যোগে মাস্ক বিতরণ

খবর বিজ্ঞপ্তি

করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে মাস্ক ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), সোনাডাঙ্গা থানার উদ্যোগে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের মাঝে বৃহস্পতিবার সোনাডাঙ্গা থানা এলাকায় মাস্ক বিতরণ করা হয়। মহানগর সাধারণ সম্পাদক এড. মোঃ বাবুল হাওলাদার এ মাস্ক বিতরণ করেন। এ সময়ে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেনÑসোনাডাঙ্গা থানা সিপিবি’র সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নিতাই পাল, সাধারণ সম্পাদক রুস্তম আলী হাওলাদার, আইন ও অধিকার বাস্তবায়ন ফোরামের বিভাগীয় সভাপতি এস এম দেলোয়ার হোসেন, সিপিবি নেতা অধ্যাপক সঞ্জয় সাহা, যুব ইউনিয়ন নেতা সৈয়দ রিয়াসাত আলী রিয়াজ প্রমুখ। নেতৃবৃন্দ সকলকে বাধ্যতামূলক মাস্ক ব্যবহার, সামাজিক ও শারীরিক দূরত্ব এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানান।

মোংলায় নৌবাহিনী কর্তৃক ৪০০ অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

খবর বিজ্ঞপ্তি

বিশ্বব্যাপি ছড়িয়ে পরা করোনা ভাইরাস এর সংক্রমণ রোধকল্পে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকায় জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা অব্যাহত রেখেছে। কোভিড-১৯ এর প্রাদুর্ভাবে স্থবির বাংলাদেশের কর্মহীন, ক্ষুধার্ত ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। বাংলাদেশ নৌবাহিনী উপকূলীয় জেলায় কন্টিনজেন্ট মোতায়েনের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন স্থানে ত্রাণ বিতরণের মহতি কার্যক্রম চলমান রেখেছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে অসহায় ও দুস্থ পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে নৌবাহিনী। কমান্ডার খুলনা নেভাল এরিয়া এর তত্ত্বাবধানে মংলা উপজেলার কাটাবুনিয়া এবং হলদিবুনিয়া এলাকায় ৪০০ অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে  ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়। বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা প্রদানের অংশ হিসেবে মোতায়েনকৃত নৌবাহিনী কন্টিনজেন্ট বরগুনা জেলা সদর, আমতলী ও তালতলী এলাকায় নিয়মিত টহলের পাশাপাশি জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমসহ উপজেলাসমূহের বিভিন্ন স্থানে ১৫০টি সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করে। এসময় সাধারণ জনগণের মাঝে ১০কেজি বিচিং পাউডার বিতরণ করা হয়। সাধারণ জনগণকে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতকরণ, একান্ত প্রয়োজনে বাড়ির বাহিরে অবস্থানের ক্ষেত্রে মুখে মাস্ক পরিধানের জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়। জনগণকে কাঁচা বাজার, ঔষধের দোকান ও মসজিদ ব্যবহারে সরকারী নীতিমালা অনুসরণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বলা হয়। বিকাল চার ঘটিকার পর সকল দোকানপাট বাধ্যতামূলকভাবে বন্ধ রাখতে ব্যবসায়ীদের বোঝানো হয়। নৌ কন্টিনজেন্ট মংলা সামাজিক জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দিগরাজ বাজার, বুড়িরডাঙ্গা, আপাবাড়ি, মংলা বাজার, মংলা বন্দর, হাসপাতাল চত্ত্বর ও ফেরিঘাট এলাকায় টহল অব্যাহত রেখেছে। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ সর্ম্পকিত বিভিন্ন লিফলেট বিতরণ এবং রাস্তা ও যানবাহনে ১০% কোরিনযুক্ত জীবাণুনাশক পানি ছিটিয়ে জীবাণুমুক্ত করা হয়। নৌ কন্টিনজেন্ট মংলা জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কার্যক্রমে সহায়তা প্রদানসহ নিয়মিত টহল ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে ।

ডাঃ রাকিবের হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি ইসলামী আন্দোলনের

খবর বিজ্ঞপ্তি

খুলনা গল্লামারী রাইসা কিনিকের মালিক ডাঃ রাকিবের হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা মহানগর নেতৃবৃন্দ। তারা বলেন, কোন কাজ করতে গেলে ভুল হতে পারে কিন্তু কাউকে মেরে ফেলতে হবে এটা কারো কাম্য নয়, দেশে একের পর এক হত্যাকা- হতে চলছে এর কোন বিচার না পাওয়ায় সন্ত্রাসীরা এরকম অঘটন একের পর এক করে যাচ্ছে, নেতৃবৃন্দ ডাঃ রাকিবের গ্রেফতারকৃত আসামীদের সঠিক তদন্ত পূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা মহানগর সভাপতি মুফতী আমানুল্লাহ, সহ সভাপতি মাওঃ মোজাফ্ফার হোসাইন, মুফতী মাহবুবুর রহমান, সেক্রেটারী শেখ মোঃ নাসির উদ্দিন, জয়েন্ট সেক্রেটারী মাওঃ দ্বীন ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক জিএম সজীব মোল্লা, সহ সাংগঠনিক মোল্লা রবিউল ইসলাম তুষার, প্রচার সম্পাদক মোঃ তরিকুল ইসলাম কাবির, সহ প্রচার আব্দুর রশীদ, দপ্তর সম্পাদক মোঃ শরিফুল ইসলাম, সহ দপ্তর মুফতী আমিরুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক মুক্তিযুদ্ধা জিএম কিবরিয়া, সহ অর্থ আলহাজ্ব মোমিনুল ইসলাম, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মুফতী ইসহাক ফরীদি, সহ প্রশিক্ষণ মাওঃ হাফিজুর রহমান, ছাত্র ও যুব বিষয়ক মাওঃ ইমরান হোসাইন, শিক্ষা ও সংস্কৃতি ইঞ্জিনিয়ার এজাজ মানসুর, আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাডভোকেট কামাল হোসেন, কৃষি ও শ্রম বিষয়ক আলহাজ্ব আমজাদ হোসেন, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক আলহাজ্ব আব্দুস ছালাম, মহিলা ও পরিবার বিষয়ক ডাঃ মাওঃ নাসির উদ্দিন, সংখ্যালঘু বিষয়ক আলহাজ্ব আবু তাহের, নির্বাহী সদস্য মাওঃ শায়খুল ইসলাম বিন হাসান, মাওঃ সিরাজুল ইসলাম, আলহাজ্ব জাহিদুল ইসলাম প্রমুখ।

খুলনা মহানগর বিএনপির শোক 

খবর বিজ্ঞপ্তি

খুলনা মহানগর বিএনপির সদস্য, ১৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি, কাউন্সিলর হাফিজুর রহমান মনি মাতা সবুরা বেগম (৮২) ১৭ জুন রাত ৮টায় মুত্যুবরণ করেন(ইন্না লিল্লাহি… রাজিউন)। বৃহস্পতিবার বাদ যোহর সিদ্দিকীয়া জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে জানাযা এবং বসুপাড়া কবরস্থানে দাফন করা হয়। খুলনা মহানগর ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শিহাবুল আরেফিন লুপিনের মাতা মিসেস শামসুর নাহার (৫৮) ১৭ জুন রাত ১.৩০ মিনিটে মৃত্যুবরণ করেন(ইন্না লিল্লাহি… রাজিউন)। বাদ যোহর টুটপাড়া এলাকায় জানাযা এবং টুটপাড়া কবরস্থানে দাফন করা হয়। খুলনা মহানগর শ্রমিক দল নেতা, সিবিএ সাবেক নির্বাচিত সভাপতি শেখ আতাহার আলী (৬৫) সকাল ৭টায় মৃত্যুবরণ করেন(ইন্না লিল্লাহি… রাজিউন)। বাদ যোহর নিরালা এলাকায় জানাযা এবং নিরালা কবরস্থানে দাফন করা হয়। তাদের মৃত্যুতে গভীর শোক, শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে এবং তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিবৃতি দিয়েছে খুলনা মহানগর বিএনপি।

বিবৃতিদাতারা হলেন, বিএনপির চেয়ারপাসনের উপদেষ্টা এম নুরুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও মহানগর সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু, সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি, সাহারুজ্জামান মোর্ত্তজা, সৈয়দা নার্গিস আলী, মীর কায়সেদ আলী, শেখ মোশারফ হোসেন, জাফরউলাহ খান সাচ্চু, জলিল খান কালাম, সিরাজুল ইসলাম, এড. ফজলে হালিম লিটন, স ম আব্দুর রহমান, শেখ ইকবাল হোসেন খোকন, শেখ জাহিদুল ইসলাম, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, শেখ আমজাদ হোসেন, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, সিরাজুল হক নান্নু, মোঃ মাহবুব কায়সার, আসাদুজ্জামান মুরাদ, এস এম আরিফুর রহমান মিঠু, ইকবাল হোসেন খোকন প্রমুখ।

