করোনার প্রভাব: রেফ্রিজারেশন এন্ড এয়ারকন্ডিশন ওয়ার্কশপ মালিক সমিতির শতাধিক শ্রমিকের মানবেতর জীবণযাপন
স্টাফ রিপোর্টার
করোনার প্রভাবে রেফ্রিজারেশন এন্ড এয়ারকন্ডিশন ওয়ার্কশপ মালিক সমিতির শতাধিক শ্রমিক মানবেতর জীবণযাপন করছেন। দীর্ঘ দিন তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও শোরুম বন্ধ থাকার কর্মহীন অবস্থায় রয়েছে শ্রমিক কর্মচারীরা। ফলে পরিবারপরিজন নিয়ে অনাহারে অর্ধাহারে দিন কাটে তাদের। সমিতির পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসক বরাবর গত ৮ এপ্রিল সাহায্যের আবেদেন করা হয়েছে। সিটি মেয়রের সুপারিশ কৃত আবেদন প্রেরণের ২৭দিন অতিবাহিত হলেও কোন সাড়া পাওয়া যায়নি।
সমিতি সূত্র জানায়, এই সমিতির অধিনে রয়েছে টেকনিশিয়ান, সহকারী টেকনিশিয়ার, শ্রমিক ও কর্মচারী। তাদের পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবণ যাপন করছেন।
সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব জাহীদ মোল্লা বলেন, জেলা প্রশাসক যদি সদয় দৃষ্টি দেন তা হলে এই সমিতির শ্রমিকরা সাহায্য পেতেন। তা হলে কিছুটা হলেও পরিবার পরিজন নিয়ে বাঁচার সুযোগ পেতো। তিনি সিটি মেয়র, জেলা প্রশাসক , স্থানীয় কাউন্সিল ও বিত্তবানদের সহযোগিতা কামনা করছেন।
মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট এর পক্ষ থেকে মাঝে অর্থ ও মাক্স বিতরণ
খবর বিজ্ঞপ্তি
মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট এর প্রশিণ প্রাপ্ত দরিদ্র কৃষকদের মাঝে অর্থ ও মাক্স বিতরণ করা হয়েছে। গোপালগঞ্জ-খুলনা-বাগেরহাট-সাতীরা-পিরোজপুর কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের প থেকে করোনার প্রভাব থেকে রা পাওয়ার জন্য সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে বৃহস্পতিবার দুপুর ১২ টায় বটিয়াঘাটা উপজেলার দেবীতলা ও বয়ারভাংগা পশ্চিম পাড়া এলাকার ১০ জন কৃষক ও কৃষাণীদের মাঝে এই অর্থ ও মাক্স বিতরণ করা হয়।
গোপালগঞ্জ-খুলনা-বাগেরহাট-সাতীরা-পিরোজপুর কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক শচীন্দ্র নাথ বিশ্বাস এই অর্থ ও মাক্স বিতরণ করেন। এ সময় পরিবীণ ও মূল্যায়ন কর্মকর্তা অমরেন্দ্রনাথ বিশ্বাস, কৃষক নেতা কাকন মল্লিক, মো. শাহাজান, সুমন মন্ডল,রাজু বিশ্বস ও রানু ঢালী উপস্থিত ছিলেন। কৃষক ওমর আলী হাওলাদার ও রহিমা বেগম বলেন, এই অর্থ ও মাক্স পেয়ে আমরা আনন্দিত। আমাদের অনেক উপকারে আসবে।
মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইন্সটিটিউট এর উদ্ভাবিত প্রযুক্তি ব্যবহার দক্ষিণের তরমুজ উত্তরে
রশীদ হারুন
দেশের দক্ষিনাঞ্চল বটিয়াঘাটায় চাষকৃত তরমুজ এখন খুলনার গন্ডি পেরিয়ে দেশের উত্তর অঞ্চলের বাজার দখল করেছে। এবার বাম্পার ফলন হওয়ায় কৃষকদের মুখে হাসি ফুটছে। ঘুরছে কৃষকদের ভাগ্যের চাকা। সব খরচ বাদ দিয়ে প্রতি বিঘার তরমুজ বিক্রি করে প্রায় ৬০হাজার টাকা লাভ পাচ্ছেন। আমন চাষের পর পতিত এই জমিতে কৃষকরা তরমুজ চাষ করে থাকেন। শত শত বিঘা জমিতে চাষ কৃষ তরমুজ যেন এক সবুজের সমরোহ। এই মনোরম ও চমৎকার পরিবেশ।
বটিয়াঘাটার নিবিড় পল্লী দেবীতলা এলাকায় ১৯৯৬ সালে ১০একর জমির ওপর নির্মাণ করা হয়েছে মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট’র লবনাক্ততা ব্যবস্থাপনা ও গবেষনা কেন্দ্র।
সূত্র জানিয়েছে, মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইন্সটিটিউট এর উদ্ভাবিত প্রযুক্তি ব্যবহার করে বটিয়াঘাটা উপজেলার ১১০ জন কৃষক প্রায় ৫৭৫ বিঘা জমিতে পলি ব্যাগে চারা রোপন পদ্ধতিতে তরমুজের চাষ করা হয়েছে। সুষম মাত্রায় সার প্রয়োগের ফলে বাম্পার ফলন হয়েছে। আমন ধান কাটার পর এলাকার জমি পতিত অবস্থায় পড়ে থাকে। এখন পতিত জমিতে ফলছে সোনা। কৃষককের মুখে ফুটছে হাসির ফোয়ারা। রোপন কৃত তরমুজের মধ্যে রয়েছে ড্রাগন,গঙ্গা, হানিকুইন ও বিগ ফ্যামেলি। কৃষকদের বিনা মূল্যে সার ও বীজসহ সকল উপকরণ প্রদান করা করেছে মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট।
লবণাক্ততা ব্যবস্থাপনা ও গবেষণা কেন্দ্র এর উদ্ভাবিত প্রযুক্তি ব্যবহার করে এ এলাকার কৃষকরা জমির পার্শ্ববর্তী ভরাখালী খালের পানি ব্যবহার করে খরিফ মৌসুমে আবাদ করছে । খাল পুনঃখননের ব্যবস্থা করলে মিষ্টি পানির সংরক্ষনের পরিমান বৃদ্ধির পাশাআশি আবাদকৃত জমির পরিমানও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা যায়। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ইতোমধ্যে তারা ফসল কেটে খুলনা ও বিভিন্ন হাটবাজারে বিক্রি করা হচ্ছে। প্রতিমন ৮শ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। সূত্র জানিয়েছেন, তরমুজ জাতের নাম- ড্রাগন, হানিকুইন, গঙ্গা ও বিগ ফ্যামিলি। চাষী- ৮৫ জন। ৫৭৫ বিঘা জমিতে পলি ব্যাগে বীজ বপন- ৯-১৮ ফেব্রুয়ারি মাসে। পলি ব্যাগের চারা জমিতে রোপন- ২৪- ২৯ ফেব্রুয়ারি। সরাসরি বীজ বপন- ২৪-২৮ফেব্রুয়ারি।
চারার বয়স- ১২-১৫ দিন। ১৫-২০ দিন আগে জমিতে বীজ রোপন করা যায় ও ফসল কর্তন করা যায় । লবণাক্ততা বৃদ্ধি ও ঝড়- বৃষ্টির আগেই ফসল ঘরে তোলা যায় ।
দেবীতলা গ্রামের কৃষক রহিমা বেগম বলেন, প্রতিবিঘা জমিতে তরমুজ চাষে প্রায় খরচ হয়ে ২০ হাজার টাকা। বিক্রি হয় ৮০ হাজার টাকায়। এই তরমুজ বগুড়ার শেরপুর নিয়ে বিক্রি করা হচ্ছে। এ ছাড়াও যেখানে সুযোগ হয় সেখানে বিক্রি করা হয়।
মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট গোপালগঞ্জ-খুলনা-বাগেরহাট-সাতক্ষীরা-পিরোজপুর এসআরডিআই প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক শচীন্দ্র নাথ বিশ্বাস বলেন, গত ১২ মার্চ কৃষি মন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক প্রকল্প পরিদর্শন করেছেন। তিনি ঘুরে দেখেন এবং সন্তোষ প্রকাশ করেন। এ বছর ১১০জন কৃষককে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। তাদের বীজ ও সারসহ সকল প্রকার উপকরণ বিনামূল্যে প্রদান করা হয়েছে। তিনি বলেন, কৃষকদের ভাগ্য উন্নয়নে সরকার কাজ করছেন। বিশেষ করে দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে কৃষি বিপ্লব ঘটানোর জন্য মৃত্তিকা সম্পাদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট নিরলস ভাবে কাজ করছে।
বটিয়াঘাটায় দুধ বিক্রয় কেন্দ্রের উদ্বোধন
বটিয়াঘাটা প্রতিনিধি
বটিয়াঘাটা উপজেলা প্রাণি সম্পদ অধিদপ্তরের উদ্যোগে গতকাল মঙ্গলবার বেলা ১১টায় স্থানীয় অধিদপ্তর চত্তরে ভ্রাম্যমান দুধ ও ডিম বিক্রয় কেন্দ্রের উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধন করেন জেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ এস এম আউয়াল হক। উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ বঙ্কিম চন্দ্র হালদার, ভেটেরেনারী সার্জন ডাঃ প্রীতিলতা দাশ, দপ্তরের অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারী সহ বিভিন্ন খামার মালিকগণ।
খাদ্য উপকরণ বিতরণ: বটিয়াঘাটা উপজেলা আনসার ভিডিপি অধিদপ্তরের আয়োজনে গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১০টায় করোনা সংক্রমনে লকডাউনে থাকা অসহায় আনসার সদস্যদের মাঝে খাদ্য উপকরণ বিতরণ করা হয়। উপস্থিত ছিলেন আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা শামসুন্নাহার খানম সহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ। এ সময় ৩০০ দুঃস্থ্য আনসার সদস্যের পরিবারকে এ খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়।
খুলনা মটর সাইকেল গ্যারেজ ম্যাকানিক সমিতি’র সদস্য আরমানের অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জ্ঞাপন
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা বিভাগীয় মটর সাইকেল গ্যারেজ ম্যাকানিক সমিতি’র সদস্য আরমান অটোর মালিক খালিশপুর নিবাসী মোঃ আরমান হোসেন (৪০) গতকাল বিকেল সাড়ে ৪টায় বিডিআর ক্যাম্প আপার যশোর রোডে এক্সিডেন্টে ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহে…..রাজেইন)। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ১ পুত্র, ১ কন্যা ও আত্মীয়-স্বজনসহ বহু গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। মোঃ আরমান হোসেনের অকাল মৃত্যুতে তাঁর আত্মার মাগফেরাত কামনা করে গভীর শোক ও শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে খুলনা বিভাগীয় মটর সাইকেল গ্যারেজ ম্যাকানিক সমিতি’র নেতৃবৃন্দ বিবৃতি প্রদান করেছেন। বিবৃতিদাতারা হলেনÑসমিতি’র সভাপতি মোঃ নূরুজ্জামান জামান, সাধারণ সম্পাদক মোঃ বুলবুল শেখ, সাবেক সভাপতি শেখ আইনুল হক, সাবেক সহ-সভাপতি খোকন মল্লিক, সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ ওমর ফারুক কুমার, সহ-সভাপতি মোঃ ইলিয়াস খান, কোষাধ্যক্ষ মোঃ শহিদুল ইসলাম মামুন, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোক্তার হোসেন, প্রচার সম্পাদক মোঃ মুজিবর রহমান, দপ্তর সম্পাদক মোঃ মিনু রহমান, মোঃ হানিফ, মোঃ জনি, মোঃ আলম শিকদার, মোঃ রজ্জব, মোঃ কামরুল, মোঃ সোহাগ শিকদার, জহিরুল হক সাগর, মোঃ আজিজ প্রমুখ।
মুন্নার উদ্যোগে দুঃস্থ ও অসহায়দের মাঝে ঈদের উপহার সামগ্রী বিতরণ
খান নাজমুল হুসাইন, সাতক্ষীরা
