পল্লীবিদ্যুৎ হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়নে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ
ফুলবাড়ীগেট(খুলনা)প্রতিনিধি
ভয়াবহ করোনাভাইরাস রোধে সরকার ঘোষিত ‘ঘরে থাকুন সুস্থ থাকুন’ সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখতে কর্মহীন হয়ে পড়া এলাকার অসহায় দরিদ্র শ্রমিকের ৭০ পরিবারের মাঝে পল্লীবিদ্যুৎ হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক শেখ আব্দুল আলীর নিজস্ব অর্থায়নে মঙ্গলবার সকাল ১১টায় খাদ্যসামগ্রী চাল, ডাল, আলু,পিয়াজ, লবণ বিতরণ করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি বিল্লাল সরদার, জেলা তাঁতীলীগের সদস্য সচিব কাজী আজাদুর রহমান হিরোক, সাংবাদিক গাজী মাকুল উদ্দীন, শেখ শাহিন রহমান, কাজী মনিরুল ইসলাম প্রিন্স, খন্দকার মুক্ত আহম্মেদ, মীর আঃ রউফ, মাসুদ হাওলাদার, হারুন গাজী, রুহুল আমিন, আজিজুলসহ সংগঠনের সকল সদস্যবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
শিরোমণি ইয়াং বয়েজ এন্ড গার্লস এর পক্ষ থেকে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ
ফুলবাড়ীগেট(খুলনা)প্রতিনিধি
প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস সংক্রামণ রোধে সরকার ঘোষিত ‘ঘরে থাকুন নিরাপদে থাকুন’ সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখতে কর্মহীন হয়ে পড়া এলাকার অসহায় দরিদ্র মানুষের সাহেয্যে শিরোমণি এলাকার স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীদের নিজেদের অর্থায়নে মঙ্গলবার সকাল ৮টায় ১৩৫ পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী চাল, ডাল,তেল, আলু, বিতরণ করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন শাহরিয়ার অনিক,সেজান, তানভির, শিলং, মুজাহিদ, আরমান আলী, আরিফ হোসেন, তাসফিয়া মাহজাবিন, ইবনাত অতশী, তন্ময় মোল্যা, জান্নাতী, খন্দকার সাইহান সহ এলাকার স্কুল কলেজের ছেলে মেয়েরা।
আ’লীগ নেতা মরহুম আবুল কালামের পরিবারের পক্ষ থেকে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ
ফুলবাড়ীগেট(খুলনা)প্রতিনিধি
নোভেল করোনাভাইরাস সংক্রামন রোধে ঘোষিত ‘‘ ঘরে থাকুন নিরাপদে থাকুন’’ সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখতে কর্মহীন হয়ে পড়া এলাকার অসহায় দরিদ্র মানুষের সাহেয্যে তেলিগাতির আওয়ামীলীগ নেতা মরহুম আবুল কালামের পরিবারের পক্ষ থেকে গতকাল মঙ্গলবার সকালে মরহুমের বাসভবন থেকে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন আড়ংঘাটা থানার অফিসার্স ইনচার্জ মো. রেজাউল করিম, ব্যাংকার শেখ জাহিদ ইকবাল, সাবেক ইউপি সদস্য শেখ মোস্তাফিজুর রহমান, ৩৩নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. খায়রুল ইসলাম, কুয়েটের যানবাহন কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলাম, কুয়্টে কর্মচারী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. ইমরুল ইসলামসহ মরহুম আ’লীগ নেতার পরিবারের সদস্যগন উপস্থিত ছিলেন।
আইইবি খুলনা কেন্দ্রের পক্ষ থেকে কর্মহীন একশ পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ
ফুলবাড়ীগেট(খুলনা)প্রতিনিধি
ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) খুলনা কেন্দ্রের পক্ষ হতে করোনা ভাইরাসের কারনে এই সংকটকালীন সময়ে দরিদ্র ও কর্মহীন প্রায় একশত পরিবারের মাঝে মৌলিক চাহিদার অংশ হিসেবে নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১১টায় অত্র কেন্দ্রের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মোঃ শফিক উদ্দিন একজন দরিদ্র ব্যক্তির হাতে ত্রাণের ব্যাগ হস্তান্তর করে সেবামূলক কর্মসূচীর শুভ উদ্বোধন করেন। পরে তালিকাভূক্ত পরিবার সমূহের গৃহে ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছায় দিয়ে এই সেবাধর্মী কর্মসূচী বাস্তবায়ন করা হয় আইইবির পক্ষ থেকে। এ সময় অত্র কেন্দ্রের সম্মানী সম্পাদক প্রফেসর ড. প্রকৌশলী সোবহান মিয়া, নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মোঃ আব্দুল্লাহ্্ পিইঞ্জ, নবনির্বাচিত সম্মানী সম্পাদক প্রকৌশলী হুসাইন মুহাম্মাদ এরশাদ, কাউন্সিল সদস্য প্রকৌশলী মোঃ মাহমুদুল হাসান ও প্রকৌশলী মোঃ আবু জাফর সিদ্দিক উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত প্রকৌশলীবৃন্দ বলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সরকার প্রধান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এঁর আহবানে অনুপ্রাণিত হয়ে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের ন্যায় কর্মহীন মানুষের মাঝে ত্রান বিতরণ কার্যক্রম শুরু করেছি। নেতৃবৃন্দ সকলকে নিজ নিজ গৃহে অবস্থান করে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলার জন্য অনুরোধ করেন।