সরোবরে সফল চাষি সুমধুর সংকটে

বেনাপোল প্রতিনিধি

তিনপ্রহরের বিলে পদ্ম ফুলের মাথায় সাপ আর ভ্রমরের খেলা দেখানোর আশা দিয়েও কথা রাখেনি মাঝি নাদের আলী। তাই এই ক্রীড়াদৃশ্য কেমন তা শুধু মানসচোখেই দেখতে হয়েছে। ব্যক্তি ভেদে এই দৃশ্যের নান্দনিকতায় হেরফের হতে পারে। কিন্তু বাস্তবের সরোবরে পদ্ম আর গোখরোর সন্ধি খুঁজতে হলে কোনও এক তিনপ্রহর কাটাতে হবে যশোরে। সম্প্রতি চার বিঘা জলাধারে পদ্ম ফুলের চাষ করেছেন যশোরের শার্শার বেড়ি নারায়নপুর গ্রামের আবদুল বারিক ওরফের ফুল বারিকের ছেলে সিরাজুল ইসলাম। পৈত্রিক সূত্রেই ফুলের ব্যবসায় তার হাতেখড়ি। কিন্তু তিনি ব্যতিক্রমভাবে পদ্মফুলে স্বপ্ন বুনেছেন। এবং দুই বছরের সাধনায় সফলতার মুখ দেখেছেন। এখন সরোবরের সামনে এলেই তার ফুসফুস প্রশস্ত হয়ে যায় মৌ মৌ সুবাসে। তবে করোনা পরিস্থিতির কারণে তার সেই স্বপ্ন-সুখের দোলায় দুঃস্বপ্নও হানা দিয়ে যায়। যদি ঠিকঠাক বিক্রি না হয়, তাহলে লাভের মুখ দেখবেন কী করে!

সরেজমিনে দেখা যায়, চার বিঘা জলাধারে বিছিয়ে আছে হাজার হাজার পদ্ম ফুল। মৃদু সুবাসে দোলা খাচ্ছে ঢেউয়ের পর ঢেউ। কেউ আসছেন পদ্ম ফুলের সৌন্দর্য দেখতে, আবার কেউ আসছেন শখ করে পদ্ম পাতা ও ফুল কিনতে। ফুল কিনতে আসা মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘এই পদ্ম ফুল আগের মতো এখন আর দেখা যায় না। বহুযুগ পরে সিরাজুল ভাইয়ের মাধ্যমে আমরা আবার এই পদ্ম ফুলের দেখা পেলাম। তাই বাড়িতে স্ত্রী-সন্তানদের জন্য পদ্ম পাতা ও ফুল কিনতে এসেছি।’

আকাশ ও শাওন এসেছেন পদ্ম ফুল দেখতে। তারা জানান, লোক মুখে খবর পেয়ে পদ্ম ফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে এসেছেন তারা। জানতে চাইলে পদ্মচাষি সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘দীর্ঘ দুই বছরের চেষ্টায় এখন আমি এই ফুল চাষে সফল হয়েছি। একবার এই ফুলের বংশ বৃদ্ধি পেলে আর পেছনে ফিরে তাকানো লাগে না। কোনও খরচ ছাড়ায় পদ্ম ফুলের চাষ করে এক মৌসুমে লাখ টাকা আয় করা সম্ভব। এই ফুলের ডাটা, পাতা, ফুল, কুঁড়ি ও ফলের আলাদা আলাদা চাহিদা রয়েছে। তবে দুঃখের বিষয় হলো, এমন সময় আমার চাষের সফলতা এসেছে যখন করোনাভাইরাসের মহামারি। যার কারণে দূর-দূরান্ত থেকে কেউ ফুল কিনতে আসতে পারছেন না। তাই সব মিলিয়ে সফলতার প্রথম মৌসুমেই বেচাকেনা কম হওয়ায় লাভ-লোকসানের হিসাব মেলাতে পারছি না।’ মৌসুম থাকতে থাকতে যদি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চলে আসে তবে কিছুটা হলেও লাভের মুখ দেখতে পারবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

শার্শা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সৌতম কুমার শীল বলেন, ‘দেশে এবং দেশের বাইরে পদ্ম ফুলের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এই ফুলের চাষ ও ব্যবহার সঠিকভাবে করতে পারলে অনেকাংশে লাভবান হওয়া সম্ভব। আমার কৃষি বিভাগ প্রতিটি চাষে এবং প্রতিটি কৃষককে সব সময় সুযোগ সুবিধা দিতে প্রস্তুত। চাষি সিরাজুল ইসলাম আমার কাছে কোনও সহযোগিতা চাইলে সার্বিকভাবে সাহায্য করার চেষ্টা করবো।’

জানা যায়, পদ্ম মূলত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া থেকে এসেছে। এটি কন্দ জাতীয় ভূ-আশ্রয়ী বহু বর্ষজীবী জলজ উদ্ভিদ। এর বংশ বিস্তার ঘটে কন্দের মাধ্যমে। পাতা পানির ওপরে ভাসলেও এর কন্দ বা মূল পানির নিচে মাটিতে থাকে। পানির উচ্চতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে গাছ ও বৃদ্ধি পেতে থাকে। পাতা বেশ বড়, পুরু, গোলাকার ও রঙ সবুজ হয়। পাতার বোটা বেশ লম্বা, ভেতরের অংশ অনেকটাই ফাঁপা থাকে। ফুলের ডাটার ভেতরের অংশে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অসংখ্য ছিদ্র থাকে। ফুল আকারে বড় এবং অসংখ্য নরম কোমল পাপড়ির সমন্বয়ে সৃষ্টি একেকটি পদ্ম ফুলের। ফুটন্ত তাজা ফুলে মিষ্টি সুগন্ধ থাকে। এই ফুল রাতে ফোটে এবং সকাল থেকে রৌদ্রের প্রখরতা বৃদ্ধির পূর্ব পযর্ন্ত প্রস্ফুটিত থাকে। রোদ বাড়লে ফুল সংকুচিত হয় ও পরবর্তীতে ফের নিজেকে মেলে ধরে। ফুটন্ত ফুল এভাবে বেশ অনেক দিন ধরে সৌন্দর্য ছড়ায়। এই ফুলের রঙ মূলত লাল-সাদা ও গোলাপির মিশ্রণ যুক্ত। এছাড়াও লাল, সাদা ও নীল রঙের ফুলও আছে। পদ্ম ফুল বর্ষা মৌসুমে ফোটা শুরু হয়। তবে শরতে অধিক পরিমাণে ফোটে এবং এর ব্যাপ্তি থাকে হেমন্তকাল পর্যন্ত।

দুই মিনিটের টর্নেডোয় অর্ধশত বাড়ি বিধ্বস্ত

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

মাত্র দুই মিটিনের টর্নেডোর আঘাতে অনেক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত ও গাছপালা উপড়ে গেছে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে বেলা সাড়ে ১২টার দিকে শ্যামনগর উপজেলার সুন্দরবন সংলগ্ন মুন্সিগঞ্জ ও ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নে এই টর্নেডো আঘাত হানে।

প্রত্যক্ষদর্শী শরিফুল ও নাজমুল হোসেন জানান, সকাল থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টির মধ্যে দুই মিনিট স্থায়ী টর্নোডোতে অধিকাংশের ঘরের ছাউনি উড়ে গেছে। তবে কেউ আহত হয়নি।

শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আ ন ম আবুজর গিফারী বলেন, ‘টর্নেডোর বিষয়টি স্থানীয়রা আমাকে জানিয়েছেন। আম্পান এবং পরবর্তীতে এই কয়দিনের টানা বৃষ্টিতে অনেক কাঁচা ঘর-বাড়ি নষ্ট হয়ে গেছে। সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের চেয়ারম্যানদের কাছে ক্ষয়ক্ষতির বিবরণ চাওয়া হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।’

