Home আঞ্চলিক সারা খুলনা অঞ্চলের খবরা খবর

সারা খুলনা অঞ্চলের খবরা খবর

4

খুলনা বিএনপির প্রস্তুতি সভা আজ

খবর বিজ্ঞপ্তি

ঘূর্নিঝড় ইয়াসের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্থ উপকূলীয় এলাকায় ত্রান কার্যক্রম পরিচালনায় খুলনা মহানগর ও জেলা বিএনপির যৌথ প্রস্তুতি সভা আজ (২ জুন) বুধবার বেলা ১২টায় বিএনপি কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে। সভায় খুলনা মহানগর ও জেলা বিএনপির কার্যকারী কমিটি, থানা, ওয়ার্ড অংগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দদের উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু, জেলা সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা ও মহানগর সাধারন সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি, জেলা সাধারন সম্পাদক আমির এজাজ খান।

জনগণের সরকার ক্ষমতায় আসলে সব গুম-খুনের বিচার করা হবে: মঞ্জু

০ খবর বিজ্ঞপ্তি

আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা দখল করার পর গুমের সাথে পরিচয় হয়েছে বাংলাদেশের। এর আগে বাংলাদেশের মানুষ ‘গুম’ কি জিনিস জানতো না। জনগণের সরকার ক্ষমতায় আসলে সব গুম-খুনের বিচার করা হবে। কথাগুলো বলেছেন বিএনপি কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও খুলনা মহানগর সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু। মঙ্গলবার (১ জুন) দুপুরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪০তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপি কর্মী আবুল কালাম আজাদ বাবুর স্ত্রী ও দুই পূত্র সন্তানের হাতে খুলনা মহানগর বিএনপির পক্ষ থেকে সেলাই মেশিন তুলে দেয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন।

গুমের শিকার রাজনৈতিক ভিন্নমতের কারণে দেশে প্রতিনিয়ত গুমের ঘটনা ঘটছে। এটা মানবতাবিরোধী অপরাধ। বিএনপি চেষ্টা করছে গুম হওয়া পরিবারগুলোর পাশে থাকার। একদিন না একদিন এর বিচার হবেই বলে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের আশ্বাস দিয়ে মি. মঞ্জু আরও বলেন, যে দেশের স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করেছি। সেই দেশে যুবকরা রাজনীতি করার কারণে গুম হয়ে যাচ্ছে। তাদের পরিবার জানে না তারা কোথায় আছে কি করছে। শিশু সন্তানরা জানে না তাদের বাবা কোথায় আছেন। তাদের পরিবারের লোকরা এখনও হররোজ অপেক্ষা করছেন বোধহয় বাসায় ফিরবেন। কিন্তু দুর্ভাগ্য এই সরকার যারা দাবি করে যে তারা জনগণের প্রতিনিধি তারা শুধু শক্তি দিয়ে রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে জনগণের ওপর নির্যাতন করে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে আছে। সেলাই মেশিন প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন সদর থানা বিএনপির সাধারন সম্পাদক অধ্যাপক আরিফুজ্জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক ইউসুফ হারুন মজনু, কাউন্সিলর মাজেদা বেগম, ওয়ার্ড সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ূন কবির, ছাত্রনেতা ইমরান হোসেন, আব্দুল আহাদ শাহীন, শেখ আল মামুন, ফাহমিদ মৃদুল প্রমুখ।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালর ভোট ডাকাতির জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর নগরীর ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাশেম নগর এলাকা থেকে ডিবি পরিচয়ে তুলে নিয়ে গুম করা হয় বিএনপি কর্মী আবুল কালাম আজাদ বাবুকে।

সিপিবি’র নেতা কমরেড নুরুজ্জামান বাচ্চুর ২১তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

খবর বিজ্ঞপ্তি

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)’র জেলা কমিটির অন্যতম নেতা ও বিশিষ্ট শ্রমিকনেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা কমরেড নুরুজ্জামান বাচ্চু’র ২১তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে খুলনায় সিপিবি’র উদ্যোগে এক আলোচনা সভা ও শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠান আজ সন্ধ্যা ৭টায় দলের জেলা ও মহানগর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। সিপিবি’র কেন্দ্রীয় সদস্য ও খুলনা জেলা সভাপতি ডাঃ মনোজ দাশের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ও আলোচনা করেনÑকেন্দ্রীয় সদস্য এস এ রশীদ, জেলা সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. এম এম রুহুল আমিন, মহানগর সভাপতি এইচ এম শাহাদাৎ, সিপিবি নেতা সুতপা বেদজ্ঞ, বীর মুক্তিযোদ্ধা নিতাই পাল, মিজানুর রহমান বাবু, টিইউসি মহানগর সভাপতি রঙ্গলাল মৃধা, যুব ইউনিয়ন নেতা অ্যাড. নিত্যানন্দ ঢালী, আফজাল হোসেন রাজু, হরষিৎ ম-ল প্রমুখ। আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, কমরেড নুরুজ্জামান বাচ্চু ছিলেন একজন সংগ্রামী ও সাহসী নেতা। তিনি খুলনা অঞ্চলে শ্রমিক আন্দোলনকে ত্বরান্বিত করার জন্য অনেক ভূমিকা রেখেছেন। পার্টির জন্য তিনি ছিলেন একজন নিবেদিত আজীবন কর্মী। খুলনায় কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)-কে গড়ে তোলার জন্য নিবেদিত হয়ে কাজ করেছেন। বক্তারা এই সংগ্রামী নেতাকে অনুসরণ করে পার্টিকে সামনের দিকে এগিয়ে নেয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

পাইকগাছায় ঘূর্ণিঝড় ইয়াসে ক্ষতিগ্রস্থ বেড়িবাঁধ পরিদর্শনে জেলা আওয়ামী লীগ নেতা জামাল

খবর বিজ্ঞপ্তিঃ

ঘূর্ণিঝড় ইয়াসে ক্ষতিগ্রস্থ পাইকগাছা উপজেলার গড়ইখালী ইউনিয়নের কুমখালীস্থ বেড়িবাঁধ গতকাল পরিদর্শন করেন খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও জেলা যুবলীগ সভাপতি মোঃ কামরুজ্জামান জামাল। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্থ বেড়িবাঁধের মেরামত সামগ্রী স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের নিকট হস্তান্তর করেন। এরপর তিনি কপিলমুনি ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি কৃষ্ণেন্দু দত্তের পিতার মৃত্যুতে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাতে কপিলমুনিস্থ বাসভবণে যান। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য শিউলি সরোয়ার, মোঃ জামিল খান, পাইকগাছা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য সচিব ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান রশিদুজ্জামান মোড়ল, যুবনেতা জলিল তালুকদার, বিধান চন্দ্র রায়, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইমরান হোসেন, গড়ইখালী ইউপি চেয়ারম্যান রুহুল আমিন বিশ্বাস, কপিলমুনি ইউপি চেয়ারম্যান কওসার আলী জোয়াদ্দার, গড়ইখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম আয়ুব আলী, জহির রায়হান, প্রণব মন্ডল, মোঃ কবির হোসেন, রবিউল ইসলাম মেম্বর, আক্তার হোসেন সানা, আক্তার হোসেন গাইন, চিশতি নাজমুল, ফাইমিন সরদার, বাপ্পারাজ মোড়ল, রাহাত বিশ্বাস, শেখ ইসা, মোঃ বাদশা বিশ্বাস, অসিত মন্ডল, বাদশা আলম, সাফায়েত হোসেন হিরো, সুমন, ইসমাইল মৃধা ইমন, নাফিজ, জয়, সাজু, আবির, কঙ্কন, আরাফাত, রানা প্রমুখ ।

৬৯তম জন্মদিনে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক’কে ফুলেল শুভেচ্ছা

খবর বিজ্ঞপ্তি

৬৯তম জন্মদিনে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক’কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ, কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর, সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থা, সামাজিক সংগঠনসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ আজ মঙ্গলবার দিনব্যাপী নগর ভবনে তাঁকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তারা সিটি মেয়রের সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।

খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা, নর্থ-ওয়েস্টার্ণ ইউনিভার্সিটির ট্রেজারার প্রফেসর সুধির কুমার পাল, আহছান উল্লাহ কলেজের অধ্যক্ষ শহিদুল হক মিন্টু, খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মুন্সী মো: মাহবুব আলম সোহাগ, মহানগর যুবলীগের সভাপতি শফিকুর রহমান পলাশ প্রমুখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

সিটি মেয়রের শোক

খবর বিজ্ঞপ্তি

খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিষ্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) ডা. খন্দকার মাজহারুল আনোয়ার-এর মাতা মোসাম্মাৎ মাহমুদা বেগম-এর ইন্তেকালে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। শোক বার্তায় সিটি মেয়র মরহুমার রূহের মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান।

১৭ লক্ষ কোটি টাকার বিকল্প বাজেট অর্থনীতি সমিতির

খবর বিজ্ঞপ্তি

২০২১-২২ সালের জন্য উন্নয়ন ও পরিচালন মিলিয়ে ১৭ লক্ষ ৩৮ হাজার ৭১৬ কোটি টাকার বিকল্প বাজেট ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি, যা সরকারের বিদায়ী অর্থবছরের বাজেটের ৩ দশমিক ০৩ গুণ বেশি। সরকারের উন্নয়ন ও পরিচালন ব্যয় বাজেটের বর্তমান অনুপাত যেখানে ৩৮:৬২, সেখানে সমিতির এবারের বিকল্প বাজেটে তা ৬৯:৩১।

রাজস্ব বাড়ানোর নতুন ২৮টি উপায় দেখিয়ে কোভিড-১৯ মহামারির বিপর্যস্ত অবস্থার মধ্যে মঙ্গলবার এক ভারচ্যুয়াল সংবাদ সম্মেলনে বিকল্প বাজেট প্রস্তাব তুলে ধরেন সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. আবুল বারকাত। আগামী বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে ২০২০-২১ অর্থবছরের খসড়া বাজেট প্রস্তাব করবেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

অর্থনীতি সমিতির প্রস্তাবে আয়

কভিড-১৯ ও আর্থ-সামাজিক মন্দা থেকে উত্তরণে সমিতির এবারের সামাজিক মন্দা থেকে করোনাভাইরাসের অভিঘাত মোকাবিলা এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে সরকারের আয় বাড়াতে হবে এবং সম্ভাব্য কীভাবে তা বাড়তে পারে, তা নিয়ে বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি ২৮টি নতুন উৎসের কথা বলেছে। অর্থমন্ত্রী কর্তৃক পেশকৃত চলমান ২০২০-২১ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে মোট রাজস্ব ধরা হয়েছিল ৩ লাখ ৮২ হাজার ১৩ কোটি টাকা। আর বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি থেকে আসন্ন ২০২১-২২ অর্থবছরে এই আয় ৩ দশমিক ৩ গুণ বেশি বৃদ্ধি করে ১৭ লক্ষ ৩৮ হাজার ৭১৬ কোটি টাকা প্রস্তাব করেছে। সুযোগ থাকার পরও সরকার নজর না দেওয়া তিনটি খাতÍ অতিরিক্ত মুনাফা, কালো টাকা ও অর্থ পাচার থেকে সমিতি সবচেয়ে বেশি আয় (৪ লক্ষ ৪৩ হাজার ৮৬৪ কোটি টাকা) দেখিয়েছে।