সাতক্ষীরায় দুঃস্থ ও অসহায়দের মাঝে ঈদের উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকাল ৪.০০ ঘটিকার সময় সাতক্ষীরা শহরের এস পি বাংলো সংলগ্ন মোরশেদ আহমেদ এর বাসার সামনে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে ৫০ জনকে ঈদের উপহার সামগ্রী তুলে দেন সাতক্ষীরা শহরের বিশিষ্ট সমাজসেবক ও দৈনিক দেশ পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি, সাতক্ষীরা জেলা ক্রাইম রিপোর্টার্স কাবের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক, গরীবের বন্ধু নামে খ্যাত আবিদুল হক মুন্না। তিনি এসময় বলেন, দেশে করোনা ভাইরাসের কারণে কর্মক্ষম লাখ লাখ শ্রমিক আজ বেকার ও মানবেতর জীবনযাপন করছে। সরকার যথেষ্ট ত্রাণ দিলেও এই বিশাল জনগোষ্ঠীর খাদ্য সংস্থান করা সরকারের জন্য অনেক বড় চ্যালেঞ্জর। তাই আসেন এই ক্রান্তিলগ্নে আমরা যারা সচ্ছ্বল তারা তাদের সেবার হাতকে প্রসারিত করে অসহায় ও দুঃস্থদের সাহায্যে এগিয়ে আসি। এসময় উপস্থিত ছিলেন আঃ মান্নান, মোঃ সিরাজুল ইসলাম, আঃ সোবহান, মোমিনুল্লাহ মোমিন, তফুর, আঃ হাকিম, ও আব্দুল্লাহসহ এলাকার গণ্যমাণ্য বক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
কেশবপুর হাসপাতালের সিনিয়র নার্সের দেহে করোনা সনাক্ত : মোট আক্রান্ত ১২
কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি
কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একজন সিনিয়র নার্সের করোনা ভাইরাস সনাক্ত হয়েছে। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংস্পর্শে আসায় সন্দেহজনকভাবে সোমবার তার নমুনা পরীক্ষা জন্য পাঠানো হয়েছিল। মঙ্গলবার সকালে তার করোনা ভাইরাস পরীক্ষার রিপোর্ট আসে পজেটিভ। কেশবপুর উপজেলার স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডাঃ আলমগীর হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ নিয়ে কেশবপুর উপজেলায় করোনা ভাইরাসের আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ১২ জনে।
কেশবপুর উপজেলার স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডাঃ আলমগীর হোসেন জানান, আক্রান্ত ওই সিনিয়র নার্সকে হাসপাতালের আইসোলেশন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে। কেশবপুরে করোনাভাইরাস শনাক্ত ১২ জনের মধ্যে ৯ জন হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মচারী। একজন প্রাইভেট কিনিকের স্বাস্থ্যকর্মী। শনাক্ত রোগীদের কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। তাদের বাসা ও বাড়ি প্রশাসনের পক্ষ থেকে লকডাউন করা হয়েছে।
এদিকে কেশবপুর হাসাপাতালের সিনিয়র নার্সের দেহে করোনা সনাক্ত হওয়ার সংবাদ এলাকায় প্রচার হওয়ায় কেশবপুর হাসপাতাল প্রায় রোগীশূন্য হয়ে পড়েছে। অতি প্রয়োজন ছাড়া কেউ হাসপাতালে প্রবেশ করছেন না।
সাগরদাঁড়ী ইউনিয়নে প্রধানমন্ত্রীর উপহার খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করলেন ইউপি চেয়ারম্যান কাজী মুক্ত
কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি
কেশবপুর উপজেলার সাগরদাঁড়ী ইউনিয়নে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার উপহার খাদ্যসামগ্রী অসহায়দের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের প্রতিনিধি উপজেলা একাডেমীক সুপারভাইজার মোঃ তোরাবুল ইসলামের উপস্থিতিতে সাগরদাঁড়ী ইউনিয়নের গতকাল সকল গ্রামে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার উপহার খাদ্যসামগ্রী ৩ শত অতিদরিদ্র পরিবারের মাঝে ৪ জন মুক্তিযোদ্ধা পরিবারে বিতরণ করেন সাগরদাঁড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী মুস্তাফিজুল ইসলাম মুক্ত। বিতরণকালে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাগরদাঁড়ী ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান-১ শেখ আব্দুস সবুর, প্যানেল চেয়ারম্যান-২ কাজী মহব্বত হোসেন, ইউপি সদস্য জালাল উদ্দীন, সংরক্ষিত ইউপি সদস্যা মনোয়ারা বেগম, আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুল কাদের, যুবলীগ নেতা শাইদুল ইসলাম, আয়ুব হোসেন মিলন, হুমায়ুন কবির টিনু, হারুন অর রশিদ, জসিম হোসেন, আব্দুল্লাাহ আল মঈন, ইউনিয়ন আনছার ভিডিপির কমান্ডার আলী হোসেন, রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।
সাগরদাঁড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী মুস্তাফিজুল ইসলাম মুক্ত বলেন, ইতিপূর্বে উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে ৪র্থ দফায় সাগরদাঁড়ী ইউনিয়নে আরো ৭ শত ৯০ পরিবারের মঝে সরকারীভাবে অসহায়দের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
অপরদিকে যশোর-৬ কেশবপুর সংসদীয় আসনে উপ-নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী ও যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদারের পক্ষে নিজস্ব অর্থায়নে সাগরদাঁড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী মুস্তাফিজুল ইসলাম মুক্ত সাগরদাঁড়ী ইউনিয়নের ২৫ শত ভ্যান চালক, মটর সাইকেল চালক, নসিমন-করিমন চালক ও চা বিক্রেতাদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছেন।
মহানগর বঙ্গবন্ধু পরিষদের ত্রাণ ও ইফতার সামগ্রি বিতরণ
খবর বিজ্ঞপ্তি
মঙ্গলবার দিনব্যাপী বঙ্গবন্ধু পরিষদ খুলনা মহানগর সভাপতি এস.এম রাজুল হাসান রাজু, সহ-সভাপতি মোঃ সাহাদাৎ হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক জনাব এম আসাদুজ্জামান মুন্নার পক্ষে করোনা ভাইরাসে দূর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ গরিব ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মাঝে নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ডে, ত্রান ও ইফতার সামগ্রী বিতরণ এবং অটো ও রিক্সা চালকদের মাঝে স্বাস্থ্য বিধি মেনে রান্না করা ইফতার বিতরণ করা হয়। ত্রাণ বিতরণ কালে উপস্থিত ছিলেন, মহানগর সহ-সভাপতি রোটাঃ ইঞ্জিঃ মিজানুর রহমান, যুগ্ন সম্পাদক প্রভাঃ ইফফাত সানিয়া ন্যান্সি, দপ্তর সম্পাদক মোঃ রেজাউল করিম আলহাজ¦ সেকেন্দার, কাজী জিল্লুর রহমান সিদ্দিকী (জুয়েল),মশিউর রহমান মিলন, মোঃ মনির হোসেন, মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, মোঃ রাতুল মিয়া, শ্রাবন্তী কর্মকার, আনোয়ার শিকদার, আবুল হোসেন, বিজয় কুমার পাল, পঙ্কজ কুমার বিশ^াস, প্রফুল্য কুমার বিশ^াস, বিশ^জিৎ সাহা প্রমুখ।
রামপালে করোনা পরিস্থিতিতে বিপাকে বিআরডিবির কর্মকর্তা কর্মচারী ও ঋণ গ্রহীতারা
রামপাল(বাগেরহাট) প্রতিনিধি
রামপালে করোনা পরিস্থিতির কারনে বিআরডিবি থেকে ঋণ গ্রহীতা মৎস্যজীবীরা বিপাকে পড়েছে। করোনা পরিসিইতর কারনে একদিকে যেমন মাছের দাম কমেছে তেমনি পরিবহন ব্যাবস্থা সল্প াকার কারনে স্থানীয় মৎস্য ব্যাবসায়ীরা সব ধরনের মাছ কিনছে না। এতে মাছ বিক্রয় করতে না পেরে তারা ঋণের টাকা পরিশোধে ব্যার্থ হচ্ছে। এদের কারনে বেতন ভাতা নিয়েও বিপাকে পড়েছেন বিআরডিবির কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। এই পরিস্থিতিতে বিষয়টি নিয়ে উর্দ্ধতন মহলের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন তারা।
সূত্রে প্রকাশ,জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ষাটের দশকে ড. আখতার হামিদ খান কতৃক উদ্ভাবিত পল্লী উন্নয়নের সফল কর্মসূচী দ্বি স্তর সমবায় পদ্ধতিকে জাতীয় পর্যায়ে সমন্বিত পল্লী উন্নয়ন কর্মসূচী আইআরডিপিআর” কে স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে সারা দেশে চালু করেন। কিন্তু দ্বি স্তর সমবায় কাঠামোর আওতায় ইউসিসিএর মাধ্যমে আইআরডিপি/বিআরডিবির নিজস্ব কর্মকান্ড সহ বর্তমানে ১৫ টি প্রকল্প চালু আছে। এ যাবত পর্যন্ত সরকাওে মোট ১১৫টি প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়েছে। দ্বি স্তর সমবায় কাঠামোর আওতায় উপজেলা কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতির কর্মচারীদেও মাধ্যমে গ্রামীন প্রান্তিক ও ক্ষুদ্রচাষী,দরিদ্র জনগোষ্ঠীর আর্থ সামাজিক অবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে সমিতি গঠন,পুঁজি গঠন,আধুনিক চাষাবাদেও জন্য সেচ ও কৃষি উপকরন সরবরাহ,কর্মসংস্থান সৃষ্টি,আয় বৃদ্ধি ও দক্ষতা উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষন, ঋণ সহায়তা প্রদান সহ নানাবিধ কাজ করলেও প্রকল্পের ব্যায় খাত থেকে কর্মচারীরা কোনো আর্থিক সহায়তা পাচ্ছেন না।
ঋণ গ্রহীতা চেয়ারম্যান মোড় এলাকার মাছ ব্যাবসায়ী শেখ রফিকুল ইসলাম বলেন, লোন নিয়ে ঘেরে মাছ ছেড়েছি। এখন করোনার কারনে কেউ মাছ কিনতে চায় না। আর কিনলেও তার দাম অনেক কম। তাই পরিবার পরিজন নিয়ে খুব সমস্যার মধ্যে আছি। এ অবস্থায় লোনের টাকাও দিতে পারছি না। এখন সরকার যদি বিআরডিবির মাধ্যমে সহায়তা করে তবে আমরা বাঁচতে পারবো।
ঋণ গ্রহীতা একই এলাকার কাকড়া ব্যাবসায়ী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন,এতদিন তো লোনের টাকা দিতে কোনো অসুবিধা ছিলো না। এখন করোনার কারনে দেশের বাইরে কাকড়ার চাহিদা অনেক কম তাই দামও কম। একদিকে করোনার কারনে অন্য কাজ কর্ম বন্ধ তাই খুবই দূর্বিসহ অবস্থায় আছি । এখন লোনের কিস্তি কিভাবে দেবো তার জন্য খুব শংকায় আছি।