মহেশপুরে জমি দখলে ব্যর্থ হয়ে পিতা-পুত্রসহ ৪জনকে পিটিয়ে আহত করা হয়েছে

মহেশপুর(ঝিনাইদহ)প্রতিনিধিঃ

নিজ মাঠের জমিতে পিতা জহরআলী ছেলে সুজনসহ ৪জনকে সাথে নিয়ে ধানের চারা রোপন করার সময় রোপন কৃত জমিটি দখলের জন্য আজিবর রহমান,মজিবর রহমান,শফিকুল ইসলাম,নজরুল ইসলাম ও মসলেম উদ্দীন জমি দখলের চেষ্টা করে। পরে তারা জমি দখল করতে ব্যর্থ হওয়ার কারনে জমির মালিক জহরআলী (৬০),ছেলে সুজন (২৫) প্রতিবেশী জুলেয় রানা (২৮) ও সুমনকে (২৪) পিটিয়ে আহত করে জমিতেই ফেলে রেখে আসে। এ ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর ২টার দিকে ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার কাজিরবেড় ইউনিয়নের ষাটনলপাড়ার মাঠে।

এলাকাবাসী আহতদেরকে উদ্ধার করে মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তী করেছে। পিটিয়ে আহত করার ঘটনায় জহরআলী বাদি হয়ে ষাটনলপাড়া গ্রামের রবিউল ইসলামের ছেলে আজিবর রহমান,মজিবর রহমান,শফিকুল ইসলাম,সিজার ঢালির ছেলে নজরুল ইসলাম ও মসলেম উদ্দীনকে আসামী বৃহস্পতিবার বিকালে মহেশপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

আহত জহরআলী জানান, ৪৫ নং সামন্তা গোপালপুর মৌজার সাবেক খতিয়ান নং ৬৫৫,সাবেক দাগ নং-১৫৫৬ জমির পরিমান ৬১ শতক আমার ও আমার ভায়েদের নামে ক্রয়কৃত সম্পত্তি। কিন্তু একই এলাকার আজিবর রহমান ও তার দলবল আমাদের ক্রয়কৃত জমিতে দীর্ঘ দিন ধরে দখলের চেষ্টা করে আসছে।  তিনি আরো জানান,বৃহস্পতিবারও তারা আমাদের জমিটি দখলের জন্য মাঠে গিয়েছিলো। কিন্তু পারেনি। তার তারা আমাদেরকে পিটিয়ে আহত করে মাঠের মধ্যে ফেলে পালিয়েছে।

যশোরে আরো ১৬ করোনা রোগী শনাক্ত

যশোর অফিস

যশোরে আরো ১৬ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। বৃহস্পতিবার যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) জিনোম সেন্টার থেকে এই ফল প্রকাশ করা হয়েছে।

জানা যায়, বুধবার ল্যাবটিতে যশোরের ৫৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ১৬ জনের, নড়াইলের ২২ জনের নমুনা পরীক্ষা করে চারজনের, মাগুরার ১৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করে দুইজনের ও বাগেরহাটের ৭৬ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ১৭ জনের নমুনাতে কোভিড-১৯ পজিটিভ পাওয়া গেছে। অর্থাৎ যবিপ্রবির ল্যাবে এদিন ১৭০ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৩৯ জনের করোনা পজিটিভ এবং ১৩১ জনের নেগেটিভ ফলাফল এসেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও পরীক্ষণ দলের সদস্য ড. তানভীর ইসলাম।

এমপি রনজিতের পর তার স্ত্রী, সন্তান, পুত্রবধূর করোনা শনাক্ত

যশোর অফিস

যশোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য রণজিত কুমার রায়ের পর তার পরিবারের আরো তিন সদস্যের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। বুধবার রাতে তিনজনের রিপোর্ট পজিটিভ আসে। এর আগে ১৪ জুন তার পরিবারের ছয় সদস্যের নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। বাকি তিনজনের রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন যশোরের সিভিল সার্জন শেখ আবু শাহীন। তিনি বলেন, সংসদ সদস্য রণজিত রায়ের পরিবারের ছয় সদস্যের নমুনা সংগ্রহ করে ১৪ জুন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) জেনোম সেন্টারে পাঠানো হয়। বুধবার রাতে ফলাফলে দেখা যায়, তাদের মধ্যে তিনজন করোনা পজিটিভ। বাকি তিনজনের রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে।

আক্রান্তরা হলেন রণজিত রায়ের ছেলে বাঘারপাড়া উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক রাজিব রায় (৩৫), তার স্ত্রী ঋষিতা সাহা (২৭) এবং এই দম্পতির একমাত্র সন্তান নিলম রায় (৩)। রণজিত রায়ের পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রণজিত রায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে যশোর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তিনি ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন।

যশোরে আ.লীগ নেতা লালের মৃত্যু

যশোর অফিস

যশোরের আওয়ামী লীগ নেতা ইমাম হাসান লাল আর নেই। বুধবার রাতে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তিনি মারা যান (ইন্নালিল্লাহি রাজিউন)।

তিনি জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য ছিলেন। এছাড়া ইমাম হাসান লাল যশোর পৌর আওয়ামী লীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেছেন।

যশোর জিলা স্কুল মাঠে নামাজে জানাযা শেষে তাকে দাফন করা হয়েছে।

এদিকে, ইমাম হাসান লালের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন যশোর-৩ আসনের সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ। এক শোক বার্তায় তিনি একই সাথে শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।

মহানগর ছাত্রদলের গভীর শোক প্রকাশ।

খবর বিজ্ঞপ্তি

১৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতি হাফিজুর রহমান মনি’র মাতা এবং মহানগর ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ইজবুর রহমান ইমুলের দাদী সবুরা বেগম (৮২) বুধবার রাত ৮:০০টায় বার্ধক্য জনিত কারনে নিজ বাস ভবনে এবং মহানগর ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শামসুল আরেফিন লুপিন এর মাতা শামসুন্নাহার (৫৮) গতকাল বুধবার রাত ১:০০ টায় ব্রেন স্ট্রোক করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন )। ওয়ার্ড কাউন্সিলরের মাতা এবং মহানগর ছাত্রদল নেতার মাতার মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোক সমাপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন খুলনা মহানগর ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ। বিবৃতিদাতারা হলেন মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি শরিফুল ইসলাম বাবু, সিনিঃ সহ সভাপতি তারেক হাবিবুল্লাহ, রিয়াজ শাহেদ, ইফতেখার জামান নবীন, শামীম আশরাফ, আব্দুল্লাহ কিমিয়া সাদাত, মোঃ সাইফুল ইসলাম, আব্দুল্লাহ আল মামুন, মল্লিক জাহিদুল ইসলাম, বেল্লাল হোসেন, রবিউল আলম, মোঃ ফিরোজ আহমেদ, সৈয়দ আব্দুল্লাহ, আশিকুর রহমান আশিক, মেহেদী হাসান বাবু, সোহাগ আহমেদ, রশিউর রহমান রুবেল, আশিকুর রহমান অনি, ইশতিয়াক আহমেদ ইস্তি, শেখ মসফিকুর হাসান অভি, আরিফুর রহমান আরিফ, মাহিম আহমেদ রুবেল, মামুনুর রহমান, রাজিবুল আলম বাপ্পী, উজ্জ্বল হোসেন সুমন, মাহমুদুল হাসান মুন্না, আব্দুল আহাদ শাহীন, মাসুদ রানা, রাজু আহমেদ রাজ, জিল্লুর রহমান, আরিফুর ইসলাম, শরীফ চৌধুরী সোহেল, হৃদয় হোসেন রিপন, সামুরাই হোসেন মাসুদ, ইমরান হোসেন, মিজানুর রহমান শাকিল, শামীম রেজা,  ইবাদুল ইসলাম, আশিক মাহমুদ নকিব, আবু হানিফা সুমন, মোঃ নাজিম উদ্দিন, মশিউর রহমান তুষার, রাজু হাওলাদার জুম্মান, তুহিন ইসলাম, শেখ আল মামুন, এবাদত হোসেন, নাজমুল হোসেন, আবু সাহালে শিমুল, রাব্বি চৌধুরী, আকরাম হোসেন,  ইয়াসিন শেখ ডালিম, শাহাবুদ্দীন শাওন, মুস্তাহিদুল হক দিহান প্রমুখ।