অর্থনীতি সমিতির প্রস্তাবে ব্যয়

সমাজ ও অর্থনীতির কোন কোন খাত ও ক্ষেত্রে জোর দিতে হবে এবং পেছনের যুক্তি কী তা তুলে ধরে সমিতির বিস্তারিত ব্যাখ্যা-বিশে¬ষণে বলেছে, শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে ২ লাখ ২ হাজার ১২৪ কোটি টাকা, স্বাস্থ্য খাতে ১ লাখ ৩৭ হাজার ১২৪ কোটি টাকা, সামাজিক নিরাপত্তা ও কল্যাণ খাতে ৩ লাখ ৩০ হাজার ৯০০ কোটি টাকা, ৫ হাজার ৫০০ কোটি টাকা পরিচালন বরাদ্দ দিয়ে ‘গণপরিবহণ ও গবেষণা ও বিচ্ছুরণ’ নামে দুটি মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দিয়েছে। জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে ২ লাখ ২৬ হাজার ১১৪ কোটি টাকা, পরিবহন ও যোগাযোগ খাতে ১ লাখ ৫০ হাজার ৭০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।

অধ্যাপক বারকাত বলেন, “আমাদের প্রস্তাবনায় বাজেটের ব্যয় বরাদ্দ কাঠামোতে গুণগত রূপান্তর ঘটবে। উন্নয়ন বাজেট হবে পরিচালন বাজেটের চেয়ে অনেক বেশি, যা এখন ঠিক উল্টো। এখন উন্নয়ন-পরিচালন বাজেট বরাদ্দের অনুপাত ৩৮:৬২, যা আমাদের প্রস্তাবিত বাজেটে হবে ৬৯:৩১। চলতি অর্থবছওে সরকারের মোট আয় (প্রাপ্তি) ছিল ৩ লাখ ৮২ হাজার ১৩ কোটি টাকা। পক্ষান্তরে বিকল্প বাজেটে এই প্রাপ্তি প্রস্তাব করা হয়েছে ১৬ লাখ ৩ হাজার ৭১৬ কোটি টাকা। রাজস্ব আয়ে প্রত্যক্ষ কর অনুপাত ৪৮: ৫২ শতাংশের বিপরীতে সমিতির বাজেটে তা ৮৪: ১৬ শতাংশ।

সমিতির বাজেটে নতুন খাত/ উপখাত সংযোজন করা হয়েছে, যার মধ্যে অন্যতম হলোÍ দুটি মন্ত্রণালয় গণপরিবহন মন্ত্রণালয় এবং গবেষণা ও বিচ্ছুরণ মন্ত্রণালয়। ১০টি নতুন বিভাগের অন্যতম হলো স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা বিভাগ, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রবীণ হিতৈষী বিভাগ, দরিদ্র-বিত্তহীন-নিম্নবিত্ত-নিম্নমধ্যবিত্ত মানুষের জীবন কুশলতা উন্নয়ন বিভাগ, গ্রামীণ নারী-দরিদ্র- বিত্তহীন-নি¤œবিত্ত-নি¤œমধ্যবিত্ত নারীপ্রধান খানার জীবন কুশলতা উন্নয়ন বিভাগ ।

অর্থনীতি সমিতির সাধারণ সম্পাদক ড. জামালউদ্দিন আহমেদ বলেন, “আমরা ২০১৫ সাল থেকে এই বিকল্প বাজেট দিয়ে আসছি, এটা আমাদের সপ্তম বাজেট। আশা করি সরকার আমাদের এই বাজেট প্রস্তাব বিবেচনা করে দেখবে।”

রূপসায়  গ্রাহকরা সময় মতো বিদ্যুৎ বিল না পাওয়ায় বকেয়াসহ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্নের সমস্যায় পড়ছে

রূপসা প্রতিনিধি ঃ

পূর্ব রূপসা বাগমারা,রূপসা বাজার, বীর শ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন সড়ক এর (ওজাপাডিকো)বিদ্যুত ব্যবহারকারী গ্রাহকেরা প্রতি মাসের বিদ্যুৎ বিলের কাগজ হাতে না পাওয়ায় অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। 

খোঁজ নিয়ে জানা যায়  আগে উক্ত এলাকায় প্রতি মাসের ২০/২২ তারিখের মধ্যে বিদ্যুৎ বিল গ্রাহকদের হাতে পৌঁছে যেতো।বিল পরিশোধের সময়সীমা  মাসের ২৮/৩০ তারিখ পর্যন্ত থাকায় গ্রাহকদের তেমন সমস্যা হতো না।কিন্তু কয়েকমাস যাবৎ গ্রাহকেরা সময়মতো বিল হাতে পাচ্ছে না।বিল সরবরাহকারী ব্যক্তির কাছে বিল চাইলে বলে বিল আসেনি,আসলে দিবোনি। এছাড়া বিল পরিশোধের ১/২ আগে অনেকে বিল হাতে পেয়ে থাকে অনেকে এ অভিযোগ করেছেন। অনেকে ৫/৬ মাস বিল না পাওয়ায়  বিল বকেয়া হওয়ায় বিদ্যুৎ  বিভাগের কর্মকর্তারা বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়ে গেছে।এ ব্যপারে ভুক্তভোগী একজন গ্রাহক বলেন ৫/৬ মাস বিল দিয়ে যায় না,বিল প্রদানকারী ঐ লোকের সাথে  দেখা হলে বিল চাইলে বলে আপনার বিল আসেনি, বিল আসলে আমি দিয়ে আসবানি।এভাবে তার বিল ৫/৬ মাস বকেয়া হওয়ায় আজ তার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে। গরীব ঐ গ্রাহক এতো টাকা একসাথে কিভাবে যোগাড় করবে,সংযোগ দিতে শহরে বিদ্যুৎ বিতরণ অফিসে এসে বিলের ঝামেলা মেটাতে হবে,পরিশোধের কপি দেখিয়ে  লাইনম্যানের সহযোগিতায় খরচ করে তারপর সংযোগ পাবে।

এলাকাবাসী বিদ্যুৎ বিল নিয়ে নানা রকম হয়রানির শিকার হচ্ছে।এর সমাধান তারা চায়।

মঙ্গলবার ৫৯ জনের মধ্যে ৩৩ জন সনাক্ত, সংক্রমণ বাড়তে থাকায় মোংলায় জেলা প্রশাসনের জরুরী বৈঠক ও নির্দেশনা

মোংলা প্রতিনিধি

মোংলায় করোনা সনাক্তের হার হু হু করে বেড়েই চলেছে। মঙ্গলবার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনা উপসর্গ নিয়ে ৫৯ জন নমুনা পরীক্ষা করান। এরমধ্যে ৩৩ জনের করোনা পজেটিভ সনাক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ জীবিতেষ বিশ্বাস। মঙ্গলবারের রিপোর্ট অনযায়ী শতকরা সনাক্তের হার ৫৫.৯৩ ভাগ। এর আগে গত শনিবার ৪২ জনের মধ্যে ৩১ জন ও শুক্রবার ২২ জনের মধ্যে ১৬ জন সনাক্ত হয়েছেন।

এদিকে সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বাড়াতে থাকায় এবং চলমান কঠোর বিধি নিষেধ বাস্তবায়নের জন্য মঙ্গলবার বিকেলে মোংলায় জরুরী বৈঠক করেছেন বাগেরহাট জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আজিজুর রহমান ও সিভিল সার্জন ডাঃ কে, এম হুমায়ুন কবির। বিকেলে উপজেলা অফিসার্স ক্লাবে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে করোনা সংক্রমণ রোধে করণীয় নিয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বাগেরহাট জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আজিজুর রহমান, সিভিল সার্জন ডাঃ কে,এম হুমায়ুন কবির, উপজেলা নির্বাহী অফিসার কমলেশ মজুমদার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) নয়ন কুমার রাজবংশী, পৌর মেয়র শেখ আঃ রহমান, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ ইকবাল বাহার চৌধুরী, সাংবাদিক ও জনপ্রতিনিধিসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার লোকজন উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আজিজুর রহমান বলেন, বৈঠকে যেটি উঠে এসেছে সেটি হলো এখানে স্বাস্থ্য বিধি ও সামাজিক দূরত্ব না মানা এবং মাস্ক ব্যবহারে অনিহা রয়েছে। যার কারণে আগের তুলনায় সংক্রমণের হার বেড়েছে। এখানে ভারতীয় ভেরিয়েন্ট এর অস্তিত্বের কোন তথ্য এই মুহুর্তে আমাদের কাছে নাই। তবে করোনা সংক্রান্ত বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছে, যেহেতু এখানে মোংলা বন্দর রয়েছে, বিদেশীদের সমাগম আছে, তারা স্থানীয় হাট-বাজারে ঘুরছে, কেনাকাটা করছে সেকারণে সংক্রমণ ছড়াতে পারে।

আর জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ কে, এম হুমায়ুন কবির বলেন, সংক্রমণের প্রথম কারণ হিসেবে ধারণা করা হচ্ছে, এ বন্দরে বিদেশী জাহাজ আসছে সেখানে এখানকার লোকজন যাওয়া আসা করছে। দ্বিতীয় হলো মোংলা নদীর খেয়া পারাপারে ভিড়-গাদাগাদি ও তৃতীয়তো হলো ঈদের সময় দেশের বিভিন্নস্থান থেকে এখানে লোকজন এসেছে। এ সব কারণেই এখানে সংক্রমণের হার মুলত বাড়ছে।

জেলা প্রশাসক ও সিভিল সার্জন উভয়ই এ পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য চলমান কঠোর বিধি নিষেধ শতভাগ বাস্তবায়নে স্থানীয় সংশ্লিষ্টদের পরামর্শ ও নির্দেশনা দিয়েছেন।

এদিকে চলমান কঠোর বিধি নিষেধের তৃতীয় দিনে মোংলায় তা ঢিলেঢালাভাবে মানতে দেখা গেছে। শহরে লোকজন ও যানবাহনের চলাচল ছিলো প্রথম দিনের তুলনায় বেশি। কোথাও কোথাও দোকানপাট খোলা রাখতে দেখা গেছে। পৌর শহরের প্রধান কাঁচা, মুদি ও মাছ-মাংসের দোকানের অধিকাংশ লোকজনকে দেখা গেছে মাস্ক বিহীন, গাদাগাদি চলাচল করতে।

২০২১-২২ বাজেটে কৃষি খাতে উন্নয়ন বাজেটের ৪০% বরাদ্দের দাবীতে সমাজতান্ত্রিক ক্ষেতমজুর ও কৃষক ফ্রন্ট-এর স্মারকলিপি প্রদান