বাংলার মোড় যুব মানব কল্যাণ সংস্থার নি¤œ আয়ের মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী প্রদান
খবর বিজ্ঞপ্তি
করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে সারাদেশে চলছে কার্যত লকডাউন। নিত্য প্রয়োজনীয় দোকান ব্যতীত সকল দোকান বন্ধ করা হয়েছে। এতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে নিম্ন আয়ের মানুষ। এমন পরিস্থিতিতে নগরীর খালিশপুর বাংলার মোড় এলাকায় নি¤œ আয়ের মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলার মোড় যুব মানব কল্যাণ সংস্থা। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) নগরীর খালিশপুর বাংলার মোড় এলাকায় স্থানীয় খেটে খাওয়া দিনমজুর, রিকশাচালক, অসচ্ছল দোকানদার, নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী সহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার প্রায় দেড় শতাধিক পরিবারের মাঝে ধারাবাহিকভাবে এ খাদ্য সমগ্রী বিতরণ করা হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উক্ত কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন সংস্থাটির সভাপতি বিশিষ্ট জ্বালানী তেল ব্যবসায়ী মোঃ হাবিবুর রহমান। এসময় উপস্থিত ছিলেন, সংস্থাটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ ফরহাদ শেখ, রনি. এনিরুল, শামীম, নয়ন, মিঠুন, সালাম শেখ, এনামুল, শান্ত, আকাশ, সাগর, ইউসুফসহ প্রমুখ। উল্লেখ্য বাংলার মোড় যুব মানব কল্যাণ সংস্থা ৬৫জন সদস্য নিয়ে ২০১৯ সালে স্থানীয় যুবকদের নিয়ে গঠিত একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।
সাগরদাঁড়ী ইউনিয়নে ইউপি চেয়ারম্যানের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ
কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি
যশোর-৬ কেশবপুর সংসদীয় আসনে উপ-নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী ও যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদারের নির্দেশে এবং কেশবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাগরদাঁড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী মুস্তাফিজুল ইসলাম মুক্তর নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার সাগরদাঁড়ী ইউনিয়নে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে লগডাউনে কর্মহীন চায়ের দোকানদার, ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চালক, নসিমন, করিমন ও আলমসাধু চালক-সহ অতিদরিদ্র ক্ষুদ্র ব্যাবসায়ী আড়াই হাজার পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। সাগরদাঁড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী মুস্তাফিজুল ইসলাম মুক্তর সভাপতিত্বে মঙ্গলবার সকালে বাঁশবাড়িয়া বাজারে প্রধান অতিথি হিসাবে চাউল, ডাউল, আলু, পেয়াজ-সহ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন উপজেলা চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব কাজী রফিকুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসাবে খাদ্য সামগ্রী বিতরণে অংশনেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার নুসরাত জাহান ও সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন ফাহিম। অনুষ্ঠানে উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কাজী আজাহারুল ইসলাম মানিক-সহ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
অপরদিকে সাগরদাঁড়ী ইউনিয়নের জিয়েলতলা বাজারে মঙ্গলবার বিকালে প্রধান অতিথি হিসাবে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গাজী গোলাম মোস্তফা।
উল্লেখ্য, সাগরদাঁড়ী ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে লগডাউনে কর্মহীন চায়ের দোকানদার, ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চালক, নসিমন, করিমন ও আলমসাধু চালক-সহ অতিদরিদ্র ক্ষুদ্র ব্যাবসায়ী আড়াই হাজার পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
কেশবপুরে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে কর্মহীন ১’শ পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ
কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি
যশোর জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে কর্মহীন কেশবপুরের আলতাপোল আশ্রয়ন কেন্দ্রের ১ শত পরিবারের মাঝে চাউল, ডাউল, আলু, পেয়াজ-সহ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। যশোর জেলা পরিষদের সদস্য আলহাজ্ব হাসান সাদেক ও যশোর জেলা পরিষদের সদস্য সোহরাব হোসেনের উপস্থিতিতে মঙ্গলবার দুপুরে প্রধান অতিথি হিসাবে উক্ত খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার নুসরাত জাহান। আরো উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন ফাহিম, কেশবপুর সদর ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যাপক আলাউদ্দীন আলা, প্যানেল চেয়ারম্যান গৌতম রায় প্রমুখ। এসময় সচেতনামূলক ফিললেট বিতরণ করা হয়।
সাংবাদিক জাহিদের পিতার মৃত্যুতে শোক ও সমবেদনা
কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি
যশোরের কেশবপুর উপজেলা প্রেসকাবের যুগ্ম-সম্পাদক মেহেদী হাসান জাহিদের পিতা বজলুর রহমান খাঁ (৬৩) মঙ্গলবার সকালে একটি নারকেল গাছ থেকে পড়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। (ইন্নালিল্লাহি……………….রাজিউন)। মঙ্গলবার বিকালে মধ্যকুল গ্রামে নামাজে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়েছে। এদিকে কেশবপুর উপজেলা প্রেসকাবের যুগ্ম-সম্পাদক মেহেদী হাসান জাহিদের পিতা বজলুর রহমান খাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন কেশবপুর উপজেলা প্রেসকাবের সভাপতি এস আর সাঈদ ও সাধারণ সম্পাদক রমেশ চন্দ্র দত্ত-সহ কাবের নেতৃবৃন্দ।
ঝাউডাঙ্গা ট্রাক মালিক সমিতি’র খাদ্য বিতরণ
ঝাউডাঙ্গা প্রতিনিধি
সাতীরা জেলা ট্রাক মালিক সমিতি’র উদ্যোগে করোনা ভাইরাসের প্রভাবে ঝাউডাঙ্গা শাখা ট্রাক মালিক সমিতি’র সহায়তায় কর্মহীন হতদরিদ্র ট্রাক চালক ও হেলপারদের পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার ঝাউডাঙ্গার বিভিন্ন কর্মহীন ট্রাকচালক ও হেলপাদের ৫০টি পরিবারের মাঝে ১০কেজি চাউল, ৩কেজি আলু, ১কেজি ডাল, ১কেজি তেল, ১কেজি পেঁয়াজসহ বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী দেওয়া হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন ঝাউডাঙ্গা ট্রাক মালিক সমিতি’র সভাপতি শাহাজান আলী, সাধারণ সম্পাদক সাবেক চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম, আলহাজ্ব শহিদুল ইসলাম, আলহাজ্ব মজনু রহমান, জামান নাছের ডিউক, মোজাম্মেল হক, গোলাম মোস্তফা প্রমুখ।
খুলনায় হোটেল ও দর্জি শ্রমিকদের মাঝে জেলা প্রশাসনের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ
তথ্য বিবরণী
খুলনায় করোনাভাইরাস সংক্রমণরোধে ঘরে থাকা কর্মহীন হোটেল ও দর্জি শ্রমিকদের মাঝে খুলনা জেলা প্রশাসন খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করে। খুলনা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে গঠিত ‘বেসরকারি মানবিক সহায়তা সেল’-এর আওতায় খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক মঙ্গলবার বিকেলে খুলনা বিভাগীয় শ্রম দপ্তর প্রাঙ্গণে নি¤œ আয়ের ৬৩৪ জন শ্রমিকদের মাঝে চাল, ডাল, তেল, আলু, লবণ, সাবান ও মাস্কসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন। খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন বলেন, যে সকল মানুষ এখনও সরকারি সহায়তা পায়নি এবং বিশেষভাবে নি¤œ মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষ, যারা জনসম্মুখে দাঁড়িয়ে ত্রাণ নিতে সংকোচবোধ করেন তাদের এ ‘বেসরকারি মানবিক সহায়তা সেল’-এর আওতায় ঘরে ঘরে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেয়া হচ্ছে।
এসময় পুলিশ সুপার এসএম শফিউল্লাহ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জিয়াউর রহমান, খুলনা বিভাগীয় শ্রম দপ্তরের পরিচালক মোঃ মিজানুর রহমান ও খুলনা মহানগর শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক রণজিৎ কুমার ঘোষ উপস্থিত ছিলেন।
করোনায় কয়রার কোন মানুষ না খেয়ে থাকবে না: এমপি বাবু
শাহজাহান সিরাজ (কয়রা)
কয়রা-পাইকগাছার সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ আক্তারুজ্জামান বাবু বলেছেন, করোনায় ক্ষতিগ্রস্থ দুর্যোগকালীন সময়ে সুন্দনবন সংলগ্ন কয়রা এলাকার একজন লোকও না খেয়ে থাকবেন না। গত কয়েক দিনে নদী বেষ্টিত এ জনপদের বিভিন্ন শ্রমজিিব মানুষের মাঝে ত্রান সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সকল মানুষের মাঝে খাবার পৌছায় দেওয়া হবে। সকলে মিলে মিশে কাজ করতে হবে। দুর্যোগ কালিন সময় কোন মানুষ যেন না খেয়ে থাকে সেদিক সকলেই খেয়াল রাখবেন। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হতদরিদ্র শ্রমজীবি মানুষের খাদ্য নিরাপত্তার পরিধি সম্প্রসারণ করেছেন। আওয়ামীলীগ সরকার দেশের একজন মানুষকে খাদ্য কষ্টে থাকতে দেবেনা। কয়রা এলাকার কোন মানুষ একবেলাও না খেয়ে থাকবে না। সরকার জনগণকে সঙ্গে নিয়ে করোনা সংকট মোকাবেলায় কাজ করছে। এজন্য আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। ইউপি চেয়ারম্যানদের করোনা মোকাবেলায় সচেতনতা বৃদ্ধির ব্যাপারে অগ্রনী ভুমিকা পালন করতে হবে। তিনি আরও বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করে কোয়ারিন্টেন পালন করলে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকিয়ে দেয়া যাবে। এ জন্য জনগনকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীকে সহযোগিতা করতে হবে। তিনি ৭ এপ্রিল মঙ্গলবার সকাল ১০ টায় কয়রা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে করোনা মোকাবেলায় জরুরী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য এ কথা বলেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার শিমুল কুমার সাহার সভাপতিত্বে জরুরী সভায় আরও বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এস এম শফিকুল ইসলাম, ভাইস চেয়ারম্যান এ্যাডঃ কোমলেশ কুমার সানা,মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাছিমা আলম,কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রবিউল হোসেন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সুদীপ বালা, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ জাফর রানা, পরিবার পরিকল।পনা কর্মকর্তা ড. তুহিন কান্তি ঘোষ, ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আমির আলী গাইন, আঃ ছাত্তার পাড়, বিজয় কুমার সরদার,আব্দুল্যাহ আল মামুন লাভলু, মোহাঃ হুমায়ুন কবির, আলহাজ্ব সরদার নুরুল ইসলাম, কবি জিএম শামছুর রহমান জেলা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি আবু সাইদ খান প্রমুখ। সভায় কয়রা উপজেলার খেয়াঘাট বন্ধ, মাছের কাটা বন্ধ, ৫ টার পর দোকান পাট বন্ধ রাখা সহ বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, সাংবাদিক সহ গুরুত্বপুর্ন ব্যাক্তিবর্গ সভায় উপস্থিত ছিলেন।
ফুলতলায় পরীক্ষার জন্য ৯ রোগীর নমুনা সংগ্রহ
ফুলতলা প্রতিনিধি
খুলনার ফুলতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে করোনা ভাইরাস আক্রান্ত সন্দেহে ৪ রোগীর নমুনা সংগ্রহ করে মঙ্গলবার দুপুরে খুলনা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে পাঠানো হয়। এ নিয়ে গত দুই দিনে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে মোট ৯ ব্যক্তির নমুনা সংগ্রহ করা হলো। হাসপাতাল সূত্র জানায়, বিভিন্ন উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হওয়া রোগীদের রোগ নির্নয়ের জন্য গত দুই দিনে ৯ ব্যক্তির নমুনা সংগ্রহ করা হয়। ৪ নারী ও ৫ পুরুষ রয়েছেন। এদের মধ্যে দামোদর ৪, যুগ্নিপাশায় ২, গাড়াখোলায় ১ এবং অভয়নগরের নাউলী গ্রামের ২ জন। উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ এস এম কামাল হোসেন বলেন, ভর্তিকৃত রোগীদের বিভিন্ন উপসর্গ দেখে চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছে। তবে সঠিক রিপোর্ট ছাড়া করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত কিনা সেটি নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। রোগীদের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য খুলনার সিভিল সার্জন কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।
রামপালের হুড়কা ইউনিয়নে করোনা সতর্কতায় অভিনব উদ্যোগ
রুশাদ হোসেন অনিক, রামপাল
রামপালে করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে বহিরাগতদের প্রবেশ সংরক্ষিত নিশ্চিত করতে গণ সচেতনতা মূলক কার্যক্রমের অংশ হিসাবে প্রবেশদ্বার তৈরী করা হয়েছে। উপজেলাধীন হুড়কা ইউনিয়নের (ভেকটমারী-বেলাই অংশে) প্রবেশমূখেই রয়েছে এ প্রবেশ দ্বার। হুড়কা ইউপি চেয়ারম্যান তপন কুমার গোলদার এবং এলাকাবাসীর সার্বিক সহযোগিতায় এটি শুরু করা হয়েছে। রামপালের এই ইউনিয়নেই সবর্ প্রথম এ ব্যাবস্থা চালু করা হয়েছে।
সরেজমিনে দেখাগেছে, এলাকার সকল প্রবেশ পথ বাঁশের বেড়া দেওয়া হয়েছে যাতে লোকজন ইচ্ছেমতো প্রবেশ বা বাইরে প্রস্থান না করতে পারে। প্রবেশ পথের প্রধান দ্বারে নেয়া হয়েছে সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার ব্যাবস্থা। এলাকায় বহিরাগত জন সাধারনের প্রবেশ নিষেধ করা হয়েছে। জরুরী প্রয়োজন ছাড়া এলাকা থেকে কাউকে বাইরে যাওয়ার উপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এছাড়া এলাকার বিভিন্ন স্থানে জীবানুনাশক স্প্রে করা হয়েছে।