বটিয়াঘাটায় আন্তঃ গরুচোর চক্রের দুই সদস্য পুলিশের হাতে আটক

বটিয়াঘাটা প্রতিনিধি

বটিয়াঘাটায় আন্তঃ গরুচোর চক্রের দুই সদস্য পুলিশের হাতে আটক হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত ভোর রাতে। এ ব্যাপারে থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। জানা গেছে, গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত মধ্যরাতে পাশর্^বর্তী জেলা বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলা সদরের ঘোষপাড়া গ্রামের অধ্যাপক প্রনব কুমার ঘোষের গোয়ালঘর থেকে উন্নত জাতের ১টি গাভী ও ১টি এঁড়ে গরুসহ আরও ২টি গরু চুরি করে মিনি ট্রাক যোগে উপজেলার ভান্ডারকোট ইউনিয়ন পরিষদ সড়কের সামনে এলে ট্রাক থেকে একটি গরু লাফিয়ে পড়ে যায়। স্থানীয় বাসিন্দা হেলাল মোল্লা বিষয়টি আঁচ করতে পেরে ইউপি চেয়ারম্যান মোল্লা ইসমাইল হোসেন বাবুকে মোবাইল ফোনে জানালে, তিনি গাড়িকে ধাওয়া করে চোরকে আটক করতে বলে এবং ভান্ডারকোট পুলিশ ফাঁড়িতে ফোন দেয়। স্থানীয় জনতা গাড়ীর পিছনে পিছনে ধাওয়া করে হালিয়া এলাকায় পৌঁছালে বিক্ষুদ্ধ জনতা পাকড়াও করে উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়নের ফুলবাড়ী গ্রামের শাহাজাহান ফকিরের পুত্র মোঃ জিয়া ফকির (৩২) ও দলের সর্দার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের আসাদ মোল্লার পুত্র মোঃ হেলাল মোল্লা (৩২)দেরকে হাতেনাতে আটক করে এবং ৪টি গরু সহ ফাঁড়ির ইনচার্জের নিকট হস্তান্তর করে তবে বহনকারী পিকআপটি চালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছিল।

শরনখোলায় গোপনে কর্মচারী নিয়োগে মরিয়া কলেজ অধ্যক্ষ!

শরনখোলা (বাগেরহাট)প্রতিনিধি ঃ

বাগেরহাটের শরনখোলায় মোটা অংকের উৎকোচের বিনিময় তাফালবাড়ী স্কুল এ্যান্ড কলেজে গোপনে একজন চতুর্থ শ্রেনীর কর্মচারী নিয়োগ দিতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন একই কলেজের অধ্যক্ষ মানিক চাঁদ রায়। সম্প্রতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সহ বিভিন্ন মহলে এমন অভিযোগের বার্তা প্রেরন করেন ওই বিদ্যাপিঠের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ও  সাউথখালী  ইউনিয়নের  ৩নং-দক্ষিন তাফালবাড়ী ওয়ার্ডের  ইউপি সদস্য মোঃ ওবায়দুল হক । অভিযোগে তিনি দাবি করেন ,চলতি বছরের ফেব্রুয়ারী মাসে অত্র কলেজের একজন দপ্তরী/নৈশ প্রহরীর পদ শূন্য হয়ে পড়ে । পরবর্তীতে কলেজের এক সভায় ৩টি বহুল প্রচারিত দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার সিদ্বান্ত হয়।  কিন্তু কলেজের অধ্যক্ষ সাহেব নাম স্বর্বশ্ব ২টি পত্রিকায় কর্মচারী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দিয়ে তা গোপন করে রাখেন । এছাড়া আগ্রহী প্রার্থীদের আবেদন পত্র জমা শেষে তা যাচাই-বাচাই করার সময় আমাদের একাধিক অভিবাবক সদস্যদের না জানিয়ে গোপনে তার পছন্দের ব্যাক্তিদের নিয়ে বাঁচাই করেন।

এছাড়া কলেজের জনৈক এক শিক্ষক প্রতিনিধির মাধ্যমে মোটা অংকের ঘুষের বিনিময় সদ্য (অবসরে) যাওয়া কলেজের চতুর্থ শ্রেনীর কর্মচারি মোঃ আলী হোসেনের মাদক সেবী ছেলে আঃ রহিমকে গোপনে ওই পদে নিয়োগ দেওয়ার জন্য পায়তারা চালাচ্ছেন অধ্যক্ষ । আমাদের অবগত না করেই করোনা দুর্যোগের মধ্যেই আগামী ২২ জুন নিয়োগের সকল প্রক্রিয়া চুড়ান্ত করে ফেলেছেন  কলেজ অধ্যক্ষ সহ তার অনুসারীরা । এ ব্যাপারে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ নুরুজ্জামান খান বলেন , ওই অভিবাবক সদস্যের অভিযোগ পাওয়া গেছে । বিষয়টির তদন্ত করে পদক্ষেপ নেওয়া হবে ।

 অপরদিকে, এ বিষয়ে জানতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মুঠোফোনে  ফোন  করা হলে তিনি তা রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি । তবে, কলেজের অধ্যক্ষ মানিক চাঁদ রায় জানান , আমি এ ধরনের কোন অভিযোগ পাইনি ।  নিয়োগের সকল বিষয় ওই সদস্যরা অবগত আছেন । এছাড়া আমার বিরুদ্বে যে অভিযোগ গুলো উত্থাপন করা হয়েছে তার বিন্দু মাত্র কোন সত্যতা নেই । নিয়োগ প্রক্রিয়া ব্যাহত করতে বিভিন্ন মহলে কাল্পনিক  অভিযোগ দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন অধ্যক্ষ মানিক চাঁদ রায়।

বাংলাদেশ কেবল শিল্প কর্মচারী ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি আতাহার আলীর ইন্তেকাল

ফুলবাড়ীগেট(খুলনা)প্রতিনিধি

বাংলাদেশ কেবল শিল্প কর্মচারী ইউনিয়নের (বাকেশি)র সাবেক সভাপতি ও বিশিষ্ট সমাজ সেবক শেখ আতাহার আলী ১৮ জুন বৃহস্পতিবার সকাল ৭টায় খুলনার নিরালা আবাসিক এলাকা নিজস্ব বাসভবনে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ইন্তেকাল করেছেন,( ইন্না লিল্লাহি——–রাজিউন)। মুত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৬৫ বছর। তিনি ১ ছেলে ও ১ মেয়ে সহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। বৃহস্পতিবার জোহর বাদ নিরালা মসজিদে জানাযা শেষে নিরালা কবরস্থানে দাফন করা হয় । জানাযায় উপস্থিত ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন, খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু, সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা ও খুলনা সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র মনিরুজ্জামান মনি, খানজাহান আলী থানা বিএনপির সভাপতি মীর কায়সেদ আলী, মহানগর বিএনপির সহ সভাপতি শেখ ইকবাল হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক অধ্যক্ষ তরিকুল ইসলাম, বাকেশির কর্মচারী ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি শেখ সাইফুল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোড়ল আনিসুর রহমান, বাকেশির ইঞ্জিনিয়ার মোঃ সিরাজুল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার শহিদুল ইসলাম, খানজাহান আলী থানা সাংবাদিক ইউনিটি’র সভাপতি শেখ বদর উদ্দিন, জিএম নাজিম উদ্দিন, রুহুল আমিন, মোঃ সেকেন্দার আলী, মোঃ ওলিউল ইসলাম, মোঃ নূরুল ইসলাম সহ বাকেশির সকল কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ।

আলিম জুটমিলের মুজুরী বেতনের দাবীতে আন্দোলনের প্রস্তুতি সভা

ফুলবাড়ীগেট(খুলনা)প্রতিনিধি

খুলনা আটরা শিল্পাঞ্চলের রাষ্ট্রয়াত্ব পাটকল আলিম জুটমিলের শ্রমিক কর্মচারীদের মুজুরী বেতনের দাবীতে আন্দোলনের এক প্রস্তুতি সভা সিবিএ ও নন সিবিএর সমন্বয়ে ১৮ জুন বেলা ১১টায় আলিম জুটমিলস সিবিএ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। সিবিএ সভাপতি মোঃ সাইফুল ইসলাম লিঠুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হামিদ সরদারের পরিচালনায় বক্তৃতা করেন হক মহলদার, হাফিজুর রহমান, মকবুল হোসেন, মোঃ আনোয়ার, হাফেজ আব্দুস সালাম, বদর উদ্দিন বিশ্বাস,আলতাফ হোসেন, শেখ জাকারিয়া হোসেন, মুজিবর রহমান, কালাম, রেদওয়ান হোসেন বাহার প্রমুখ। সভায় বক্তারা বলেন, শ্রমিকদের  ১৯ সপ্তাহের মুজুরী ও কর্মচারীদের ৫ মাসের বেতন সহ সকল বকেয়া  আগামী ২০ জুনের মধ্যে  পরিশোধ করা না হলে গেট সভা প্রশাসনিক ভবন ঘেরাও বিক্ষোভ মিছিল মনিববন্ধন ও সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে পরবর্তী কর্মসূচী রাজপথ রেল পথ অবরোধ সহ কঠিন কর্মসূচী ঘোষণা করা হবে।

অপহৃত মেয়ে এবং শিশু নাতীকে উদ্ধারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