খবর বিজ্ঞপ্তি

আসন্ন ২০২১-২২ অর্থ বছরের বাজেটে কৃষি খাতে উন্নয়ন বাজেটের ৪০% বরাদ্দের দাবীতে মঙ্গলবার বেলা ১১টায় সমাজতান্ত্রিক ক্ষেতমজুর ও কৃষক ফ্রন্ট, খুলনা জেলা শাখার উদ্যোগে খুলনা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে অর্থমন্ত্রী বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। স্মারকলিপি বলা হয়, মহামারী করোনার আঘাতে গোটা বিশ্বেরমত আমাদের অর্থনীতিও মারাত্মক সংকটে নিপতিত, তখন কৃষিই একমাত্র খাত যা আমাদের দেশের অর্থনীতির চালিকা শক্তি হিসেবে কাজ করছে। চরম অবহেলার পরও এখন জিডিপি’র ১৪% কৃষিখাত থেকে আসে। দেশে মোট শ্রমশক্তির ৫৪৬ কৃষিতে নিয়োজিত রয়েছে। অথচ এ খাতটি বাজেটে বরাদ্দসহ নানাদিক থেকে অবহেলিত। করোনাকালে যখন অনেকে ভেবেছিল দেশে খাদ্য নিরাপত্তা হুমকিতে পড়তে তখন দেশের কৃষক-ক্ষেতমজুরা অক্লান্ত পরিশ্রম করে দেশের খাদ্য উৎপাদন অব্যাহত রেখে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত রেখেছে। সেই কৃষকের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। সেজন্য কৃষক সমাজকে রক্ষা করতে সমাজতান্ত্রিক ক্ষেতমজুর ও কৃষক ফ্রন্ট, খুলনা জেলা শাখার পক্ষ থেকে কতিপয় দাবী পেশ করা হয়। দাবীসমূহÑ(১) আসন্ন বাজেটে কৃষি খাতে উন্নয়ন বাজেটের ৪০% বরাদ্দ করা (২) প্রতি ইউনিয়নে ক্রয়কেন্দ্র খুলে খোদ কৃষকদের কাছ থেকে লাভজনক দামে কমপক্ষে ৫০ লক্ষ টন ধান ক্রয়ের ব্যবস্থা করা (৩) প্রতি ইউনিয়নে কমপক্ষে ১ কোটি টাকা বরাদ্দ করে শস্য সংরক্ষণের জন্য গোডাউন/সাইলো নির্মাণ করা (৪) সার, বীজ, সেচ, ডিজেল, বিদ্যুৎ, কীটনাশকসহ কৃষি উপকরণে দাম কমানো ও ভর্তুকী প্রদান করা (৫) সকল দুস্থ, গরীব, হতদরিদ্র মানুষকে ভিজিএফ, ভিজিডি, কাবিকা, বিধবাভাতা, বয়স্ক ভাতার আওতায় আনা ও বরাদ্দের পরিমাণ বাড়ানো। সারা বছর ১০টা কেজি দরে ওএমএস কার্যক্রম চালু রাখা (৬) গ্রাম-শহরে শ্রমজীবী মানুষের জন্য আর্মি রেটে রেশন চালু করা (৭) করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক-ক্ষেতমজুরদের আর্থিক প্রণোদনা প্রদান এবং (৮) সার্টিফিকে মামলা প্রত্যাহার, ১০ হাজার পর্যন্ত কৃষি ঋণ সুদসহ মওকুফ করা, করোনাকালীন এনজিও ঋণ মওকুফ করা। স¥ারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেনÑসমাজতান্ত্রিক ক্ষেতমজুর ও কৃষক ফ্রন্ট, খুলনা জেলা শাখার আহ্বায়ক প্রলয় মজুমদার, সংগঠক রবীন ম-ল, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট, খুলনা জেলা সবাপতি আব্দুল করিম, কোষাধ্যক্ষ কোহিনুর আক্তার কণা, আইন বিষয়ক সম্পাদক অজয় মজুমদার প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

খুলনায় নির্ভীক সাংবাদিক তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়ার ৫২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

খবর বিজ্ঞপ্তি

দৈনিক ইত্তেফাকের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক নির্ভীক সাংবাদিক তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়ার ৫২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে খুলনায় আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বাদ আসর নগরীর মানিক মিয়া শপিং কমপ্লেক্স ও ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন মো. হায়দার আলী হাওলাদার।

এতে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের সাংবাদিকতার জগতে মানিক মিয়া পথিকৃতের ভূমিকা পালন করেছিলেন। তিনি আমৃত্যু পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর শোষণ ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন। । তাঁর ক্ষুরধার লেখনি পাকিস্তানি স্বৈরশাসকের ভীত কাপিয়ে দিয়েছিল।

মোহাম্মদ আব্দুল মজিদের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বক্তৃতা করেন অ্যাডভোকেট ড. জাকির হোসেন, অ্যাডভোকেট আ খ ম মহাসিন, অ্যাডভোকেট মো. আব্দুল মজিদ, আব্দুর রাজ্জাক ভূুইয়া, আব্দুস সামাদ, জুয়েল হাওলাদার, ইকবাল হোসেন, আব্দুল হালিম, মো. মনির হোসেন, ডালিম চৌকিদার, সোহেল হাওলাদার, বাবু হাওলাদার, মেহেদী হাসান, নুরুল ইসলাম প্রমুখ। পরে স্থানীয় বায়তুন নাজাত জামে মসজিদে মরহুম সাংবাদিক তোফাজ্জল হোসেন মানিক রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪০তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে দৌলতপুর থানা মহিলা দলের অনুষ্ঠান

খবর বিজ্ঞপ্তি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম-এর ৪০তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উদযাপনের লক্ষে দৌলতপুর থানা, মহিলা দলের উদ্যোগে গতকাল বিকাল ৫ ঘটিকায় দৌলতপুর থানার বীনাপানি স্কুলের সামনে আলোচনা  সভা, দোয়া মাহফিল ও দুস্থদের মাঝে খাদ্য বিতরণ করা হয়। দৌলতপুর থানা মহিলা দল নেত্রী সাথী আমিনের সভাপতিত্বে ও কাকলী আক্তার এর পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর মহিলা দলের সভানেত্রী সৈয়দা রেহানা ঈসা। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মিসেস রোকেয়া ফারুক, আনজিরা বেগম, কাওছারী জাহান মঞ্জু, লাইলা আঞ্জুমান বানু, মঞ্জুয়ারা বেগম, তসলিমা সোবহান, চমন আক্তার, ইসমত আরা কাকন, ফিরোজা বেগম, ছালমা বেগম, কনা বেগম, রাবেয়া বেগম, জেসমিন আক্তার, ঝর্ণা বেগম, সুফিয়া আক্তার, আকাশি বেগম প্রমুখ।

যশোরের চুরি যাওয়া ইজিবাইক উদ্ধার, আটক ২

যশোর অফিস

চুরি যাওয়া ইজিবাইক উদ্ধারসহ পুলিশ সাদ্দাম হোসেন (৩০) খোকনকে (৩০) নামে আন্তঃজেলা চোরচক্রের দুই সদস্যকে আটক করেছে। সোমবার দিবাগত রাতে খুলনার শঙ্খমহল সিনেমা হলের পাশ থেকে তাদের আটক করা হয়।

সাদ্দাম খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার বারাকপুর গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে ও খোকন কুষ্টিয়ার কুমারখালি উপজেলার শিলাইদহ গ্রামের কিবরিয়ার  ছেলে।

এসআই সেকেন্দার বলেন, গত ২০ মে সন্ধ্যার দিকে যশোর শহরের বকচর এলাকার রফিকুল ইসলামের ইজিবাইকটি চুরি হয়। তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে ১১ দিনের মাথায় চোর চক্রকে চিহ্নিত করে চোরাই ইজিবাইকটি উদ্ধারসহ দুইজনকে আটক করি। এরা দুজনই আন্তঃজেলা চোরচক্রের সদস্য।

যশোর জেনারেল হাসপাতালের নয়া সুপার আক্তারুজ্জামান

যশোর অফিস

যশোর জেনারেল হাসপতালের তত্ত্বাবধায়ক (সুপার) হিসাবে যোগদান করেছেন ডাক্তার মোঃ আক্তারুজ্জামান। মঙ্গলবার সকালে তিনি দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। এর আগে তিনি ঢাকায় ডিজি অফিসে সহকারী পরিচালক ও ঝিনাইদহে সংযুক্ত ছিলেন।

নয়া তত্ত্বাবধায়ক আকতারুজ্জামান ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার হাড়িহাটা গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান। ২৫তম বিসিএসে তিনি যশোরের কেশবপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মেডিকেল অফিসার হিসেবে যোগ দেন। এর পরে তিনি যশোরের বাঘারপাড়ার উপজেলার পরিবার পরিকল্পনা ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এবং যশোর জেনারেল হাসপাতালে দায়িত্ব পালন করেছেন।

নাক কান গলা ও মেডিসিনে বিশেষজ্ঞ এই চিকিৎসক বলেন, হাসপাতালে পূর্বসুরীদের উন্নয়ন কাজের ধারাবাহিকতা রক্ষার চেষ্টা করবো। সরকারি এই হাসপাতালে সবাই যেন চিকিৎসা সুবিধা পায়, সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, এই প্রতিষ্ঠানটি আমাদের সকলের। এখানকার ভাল কাজগুলোকে সাংবাদিকরা যেমন ইতবাচকভাবে দেখবেন; তেমনি ত্রুটি বিচ্যুতিও আমাদের ধরিয়ে দেবেন। আমরা চাই, এই প্রতিষ্ঠানটি যেন স্বাস্থ্যসেবায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারে।

হঠাৎ যশোরে করোনা শনাক্তের হার বেড়ে ২৫, ছড়িয়েছে ভারতীয় ধরনও

যশোর অফিস

যশোরে আবারো করোনা শনাক্তের হার উর্দ্ধমূখী হয়েছে। দশ দিন আগে যশোরে করোনা শনাক্তের হার ছিলো মাত্র ৯ শতাংশ। কিন্তুমঙ্গলবার সেই হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৫ শতাংশে। এই সময়ে যশোরে স্থানীয়দের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে ভারতীয় ধরনও। সবমিলে সীমান্তবর্তী জেলা যশোরে ভয়াবহ হয়ে উঠছে করোনা প্রভাব।

মঙ্গলবার যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) জিনোম সেন্টারে করোনার টেস্টের ফলাফলে যশোরের ৭০ জনের নমুনায় পজিটিভ হয়েছে। সোমবার রাতে যশোরের ২৮৯ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয় জিনোম সেন্টারে। যাদের মধ্যে এই ৭০ জনের করোনা শনাক্ত হয়। শনাক্তের হার ২৪ দশমিক ২২ শতাংশ। এর আগে গত ১৯ মে যশোরের ২০০টি নমুনা পরীক্ষা করে মাত্র ১৮ জনের শরীরে করোনা ধরা পড়ে। সেদিন শনাক্তের হার ছিলো মাত্র ৯ শতাংশ।

এর আগে সোমবার যবিপ্রবিতে যশোরের ২২০ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ২৯ জনের করোনা শনাক্ত হয়। এদিন করোনা আক্রন্ত স্থানীয় আট জনের শরীরে পাওয়া যায় ভারতীয় ধরন। ৩০ জুন ঘোষিত ফলাফলে যশোরের ১৮৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৩৪ জনের করোনা পজিটিভ হয়। ২৯ মে যশোরের ৬ জনের নমুনা পরীক্ষা করে সবগুলোর ফলাফল নেগেটিভ আসে।