হুড়কা ইউপি চেয়ারম্যান তপন কুমার গোলদার জানান, আমরা এলাকার লোকজনের সহায়তায় এই কার্যক্রমটি বাস্তবায়ন করতে পেরেছি। এতে এলাকার লোকজন নিজেরা সুরক্ষিত থাকবে। করোনা পরিস্থিতিতে আমাদের মতো সবাই যদি প্রতিটি এলাকায় এভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলে তাহলে হয়তো সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পারবো তার এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে এলাকাবাসী।
মণিরামপুরে অভিযান অব্যাহত থাকলেও নিষেধাজ্ঞা মানছেন না অনেকেই
আনোয়ার হোসেন, মণিরামপুর
ঘাতক করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে প্রশাসনের বেধে দেওয়া নির্দেশনা মানছেন না যশোরের মণিরামপুরের বেশিরভাগ মানুষ। জনসমাগম ঠেকাতে সকাল নয়টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সেনাবাহিনী, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও আনসার সদস্যদের সাথে নিয়ে ক্রমাগত অভিযান পরিচালনা করছেন ইউএনও আহসান উল্লাহ শরিফী ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুফল চন্দ্র গোলদার। অভিযান অভ্যহত থাকলেও সকাল নয়টার পরপরই মণিরামপুর রাজারে লোকসমাগম ঘটতে শুরু করে। অন্যদিনের মত ভিড় লেগে থাকে রাজগঞ্জ মোড়সহ বাজারের প্রধান সড়কে। আর গ্রামাঞ্চলের অবস্থাতো আরও নাজুম।
সকাল ৮টা থেকে দুপুর দুইটা ও সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত মুদি ও তরকারির দোকান ছাড়া বাকি দোকানপাট বন্ধ থাকার নির্দেশনা থাকলেও তা মানছেন না এখানকার ব্যবসায়ীরা। বেলা বাড়ার সাথে সাথে মণিরামপুর বাজারে ফলের দোকান থেকে শুরু করে চায়ের দোকান, খাবার হোটেল, কাপড়, কসকেটিক্স, হার্ডওয়ার, ইলেক্ট্রনিক্স এমনটি সোনার দোকানগুলো খোলা থাকতে দেখা যাচ্ছে। প্রশাসন বাজারে অভিযানে নামার সাথে সাথে দ্রুত দোকানগুলো বন্ধ হয়ে যাচ্ছে; ফাঁকা হয়ে পড়ছে প্রধান সড়ক। তারা সরে পড়ার সাথে সাথে বাজারের চিরাচরিত রুপ আবার ফুটে ওঠছে। নিত্য এভাবে প্রশাসনের সাথে চলছে লুকোচুরি খেলা।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সকালে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুফল চন্দ্র গোলদার বাজারে অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় কাপুড়িয়া পট্টিতে দোকান খোলা রেখে পালিয়ে যান নিউ শাড়ি প্যালেসের মালিক মাস্টার মোশারেফ হোসেন। পরে তাকে খুঁজে এনে প্রশাসন পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এরআগে সোমবার সকালে অভিযানকালে পাইকারী কাঁচা বাজারের পিছনের খাবার হোটেলটি খোলা পান আদালত। আদালত দেখে মালিক মিন্টু হোটেল ফেলে পালিয়ে যান। ফলে তাকে জরিমানার আওতায় আনতে পারেননি ম্যাজিস্ট্রেট সুফল গোলদার। আদালতের বেঞ্চ সহকারী আব্দুল মান্নান এসব তথ্য জানান।
এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মণিরামপুরের পশ্চিম এলাকার সোহরাব মোড়, টেংরামারী বাজার, শেখপাড়া, কোদলাপাড়া, ভান্ডারী মোড়, রোহিতা, বাসুদেবপুর বাজার, সরণপুর জামতলা, কাশিমপুর মোড়, মুড়াগাছা বাজার, ইত্যা বাজারসহ গ্রামাঞ্চলের বিভিন্ন মোড়ে প্রতিদিন ভোরে ও সন্ধ্যায় ব্যাপক লোকসমাগম ঘটছে। সকাল-সন্ধ্যে খোলা থাকছে চা দোকানগুলো। সেনাবাহিনী, পুলিশ বা প্রশাসন ঢোকার খবর পেলেই লোকজন দ্রুত সটকে পড়ছেন। আর প্রশাসন সরে পড়লে আবার লোকজন জমায়েত হন।
সরণপুর এলাকার ইউপি সদস্য আমিনুর রহমান বলেন, এখানকার মানুষজন সকাল বিকেল মোড়ে জমায়েত হচ্ছেন। ভাবটা এমন মনে হয় তারা দেশের পরিস্থিতি কিছুই জানেন না।
মণিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও আহসান উল্লাহ শরিফী বলেন, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে জনসমাগম এড়াতে সকাল আটটা থেকে দুপুর দুইটা পর্যন্ত মুদি দোকান এবং সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত কাঁচা বাজার খোলা থাকবে। এছাড়া ওষুধের দোকান ছাড়া সব দোকান বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এসব বিষয়ে নজর রাখার জন্য প্রশাসন ছাড়াও প্রতি ওয়ার্ডে ইউপি সদস্যদের মাধ্যমে কমিটি গঠন করে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা নিত্য অভিযান অভ্যাহত রেখেছি। নির্দেশ অমান্য করে দোকানপাট খোলা পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। রাস্তায় বা বাজারে লোকজন পেলে তাদের বুঝিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। জনসমাগম ঠেকাতে আমরা যথাসাধ্য কাজ করে যাচ্ছি।
