Home আঞ্চলিক সারা খুলনা অঞ্চলের খবরা খবর

সারা খুলনা অঞ্চলের খবরা খবর

80

মেয়ের সামনে মাকে ধর্ষণের অভিযোগ: গোয়েন্দা কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

স্টাফ রিপোর্টার

খুলনায় ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছে নগর গোয়েন্দা শাখার এসআই জাহাঙ্গীর আলম। বুধবার (ডিসেম্বর) ভোর রাতে তাকে খুলনা লোয়ার যশোর রোডের সুন্দরবন হোটেল থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে প্ররণ করা হয়েছে।  সে চুয়াডাঙ্গার বিষ্ণুপুর উপজেলার দামুড়হুদা গ্রামের মো: আতিয়ার রহমানের ছেলে। ভিকটিমকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেছে খুলনা থানা পুলিশ। এজহার সূত্রে জানা গেছে, ভিকটিম মোংলা উপজেলার বাজিকর গ্রামের ওই নারী মঙ্গলবার বিকালে মেয়েকে ডাক্তার দেখানোর জন্য খুলনা নগরীতে আসে। কিন্তু ডাক্তারের সিরিয়াল না পেয়ে তার ভাগ্নের পূর্ব পরিচিত মিশারুল ইসলাম মনির আবাসিক হোটেল সুন্দরবনে দুটি কক্ষ ভাড়া নেয়। একটি কক্ষে মা- মেয়ে অপর কক্ষে তার ভাগিনা আলিমুল ইসলাম বাবু অবস্থান নেয়। রাত সোয়া টার দিকে গোয়েন্দা শাখার এস আই জাহাঙ্গীর আলম হোটেল বয় গোলাম মোস্তফাকে ডেকে নিয়ে ভিকটিমের (৩১৩নং) কক্ষ ধাক্কা দিতে থাকে। সে নিজেকে পুলিশের এসআই পরিচয় দিয়ে দরজা খুলতে বলে। দরজা খোলার পর ওই পুলিশ কর্মকর্তা তাকে জিজ্ঞাসা করেন সাথে কে আছে। উত্তরে তিনি জানান আমার সাথে ১১ বছরের কন্যা রয়েছে। এরপর ওই নারীর সাথে জাহাঙ্গীর আলম অসদাচারন করতে থাকে। সময় মেয়েটি চিৎকার শুরু করলে তার মেয়েকে ধর্ষণ করার হুমকি দেয় জাহাঙ্গীর। পরে ভয়-ভীতি দিয়ে মেয়ের সামনে মাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে জাহাঙ্গীর আলম। ধর্ষণের পর ভিকটিম চিৎকার করলে হোটেল বয়, অন্যরাসহ হোটেল রুমে থাকা ভাগ্নে উঠে হোটেল মালিককে বিষয়টি জানায়। হোটেলের মেইন গেট বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরে পুলিশ এসে তাকে গ্রেপ্তার করে। ব্যাপারে ভিকটিম বাদী হয়ে খুলনা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন, যার নং ৯।

খুলনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান আল মামুন জানান, মোংলা থেকে ওই নারী মেয়েকে ডাক্তার দেখানের জন্য খুলনা আসেন। তারা হাদিস পার্কের পাশে হোটেলে অবস্থান নিয়েছিল। রাত আড়াইটার দিকে গোয়েন্দা পুলিশের এসআই জাহাঙ্গীর আলম জোরপূর্বক মা-মেয়ের কক্ষে যান। অসুস্থ মেয়ের সামনে ওই নারীকে ধর্ষণ করে। পরে তার চিৎকারে হোটেলের ম্যানেজার এগিয়ে যান এবং বিষয়টি গোয়েন্দা পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে জানান। এরপর খুলনা থানার পুলিশ ওই হোটেল থেকে তাকে (জাহাঙ্গীর) গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসে।

আবেদন ছাড়াই ৯০ লাখ টাকার ঋণ, ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপকের নামে মামলা

কাজী আতিক

বছরখানেক আগে একজনের অনুরোধে ব্যাংকের হিসাব খোলার জন্য নির্ধারিত ফরমে স্বাক্ষর করেছিলেন শেখ অহিদুল ইসলাম। তারপর তিনি কোনোদিন ব্যাংকে যাননি, লেনদেনও করেননি। পরে অন্য ব্যাংকে ক্রেডিট কার্ড করতে গেলে বাংলাদেশ ব্যাংকের সিআইবি রিপোর্টে দেখতে পান, তাঁর ব্যাংকে ঋণ রয়েছে ৯০ লাখ টাকা। হতবাক হয়ে তিনি খোঁজখবর নিয়ে জানতে পারেন তুঘলকি কা- ঘটিয়েছে এনআরবিসি ব্যাংকের সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া শাখা। ঘটনায় এনআরবিসি ব্যাংকের গ্রাহক শেখ অহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে খুলনার দৌলতপুর থানায় শাখা ব্যবস্থাপকসহ পাঁচ কর্মকর্তাকে আসামি করে খুলনার দৌলতপুর থানায় মামলা করেছেন। মামলা নিয়ে বিষয়ে তদন্তের জন্য বিধি অনুযায়ী, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) খুলনা কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। দুদকের উপপরিচালক নাজমুল আহসান তথ্য নিশ্চিত করেছেন। মামলার এজাহারে বলা হয়, রাজিব মোটরসের স্বত্বাধিকারী শেখ অহিদুল ইসলামের কাছে পাশ্ববর্তী ব্যবসায়ী রাব্বী এন্টারপ্রাইজ আব্দুল হালিম শেখ এনআরবিসি ব্যাংকে হিসাব খোলার জন্য ব্যাংকের ফরমে স্বাক্ষর নিয়ে যান। কোনো টাকা জমা না দেওয়ায় অহিদুল ইসলামের আর বিষয়টি স্মরণে নেই। বছর তিনি খুলনার ব্র্যাক ব্যাংকে একটি ক্রেডিট কার্ড নেওয়ার জন্য আবেদন করেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের সিআইবি রিপোর্টে দেখা যায়, তাঁর এনআরবিসি ব্যাংকের সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া শাখায় ৯০ লাখ টাকার ঋণ রয়েছে, যা গত সেপ্টেম্বর নেওয়া হয়েছে। যার মেয়াদ শেষ হবে আগামী জানুয়ারি। মামলার এজাহারে আরও বলা হয়, শেখ অহিদুল ইসলামের অগোচরে তাঁর ওই হিসাবে সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ৯৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা লেনদেন করা হয়েছে। ব্যাংক থেকে চেকবই গ্রহণ, পে অর্ডার এমনকি ব্যাংকের সুদও পরিশোধ করা হয়েছে। মামলায় এনআরবিসি ব্যাংকের ওই শাখার ব্যবস্থাপক কাজী মোশারেফ হোসেন, ব্যবস্থাপক (অপারেশন) শাহেদ শরীফ, জুনিয়র কর্মকর্তা বদিউর রহমান, ব্যবসায়ী আব্দুল হালিম শেখসহ পাঁচজনকে আসামি করা হয়। এনআরবিসি ব্যাংক কলারোয়া শাখার ব্যবস্থাপক কাজী মোশারেফ হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঋণ জালিয়াতির কথা স্বীকার করেন। তিনি বলেন, ‘শেখ অহিদুল ইসলাম অভিযোগ করার পর টাকা সমন্বয় করে দেওয়া হয়েছে এবং গ্রাহকের কোনো অভিযোগ নেই।’ ব্যাংকে না গিয়ে কোনো আবেদন না করলেও ৯০ লাখ টাকা ঋণ কীভাবে হল, এমন প্রশ্ন করলে তিনি বারবার টাকা সমন্বয় করা হয়েছে বলে দাবি করতে থাকেন এবং বিষয়ে প্রতিবেদন না করার অনুরোধ জানান। কাজী মোশারেফ হোসেন জানান, ঠিকাদারি কাজের বিপরীতে ঋণ দেওয়া হয়েছিল। শেখ অহিদুল ইসলাম বলে, ‘আমি কোনোদিন ওই ব্যাংকে যাইনি। হিসাব খোলা ফরম ছাড়া কোনো কাগজে সই করিনি। কোনো লেনদেন বা চেক বইয়ের জন্য আবেদনও করিনি। সেখানে ৯০ লাখ টাকার ঋণ। এটা বড় ধরনের জাল জালিয়াতি। আর, এর সঙ্গে ব্যাংকের বড় সিন্ডিকেট চক্র জড়িত। ব্যাংকে অভিযোগ করার পর তারা টাকা সমন্বয় করে দিয়েছে। ব্যাংকের ব্যবস্থাপক এখন বারবার ফোন করে ক্ষমা চাচ্ছেন এবং অভিযোগ না করার জন্য পীড়াপীড়ি করছেন।’

হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় ভারতীয় প্রতিরক্ষা প্রধান সস্ত্রীক নিহত

খুলনাঞ্চল ডেস্ক

হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ভারতের চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল বিপিন রাওয়াত নিহত হয়েছেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে তথ্য জানানো হয়েছে। বুধবার বেলা ১২ টা ২০ মিনিটে তামিলনাড়ুর কুন্নুরের জঙ্গলে দেশটির প্রতিরক্ষাপ্রধানসহ ১৪ জনকে বহনকারী এই হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এক টুইট বার্তায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্তে প্রতিরক্ষাপ্রধান জেনারেল বিপিন রাওয়াত সস্ত্রীক নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন। টুইটে তিনি বলেন, তামিলনাড়ুতে অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল বিপিন রাওয়াত, তার স্ত্রী এবং সশস্ত্র বাহিনীর ১১ সদস্যের আকস্মিক মৃত্যুতে গভীরভাবে মর্মাহত। এক ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, পাহাড়ি এলাকায় হেলিকপ্টারটির ধ্বংসস্তূপ ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। সেখানে উদ্ধার অভিযানে রয়েছেন কর্মীরা। ঘন গাঢ় ধোয়া উড়ছে। গাছের ওপর দিয়ে আগুন দেখা গেছে। স্থানীয় লোকজন এবং পুলিশ সদস্যরা মৃতদেহগুলো সরিয়ে নিয়েছেন। ভারতের এয়ারফোর্স এক টুইটবার্তায় জানিয়েছে, হেলিকপ্টারটি চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল বিপিন রাওয়াতকে নিয়ে দিল্লি থেকে সুলুরের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল। পথে কুন্নুর জেলায় উটির কাছে ঘন জঙ্গলের মধ্যে এটি বিধ্বস্ত হয়। তবে এটি বিধ্বস্ত হওয়ার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি। কুন্নুরে গভীর জঙ্গলে ভেঙে পড়ার পরেই হেলিকপ্টারে আগুন ধরে যায়।

কলারোয়া সরকারি  জি কে এম কে পাইলট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কর্তৃক অতিরিক্ত ভর্তি ফি আদায়ের অভিযোগ

খান নাজমুল হুসাইন,সাতক্ষীরা

সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়ার সরকারি জি কে এম কে পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আবদুর রব কর্তৃক ষষ্ঠ নবম শ্রেণীর ভর্তি ফরম বাবদ অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে। এতে অভিভাবক সহ ভর্তিচ্ছুক শিক্ষার্থীদের মাঝে চরম ক্ষোভের সঞ্চার সৃষ্টি করেছে। গত মঙ্গলবার ৭ই ডিসেম্বর কলারোয়ার সরকারি জি কে এম কে পাইলট বিদ্যালয়ের অফিস সহায়ক মোঃ আফজাল হোসেনের কাছে ষষ্ঠ নবম শ্রেণীর ভর্তিচ্ছুক কতজন ছাত্রছাত্রীদের কাছ থেকে ফরম গ্রহণ করা হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, গত ২৮ শে নভেম্বর থেকে ৬ই ডিসেম্বর পর্যন্ত ১৫০ টাকা করে মোট ৯৭ জন ছাত্রছাত্রীদের কাছে ফরম বিতরণ করা হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক অভিভাবকরা জানান, সরকারি ভর্তি ফি ১১০ টাকা নির্ধারণ করা হলেও প্রধান শিক্ষক অতিরিক্ত ভর্তি ফি বাবদ ১৫০ টাকা গ্রহণ করছেন। বিষয়ে কলারোয়া সরকারি জি কে এম কে পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক মোঃ আবদুর রব এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “কলারোয়া ইউএনও সাহেব ১৫০ টাকা ফি নির্ধারণ করে দিয়েছেন। আমি তার নির্দেশ মোতাবেক ভর্তি ফি আদায় করেছি।” ঘটনার বিষয়ে কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ জুবায়ের হোসেন চৌধুরী মুঠোফোনে আলাপকালে তিনি জানান, “ প্রধান শিক্ষক যদি অতিরিক্ত ভর্তি ফি নিয়ে থাকে তাহলে ছাত্রছাত্রীদের আবার ফেরত দেবে।” বিষয়ে সাতক্ষীরা জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন এর সাথে মুঠোফোনে আলাপকালে তিনি বলেন, “ ১১০ টাকার উপরে নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।”

আড়ংঘাটা পুর্নরায় প্যানেল চেয়ারম্যান সোহেল সরদার

খবর বিজ্ঞপ্তি :