যবিপ্রবির জিনোম সেন্টারের ২৮ মের করোনার টেস্টের ফলাফলে যশোরের ১৪৫ জনের মধ্যে ২৪ জনের, ২৭ মে ৩৫ জনের মধ্যে ২ জনের, ২৬ মে ১০৮ জনের মধ্যে ২৩ জনের, ২৫ মে ১৬৮ জনের মধ্যে ২৬ জনের, ২৪ মে ৯৪ জনের মধ্যে ২০ জনের, ২৩ মে ১৪৯ জনের মধ্যে ২১ জনের, ২২ মে ২৮ জনের মধ্যে  মাত্র একজনের, ২১ মে ১২০ জনের মধ্যে  ৮ জনের, ২০ মে ১৮৫ জনের মধ্যে ২৫ জনের, ১৯ মে  ২০০ জনের মধ্যে ১৮ জনের নমুনাতে কোভিড-১৯ পজিটিভ পাওয়া যায়।

রাজস্ব আদায়ে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়নি বেনাপোল কাস্টম হাউসে

যশোর অফিস

বেনাপোল কাস্টম হাউসে চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে (জুলাই-এপ্রিল) লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম আদায় রাজস্ব আদায় হয়েছে। রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল পাঁচ হাজার ১৮৪ কোটি ৫২ লাখ টাকা। এর বিপরীতে আদায় হয়েছে তিন হাজার ৪৪৯ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। সেই হিসাবে লক্ষ্যের চেয়ে রাজস্ব আদায়ে ঘাটতি রয়েছে এক হাজার ৭৩৪ কোটি ৭৫ লাখ টাকা।

কাস্টমস কর্মকর্তারা বলছেন, গত দেড় বছর করোনার কারণে উচ্চ শুল্কযুক্ত পণ্য আমদানি কম হয়েছে। যে কারণে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী রাজস্ব আদায় সম্ভব হচ্ছে না।

কয়েক বছর ধরে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) থেকে বেঁধে দেয়া লক্ষ্য অনুযায়ী রাজস্ব আদায় করতে পারছে না বেনাপোল কাস্টম হাউজ। প্রতি অর্থবছরই রাজস্ব আদায়ে ঘাটতি থাকছে।

বেনাপোল কাস্টমস থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, ২০১৯-২০ অর্থবছরে কাস্টমসের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল পাঁচ হাজার ৫৬৩ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। সেখানে আদায় হয়েছিল দুই হাজার ৬৩৫ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। ঘাটতি ছিল দুই হাজার ৯২৭ কোটি ৮২ লাখ টাকা।

বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান সজন বলেন, আমদানি কমে যাওয়ার কারণ হলো করোনার ছোবল এবং পণ্য ছাড়করণের ক্ষেত্রে বৈধ সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত না হওয়ায়। এতে রাজস্ব ঘাটতি হচ্ছে। পাশাপাশি চাহিদা অনুপাতে বেনাপোল বন্দরের অবকাঠামো উন্নয়ন না হওয়া এবং উচ্চ শুল্কহারের পণ্য আমদানি কমে যাওয়ায় এ অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।

যশোর চেম্বার অব কমার্সের সাবেক সভাপতি মিজানুর রহমান খান বলেন, চলতি অর্থবছরের শুরুতে মহামারী করোনায় নাকাল দেশের ব্যবসায়ীরা। এ অবস্থায় উচ্চ শুল্কযুক্ত পণ্য আমদানি কমে আসছে। ফলে রাজস্ব কম আসবে এটাই স্বাভাবিক। তবে বেনাপোল বন্দরে বারবার রহস্যজনক অগ্নিকান্ডে অনেক ব্যবসায়ী পুঁজি হারিয়ে পথে বসেছেন। বন্দর কোনো ক্ষতিপূরণ না দেয়ায় অনেক আমদানিকারক বন্দর ছেড়েছেন।

ভারত-বাংলাদেশ ল্যান্ডপোর্ট ইমপোর্ট-এক্সপোর্ট কমিটির চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান জানান, দেশের স্থলপথে আমদানি-রপ্তানির ৭০ শতাংশ হয় বেনাপোল দিয়ে। তবে কাঙ্ক্ষিত অবকাঠামো উন্নয়ন না হওয়ায় অনেকে এ পথে বাণিজ্যে আগ্রহ হারাচ্ছেন। ফলে সরকারের রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হচ্ছে না। বন্দরের সক্ষমতা বাড়লে বেনাপোল দিয়ে সরকারের রাজস্ব দ্বিগুণ আদায় হত।

তবে এরই মধ্যে বেনাপোল বন্দর সম্প্রসারণে নতুন জায়গা অধিগ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বেনাপোল স্থলবন্দরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক (ট্রাফিক) আব্দুল জলিল। তিনি বলেন, জায়গা অধিগ্রহণের পাশাপাশি কয়েকটি আধুনিক পণ্যাগার নির্মাণ করা হয়েছে। সিসি ক্যামেরার জন্য বাজেট হয়েছে। এছাড়া নিরাপত্তা বাড়াতে উঁচু প্রাচীরও নির্মাণ করা হয়েছে।

সার্বিক বিষয়ে বেনাপোল কাস্টমসের কমিশনার আজিজুর রহমান বলেন, দেড় বছরের বেশি সময় ধরে করোনার প্রভাব চলছে। ফলে গত বছর তেমন আমদানি হয়নি। চলতি বছরের এপ্রিলে আমদানি বাড়লেও উচ্চ শুল্কযুক্ত পণ্য কম এসেছে। এতে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী রাজস্ব আদায় হচ্ছে না।

বন্দরের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর বিষয়ে কমিশনার বলেন, আমরা ব্যবসায়ীদের বৈধ সুবিধা বাড়ানোর পক্ষে। এরই মধ্যে বন্দর কর্তৃপক্ষকে অবকাঠামো সুবিধা বৃদ্ধির জন্য চিঠি দিয়েছি। বন্দরের সক্ষমতা বাড়লে বেনাপোল দিয়ে পণ্য আমদানি বেড়ে যাবে। সেইসঙ্গে বাড়বে সরকারের রাজস্ব আহরণ। আশা করছি, করোনার পরিস্থিতি উন্নতি হলে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়ে যাবে।

দ্বিতীয় মেয়াদে যবিপ্রবির উপাচার্য আনোয়ার হোসেন

যশোর অফিস

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) দ্বিতীয় মেয়াদে উপাচার্য নিয়োগ পেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুজীববিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন।

মঙ্গলবার (১ জুন) রাষ্ট্রপতি ও আচার্যের অনুমোদনক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের উপসচিব নূর-ই-আলম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ জারি করা হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, উপাচার্য হিসেবে তার নিয়োগের মেয়াদ চার বছর। তবে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে তিনি নিয়মিত চাকরির বয়সপূর্তিতে মূল পদে প্রত্যাবর্তনপূর্বক অবসরগ্রহণের আনুষ্ঠানিকতা সম্পাদন শেষে আগের পদের মেয়াদের অবশিষ্ট সময় পূর্ণ করবেন।

তিনি তার বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতাদি পাবেন, বিধি অনুযায়ী পদ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুবিধা ভোগ করবেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে। এছাড়াও রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর প্রয়োজনে যেকোনো সময় এ নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন বলেও আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে। উলেখ্য, এর আগে ২০১৭ সালে উপাচার্য হিসেবে তিনি প্রথম নিয়োগ পান।

কপিলমুনিতে নকল প্রসাধনী ব্যবসায়ীকে পরিবেশক সমিতির নোটিশ

কপিলমুনি (খুলনা) প্রতিনিধি

খুলনার কপিলমুনিতে এক প্রসাধনী ব্যবসায়ীর দোকানে বিপুল পরিমান নকল প্রসাধনী সামগ্রী পাওয়ায় কপিলমুনি পরিবেশক ব্যবসায়ী সমিতির পক্ষ থেকে ঐ ব্যবসায়ীকে সমিতির কার্যালয়ে হাজির হয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ করা হয়েছে। শনিবার স্থানীয় প্রসাধনী পরিবেশক সমিতির সভাপতি গৌরাঙ্গ সাধু, সম্পাদক জগদীশ, কোষাধ্যক্ষ দেবব্রত সাধুসহ অন্যান্য সদস্যরা কপিলমুনি বাজারস্থ প্রমিলা এন্টারপ্রাইজ নামক প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত হলে সেখানে বিপুল পরিমান নকল প্রসাধনীসহ বিভিন্ন অবৈধ পন্যের সন্ধান পান। এসময় পরিবেশক সমিতির সদস্যরা কিছু সংখ্যক নকল প্রসাধনী পন্যের নমুনা জব্দ করেন।

ঘটনার সময় পরিবেশক সমিতির সদস্যরা প্রমিলা এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী কল্যাণ সাধুকে অবৈধ ও নকল প্রসাধনী বিক্রয়ের ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে সমিতির কোষাধ্যক্ষ দেবব্রত সাধুকে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। ঘটনাটি পাইকগাছা স্যানিটারী অফিসার উদয় মন্ডলকে তাৎক্ষনিক জানালে, তিনি বাইরে আছেন বলে জানান, এবং সোমবার বিকাল ৫ টায় তাকে পরিবেশক সমিতির কার্যালয়ে হাজির থাকার নির্দেশ দেন।

কিন্তু এই নকল প্রসাধনী ব্যবসায়ী নির্ধারিত দিনে পরিবেশক সমিতির কার্যালয়ে হাজির না হয়ে আত্মীয়ের মৃত্যুর মিথ্যা গল্প নাটক সাজিয়ে সমিতির সদস্যদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেন। সমিতির সদস্যরা খোজ খবর নিয়ে তার আত্মীয়ের মৃত্যুর ঘটনাটি মিথ্যা প্রচার বলে জানতে পারায় সমিতির পক্ষ থেকে আগামী ৪ জুন শুক্রবার সন্ধ্যা ৭ টায় তাকে সালিশী বৈঠাকে হাজির থাকার নির্দেশ দেন। এঘটনায় স্থানীয় প্রসাধনী ব্যবসায়ীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে কল্যাণ সাধুর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য পরিবেশক সমিতির কাছে জোর দাবি জানান।