খুলনায় করোনাভাইরাস পরীক্ষা শুরু
স্টাফ রিপোর্টার
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মঙ্গলবার থেকে শুরু হলো করোনাভাইরাস পরীক্ষা। সকালে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তৃতীয় তলায় মাইক্রোবাইলোজি বিভাগের ল্যাবে পলিমার চেইন রিঅ্যাকশন (পিসিআর) মেশিনের উদ্বোধন করেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক। এসময় সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, করোনাভাইরাস শনাক্তকরণ মেশিনের মাধ্যমে এ অঞ্চলের মানুষের করোনা শনাক্ত ও চিকিৎসা পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হলো। দেশের এই পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে সকল নির্দেশনা দিয়েছেন তা মেনে চলা এবং সরকারি নির্দেশনা মেনে সকলকে ঘরে অবস্থানের আহ্বান জানান তিনি।
খুলনা মেডিক্যাল কলেজের উপাধ্যক্ষ ডা. মেহেদী নেওয়াজ জানান, করোনা শনাক্তকরণ এ মেশিন দিয়ে একসাথে ৯৬টি নমুনা পরীক্ষা করে যাবে। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পরীক্ষা করা হবে। তবে যে কেউ চাইলে নিজে নিজে এসে পরীক্ষা করাতে পারবেন না। খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, খুলনা সদর হাসপাতাল এবং খুলনার ১০টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আলাদা ফু কর্নার স্থাপন করা হয়েছে। ফু কর্নারের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক রোগীর লক্ষণ ও উপসর্গ দেখে যাদের করোনাভাইরাস পরীক্ষা করা প্রয়োজন শুধুমাত্র তাদেরই নমুনা পিসিআর মেশিনে পরীক্ষা করা হবে। পিসিআর মেশিনে চার ঘন্টার মধ্যে পরীক্ষার ফলাফল জানা যাবে। তবে এখানকার ফলাফলের ভিত্তিতেই পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করা হবে না। পরীক্ষা সংক্রান্ত তথ্যাদি দ্রুত সময়ে ঢাকাস্থ আইইডিসিআর-এ প্রেরণ করে নিশ্চিত হয়ে ফলাফল জানানো হবে। করোনাভাইরাস পরীক্ষার পর যাঁরা পজিটিভ শনাক্ত হবেন তাঁদের করোনা বিশেষায়িত হাসপাতাল হিসেবে প্রস্তুত করা খুলনা ডায়াবেটিক হাসপাতালে আইসোলেশনে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হবে।
পিসিআর মেশিন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে খুলনার বিভাগীয় কমিশনার ড. মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন হাওলাদার, খুলনা স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক ডা. রাশেদা সুলতানা ও খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. আব্দুল আহাদ, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার ফজলুর রহমান, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন, পুলিশ সুপার এসএম শফিউল্লাহ, সিভিল সার্জান ডা. সুজাত আহম্মেদ, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ হারুনুর রশীদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সাতক্ষীরার সাবেক এমপি জব্বার’র মৃত্যুতে এনইউবিটি খুলনার উপাচার্যের শোক
খবর বিজ্ঞপ্তি
সাতক্ষীরা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা, বিশিষ্ট সমাজসেবক, শিল্প উদ্যোক্তা, রাজনীতিবিদ ও নর্দান ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এন্ড টেকনোলজী খুলনার উপাচার্য প্রফেসর ড. আবু ইউসুফ মোঃ আব্দুল্লাহ এর শ্বশুর আলহাজ্ব এমএ জব্বার বার্ধক্যজনিত কারণে মৃত্যুবরণ করেছেন।
৭ এপ্রিল ২০২০ (মঙ্গলবার) সকাল ৯টা ২০ মিনিটে তিনি নিজ বাসভবনে মৃত্যুবরণ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৯ বছর। তিনি ৪ মেয়ে, ৩ পুত্র সন্তান ও নাতী-নাতনীসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। নর্দান ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এন্ড টেকনোলজী খুলনা পরিবার তাঁর আত্মার মাগফেরাত কামনা ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছে। তাঁর মৃত্যুতে নর্দান পরিবারের সকল সদস্য গভীরভাবে শোকাহত। তিনি ২০০৯ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত ৫ বছর অত্যান্ত সুনামের সাথে সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
সিটি মেয়র নগরীতে নি¤œ আয়ের ব্যক্তিদের মাঝে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণ
তথ্য বিবরণী