রামপাল বিআরডিবির প্রধান পরিদর্শক ও বাংলাদেশ ইউসিসিএ কর্মচারী ইউনিয়ন এর সাধারন সম্পাদক শেখ ফেরদাউস জানান, কোভিড নাইনটিন এর কারনে সারা বাংলাদেশে মাঠ পর্যায়ে ঋণ আদায় বন্ধ রয়েছে। এ অবস্থায় দেশব্যাপী ইউসিসিএ কর্মচারী ইউনিয়নের ২১৩০ জন সদস্য খুবই মানবেতর জীবনযাপন করছে। এদের প্রতি সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করেন তিনি।
দেবহাটায় প্রথম করোনা রোগী সনাক্ত
কে এম রেজাউল করিম দেবহাটা
দেবহাটায় প্রথম করোনা রোগী সনাক্ত হয়েছে। সে দেবহাটা উপজেলা সদর ইউনিয়নের বাসিন্দা জানাযায়, ঢাকার নারায়নগঞ্জে কাজ করতো। সে গত ১লা মে বাড়িতে আসলে তাকে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে সখিপুর খান বাহাদুর আহছানউল্লাহ কলেজে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়। তার শরীরে করোনা উপসর্গ দেখা দিলে ৩ মে নমুনা পরীক্ষার জন্য খুলনা পিসিআর ল্যাবে পাঠানো হয়। সেখান থেকে ৫ মে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তার রিপোর্টে পজেটিভ হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা জয়ান্ত সরকার।
শরণখোলায় দিনমজুরের সম্পত্তি ভাড়া নিয়ে জবর দখল
শরণখোলায় (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
বাগেহাটের শরণখোলায় নার্সারী করার কথা বলে সম্পত্তি ভাড়া নিয়ে তা জবর দখল করার অভিয়োগ উঠেছে স্থানীয় এক প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে। উক্ত পৈত্রিক সম্পত্তি উদ্ধারের জন্য এখন প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়াচ্ছেন এক দিনমজুর পরিবার। উপজেলার উত্তর তাফালবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা দিনমজুর নুর-মোহম্মদ হাওলাদারের স্ত্রী পারুল বেগম (৫৬) অভিযোগ করে বলেন, উত্তারাধিকার সুত্রে প্রাপ্ত আমার পিতার ভোগদখলীয় ৮নং খাদা মৌজার এস.এ ১৪৯, ১৫০ খতিয়ানের ১৭৬৫ দাগের যার বি.এস. ৩৭৩০ ও ৩৭১১ নং দাগের ০.১১ একর সম্পত্তির মধ্য হইতে ০.০৪৬০ একর ও আমার মাতার ফরায়েজ সুত্রে প্রাপ্ত ০.০০৮৯ একর সম্পত্তি একুনে ০.০৫৪৯ একর সম্পত্তি আমার প্রতিবেশী প্রভাবশালী মোঃ ফজলুল হক হাওলাদার প্রায় ১০বছর পুর্বে বাৎসরিক ৫’শ টাকা হারে নার্সারী করার কথা বলে উক্ত জমি ভাড়া নেয়। বছর শেষে উক্ত সম্পত্তির ভাড়া বাবদ টাকা চাইতে গেলে ফজলুল হক টাকা পয়সা না দিয়া উক্ত জমি তার বলে দাবি করেন। পরে আমরা জমি দখল নিতে গেলে প্রভাবশালী ফজলুল হক আমাদের মারধর করে তাড়িয়ে দেয়। এ বিষয়ে ২০১৮ সালের ২৭ নভেম্বর আমি সম্পত্তি জবর দখলের বিষয়টি বাগেরহাট জেলা পুলিশ সুপারকে লিখিতভাবে অবহিত করলে তিনি বিষয়টি শরনখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাকে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। পরবর্তীতে স্থানীয় ইউপি সদস্য মোঃ শহিদুল ইসলাম মিমাংসার দায়িত্ব নেন। কিন্তু গত দুই বছরেও উক্ত সম্পত্ত্বি ওই প্রভাবশালীর কবজা থেকে উদ্ধার করা যায়নি। পারুল বেগমের ভাই শাহ আলম বেপারী জানান, আমাদের জমিতে বসত ঘর উত্তোলন করিয়া করিলেও রাতে ঘুমাতে পারছি না। রাত জেগে ঘর পাহাড়া দিতে হয় ওই প্রভাবশালীর ভয়ে। যে কোন সময় অঘটন ঘটাতে পারে। এ ব্যাপারে ওই গ্রামের বাসিন্দা নজরুল ইসলাম হাওলাদার সহ একাধিক ব্যক্তি বলেন, পারুল বেগম সহ তার ৭ভাই-বোন ও মা জমি পাইবে, তবে ওই সম্পত্তির মধ্যে যে কয়টি দলিল আছে তা নিয়ে বৈঠক দিয়ে জমি পরিমাপ করলেই হয়ত পারুলদের জমি উদ্ধার হবে। তবে এ ব্যাপারে মোঃ ফজলুল হক দাবি করেন, আমি ওই দিন মজুর পরিবারের কোন জমি দখল করি নাই। তাদের ৩জন অংশীদারের ১২ শতক সম্পত্বি কবলা রেখেছি। তাও সম্পুর্ন আমার দখলে নেই। অযথা হয়রানি করার উদ্দেশ্যে পারুল আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্থানে একের পর এক মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে যাচ্ছে। ইউপি সদস্য শহিদুল ইসলাম বলেন, ওই সম্পত্তির একাধিক অংশীদার রয়েছে। এক গ্রুপ রাজি হলে আবার অন্য গ্রুপ রাজি হয় না। যার ফলে সম্পত্তি বিরোধের বিষয়টি নিস্পত্তি করা সম্ভব হয়নি।
শরণখোলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এসকে আব্দুল্লাহ আল-সাইদ জানান, পারুল বেগম আমার কাছে কোন অভিযোগ দেননি। প্রতিপক্ষ ফজলুল হকের একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে, উভয় পক্ষের কাগজ পত্র পর্যালোচনা করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ঝিকরগাছায় স্বাস্থ্যকর্মীসহ আরও চারজন করোনা আক্রান্ত
যশোর অফিস
যশোরের ঝিকরগাছায় আরও চারজনের শরীরে করোনাভাইরাসের সন্ধান মিলেছে। এদের মধ্যে একজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও একজন আয়া রয়েছেন।
এছাড়াও কমপ্লেক্সের ফটকের সামনের এক পান দোকানদারের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে এ উপজেলায় আক্রান্তের সংখ্যা ৮ জন।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার মো. হাবিবুর রহমান সন্ধ্যায় জানিয়েছেন, মঙ্গলবারের রির্পোটে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একজন মেডিকেল অফিসার, সিনিয়র স্টাফ নার্স, ল্যাব টেকনিশিয়ান ও হসপিটাল গেটের সামনের পান দোকানদারের শরীরে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি মিলেছে।
এর আগে, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরেক মেডিকেল টেকনোলজিস্টসহ (এমটিইপিআই) চারজনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছিল।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাক্তার রাশিদুল আলম জানিয়েছেন, আক্রান্তরা সকলে সুস্থ আছেন। করোনা শনাক্তের পর তাদেরকে হোম কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
করোনার সুযোগে অবাধে চলছে মাছ শিকার
মাগুরা প্রতিনিধি
করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় যখন ব্যস্ত প্রশাসন তখন সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে অসাধু মৎস্যজীবীরা মাগুরার গড়াই নদীতে মশারি জালের মাধ্যমে শক্ত বাঁধ দিয়ে মাছ ও মাছের রেণু ধরছে অবাধে। এতে ঝুঁকিতে পড়ছে দেশের মৎস্য সম্পদ।
সরেজমিনে দেখা যায়, মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার গয়েশপুর ইউনিয়নের লাঙ্গলবাঁধ বাজার এলাকা থেকে শুরু করে নাকোল ইউনিয়নের রাজধরপুর পর্যন্ত গড়াই নদীতে অসংখ্য মশারি জালসহ বাঁশ ও বাঁশের চটা দিয়ে পাটা তৈরি করে নদীতে আড়াআড়িভাবে বাঁধ দেয়া হয়েছে। এছাড়াও অত্যন্ত ঘন মিহি দীর্ঘ মশারি জাল দিয়ে নদীর বিস্তীর্ণ এলাকা ঘিরে মাছ শিকার করা হচ্ছে অবাধে। এ প্রক্রিয়ায় মাছ শিকারের ফলে মা মাছসহ মাছের রেণুও ধ্বংস হচ্ছে। বিশেষ করে ফাল্গুন, চৈত্র ও বৈশাখ মাসে যখন নদীর পানি শুকিয়ে যায় ঠিক তখনই এক শ্রেণির মৎস্যজীবী বেপরোয়া হয়ে ওঠেন মাছ ধরতে।
শ্রীপুর উপজেলার ১নং গয়েশপুর ইউনিয়নের ইউপি সদস্য ওয়াহিদুজ্জামান লিটু জানান, বৃহত্তর গড়াই এবং মাঝারি কুমার নামে দুটি নদী শ্রীপুর উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে প্রবাহিত। নদীতে এখনও যে পরিমাণ মাছ রয়েছে তা যদি সংরক্ষণ করা হয় তাহলে এলাকার মাছের চাহিদা পূরণ করেও অন্য জেলায় পাঠানো সম্ভব। আর যদি সংরক্ষণ করা না হয় তাহলে অদূর ভবিষ্যতে নদীতে আর মাছ পাওয়া যাবে না।
এ বিষয়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. শরীফ হাসান সোহাগ বলেন, গত বছর ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এ ধরনের পাটা বাঁধ উচ্ছেদ করা হয়েছিল। কিন্তু এবছর করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে অফিস ছুটি থাকায় সব স্থগিত হয়ে আছে। আর সেই সুযোগে পাটা বাঁধ ব্যবহার করে মাছ শিকার করছে অসাধু মৎস্যজীবীরা। তবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
চুয়াডাঙ্গা পুলিশের অভিনব উদ্যোগ ‘খাদ্য যাবে বাড়ি’
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি
‘মুজিববর্ষের অঙ্গীকার, পুলিশ হবে জনতার’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে বাংলাদেশ পুলিশ যখন জনবান্ধব পুলিশিংয়ে ব্যস্ত, ঠিক সেই সময় বৈশ্বিক সমস্যা হিসেবে বাংলাদেশেও প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাসের এর প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। সরকার করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে লকডাউন ঘোষণা করায় গরিব, দুস্থ ও অসহায় মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছে।
বিষয়টি অনুধাবন করে চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার মো. জাহিদুল ইসলাম নিজ উদ্যোগে ‘মানুষ মানুষের জন্য, পুলিশ জনগণের বন্ধু, সেবাই পুলিশের ধর্ম’ এই ব্রত সামনে রেখে চুয়াডাঙ্গা জেলার তৃণমূল অসহায় গরিব দুঃখীদের মাঝে ২৯ মার্চ থেকে ধারাবাহিকভাবে খাদ্য সামগ্রী বিতরণের কর্মসূচি গ্রহণ করেন। এই কর্মসূচিতে পুলিশ সুপার ‘খাদ্য যাবে বাড়ি’ নামে একটি ইউনিক পদ্ধতি চালু করেন। যে পদ্ধতিতে খাদ্য সামগ্রী পেতে আগ্রহীরা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে হেল্প ডেস্কে এসে নাম, ঠিকানা ও মোবাইল এন্ট্রি করে গেলে বা পুলিশ সুপারের ফোনে নাম, ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর এসএমএস করলে অথবা ফেসবুকে ইনবক্স করলে রাতের আঁধারে তাদের বাড়িতে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছে পুলিশ। এছাড়াও কোনো অসহায় ব্যক্তি বা লকডাউনে থাকা পরিবার পুলিশ সুপারকে ফোন করে জানালে তৎক্ষণাৎ তাদের কাছে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছেন।