সাতক্ষীরার কলারোয়ার চিহ্নিত লম্পট কানা বাদলের কবল থেকে মেয়ে এবং শিশু নাতীকে উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন এক ভুক্তভোগি অসহায় বাবা। বৃহস্পতিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসকাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে এক সংবাদ এই আকুতি জানান সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার গাজনা গ্রামের আব্দুল কাদের মোড়লের ছেলে মোঃ কালাম মোড়ল। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আমার একমাত্র মেয়ে কে কলারোয়ার যুগীখালী গ্রামের মৃত. শামছুর গাজীর ছেলে রাজী গাজীর সাথে বিয়ে দেই। তাদের ৫ মাসের একটি ছেলে সন্তানও রয়েছে। জামাইয়ের ঘরে আমার মেয়ে সুখেই ছিলো। কিন্তু আমার মেয়ের উপর কুনজর পড়ে পরাণপুর গ্রামের মৃত. সিদ্দিক সরদারের ছেলে লম্পট মোক্তারুল ইসলাম ওরফে কানা বাদলের। জামাইয়ের বন্ধু হওয়ায় বাদল প্রায়ই তাদের বাড়িতে যাওয়া আসা করতো এবং গোপনে আমার মেয়েকে কুপ্রস্তাব দিতো। রাজি না হওয়ায় সে আমার মেয়েকে ফাঁদে ফেলার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে তার স্বামী ও শিশু ছেলেকে হত্যার হুমকি দিয়ে জিম্মি করে আমার মেয়েকে তার প্রেমে রাজি হতে বাধ্য করে। গত ৮ জুন শিশু ছেলেকে নিয়ে আমার মেয়ে আমাদের বাড়ি হতে স্বামীর বাড়িতে যাওয়ার পথে লম্পট বাদল তাকে জোরপূর্বক অপহরণ করে নিয়ে যায়। বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দিয়েও বাদলের কবল থেকে আমার মেয়ে ও শিশু নাতীকে উদ্ধার করতে পারিনি। এদিকে  গোপনে খবর পেয়েছি বাদল আমার মেয়ে ও শিশু নাতীর উপর বিভিন্নভাবে নির্যাতন চালাচ্ছে। তাদেরকে উদ্ধার করতে না পারলে আমার শিশু নাতী মারা যেতে পারে। কালাম মোড়ল আরো বলেন, মাত্র ৫ মাসের শিশু সন্তানকে হারিয়ে আমার জামাতা এবং তার পরিবারের সদস্যরা পাগলের মত হয়ে পড়েছে। লম্পট বাদল এতটাই জঘণ্য যে মাত্র ৫ মাসের শিশুকে জিম্মি করে নির্যাতন চালিয়ে তার স্বার্থ হাসিল করার চেষ্টা করছে। লম্পট বাদল ইতিপূর্বেও একাধিক নারীকে কৌশলে প্রেমের ফাঁদে ফেলে তাদের সংসার ভেঙ্গেছে। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে বাদলের প্রথম স্ত্রী বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দায়ের করেছেন। কিন্তু বাদলনিজেকে বিভিন্ন বাহিনীর সোর্স পরিচয় দিয়ে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করার কারণে তার বিরুদ্ধে ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না। তিনি ওই লম্পট বাদলের কবল থেকে তার একমাত্র মেয়ে এবং তার শিশু ছেলেকে উদ্ধারের জন্য সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

ফুলতলায় প্রাণিসম্পদ অফিসের উদ্যোগে মাঠকর্মীদের সাইকেল বিতরণ

ফুলতলা প্রতিনিধি

ফুলতলায় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর আওতাধীন প্রাণিসম্পদ ও ডেইরী উন্নয়ন প্রকল্পে মাঠ পর্যায়ে ৪টি ইউনিয়নে নিযুক্ত ৪জন লাইভস্টক সার্ভিজ প্রভাইডর (এলেএসপি’র) মধ্যে বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় বাই সাইকলে বিতরণ করা হয়। ১নং আটরা গিলাতলা ইউনিয়নের শাহারিয়ার হোসেন সবুজ, ২ নং দামোদর ইউনিয়নের রিনা সরকার, ৩নং জামিরা ইউনিয়নের মোঃ মোশারফ হোসেন এবং ৪ নং ফুলতলা ইউনিয়নের পারভীনা খাতুনের নিকট বাইসাইকেল তুলে দেয়া হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ স্বপন রায়, প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ডাঃ সুমাইয়া ইসলাম, প্রেসকাব ফুলতলা সভাপতি তাপস কুমার বিশ্বাসসহ অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।   

রামপালে নতুন করোনাক্রান্ত-  ২

রামপাল (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

রামপালে নতুন করোনাআক্রান্ত ২ ব্যাক্তিকে সনাক্ত করা হয়েছে। উপজেলার সন্তোষপুর গ্রামের আশীষ কুমার দাস (৪৩) এবং শ্রীফলতলা গ্রামের শেখ শাওন (২৬)। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন)  দুপুরে রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ সুকান্ত কুমার পাল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জানান, করোনার উপসর্গ দেখা দিলে গত ১৫ জুন তাদের নমুনা সংগ্রহ করে খুলনা মেডিকেল কলেজ এর ল্যাবে পাঠানো হয়। ১৮ জুন দুপুরে রিপোর্টে তাদের করোনা সনাক্ত হয়। বর্তমানে আক্রান্তরা হোম,আইসোলেশনে আছেন। তাদের সংস্পর্শে যারা এসেছেন তাদেরও নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি। আক্রান্তদের বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে। এর আগেও রামপালে ১ মহিলার করোনা সনাক্ত হয়েছিলো। তিনি বর্তমানে সুস্থ আছেন।

মোড়েলগঞ্জে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

এম.পলাশ শরীফ, মোড়েলগঞ্জ

বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জের পঞ্চকরণ ইউনিয়নে মৎস্যজীবীদের কতিথ চাল আটক ও মারপিটের ঘটনায় ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে যড়যন্ত্রের প্রতিবাদে স্বোচ্ছার এলাকাবাসি। এ ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন করেছেন চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক মজুমদার। ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে লিখিত সংবাদ সম্মেলনে চেয়ারম্যান বলেন, ৭ বারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচনে প্রতিপক্ষ একটি গ্রুপ তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় ষড়যন্ত্র করে আসছে।

১৬ জুন মৎস্যজীবীদের চাল বিতরণের অবশিষ্ট ১নং ওয়ার্ডের ১৬ জন উপকার ভোগী প্রাপ্ত চাল নিয়ে ট্রলারযোগে আশার প্রতিমধ্যে বহিরাগত কতিপয় লোক পরিকল্পিতভাবে ট্রলারটি আটক করে। ফেজবুকে লাইভ দিয়ে তাকে জড়িয়ে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য ভূল তথ্য পরিবেশন করে এ ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থলে সহকারি কমিশনার(ভূমি) ও পুলিশ প্রশাসন উপস্থিত হয়ে পরিষদের মৎস্যজীবীদের তালিকা যাচাই-বাছাই করে দেখতে পায় প্রাপ্ত জেলে সুবিধাভোগীদের ট্রলারে থাকা এ চাল।

এ সময় পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রকারিরা হামলা ও মারপিট করে ৩নং ওয়ার্ড মৎস্যজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক বাবুল খানের ছেলে শফিক খানসহ ৫ জনকে আহত করে। এ ঘটনায় বাবুল খান বাদি হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে। লিখিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরো বলেন, দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে চেয়ারম্যান হিসেবে সাধারণ মানুষের পাশে থেকে কাজ করছি। ৪০ বছর ধরে এ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি, ১৫ বছর ধরে বাগেরহাট জেলা মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। গুরুত্বপূর্ন এ সব পদে দায়িত্বে থেকে কোন অনিয়ম তাকে কখন স্পর্ষ করতে পারেনি।

নির্বাচনি প্রতিপক্ষ একটি মহল তার ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন করার জন্য ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা চালাচ্ছে। তিনি ষড়যন্ত্র ও হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। সংবাদ সম্মেলনে এ সময় উপস্থিত ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মাষ্টার আব্দুর রউফ, বাবুল শেখ, সাবেক ইউপি সদস্য ওয়ালিউর রহমান, আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল হাকিম খান, যুবলীগ নেতা বদিউজ্জামান মজুমদার, শ্রমিক লীগ নেতা সুমন খান, ইমাম কামরুজ্জামান, ইউপি সদস্য দেলোয়ার হোসেন খলিফা, ডা. সোবাহান মিয়া, মিল্টন হোসেন মিলু, কামরুল মুন্সী, তাওহিদ হাসান রাসেল, আব্দুল জলিল খান, পংকজ ঘরামি ও রেশমা বেগম।