মহানগর পূজা পরিষদের শোক

খবর বিজ্ঞপ্তি

ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) খুলনা জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও ১৪ দল নেতা ও খুলনা মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদ উপদেষ্টা তপন কুমার রায় এবং বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, খুলনা সদর থানা শাখা সহ-সভাপতি উজ্জ্বল রায়ের পিতা সুবোধ কুমার রায় (৯৬) বার্ধক্যজনিত কারণে গতকাল বেলা ১১:৫০টায় নগরীর বকসীপাড়াস্থ নিজ বাসভবনে পরলোক গমন করেন (দিব্যাং লোকান গচ্ছতু)। তাঁর মৃত্যু সংবাদ পেয়ে মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ প্রয়াতের বাসভবনে যান এবং ফুলের মালা দিয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলি প্রদান করেন। তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি প্রদান করেছেনÑবাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, খুলনা মহানগর শাখার সভাপতি শ্যামল হালদার, সাধারণ সম্পাদক প্রশান্ত কুমার কু-ু, কেন্দ্রীয় পূজা উদযাপন পরিষদের উপদেষ্টা বিজয় কুমার ঘোষ, সাবেক মহানগর সভাপতি গোপী কিষণ মুন্ধড়া, সাবেক সহ-সভাপতিগণ যথাক্রমেÑঅধ্যক্ষ মাধব চন্দ্র রায়, অরবিন্দু সাহা, প্রকৌশলী পরিমল দাস, এ্যাড. অলোকানন্দা দাস, উপদেষ্টা শ্যামল সিংহ রায়, কোষাধ্যক্ষ রতন কুমার নাথ, যুব ঐক্য পরিষদ খুলনা মহানগর সভাপতি বিশ্বজিৎ দে মিঠু, সদর থানা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি বিকাশ কুমার সাহা, সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব সাহা লব, সোনাডাঙ্গা থানা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বিপ্লব মিত্র, সাধারণ সম্পাদক রামচন্দ্র পোদ্দার, বিশিষ্ট সাংবাদিক অরুণ সাহা ও অমিয় কান্তি পাল, বিশিষ্ট ধর্মানুরাগী ও সমাজসেবক বাবলু বিশ্বাস, গৌরাঙ্গ সাহা, সঞ্জীব দাস, স্বপন সাহা, দিলীপ সাহা, অলোক কু-ু, তপন সাহা, শিবু ভক্ত, বিদ্যুৎ দাস, অঞ্জন দে, তাপস সাহা, শঙ্কর কর্মকার, শিবু রায়, মহাদেব সাহা, সাংবাদিক বিমল সাহা, সাংবাদিক অভিজিৎ পাল, প্রসীত সাহা, অভিজিৎ চক্রবর্ত্তী দেবু, সুশান্ত ব্যানার্জী, খুলনা মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের সম্পাদকম-লীর সদস্য সুব্রত হালদার তপা, উজ্জ্বল ব্যানার্জী, ভবেশ সাহা, রূপন দে, দৌলতপুর থানা সভাপতি তিলক গোস্বামী, সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ অধিকারী, খালিশপুর থানা সভাপতি রজত কান্তি দাস, সাধারণ সম্পাদক দীপক দত্ত, লবচণচরা থানা সভাপতি ডাঃ শেখর চন্দ্র পাল, সাধারণ সম্পাদক পার্থ রায় মিঠু, হরিণটানা থানা সভাপতি মনোজ কান্তি রায়, সাধারণ সম্পাদক রঞ্জন রায়, খানজাহান আলী থানা সভাপতি দুলাল সরকার, সাধারণ সম্পাদক সুভাষ দত্ত, আড়ংঘাটা আহ্বায়ক আশিষ কবিরাজ, সদস্য সচিব দেবদাস ম-ল দেবু, সুজিত মজুমদার, স্বপন চক্রবর্ত্তী, দীপক দত্ত, ভোলানাথ দত্ত, সত্যপ্রিয় সোম বলাই, পাপ্পু সরকার, বাবু শীল, মানিক শীল, রবিন দাস, প্রবণ চক্রবর্ত্তী, রাজকুমার শীল, সজল দাস, মিতা বাগচি, সবিতা মজুমদার, সন্ধ্যা রানী বিশ্বাস, অশোক ঘোষ প্রমুখ।

সাতক্ষীরার দেবহাটায় করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ ক্যাম্পইন শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

কে এম রেজাউল করিম দেবহাটা

দেবহাটা উপজেলায় মঙ্গলবার সকালে  (১ লা জুন)  দেবহাটা উপজেলার নওয়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ৭,৮,৯, নং ওয়ার্ডের নাংলা বাজারে সর্বস্থরের মানুষের মাঝে, উপজেলার নির্বাহী অফিসার তাছলিমা আক্তার এর সভাপতিত্বে। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ ক্যাম্পইন শীর্ষক আলোচনা সভার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ মুজিবর রহমান। উপস্থিত ছিলেন নওয়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের (ভারপ্রাপ্ত) চেয়ারম্যান আবুল কাশেম,উপজেলা পি আই ও সফিউল বাশার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি বাবু শরৎচন্দ্র ঘোষ, নওয়াপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহমুদুল হক লাভলু বিশ্বাস।   নওয়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সেক্রেটারি মোঃ কামরুজ্জামান,ইউপি সদস্য বৃন্দ বিভিন্ন ওয়ার্ডের সভাপতি /সাধারণ সম্পাদক সহ এলাকাবাসী।

বাগেরহাটে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাবে এক লক্ষ ৮৪ হাজার শিশু

বাগেরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাটে ১ লক্ষ ৮৪ হাজার একশ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এদের মধ্যে ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ১ লক্ষ ৬০ হাজার শিশুদের শিশুকে লাল রংয়ের ভিটামিন এ ক্যাপসুল এবং ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ২৪ হাজার শিশুকে লাল ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। ৫জুন থেকে ১৯ জুন পর্যন্ত জেলার ৯ উপজেলা ও ৩ পৌরসভার শিশুদের এই ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।এক হাজার ৮‘শ ৫৮টি টিকাদান কেন্দ্রে ৩ হাজার ৭‘শ ১৬ জন স্বেচ্ছাসেবক শিশুদের এই ক্যাপসুল খাওয়াবেন।এছাড়াও এই ক্যাম্পেইনে ২‘শ ৩১জন সুপারভাইজার, ৬‘শ ৯৩ জন স্বাস্থ্য সহকারী, এফডব্লিউ এ, সিএইচসিপিরাও দায়িত্ব পালন করবেন।

মঙ্গলবার (০১ জুন) সকালে বাগেরহাট সিভিল সার্জনের কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে সাংবাদিকদের অরিয়েন্টেশন কর্মশালায় এসব তথ্য জানানো হয়। এসময় বাগেরহাট সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. প্রদীপ বকসি, মেডিকেল অফিসার ডা. সুব্রত দেবনাথ, বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সভাপতি নিহার রঞ্জন সাহা, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাকি তালুকদার, সাবেক সভাপতি আহাদ উদ্দিন হায়দারসহ বাগেরহাটে কর্মরত গনমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বাগেরহাটের সিভিল সার্জন ডা. কে এম হুমায়ুন কবির বলেন, ৫ থেকে ১৯ জুন পর্যন্ত বাগেরহাটের  ১ লক্ষ ৮৪ হাজার একশ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এ জন্য আমাদের পর্যাপ্ত ক্যাপসুল ও স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রয়েছে। যদি অতিরিক্ত শিশু থাকে তাদেরকে খাওয়ানোরও ব্যবস্থা রয়েছে।

বাগেরহাটে সাংবাদিকদের মাঝে কল্যান ট্রাষ্টের অনুদানের চেক বিতরণ

বাগেরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাটে কর্মরত গনমাধ্যমকর্মীদের মাঝে সাংবাদিক কল্যান ট্রাষ্টের অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (০১ জুন) দুপুরে বাগেরহাট প্রেসক্লাবে অনুদানপ্রাপ্ত সাংবাদিকদের হাতে এই চেক তুলে দেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের যগ্ন সচিব এস.এম মাহফুজুল হক। এসময় বাগেরহাট জেলা তথ্য অফিসের উপ-পরিচালক মোঃ মেহেদী হাসান, বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সভাপতি নিহার রঞ্জন সাহা, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাকি তালুকদার, সাবেক সভাপতি অধ্যাপক এবিএম মোশাররফ হোসেনসহ বাগেরহাটে কর্মরত গনমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এদিন বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সভাপতি ও বাংলাদেশ টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি নিহার রঞ্জন সাহাকে ২ লক্ষ, বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আহাদ উদ্দিন হায়দার ৫০ হাজার, দৈনিক পূর্বাঞ্চল পত্রিকার ষ্টাফ রিপোর্টার সাহেব আলী ৫০ হাজার, দৈনিক যুগান্তরের জেলা প্রতিনিধি শেখ শওকত আলী আশরাফী ৫০ হাজার এবং ইন্ডিপেনডেন্ট টিভির প্রতিনিধি অলীপ কুমার ঘটক এক লাখ টাকার চেক গ্রহন করেন। পরে দৈনিক সংবাদের প্রায়ত প্রতিনিধি মরহুম মুজিবুর রহমানের স্ত্রী মনোয়ারা রহমানে হাতে দুই লক্ষ এবং এশিয়ান বানীর প্রতিনিধি প্রয়াত এস এম জাকারিয়া মাহমুদের স্ত্রী লতিফা বেগমের হাতে দুই লক্ষ টাকার চেক তুলে দেন অতিথিগণ।

এছাড়াও ডেইলি ইন্ডিপেনডেন্ট পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি মোজাফ্ফর হোসেন এক লাখ টাকা, পিটিবিনিউজ.কমের শরণখোলা প্রতিনিধি সান্তানুর রহমান এক লক্ষ টাকা এবং সমকাল পত্রিকার মোংলা প্রতিনিধি মনিরুল হায়দার ইকবাল ৫০ হাজার টাকা সাংবাদিক কল্যান ট্রাষ্টের আর্থিক সহায়তা পেয়েছেন।

বাগেরহাটে পূর্ব শত্রুতার জেরে গৃহবধুকে মারধর, বাড়িঘর ভাংচুর-লুট, গ্রেফতার-১

বাগেরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাটে পূর্ব শত্রুতার জেরে শাহিদা বেগম (৪৫) নামের এক গৃহব্ধু মারধর, তার বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। বাগেরহাট সদর উপজেলার চরগ্রামের আবুল কালাম কাজীর বাড়িতে এই ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় আহত গৃহবধু বাদী হয়ে বাগেরহাট মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছেন। আল-আমিন হাওলাদার নামের এক আসামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বাগেরহাট সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শাহিদা বেগম বলেন, রবিবার (৩০ মে) বিকেলে পূর্ব শত্রুতার জেরে নাগের বাজার এলাকার আল আমিন হাওলাদার, চরগ্রামের সুমন শেখ ও সাগর শেখসহ ৫-৬জন যুবক আমাদের বাড়িতে হামলা চালায়। এসময় হামলাকারীরা আমার ছেলে মোঃ ইব্রাহিম কাজীকে মারধর করে। আমি ঠেকাতে আসলে তারা আমাকেও মারধর করে। ধারালো অস্ত্র দিয়ে আমার দুই হাত জখম করে। আমি মাথাঘুরে অজ্ঞান হয়ে পড়লে, সুমন আমার কাপড় টেনে বিবস্ত্র করে ফেলে। পরে আল আমিন, সুমন ও সাগর আমার ঘরে প্রবেশ করে নগদ ৩৫ হাজার টাকা, একটি সেলাই মেশিন, একটি সাউন্ড বক্স,গ্যাস সিলিন্ডার,পানির মটর, টিউবওয়েলসহ বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল নেয়ে যায় তারা। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে আমাকে হাসপাতালে ভর্তি করে।

শাহিদার ছেলে ইব্রাহীম কাজী বলেন, গেল এক বছর ধরে বিভিন্ন সময় সুমন ও সুমনের আত্মীয় আল আমিন হাওলাদার আমাদের উপর একাধিকবার হামলা করেছে। আমাদের মায়ের স্বর্ণের চেইনসহ মূল্যবান মালামাল লুট করেছে।ওদের ভয়ে এখনও আমার বাবা পালিয়ে বেড়াচ্ছে।

বাগেরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কেমএম আজিজুল ইসলাম বলেন, মারধর ও লুটপাটের ঘটনায় মামলা হয়েছে। এজাহার নামীয় তিনজন আসামীর মধ্যে আল আমিন হাওলাদারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্য আসামীদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশ তৎপর রয়েছে।

খুবি খোলার প্রাক-প্রস্তুতি জোরদারে আবাসিক হলের সংস্কার ও পরিবেশ উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন উপাচার্যের

