Home আঞ্চলিক রামপালে হত্যা মামলার আসামী জামিনে এসে বাদীপক্ষের উপর হামলা মামলায় জেলহাজতে

রামপালে হত্যা মামলার আসামী জামিনে এসে বাদীপক্ষের উপর হামলা মামলায় জেলহাজতে

16

মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি।।


বাগেরহাটের রামপালে নিহত আওয়ামী লীগ নেতা ফিরোজ শেখের লোক মতিয়ার রহমানকে হত্যা চেষ্টার ঘটনায় থানায় আরো একটি মামলা দায়ের হয়েছে। ফিরোজকে প্রকাশ্য দিবালোকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যার ঘটনার মামলায় উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিয়ে এসে বাদীপক্ষের লোকজনের উপর আবারো হামলা করায় নতুন আরেকটি মামালায় বেল্লাল ব্যাপারী গংদের আসামী করা হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় হামলার ঘটনার পর ওই রাতেই ৩৬ জনকে আসামী করে মামলাটি করেন তাজুল ইসলাম। মাত্র ২০ দিনের মধ্যে উচ্চ আদালত থেকে আগাম জামিনে এসেই আওয়ামী লীগ নেতা বেল্লাল ব্যাপারী ও তার সহযোগীরা এলাকায় এসে আবারো হামলা চালায়।
থানার মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ ডিসেম্বর রামপাল উপজেলার কাষ্টবাড়ীয়া গ্রামের সরকারী রাস্তার উপর ফিরোজ শেখকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করে বেল্লাল ব্যাপারী গং। এ ঘটনায় ১৯ ডিসেম্বর নিহতের স্ত্রী নাজমা বেগম বাদী হয়ে রামপাল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলার ৯ জন আসামী ২০ দিনের মধ্যে উচ্চ আদালত থেকে আগাম জামিনে বেরিয়ে এসেই আবারো আধিপত্য বিস্তারের মহড়া শুরু করে। এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাতে মাইক্রোবাসে থানায় গিয়ে পুলিশ সাথে নিয়ে বীরদর্পে বাড়ীতে যায় আসামীরা। এরপর তারা আধিপত্য বিস্তারে আবারো মাঠে নামে। নেমেই শুক্রবার ভাগা বাজারে ধারালো অস্ত্র, লোহার রড ও লাঠিসোটা নিয়ে মহড়া শুরু করে। শুক্রবার সন্ধ্যায় বাদী পক্ষের মতিয়ার রহমানকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা করে তারা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে ঘটনাস্থল থেকে বেল্লাল ব্যাপারী, তার দুই ছেলে শাহজাহান ও রুহুল আমীন এবং ফারুক হোসেন, আব্বাস আলী, আ. ওয়াদুদ, হোসেন আলী, বাচ্চু সরদার, হুমায়ুন সরদার, জলিল গাজীসহ ১১ জনকে আটক করে পুলিশ। আটককৃতদের শনিবার সকালে বাগেরহাট আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
উপজেলা ক্ষমতাসীন দলের এক নেতার প্রশ্রয়ে সাবেক উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও রামপাল সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান মো. জামীল হাসান জামুকে কোনঠাসা করতে মাঠে নামে বেল্লাল গং। বেল্লাল গংদের হাতেই খুন হয় ফিরোজ।
রামপাল থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ সামসুউদ্দীন বলেন, জামিনে আসা আসামীদের ফের হামলার ঘটনার মামলায় তাদেরকে আটক করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।