দিঘলিয়া উপজেলার আড়ংঘাটা নং ইউনিয়ন পরিষদে গত ডিসেম্বর দুপুর সাড়ে বারোটায় প্যানেল চেয়ারম্যান নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে নং ওয়ার্ড থেকে পরপর চতুর্থবার নির্বাচিত ইউপি সদস্য মোঃ সোহেল সরদার কে সকলের সমর্থনে পুর্নরায় প্যানেল চেয়ারম্যান  ০১ নির্বাচিত করা হয়। পুর্নরায় প্যানেল চেয়ারম্যান নির্বাচিত করায় ইউনিয়ন পরিষদের সকলের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন দোয়া কামনা করেছেন। তিনি যেন এলাকার মানুষের সেবায় সর্বদা নিজেকে নিয়োজিত রেখে কাজ করতে পারেন।

আশাশুনিতে আরও ১০ জন চেয়ারম্যান প্রার্থীর মনোনয়নপত্র জমা

গোলাম মোস্তফা, আশাশুনি প্রতিনিধি

আশাশুনির বিভিন্ন ইউনিয়নের আরও ১০ চেয়ারম্যান প্রার্থী মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন। বুধবার (ডিসেম্বর) প্রার্থীরা নিজেরা মনোনয়নপত্র জমা প্রদান করেন।

মোঃ হোসেনুজ্জামান হোসেন আশাশুনি সদর ইউনিয়ন পরিষদে আওযামীলীগ দলীয় মনোনয়ন নিয়ে নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী হোসেনুজ্জামান হোসেন হাজার হাজার দলীয় নেতা, কর্মী সমর্থকদের নিয়ে বিশাল মিছিল ঢোল শহরত সহকারে বাতাস প্রকল্পিত করে উপজেলা পরিষদে গমন করেন। এখানে অনির্দ্ধারিত সমাবেশে প্রার্থী হোসেনুজ্জামান নেতৃবৃন্দের পক্ষে কৃষকলীগ সম্মেলন প্রস্তুত কমিটির আহবায়ক এনএমবি রাশেদ সরোয়ার শেলী বক্তব্য রাখেন। পরে উপজেলা নির্বাচন অফিসারের কাছে মনোনয়ন পত্র জমা প্রদান করেন।

শম্ভুজিৎ মন্ডল উপজেলার শোভনালী ইউনিয়ন পরিষদে আ’লীগ দলীয় মনোনয়ন প্রাপ্ত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শম্ভুজিৎ মন্ডল রিটার্নিং অফিসার উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার হাতে মনোনয়নপত্র জমা দেন। তিনি মটর সাইকেল শোভাযাত্রা সহকারে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সকল ওয়ার্ডের সভাপতি/সাধারণ সম্পাদকসহ শতশত নেতাকর্মী, সমর্থকদের নিয়ে উপজেলা পরিষদে গমন করে মনোনয়নত্র জমা দেন।

আলহাজ্ব শাহ নেওয়াজ ডালিম স্মরণকালে বৃহৎ মোটর সাইকেল শোভাযাত্রা সহকারে উপজেলার খাজরা ইউনিয়ন পরিষদে আ’লীগ (পুনরায়) মনোনয়ন প্রাপ্ত নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী আলহাজ্ব শাহনেওয়াজ ডালিম আশাশুনিতে গমন করেন। এসময় পুরা উপজেলা শহর আশপাশের সড়কগুলো জ্যামে পড়ে যায়। শোভাযাত্রায় বীর মুক্তিযোদ্ধা, আ’লীগ অঙ্গসহযোগি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, নেতাকর্মী সমর্থকবৃন্দ অংশ নেন। এসময় কয়েকজন বীর মুক্তিযোদ্ধা, নেতাকর্মী, সমর্থকদের নিয়ে উপজেলা প্রকৌশলী আক্তার হোসেনের কার্যালয়ে গিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেন প্রার্থী শাহ নেওয়াজ ডালিম।

মোঃ সাহাবুদ্দিন সানা আশাশুনি উপজেলার আনুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আ’লীগ দলীয় মনোনয়ন প্রাপ্ত নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাহাবুদ্দিন সানা বহু নেতাকর্মী সমর্থকদের নিয়ে বিশাল মোটর সাইকেল শোভাযাত্রা সহকারে আশাশুনিতে গমন করেন। এরপর বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ নেতাকর্মীদের নিয়ে রিটার্নিং অফিসার উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন।

শেখ জাকির হোসেন আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আ’লীগ দলীয় মনোনয়ন প্রাপ্ত নৌকা প্রতীকের (পনুরায় মনোনীত) প্রার্থী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি উপজেলা আ’লীগের সহ-সভাপতি শেখ জাকির হোসেন বিশাল মোটর সাইকেল শোভাযাত্রা সহকারে আশাশুনিতে গমন করেন। পরে রিটার্নিং অফিসার উপজেলা কৃষি অফিসারের হাতে নেতাকর্মীদের নিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেন।

দিপংকর কুমার সরকার দিপ আশাশুনি উপজেলার কাদাকাটি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আ’লীগ দলীয় মনোনয়ন প্রাপ্ত নৌকা প্রতীকের (পুনরায় মনোনীত) প্রার্থী দিপংকর কুমার সরকার দিপ দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থক মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে আশাশুনিতে গমন করেন। ইউনিয়নের স্বনামধন্য সাবেক চেয়ারম্যান কনক চন্দ্র সরকারের ছেলে দিপংকর পরে নেতাকর্মী মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে রিটার্নিং অফিসার উপজেলা শিক্ষা অফিসারের কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন।

আব্দুল আলিম মোল্যা আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আ’লীগ দলীয় মনোনয়ত প্রাপ্ত নৌকা প্রতীকের (পুনরায় মনোনীত) চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল আলিম মোল্যা দলীয় নেতাকর্মী, বীর মুক্তিযোদ্ধা সমর্থকদের নিয়ে আশাশুনিতে গমন করেন। পরে রিটার্নিং অফিসার উপজেলা প্রকৌশলীর হাতে মনোনয়নপত্র জমা দেন।

জগদীশ চন্দ্র সানা আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী উপজেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক জগদীশ চন্দ্র সানা বহু নেতাকর্মী, সমর্থকদের নিয়ে মোটর সাইকেল শোভাযাত্রা সহকারে আশাশুনিতে গমন করেন। পরে উপজেলা প্রকৌশলীর হাতে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দেন।

গোলাম কুদ্দুছ ময়না আশাশুনি উপজেলার দরগাহপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী গোলাম কুদ্দুছ ময়না বহু নেতাকর্মী, সমর্থকদের নিয়ে মোটর সাইকেল শোভাযাত্রা সহকারে আশাশুনিতে গমন করেন। পরে উপজেলা শিক্ষা অফিসারের হাতে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা প্রদান করেন।

রবিউল ইসলাম রবি আশাশুনি উপজেলার খাজরা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী ইউনিয়ন কৃষকলীগের আহবায়ক, সাবেক সর্বজন শ্রদ্ধেয় ইউপি চেয়ারম্যান মৃত মোবারক আলী গাজীর স্বনামধন্য ছেলে রবিউল ইসলাম রবি চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। উপজেলা প্রকৌশলীর কাছে তিনি মনোনয়নপত্র জমাদেন।

আঃ মোমিন আশাশুনি উপজেলার কুল্যা ইউনিয়নের নং ওয়ার্ডে ইউপি সদস্য পদে নির্বাচনের লক্ষ্যে মনোয়নপত্র জমা দিয়েছেন সমাজ সেবক সাংবাদিক আঃ মোমিন। তিনি নেতাকর্মী সমর্থকদের নিয়ে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন।

মানিক চন্দ্র বাছাড় আশাশুনি উপজেলার শোভনালী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডে ইউপি সদস্য পদে নির্বাচনের লক্ষ্যে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন সমাজ সেবক সাংবাদিক মানিক চন্দ্র বাছাড়। নেতাকর্মী সমর্থকদের নিয়ে তিনি উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা প্রদান করেন।

পাইকগাছায় আলমশাহী ইনস্টিটিউট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ পুরস্কার বিতরণ

পাইকগাছা প্রতিনিধি।।

পাইকগাছায় গড়ইখালী আলমশাহী ইনস্টিটিউট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ পুরুস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বেলা ১১ টায় বিদ্যালয়ের হলরুমে ফলাফল প্রকাশ করা হয়। আলমশাহী ইনস্টিটিউটের প্রধান শিক্ষক মধু সূদন সরকারের সভাপতিত্বে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন গড়ইখালী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান বিদ্যালয়ের সভাপতি জি এম আব্দুস ছালাম কেরু। বিশেষ অতিথি ছিলেন শিক্ষক এইচ এম মোস্তাফিজুর রহমান,  মোঃ শামছুর রহমান, এইচ এম আয়ূব আলী বক্তব্য রাখেন, গোপাল চন্দ্র মন্ডল, ব্রজেন নাথ মৃধা, বাসনা ঢালী, রমা রানী সরকার, মোঃ হাফিজুর রহমান।

ভারত বাংলাদেশ সম্পর্ক সম্প্রীতির অনন্য উদাহরণ: রেজাউল করিম

তথ্য বিবরনী

বাংলাদেশ ভারতের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি একসুত্রে গাথা। দুদেশের সম্পর্ক সারা বিশে^জন্য সম্প্রীতির এক অনন্য উদাহরণ। খুলনা জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত সপ্তাহব্যাপী ‘বঙ্গবন্ধু-বাপু ডিজিটাল’ প্রদর্শনীর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন মৎস্য প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী রেজাউল করিম। বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ভারতের জাতির পিতা মহাত্মা গান্ধী বাপুজির জীবনের নানা পর্বের ছবি ভিডিও নিয়ে সাজানো  এই প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বুধবার বিকেলে খুলনা জেলা শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু মহাত্মা গান্ধী অসাধারণ সাদৃশ রয়েছে। তাঁরা দুজনই ছিলেন নিপীড়িত মানষের কণ্ঠস্বর। দুজনই অহিংস আন্দোলনের বিশ^াসী। এই দুই মহান নেতা কেবল বাংলাদেশ কিংবা ভারতের নেতা নন। তাঁরা সারা বিশে^মুক্তিকামী মানুষের নেতা। তাদের দুজনের জীবন দর্শন বুঝা যাবে এই প্রদর্শনীর মাধ্যমে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক, খুলনা-আসনের সংসদ সদস্য মোঃ আক্তারুজ্জামান, খুলনা-আসনের সংদস সদস্য আব্দুস সালাম মুর্শেদী, সাতক্ষীরা-আসনের সংসদ সদস্য মোঃ জগলুল হায়দার, খুলনার জেলা প্রশাসক মোঃ মনিরুজ্জামান তালুকদার, পুলিশ সুপার মোঃ মাহবুব হাসান প্রমুখ। স্বাগত জানান খুলনার সহকারী ভারতীয় হাইকমিশনার রাজেশ কুমার রায়না। বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী এবং মহাত্মা গান্ধীর জন্মের একশত ৫০তম বার্ষিকী উদযাপনের অংশ হিসেবে খুলনাস্থ ভারতীয় হাইকমিশন, বাংলাদেশের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং খুলনা জেলা শিল্পকলা একাডেমি যৌথভাবে এই প্রদর্শনীর আয়োজন করে। প্রদর্শনীটি থেকে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রতিদিন বেলা দুইটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

পরিবেশ অধিদপ্তর এর উচ্চপদাস্থ্য কর্মকর্তাদের চন্দ্রমহল পরিদর্শন

ফকিরহাট প্রতিনিধি।

বাগেরহাটের রনজিৎপুর বহুবিতর্কীত চন্দ্র মহল ইকোপার্কে পরিবেশ শব্দ দুষণের ঘটনায় জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের উচ্চপদাস্থ্য কর্মকর্তারা আর্কষিক পর্রিদশন করেছেন। বুধবার সকালে বাগেরহাট জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা চন্দ্রমহল পরিদর্শন করেন। সময় তারা পরিবেশ শব্দ দুর্ষনের অভিযোগের সত্যতা পেয়েছেন।

জানা গেছে, সম্প্রতি সময়ে চন্দ্রমহল ইকোপার্ক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক শব্দ দুষণ সংক্রান্ত ঘটনার চিত্র তুলে ধরে বিভিন্ন গণমাধ্যমে পরিবেশ শব্দ দুষণ সম্প্রতি বেশ কয়েকটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। এবিষয়টি বাগেরহাট জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের নজরে আসে। এবং ঘটনার সঠিক তদন্ত করতে তাঁরা সরেজমিনে চন্দ্র মহল ইকোপার্কে তদন্তে আসেন। তাঁরা প্রায় ঘন্টাব্যাপী তদন্ত করে এর সত্যতা পান। সময় বাগেরহাট জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (ডি.ডি) মোঃ আরফিন বাদল এর নের্তৃত্বে একটি উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন টিম। ব্যাপারে জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোঃ আরফিন বাদল এর সাথে আলাপ করা হলে তিনি বলেন, উচ্চশব্দে সাউন্ড বক্স বাজানো যত্রতত্র বর্জ্য ফেলার ঘটনাটি প্রাথমিক ভাবে সত্যতা পাওয়া গেছে, তিনি পার্ক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অচিরেই আইনগত পদক্ষেপ গ্রহন করবেন বলেও স্থানীয় সংবাদকর্মিদের জানান।