খবর বিজ্ঞপ্তি

মঙ্গলবার খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন বিশ্ববিদ্যালয় খোলার প্রাক-প্রস্তুতি জোরদারে আবাসিক হলসমূহের সংস্কার ও পরিবেশ উন্নয়ন কাজ সরেজমিন পরিদর্শন করেন। প্রথমে তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল পরিদর্শন করেন এবং হলের বিভিন্ন সংস্কার, পরিবেশ উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত হন। পরে তিনি সেখানে প্রভোস্ট কাউন্সিলের এক সংক্ষিপ্ত সভায় মিলিত হন। সভায় ট্রেজারার প্রফেসর সাধন রঞ্জন ঘোষ, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস, প্রভোস্ট কাউন্সিলের সভাপতি ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের প্রভোস্ট প্রফেসর ড. তানজিল সওগাত, খান বাহাদুর আহছান উল্লা হলের প্রভোস্ট প্রফেসর ড. আবু শামীম মোহাম্মদ আরিফ, খানজাহান আলী হলের প্রভোস্ট প্রফেসর ড. মোঃ আব্দুল জব্বার, বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের প্রভোস্ট প্রফেসর ড. আয়শা আশরাফ এবং অপরাজিতা হলের প্রভোস্ট (চলতি দায়িত্ব) লোপা ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫টি আবাসিক হলের জনবল, আয়-ব্যয় পরিস্থিতি, সংস্কার ও পরিবেশ উন্নয়ন কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে আলোচনা করে কিছু প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেন। সরকারের সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে হল খোলার নির্দেশনা আসার পরপরই যাতে শিক্ষার্থীরা স্বাচ্ছন্দে হলে থাকতে পারে সে বিষয়টি গুরুত্বের সাথে নিয়ে সংশ্লিষ্ট সকল কাজ সম্পন্নের তাগিদ দেন। পরে উপাচার্য খান বাহাদুর আহছান উল্লাহ হল, খানজাহান আলী হল, অপরাজিতা হল, বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল ও কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ পরিদর্শন করেন।

মসজিদ পরিদর্শনকালে উপাচার্য ইসলামী জ্ঞান চর্চায় ধর্মীয় গ্রন্থাদি রাখার এবং মহিলাদের নামাজ আদায়ের সম্ভাব্য স্থান দেখেন। জুম্মার দিন ও ঈদের সময় যাতে মুসল্লিদের নামাজ আদায়ে জায়গার অভাব না হয় সেজন্য কেন্দ্রীয় মসজিদের উত্তর পাশের খোলা জায়গার পরিবেশ উন্নয়ন করে নামাজ আদায়ের উপযোগী করার নির্দেশনা দেন। এসময় হলের প্রভোস্টবৃন্দ ছাড়াও পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. উত্তম কুমার মজুমদার, প্রধান প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) মোঃ আব্দুর রাজ্জাকসহ হলের সহকারী প্রভোস্টবৃন্দ এবং মসজিদ কমিটির সভাপতি ও সদস্যবৃন্দ, সিনিয়র পেশ ইমাম উপস্থিত ছিলেন।

রামপালে গাঁজাসহ আটক ১

মোংলা প্রতিনিধি

বাগেরহাটের রামপালে গাঁজাসহ এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। আটক মোঃ নাসির শেখ  (৫০) গৌরম্ভা ইউনিয়নের মৃত সিদ্দিক শেখের  ছেলে। পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গৌরম্ভা  ইউনিয়ন পরিষদের  সামনে থেকে আটক করা হয়। এ সময় তার দেহ তল্লাশি করে ২০ গ্রাম গাঁজা পাওয়া যায়। গৌরম্ভা পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই আলাউদ্দিন, এএসআই মঞ্জু এএসআই  আশরাফুল এ অভিযান চালান। পুলিশের দাবী আটককৃত ব্যক্তি একজন মাদক চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। রামপাল থানার ওসি মোঃ সামসুদ্দিন বলেন, তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের পর বাগেরহাট আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

সবার জন্য মানসম্মত ও নিরাপদ দুধ নিশ্চিতের তাগিদ

তথ্য বিবরণী

‘দুধ পানের অভ্যাস গড়ি, পুষ্টির চাহিদা পুরণ করি’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সারা বিশে^র ন্যায়  খুলনাতে মঙ্গলবার বিশ^ দুগ্ধ দিবস পালিত হয়। জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর দিবসটি পালন উপলক্ষ্যে খুলনা বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের বঙ্গবন্ধু অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভার আয়োজন করে। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, মেধাবী প্রজন্ম গড়তে হলে তাদের পুষ্টির চাহিদা নিশ্চিত করতে হবে। আর পুষ্টির চাহিদা নিশ্চিতে দুধপানের কোন বিকল্প নেই। কিন্তু সচেতনতার অভাবে অধিকাংশ মানুষ প্রতিদিন নিয়মিত দুধ পান করে না। মানুষকে দুধের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে আরো সচেতন করতে হবে।

‘গোলাভরা ধান আর গোয়ালভরা গরু’ একসময় বাঙ্গালীর ঐতিহ্য ছিলো উল্লেখ করে প্রধান অতিথি বলেন, এক সময় গ্রামগঞ্জের প্রতিটি পরিবার ছিলো স্বনির্ভর, পুষ্টির চাহিদা মেটাতে তাদের বাজারে যেতে হতো না। কিন্তু সেই ঐতিহ্য নানা কারণে এখন আর নেই। সোনালী সেই দিন ফেরাতে প্রধানমন্ত্রী ‘আমার বাড়ি আমার খামার’ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছেন। এসময় তিনি নায্যমূল্যে নিরাপদ দুধ সকলের নিকট পৌঁছে দিতে খামারীদের প্রতি আহবান জানান। অনুষ্ঠানে খামারীদের পক্ষ থেকে তাদের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে বলা হয় পশুখাদ্যের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে কিন্তু সে অনুযায়ী দুধের মূল্য বৃদ্ধি পায়নি। তাছাড়া তাদের উৎপাদিত দুধ সময়মত বিপনন একটি বড় চ্যালেঞ্জ। খামারীরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মিড ডে মিল হিসেবে শিক্ষার্থীদের দুধ সরবরাহের অনুরোধ করেন। এছাড়া খুলনা আঞ্চলে একটি মিল্ক প্রসেসিং ফ্যাক্টরি স্থাপনের জোর দাবী জানান তারা।

খুলনা স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মোঃ ইকবাল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই  আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন খুলনা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের পরিচালক ডাঃ মোঃ আমিনুল ইসলাম মোল্যা। স্বাগত জানান জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) রণজীতা চক্রবর্ত্তী। অনুষ্ঠানে অন্যান্যে মধ্যে বক্তৃতা করেন মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি শ্যামল সিংহ রায় এবং খামারীদের পক্ষে মোঃ তোফাজ্জেল হোসেন তুষার। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ফুলতলা উপজেলা প্রণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ অরুন কান্তি মন্ডল। দুধের গুনাগুণ সম্পর্কে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন করেন ফুলতলা ভেটেরিনারি সার্জন ডাঃ তরিকুল ইসলাম। এর আগে দিবসটি পালন উপলক্ষ্যে স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তর চত্ত্বরে একটি র‌্যালি এবং গাছের চারা রোপন করা হয়।

খাজনা আদায় রশিদ নেই মণিরামপুরের কোন ভূমি অফিসে

আনোয়ার হোসেন, মণিরামপুর :

বসত বাড়ি ও ধানিজমিসহ ৭৮ শতক জমির মালিক মাহমুদকাটি গ্রামের আলী আকবর। ২০০৬ সালে জমির খাজনা দিয়েছেন।

নতুন করে আবার বকেয়া খাজনা পরিশোধ করে অনলাইনে খাজনা পরিশোধের জন্য নিবন্ধন করবেন তিনি। মঙ্গলবার (১জুন) প্রস্তুতি নিয়েছেন যাবেন খেদাপাড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে। তখন খবর পান ভূমি অফিসে খাজনা পরিশোধের রশিদ নেই। রঘুনাথপুর গ্রামের নূরআলম মিন্টু এক আত্মীয়র জন্য জমির দাখিলা কাটাতে সম্প্রতি লোক পাঠিয়েছেন একই ভূমি অফিসে। রশিদ না থাকায় তাকে ফেরত আসতে হয়েছে। রশিদ সংকটে জমির খাজনা পরিশোধ করতে পারেননি চালুয়াহাটি ইউপির লক্ষণপুর গ্রামের শামছুল আলম।

শুধু আলী আকবর, মিন্টু বা শামছুল আলম নয়। খাজনা রশিদ না থাকায় ভূমি অফিসে গিয়ে হয়রানির শিকার হচ্ছেন মণিরামপুর উপজেলার হাজার হাজার জমির মালিক। সরকারি হিসেবে গ্রাম পর্যায়ে বসতভিটার জন্য শতকপ্রতি বছরে ১০ টাকা, বাগানের জন্য দুই টাকা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য ৪০ টাকা করে খাজনা নির্ধারিত। ২৫ বিঘা পর্যন্ত কৃষি জমি খাজনামুক্ত থাকলেও অন্য জমিরমত বিক্রিত কৃষিজমি রেজিস্ট্রি করতে হলে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের সাথে দাখিলার কাগজ সংযুক্ত করতে হয়। এছাড়া জমির নামজারি ও ব্যাংক লোনের জন্য খাজনা পরিশোধের রশিদ প্রয়োজন হয়। তখন জমির মালিকরা খাজনা পরিশোধ করতে ভূমি অফিসের দ্বারস্থ হন। নিত্য ভিড় লেগে থাকে ভূমি অফিসগুলোতে। কয়েকমাস ধরে ভূমি অফিসগুলোতে কর পরিশোধের রশিদ না থাকায় জমির মালিকরা বারবার ভূমি অফিসে যেয়েও খাজনা পরিশোধ করতে পারছেন না। ফলে বিপাকে রয়েছেন এই উপজেলার জমির মালিকেরা। ভুক্তভোগী শামছুল আলম বলেন, বিপদে পড়ে জমি বিক্রি করেছি। কিন্তু খাজনা দিতে না পারায় ওই জমির দলিল করে দিতে পারছিনা। কবে ভূমি অফিসে খাজনা আদায়ের রশিদ বই আসবে তার জবাব জানা নেই কারো। সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের সাথে কথা বলে তেমনটি জানা গেছে। এদিকে অনলাইনে জমির খাজনা আদায়ের লক্ষে গত এক সপ্তাহ ধরে উপজেলাব্যাপি প্রচারণা চালাচ্ছে উপজেলা ভূমি অফিস। জমির মালিকদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে নিজনিজ ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যোগাযোগ করতে আহবান করা হচ্ছে। তবে খাজনা আদায়ের রশিদ না থাকায় জমির মালিকগণ বকেয়া খাজনা পরিশোধ করে অনলাইন রেজিস্ট্রেশন করতে পারছেন না। খেদাপাড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েব আব্দুস সাত্তার বলেন, ১৫ দিন ধরে খাজনা রশিদ নেই। অনেকে এসে ফিরে যাচ্ছেন। খাজনা আদায় করতে পারছি না। অফিসে বারবার জানিয়েও রশিদ বই পাচ্ছি না। রোহিতা ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা জাহিদুর রহমান লিপটন বলেন, একমাস ধরে খাজনার রশিদ নেই। প্রতিদিন দুই একজন অফিসে এসে ফিরে যাচ্ছেন। চালুয়াহাটি ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা শফিক উদ্দীন বলেন, খাজনা রশিদ শেষ। বারবার অফিসে আবেদন করছি। কিন্তু এখনো পর্যন্ত খাজনা রশিদ পাইনি।