মঙ্গলবার পর্যন্ত পুলিশ সুপার মো. জাহিদুল ইসলাম কর্মবঞ্চিত, গরিব ও দুস্থ ৫ হাজার ১২৬টি পরিবারের মধ্যে নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী বিভিন্ন সময় পৌঁছে দিয়েছেন। এছাড়াও আরও ৫০০০ পরিবারকে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেয়ার কার্যক্রম অব্যহত আছে।
এ বিষয়ে পুলিশ সুপার মো. জাহিদুল ইসলাম জানান, দেশের ও দেশের মানুষের প্রতি নিজের দায়িত্ববোধ থেকেই তিনি কাজটি করে চলেছেন। এ সময় তিনি চুয়াডাঙ্গা জেলার সকল বিত্তবানদেরকে গরিব, দুস্থদেরকে সাহায্য করার আহ্বান জানান এবং সকলকে স্বাস্থ্যবিধি ও সরকারি নির্দেশনা মেনে চলতে অনুরোধ করেন।
কেএমপি নগরীতে ১৩ জনের হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করেছে
স্টাফ রিপোর্টার
খুলনা মহানগর পুলিশ বিগত ২৪ ঘন্টায় বিভিন্ন জেলা থেকে খুলনা মহানগরীতে আগত ১৩ জনকে চিহ্নিত করে তাদের হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করেছে।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের মুভপাত্র উপ পুলিশ কমিশনার শেখ মনিরুজ্জামান মিঠু জানান, বিভিন্ন জেলা থেকে আগত ব্যক্তিদের মধ্যে খুলনা সদর থানায় ০৫ জন ( নারায়ণগঞ্জ-০৩, ঢাকা-০২, লবনচরা থানায় ০২ জন(বরিশাল), খালিশপুর থানায় ০১ জন(গাজীপুর) এবং খানজাহান আলী থানা-০৫ (গাজীপুর-০২, চট্টগ্রাম-০২, যশোর-০১)।
নৌবাহিনীর ইফতার বিতরণ ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম
খবর বিজ্ঞপ্তি
করোনা ভাইরাস এর সংক্রমণ রোধকল্পে বাংলাদেশ নৌবাহিনী সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা প্রদান করে আসছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে অসহায় মানুষের পাশে সবসময় রয়েছে নৌবাহিনী। অসহায় ও দুস্থ পরিবারে ঘরে ঘরে ত্রাণ ও ইফতার সামগ্রী পৌছানোসহ জনসাধারণের মাঝে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় নৌ ঘাঁটি তিতুমীর কর্তৃক বাস্তুহারা এলাকায় ২০০ অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এছাড়া নৌ ঘাঁটি সোলাম কর্তৃক গলামারি ও রুপসা এলাকায় ১০০ অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। অপরদিকে মোতায়েনকৃত নৌবাহিনী কন্টিনজেন্ট বরগুনা জেলার বিভিন্ন এলাকায় টহলের পাশাপাশি জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে। এসময় ১৬০০টি অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণে সহায়তা ও ১০০টি জনসচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়। সাধারণ জনগণকে কাঁচা বাজার, ঔষধের দোকান ও মসজিদ ব্যবহারে সরকারী নীতিমালা অনুসরণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। একই সাথে অনুমোদিত নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রীর দোকান নির্দিষ্ট রুটিন সময়ের পর বন্ধ রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করে। নৌ কন্টিনজেন্ট মংলা জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দিগরাজ বাজার, সুন্দরবন, মিঠাখালী, মংলা বন্দর, বুড়িরডাঙ্গা ও চরকানাই এলাকায় টহল পরিচালনা করে। এ সময় ১২৪৪টি অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণে সহায়তা প্রদান করা হয়।
সবজি চাষীদের লোকসান লাঘবে যুবলীগের উদ্যোগে নগরীতে বিণামূল্যে সবজি বিতরন
খবর বিজ্ঞপ্তি
সবজি চাষীদের লোকসান লাঘবে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ খুলনা মহানগর শাখার উদ্যোগে নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে বিণামূল্যে সবজি বিতরণ করা হচ্ছে। এই কর্মসূচীর অংশ হিসাবে মঙ্গলবার ৩০নং ওয়ার্ডে শুরু হয়েছে সপ্তাহব্যাপি সজ্বি বিতরণ। খুলনা মহানগর যুবলীগের আহবায়ক সফিকুর রহমান পলাশ এই কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন। এ সময় তিনি বলেন, সবজি চাষীদের লোকসান লাঘবে এই কর্মসূচী গ্রহন করা হয়েছে। সম্প্রতি করোনা পরিস্থিতি কৃষকের পণ্য বিক্রি কমে যাওয়ায় লোকসানে পরছিলেন তারা।
এই সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগ নেতা এ্যাডঃ ফারুক হোসেন, শিহাব হোসেন, জেলা পরিষদেও সদস্য চৌধুরী রায়হান ফরিদ, যুবলীগ নেতা কাজী কামাল হোসেন, অভিজিৎ চক্রবর্তী দেবু, মোঃ রাজু মোল্লা প্রমূখ। এই কর্মসূচীর অংশ হিসাবে এপ্রিল মাসে নগরীর দৌলতপুর থানা জুরে শুরু হয়েছে বিণামূল্যে সজ্বি বিতরন, প্রতিদিন থানার বিভিন্ন স্থানে এই সবজি বিতরণ করা হচ্ছে। মঙ্গলবার আজও বিতরণ করা হয়েছে দেয়ানা মধ্যপাড়া ও আবু বকর সড়কে নিম্ম বিত্তদের মাঝে। এছাড়াও ০২ মে নগরীর নিরালায় ০৯নং রোডে সবজি বিতরণ করা হয়। পর্যায়ক্রমে এই কর্মসূচী নগরীর বিভিন্ন স্থানে শুরু করা হবে যুবলীগের নেতা কর্মীদের অংশগ্রহনে।
এই বিষয়ে নগর যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক শেখ শাহাজালাল হোসেন সুজন, এই কর্মসূচীর মাধ্যমে পরোক্ষভাবে যেমন কৃষকরা লাভবান হবেন। তেমনি কাঁচাবাজারে প্রতিদিনের যে ভীড় সেটাও কমাবে। ফলে বাজারে করোনা সংক্রমনের ঝুঁকি কিছুটা কমবে। পাশাপাশি নিম্ম আয়ের মানুষদেরকেও সহযোগিতা করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত নগরীর প্রায় হাজার দুই এক পরিবারের নিকট বিণামূল্যে সবজি বিতরণ করা হয়েছে।
মোড়েলগঞ্জের নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নে ধর্ষনের চেষ্টায় মামলা করে বিপাকে বাদীর পরিবার
এম.পলাশ শরীফ,মোড়েলগঞ্জ
বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে স্বামী পরিত্যাক্ত গৃহবধূ(২০)কে ধর্ষণের চেষ্টায় মামলা করে বাদী’র পরিবার এখন বিপাকে পড়েছে। দিনমজুর পিতাকে অব্যাহত হুমকি দিচ্ছে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য।
মামলার বিবরনে জানাগেছে, উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের পিসি বারইখালী গ্রামের এক দিনমজুর শ্রমিকের স্বামী পরিত্যক্ত মেয়ে (২০) কে ঘটনারদিন ১৪ এপ্রিল রাতে নিজ গৃহে প্রকৃতির ডাকে সারা দিলে বৃদ্ধ দাদি দরজা খুলে বের হলে সেই সুবাধে ওই ঘরের দরজা খোলা পেয়ে পূর্বে থেকে মোবাইল ফোনে বিভিন্ন সময়ে উতাক্তকারি এলাকার উৎশৃংখল যুবক ওৎ পেতে থাকা সোহাগ আকন(৩০) ঘরের মধ্যে প্রবেশ করে বারান্দার কক্ষে ঘুমিয়ে থাকা স্বামী পরিত্যাক্ত যুবতিকে মুখ চেপে ধরে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা চালায়।
এ সময় তার ডাক চিৎকারে কাছে থাকা ছোট বোন ও পিতা-মাতা আসামিকে হাতে-নাতে ধরে ফেলে। এক পর্যায় সোহাগ ধস্তাধস্তি করে ওই যুবতীর দিনমজুর পিতাকে মারধর করে পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় ১৮ এপ্রিল লিমা বেগম বাদি হয়ে মোড়েলগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একই গ্রামের কালাম আকনের ছেলে সোহাগ আকনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন যার নং-১৯, তারিখ-১৮.৪.২০২০।
এদিকে মামলা করে বিপাকে পড়েছে বাদির পিতা ভ্যান চালক দিনমজুর শ্রমিকের পরিবার। মামলা তুলে নিতে অব্যাহত হুমকি দিচ্ছে প্রভাবশালী একটি পক্ষ। পিতা ও ভাইকে সড়কে ভ্যান চালানোর বাঁধা সৃষ্টি করছে আসামি পক্ষ বলে জানিয়েছেন বাদির পরিবার।
এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা এসআই আসাদুজ্জামান মিন্টু বলেন, মামলার তদন্তের জন্য ঘটনাস্থল সরেজমিন করা হয়েছে। আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। বাদির পরিবারকে হুমকির বিষয়টি তিনি অবহিত নয়। তবে এ রকম অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।
যুব আন্দোলন খুলনা সদর থানার ইফতার সামগ্রী বিতরণ
খবর বিজ্ঞপ্তি
মঙ্গলবার (৫ মে) ইসলামী যুব আন্দোলন খুলনা মহানগর শাখার উদ্যোগে ও সদর থানার ব্যবস্থাপনায় ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। ইসলামী যুব আন্দোলন খুলনা সদর থানার সহ-সভাপতি মাওলানা হাবিবুল্লাহ গাজীর সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক মুফতী আমানুল্লাহর পরিচালনায় বিতরণ অনুষ্ঠানে
প্রধান অতিথি ছিলেন ইসলামী যুব আন্দোলন খুলনা মহানগর সাধারন সম্পাদক মুফতী শেখ আমীরুল ইসলাম। এসময় উপস্থিত ছিলেন হাফেজ আরিফুল ইসলাম, মাওলানা এনায়েতুল্লাহ, মো: টিপু সুলতান, মোঃ জাহিদুল ইসলাম, মোঃ আল আমীন, মোঃ আকবার আলী, মোঃ লাভলু, ক্বারী দ্বীন ইসলাম প্রমুখ।
করোনা ভাইরাস যেন বিস্তার লাভ না করতে পারে সে বিষয়ে সকলকে খেয়াল রাখতে হবে: এমপি বাবু
কয়রা প্রতিনিধি