উল্লেখ্য বাগেরহাটের রনজিৎপুর গ্রামের বহুবির্তকীত বেসরকারী বিনোদন কেন্দ্র চন্দ্রমহল ইকোপার্ক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে উচ্চস্বরে মাইক সাউন্ড বক্স বাজিয়ে শব্দ দুষন এবং যত্রতত্র বর্জ্য ফেলে পরিবেশ দুষণ করার অভিযোগ উঠেছে। জেলা উপজেলা প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে তারা নিয়মকে অনিয়মে রুপ দিয়ে কাজ গুলি করেই চলেছেন। ফলে উক্ত এলাকায় বসবাসকারী শতশত শিক্ষার্থীদের পড়ারলেখা মারাতœক্ষতির পাশাপাশি দুর্গন্ধে জনজীবন অতিষ্ট হয়ে উঠেছে। অতিদ্রুত পার্ক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহন করা না হলে শব্দ বর্জ্য দুষণ চরম আকার ধারন করবে। সংক্রান্ত একাধিক সংবাদ বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত হওয়ায় পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা নড়েচড়ে বসেন। এবং তারই অংশ হিসাবে তাঁরা বুধবার সকালে ঘটনা স্থান পরিদর্শন করেছেন।

ফকিরহাটে বিজয় দিবস উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা

ফকিরহাট প্রতিনিধি।

বাগেরহাটের ফকিরহাটে যথাযোগ্য মর্যাদায় বিজয় দিবস-২০২১ উদযাপন উপলক্ষে বুধবার বিকাল ৪টায় উপজেলা অডিটরিয়ামে প্রস্তুতি মূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা বেগম। অনুষ্ঠানে প্রধান প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান স্বপন দাশ। সময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) বিধান কান্তি হালদার, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. অসিম কুমার সমাদ্দার, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কৃষ্ণা সরকার, মডেল থানার ওসি (তদন্ত) মো. আলিমুজ্জামান সহ বিভিন্ন সরকারী কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

পাটকেলঘাটায় চুরি এখন মহামারী

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি॥

পাটকেলঘাটায় অস্বাভাবিক ভাবে চুরি বৃদ্ধি পেয়েছে। কোনো ভাবেই যেন পুলিশ নিয়ন্ত্রন করতে পারছে না। মাঝে মধ্যে থানায় দু-একজন চোর চক্রের সদস্য ধরা পড়লেও অধিকাংশ চোর থেকে যাচ্ছে ধরা ছোয়ার বাইরে। তাদের হাত থেকে বাদ যাচ্ছে না ঈদগাঁহ কিংবা মসজিদও। প্রায় প্রতি রাত্রে কোনো না কোনো এলাকায় চুরির খবর পাওয়া যাচ্ছে।

সূত্র জানায়, গত সপ্তাহে পাটকেলঘাটায় চুরি যেন মহামারী আকার ধারন করেছে। পুলিশের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে অভিনব কায়দায় চোরেরা বেপরোয়া ভাবে চুরি সংঘটিত করছে। সর্বশেষ পাটকেলঘাটা থানার সন্নিকটে পারকুমিরা গ্রামের আলফাজ উদ্দীনের বাড়ীর পাচিলের গেট ভেঙ্গে মঙ্গলবার রাতে ১টি ইজিবাইক চুরি করে নিয়ে গেছে। এর দুই দিন আগে বাড়ীর সামনে আবু বক্কার সিদ্দীক খোকার বাড়ী থেকে সকাল ১১টার দিকে প্রকাশ্য দিবালোকে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার সহ আনুমানিক লক্ষ টাকার জিনিসপত্র চুরি হয়ে যায়। গত ডিসেম্বর কুমিরা থেকে ১টি ইজিবাইক চুরি হলেও পুলিশ চোর সহ ইজিবাইকটি উদ্ধার করেছে। এর আগে চৌগাছা গ্রামের মৃত আব্দুস সালামের বাড়ী দূধর্ষ চুরি সংঘঠিত হয়। একই দিন পাটকেলঘাটা পশ্চিম পাড়ার আব্বাস আলীর বাড়ী থেকে সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে নগদ টাকা সহ প্রায় লাখ টাকার জিনিসপত্র চুরি হয়। বাইগুনি গ্রামের ইকরামুলের বাড়ী থেকে অভিনব কায়দায় চুরি হয়। এছাড়া পাটকেলঘাটা বাজার মসজিদের সামনে থেকে ১টি, পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের সামনে থেকে ১টি, মান্নান হুজুরের হোটেলের সামনে থেকে ১টি মটরসাইকেল চুরি হয়। বাইগুনি ঈদগাঁহের টিউবওয়েলটিও চুরি হয়ে গেছে। পাটকেলঘাটা বাজারে হাইস্কুল রোডের লিটন স্টোর থেকে নগদ টাকা, মোবাইল সহ প্রায় ৪লাখ টাকা বাজারের হলুদ হাটার মিজানের দোকান হতে নগদ ৪লাখ টাকা সহ ক্যাশ মেমো চুরি হয়ে যায়। মর্মে গত ডিসেম্বর থানায় ১টি সাধারন ডায়রী করা হয়।

ব্যাপারে জানতে চাইলে পাটকেলঘাটার থানার ওসি কাঞ্চন কুমার রায় এসব চুরির ঘটনা স্বীকার করে বলেন, স্থানীয় চোর যারা জেলে ছিল এখন তারা ছাড়া পেয়ে আবারও চুরি কাজে নেমে পড়েছে। তাদেরকে চিহ্নিত করে তাদের ধরার বিষয়ে আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নিচ্ছি।

নগরীর উন্নয়নে ত্রিপক্ষিয় এক চুক্তিপত্র স্বাক্ষরিত

খবর বিজ্ঞপ্তি

খুলনা মহানগরীর উন্নয়নে ‘‘সিসিএইউডি-খুলনা কম্পোনেন্ট’’ শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ত্রিপক্ষিয় এক চুক্তিপত্র বুধবার দুপুরে স্বাক্ষরিত হয়েছে। বাংলাদেশ সচিবালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষে জার্মান ভিত্তিক দাতা সংস্থা জার্মান ডেভলপমেন্ট ব্যাংক (কেএফডব্লিউ), স্থানীয় সরকার বিভাগ কেসিসি’মধ্যে চুক্তিপত্র স্বাক্ষরিত হয়। স্থানীয় সরকার বিভাগের পক্ষে যুগ্ম সচিব আবু মহিউদ্দিন কাদেরী, কেএফডব্লিউ’পক্ষে মিশন লিডার ক্রিস্টিনা বার্টজ কেসিসি’পক্ষে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো: আজমুল হক চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন।

উল্লেখ্য, প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের লক্ষ্যে কেএফডব্লিউ’কর্মকর্তাগণ গত ২৮ নভেম্বর থেকে ০৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত খুলনা সফর করেন এবং গৃহীত প্রকল্প বিষয়ে নগর ভবনে সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক-এর সার্বিক মতামত গ্রহণ করেন। প্রকল্পের আওতায় মহানগরীর জলাবদ্ধতা নিরসন বন্যা নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রতিকূলতা বিশ্লেষণ করে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এছাড়া প্রকল্পের আওতায় দৌলতপুর মহেশ্বরপাশায় শহর রক্ষা বাঁধ, রূপসায় রিভার ফ্রন্ট পার্ক, প্রয়োজনীয় সংখ্যক স্লুইচ গেট পাম্প হাউজ নির্মাণসহ, নগরীর অভ্যন্তরীণ খাল, পুকুর ড্রেনসমূহের উন্নয়ন করা হবে।

স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব মো: হেলাল উদ্দিন, যুগ্ম সচিব মো: কামরুজ্জামান, সিনিয়র সহকারী সচিব পলি কর, কেএফডব্লিউ’প্রধান প্রকৌশলী পিটার রুনি, কান্ট্রি ডিরেক্টর অনির্বাণ কুন্ডু, আরবান রিজিলিয়েন্স স্পেশালিস্ট এসএম মেহেদী আহসান, কেসিসি’প্রধান প্রকৌশলী মো: এজাজ মোর্শেদ চৌধুরী, চীফ প্লানিং অফিসার আবির উল জব্বার কনসালট্যান্ট সংস্থা র‌্যাম্বল-এর ডেপুটি টীম লিডার প্রফেসর ড. সিরাজুল হাকিম সময় উপস্থিত ছিলেন।

মোংলা উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ

বাগেরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাটের মোংলা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান যুবলীগ নেতা মোঃ ইকবাল হোসেনের বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। জমি দখল হুমকী-ধামকীর অভিযোগ এনে বুধবার দুপুরে বাগেরহাট প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন নুপুর ঘোষাল নামের এক নারী।

নুপুর ঘোষাল মোংলা উপজেলার কেওড়াতলা এলাকার সঞ্জয় ঘোষালের স্ত্রী। সংবাদ সম্মেলনে নুপুরের সাথে তার নিকট আত্মীয় জুয়েল বিশ্বাস উপস্থিত ছিলেন।

নুপুর ঘোষাল বলেন, মোংলা উপজেলার শেওলাবুনিয়া মৌজায় ৭৬২ দাগে আমাদের একর ৩০ শতক জমি রয়েছে। ইকবাল তার বাহিনী লোকেরা জোরপূর্বক আমাদের ওই জমি দখল করে ঘের করেছেন। আমরা জমি দখলে বাঁধা দিলে আমার স্বামীকে কয়েকবার মারধর করেছে। আমাকেও মারার চেষ্টা করেছেন ভাইস চেয়ারম্যান ইকবাল তার ম্যানেজার রুবেল শেখ। এখনও হুমকী-ধামকী অব্যাহত রখেছেন ইকবাল তার ম্যানেজার রুবেল হোসেন। এক ধরনের ভীতসন্ত্রস্ত অবস্থায় রয়েছি। আমরা যে কোন মূল্যে আমাদের জমি ফেরত চাই।

নুপুর আরও বলেন, ইকবাল শুধু আমাদের নয়, ক্ষমতার দাপটে সে এলাকার বিভিন্ন লোকের উপর অত্যাচার করে আসছে। মোংলা পৌরসভার নারী কাউন্সিলরের পরিবারের উপরেও হামলা করেছেন ইকবাল। আমরা এই অত্যাচারী দূর্নীতিবাজ ভাইস চেয়ারম্যানের বিচার চাই। সেই সাথে আমাদের জমি ফেরত চাই।

ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ ইকবাল হোসেন বলেন, শেওলাবুনিয়া মৌজায় আমার কোন জমি নেই। মূলত রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জেরে প্রতিপক্ষরা আমার বিরুদ্ধে এই ধরণের মিথ্যা প্রপাগন্ডা ছড়াচ্ছে।

যৌথ গবেষণা প্রকল্প গ্রহণে খুবির সাথে আইডব্লিউএম’সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

খবর বিজ্ঞপ্তি

যৌথভাবে বন, পরিবেশ, পানিসম্পদ, উপকূলীয় প্রতিবেশ, সুনীল অর্থনীতি, জলবায়ুগত পরির্তন নদীর গঠনসংস্থানসহ বিভিন্ন বিষয়ে গবেষণার সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় খ্যাতনামা সংস্থা ইনস্টিটিউট অব ওয়াটার মডেলিং (আইডব্লিউএম) এর মধ্যে বুধবার বিকাল ৩টায় উপাচার্যের কার্যালয়ে এক সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে এমওইউতে স্বাক্ষর করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন আইডব্লিউএম এর পক্ষে স্বাক্ষর করেন নির্বাহী পরিচালক আবু সালেহ খান। পরে স্বাক্ষরিত এই এমওইউ উভয়পক্ষের মধ্যে বিনিময় করা হয়।

এমওইউ স্বাক্ষরের প্রাক্কালে উপাচার্য আইডব্লিউএম এর নির্বাহী পরিচালকসহ সংস্থার প্রতি ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষাদানের সাথে সাথে গবেষণা, যৌথ প্রকল্প গ্রহণ, কারিগরি অভিজ্ঞতা প্রযুক্তিগত তথ্য বিনিময়ের মতো বিষয়ে অধিকতর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। কারণ, এখন টিচিং এন্ড লার্নিং ক্ষেত্রে কেবল সীমাবদ্ধ হলেই চলবে না, প্রাকটিক্যাল ফিল্ডের অভিজ্ঞতা, বৈশ্বিক পরিবর্তনের সাথে পাঠ্যসূচিতে সঙ্গতি সাধন, জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশগত প্রভাবসহ বিভিন্ন ইস্যুতে গবেষণা জোরদার প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। সেক্ষেত্রে যৌথ কার্যক্রম সবিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে।

এই এমওইউ স্বাক্ষরের ফলে প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ইনস্টিটিউট অব ওয়াটার মডেলিং (আইডব্লিউএম) যৌথভাবে উন্নয়ন গবেষণা প্রকল্প গ্রহণ, সায়েন্টিফিক রিসার্চ এবং প্রজেক্ট বেইজড স্টাডিজ পরিচালন করবে। এছাড়া উভয় প্রতিষ্ঠান একসাথে বন ব্যবস্থাপনা, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, সংরক্ষিত বনে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা, কমিউনিটি ফরেস্ট্রির উন্নয়ন উন্নতি সাধন, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রভাব, জলবায়ু পরিবর্তন এবং জীববৈচিত্র্য, প্রতিবেশগত প্রভাব যাচাইয়ের মতো ক্ষেত্রে এক সাথে কাজ করা যাবে।