করোনাভাইরাস প্রতিরোধে মঙ্গলবার সকালে নগরীর ২২ নম্বর ওয়ার্ডের নতুন বাজার লঞ্চ ঘাটে নিজস্ব উদ্যোগে কর্মহীন নি¤œ আয়ের শ্রমজীবী ও দরিদ্র ব্যক্তিদের মাঝে চাল, ডাল, আলু, সাবান, তেল, পেঁয়াজ, লবনসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়। বিতরণে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক। এসময় মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহবুবুল আলম বাবলু, সাধারণ সম্পাদক মোঃ অহিদুল ইসলাম পলাশ, জেড এম ফিস ট্রেডার্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ আলী আজগর মিন্টু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। সিটি মেয়র প্রায় ছয়শত নি¤œ আয়ের ব্যক্তিদের মাঝে নিত্যপ্রয়োজনীয় ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন। এর আগে সিটি মেয়র প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ‘মানবিক সহায়তা কর্মসূচির’ আওতায় দৌলতপুর ৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর অফিস চত্বরে তিনশ কর্মহীন নি¤œ আয়ের শ্রমজীবী ও দরিদ্র ব্যক্তিদের মাঝে নিত্যপ্রয়োজনীয় ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন।
করোনা মোকাবেলায় বরগুনা ও মংলায় নৌবাহিনীর জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত
খবর বিজ্ঞপ্তি
বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনা ভাইরাস এর সংক্রমণ রোধকল্পে বাংলাদেশ নৌবাহিনী সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা প্রদান করে আসছে। মোতায়েনকৃত নৌবাহিনী কন্টিনজেন্ট বরগুনা জেলার বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত টহলের পাশাপাশি জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে। বরগুনা জেলার সদর, আমতলী, পাথরঘাটা, বামনা, বেতাগী এবং তালতলী উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ২০০টি সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করে এবং জেলার বিভিন্ন এলাকায় স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে। এ সময় সাধারণ জনগণকে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চতকরণ, একান্ত প্রয়োজনে বাড়ীর বাহিরে অবস্থানের ক্ষেত্রে মুখে মাস্ক পরিধানের জন্য নির্দেশনা প্রদান এবং অনুমোদিত নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রীর দোকান ব্যতিত অন্য সকল প্রকার দোকান বন্ধ রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করে। নৌ কন্টিনজেন্ট মংলা সামাজিক জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সুন্দরবন ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায় টহল অব্যাহত রেখেছে।
এছাড়া নৌ ঘাঁটি মংলা, দিগরাজ বাজার, মংলা ফেরিঘাট এবং আশেপাশের এলাকায় টহল পরিচালনার পাশাপাশি জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে এবং করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ সর্ম্পকিত বিভিন্ন লিফলেট বিতরণ করে। কমান্ডার খুলনা নেভাল এরিয়ার তত্ত্বাবধানে পটুয়াখালীস্থ নৌ ঘাঁটি শের-ই-বাংলা কর্তৃক কলাপাড়া উপজেলার উত্তর লালুয়া এলাকায় ২০০ টি অসহায় ও দুঃস্থ পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী ও ৬০টি পরিবারের মাঝে নগদ পাঁচশত টাকা করে বিতরণ করা হয়। নৌবাহিনী নিজস্ব তহবিল হতে সাধারণ হতদরিদ্রের সহায়তার পাশাপাশি নৌবাহিনীতে কর্মরত অসামরিক দরিদ্র সদস্যদেরও সহায়তা প্রদান করে আসছে।
কর্মহীন মানুষের বাড়িতে বাড়িতে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছেন সংসদ সদস্য
মোড়েলগঞ্জ প্রতিনিধি
করোনা পরিস্থিতিতে ভ্যানে করে কর্মহীন মানুষের বাড়িতে বাড়িতে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছেন বাগেরহাট-৪ (মোড়েলগঞ্জ-শরণখোলা) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য এ্যাড.আমিরুল আলম মিলন। সোমবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তিনি মোড়েলগঞ্জ উপজেলা সদর, দৈবজ্ঞহাটী ও নিশানবাড়িয়া এলাকার কর্মহীন মানুষের বাড়িতে বাড়িতে যান। অসহায়দের হাতে তিনি খাদ্য সামগ্রী তুলে দেন। সবার খোঁজ খবর নেন এবং সকলকে সতর্ক থাকার অনুরোধ করেন, ঘরে থেকে সরকারের বিভিন্ন নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানান তিনি।
এছাড়া বিকেলে বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও সদস্যদের কাছে তাদের এলাকার কর্মহীন মানুষদের জন্য খাদ্য সামগ্রীর প্যাকেট তুলে দেন। এর আগে সকালে মোড়েলগঞ্জ উপজেলা সকল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যদের হাতে তাদের এলাকার কর্মহীন মানুষদের জন্য ৫ হাজার প্যাকেট খাদ্য সামগ্রী তুলে দেন সংসদ সদস্য মিলন। প্রতিটি প্যাকেটে চাল, ডাল, আলু, লবণসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী রয়েছে। অসহায় মানুষেরা এই খাদ্য সামগ্রী পেয়ে খুশি হয়েছেন