বর্তমান সময়ের মহামারি সমস্যা করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক কয়রায় এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টায় কয়রা উপজেলা পরিষদের হল রুমে স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক,ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ সহ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার শিমুল কুমার সাহার সভাপতিত্বে মত বিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে দিক নির্দেশনামূলক মতামত ও পরামর্শ প্রদান করেন খুলনা-৬ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ আক্তারুজ্জামান বাবু। মত বিনিময় সভায় এমপি বাবু বলেন, ভয়াবহ “করোনা” ভাইরাস যেন বিস্তার লাভ না করতে পারে, সে বিষয়ে সকলকে খেয়াল রাখতে হবে। বিদেশ ফেরতরা আবশ্যিক ভাবে ১৪ দিনের জন্য নিজ নিজ ঘরে অবস্থান করবেন। করোনা ভাইরাস সংক্রমণ সংক্রান্ত সরকারি নির্দেশনা না মানলে জনস্বার্থে তাদেরকে শাস্তির আওতায় আনা হবে। এত বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শফিকুল ইসলাম,ভাইস চেয়ারম্যান এ্যাডঃ কমলেশ কুমার সানা, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাছিমা আলম, কয়রা থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ রবিউল হোসেন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সুদীপ বালা, উপজেলা কৃষি অফিসার মিজান মাহমুদ,শিক্ষা অফিসার আবুল বাশার,জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী প্রশান্ত পাল, উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা মোস্তাইন বিল্লাহ, মৎস্য কর্মকর্তা এস এম আলাউদ্দিন আহমেদ, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আব্দুর রশিদ খান, সমাজ সেবা কর্মকর্তা অনাথ কুমার মন্ডল, ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আমির আলী গাইন, আব্দুস সাত্তার পাড়, বিজয় কুমর সরদার, আলহাজ্ব সরদার নূরুল ইসলাম কোম্পানী, এইচ এম হুমায়ুন কবির,আব্দুল্লাহ আল মামুন লাভলু, কয়রা সরকারি মহিলা কলেজের উপাধ্যক্ষ এইচ এম নজরুল ইসলাম,ইউআরসি নাজমুল হুদা,জেলা যুবলীগ নেতা শামীম সরকার,জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি আবু সাইদ খান, কয়রা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শরিফুল ইসলাম টিংকু, সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) আমিনুল হক বাদল প্রমুখ। মতবিনিময় শেষে এমপি বাবু উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা সুদীপ বালা এর হাতে ২ টা করোনা পরিক্ষার জন্য থার্মার স্কানার প্রদান করেন। সভায় উপজেলা থেকে এ পর্যন্ত ৭৭ টি রোগীর করোনা সেম্পল সংগ্রহ করা হয় যার ৬৬ টি রিপোর্ট নেগেটিভ আসছে বাকী রিপোর্ট এখনো পাওয়া যায়নি বলে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জানান।
কয়রায় জবাইকৃত হরিন সহ ৪ শিকারী আটক
কয়রা প্রতিনিধি
সুন্দরবনের গেওয়াখালী টহল ফাঁড়ির অধিনস্থ কালিরখাল এলাকায় অভিযান চালিয়ে জবাই করা ১ টি হরিণ সহ ৪ শিকরীকে আটক করেছে বন বিভাগ। জানা গেছে গত সোমবার বিকাল ৫ টার দিকে খুলনা রেঞ্জের সহকারি বন সংরক্ষক (এসিএফ) মেঃ আবু সালেহ এর নির্দেশে গেওয়াখালী টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এজেড মঞ্জুরুল করিম সঙ্গীয় ফোর্স ও নলিয়ান স্টেশনের স্টাফরা যৌর্থ অভিযান চালিয়ে কালিরখাল এলাকা থেকে জবাই করা ১ টি হরিন সহ ৪ জন শিকারীকে আটক করে। আটককৃতরা হলেন, কয়রা উপজেলার জোড়শিং গ্রামের বিল্লাল হোসেন, কামাল গাজী,নুর বকস মল্লিক ও শাহ আলম গাজী। অভিযানকালে উপস্থিত ছিলেন নলিযান স্টেশনের স্টাফ মোঃ আঃ নুর, মীর শওকাত, গেওয়াখালী টহল ফাঁড়ির স্টাফ মোস্তাফিজুর রহমান,লিয়াকাত আলী ও রফিকুল ইসলাম। হরিণ শিকারিদেরকে কয়রা উপজেলা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রেরন করা হয়েছে। খুলনা রেঞ্জের সহকারি বন সংরক্ষক (এসিএফ) মোঃ সালেহ বলেন, এ ব্যাপারে বন আইনে মামলা হয়েছে।
তালার কানাইদিয়ায় সিঁদ কেটে ঘরে ঢুকে কার্ত্তিক নাথকে কুপিয়ে জখম করে ডাকাতি
খান নাজমুল হুসাইন, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
সাতক্ষীরা তালার জালালপুরের কানাইদিয়ায় সিঁদ কেটে বসত ঘরে ঢুকে ঘুমন্ত অবস্থায় বাড়ি মালিক কার্ত্তিক দেবনাথ(৭৫) কে কুপিয়ে আহত করে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। কার্ত্তিক কানাইদিয়ার মৃত কুঞ্জ বিহারী দেবনাথের ছেলে। এ সময় আহতকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। স্থানীয়সূত্রে জানাযায়, কার্ত্তিক প্রতি রাতের ন্যায় রাতের খাবার খেয়ে নিজ ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন। মঙ্গলবার (৫ মে) দিবাগত রাত আনুমানিক ২.৩০ টায় অজ্ঞাতনামা সন্ত্রাসীরা বসত ঘরের পিছন থেকে সিঁদ কেটে ঢুুকে ঘুমন্ত অবস্থায় কার্ত্তিককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে নগত ৭ হাজার টাকা ও ৫ ভরি স্বর্ণলাংকার লুট করে নিয়ে যায়। পাশে ঘুমিয়ে থাকা তার স্ত্রীরির ডাক চিৎকার ডাকাত দল পালিয়ে যায়। তাদের আতচিৎকারে প্রতিবেশীরা এসে গুরুতর অবস্থায় কার্ত্তিক দেবনাথকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় পল্লী চিকিৎসক আজিজুরের মাধ্যমে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে পরে অবস্থার অবনতি দেখে তালা হাসপাতালে নিয়ে যায় । এব্যাপারে জালালপুর ইউপির স্থানীয় ২ নং ওয়ার্ড সদস্য কালিদাশ অধিকারী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মঙ্গলবার গভীর রাতে ঘরে ঢুকে তাকে কুপিয়ে জখম ও অর্থলাংকার লুট করে নিয়ে যায়। তালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মেহেদী রাসেল বলেন, এ বিষয় তদন্ত পুর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
করোনায় এন্টিবায়টিক প্রাণিজ আমিষ মুরগীর মাংস, ডিম, দুধ-মাছ ত্রাণে বিভিন্ন সংগঠন বিতরণে পোল্ট্রি সমিতির কৃতজ্ঞ
খবর বিজ্ঞপ্তি
ভয়ঙ্কর করোনা ভাইরাসে বিশ্বসহ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামাজিকসহ সকল পর্যায়ে দারুণ অস্থিরতায় চলছে লগডাইনে ঘরবন্দী মানুষের জীবন ব্যবস্থা। আক্রান্ত-মৃত্যুতে উদ্বেগের মাত্রা ক্রমান্বয় দীর্ঘ হচ্ছে। অন্যদিকে দেশের অবুজ-অবলা প্রাণিকুলের অবস্থা আরো শোচনীয়। চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে প্রতিপালনকারী খামারী-ব্যবসায়ীরা। একদিনের মুরগীর বাচ্চা, মাংস, ডিম, দুধ ও মাছের মূল্য খুবই কম, মুরগী থেকে করোনা ভাইরাস ছড়ায় গুজব, বিক্রয়কেন্দ্র ও যানবাহন বন্ধ থাকায় পোল্ট্রি ও ডেইরী শিল্পে ধ্বস নেমেছে। এর থেকে পরিত্রাণে বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রি এসোসিয়েশন ও খুলনা পোল্ট্রি ফিশ ফিড শিল্প মালিক সমিতি খামারীদের পক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে অতিরিক্ত উৎপাদিত ডিম, মাংস ও দুধের বহুবিধ ব্যবহার বৃদ্ধিতে জনসচেতনা বাড়ানো, করোনার সাথে মুরগীর কোনো সম্পর্ক নেই, গুজবে কান না দিয়ে নিশ্চিন্তে ব্যবহারের আহ্বান জানাতে দায়িত্বশীল ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠান থেকে বলার অনুরোধ, সরকারি-বেসরকারি ত্রাণে মুরগী, ডিম ও দুধ অন্তর্ভুক্ত করে টিসিবি’র মাধ্যমে ভোক্তাদের নিকট পৌঁছে দেয়ার দাবী ছিল। উল্লিখিত যৌক্তিক দাবী ও খামারী-ব্যবসায়ীদের ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার জন্য ও করোনা প্রতিরোধ, শরীর সুস্থ, স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন ও সামাজিক দূরত্ব নিরাপত্তায় এন্টিবায়টিক হিসেবে প্রাণিজ আমিষ মাছ-ডিম বাংলাদেশ আওয়ামী সৎস্যজীবী লীগ সিদ্ধ ডিম, খুলনা পোল্ট্রি সমিতিসহ অন্যান্য সংগঠন বিনামূল্যে ত্রাণ হিসেবে মুরগী, ডিম, দুধ বিতরণ করেছে। এছাড়া মোবাইল অ্যাবাসের মাধ্যমে খুলনা জেলা প্রশাসন, প্রাণিসম্পদ বিভাগ, কৃষি বিপণন অধিদপ্তর ও খুলনা পোল্ট্রি ফিশ ফিড শিল্প মালিক সমিতি’র উদ্যোগে ভোক্তাদের চাহিদার ভিত্তিতে ঘরে ঘরে পৌঁছে দেয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছে। এজন্য সকল সংগঠনকে কৃতজ্ঞতা ও শুভেচ্ছা জানানো হয়। সর্বোপরি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রণোদনা, ভর্তুকী ও সহযোগিতা প্রদানের ঘোষণা ও বাস্তবায়নে কাজ শুরুর করায় কৃতজ্ঞতা, শুভেচ্ছা ও আন্তরিক অভিনন্দন জ্ঞাপন করে এক যুক্ত বিবৃতি প্রদান করেছেনÑসংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি শাহ হাবিবুল হক, সেক্রেটারী জেনারেল ডাঃ মনজুর মোরশেদ খান, খুলনা বিভাগীয় শাখা কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব মওলানা ইব্রাহিম ফয়জুল্লাহ, কেন্দ্রীয় প্রচার-প্রকাশনা সম্পাদক ও খুলনা’র মহাসচিব প্রাণিপ্রেমী এস এম সোহরাব হোসেন। বিবৃতি তাঁরা আরো বলেন, স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্তভাবে ক্ষতিগ্রস্ত সকল খামারী-ব্যবসায়ীদের তালিকায় প্রণোদনা ভর্তুকী প্রদানের আহ্বান জানান এবং মুরগী, ডিম ও দুধ খামারীদের নিকট থেকে ক্রয় করে টিসিবি’র মাধ্যমে ভোক্তা সাধারণের নিকট সরবরাহের দাবী করেন।
সাতক্ষীরায় সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে সবজি কিনল সেনাবাহিনী
খান নাজমুল হুসাইন, সাতক্ষীরা
সাতক্ষীরায় অনুকূল আবহাওয়ায় এবার প্রচুর সবজি উৎপাদন হলেও করোনার কারনে সবজি নিয়ে বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা। কৃষকের এমন পরিস্থিতিতে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন সেনাবাহিনীর সদস্যরা। কৃষকদের আর্থিক ক্ষতি লাঘব করতে সরাসরি মাঠ থেকে সবজি কিনছেন যশোর সেনানিবাস। মঙ্গলবার সকালে তালা উপজেলার নগরঘাটা ইউনিয়নের কয়েকজন কৃষকের কাছ থেকে তারা প্রায় ৫মণ সবজি ক্রয় করেন। কৃষকদের এই দুঃসময়ে এভাবে পাশে দাঁড়ানোয় সেনাবাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন তারা।