তাছাড়া পানিসম্পদ এবং বন ব্যবস্থাপনা, বনের উপর উপকূলীয় নদী এবং সামুদ্রিক লবণাক্ততার প্রভাব, মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ এবং ব্যবস্থাপনা, উপকূলীয় সম্পদ ব্যবস্থাপনা, নদীর গঠনসংস্থান, সুনীল অর্থনীতি, পরিবেশ দূষণ, প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা, দুর্যোগের ঝুঁকি নিরূপণ এবং ব্যবস্থাপনা, পরিবেশের প্রভাব নিরূপণে গবেষণার সুযোগ পাবে। একই সাথে আধুনিক বন ব্যবস্থাপনা প্রযুক্তি, ডিজিটাল বন ব্যবস্থাপনা পদ্ধতির উন্নয়ন, বন ব্যবস্থাপনা এবং ডিজিটাল ডাটাবেজ, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ইনস্টিটিউট অব ওয়াটার মডেলিংয়ে ইন্টার্নশিপের উদ্যোগ, যৌথ গবেষণা পরামর্শ প্রকল্পে কাজ করা, যৌথভাবে আন্তর্জাতিক সেমিনার, ওয়ার্কশপ কনফারেন্সের আয়োজন করা, তথ্য-উপাত্ত বিনিময়ের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস, ফরেস্ট্রি এন্ড উড টেকনোলজি ডিসিপ্লিন প্রধান প্রফেসর ড. মোঃ ইফতেখার শামস্, প্রফেসর ড. মোঃ নাজমুস সাদাত, জনসংযোগ প্রকাশনা বিভাগের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) এস এম আতিয়ার রহমান এবং আইডব্লিউএম’ডেপুটি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর এস এম মাহবুবুর রহমান। এই এমওইউতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে ফোকালপার্সন হিসেবে রয়েছেন ফরেস্ট্রি এন্ড উড টেকনোলজি ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. মোঃ নাজমুস সাদাত এবং আইডব্লিউএম’পক্ষে আইসিটি-জিআইএস ডিভিশনের পরিচালক ড. মোল্লা মোঃ আওলাদ হোসেন।

ডুমুরিয়ায় রাজনৈতিক নেতাদের সাথে অপরাজিতা নারীদের মতবিনিময়

ডুমুরিয়া প্রতিনিধি

ডুমুরিয়ায় বে-সরকারী উন্নয়ন সংস্থা রুপান্তর’অপরাজিতা প্রকল্পের আয়োজনে রাজনৈতিক নেতাদের সাথে অপরাজিতা নারীদের এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।গতকাল বুধবার সকালে উপজেলা বিআরডিবি মিলনায়তনে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নারী উন্নয়ন ফোরামের সভাপতি ভাইস চেয়ারম্যান শারমীনা পারভীন রুমা।প্রকল্পের উপজেলা সমন্বয়কারী দিপঙ্কর মন্ডলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠাে কীনোট পেপার পাঠ করেন অপরাজিত পার্বতী ফৌজদার। সভায় বক্তব্যদেন বিএনপি নেতা শেখ সরোয়ার হোসেন,ওয়ার্কাসপার্টি সেলিম আকতার স্বপন,জাতীয়পার্টি কাজি সাইফুর রহমান,মহিলা আ’লীগনেত্রী হাসনা হেনা,জাতীয়তাবাদি মহিলা দলনেত্রী আর্জিনা বেগম,সাংবাদিক শেখ সিরাজুল ইসলাম,অপরাজিতা ললিতা সরদার,আসমা বেগম,জয়নাতী রানী গাইন,শিমু আক্তার,লাভলী বিশ্বাস,ইলা বৈরাগী প্রমূখ।

বাগেরহাটে লাখ ৬৯ হাজার শিশু খাবে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল

স্টাফ রিপোটার,বাগেরহাট

বাগেরহাটে লক্ষ ৬৯ হাজার ৪৯৬ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। ১১ ডিসেম্বর থেকে ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত জেলার উপজেলা ২টি পৌরসভার শিশুদের এই ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। বুধবার (০৮ ডিসেম্বর) দুপুরে বাগেরহাট সিভিল সার্জনের কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে সাংবাদিকদের অরিয়েন্টেশন কর্মশালায় এসব তথ্য জানানো হয়। এসময় বাগেরহাটের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. হাবিবুর রহমান, মেডিকেল অফিসার ডা. সুব্রত দেবনাথ,বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সভাপতি নিহার রঞ্জন সাহা, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাকি তালুকদার, সাবেক সভাপতি দেলোয়ার হোসেন, বাবুল সরদার, আহসানুল করিমসহ বাগেরহাটে কর্মরত গনমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

নির্ধারিত এই সময়ে থেকে ১১ মাস বয়সী ১৯ হাজার ৮‘৪৫ জন শিশুকে নিল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী লক্ষ ৪৯ হাজার ৬‘৫১ জন শিশুকে লাল রংয়ের ভিটামিন ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এই বয়সের মধ্যে অতিরিক্ত কোন শিশু থাকলে তাদের জন্যও পর্যাপ্ত ক্যাপসুলের ব্যবস্থা রয়েছে। জেলার ৯টি উপজেলা দুটি পৌরসভার এক হাজার ৮৫৮টি কেন্দ্রে টিকা দেওয়া হবে। এই কর্মযজ্ঞের জন্য স্বাস্থ্য বিভাগের ৬৯৩ কর্মীসহ হাজার ৭১৬ জন স্বেচ্ছাসেবক দায়িত্বপালন করবেন।

ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. হাবিবুর রহমান বলেন, কোভিডের কারণে ভিটামিন ক্যাপসুল খাওয়ানোর বিষয়ে খুবই সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে। গুরুতর অসুস্থ কোন শিশু এই ক্যাপসুল খেতে পারবে না। কিভাবে খাওয়ানো হবে জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মীকে প্রশিক্ষন দেওয়া হয়েছে। এই ক্যাপসুল খাওয়ানোর প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে অবহিত করতে প্রচার-প্রচারণা চালানো হয়েছে। আসাকরি নির্ধারিত বয়সের জেলার সকল শিশু ভিটামিন প্লাস ক্যাপসুল খেতে পারবে।

শোষন রোধে শ্রমিকদের অধিকার সচেতন হতে হবে

স্টাফ রিপোটার,বাগেরহাট

সারা পৃথিবীতেই বেশিরভাগ মালিকরা কোন না কোন ভাবে শ্রমিকদের শোষন করে আসছে। শ্রমিকরাও নানা কারণে শোষিত হচ্ছেন। এই শোষন শুধু আজ নয়, যুগযুগ ধরে চলে আসছে। শোষন নির্যাতনের যাতাকল থেকে বাঁচতে শ্রমিকদেরকে অধিকার সচেতন হতে হবে। বুধবার (০৮ ডিসেম্বর) দুপুরে বাংলাদেশের সামুদ্রিক খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পে নিয়োজিত শ্রমিকদের ক্ষমতায়ন মাঠের কাজের অভিজ্ঞতা বিষয়ক মতবিনিময় সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা কর্মজীবী নারীর আয়োজনে বাগেরহাটের ধানসিড়ি হোটেলে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মোছাব্বেরুল ইসলাম। এসময় আরও বক্তব্য দেন, ফকিরহাট উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জ্যোতিকনা দাস,পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা পলাশ কুমার বিশ্বাস, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের প্রোগ্রাম অফিসার সুমিতা ইয়াসমিন, খুলনা বিভাগীয় শ্রম পরিদপ্তরের শ্রম পরিদর্শক ইফতেখারুল কবির, আখেরী জান্নাত, স্কোপের জয়েন্ট সেক্রেটারি খালেদ হোসেন, খুলনা মহানগর ট্রেড ইউনিয়নের সভাপতি এইচএম শাহাদাত, জেএসএফ এর সভাপতি এসএম ফারুকুল ইসলাম, কর্মজীবী নারীর ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক সানজিদা সুলতানা, প্রকল্প সমন্বয়ক দেওয়ান আব্দুস সাফি, প্রকল্প কর্মকর্তা শেখ রুবেল আহমেদ, শ্রমিক পপি, স্বপ্না, হোসনেয়ারা প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, শ্রমিকদের অক্লান্ত পরিশ্রমেই দেশের অর্থনীতির চাকা সচল থাকে। এই কারণেই বর্তমান সরকার শ্রমিকদের জন্য অনেক সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করেছে। শ্রমিকদের অধিকার রক্ষায় সরকার আইনও করেছে। তবে এসব সুবিধা গ্রহন অধিকার নিশ্চিত করতে শ্রমিকদেরকে অবশ্যই আইন-কানুন সম্পর্কে ধারণা রাখতে হবে। জন্য সকলকে একযোগে কাজ করার আহবান জানান বক্তারা।

মোড়েলগঞ্জে খাউলিয়ায় ইউনিয়নের নবনির্বাচিত ইউপি সদস্যদের শপথ

মোড়েলগঞ্জ প্রতিনিধি

বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে খাউলিয়া ইউনিয়নের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান সহ ১২ ইউপি সদস্যদের শপথ গ্রহন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার বিকেলে উপজেলা সভাকক্ষে শপথ বাক্য পাঠ করান উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জাহাঙ্গীর আলম। উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তাব্য দেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক মোজাম, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফাহিমা খানম, খাউলিয়া ইউনিয়নে নবনির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যান মাষ্টার মো. সাইদুর রহমান, বারের নির্বাচিত সাধারণ ইউপি সদস্যদের মধ্যে মো. আলমঙ্গীর হোসেন, নারী সংরক্ষিত আসনের মোসাঃ শাহিনুর বেগম।

সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশনা অনুযায়ী ভিশন বাস্তবায়নে শতভাগ করোনা টিকা গ্রহন, জন্ম নিবন্ধনসহ সকল প্রকার কাজের সহযোগিতায় নির্বাচিতদের দায়িত্ব পালন করতে হবে। এর পূর্বে সকালে জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে নবনির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যান মাষ্টার মো. সাইদুর রহমান শপথ গ্রহন করেন।

মোড়েলগঞ্জে স্কাউটের উদ্যোগে চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

মোড়েলগঞ্জ প্রতিনিধি

মুজিব জন্মশতবর্ষ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে বাংলাদেশ স্কাউটস বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জ উপজেলা শাখার উদ্যোগে চিত্রাংকন, কবিতা, আবৃত্তি,  কুইজ, প্রতিযোগিতা ২০২১ অনষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার সকালে উপজলো সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্ধোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জাহাঙ্গীর আলম। বাগেরহাট জেলা স্কাউটস কমিশনার মো. আসাদুল কবির, উপজেলা স্কাউটস কমিশনার মো. আবু সালেহ, সাধারণ সম্পাদক প্রভাত কুমার মিস্ত্রী, উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. জালাল উদ্দিন খান, একাডেমিক সুপার ভাইজার বাকি বিল্লাহ, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. রোকনুজ্জামান, সহকারি শিক্ষা অফিসার অসীম কুমার সরকার, রবিউল ইসলাম, সজল মহালী, রিপন কুমার মন্ডল, স্কাউটস লিডার হরিচাঁদ কুন্ডু, কাব লিডার তাসনিম আলম মানজার, অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হোসনেয়ারা হাসি। প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৫০ জন কাব স্কাউটস সদস্যরা অংশ গ্রহন করেন। অনুষ্ঠান শেষে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। #