কেশবপুরে গত দুইদিনে এক পুলিশ সহ ৫ জন করোনা আক্রান্ত

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি

যশোরের কেশবপুরে বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে পৌরসভার এক নম্বর ওয়ার্ডকে রেড জোন ঘোষণার  পর গত দুই দিনে এক পুলিশ সদস্য সহ মোট ৫ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার অফিস সুত্রে জানাগেছে, বুধবার কমিউনিটি কিনিকের এক কর্মী ও তার স্বামীসহ মোট দুইজন এবং বৃহস্পতিবার এক পুলিশ সদস্য সহ   মোট তিন জন আক্রান্ত হয়েছে। এনিয়ে গত দুই দিনে কেশবপুরে মোট ৫ জন করোনা ভাইরাস আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে। গত দুই দিনে ৫ জনসহ এ উপজেলায় মোট ২৬ জন করোনা ভাইরাসের রোগী শনাক্ত হয়েছে।  এদের মধ্যে ৯ জনকে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। এবং বাকী সবাই সুস্থ হয়ে বাড়ী ফিরে গেছেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার আলমগীর হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, বুধবার ২ জন ও বৃহস্পতিবার ৩ জনসহ গত দুইদিনে কেশবপুরে ৫জন করোনা ভাইরাস আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তদের আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। এবং তাদের বাড়ী লগডাউন করা হয়েছে। সাধারণ মানুষের অসচেতনতার কারনে সামাজিক দুরত্বসহ স্বাস্থ্যবিধি না মানায় এ উপজেলায় করোনা পরিস্থিতি খারাপের দিকে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতি সামলাতে সম্পতি পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডকে রেড জোনের আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে। এবং লগডাউন কার্যকর করা হয়েছে।  এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার নুসরাত জাহান বলেন,  করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে মাইকিং সহ উপজেলা প্রশাসনের সচেতনতা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। প্রয়োজনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে। মানুষকে ভাল রাখতে উপজেলা প্রশাসনের এই কার্যকম চলমান থাকবে।

কেশবপুরে বিবেকানন্দ শিক্ষা-সংস্কৃতি পরিষদের ত্রাণসামগ্রী বিতরণ

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি:

যশোরের কেশবপুরে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে লগডাউনে কর্মহীন অসহায় দরিদ্র ও মধ্যম শ্রেণির শতাধিক পরিবারের মাঝে বিবেকানন্দ শিক্ষা সংস্কৃতি পরিষদ উদ্যোগে বিবেকানন্দ হিউম্যান সেন্টার ইংল্যান্ড এর অর্থায়নে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

বুধবার সংগঠনের হলরুমে অনুষ্ঠিত ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, বিবেকানন্দ শিক্ষা সংস্কৃতি পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি রমেশ চন্দ্র দত্ত, সভাপতি অচিন্ত্য কুমার সেন, সাধারণ স¤পাদক কুমার জ্যোতি বিশ্বাস, সাবেক সভাপতি কার্তিক চন্দ্র সাহা, প্রভাষক শংকর দে, প্রতিষ্ঠাতা স¤পাদক পলাশসিংহ, সাবেক স¤পাদক প্রভাষক কুন্তাল বিশ্বাস, সদস্য শীতল সাহা, তাপস সাহা, তিতাস দে, সৌমিত্র মোদক, তন্ময় দাস, ইন্দ্রজিৎ দাস প্রমুখ। বিতরণকৃত ত্রাণ সামগ্রীর মধ্যে ছিল চাল, ডাল, মুড়ি, লবণ, সাবান, খাবার স্যালাইন,মশার কয়েল সহনগদ অর্থ।

ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ কালে প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বলেন, করোনা মহামারির কারণে মধ্যম শ্রেণির মানুষের পুষ্টি চাহিদা মিটানো রজন্য আমাদের এই সহযোগিতা চলমান থাকবে।

কেশবপুরে জোরপূর্বক মাছের ঘের দখল ঘেরের ম্যানেজারসহ  আহত ৪ জন: থানায় অভিযোগ

আলমগীর হোসেন,কেশবপুর

যশোরের কেশবপুরে গতমঙ্গলবার রাতে উপজেলার খতিয়াখালি বিলে প্রভাবশালী এক ব্যক্তি একটি মাছের ঘের জোরপূর্বক দখল করে নিয়েছে। এসময় বাধা দিতে গেলে ঘেরের ম্যানেজারসহ ৪ জন আহত হয়। এঘটনায় ঘের মালিক সেলিমুজ্জামান আসাদ নিজে বাদী হয়ে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন। খবর পেয়ে বুধবার পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। থানা অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ৪ বছর আগে উপজেলার খতিয়াখালি বিলের ৩৫ বিঘা জমি কৃষকের কাছ থেকে লিজ নিয়ে মাছের ঘের করেন শহরের আলতাপোল এলাকার মেসার্স রাহেলা ফিসারিজের স্বত্ত্বাধিকারী মো. সেলিমুজ্জামান আসাদ। বিগত ৪ বছরের মেয়াদ পূর্ণ হবার পর তিনি কৃষকের নিকট থেকে প্রতি বিঘা সাদা জমি ১৩ হাজার ও খাল ভেড়ির বার্ষিক হারি ৩৬ হাজার টাকা চুক্তিতে পুনরায় চলতি বছরের ১ জুন লিজ হিসেবে গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে কৃষকের দাবি অনুযায়ী সেলিমুজ্জামান আসাদ বিঘা প্রতি সাদা জমির হারি ১৬ হাজার টাকা বাড়িয়ে দেন। ৫৫ জন জমির মালিকের মধ্যে ১০/১১ জন ওই চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর না করে উপজেলার খতিয়াখালি গ্রামের মিঠু দত্তের নামে চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন। সেলিমুজ্জামান আসাদ হারির টাকা পরিশোধ করেন না মর্মে জমির মালিকগণের পক্ষে খতিয়াখালি গ্রামের আনিছুর রহমান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। পরবর্তীতে তিনি নিজের ভুল বুঝতে পেরে তার অভিযোগটি লিখিতভাবে প্রত্যাহার করে নেন। ঘের মালিক সেলিমুজ্জামান আসাদের অভিযোগ, ঘেরটি দখলে নেয়ার জন্যে মিঠু দত্ত নানাবিধ ষড়যন্ত্র করে চলেছেন। তিনি মঙ্গলবার রাতে ১০/১১ জন ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী দিয়ে উক্ত ঘেরে তার নির্মাণকৃত ৪/৫ টি টংঘর ভাঙচুর করে ঘেরের মধ্যে ফেলে দেয় এবং ঘেরটি দখল করে নেয়। দুপুরে ঘেরের ম্যানেজার সুমন ফকির ও ঘেরের কর্মরত শ্রমিক সাজ্জাত হোসেন, মাদার ও আলম ঘেরে গেলে মিঠু দত্ত’র লোকজন তাদেরকে পিটিয়ে আহত করে।

গতবুধবার সকালে সরেজমিনে ঘেরে গিয়ে দেখা যায় আব্দুস সাত্তার ও আজিজুর রহমানের নেতৃত্বে ১০/১১ জন ব্যক্তি নতুন করে টংঘর নির্মাণ করছেন। জানতে চাইলে আব্দুস সাত্তার বলেন, তিনি গত ৪ বছর সেলিমুজ্জামান আসাদের কাছ থেকে হারির টাকা নিয়ে জমি লিজ দিয়েছিলেন। এবার তিনি সেলিমুজ্জামান আসাদের চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর না করে মিঠু দত্তকে জমি দিয়েছেন এবং তার নেতৃত্বেই টংঘর নির্মান করা হচ্ছে। আজিজুর রহমান বলেন, জমি লিজ দিয়ে তার কাছ থেকে অদ্যাবধি হারির টাকা পাইনি। তাই এবছর তাকে জমি দেব না। এ ব্যাপারে মিঠু দত্ত জানান, এলাকার কৃষকরা নিজ নিজ উদ্যোগেই তাদের জমি আমার নামে লিজ দিয়ে চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করে দিয়েছেন। ঘেরের টংঘর ভাঙ্গার সাথে আমার কোন সম্পর্ক নেই। কে বা কারা টংঘর ভেঙ্গেছে তাও আমি জানি না।

সেলিমুজ্জামান আসাদ বলেন, ওই ঘেরে আমার ২৫ থেকে ৩০ লাখ টাকার মাছ রয়েছে। গত ৪ বছর যাবত ওই ঘেরটি করে আসছি। কোন কৃষকের সাথে হারির টাকা নিয়ে এখনও পর্যন্ত সমস্যা হয়নি। এবারও জমির মালিকদের সাথে চুক্তিপত্র হয়েছে। মোট ৫৫ জন জমির মালিকের মধ্যে ১০/১১ জন জমির মালিক ওই চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর না করে উপজেলার খতিয়াখালি গ্রামের মিঠু দত্তের নামে চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন। তার ইন্দন ও উপস্থিতিতে আমার ঘেরটি দখল করে নিয়েছে।