যশোর ক্যান্টনমেন্ট ৫৫ পদাতিক ডিভিশনের সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার সাইদুর রহমান জানান, যশোরে সেনানিবাসের জন্য প্রচুর পরিমাণ সবজির চাহিদা রয়েছে। সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে সবজি কিনে সেই চাহিদা মেটানো হচ্ছে। এভাবে বিভিন্ন এলাকা থেকে এক মাস সবজি কেনার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। তিনি আরও জানান, কৃষকরা যাতে ন্যায্য দাম বঞ্চিত হয়ে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন না হন মূলত সেই জন্যই সেনাবাহিনীর এই উদ্যোগ।
অভয়নগরে উপসর্গহীন প্রথম করোনা রোগী সনাক্ত
অভয়নগর প্রতিনিধি
অভয়নগরে উপসর্গ ছাড়াই প্রথম করোনা রোগী সনাক্ত হয়েছে। ৭০ বছরের বৃদ্ধ ওই রোগীকে হাসপাতালের আইসোলেশন রাখা হয়েছে।
সোমবার রাতে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেন। রাতেই উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে লকডাউন করা হয়েছে শ্রীধরপুর ইউনিয়নের পুড়াখালী দক্ষিণপাড়ার নন্দির বটতলা এলাকার তিনটি বাড়ি। এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ এস এম মাহামুদুর রহমান রিজভী জানান, কোভিড-১৯ পজিটিভে আক্রান্ত বৃদ্ধের বয়স ৭০ বছর। তাঁর শরীরে শ্বাসকষ্ট ছাড়া করোনাভাইরাসের কোন উপসর্গ ছিল না। তিনি প্রায় ২৫ বছর যাবৎ শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন। এক সপ্তহ ধরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছেন। গত শনিবার ২ মে নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে সোমবার সন্ধ্যায় তাঁর শরীরে করোনাভাইরাস পজেটিভ ধরাপড়ে। তাঁকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। অবস্থা খারাপ হলে খুলনা মেডিক্যাল বা যশোর সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হবে। তিনি এখন ভালো আছেন। মঙ্গলবার সকালে ওই পরিবারের ১১ জন সদস্যের নমুনা সংগ্রহ করা হবে।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কেএম রফিকুল ইসলাম বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাজমুল হুসেইন খাঁন স্যারের নির্দেশনায় সোমবার রাত আনুমানিক ১০ টার সময় আক্রান্ত বৃদ্ধের বাড়ি সহ পাশাপাশি তিনটি বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে। তিনটি পরিবারের জন্য খাদ্য সহায়তা দেয়া হয়েছে। লাল পতাকা টানিয়ে এলাকাবাসীকে সতর্ক করা হয়েছে।
এছাড়া ওই তিন বাড়ির ১১ জন সদস্যকে ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টিনে থাকাতে বলা হয়েছে। একাজে সহযোগিতা করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ এস এম মাহামুদুর রহমান রিজভী, অভয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজুল ইসলাম, শ্রীধরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী, পুলিশ সদস্য সহ সাংবাদিকবৃন্দ।
খুলনা মহানগর যুবলীগ নেতা এসএম হাফিজুর রহমান হাফিজের উদ্যোগে ৫দিন ব্যাপী ৪ হাজার পরিবারকে উপহার প্রদানের প্রথম দিন অতিবাহিত
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা মহানগর যুবলীগের ১নং সদস্য এসএম হাফিজুর রহমান হাফিজের উদ্যোগে মুহাম্মাদনগর মাদ্রাসা মাঠে বটিয়াঘাটা উপজেলাধীন ১নং জলমা ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ৫দিন ব্যাপী ৪ হাজার পরিবারকে উপহার প্রদানের প্রথম দিন অতিবাহিত। ৬ শত পরিবারকে প্রদান করা হয় ১০ কেজি করে চাল। আয়োজনের প্রধান সমন্বয়কারী ও পৃষ্ঠপোষক খুলনা মহানগর যুবলীগ নেতা এস এম হাফিজুর রহমান হাফিজ। আর্থিক সহযোগীতায় আলহাজ্ব আব্দুল আজিজ সেখ, সভাপতি, ৬নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ, মোঃ মনিরুজ্জামান ময়না, প্রধান শিক্ষক, মুহাম্মাদনগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, মোল্যা মিজানুর রহমান বাবু, সাধারণ সম্পাদক, ১নং জলমা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, আলহাজ্ব আসলাম হোসেন তালুকদার, সদস্য, বটিয়াঘাটা উপজেলা আওয়ামী লীগ, আলহাজ্ব মোঃ আলমগীর হোসেন, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক, ১নং জলমা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, আলহাজ্ব মোঃ দুলাল শেখ, সদস্য, ১নং জলমা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, মোঃ মাহাবুবুর রহমান (মাসুম), সহ সভাপতি, ৬ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ, স্বেচ্ছাসেবকবৃন্দের তত্ত্বাবধানে মোঃ জাহিদ হাসান অপি, যুগ্ন-সম্পাদক, ২৫ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ, খুলনা জেলা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি এস এম তানজির রহমান উষাণ, সাংগঠনিক সম্পাদক অভিজিৎ রায় অভি, ১নং জলমা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক এস এম তানভির রহমান অপু।
পাইকগাছায় যৌণ নিপীড়ন মামলায় ঝন্টু আটক
পাইকগাছা প্রতিনিধি
পাইকগাছায় শ্লীলতাহানীর ঘটনায় বিপ্লব মন্ডল ঝন্টু (১৯) নামে একজনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। সে উপজেলার কুমখালী গ্রামের মৃত প্রশান্ত মন্ডলের ছেলে। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, দাকোপ উপজেলার কামিনীবাসিয়া গ্রামের গোষ্টপদ গাইনের মেয়ে পাইকগাছায় মামার বাড়ীতে থেকে লেখাপড়া করে। সে কুমখালী গ্রামের মুকুন্দ বিশ্বাসের ভাগ্নি ও কুমখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ছাত্রী। গত ১ মে বিকেল ৪টায় বিল থেকে গরু নিয়ে বাড়ী ফেরার সময় ওৎপেতে থাকা ঝন্টু তাকে ফাঁকা পেয়ে ঝাপটে শ্লীলতাহানী ঘটায়। ঘটনাটি জানাজানি হলে ভিকটিমের মামা মুকুন্দ বিশ্বাস সোমবার বাদী হয়ে থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করে। পুলিশ ঐদিন সন্ধ্যায় আসামী ঝন্টুকে গ্রেপ্তার করে। ওসি এজাজ শফী জানান, যৌণ নিপীড়ন ঘটনায় জড়িত ঝন্টুকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সোলাদানা ইউপি’র সাবেক চেয়ারম্যান মাজেদের দাফন সম্পন্ন
পাইকগাছা প্রতিনিধি
পাইকগাছায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সোলাদানা ইউপি’র সাবেক চেয়ারম্যান ও মুক্তিযোদ্ধা এসএমএ মাজেদের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১০ টায় লস্কর-পাইকগাছা ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসা মাঠে জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, খুলনা-৬ (পাইকগাছা-কয়রার) সংসদ সদস্য আকতারুজ্জামান বাবু, সাবেক সংসদ সদস্য এ্যাডঃ সোহরাব আলী সানা, উপজেলা চেয়ারম্যান গাজী মোহাম্মদ আলী, পৌর মেয়র সেলিম জাহাঙ্গীর, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ আরাফাতুল আলম ও ওসি মোঃ এজাজ শফী, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ রশীদুজ্জামান, উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি এ্যাডঃ জিএ সবুর, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ার ইকবাল মন্টু, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার শেখ শাহাদাৎ হোসেন বাচ্চু, অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ, ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মোঃ আশরাফুল আলম, ভাইস চেয়ারম্যান শিয়াবুদ্দীন ফিরোজ বুলু, সোলাদানা ইউপি চেয়ারম্যান এসএম এনামুল হক, পাইকগাছা প্রেসকাব সভাপতি এ্যাডঃ এফএম আঃ রাজ্জাক, এম.এম. আজিজুল হাকিম, আকরামুল ইসলাম, উপজেলা গ্রাম ডাক্তার কল্যাণ সমিতির সভাপতি আনোয়ার হোসেন সহ বিভিন্ন শ্রেনী-পেশার মানুষ।
করোনাভাইরাস প্রতিরোধে খুলনায় জেলা রেড ক্রিসেন্টের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসনকে স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী প্রদান
খবর বিজ্ঞপ্তি
করোনাভাইরাস প্রতিরোধে খুলনা জেলা রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির পক্ষ থেকে খুলনা জেলা প্রশাসনকে স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী প্রদান করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে খুলনা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেনের কাছে ২টি পানি বিশুদ্ধকরণ যন্ত্র,২টি স্প্রে মেশিন,সাবান,হাত ধোয়ার জন্য জীবানুনাশক স্যানিটাইজার ও অন্যান্য সামগ্রী প্রদান করা হয়। খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এসব সামগ্রী হস্তান্তরকালে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সেক্রেটারি বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেন মিন্টু,নির্বাহী সদস্য ও খুলনা প্রেস কাবের সভাপতি এস এম নজরুল ইসলাম,খুলনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক মোঃ জিয়াউর রহমান, রেড ক্রিসেন্ট ইউনিট কর্মকর্তা মঈনুল ইসলাম পলাশ,ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেডের জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপক হুমায়ুন কবীর এবং যুব রেড ক্রিসেন্টের স্বেচ্ছাসেবকরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় মকবুল হোসেন মিন্টু বলেন, প্রাণঘাতি করোনাভাইরাস জনিত পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি দেশব্যাপী কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। ভবিষ্যতে যে কোন সংকট ও দুর্যোগে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াবে এবং কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে। খুলনা জেলা প্রশাসক খুলনা জেলা রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং সোসাইটির কার্যক্রমে জেলা প্রশাসন সবরকম সহযোগিতা করবে বলে আশ্বাস দেন।