কপিলমুনি মুক্ত দিবস আজ: দক্ষিণাঞ্চলে পাকদোসরদের সর্ববৃহত্তম ঘাঁটি

এইচ এম হাশেম, কপিলমুনি

ডিসেম্বর ১৯৭১। এদিন খুলনার পাইকগাছায় কপিলমুনি পাক হায়েনা তাদের দোসরদের কবল থেকে মুক্ত হয়। বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে তথা ’৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে কপিলমুনির ভূমিকা অনস্বীকার্য। কপিলমুনি ছিল রাজাকারদের দুর্গ এবং শক্তিশালী ঘাঁটি। ঘাঁটির মাধ্যমে কপিলমুনি, তালা, ডুমুরিয়াসহ খুলনা সাতক্ষীরার বিশাল অংশ রাজাকাররা অবরুদ্ধ করে রেখেছিল। খুলনার ঐতিহ্যবাহী বাণিজ্যিক নগরী বিনোদগঞ্জ প্রতিষ্ঠাতা রায় সাহেব বিনোদ বিহারীর বাড়িটি ছিল রাজাকারদের ঘাঁটি। সাড়ে তিনশ’বেশি রাজাকার মিলিশিয়ার ছিল সশস্ত্র অবস্থান। সুবিশাল দোতলা ভবন, চারদিকে উঁচু প্রাচীর অনেকটা মোগল আমলের দুর্গের মতো। সুরক্ষিত দুর্গে বসে চলতো তাদের অত্যাচার। ১৯৭১ সালের এই দিনে দ্বিতীয় দফার দীর্ঘ ৪৮ ঘণ্টার সম্মুখযুদ্ধের পর আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে পতন ঘটেছিল দক্ষিণাঞ্চলের সর্ববৃহত্তম রাজাকার ঘাঁটিটির। আত্মসমর্পণ করা ১৫৫ জন রাজাকারকে জনতার রায়ে মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হয়। যুদ্ধকালীন জনতার রায়ে এতো সংখ্যক রাজাকারদের একসঙ্গে মৃত্যুদন্ড কার্যকরের ঘটনা সম্ভবত আর নেই। মুক্তিযোদ্ধাদের বর্ণনামতে, তৎকালীন পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠীর দোসররা দেশব্যাপী সাধারণ নীরিহ মানুষের ওপর অবর্ণনীয় অত্যাচার নির্যাতন চালাতে থাকে। অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে মুক্তিকামী মানুষের সহযোগীতায় প্রতিরোধ দুর্গ গড়ে তোলেন মুক্তিযোদ্ধারা। সময় পাকদোসররা ব্যাপক অস্ত্র-শস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বিনোদ বাবুর সুরম্য বাড়িটি রাজাকাররা দখল নেয়। প্রতিদিন বিকেল চারটা থেকে ভোর ছয়টা নাগাদ কারফিউ জারি করা হতো এলাকায়। সুরক্ষিত দুর্গে বসে চলতো তাদের অত্যাচার। এলাকাটিতে হিন্দুদের বসবাস বেশি থাকায় তাদের ওপর চলতো অমানবিক নির্যাতন, ধন-সম্পদ লুট এমনকি জোর করে তাদের অনেককেই ধর্মান্তরিত করে ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত করা হয়। হত্যা করা হয় শত শত মানুষকে। লালসার শিকার হন অগণিত মা-বোন। তাদের নির্যাতনের মাত্রা এতটা ভয়াবহ ছিল যে, আজো সে দিনের ঘটনা বর্ণনা দিতে গিয়ে অনেকেই গা শিহরে ওঠেন। মানুষ ধরে দেয়ালে পেরেক দিয়ে শরীর গেঁথে রাখা হতো। হাত-পা কেটে ছিটানো হতো লবণ। এমনকি বড় বড় ইট দিয়ে শরীরে আঘাত করে হত্যা করা হতো। নির্যাতন করে হত্যার পর গোপণ সুড়ঙ্গ পথ দিয়ে লাশ পাশের কপোতাক্ষ নদে ফেলে দেয়া হতো। এক পর্যায়ে তাদের অত্যাচারে এলাকার মানুষের জান-প্রাণ হয়ে ওঠে ওষ্ঠাগত। পাক হায়েনা তাদের দোসরদের অত্যাচারে উপজেলার রাড়–লী, বাঁকা, বোয়ালিয়া গড়ইখালী মুক্তিফৌজের ক্যাম্প গড়ে তোলা হয়। ঘাঁটির ছাদের ওপর সব সময় তাক করে রাখা হতো ভারি কামান মেশিনগান। ১৯৭১ সালের ডিসেম্বর খুলনাঞ্চলের মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডাররা মিলিত হন তালার মাগুরার জনৈক শান্তির দোতলা বাড়িতে। সেখানে সিদ্ধান্ত হয় কপিলমুনি দুর্গে আঘাত হানার। ঘাঁটিটিতে অবশ্য এর আগেও একবার আক্রমণ করেছিলেন মুক্তিযোদ্ধারা। কিন্তু জনতার অসহযোগিতায় সেবারকার অপারেশন ব্যর্থ হয়। পরে উপজেলার রাড়–লী হাতিয়ারডাঙ্গা ক্যাম্প কমান্ডাররা সমন্বিত যুদ্ধের পরিকল্পনা প্রণয়ন করেন। নৌ কমান্ডার গাজী রহমত উল্লা দাদু, বাবর আলী, শেখ কামরুজ্জামান টুকু, গাজী রফিক, ইউনুস আলী ইনু, ইঞ্জিনিয়ার মুজিবর, শেখ শাহাদাৎ হোসেন বাচ্চু, মোড়ল আব্দুস সালাম, আবুল কালাম আজাদের যৌথ নেতৃত্বে অবশেষে ডিসেম্বর মধ্যরাতে চারিদিক থেকে কপিলমুনি শত্রুঘাঁটি আক্রমণ করেন মুক্তিযোদ্ধারা। কামান-মেশিনগানের বিকট শব্দে গোটা এলাকা প্রকম্পিত হয়ে ওঠে। আচমকা ঘুম ভেঙে যায় মানুষের। দীর্ঘ লড়াই শেষে ডিসেম্বর বেলা ১১টার দিকে ১৫৫ জন রাজাকার আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়। এরপর সেখান থেকে সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে চারজন পালিয়ে যায়। যুদ্ধে শহিদ হন মুক্তিযোদ্ধা খুলনার বেলফুলিয়ার আনোয়ার হোসেন সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার গোয়ালডাঙ্গা গ্রামের আনছার আলী গাজী। আহত হন নৌ কমান্ডো জহুরুল হক খোকা, নেভাল ব্যস্ আ. খালেক স্থল বাহিনী তোরাব আলী সানা, মুক্তিযোদ্ধা আ. খালেক, রুহুল আমিন মোহাম্মদ আলীসহ অনেকে। মুক্তিযোদ্ধারা আটক রাজাকারদের বন্দি করে নিয়ে যান ঘাঁটির সামনের কপিলমুনি সহচরী বিদ্যামন্দির স্কুল মাঠে। কপিলমুনি রাজাকার ঘাঁটি থেকে উদ্ধৃত বিভিন্ন কাগজপত্র পর্যালোচনায় ঘাঁটির রাজাকারদের হাতে লেখা হাজার ৬০১ জন শহীদের তালিকা। এছাড়া রাজাকারদের পরবর্তী টার্গেট হিসেবে এলাকার আরো হাজার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের তালিকা পাওয়া যায়। রাজাকার ঘাঁটিতে দেয়ালে পেরেকবিদ্ধ তালার মাছিয়াড়া গ্রামের রহিম বক্স গাজীর ছেলে সৈয়দ আলী গাজীর ঝুঁলন্ত লাশ দেখে আঁতকে ওঠেন। এখবর মুহুর্তে চারিদিকে ছড়িয়ে পড়লে এলাকার হাজার হাজার মানুষের ঢল নামে সেখানে। উপস্থিত জনতার দাবির প্রেক্ষিতে গণআদালতে এদিন ১৫১ জন রাজাকারের প্রকাশ্যে গুলি করে মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হয়। মুক্তিযুদ্ধকালীন গণআদালতের রায়ে এক সঙ্গে এত সংখ্যক রাজাকারের শাস্তির সম্ভবত এটাই একমাত্র ঘটনা। তবে স্বাধীনতার ৫০ বছর পরেও অবহেলিত কপিলমুনি গৌঁরবগাঁথা মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন ইতিহাস। ভুলতে বসেছে স্বাধীনতা পরবর্তী প্রজন্ম। আজও সংরক্ষণ করা হয়নি যুদ্ধের স্মৃতিবিজড়ীত স্থাপনা স্থানগুলো। কপিলমুনি মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন ধ্বংসের পথে। একে এক নিচিহ্ন হচ্ছে স্মৃতিচিহ্নগুলো। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ইতিহাস সংরক্ষণে সরকার সারাদেশে ৫টি মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি কমপ্লেক্স নির্মাণের উদ্যোগ নিলে স্থানীয় সাংসদ আক্তারুজ্জামান, মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রনালয়ের সাবেক সচিব তপন কান্তি ঘোষ, জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়ের সচিব ইউসুফ হারুনসহ স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় কপিলমুনিতে এর একটি কমপ্লেক্স নির্মাণের সিদ্ধান্ত হয়। কপিলমুনি মুক্তিযুদ্ধের ঘটনাপুঞ্জ অবগত হওয়ার পর সর্বশেষ ডিসেম্বর ’২০ কপিলমুনি মুক্ত দিবসের অনুষ্ঠানে সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.মোজাম্মেল হক প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি কমপ্লেক্স নির্মাণে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। তবে গত এক বছরে কপিলমুনি মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি কমপ্লেক্স নির্মাণ কাজ শুরু হয়নি। বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. শহীদুল ইসলাম গাজী বলেন, অঞ্চলে সর্ববৃহৎ রাজাকার ঘাঁটি কপিলমুনি। আল-শামস, আল-বদর বাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র যুদ্ধের মাধ্যমে বীরত্বের সাথে কপিলমুনি যুদ্ধে সে সহ সহযোদ্ধার্ াঅসামান্য অবদান রাখেন। কপিলমুনি মুক্তিযুদ্ধ ইতিহাসের পাতায় লিপিবদ্ধ হলে স্বাধীনতা সংগ্রামী জীবন স্বার্থক হবে। আর সংরক্ষণ করা হোক কপিলমুনি মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন ইতিহাস।

রাষ্ট্রয়ত্ব পাটকল অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী-কর্মকর্তাদের পাওনা পরিশোধের দাবীতে খুলনা জোন অফিস ঘেরাও কর্মসূচি পালন   

ফুলবাড়ীগেট প্রতিনিধি

রাষ্ট্রয়ত্ব পাটকল অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী-কর্মকর্তাদের পাওনা পরিশোধের দাবীতে কেন্দ্রীয় কর্মসুচি অনুযায়ী ডিসেবর খুলনা জোন অফিস ঘেরাও কর্মসূচি পালিত হয়েছে ঢাকা, খুলনা, যশোর, নরসিংদি, চিটাগং রাষ্ট্রয়ত্ব পাটকল কর্মচারী-কর্মকর্তাদের (অবসরকৃত) সকল পাওনা পরিশোধের দাবীতে রাষ্ট্রয়ত্ব পাটকল কর্পোরেশনের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী-কর্মকর্তা সমন্বয় পরিষদের উদ্যোগে সকল পাওনা পরিশোধ সহ দফা দাবী আদায়ের লক্ষে পুর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে ডিসেম্বর বুধবার সকাল ১১ টায় খুলনার খালিশপুর,চরেরহাট বিজেএমসি’জোনাল অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ করে অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী কর্মকর্তারা এসময় সংক্ষিপ্ত সভায়  বক্তারা বলেন ২০১৩ সালের লা জুলাই থেকে অদ্যাবধি প্রভিডেন্ট ফান্ড এবং গ্রাইচুটির কোন টাকা কর্মকর্তা কর্মচারীরা পায়নি , এছাড়া ২০২০ সালের ৩০ শে জুন থেকে মিলগুলি বন্ধ ঘোষনা  করার পর শ্রমিকদের অধিকাংশ টাকা পরিশোধ করা হলেও অবসরকৃত কর্মচারী-কর্মকর্তাদের কোন পাওনাদী পরিশোধ করা হয়নি বিজেএমসি’র  কতিপয় কর্মকর্তাদের যোগসাজসে কোন পাওনা পরিশোধ করা হয়নি বলেও উল্লেখ করেন নেতৃবৃন্দ , ফলে অনেক কর্মচারী-কর্মকর্তা বিনা চিকিৎসায় অর্ধহারে অনাহারে মানবেতর যাপন করছে ঘেরাও কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন   সমন্বয় পরিষদের খুলনা অঞ্চলের আহবায়ক জাহাঙ্গির হোসেন, এস এম জাকির হোসেন, মোঃ শরিফুল ইসলাম, মোঃ মনজুরুল করিম, মোঃ আবু জাফর, আঃ ওহাব, মোঃ হোসেন আলী, মোঃ দেলোয়ার উদ্দিন দিলু, মোঃ মাজহারুল ইসলাম, মোঃ আমজাদ হোসেন, মোঃ আঃ আজিজ, মোঃ আঃ রশিদ প্রমুখ এদিকে পুর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ি আগামি ১৫ ডিসেম্বর বেলা টায় খালিশপুর এবং আটরা শিল্প এলাকায় সমাবেশ , ১৯ ডিসেম্বর  কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠকে আন্দোলনের পরবর্তী কর্মসূচী ঘোষনা করা হবে বলে জানান আন্দোলনরত নেতৃবৃন্দ এছাড়া ঢাকায় কেন্দ্রীয় কমিটির আহবায়ক ইসরাফিল খান এবং চট্রগামে কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সচিব জাহাঙ্গির হোসেনের নেতৃত্বে ঘেরাও কর্মসূচি পালিত হয়।

বেসরকারি জুট মিল চালু বকেয়ার দাবিতে শ্রমিক ফেডারেশনের জরুরী সভা দিনের কর্মসূচি ঘোষনা

ফুলবাড়ীগেট প্রতিনিধি

ব্যক্তি মালিকানাধীন মহসেন জুট মিল শ্রমিক কর্মচারীদের চুড়ান্ত পাওনা পরিশোধ, জুট স্পিনার্স , এ্যাজাক্স , সোনারী জুট মিলের শ্রমিকদের বকেয়া , মুজুরি পরিশোধ , বন্দ কলকারখানা চালু সহ  ঘোষিত ছয় দফা দাবি পূরনের লক্ষে  গতকাল বুধবার সকাল ১০ টায় বেসরকারি পাট সূতা বস্ত্রকল শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশনের সভাপতি শেখ আমজাদ হোসেনের সভাপতিত্বে প্রচার সম্পাদক সাইফুল¬াহ তারেকের পরিচালনায় এক জরুরী সভা সোনালী জুট মিল শ্রমিক ইউনিয়নে অনুষ্ঠিত হয় সভা থেকে শ্রম প্রতিমন্ত্রীর নিকট স্মারকলিপি , শ্রমিক জনসভা খুলনা ডিসি অফিসের সামনে অনশন সহ তিন দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেন শ্রমিক নেতৃবৃন্দ। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে-আগামী ১০ ডিসেম্ভর শুক্রবার বিকাল টায় শিরোমনি শিল্প এলাকার মহসেন জুট মিল সংলগ্ন গাফফারফুড মোড়ে শ্রমিক জনসভা, ১২ ডিসেম্ভর রবিবার সকাল ১০টায় খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে অনশন, ১৭ ডিসেম্ভর বৃহস্পতিবার রাত টায় শ্রম প্রতিমন্ত্রী বেগম মুনুজান সুফিয়ান এমপির নিকট স্মারকলিপি প্রদান। সভায় বক্তৃতা করেন ফেডারেশনের সাধারন সম্পাদক গোলাম রসুল খান, মহসেন জুট মিলের শ্রমিক বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিল কাজী, বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহাতাব উদ্দিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা ক্বারী আসহাব উদ্দিন, আমির মুন্সি, সোনালী জুট মিলের শ্রমিক নেতা সেকেন্দার আলী, লিয়াকত মুন্সি, মোঃ বাবুল খান, লুৎফর রহমান, মোঃ বিল্লাল শেখ, বিল্লাল মোড়ল, কাশেম মুন্সি, ওবায়দুর রহমান, মোকছেদ মোল্লা, আফিল জুট মিলের শ্রমিক নেতা নিজাম উদ্দিন, কাবিল উদ্দিন, এ্যাজাক্স জুট মিলের শ্রমিক নেতা  বীর মুক্তিযোদ্ধা এম ওয়াহিদ মুরাদ, আজাহার মাদবর জুট স্পিনার্স মিলের শ্রমিক নেতা আলাউদ্দিন, মোঃ কেসমত , মোঃ আনছার, শাহ মনিরুল ইসলাম, আবু তালেব, হোসেন আলী, মোঃ ইকবাল, , মোঃ জামাল হাসান, আতাউর, সালাম, কাশেম, আলম, সবুর , রশিদ, নুর ইসলাম, সালাম প্রমুখ

