খবর বিজ্ঞপ্তি।।
গুম হওয়া পরিবারের কান্না দেখলে মানুষের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হয় কিন্তু ফ্যাসিস্ট সরকারের কিছুই আসে যায় না। জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয় বলেই খুন ও গুম করতে তাদের বুক কাঁপে না উল্লেখ করে খুলনা মহানগর ও জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ বলেছেন, জবাবদিহিতা থাকলে সরকার এধরণের ঘৃণিত অপরাধ করার সাহস পেতো না। বুধবার (৩০ আগস্ট) গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্মরণে আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষে খুলনা মহানগর ও জেলা বিএনপির উদ্যোগে মুখে কালো কাপড় বেধে মৌন মিছিল পুর্ব সংক্ষিপ্ত সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তারা এসব কথা বলেন। সরকারের রোষানলে পড়ে যারাই খুন হয়েছেন, গুম হয়েছেন তারা সকলেই গণতন্ত্রের সৈনিক। তাদের অপরাধ ছিলো তারা স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হয়ে রাজপথে নেমেছিলেন। গুম-খুন করে জোর-জবরানে চিরদিন ক্ষমতায় থাকা যায় না। চলমান একদফা আন্দোলনেই বিশ্ববেহায়া সরকারের পতন হবে। গুম ও বিচার বহিভূর্ত হত্যার মত মানবতা বিরোধী হিংস্রতা স্বৈরচারী সরকারের গড়ে তোলা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার নিত্যকার ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। মহানগর বিএনপির আহবায়ক এড. শফিকুল আলম মনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তারা আরো বলেন, বর্তমান আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকার ২০১৪ সালে বিনাভোটে ক্ষমতায় বসেছে। ২০১৮ সালে দিনের ভোট রাতে করে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখল করে রেখেছে। বর্তমানে জনবিচ্ছিন্ন হয়ে সরকার জনগণের দাবী উপেক্ষা করে বিভিন্ন দেশে ঘুরে বেড়াচ্ছে। দেশের মানুষ এখন দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ। অবৈধ সরকারকে ক্ষমতা থেকে বিদায় করে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করেই জনগণ ঘরে ফিরবে। আন্দোলনের জয় সুনিশ্চিত- খালেদা জিয়া মুক্ত হবেন, তারেক রহমান দেশে ফিরে আসবেন, দেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে তারপর নির্বাচন হবে। সকল গুম খুনের বিচার এদেশের মাটিতে হবে। মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব শফিকুল আলম তুহিন ও জেলা সদস্য সচিব মনিরুল হাসান বাপ্পির পরিচালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির আহবায়ক আমীর এজাজ খান, তারিকুল ইসলাম জহীর, আবু হোসেন বাবু, স ম আ রহমান, মাহমুদ আলী, শের আলম সাল্টু, আবুল কালাম জিয়া, বদরুল আনাম খান, মাহাবুব হাসান পিয়ারু, চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন, আশরাফুল আলম খান নান্নু, শামীম কবীর, একরামুল হক হেলাল, মাসুদ পারভেজ বাবু, শেখ সাদি, হাসানুর রশিদ চৌধুরী মিরাজ, শেখ জাহিদুল ইসলাম, কে এম হুমায়ন কবীর (ভিপি হুমায়ুন). হাফিজুর রহমান মনি, আবু মোঃ মুরশিদ কামাল, কাজী মিজানুর রহমান, মোল্লা ফরিদ আহমেদ, সৈয়দ সাজ্জাদ আহসান পরাগ, শেখ ইমাম হোসেন, হাবিবুর রহমান বিশ্বাস, আবু সাইদ হাওলাদার আব্বাস, মোল্লা সাইফুর রহমান, এনামুল হক, আব্দুল মান্নান খান, বিকাশ মিত্র, আ. রাজ্জাক, গাজী আবদুল হক, চৌধুরী কাওসার আলী, সাহিনুল ইসলাম পাখি, বিপ্লবুর রহমান কুদ্দুস, আবদুস সাত্তার, এহতেশামুল হক শাওন, একরামুল কবীর মিল্টন, নাজির উদ্দিন নান্নু, শেখ আজগর আলী, অ্যাড. মো. আলী বাবু, শেখ জামাল উদ্দিন, আফসার উদ্দিন, আনসার আলী, নাসির খান, আব্দুস সালাম, আলমগীর হোসেন, কাজী শাহ নেওয়াজ নিরু, আব্দুর রহমান ডিনো, তারিকুল ইসলাম, খন্দকার ফারুক হোসেন, খন্দকার হাসিনুল ইসলাম নিক, মো. জাহিদ হোসেন, মিজানুর রহমান মিলটন,শফিকুল ইসলাম শফি, রফিকুল ইসলাম, আলী আক্কাস, ফারুক হোসেন, সাইদুজ্জামান খান, মুজিবর রহমান, আজিজা খানম এলিজা, মাসুদ খান বাদল, রাহাত আলী, মনির হাসান টিটু , হাবিবুর রহমান, শেখ আবুল বাশার, শামসুল বারিক পান্না। যুবদলের আব্দুল্লাহেল কাফি সখা, সাইফুল ইসলাম সান্টু, আব্দুল আজিজ সুমন, শেখ জাবির আলী। জাসাসের এহতেশামুল হক শাওন, আজাদ আমিন। শ্রমিক দলের উজ্বল কুমার সাহা, খান ইসমাইল হোসেন। আঞ্চলিক শ্রমিকদলের আবু দাউদ দ্বীন মোহাম্মাদ, আলমগীর তালুকদার। ছাত্রদলে আব্দুল মান্নান মিস্ত্রি, ইসতিয়াক আহমেদ ইস্তি, গোলাম মোস্তফা তুহিন, মোঃ তাজিম বিশ্বাস। তাঁতি দলঃ আবু সাঈদ শেখ, মেহেদী হাসান মিন্টু, মাহমুদ আলম লোটাস। মহিলা দলে এ্যাড.তসলিমা খাতুন ছন্দা, এ্যাড. কানিজ ফাতেমা আমিন, সেতারা সুলতানা। স্বেচ্ছাসেবক দলের শফিকুল ইসলাম শাহিন, আতাউর রহমান রনু, কৃষক দলের মোল্লা কবির হোসেন, আক্তারুজ্জামান তালুকদার সজীব, শেখ আবু সাইদ, শেখ আদনান ইসলাম দ্বীপ। বিকেল ৪টার পর থেকেই বিভিন্ন ওয়ার্ড, থানা ও উপজেলা থেকে বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা খন্ড খন্ড মৌনমিছিল সহকারে নগরীর কে.ডি ঘোষ রোডস্থ দলীয় কার্যালয়ের সামনে জমায়েত হন। সংক্ষিপ্ত সমাবেশে চলাকালে নেতাকর্মীদের মুহুমুহু স্লোগানে প্রকম্পিত হয় রাজপথ। সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে মৌন মিছিলটি শুরু হয়ে খুলনা কালেক্টর ভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয়।











