ত্রাণ নিয়ে কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেওয়া হবে না -সিটি মেয়র
তথ্য বিবরণী
খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক করোনাভাইরাস প্রতিরোধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ‘মানবিক সহায়তা কর্মসূচির’ আওতায় মঙ্গলবার সকালে খুলনার ৩১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর কার্যালয় চত্বরে পাঁচশ ৭১ কর্মহীন নি¤œআয়ের শ্রমজীবী, অসহায়, দুস্থ ও দরিদ্রদের মাঝে সাত কেজি করে চালসহ আলু, ডাল, লবণ, পেঁয়াজ ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন।
ত্রাণসামগ্রী বিতরণকালে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, ত্রাণ নিয়ে কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেওয়া হবে না। সঠিকভাবে ত্রাণ বন্টন করতে হবে। এই দুর্যোগের সময়ে কোন অসহায়, দুস্থ ও দরিদ্র পরিবার যেন বাদ না যায় সে দিকে বেশি নজর দিতে হবে। করোনাভাইরাস প্রতিরোধে দলমত নির্বিশেষে সকলকে এগিয়ে আসার আহবান জানান সিটি মেয়র।
ত্রাণসামগ্রী বিতরণকালে মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা, ৩১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ আরিফ হোসেন মিঠুসহ ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পরে সিটি মেয়র পর্যায়ক্রমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ‘মানবিক সহায়তা কর্মসূচির’ আওতায় নগরীর ২২, ২৯, ২৬, ২৪, ১৪, ৯ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের চারশত ২৮ জন করে মোট দুই হাজার নয়শত ৯৬ কর্মহীন নি¤œআয়ের শ্রমজীবী, অসহায়, দুস্থ ও দরিদ্রদের মাঝে সাত কেজি করে চালসহ আলু, ডাল, লবণ, পেঁয়াজ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণ করেন।
সিপিবি’র উদ্যোগে কার্ল মার্কস-এর জন্মবার্ষিকী পালন এবং খাদ্যসামগ্রী বিতরণ
খবর বিজ্ঞপ্তি
মহামতি কার্ল মার্কসএর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টিÑসিপিবি, খুলনা সদর থানা কমিটির উদ্যোগে এক সংক্ষিপ্ত শ্রদ্ধানুষ্ঠান মঙ্গলবার বেলা ১১টায় দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। কার্ল মার্কসএর জন্মবার্ষিকীর সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানের পর একই স্থানে করোনায় লগডাউনে ঘরে থাকা কর্মহীন শ্রমজীবী মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়। এ কর্মসূচিতে অন্যান্যের মধ্যে অংশগ্রহণ করেনÑসিপিবি’র খুলনা খুলনা জেলা সভাপতি কমরেড ডাঃ মনোজ দাশ, মহানগর সাধারণ সম্পাদক কমরেড এড. রুহুল আমিন, মহানগর সাধারণ সম্পাদক কমরেড এড. মোঃ বাবুল হাওলাদার, সিপিবি নেতা মিজানুর রহমান বাবু, যুব ইউনিয়ন তো আফজাল হোসেন রাজু প্রমুখ। কার্ল মার্কসএর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে নেতৃবৃন্দ বলেন, আজকের বাস্তবতায় তাঁর প্রদর্শিত পথ-মত কতটা সঠিক বিশ্বে তা প্রমাণিত।
রাষ্ট্রযন্ত্রের মধ্যে চোরের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় তৃর্ণমূলে ত্রাণসামগ্রী পৌছাচ্ছে না: মঞ্জু
খবর বিজ্ঞপ্তি
দেশের এই দুর্যোগময় মুহুর্তে প্রান্তিক জনগোষ্ঠি, সমাজের ছিন্নমুল মানুষগুলো চরম হতাশার মধ্যে জীবন-যাপন করছে। লকডাউনের কারনে গোটা দেশ আজ স্তব্ধ, নিস্তেজ। এ সময় সকলকে এগিয়ে আসতে হবে সাধারণ মানুষের সাহায্যে। শুধু ছিন্নমুল ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠিরা হতাশা গ্রস্থ নয়, বিভিন্ন পেশার নিয়োজিতরা কর্মহীন হয়ে পড়েছে। তাদেরকে এই সময় আর্থিক ও খাদ্যসামগ্রী দিয়ে সাহায্য করার আহবান জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও মহানগর বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু। তিনি বলেন, শুধু দলের লোক নয়, দলের বাইরে যারা মানবতার জীবন ধারণ করছে তাদের দুঃখের শেষ নেই। বর্তমান সময়ে যারা মাছ শিকার করে জীবন-জীবিকা নির্বাহ করত, ফুটপথে কাপড়সহ বিভিন্ন সামগ্রী বিক্রি করত, তারাও সব কিছু থেকে বঞ্চিত। এই সংকটকালিন সময়ে রাষ্ট্রযন্ত্র একক ভাবে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না, কারণ রাষ্ট্রযন্ত্রের মধ্যে চোরের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।
মঞ্জু বর্তমান সরকারকে দলীয় দৃষ্টিকোন থেকে না দেখে আরো বেশি মানবিক হওয়ার আহবান জানিয়েছেন। নিরপেক্ষ কোন বাহিনী দ্বারা নিয়ন্ত্রন করতে হবে রাষ্ট্রকে। তাহলে সমাজের সকল পেশার মানুষের কাছে খাদ্যসামগ্রী পৌছে যাবে। সরকার এখন যদি সবকিছু নিয়ন্ত্রণ না করে, মৃত্যু’র মিছিল ইউরোপ-আমেরিকা ছাড়িয়ে যাবে। মঙ্গলবার দুপুরে নগর বিএনপি’র ত্রাণ কর্মসুচির অংশ হিসেবে দলীয় কার্যালয়ে ফুটপথ হকার, প্রান্তিক মৎসজীবী ও খ্রিস্টান সোসাইটির সদস্যদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণকাল উপরোক্ত কথাগুলো বলেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু।
এসময় উপস্থিত ছিলেন অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, অধ্যক্ষ আরিফুজ্জামান অপু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, মেহেদী হাসান দীপু, ইউসুফ হারুন মজনু, শামসুজ্জামান চঞ্চল, শরিফুল ইসলাম বাবু, আবু সাঈদ শেখ, মাহবুব হোসেন, সাইমুন ইসলাম রাজ্জাক, জাহিদ কামাল টিটু, রিয়াজুর রহমান, জাহাঙ্গীর হোসেন, মুশফিকুর রহমান অভি, আশিকুর রহমান, জুয়েল রহমান প্রমুখ।
খুলনায় পুলিশ কর্মকর্তার ফেসবুক পোস্ট নিয়ে বিভাগীয় তদন্ত
স্টাফ রিপোর্টার
খুলনায় আলমগীর কবির নামে একজন পুলিশ পরিদর্শকের (ওসি) ফেসবুক পোস্ট নিয়ে বিব্রত পুলিশ প্রশাসন। বিষয়টি নিয়ে বিভাগীয় তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি ড.খ. মহিদ উদ্দিন। সোমবার দুপুর ২টা ৪মিনিটে আলমগীর কবির নামে একটি ফেইসবুক আইডি থেকে বিভাগীয় পুলিশ হাসপাতাল নিয়ে একটি পোস্ট দেয়া হয়। ওই পোস্টে অনেক আইডি থেকে বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য করে পুলিশ কর্মকর্তাদের তিরস্কার করা হয়েছে। পাশাপাশি শেয়ারের মাধ্যমে পোস্টটি বহু ফেসবুক ব্যবহারকারীর কাছে ছড়িয়ে গেছে। পুলিশ পরিদর্শক আলমগীর কবির খুলনা জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে কর্মরত রয়েছেন।
ওই পোস্টের শিরোনামে বলা হয়, খুলনা বিভাগীয় পুলিশ হাসপাতাল, মজা পাইলাম। এরপর নিচে লেখা হয় নাপা নাই, স্যালাইন নাই, ক্যালসিয়াম নাই। মঙ্গলবার দুপুরে এ বিষয়ে খুলনার রেঞ্জ ডিআইজি ড.খ. মহিদ উদ্দিন ও খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার খন্দকার লুৎফুল কবির গনমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে হাসপাতালে ওষুধ সংকটের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। এর পরপরই ওই ফেইসবুক আইডি থেকে পোস্টটি আর দেখা যায়নি। এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ ধরনের বিব্রতকর পোস্ট দেয়ার বিষয়টি তদন্ত শুরু করেছে খুলনা জেলা পুলিশ। পুলিশ সুপার এসএম শফিউল্লাহ এ তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। তদন্ত কমিটির প্রধান করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনিসুর রহমানকে। খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার খন্দকার লুৎফুল কবির জানান, খুলনা বিভাগীয় পুলিশ হাসপাতালে কোনো প্রকার ওষুধের সংকট নেই। খুলনার রেঞ্জ ডিআইজি ড.খ.মহিদ উদ্দিন বলেন, এ বিষয়ে খুলনা জেলার পুলিশ সুপারকে তদন্তের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
খুলনার ল্যাবে সাতক্ষীরার একজনের করোনা শনাক্ত
স্টাফ রিপোর্টার
খুলনা মেডিক্যাল কলেজের পিসিআর ল্যাবে আরও একজনের করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে। তিনি হলেন সাতক্ষীরার দেবহাটা এলাকার রেজাউল করিম গাজী। মঙ্গলবার (৫ মে) খুলনা মেডিক্যাল কলেজের উপাধ্যক্ষ ডা. মেহেদী নেওয়াজ এই তথ্য জানান। তিনি বলেন, খুলনার ল্যাবে ১৮৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে শুধু খুলনা জেলার নমুনা ছিল ৮৪টি। এসব নমুনা পরীক্ষার ফলাফল রাত ৮টায় পাওয়া যায়, যাতে একটি পজিটিভ আসে।
ইউপি মেম্বারের বরজের পান কাটলো দুর্বৃত্তরা
যশোর প্রতিনিধি
যশোরের চৌগাছায় দাউদ হোসেন নামে ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) মেম্বারের প্রায় এক বিঘা বরজের পান কেটে দিয়েছে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা। দাউদ হোসেন উপজেলার ধুলিয়ানী ইউনিয়ন পরিষদের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের (শাহাজাদপুর) মেম্বার।