কালিয়ার হামিদপুর ইউনিয়নে ভোট গননায় কারচুপির অভিযোগ এনে সাংবাদিক সম্মেলন

মোঃ আবু তাহের, নড়াইল প্রতিনিধিঃ

নড়াইলের কালিয়া উপজেলার হামিদপুর ইউনিয়নের ৫নং সাধারন ওয়ার্ডে মেম্বর পদে ভোট গননায় কারচুপির অভিযোগ এনে সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন লালন খান (ফুটবল প্রতীক) নামের এক মেম্বর প্রার্থী। বুধবার বেলা ১২টায় নড়াইল শহরের আরজেএফ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে লালন খান বলেন, ভোমবাগ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে গত ২৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনে মেম্বর প্রার্থী নির্বাচনে ভোট গননায় কারচুপির আশ্রয় নিয়ে পরিকল্পিতভাবে আমাকে মাত্র তিন ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে তালা প্রতীকের প্রার্থী এম, সাইফুল ইসলামকে বিজয়ী করার ব্যাপারে সহযোগিতা করেছেন সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার মোঃ মাকসুদুল হাসান পলাশ। তিনি (প্রিজাইডিং অফিসার) আমাকে হারানোর লক্ষ্যে কেন্দ্রে মোট কাষ্ট হওয়া একহাজার তিনশত এক ভোটের মধ্যে ৩৩টি ভোট বাতিল বলে ঘোষনা করে তা গননা থেকে বাদ রাখেন। বাতিল সনাক্ত করা ৩৩ ভোটের মধ্যে আমার ফুটবল প্রতীকের ভোট ছিল ৭টি এবং বিজয়ী এম, সাইফুল ইসলামের তালা প্রতীকের ভোট ছিল ২টি। ওইদিন ভোট গননা শেষে মাত্র তিনভোটের ব্যবধানে আমাকে পরাজয় ঘোষনা করা হলে বিষয়টি আমার কাছে, আমার নির্বাচনী এজেন্ট খান মঞ্জুরুল হক সমর্থকদের কাছে সন্দেহাতীত ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। আমি আমার নির্বাচনী এজেন্ট খান মঞ্জুরুল হক তাৎক্ষনিক ভোট পুন:গননার জন্য কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসারের কাছে আবেদন জানাই। তিনি ভোট পুন:গননার ব্যাপারে গড়িমসি করতে থাকেন। আমি আমার এজেন্ট এবং সমর্থকদের জোর দাবির প্রেক্ষিতে এক পর্যায়ে তিনি (প্রিজাইডিং অফিসার) বলেন আপনারা ভোট পুন:গননার জন্য কালিয়া উপজেলা রিটার্নিং অফিসারের কাছে আবেদন করেন।আমি ওইদিন উপজেলা রিটার্নিং অফিসারের কাছে পুন:গননার জন্য আবেদন জানালে তিনি জানান, সাধারন মেম্বরের ভোট পুন:গননার এখতিয়ার আমার নেই। ব্যাপারে প্রিজাইডিং অফিসার মোঃ মাকসুদুল হাসান পলাশ জানান, ভোমবাগ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে মেম্বর কিংবা চেয়ারম্যান পদে প্রতিদন্ধীতাকারী প্রার্থীদের ভোট গননায় কোন ধরনের কারচুপি হয়নি। প্রার্থীদের নির্বাচনী এজেন্টদের সামনে ভোট নিয়ম মাফিক গননা শেষে ফলাফল ঘোষনা করা হয়েছে। তিনি আরো জানান ভোমবাগ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে মোট ভোটারের সংখ্যা ১,৮৫৪জন। প্রাপ্ত বৈধ ভোটের সংখ্যা ১,৩০১জন। অনুপস্তিত ভোটারের সংখ্যা ৫৫৩জন। বাতিলকৃত ভোটের সংখ্যা ৩৩।এ কেন্দ্রে ভোট হওয়া ৫নং ওয়ার্ডে ৩১২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন এম, সাইফুল ইসলাম। তার নিকটতম প্রতিদন্ধী লালন খান পেয়েছেন ৩০৯ ভোট। হামিদপুর ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত রিটার্নিং অফিসার স্বপন কুমার দাস বলেন, সাধারন মেম্বর পদের ভোট পুন:গননার এখতিয়ার আমার নেই। ভোট পুন:গননার জন্য ওই পরাজিত প্রার্থীকে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে আবেদন করার জন্য পরামর্শ দিয়েছি।

রূপান্তর আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা: নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধে প্রত্যেকেরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে

খবর বিজ্ঞপ্তি

নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ উপলক্ষে রূপান্তর আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা বলেছেন, নারী মেয়েদের প্রতি সহিংসতা বন্ধে সমাজের প্রত্যেকেরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। নারী মেয়েদের প্রতি সহিংসতার বিভিন্ন দিক মোকাবেলায় সরকারি, বেসরকারি উদ্যোগসমূহকে একসাথে কাজ করতে হবে। “নারী নির্যাতন বন্ধ করি, কমলা রঙের বিশ^ গড়ি” প্রতিপাদ্যকে সমানে রেখে সকাল ১০টায় খুলনা প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার লোকদের সমন্বয়ে বিভাগীয় পর্যায়ে আলোচন সভা গণ স্বাক্ষরতা ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠানে বক্তারা কথা বলেন। রূপান্তর-এর পরিচালনায়, প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ-এর অর্থায়নে পরিচালিত “বাংলাদেশে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ প্রকল্প” কর্মসূচির আয়োজন করে।

রূপান্তর-এর নির্বাহী পরিচালক স্বপন কুমার গুহ’সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন সমাজ সেবা অধিদপ্তর-এর  উপ-পরিচালক  খান মোতাহার হোসেন,  মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর-এর উপ-পরিচালক হাসনা হেন, জেলা শিক্ষা অফিসার খোঃ রুহুল আমিন, জেলা নারী ব্রিগেড-এর আহ্বায়ক  এ্যাডভোকেট শামিমা সুুলতানা শীলু, কেন্দ্রীয় নারী উন্নয়ন ফোরামের মহাসচিব, জেলা নারী উন্নয়ন ফোরামের সভাপতি এবং ফুলতলা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ফারজানা নিশা। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা করেন রূপান্তর থিয়েটারের পরিচালক মিজানুর রহমান পান্না, মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রূপান্তর-এর হিউম্যান রিসোর্স ব্যবস্থাপক মঞ্জু য়ারা পারভীন। রূপান্তর-এর কর্মসূচি সমন্বয়কারী অসীম আনন্দ দাসের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন অবসরপ্রাপ্ত থানা শিক্ষা কর্মকর্তা রিনা পারভীন, এ্যাডভোকেট অশোক কুমার সাহা, এ্যাডভোকেট পপি ব্যানার্জি, এ্যাডভোকেট নুরুন্নাহার পলি, সাংবাদিক সোহরাব হোসেন, মাহবুব আলম, ইউপি সদস্য আকলিমা খাতুন তুলি, তৃণমূল নারীনেত্রী বুলু রাণী গাঙ্গুলী, মাধুরী সরকার, বন্দনা রায়, নাগরিক নেতা শেখ মোশাররফ হোসেন, যুবনেতা প্রীতিশ ম-ল, জাহিদুল ইসলাম প্রমূখ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথিবৃন্দসহ উপস্থিত সবাই বাল্যবিয়ে নারী নির্যাতন প্রতিরোধে ভূমিকা পালনের অঙ্গীকার ব্যক্ত করে গণ স্বাক্ষরতা ক্যাম্পেইন ক্যানভাসে স্বাক্ষর করেন। শেষে শপথ পাঠ করান ফুলতলা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ফারজানা নিশা।

অনুষ্ঠানে সাংবাদিক, বেসরকারী সংস্থার প্রতিনিধি, সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি, জেলা নারী নির্যাতন কমিটির প্রতিনিধি, জেলা বাল্য বিবাহ কমিটির প্রতিনিধি, এনসিটিএফ জিএনবিসহ শিশু যুব নেটওয়ার্কের প্রতিনিধি, নারী নেত্রী, জনপ্রতিনিধি, সুধি সমাজের প্রতিনিধি অংশ নেন।

বক্তারা তাদের আলোচনায় নারী কন্যা শিশু নির্যাতনের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, মহামারিকালে নারী শিশু নির্যাতন এবং বাল্যবিবাহের ধরণ ভয়াবহতায় নতুন মাত্রা লাভ করেছে। পরিবার থেকে প্রতিষ্ঠান, সমাজে নারী কন্যা শিশুর নিরাপত্তা প্রশ্নের সম্মুখিন। প্রযুক্তির অপব্যবহার নির্যাতনের মাত্রাকে বাড়িয়ে তুলেছে যা ছড়িয়ে দিচ্ছে দেশব্যাপি। নির্যাতনের বিরুদ্ধে নারীরা বিদ্রোহ ঘোষণা করেছে সেই ১৯৬০ সালে কিন্তু এখনও নারী নির্যাতন পুরো বিশ্বের বাস্তবতা। যে কোন মূল্যে এই অবস্থার অবসান প্রয়োজন। আর জন্য সচেতন সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।

উল্লেখ্য, আর্ন্তজাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ উদযাপন উপলক্ষে ইতিমধ্যে রূপান্তর, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের সাথে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে যা ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলমান থাকবে।

জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সাংবাদিকদের ওরিয়েন্টেশন কর্মশালা

তথ্য বিবরণী

জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে খুলনা জেলার সাংবাদিকদের জন্য ওরিয়েন্টেশন কর্মশালা বুধবার সকালে নগরীর স্কুল হেলথ ক্লিনিক সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন খুলনার সিভিল সার্জন ডাঃ নিয়াজ মোহাম্মদ। সভাপতির বক্তৃতায় সিভিল সার্জন বলেন, ভিটামিন ‘এ’ অন্ধত্ব প্রতিরোধের পাশাপাশি শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। ভিটামিন ক্যাপসুল শিশুর শরীরে কোন পাশর্^-প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে না। জাতীয়ভাবে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন পরিচালনার ফলে দেশে রাতকানা রোগের প্রকোপ বর্তমানে নেই বললেই চলে। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, আগামী ১১ থেকে ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশব্যাপী অনুষ্ঠেয় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে খুলনা মহানগরী জেলার নয়টি উপজেলার ছয় থেকে ৫৯ মাস বয়সী দুই লাখ ৯২ হাজার সাতশত ৯৩ শিশুকে একটি করে ভিটামিন ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। ক্যাম্পেইন চলাকালে ৬-১১ মাস বয়সী প্রত্যেক শিশুকে একটি নীল রঙের এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী প্রত্যেক শিশুকে একটি করে লাল রঙের ভিটামিন ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। ক্যাম্পেইনে শিশুর জন্য মায়ের দুধের গুরুত্ব শিশুর ছয় মাস পূর্ণ হলে মায়ের দুধের পাশাপাশি শিশুকে পরিমান মতো ঘরে তৈরি সুষম খাবার খাওয়ানোর বিষয়ে অভিভাবকদের সচেতন করা হবে। অনুষ্ঠানে আরও জানানো হয়, ক্যাম্পেইন চলাকালে খুলনা মহানগরী জেলার নয়টি উপজেলার এক হাজার ছয়শত ৯০টি টিকাদান কেন্দ্রে প্রতিদিন সকাল আটটা থেকে বিকাল চারটা পর্যন্ত ভিটামিন ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বিবেচনা করে এই ক্যাম্পেইনে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি সর্তকতা অনুসরণ করা হবে। ভিটামিন ‘এ’ অপুষ্টিজনিত অন্ধত্ব থেকে শিশুকে রক্ষা করে, শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, ডায়রিয়ার ব্যাপ্তিকাল জটিলতা কমায় এবং শিশুমৃত্যুর ঝুঁকি হ্রাস করে। ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ভরাপেটে খাওয়ানো ভালো। ভ্রমণে থাকাকালীন রেলস্টেশন, বাস টার্মিনাল, ফেরিঘাট লঞ্চঘাটে অবস্থিত কেন্দ্র থেকে শিশুকে ভিটামিন ক্যাপসুল খাওয়ানো যাবে। তবে ছয় মাসের কম অথবা পাঁচ বছরের বেশি বয়সী শিশু, চার মাসের মধ্যে ভিটামিন ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়েছে এমন শিশু এবং মারাত্মক অসুস্থ শিশুকে এই ক্যাপসুল খাওয়ানো যাবে না। খুলনা সিভিল সার্জন দপ্তরের আয়োজনে কর্মশালায় বাংলাদেশ বেতার খুলনা কেন্দ্রের উপআঞ্চলিক পরিচালক মো. শামীম হোসেন, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ শেখ মোঃ কামাল হোসেন, খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি এসএম জাহিদ হোসেন, সিনিয়র সাংবাদিক মকবুল হোসেন মিন্টু, শেখ আবু হাসানসহ গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। জেলা স্বাস্থ্য তত্ত্বাবধায়ক জয়ন্ত নাথ চক্রবর্তীর সঞ্চালনায় কর্মশালায় শিশুর জন্য ভিটামিন ‘এ’ এর প্রয়োজনীয়তা বিষয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন শিশু বিশেষজ্ঞ ডাঃ শারাফাত হোসাইন।