অত্র এলাকার ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মৃনাল কান্তি দাস বলেন, ঘেরকে কেন্দ্র করে যে ঘটনা ঘটেছে তা অনাকাক্ষিত। উভয়পক্ষ আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিলে কোন সমস্যা হতো না। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। এ ব্যপারে কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জসিম উদ্দীন বলেন, সেলিমুজ্জামান আসাদ একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কাউকে পায়নি। বিষয়টি তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

কেশবপুরে ভাসমান বেডে সবজি চাষ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে

কেশবপুর প্রতিনিধি 

যশোরের কেশবপুরের হরিহর নদীর বুকে ভাসমান বেডে সবজি চাষ করে ১৫ যুবক স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন। যাদের বসতভিটা ছাড়া জমি নেই এমন যুবকেরা ওই নদীর শেওলা দিয়ে ধাপ তৈরী করে তার ওপর বিভিন্ন ধরনের সবজি আবাদ করেছেন। এতে তাদের সংসারের প্রয়োজন মিটিয়েও অতিরিক্ত সবজি বাজারে বিক্রি করে আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন। উপজেলা কৃষি বিভাগের সহযোগিতায় প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। জানা গেছে, হরিহর নদীতে নাব্য না থাকায় শেওলায় পরিপূর্ণ হয়ে রয়েছে। ওই নদীর তীরবর্তী মধ্যকুল রাজবংশী পাড়ার জেলেরা নদীতে মাছ শিকার করতে ব্যর্থ হয়ে বেকার হয়ে পড়ে। এ সময় ওই নদীর শেওলাকে কাজে লাগিয়ে সবজি উৎপাদনের লক্ষ্যে উপজেলা কৃষি বিভাগ একটি প্রকল্প গ্রহণ করে। গত মার্চ মাসে কৃষি বিভাগ ভাসমান বেডে সবজি চাষের ওপর মধ্যকুল ব্লকের রাজবংশী পাড়ার ২০/২৫ জন কৃষক- কৃষাণিকে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়।

মধ্যকুল ব্লকের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা অনাথ বন্ধু দাস জানান, প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত কৃষকরা নদীর শেওলা প্রথমে স্তুপ করে রাখেন। শেওলা পচে ধাপ তৈরী হলে তার ওপর দেয়া হয় ভার্মি কম্পোস্ট। এরপর সবজির বীজ বপণ করা হয়। প্রতিজন কৃষক ৩/৪টি বেড তৈরী করে তার ওপর সবজি চাষ করেছেন। রাজবংশী পাড়ার গোরাচাঁদ সরকার জানান, তিনি ওই নদীতে ৫টি ভাসমান বেড করেছেন। তাতে লাল শাক, সবুজ শাক, গীমা কলমী, পুইশাক, ডাটা শাক এবং ভাসমান বেডের ওপর মাচা (বান) করে লাউ ও চাল কুমড়ার চাষ করেছেন। কোন প্রকার কীটনাশক প্রয়োগ ছাড়াই তিনি বিষমুক্ত সবজি উৎপাদন করছেন। এতে তিনি সংসারের প্রয়োজন মিটিয়ে অতিরিক্ত সবজি বাজারে বিক্রি করে আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন। তার দেখে ওই পাড়ার ২০/২৫ জন কৃষক এ পদ্ধতিতে সবজি উৎপাদন শুরু করেছেন। এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মহাদেব চন্দ্র সানা বলেন, যাদের কৃষি জমি নেই তারা এই পদ্ধতিতে সবজি আবাদ করলে লাভবান হবেন। মধ্যকুল রাজবংশী পাড়ায় সবজি আবাদের লক্ষ্যে উপজেলা কৃষি বিভাগ ভাসমান বেডে সবজি ও মশলা চাষ গবেষণা, সম্প্রসারণ ও জনপ্রিয়করণ শীর্ষক একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। কৃষক লাভবান হওয়ায় ভাসমান বেডে সবজি চাষ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

সহকারী রেজিস্ট্রারের মাতার মৃত্যুতে উপাচার্যের শোক

খবর বিজ্ঞপ্তি

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান ডিসিপ্লিনে কর্মরত সহকারী রেজিস্ট্রার মোঃ আতিয়ার রহমানের মাতা সবুরা বেগম বার্ধক্যজনিত কারণে ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহে …রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর। তিনি ২ পুত্র ও ৩ কন্যাসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। বৃহস্পতিবার বাদ জোহর খুলনা সিদ্দিকীয়া মাদ্রাসা জামে মসজিদ প্রঙ্গণে মরহুমার নামাযে জানাজা শেষে তাঁকে বসুপাড়া কবরস্থানে দাফন করা হয়।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান পদার্থবিজ্ঞান ডিসিপ্লিনে কর্মরত সহকারী রেজিস্ট্রার মোঃ আতিয়ার রহমানের মাতার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। এক শোকবার্তায় তিনি মরহুমার রুহের মাগফেরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারবর্গের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। অনুরূপভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর সাধন রঞ্জন ঘোষ, সাইটে স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. উত্তম কুমার মজুমদার, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস, পদার্থবিজ্ঞান ডিসিপ্লিনের প্রধান ড. মোঃ রাশেদুর রহমানসহ ডিসিপ্লিনের সকল শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারি শোক প্রকাশ করেছেন।

খুবি বন্ধনের শোক:  খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী রেজিষ্টার মোঃ আতিয়ার রহমান এর মাতা সফুরা বেগম (৮২) এর মৃত্যুতে গভীর শোক এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় “বন্ধন” এর নেতৃবৃন্দ। বিবৃতিদাতারা হলেন, শেখ শরাফত আলী দুলু, আবু সালেহ মোঃ পারভেজ, জি.এম আনিসুর রহমান, আব্দুর রহমান, এস এম মোহাম্মাদ আলী, মোঃ আনিসুর রহমান, মোঃ আব্দুর রহমান (অহি), আব্দুল্লাহ শাহনুর কবির অয়ন, মোঃ সোহাগ মোল্লা, মোঃ রবিউল ইসলাম, মোঃ শফিকুর রহমান, মোঃ আলমগীর হাবিব সাগর, মোঃ নাসির জাহাঙ্গীর, সালেহা পারভেজ, মোঃ জসিম উদ্দিন, মোঃ হারুনুর রশিদ খান প্রমুখ।

মোড়েলগঞ্জে প্রথম করোনা পজেটিভ,নেওয়া হবে হাসপাতালের আসোলেশন ওয়ার্ডে

মোড়েলগঞ্জ প্রতিনিধি

বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জ ৩১ বছর বয়সী এক গৃহিনীর করোনা পজেটিভ রিপোর্ট পাওয়া গেছে। উত্তর সুতালড়ী গ্রামের ওই গৃহিনী তার এক আত্মীয়ের সাথে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কয়েকদিন থাকার পরে করোনা উপসর্গ নিয়ে বাড়ি ফেরেন। স্থানীয়দের সন্দেহ হলে সোমবার ওই নারীর নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হলে রিপোর্ট পজেটিভ আসে। এ ঘটনায় আজ বৃহস্পতিবার সকালে ওই গ্রামের কয়েকটি বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে। এ সম্পর্কে উপজেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সদস্য সচিব ডা. কামাল হোসেন মুফতি বলেন, ওই গৃহিনীকে পরিবারের সদস্যদের নিকট থেকে বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। তাকে হাসপাতালের করোনা আইসোলেশন ওয়ার্ডে আনার প্রস্তুতি চলছে। একই সাথে মোড়েলগঞ্জের আমতলী বাজারের এক ওষুধ ব্যবসায়ীরও করোনা পজেটিভ রিপোর্ট হয়েছে। ওই ব্যবসায়ীর নমুনা সংগ্রহের সময় ঠিকানা লেখা হয়েছে শরণখোলা। অথচ তার ব্যবসা ও বসতি মোড়েলগঞ্জের আমতলী গ্রামে। সেখানে এখনো কোন প্রকার প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এ পর্যন্ত মোড়েলগঞ্জে ৮২ জনের নমুনা করোনা টেষ্টের জন্য পাঠানো হয়। এর মধ্যে ৭৫ জন নেগেটিভ। পজেটিভ ২। ৬ জনের রিপোর্ট এখনো পওয়া যায়নি।