এ ব্যাপারে রবিবার (৩ মে) তিনি থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছিলেন। সোমবার (৪ মে) দুপুরে সেটি মামলা হিসেবে রেকর্ড হয়েছে। রবিবার ভোর রাতের দিকে উপজেলার ধুলিয়ানী ইউনিয়নের শাহাজাদপুর মাঠে ওই ইউপি সদস্যের বরজের পান কেটে দেওয়া হয়।
দাউদ হোসেন লিখিত অভিযোগে বলেন, গত এক বছর ধরে তিনি শাহাজাদপুর আবাসন প্রকল্পের উত্তর পাশের ২৫ শতক জমিতে পানের চাষ করছেন। শনিবার বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে আমি পানের বরজে গিয়ে দেখি সব পান গাছ কেটে সাবাড় করে দেওয়া হয়েছে। যাতে তার আনুমানিক ২ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। দাউদ হোসেন বলেন, ‘ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বারসহ স্থানীয় কয়েক ব্যক্তি সরকারি বেড়গোবিন্দপুর বাঁওড় থেকে বালি তুলে বিক্রির করতে আমাকে তাদের পার্টনার হওয়ার প্রস্তাব দেন। আমি তাতে রাজি হইনি। তিনদিন আগে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এসিল্যান্ডের নেতৃত্বে তাদের বালি উত্তোলন বন্ধ করে দেওয়া হয়। এরপর তারা গ্রামে আমার নামে বলতে থাকে আমি ইউএনওকে দিয়ে তাদের উচ্ছেদ করিয়েছি। এরপর আমার বরজের পান গাছগুলো সব গোড়া থেকে কেটে দেওয়া হয়েছে।’
চৌগাছা থানার ওসি রিফাত খান রাজীব বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। কেউ আটক হয়নি।
অবহেলিত মানুষ ও প্রাণীদের পাশে উদ্ভাবক মিজান
বেনাপোল প্রতিনিধি
করোনাভাইরাসের কারণে উদ্ভূত অর্থনৈতিক ও খাদ্য সংকটে সীমান্তবর্তী বেনাপোলে অবহেলিত মানুষ ও প্রাণিদের পাশে দাঁড়িয়েছেন উদ্ভাবক মিজানুর রহমান। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাহীন মিজানুর রহমানের নানা উদ্ভাবন জাতীয় পর্যায়ে স্বীকৃত। প্রতিদিন পথে বসবাসকারী অবহেলি পাগল, ভিক্ষুক, প্রতিবন্ধীর ও প্রাণিদের মাঝে খাবার বিতরণ করেন তিনি। করোনা সংক্রমণের ঝুঁকিতেও থামেনি তার কাজ।
শার্শা উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) খোরশেদ আলম চৌধুরী বলেন, উদ্ভাবক মিজান বেওয়ারিশ কুকুর, পাগল ও ভবঘুরেদের খাবার দিচ্ছেন। করোনার সময় দীর্ঘ হওয়ায় যাতে তাদের খাবার দেয়া বন্ধ না হয় সেজন্য আমরা তাকে সহযোগিতা করছি। সোমবার (০৪ মে) পর্যন্ত টানা ৩৩ দিন ধরে বেনাপোল বাজার, শার্শা উপজেলা সদর, নাভারন ও বাগআচড়া বাজারের ৫০-৬০টি কুকুরকে বিস্কুট, পাউরুটি, খিচুড়িসহ বিভিন্ন খাবার খাওয়াচ্ছেন তিনি। এসব বাজারের ভিক্ষুক, পাগল ও ভবঘুরে মানুষের জন্য সাদা ভাত কিংবা খিচুড়ি রান্না করার পর প্যাকেট করে তাদের কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন তিনি।
মিজানুর রহমান মিজান বলেন, লকডাউনের শুরুতে জেলার বিভিন্ন এলাকায় লিফলেট বিলি, মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও সাবান দিতে গিয়ে দেখেছি হাটবাজারে পাগল, প্রতিবন্ধী ও কুকুরগুলো অনাহারে রয়েছে, তখনই খাবার বণ্টনের সিদ্ধান্ত নেই। শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পুলক কুমার মন্ডলও জানালেন মিজানের এই কার্যক্রমের পাশে তারা রয়েছে। যতটুকু সহায়তা দরকার সেটি করছেন।
সুন্দরবনে, ২২ হরিণসহ গ্রেফতার ৩
বাগেরহাট ও শরণখোলা প্রতিনিধি
বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবনে শিকারের ফাঁদে আটকে থাকা জীবিত ২২টি চিত্রল হরিণ উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় ৩০ কেজি হরিণের মাংস, ৭০০ ফুট হরিণ শিকারের ফাঁদ, তিনটি ট্রলার ও একটি নৌকাসহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শরণখোলা রেঞ্জে অভিযান চালিয়ে টিয়ারচর থেকে মঙ্গলবার ভোরে তাদের গ্রেফতার করে বন বিভাগ। এ সময়ে শিকারিদের ফাঁদে আটক ২২টি হরিণ সুন্দরবনে ছেড়ে দেয়া হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার তারুকের চরদোয়ানী গ্রামের জয়নাল খাঁর ছেলে আবুল খাঁ (৪২), একই উপজেলার কাঁঠালতলির বকুলতলা গ্রামের হরিপদ মিস্ত্রির ছেলে সঞ্জয় মিস্ত্রি (৩২) ও খুলনার দাকোপ উপজেলার পানখালী গ্রামের মালেক শেখের ছেলে আসাদুল শেখ (২৫)। বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন বলেন, সুন্দরবনে হরিণ শিকারির সব থেকে বড় গ্যাং ইন্টারপোলের তালিকাভুক্ত পাথরঘাটার চরদোয়ানি এলাকার শিকারি মালেক গোমস্তা। লকডাউনের সুযোগে বন্যপ্রাণি নিধন করতে তার লোকজন নিয়ে অবৈধপথে সুন্দরবনে শ্যালারচর-কুকিলমুনি এলাকায় ঢুকেছে এমন গোপন সংবাদ পাওয়া যায়। এ অবস্থায় সোমবার বিকেল থেকে শুরু হয় অভিযান। মঙ্গলবার ভোরে শরণখোলা রেঞ্জের টিয়ারচর এলাকায় তিনটি ট্রলার ও একটি নৌকা আটক করা হয়। ট্রলার থেকে ৩০ কেজি হরিণের মাংসসহ তিন চোরা শিকারিকে গ্রেফতার করা হয়। পরে টিয়ারচর এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে বনের মধ্যে পেতে রাখা ৭০০ ফুট হরিণ শিকারের ফাঁদে আটকে থাকা ২২টি জীবিত হরিণ উদ্ধার করে বনে ছেড়ে দেয়া হয়। এই তিন চোরা শিকারিদের বিরুদ্ধে বন আইনে মামলা করে মঙ্গলবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে বাগেরহাট জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
ডিএফও আরও জানান, ইন্টারপোলের তালিকাভুক্ত কুখ্যাত হরিণ শিকারি মালেক গোমস্তা সুন্দরবনের চিয়ারচর এলাকায় রয়েছেন বলে গ্রেফতারকৃতরা স্বীকার করেছেন। আমাদের হাতে আটক হয়ে মাত্র এক মাস আগে কারাগার থেকে ছাড়া পাওয়া মালেক গোমস্তাকে গ্রেফতারের জন্য সুন্দরবনে এখনও অভিযান চলছে। এর আগে গত ২৮ মার্চ সুন্দরবনের চরখালী থেকে ৫০০ ফুট হরিণ শিকারের ফাঁদ, ১০ এপ্রিল কচিখালী থেকে ৫০০ ফুট হরিণ শিকারের ফাঁদ, ১৭ এপ্রিল চান্দেশ্বর থেকে ৭০০ ফুট হরিণ শিকারের ফাঁদ, ২৩ এপ্রিল শরণখোলা উপজেলার সোনাতলা গ্রাম থেকে ১০ কেজি হরিণের মাংস উদ্ধার ও ২ মে ১৫০০ ফুট হরিণ শিকারের ফাঁদসহ দুই চোরা শিকারিকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।
খুমেক হাসপাতালে করোনা উপসর্গ নিয়ে দু’জনের মৃত্যু
স্টাফ রিপোর্টার
খুলনায় করোনা ভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (৫মে) খুলনা মেডিক্যাল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারা মারা যান। মৃতদের একজন (৭০) বাগেরহাট জেলার মোংলার ও অপরজন (৫০) মাগুরা সদর উপজেলার বাসিন্দা। খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক (মেডিসিন) ও করোনা ওয়ার্ডের ফোকাল পারসন ডা. শৈলেন্দ্রনাথ বিশ্বাস জানান, মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে মোংলার ওই ব্যক্তিকে হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় পৌনে ৩ টার দিকে তিনি মারা যান। তিনি সর্দি-জ্বর ও শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন। অপরদিকে গতকাল সোমবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে সর্দি-জ্বর ও শ্বাসকষ্টজনিত অসুস্থতায় মাগুরা সদর উপজেলার ওই ব্যক্তিকে হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। এরপর রাত সাড়ে ৩ টার দিকে তিনি মারা যান। তারা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ছিলেন কিনা তা জানার জন্য নমুনা পরীক্ষা করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
খুলনা করোনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন প্রথম রোগির মৃত্যু
স্টাফ রিপোর্টার
খুলনা করোনা ডেটিকেটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রথম করোনা আক্রান্তে জরিনা বেগম (৭০) নামের এক রোগীর মৃত্যু হয়েছে । মঙ্গলবার রাত ১০টা ১০ মিনিটে তার করোনা ডেটিকেটেড হাসপাতালে ( ডায়াবেটিক হাসাপাতাল) তার মুত্যু হয়। খুমেক হাসপাতালের পরিচালক, ডাঃ মুন্সি রেজা সেকেন্দার জানান, গত ৩০ এপ্রিল খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পিসিআর মেশিনে ১৪২ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে রুপসা উপজেলার জরিনা বেগম (৭০), মাগুরার শালিকা উপজেলার দেওয়ান সোহেল বিল্লাহ (৩৩), সাতক্ষীরা তালা উপজেলার সঞ্জয় শেখর (৩৫) এর নমুনা রির্পোট পজিটিভ আসে । করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত জরিনা বেগমকে দ্রুত চিকিৎসার জন্য প্রথমে খুলনা সদর হাসপাতারে ভর্তি করা হয় । পরে ঐদিন রাতেই তাকে খুলনা করোনা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য প্রেরন করা হয়া। আজ ৫ মে মঙ্গলবার রাত ১০টা ১০ মিনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থাায় জরিনা বেগম মারা যায়। তিনি আরো জানান, বর্তমানে খুলনা করোনা ডেটিকেটেড হাসপাতালে জন চিকিৎসাধীন রয়েছে । খুলানায় এই নিয়ে ২ জন করোনা রোগীর মৃত্যু হলো। এদিকে, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এর পিসি আর ল্যাবে ১৮৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এদের মধ্যে সাতক্ষীরা দেবহাটা এলাকার রেজাউল করিম গাজী নামে একজনের পজেটিভ আসে। এ নিয়ে ১০জেলায় মোট ১৬৪ জনের করোনা ভাইরাস শনাক্ত হল। শুধু খুলনা জেলায় ছিল আজকে ৮৪ জনের নমুনা পরীক্ষা। ১জনের পজেটিভ এর মধ্য দিয়ে টোটাল। খুলনা জেলায় দাঁড়ালো, রূপসা থানায় ৬জন, দাকোপে ২জন এবং খুলনা মেট্রো তে ৮জন মোট ১৭ জন শনাক্ত হলো










