মোংলা বন্দরে শ্রম কল্যাণ কেন্দ্রের নবনির্মিত ভবনের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

মোংলায় শ্রম কল্যাণ কেন্দ্র’নবনির্মিত তিনতলা ভবনের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার বেলা পৌনে ১২ টার সময় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে শ্রম কল্যাণ কেন্দ্রটির উদ্বোধন করেন তিনি। মোংলা পৌর শহরের শ্রম কল্যাণ রোডের শ্রম কল্যাণ কেন্দ্র ভবন উদ্বোধনকালে এখানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কমলেশ মজুমদার, পৌর মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ আঃ রহমান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সুনীল কুমার বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম হোসেন, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব শেখ কামরুজ্জামান জসিম, শ্রম কল্যাণ কেন্দ্রের চিকিৎসক-কর্মচারী, ব্যবসায়ী, জনপ্রতিনিধি সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা।

ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ঢাকায় বসে প্রধানমন্ত্রী ভবনটি উদ্বোধনের পর ভবনের নামফলক উন্মোচন করেন স্থানীয় প্রশাসন রাজনীতিকেরা। সময় ওই কেন্দ্রের কর্মকর্তারাসহ বিভিন্ন ক্যাটাগরির শ্রমিকেরাও উপস্থিত ছিলেন। শ্রম কল্যাণ কেন্দ্রটি শ্রম কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন শ্রম অধিদপ্তরের অধীনস্হ। এটি মুলত একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। মোংলা বন্দর এলাকার শ্রমিক শ্রমিক পরিবারের সদস্যদের বিনামূল্যে চিকিৎসা, ওষুধ সরবরাহ, প্রজনন স্বাস্থ্য শিক্ষা, পরিবার পরিকল্পনা সেবা, চিত্তবিনোদন সেবা, পরিবার কল্যাণ শ্রমিকদের অধিকার এবং কর্তব্য সম্পর্কে সচেতনতামূলক শ্রমিক শিক্ষা প্রশিক্ষণ প্রদাণে ১৯৮০ সালে কেন্দ্রটির প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। কেন্দ্রটিতে বর্তমানে জন কর্মকর্তা/কর্মচারী সমন্বয়ে ১১ জনের জনবলে পরিচালিত হয়ে আসছে।

মানবিক সাহায্যের আবেদন,সুস্থ হয়ে সবার মাঝে ফিরতে চায় অসুস্থ শাহিন

কোটচাঁদপুর প্রতিনিধিঃ

দীর্ঘ মাস ধরে সড়ক দূর্ঘটনায় আহত হয়ে বিছানায় মানবেতর জীবনযাপন করছে ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর পৌর ৩নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা ইমতিয়াজ হোসেন শাহিন। ব্যয়বহুল চিকিৎসার জন্য সমাজের বিত্তশালীদের সহায়তা চায় তার পরিবার। আহত ইমতিয়াজ হোসেন শাহিন পৌর ৩নং ওয়ার্ডের পশু হাসপাতাল পাড়ার বাবা আঃ রশিদ মাতা তাছলিমা বেগমের এর ছেলে। জানা গেছে, শাহিন বিগত মাস আগে একটি সড়ক দূর্ঘটনায় তার শরীরের বাম পায়ে প্রচন্ড আঘাত পাই। সে সময় তার পরিবার বিভিন্ন রকম চিকিৎসা করায়।কিন্তু সঠিক চিকিৎসা প্রদান না করায় দিন দিন তার পায়ের অবস্থা অবনতি হতে থাকে। বর্তমানে শাহিন ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। পর্যন্ত শাহিনের চিকিৎসার জন্য গচ্ছিত সকল সম্পত্তি উজাড় করে দিয়েও কোন কিনারা পাচ্ছেন না তার পরিবার। বর্তমানে শাহিনের বাম পায়ের পূর্ণাঙ্গ অপারেশনের জন্য প্রায় সাড়ে লক্ষ টাকার প্রয়োজন। অর্থ সংকটের কারনে উন্নত চিকিৎসা করানো যাচ্ছে না। অসুস্থ শাহিনের মা বাবার সাথে কথা বললে তারা বলেন, নম্র, ভদ্র ভালো ছেলে হিসেবে এলাকায় শাহিনের অনেক সুনাম রয়েছে। আমাদের প্রথম সন্তান শাহিনের চিকিৎসার জন্য আমাদের পরিবারের যা কিছু ছিলো সব ব্যয় করা হয়েছে। এখন অর্থ সংকটে চিকিৎসার ব্যয় করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। মানবিকতার দৃষ্টিতে এবং আপনাদের সন্তান হিসেবে, একজন ভাই হিসেবে যার যার জায়গা থেকে যতটুকু সম্ভব সাহায্য করলে তার চিকিৎসা চালিয়ে যেতে পারবো। আমরা সমাজের মানবিক বিত্তশালীদের প্রতি অনুরোধ করবো আপনাদের সামান্য সহযোগিতায় হয়তো আমাদের সন্তানটির জীবন স্বাভাবিক হয়ে যেতে পারে। এসময় সমাজের সকল বিত্তশালীদের প্রতি বিনয়ের সাথে সাহায্যের হাত বাড়ানোর অনুরোধ জানিয়ে সাহায্যের ঠিকানা প্রদান করেন। সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা: তাছলিমা, এ্যাকাউন্ট নং-৩০৯৫০১০০০৯৫৬৪,রুপালি ব্যাংক লিঃ–কোটচাঁদপুর শাখা, কোটচাঁদপুর-ঝিনাইদহ।

বর্তমান সরকারের সময়ে সর্বস্তরের মানুষ নিরাপদ শান্তিতে বসবাস করছে:সারমিন সালাম

রূপসা প্রতিনিধি:

 খুলনা-আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদীর সহধর্মীনী, এনভয় গ্রুপের পরিচালক সারমিন সালাম বলেছেন বর্তমান শেখ হাসিনা সরকার গ্রামের তৃণমূল পর্যায়ের মানুষের উন্নয়নে বিশ্বাসী। সরকারের সময়ে সর্বস্তরের মানুষ নিরাপদ শান্তিতে বসবাস করছে। কারনে সরকারকে সর্বস্তরের জনসাধারণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে বারবার নির্বাচিত করছে। দেশের এই উন্নয়নের ধারা ধরে রাখতে পুনরায় শেখ হাসিনা সরকারকে নির্বাচিত করতে হবে। তিনি বলেন আওয়ামীলীগ সহ সকল অংগ সংগঠনের নেতাকর্মীকে দ্বিধা দন্দ্ব ভুলে দলের স্বার্থে কাজ করে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। তিনি বুধবার দুপুরে এমপি সালাম মূর্শেদীর নিজস্ব অর্থায়নে শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠান   আলো ফুটবেই মো: সালেহীন প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে শীতবস্ত্র বিতরণ কালে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন। এ  অনুষ্ঠানে শতাধিক প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীকে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।  অত্র বিদ্যালয়ের পরিচালক এস এম আলমগীর হোসেন শ্রাবনের সভাপতিত্বে জাতীয় ক্রীড়া ধারাভার্ষকর রবিউল ইসলামের পলাশের পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন রূপসা থানার অফিসার ইনচার্জ সরদার মোশাররফ হোসেন, খুলনা জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য অধ্যক্ষ ফ.ম. আ: সালাম, মি. বাংলাদেশ আজাদ আবুল কালাম, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা আফরোজ মনা, এমপি প্রধান সমন্বয়কারী নোমান ওসমান রিচি। বক্তৃতা করেন মহিলানেত্রী সাবিনা ইয়াসমিন, রিনা পারভীন, আকলিমা খাতুন তুলি, শারমিন সুলতানা রুনা, আজিজা সুলতানা, আনজুয়ারা সুমি, রিক্তা আক্তার, তাহিরা নয়ন, জেসমিন খাতুন, কানিজ ফাতেমা, হোসনেয়ারা পারভীন হেনা, ফিরোজা বেগম, তানজিলা বেগম, রেশমা বেগম, যুবলীগ নেতা মহিউদ্দিন মানিক, খান মারুফ হোসেন, সামসুল আলম বাবু, লিপিকা রানী দাস, ইলিয়াজ হোসেন, তুষার দাস, শেখ মাসুম প্রমুখ। অপরদিকে বিকালে টিএসবি ইউনিয়নের খাজাডাংগা গুলবাগ হাফেজিয়া মাদ্রাসা এতিমখানায় শিক্ষার্থী এতিমদের মাঝে এমপির নিজস্ব অর্থায়নে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে শীতবস্ত্র বিতরণ করেন এমপি পতœী, সালাম মূর্শেদী সেবা সংঘের সভাপতি সারমিন সালাম। টিএসবি ইউপি চেয়ারম্যান মো: জাহাঙ্গীর শেখের সভাপতিত্বে বক্তৃতা করেন আওয়ামীলীগ নেতা দেলোয়ার হোসেন, হাফেজ আবুল কালাম, দাউদ আলী, রবিউল ইসলাম, জ্যাকি ইসলাম সজল, শফিকুর রহমান ইমন, আরিফুল ইসলাম কাজল, খায়রুজ্জামান সজল, নাজমুল হুদা অঞ্জন, শারিরুল ইসলাম হিমেল, রিয়াজ শেখ প্রমুখ।

রূপসায় স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী পালন উপলক্ষ্যে প্রস্তুতি সভা

রূপসা   প্রতিনিধি:

যথাযোগ্য মর্যাদা উৎসব মুখর পরিবেশে মহান বিজয় দিবস স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী পালন উপলক্ষ্যে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এক প্রস্তুতি সভা গত ডিসেম্বর বুধবার  সকাল ১০ টায় অফিসার্স ক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। রূপসা উপজেলার নির্বাহী অফিসার রুবাইয়া তাছনিমের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো: কামাল উদ্দীন বাদশা। বিশেষ অতিথি ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো: সাজ্জাদ হোসেন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো: আব্দুল্লাহ যোবায়ের, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা আফরোজ মনা। বক্তৃতা করেন রূপসা থানার অফিসার ইনচার্জ সরদার মোশাররফ হোসেন, কৃষি কর্মকর্তা মো: ফরিদুজ্জামান, উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শফিকুল ইসলাম, উপজেলা প্রকৌশলী এস.এম ওয়াহিদুজ্জামান, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফারহানা ইয়াসমিন, সমাজসেবা কর্মকর্তা জেসিয়া জামান, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো: আরিফ হোসেন, সদর ইউপি চেয়ারম্যান মো: জাহাঙ্গীর শেখ, শিক্ষক বাকির হোসেন বাকু, সাবেক চেয়ারম্যান খান শাহজাহান কবীর প্যারিস, আওয়ামীলীগ নেতা আলহাজ¦ নজরুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা কাজী ইয়াহিয়া, আ: মজিদ ফকির, সন্তোষ কুমার চিন্তাপাত্র, মুনসুর আলী বিশ্বাস  প্রমুখ। উক্ত দিবসে প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত সারাদেশে একযোগে শপথ পাঠ সংক্রান্ত ব্যাপারে বিস্তারিত সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়।

নৌকাকে অবজ্ঞা করে যারা ইউপি নির্বাচনে বিজয় লাভ করেছে তাদের ক্ষমা করা হবে না: সালাম মূর্শেদী এমপি

রূপসা প্রতিনিধি:

খুলনা-আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদী বলেছেন গণতন্ত্র রক্ষার স্বার্থে নৌকার কোন বিকল্প নাই। দেশে বিএনপি তার মদদ পুষ্টরা গণতন্ত্র নষ্ট করে দেশেকে ধ্বংসের দিকে ধাবিত করেছিল। কিন্তু গত ১৩ বছর পূর্বে শেখ হাসিনা সরকার গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করে বাংলাদেশের মানুষকে মুক্ত করেছে। তিনি বলেন শেখ হাসিনা সরকারের উন্নয়নের বিকল্প নাই। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশের প্রতিটি স্তরে তৃণমূল পর্যায়ে উন্নয়নের জোয়ার বইছে। তিনি বলেন নৌকাকে অবজ্ঞা করে যারা ইউপি নির্বাচনে বিজয় লাভ করে ভাবছেন আওয়ামীলীগ তাদেরকে ডেকে নেবে তাদের সেই চিন্তাধারা কাল্পনিক ছাড়া কিছুই নয়। নৌকার বিপরীতে নির্বাচন করায় যাদেরকে দল থেকে বহিস্কার করা হয়েছিল সেই সব মীর জাফরদের আর দলে নেওয়া হবে কিনা তা নিয়ে ভাবনার বিষয় রয়েছে। তিনি গত ডিসেম্বর দুপুরে রূপসা, তেরখাদা দিঘলিয়ার আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দের সাথে নির্বাচন পরবর্তী মত বিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় কথা বলেন। খুলনাস্থ তার নিজস্ব কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্বে করেন রূপসা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো: কামাল উদ্দীন বাদশা। উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম হাবিবের পরিচালনায় বক্তৃতা করেন জেলা আওয়ামীলীগ নেতা জাহাঙ্গীর হোসেন মুকুল,আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুর মজিদ ফকির,সরদার ফেরদৌস আহম্মেদ,মোতালেব হোসেন, মোর্শেদুল আলম বাবু,কৃষ্ণ মেনন রায়,চঞ্চল মিত্র, শারাফাত হোসেন মুক্তি, জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবিএম কামরুজ্জামান, আওয়ামীলীগ নেতা আকতার ফারুক, আব্দুর গফুর খান,মিয়া আরিফ হোসেন,সাধন কুমার অধিকারী, যুবলীগ নেতা নাসির হোসেন সজল, প্রদীপ বিশ্বাস,ব্রজেন দাস,হারুন মোল্যা,প্রভাষক ওয়াহিদুজ্জামান,মাধূরী সরকার,তাহিদ মোল্যা,মুনীর হোসেন মোল্যা, আব্দুর রাজ্জাক রাজা,আব্দুল মান্নান,রুহুল আমিন রবি,রাজীব দাস সরদার জসীম উদ্দিন,রতন মন্ডল,শাহনেওয়াজ কবীর টিংকু,রতন মন্ডল,আবুল কালাম আজাদ, মনিরুল ইসলাম বুলু প্রমুখ। এর পরে এমপি সালাম মূর্শেদী রূপসা প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের সাথে মত বিনিময় করেন।

ভিভো চার বছর পূর্তিতে মেগা অফারের পুরস্কার বিতরণ

স্টাফ রিপোর্টার

মোবাইল কোম্পানী ভিভো বাংলাদেশের চার বছর পূর্তি উপলক্ষে ক্রেতাদের জন্য মেগা অফারের আয়োজন করা হয়। উপলক্ষে অনলাইন লাকী ড্র’মাধ্যমে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (ডিসেম্বর) বেলা ১২টার দিকে খুলনাস্থ রিজিওনাল অফিসে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনলাইনের মাধ্যমে জন বিজয়ীকে পুরস্কার তুলেদেন খুলনা-নারায়নগঞ্জ অঞ্চলের জেনারেল ম্যানেজার বিং হি চাইনিজ টার্মিনাল ম্যানেজার মিঃ ওয়াং। এসময় উপস্থিত ছিলেন খুলনা-নারায়নগঞ্জ চ্যানেল সেলস ম্যানেজার ক্যাসি জুলিয়া, রিজওনাল সেলস ম্যানেজার ফরহাদ ইসলাম বাবলু, রিজিওনাল টার্মিনাল ম্যানেজার রুবেল চাকলাদার প্রমুখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন অ্যাক্টিভিটি ম্যানেজার আব্দুল্লাহ আল নোমান টার্মিনাল ইমেজ ম্যানেজার জুয়েল সরদার। অনুষ্ঠানে প্রথম পুরস্কার হিসেবে নগদ এক লাখ টাকা, দ্বিতীয় পুরস্কার ৩২ ইঞ্চি এলইডি টিভি চারটি, তৃতীয় পুরস্কার মাইক্রো ওয়েভ ওভেন তিনটি ছাড়াও বিজয়ীদের মাঝে ভিভো আকর্ষনীয় পুরস্কার প্রদান করা হয়।

অমিত সাহার মৃত্যুদন্ড দাবিতে আপিল করবে আবরারের পরিবার

 কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় ২০ জনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত।  ছাড়া মামলার পাঁচ আসামির যাবজ্জীবন কারাদ- দেওয়া হয়েছে।

ট্রাইব্যুনাল ১-এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান বুধবার দুপুরে চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলায় রায় ঘোষণা করেন।

এই রায়ে আবরারের বাবা সন্তুষ্টি প্রকাশ করলেও খুশি হতে পারেননি মা রোকেয়া খাতুন।  তিনি বলেন, হত্যাকা-ের মূলহোতা অমিত সাহার মৃত্যুদ- দাবিতে আপিল করা হবে। 

বুধবার দুপুরে আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার রায় ঘোষণার পরে কুষ্টিয়া শহরের নিজ বাড়িতে এসব কথা বলেন আবরারের রোকেয়া খাতুন। সময় তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন।

আবরার হত্যা মামলার সব আসামির মৃত্যুদ- দাবি করেন রোকেয়া খাতুন বলেন, হত্যাকা-ের মূলহোতা অমিত সাহা হত্যাকা-ের সময় ঘটনাস্থলে না থাকলেও মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সে হত্যাকা-ের সব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে। অথচ তাকে মৃত্যুদ- দেওয়া হয়নি।  কীভাবে সে মৃত্যুদ- থেকে বাদ যায় আমি বুঝতে পারলাম না।  আপনারাও ভিডিও ফুটেজের মাধ্যমে দেখেছেন ২৫ আসামি প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে আবরার হত্যায় জড়িত ছিল।  কীভাবে আসামির মৃত্যুদ- থেকে বাদ গেল। 

রোকেয়া খাতুন বলেন, আববার হত্যাকা-ের মূল পরিকল্পনাকারী অমিত সাহার মৃত্যুদ-ের দাবিতে আমরা উচ্চ আদালতে আপিল করব। 

অমিত সাহা বুয়েট ছাত্রলীগের আইনবিষয়ক উপসম্পাদক পদে ছিলেন। তাকে পরে বহিষ্কার করে ছাত্রলীগ।

২০১৯ সালের অক্টোবর বুয়েটের শেরেবাংলা হলের গেস্টরুমে আসামি কতিপয় ছাত্রলীগ নেতা সভা করে বুয়েটের ১৭তম ব্যাচের ছাত্র আবরারকে হত্যার সিদ্ধান্ত নেয়। পর দিন রাতে তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। আবরার হত্যার ঘটনায় তার বাবা মো. বরকত উল্লাহ বাদী হয়ে ২০১৯ সালের অক্টোবর রাজধানীর চকবাজার থানায় মামলা করেন।

আজ রায় ঘোষণার সময় ২২ আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। বাকি তিন আসামি এখনও পলাতক রয়েছে।

মৃত্যুদ-প্রাপ্ত আসামিরা হলেন, মেহেদী হাসান রাসেল, মো. অনিক সরকার, মেহেদী হাসান রবিন, ইফতি মোশাররফ সকাল, মো. মনিরুজ্জামান মনির, মো. মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন, মো. মাজেদুর রহমান মাজেদ, মো. মুজাহিদুর রহমান, খন্দকার তাবাককারুল ইসলাম তানভীর, হোসাইন মোহাম্মদ তোহা, মো. শামীম বিল্লাহ, এএসএম নাজমুস সাদাত, মোর্শেদ অমর্ত্য ইসলাম, মুনতাসির আল জেমি, মো. শামসুল আরেফিন রাফাত, মো. মিজানুর রহমান, এসএম মাহমুদ সেতু, মোর্শেদুজ্জামান জিসান, এহতেশামুল রাব্বি তানিম মোস্তবা রাফিদ। এর মধ্যে শেষে তিনজন পলাতক রয়েছে। যাবজ্জীবন কারাদ-প্রাপ্তরা হলেন, অমিত সাহা, মুহতাসিম ফুয়াদ হোসেন, মো. আকাশ হোসেন, মুয়াজ আবু হুরায়রা, ইশতিয়াক আহমেদ মুন্না।

ভাইয়ের লাশ দেখেই মারা গেলেন বোন

 চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলায় ছোট ভাইয়ের লাশ দেখতে এসে মারা গেলেন বড় বোন। বুধবার ভোরে উপজেলার সোনাতুনপুর গ্রামে ঘটনা ঘটে। মৃত ভাইবোন হলেন, আবদুল মান্নান (৪০), ওই গ্রামের মৃত কাঙালি ম-লের ছেলে বোন বেনী খাতুন (৪৫), চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার আমিরপুর গ্রামের আমজাদ হোসেনের স্ত্রী। জানা গেছে, আলমডাঙ্গার জেহালা ইউনিয়নের সোনাতুনপুর গ্রামের মৃত কাঙালি ম-লের ১০ সন্তান। চতুর্থ ছেলে আবদুল মান্নান স্ট্রোক করলে তাকে ১৯ দিন আগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেলে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তিনি মারা যান। তার লাশ বুধবার ভোরে আলমডাঙ্গার নিজ গ্রাম সোনাতুনপুরে আনা হয়। তাকে শেষবারের মতো দেখতে আসেন তার সেজ বোন বেনী খাতুন। ভোর ৫টার দিকে ভাই আবদুল মান্নানের মৃত মুখ দেখার সঙ্গে সঙ্গে তিনিও স্ট্রোক করেন। তাকে পাশের একটি ক্লিনিকে নেওয়া হলে সেখানকার চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

স্থানীয় জেহালা ইউপি চেয়ারম্যান আমিনুল হক রোকন যুগান্তরকে বলেন, ভাই আবদুল মান্নান মারা গেছেন জানতে পেরে তার সেজ বোন বেনী খাতুন ভোরে দেখতে আসেন। মুখ দেখার সঙ্গে সঙ্গে বেনী খাতুন চেয়ার থেকে পড়ে গিয়ে জ্ঞান হারান। এর পরই ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

চাষি সেজে ভুট্টাক্ষেতে লুকিয়ে ছিলেন সাজাপ্রাপ্ত আসামি

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

একটি চেক প্রতারণা মামলায় চার মাসের সাজা হয় আরমানের (৩৬)সেই সাজা থেকে বাঁচতেই চাষি বেশে ভুট্টা ক্ষেতে লুকিয়ে ছিলেন তিনি। তাতেও শেষ রক্ষা হয়নি তার। ভুট্টাক্ষেত থেকেই তাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার (ডিসেম্বর) বিকেলে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার কতুবপুর ইউনিয়নের হাসানহাটি এলাকায় ঘটনা ঘটে। গ্রেফতার আরমান চুয়াডাঙ্গার হাসানহাটিন গ্রামের মৃত আবুল কবিরাজের ছেলে। চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসীন এতথ্য নিশ্চিত করেছেন। পুলিশ জানায়, আরমান একটি চেক প্রতারণা মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি। শনিবার (ডিসেম্বর) তার চার মাস কারাদ- এবং দেড় লাখ টাকা অর্থদ- দেন চুয়াডাঙ্গা যুগ্ম জেলা দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালত। এরপর থেকেই তিনি পলাতক ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার বিকেলে হাসানহাটি এলাকায় তার বাসায় অভিযান চালালে তিনি পালিয়ে যান। এরপর পার্শ্ববর্তী একটি ভুট্টা ক্ষেতে গেলে তাকে পাওয়া যায়। এসময় তিনি চাষি সেজে সেখানে লুকিয়ে ছিলেন।

লোহাগড়ায় আ.লীগ বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ

নড়াইল প্রতিনিধি

নড়াইলের লোহাগড়ায় দুই ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। নলদী ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন সামনে রেখে বুধবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে মিঠাপুর বাজারে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদসহ উভয় পক্ষের অন্তত চারজন আহত হয়েছেন। আবুল কালাম আজাদ গত ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে নৌকা প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন। এবার মনোনয়নবঞ্চিত হয়ে তিনি দলের বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন। চতুর্থ ধাপে ডিসেম্বর ইউপি নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হবে। বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদসহ উভয় পক্ষের অন্তত চারজন আহত হয়েছেন। পুলিশ প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, মিঠাপুর বাজারে আওয়ামী লীগের মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম বিশ্বাস (নৌকা প্রতীক) এবং বিদ্রোহী প্রার্থী আবুল কালাম আজাদের (আনারস প্রতীক) নির্বাচনী কার্যালয় পাশাপাশি অবস্থিত। আবুল কালাম আজাদের সমর্থকেরা নৌকার নির্বাচনী কার্যালয়ের সামনে দিয়ে মোটরসাইকেলে যাচ্ছিলেন। সময়ে উভয় পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে উসকানিমূলক কথাবার্তার একপর্যায়ে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে লাঠি ইটপাটকেল ব্যবহার করেন উভয় পক্ষের সমর্থকেরা।

আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘আমি নামাজ পড়ে আমার নির্বাচনী কার্যালয়ের সামনে এসে দাঁড়ালেই জাহাঙ্গীর আলমের সমর্থকেরা আমার আমার সমর্থকদের ওপর হামলা করে। লাঠি দিয়ে আমার মাথায় বাড়ি মারে।’ নৌকার প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘আবুল কালাম আজাদের লোকজন আমার নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা করলে সংঘর্ষ হয়।’ লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আবু হেনা বলেন, উভয় পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে ছোটখাটো সংঘর্ষ হয়েছে। ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।