মোড়েলগঞ্জ উপজেলা রোভারের মাসব্যাপি সিরিজ প্রোগ্রাম শুরু

মোড়েলগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রাণঘাতি করোনা পরিস্থিতি ও ডেঙ্গু বিস্তার রোধে বাগেরহাট প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ এর নির্দেশনায় মোড়েলগঞ্জে মাসব্যাপি সিরিজ প্রোগ্রাম বুধবার শুরু হয়েছে। এ সময় বক্তব্য রাখেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) জনাব রঞ্জন চন্দ্র দে সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় ন্যাশনাল কর্মসূচি ও করোনা পরিস্থিতি সম্পর্কে বক্তব্য রাখেন প্রধান অতিথি উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাড. শাহ-ই-আলম বাচ্চু, বিশেষ অতিথি ভাইস-চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক মোজাম, মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান ফাহিমা খানম, জেলা রোভার-এর যুগ্ম সম্পাদক সরকারি সিরাজ উদ্দিন মেমোরিয়াল কলেজের সহকারী অধ্যাপক মো. জাকির হোসেন রিয়াজ, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা রতন কৃষ্ণ দাস, সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ নাসির উদ্দিন হাওলাদার, সাংবাদিক গণেশ পাল ও এম.পলাশ শরীফসহ ন্যাশনাল সার্ভিসের শতাধিক বিদায়ী সুবিধাভোগীবৃন্দ।

অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেলেন ঝিনাইদহের ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেলেন ঝিনাইদহের ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। সম্প্রতি ঘটে যাওয়া আম্পান ঝড়ে ঝিনাইদহ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনে চত্তরে একটি অর্জুন গাছ রান্না ঘরের উপর উপড়ে পড়ে এবং একটি নিম গাছ হেলে পড়ে। এতে করে রান্না ঘরের টিন, কাম ও দেওয়াল ভেঙ্গে যায়। এসময় রান্না ঘরের মধ্যে খাবার খাচ্ছিলেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। এমন সময় ঝড়ে রান্নাঘরের  উপর অর্জুন গাছ উপড়ে পড়ে। সেসময় বিকট শব্দে ঘর থেকে বের হয়ে দিক বিদিক ছোটাছুটি করতে থাকে তারা। এসময় সামান্য আহত হয় কয়েকজন। সাব স্টেশন অফিসার আব্দুর রউফ বলেন আমি ওই সময় রান্না ঘরে গিয়ে খাবার খেতে বসেছি। এমন সময় এ ঘটনা ঘটে। আমি খাবার ফেলে রেখে বের হয়ে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিই।

ফায়ারম্যান রাকিবুল ইসলাম বলেন আমি রাতের খাবার খাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। এমন সময় রান্না ঘরের পাশে থাকা অর্জুন গাছটি আম্পান ঝড়ে ভেঙে রান্না ঘরের উপর পড়ে। তখন আতঙ্কিত হয়ে খাবার ফেলে রেখে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিই।

ফায়ার স্টেশন অফিসার দিলীপ কুমার বলেন, প্রতিদিনের ন্যায় ওই রাতে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা পর্যায়ক্রমে খাবার খেতে যায়। এমন সময় এই দূর্ঘটনা ঘটে। তবে অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছে সকলে। ভেঙে যাওয়া অর্জুন গাছটি তিনি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের অনুমতিক্রমে অপসারণ করেন এবং সদর উপজেলা বন বিভাগের সহায়তায় গাছটির মূল্য নির্ধারণ করা হয়। নির্ধারিত মূল্য চালানের মাধ্যমে ব্যাংকে জমা করা হয়। ঝড়ে হেলে যাওয়া নিম গাছটি এখন পর্যন্ত রান্না ঘরের উপর পড়ে আছে। যা অত্যান্ত ঝুকিপূর্ণ। গাছটি অপসারণ করা একান্ত প্রয়োজন।

ঝিনাইদহে তিন দিনব্যপি কৃষক প্রশিক্ষণের সমাপনী ও সনদপত্র প্রদান

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহ সদর উপজেলা কৃষি অফিসের আয়োজনে বৃহত্তর কুষ্টিয়া ও যশোর অঞ্চল কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থায়নে মঙ্গলবার শুরু হওয়া তিন দিনব্যপি কৃষক প্রশিক্ষনের সমাপনী হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে উপ-পরিচালকের কার্যালয়ের প্রশিক্ষন হলরুমে প্রশিক্ষনার্থী কৃষক-কৃষাণীদের মধ্যে সার্টিফিকেট বিতরনের মাধ্যমে প্রশিক্ষনের সমাপ্তি ঘোষনা করা হয়। উপজেলা কৃষি অফিসার মুহ: মোফাকখারুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে সমাপনী অনুষ্ঠিানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত উপপরিচালক কৃষিবিদ বিজয় কৃষ্ণ হালদার এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত উপপরিচালক কৃষিবিদ আতিকুল ইসলাম, এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলার কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মোঃ রোকনুজ্জমান ও মুহাম্মদ জুনাইদ হাবীব প্রমুখ। সমাপনী বক্তব্যে উপজেলা কৃষি অফিসার মুহ: মোফাকখারুল ইসলাম জানান তিন দিনব্যপি প্রশিক্ষনে নিরাপদভাবে সবজি ও ফল উৎপাদনে বিভিন্ন অধুনিক কলাকৌশল সম্পর্কে বিস্তরিত আলোচনা ও হাতে কলমে প্রশিক্ষন দেয়া হয়েছে। প্রশিক্ষন লব্ধ জ্ঞন যর্থাযথভাবে কাজে লাগাতে পারলে তা প্রশিক্ষনার্থী কৃষক কৃষাণীদের আর্থ সামাজিক উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে তিন দিনব্যপি অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষনে নিরাপদ ফসল উৎপানের আধুনিক ও সময়োপযোগি প্রশিক্ষন পেয়ে প্রশিক্ষনার্থী কৃষক কৃষাণীর সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। দুটি ভিন্ন ভিন্ন ব্যাচে উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম থেকে আগত ৬০ জন কৃষক কৃষাণী প্রশিক্ষনে অংশ নেয়।

দেবহাটায় আম্ফানে সব হারিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন: মেলেনি কোন সাহায্য

কে এম রেজাউল করিম, দেবহাটা

ঘটে যাওয়া ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে সব হারিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন দেবহাটার রবিউল  ইসলাম নামের এক ব্যক্তির পরিবার। ঘূর্ণিঝড়ে সব হারিয়ে মানবেতর যাপন করলেও মেলেনি কোন সরকারি, বে-সরকারি সাহায্য সহায়তা। উপজেলার বসন্তপুর গ্রামের খালের পাড়ে ২ মেয়ে সহ মোট ৪ জন সদস্য নিয়ে বসবাস করেন তিনি।  কামলা কাজের পাশাপাশি ভ্যান চালিয়ে কোন রকম সংসার পরিচালনা করেন তিনি। কিন্তু কিছুদিন আগে ঘটে যাওয়া আম্ফান ঝড়ে সব হারিয়ে এখন নিঃস্ব প্রায়। তার বাড়িতে গিয়ে দেখা গেছে বসতবাড়ির ১টি ঘর, সেই ঘরটি  সম্পূর্ণ ভেঙ্গে নষ্ট হয়ে গেছে। অপরটির লন্ডভন্ড হয়ে গছে। বর্তমানে খোলা আকাশের নিচে সববাস করছেন তারা। পরিবার পরিজন নিয়ে অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন তারা। এই পরিবারটি দেবহাটা ও সখিপুর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী এবং খালে পাড়ে হওয়ায় প্রশাসন সহ জনপ্রতিনিধিদের যাওয়া আসার সুযোগ হয়ে ওঠে না বলেও স্থানীয়দের অভিযোগ রয়েছে। সে কারণে এখানের মানুষেরা অসহায় ও মানবেতর জীবন যাপন করে আসছে।  রবিউল  ইসলাম জানান, ঝড়ে আমার বসতঘর, রান্নাঘর সহ সব কিছু শেষ হয়ে গেছে।  নিঃস্ব হয়ে পড়েছি। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আমি এখন অনাহারে অসহায় জীবন যাপন করছি। আমার সমার্থ না থাকায় মাটির তৈরী ঘরে বসবাস করি। কিন্তু ঝড়ে মাটির ঘর ভেঙ্গে যাওয়ায় বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সরকারি ভাবে যদি গৃহ নির্মান করে দেয় তাহলে আমার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে নিরাপদে জীবন যাপন করতে পারব। এসব পরিবারের পাশে সরকারি, বে-সরকারি ভাবে সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া আনুরোধ জানিয়েছেন সচেতনমহল।