সংসদ সদস্য আমিরুল আলম মিলন বলেন, দেশের করোনা পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষকে মাননীয় শেখ হাসিনার সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে। আমি আমার এলাকার মানুষদের পাশে সব সময় রয়েছি। করোনা পরিস্থিতিতে এলাকার ৫ হাজার খেটে খাওয়া পরিবারের জন্য ৫ হাজার প্যাকেট খাদ্য সামগ্রী দিয়েছি। এছাড়াও কর্মহীন মানুষদের বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করছি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে, এই সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। এ সময় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এমদাদুল হক, পৌর আ.লীগের সাধারন সম্পাদক হারুন অর রশিদ, নিশানবাড়িয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম বাচ্চু, ইউনিয়ন আ.লীগ সভাপতি অধ্যাপক হাফিজুর রহমান, উপজেলা যুবলীগের যুগ্ন আহ্বায়ক এ্যাড. তাজিনুর রহমান পলাশ সহ গন্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
নগরীতে ওয়ার্ড বিএনপি’র খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে মঞ্জু
কর্মহীন শ্রমজীবী নি¤œ আয়ের মানুষের সাহায্য সকলকে এগিয়ে আসতে হবে
খবর বিজ্ঞপ্তি
প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাসের সংকটের কারণে আজ প্রান্তিক জনগোষ্ঠির জীবন-জীবিকা ধারণ করা আস্তে আস্তে কঠিন হয়ে যাচ্ছে। এখন প্রয়োজন তাদের জন্য বিভিন্ন এলাকায় জরুরি ভিত্তিকে খাদ্রসামগ্রী নিয়ে এগিয়ে আসা। এগিয়ে আসতে হবে রাস্ট্র, রাজনৈতিক দল, সামাজিক পেশাজীবী সংগঠন ও ব্যাক্তি সবাইকে। অতীতে দেখেছি যে কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগে এ দেশের সকল শ্রেণিপেশার মানুষ ক্ষতিগ্রস্থদের পাশে সর্বশক্তি দিয়ে দাঁড়িয়েছে। আশা করি করোনা ভাইরাসে কর্মহীন মানুষের পাশে সকলে একযোগে সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসবে। সকলে সুস্থ থাকুন, ভাল থাকুন, ঘরে থাকুন।
গতকাল মঙ্গলবার সদর ও সোনাডাঙ্গা থানার ১৯, ৩০ ও ৩১নং ওয়ার্ড বিএনপি’র উদ্যোগে প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাসের কারণে কর্মহীন শ্রমজীবী নি¤œ আয়ের মানুষের মাঝে চাল, ডাল, তেল, সাবানসহ নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে সাবেক সংসদ সদস্য ও নগর বিএনপি’র সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন আসাদুজ্জামান মুরাদ, জালু মিয়া, ইউসুফ হারুন মজনু, হাসানুর রশিদ মিরাজ, আফসার উদ্দিন মাস্টার, সরদার রবিউল ইসলাম, আসলাম হোসেন, তৌহিদুল ইসলাম খোকন, আকরাম হোসেন খোকন, মোস্তফা জামাল মিন্টু, শেখ হাসমত হোসেন, গাজী শাহাদাৎ হোসেন, লোকমান মাহমুদ, আজিজুল দিদার, সেলিম বড়মিয়া, রফিকুল ইসলাম, নুরুল ইসলাম লিটন, রবিউল ইসলাম, ইয়াকুব আলি বাহার, মেজবাউল আলম পিন্টু, ইমরান হোসেন, শহিদুল ইসলাম রিয়াজ, জাহাঙ্গীর হোসেন, বাদল হাওলাদার, দেলোয়ার হোসেন, লাভলী আক্তার, আব্দুল কুদ্দুস, ইয়াকুব আলি, মো. ফিরোজ, নাসির প্রমুখ।
যশোরে ৪ হাজার কেজি সরকারি চাল জব্দ, আটক ২
যশোর প্রতিনিধি
যশোরে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ৮০ বস্তা (৪ হাজার কেজি) সরকারি চাল জব্দ করা হয়েছে। একইসঙ্গে দুজনকে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বিকেলে যশোর সদরের শানতলা এলাকার পেপসি কোম্পানির ভেতর থেকে ওই চাল জব্দ করা হয়েছে। আটককৃতরা হলেন যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার প্রেমচারা গ্রামের ফজের আলীর ছেলে রাকিব হাসান শাওন (৩২) এবং যশোর সদর উপজেলার ঝুমঝুমপুর এলাকার আবুল হাসানের ছেলে হাসিবুল হাসান (৩৫)।
যশোরের গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওসি মারুফ আহমেদ জানান, তাদের কাছে খবর ছিল শানতলা পেপসি কোম্পানির গুদামঘরে কে বা কারা দরিদ্রদের জন্যে বরাদ্দকৃত সরকারি চাল আত্মসাতের জন্যে গুদামজাত করে রেখেছে। এই খবর পেয়ে যশোর সদরের সহকারী কমিশনার (এসি ল্যান্ড) সৈয়দ জাকির হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশ ও সেনা সদস্যরা সেখানে অভিযান চালান। সেইসময় ঘটনাস্থল থেকে খাদ্য অধিদফতরের সিল মারা ৮০ বস্তা (প্রতি বস্তায় ৫০ কেজি) চাল জব্দ করা হয়। একইসঙ্গে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে দুজনকে আটক করা হয়। তিনি আরও জানান, এই আত্মসাৎকারীদের কাছে আরও চাল আছে। সেগুলো উদ্ধারের জন্যে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।










































