Home আঞ্চলিক সেই তামান্নার অনুপ্রেরণায় ছিলেন পদার্থবিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং

সেই তামান্নার অনুপ্রেরণায় ছিলেন পদার্থবিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং

8

ঢাকা অফিস।।

পা দিয়ে লিখে এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পাওয়া তামান্নার অনুপ্রেরণায় ছিলেন পদার্থবিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং।

জন্ম থেকে দুটি হাত নেই; নেই ডান পা। তবুও মায়ের আপ্রাণ চেষ্টা আর নিজের অদম্য ইচ্ছাশক্তি বশ করতে পারেনি তামান্নাকে। অনুপ্রেরণা পেয়েছেন পদার্থবিজ্ঞানী স্টিফেন হকিংকে দেখে। সেই অনুপ্রেরণায় কেবল এইচএসসিতেই নয় টানা জিপিএ-৫ পেয়েছেন পিইসি, জেএসসি এমনকি এসএসসিতেও।

মঙ্গলবার (০৮ মার্চ) শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের বেডে বসে এসব কথা জানান তামান্না নিজেই।

অদম্য এই মেধাবী শিক্ষার্থী বলেন, ‘বিখ্যাত বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং তিনি শারীরিক প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও একজন বড় মাপের বিজ্ঞানী। তিনি যদি পারেন, আমার তো একটা পা আছে, সেক্ষেত্রে আমি কেন পারবো না। আমি গবেষক হওয়ার স্বপ্ন দেখি।’

যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার বাঁকড়া আলীপুর গ্রামের রওশন আলী ও খাদিজা পারভীনের মেয়ে তামান্না আক্তার নূরা। পিইসি, জেএসসি ও এসএসসির পর এইচএসসিতেও পা দিয়ে লিখে জিপিএ ৫ পেয়ে তাক লাগিয়ে দেন দেশবাসীকে।

গণমাধ্যমে তার খবর দেখে তামান্নার সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা। পড়াশোনার দায়িত্বও নেন সরকারপ্রধান।

এদিকে, কৃত্রিম দুই হাত ও এক পা লাগানোর কথা ভাবছেন চিকিৎসকরা। তামান্নাকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে। চলছে পরীক্ষা-নিরীক্ষা।

এই বিষয়ে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের প্রধান সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, ‘সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে এই মুহূর্তে আমরা কিছুই বলতে পারবো না যে কতটুকু করা যাবে, যাবে না। আমরা তাকে ভর্তি করবো, তার বাবা মায়ের সঙ্গে কথা বলে তাকে রাখবো।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির স্বপ্ন দেখছেন বাঁকড়া ডিগ্রি কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পাওয়া মেধাবী শিক্ষার্থী তামান্না।