মণিরামপুর উপজেলা ভূমি অফিসের নাজীর ফিরোজা আক্তার খাজনা আদায়ের রশিদ বই বিতরণ ও সংগ্রহ করেন। জানতে চাইলে তিনি বলেন, উপজেলায় ১৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা মিলে ১৩টি ভূমি অফিস আছে। প্রতি অফিসে ১০০ পৃষ্ঠার মাসে তিনটি করে বই লাগে। সেই হিসেবে ৩৫-৪০টি বইয়ের প্রয়োজন হয়। কিন্তু আমরা বরাবর ২০-৩০টা বই পাই। গত একমাসধরে কোন বই পাচ্ছিনা। যশোর জেলা অফিসেও বই নেই। কবে বই পাব তা বলতে পারছি না।

মণিরামপুরে আমগাছ থেকে পড়ে বৃদ্ধর মৃত্য

মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি :

যশোরের মণিরামপুরে আমগাছ থেকে পড়ে তোফাজ্জেল হোসেন (৬২) নামে এক বৃদ্ধর মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (১জুন) বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে উপজেলার গালদা গ্রামে ঘটনাটি ঘটে। নিহত তোফাজ্জেল হোসেন গালদা সরদার পাড়ার মৃত ইসহাক মিঞার ছেলে। তিনি নির্মাণ শ্রমিক ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, মেয়ের বাড়ি আম নেওয়ার উদ্দেশে মঙ্গলবার বেলা ১১ টার দিকে  নিজের বাড়ির আমগাছে ওঠেন তোফাজ্জেল। আম পাড়ার শেষ পর্যায়ে পা পিছলে তিনি নিচে পড়ে যান। এতে গাছের শিকড়ের সাথে বুকে আঘাত লেগে ঘটনাস্থলে মারা যান তোফাজ্জেল।

খেদাপাড়া ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই গোলাম রসুল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, পুলিশ জানার আগেই নিহতের স্বজনরা মরদেহের দাফন সম্পন্ন করে ফেলেন। এই ঘটনায় কোন অপমৃত্যু মামলা হয়নি।

নগরীতে কলেজছাত্রী অপহরণের মামলার ৩ আসামি জেলহাজতে

স্টাফ রিপোর্টার

নগরীর মুহসিন মহিলা কলেজের একাদশ শ্রেণির এক ছাত্রীকে অপহরণের মামলার ৩ আসামিকে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে আদালত। মঙ্গলবার (১ জুন) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আতিকুস সামাদ পিএইচডি এ আদেশ প্রদান করেছেন। আসামিরা হলেন মিজান ফারাজি, শাহিনুর বেগম পলি ও শাহিদা বেগম। মামলার প্রধান আসামি জান্নাতুল ফেরদৌসকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। এছাড়া ঘটনার ৪৮ ঘন্টা পেরিয়ে গেলে এখনও উদ্ধার হয়নি অপহৃত ছাত্রী ।

মামলার বিবরণে জানা যায়, দৌলতপুর থানাধিন মহেশ্বরপাশা মুন্সি পাড়ার হামিদ হাওলাদারের মেয়ে বিএল কলেজ সামনে কোচিং সেন্টারে পড়াশোনা করতো। কোচিংয়ে যাওয়ার সময় মহেশ্বরপাশা দিঘির পশ্চিম পাড়ের আফজাল শেখের ছেলে জান্নাতুল ফেরদৌস তাকে প্রায় সময় উত্ত্যক্ত ও প্রেমের প্রস্তাব দিত। প্রস্তাবে রাজি না হলে তাকে অপহরণ করা হবে বলে হুমকিও দেয় সে। ৩০ মে সকাল সাড়ে ৮টায় ছাত্রী প্রতিদিনের ন্যায় কোচিং করার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়। দুপুর গড়িয়ে সন্ধ্যার পর বাড়ি ফিরে না আসায় তার পরিবার খোঁজ নিতে থাকে। পরে পরিচিত এক ব্যক্তির মাধ্যমে জানতে পারে তার মেয়েকে আসামি জান্নাতুল ফেরদৌস ও তার সহযোগিরা জোরপূর্বক মাইক্রোবাসযোগে অপহরণ করে নিয়ে গেছে। এঘটনায় হামিদ হাওলাদার বাদী দৌলতপুর থানায় ৪জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন যার নং- ১।

সাতক্ষীরায় র‌্যাবের অভিযানে গাঁজাসহ গ্রেফতার ২

স্টাফ রিপোর্টার

সাতক্ষীরা জেলার সদর থানাধীন পলাশপোল গ্রামে অভিযান চালিয়ে প্রায় দেড়কেজি  গাঁজাসহ দু’মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৬। মঙ্গলবার (১ জুন) বিকেল পৌনে ৩টার দিকে গোপন সংবাদের মাধ্যমে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার দু’মাদক ব্যবসায়ী হলেন সাতক্ষীরা জেলা সদরের মধু মল্লার ডাংগী এলাকার মো. মতিয়ার সরদার এর ছেলে মো. বিল্লাল হোসেন (৩২) ও তালা থানার সরুলিয়া গ্রামের মৃত. হাবু গাজীর ছেলে আব্দুস সামাদ (৫০)। 

র‌্যাব-৬ জানায়, মঙ্গলবার (১ জুন) বিকেল পৌনে ৩টার দিকে সাতক্ষীরা জেলার সদর থানাধীন পলাশপোল গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে র‌্যাবের একটি আভিযানিক দল। এসময় শেখ আবুল কালাম এর বসত বাড়ির সামনে থেকে এককেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ বিল্লাল হোসেন ও আব্দুস সামাদকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে সাতক্ষীরা সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

কুষ্টিয়ায় প্রতিরোধ কমিটির সভা: করোনার ভারতীয় ধরন ঠেকানো ও নমুনা পরীক্ষা বৃদ্ধিতে জোর

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

ভারত-সীমান্তবর্তী জেলা কুষ্টিয়ায় করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়তির দিকে। এ অবস্থায় করোনার ভারতীয় ধরন ঠেকানো ও নমুনা পরীক্ষা বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। আজ মঙ্গলবার জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভায় এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

কুষ্টিয়ায় করোনা পরিস্থিতি বিষয়ে দুপুর ১২টায় এ সভা শুরু হয়। ভার্চ্যুয়াল মাধ্যমে অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম। প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী চলে এ সভা। সভায় যুক্ত ছিলেন কমিটির সদস্যসচিব ও সিভিল সার্জন এইচ এম আনোয়ারুল ইসলাম, পুলিশ সুপার খাইরুল আলম, কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক আবদুল মোমেন, আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) তাপস কুমার সরকার, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান, ছয়টি উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তারা (ইউএনও) ও গণমাধ্যমকর্মীরা।

কোনো রোগীই উপজেলায় থাকতে চাইছেন না। জেনারেল হাসপাতালে চলে আসছেন। কারণ, এখানে অক্সিজেন সাপোর্ট বেশি। কিন্তু বেডের খুবই সমস্যা। বেডের সংখ্যা এক শতে উন্নীত করা জরুরি।

সভার শুরুতেই সিভিল সার্জন আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘কুষ্টিয়ায় করোনা পরিস্থিতি খারাপ বলব না। তবে একটু বাড়তির দিকে। এ রকম পরিস্থিতি আগেও দুবার হয়েছিল। ঈদের কেনাকাটায় ভিড় দেখে আতঙ্কিত ছিলাম। ইদানীং করোনা পজিটিভ ব্যক্তির সংখ্যা বাড়ছে। কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ৩৮ করোনা রোগী ভর্তি। কোনো রোগীই উপজেলায় থাকতে চাইছেন না। জেনারেল হাসপাতালে চলে আসছেন। কারণ, এখানে অক্সিজেন সাপোর্ট বেশি। কিন্তু বেডের খুবই সমস্যা। বেডের সংখ্যা এক শতে উন্নীত করা জরুরি।’ তিনি আরও বলেন, কুষ্টিয়ায় প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে থাকা অবস্থায় ভারতফেরত তিনজন করোনা পজিটিভ হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে দুজন ইতিমধ্যে নেগেটিভ হয়েছেন। অপরজন এখনো পজিটিভ। তিনি ঢাকায় চিকিৎসাধীন। সীমান্তে কঠোর তদারকির ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক আবদুল মোমেন বলেন, ইতিমধ্যে করোনার ভারতীয় ধরন দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। তাই অবহেলা না করে কার্যকর লকডাউন দিতে হবে।

সভার শেষের দিকে বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম। তিনি নমুনা পরীক্ষার হার বাড়ানোর ওপর জোর দেন। বিশেষ করে আগামী চার-পাঁচ দিন পরীক্ষার পরিমাণ বাড়াতে হবে বলে মনে করছেন তিনি।

জেলা প্রশাসক বলেন, বেশি বেশি পরীক্ষার মাধ্যমে করোনা সংক্রমণের হার সম্পর্কে ধারণা পেতে হবে। যেসব এলাকায় শনাক্ত বেশি দেখা যাবে, সেসব এলাকার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নিতে হবে। সবার মাস্ক পরিধান নিশ্চিত করা, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা, জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে বের না হওয়াসহ জনসাধারণকে সচেতন করতে সব ধরনের সিদ্ধান্ত কঠোরভাবে বাস্তবায়নের কথা বলেন সাইদুল ইসলাম। কুষ্টিয়ায় এ পর্যন্ত ৪ হাজার ৯৭৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। গত ৪ দিনে করোনা পজিটিভ হয়েছেন ১০২ জন। করোনায় সংক্রমিত হয়ে মারা গেছেন ১১৩ জন। গত তিন দিনে তিনজন মারা গেছেন।

করোনার উপসর্গ নিয়ে সাতক্ষীরা মেডিকেলে তিনজনের মুত্যু

স্টাফ রিপোর্টার

করোনা উপসর্গ নিয়ে তিন ঘণ্টার ব্যবধানে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দুই নারীসহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার রাত সোয়া ৭টা থেকে রাত সোয়া ১০টার মধ্যে তাঁদের মৃত্যু হয়। এ নিয়ে এই হাসপাতালে করোনা উপসর্গে ১১৭ জনের ও করোনা পজিটিভ হিসেবে ৩৩ জনের মৃত্যু হলো।

মৃত ব্যক্তিরা হলেন সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলার সাহেবআটি গ্রামের আবদুস সামাদ (৭০), কলারোয়া উপজেলার বাটরা গ্রামের ফরিদা বেগম (৫৫) ও সাতক্ষীরা সদর উপজেলার পদ্মশাখরা গ্রামের সুফিয়া খাতুন (৫৫)।

সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, কালীগঞ্জ উপজেলার সাহেবআটি গ্রামের আবদুস সামাদ গত শুক্রবার দিবাগত রাত একটার দিকে জ্বর, সর্দি, কাশি, গলাব্যথা ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালের আইসোলেশন ইউনিটে ভর্তি হন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল রাত সোয়া ১০টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।

একই ধরনের উপসর্গ নিয়ে কলারোয়া উপজেলার বাটরা গ্রামের ফরিদা বেগম গত শনিবার রাত আটটার দিকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ভর্তি হন। গতকাল রাত সাড়ে নয়টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়। একই ধরনের উপসর্গ নিয়ে গত বৃহস্পতিবার সাতক্ষীরা সদর উপজেলার পদ্মশাখরা গ্রামের সুফিয়া খাতুনকে হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ভর্তি করা হয়। তিনি চিকিৎসাধীন গতকাল রাত সোয়া সাতটার দিকে মারা যান।

সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক কুদরত-ই-খোদা মৃত্যুর খবরের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ পর্যন্ত হাসপাতালে করোনার উপসর্গ নিয়ে ২১৭ জন এবং করোনা পজিটিভ হিসেবে ৩৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

উপকূলজুড়ে ছড়াচ্ছে পানিবাহিত রোগ

স্টাফ রিপোর্টার

খুলনার উপকূলজুড়ে সুপেয় পানির সংকট শুরু হয়েছে। পাশাপাশি পানিবাহিত রোগও ছড়াতে শুরু করেছে। কয়রার ৭টি কমিউনিটি ক্লিনিকসহ উপকূলীয় এলাকায় বেশ কিছু কমিউনিটি ক্লিনিক পানিতে ডুবে আছে। ফলে ওই সব এলাকায় চিকিৎসাসেবা গতিহীন হয়ে পড়েছে। মেডিক্যাল টিম থাকলেও বাঁধ ভাঙা থাকার কারণে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হওয়ায় দুর্গম এলাকার মানুষ চিকিৎসাসেবা পাচ্ছে না।

প্লাবিত এলাকায় এখন খাবার পানির চরম সংকট দেখা দিয়েছে। সেখানকার লোকজনকে অনেক দূর থেকে খাবার পানি সংগ্রহ করতে হচ্ছে। প্লাবিত এলাকার বেশিরভাগ নলকূপের পানি পানযোগ্য নয়। খাবার পানির প্রধান উৎস পুকুর ডুবে যাওয়ায় পিএসএফ থেকে পানি নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

এদিকে দীর্ঘদিন বৃষ্টি না হওয়ায় বৃষ্টির পানি জমিয়ে রাখার বড় পাত্রগুলোও খালি পড়ে আছে। শুকনো জায়গা না থাকায় কেউ ভেলায় চড়ে, আবার কেউ লোনাপানি ভেঙে খাবার পানি সংগ্রহের জন্য দূরের গ্রামে পাড়ি জমাচ্ছেন।

কয়রার দশালিয়ার ইকবাল হোসেন বলেন, ‘গত ৩ দিন ধরে আমরা ১০টি পরিবার মাধ্যমিক বিদ্যালয় আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান করছি। কিন্তু গত রবিবার দুপুর পর্যন্ত কোনও ধরনের চিকিৎসাসেবা বা খাদ্য সহায়তা পাওয়া যায়নি। এখানে শিশুসহ ৬-৮ জন ডায়রিয়াসহ নানা সমস্যায় রয়েছেন।’

দশালিয়ার সফুরা বেগম বলেন, ‘দুই দিন ধরে পায়খানা ও বমি হচ্ছে। কিন্তু কোনও চিকিৎসাসেবা পাচ্ছি না। স্থানীয় কমিউনিটি ক্লিনিক পানিতে ডুবে থাকায় তা বন্ধ রয়েছে। আর কয়রা সদর ২৫ কিলোমিটার দূরে। যোগাযোগ সমস্যার কারণে সেখানে যাওয়াও যাচ্ছে না।’

কয়রার স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সদীপ বালা বলেন, ‘সাতটি কমিউনিটি ক্লিনিক পানিতে ডুবে আছে। তারপরও সেখান থেকে চিকিৎসাসেবা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। এছাড়া প্রতিটি ইউনিয়নে মেডিক্যাল টিম দেওয়া হয়েছে। পর্যাপ্ত ওরস্যালাইন ও পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট মজুত রয়েছে। যা সরবরাহ করা হচ্ছে।’

কয়রা স্বাস্থ্যকেন্দ্রের আরএমও ডা. তমাল কুমার দাশ বলেন, ‘এখানে এমনিতেই ডায়রিয়ার রোগী নিয়মিত আসে চিকিৎসাসেবা নিতে। তবে ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের পর ২-৩ দিনে এ ধরনের রোগী বেড়েছে।’

কয়রার আটরা গ্রামের সাজেদা খাতুন বলেন, ‘গ্রামের সব মানুষ পাশের একটি পুকুরের পানি পান করতাম। সেটি ডুবে যাওয়ার পর তিন মাইল দূরের কালনা সরকারি পুকুর থেকে পানি সংগ্রহ করতে হচ্ছে।’ এভাবে ভেলায় চড়ে পানি সংগ্রহ করতে তাদের একদিনের অর্ধেক সময় ব্যয় হচ্ছে।

কলেজশিক্ষক মফিজুল ইসলাম বলেন, ‘প্লাবিত এলাকাজুড়ে এখন খাবার পানির কষ্ট দেখা দিয়েছে। দূর থেকে খাবার পানি আনার কষ্টে অনেকেই এলাকার নলকূপের আয়রনযুক্ত কষ পানি পান করছেন। এতে অনেক পরিবারের সদস্যদের ইতোমধ্যেই পেটের পিড়া দেখা দিয়েছে।’

গৃহিনী সালমা বেগম বলেন, ‘দুর্যোগের দিন অনেক বৃষ্টি হয়েছিল। তখন অনেকেই পানি ধরতি পারলিও আমরা পারিনি। সে সময় গাঙের পানির তোড়ে সব ভাসায়ে নিয়ে যাওয়ার মতো অবস্থা হয়। তখন ঘরের মালামাল ও বাচ্চা-কাচ্চা সামলাতি আমাগের হিমশিম অবস্থা। খাবার পানি ধরার সময় পাইনি।’

কয়রার মহারাজপুর ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. বায়জিদ হোসেন বলেন, ‘দশহালিয়া বেঁড়িবাধ ভেঙে মহারাজপুরে প্রায় সব এলাকা প্লাবিত হয়েছে। গত শুক্রবার ও শনিবার দুপুরের জোয়ারের পানি প্রবেশ করে নতুন নতুন গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এ দুই দিনে রাস্তায়ও পানি উঠেছে। ফলে সীমাহীন দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে এখানকাবাসীকে।’

কয়রার বাসিন্দা মো. কবির বলেন, ‘মহারাজপুর ইউনিয়নের দশহালিয়ার ২টি ক্লোজার দিয়ে নদীর জোয়ারের পানি প্রবেশ করায় বিভিন্ন সড়কে নতুন করে খানাখন্দে পরিণত হয়েছে। শুক্রবার ও শনিবারের জোয়ারের পানিতে আবারও প্লাবিত হয়েছে অনেক গ্রাম। পানির চাপে গ্র্যাজুয়েট গ্রাম ও বাগালি ইউনিয়নের কিছু অংশ নতুন করে প্লাবিত হয়েছে। ফলে হাজার হাজার বিঘা মৎস্য ঘের, ফসলি জমি, বসতঘর, মসজিদ, দোকানঘর ও একটি খেয়াঘাট হুমকির মুখে পড়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আশ্রয়কেন্দ্রেও আশ্রয় নিয়েছেন ঘরহারা ও প্লাবিত মানুষ। তবে পাঁচটি স্থানে স্বেচ্ছাশ্রমে বেড়িবাঁধ মেরামত করায় এখন সেসব স্থানে জোয়ারের পানি প্রবেশ বন্ধ রয়েছে। শুক্রবার (২৮ মে) ভোর থেকে দুপুরের জোয়ারের আগ পর্যন্ত দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের আংটিহারা বেড়িবাঁধ, মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের তেঁতুল তলারচর, উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের পদ্মপুকুর, মহারাজপুর ইউনিয়নের মঠের কোনার ২টি বেড়িবাঁধ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতায় স্বেচ্ছাশ্রমে মেরামত করেন ভুক্তভোগীরা।’

মহারাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান জিএম আব্দুল্লাহ আল মামুন বাবলু বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে জোয়ারের কারণে ঢেউয়ের আঘাতে ২৬ মে বিভিন্ন স্থানে বেড়িবাঁধ ভেঙে যায়। পানি প্রবেশ করে লোকালয়ে। সেই ভাঙা বাঁধ দিয়ে জোয়ারের সময় পানি প্রবেশ অব্যাহত রয়েছে। প্লাবিত হচ্ছে নতুন নতুন এলাকা।’

কয়রা উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী প্রীতিশ ম-ল বলেন, ‘আগে থেকেই এ এলাকায় খাবার পানির সংকট রয়েছে। নলকূপ সফল না হওয়ায় বৃষ্টির পানি ও পুকুরের পানি এখানকার মানুষের একমাত্র ভরসা। তবে দীর্ঘদিন বৃষ্টি না হওয়ায় সমস্যা হয়েছে। সেইসঙ্গে বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় এ সমস্যা আরও প্রকট হয়েছে। ইতোমধ্যে উপজেলা জনস্বাস্থ্য অফিসের পক্ষ থেকে প্লাবিত এলাকার বিভিন্ন জায়গায় বিশুদ্ধ পানি বিতরণ করা হয়েছে। এ ছাড়া প্লাবিত জনগণের মাঝে পানি বিশুদ্ধ করার ট্যাবলেট প্রদান করা হয়েছে।’

কয়রা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অনিমেষ বিশ্বাস বলেন, ‘শুক্রবার কয়েকটি বেড়িবাঁধ মেরামত করা হয়েছে। তবে মহারাজপুরের ভাঙা বেড়িবাঁধ দিয়ে পানি প্রবেশ করে শুক্রবার রাস্তা ছাপিয়ে যায়। সেখান থেকে বাগালি ইউনিয়নের অন্তত আরও ১৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। তবে যেসব স্থানে বেড়িবাঁধ সংস্কার করা হয়েছে সেসব স্থানে পানি নেই। তবে এখনও প্রায় ৪০ গ্রাম প্লাবিত রয়েছে।’

স্থানীয় ইউপি সদস্য শাহাদাৎ হোসেন বলেন, ‘খাবার পানির চাইতে এখন ঘর গৃহাস্থলি ও গোসলের পানির বেশি সমস্যা দেখা দিয়েছে। মানুষ যে করেই হোক খাবার পানি জোগাড় করতে পারছে কিন্তু গোসলের পানি পাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে লোনা পানিতেই সে কাজ সারতে হচ্ছে।’

খুলনা ওয়াসায় পানির লবণাক্ততা কমাতে নতুন প্রকল্প

স্টাফ রিপোর্টার

ভূগর্ভস্থ পানির উপর নির্ভরতা কমাতে দুই হাজার ৫৫৮ কোটি টাকা ব্যয়ে খুলনায় পানি সরবরাহ প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে খুলনা ওয়াসা। কিন্তু সেই ভূগর্ভের পানির উপর ভর করেই চলতে হচ্ছে খুলনা ওয়াসাকে।

ওয়াসা বাগেরহাট জেলার মোল্লাহাটের মধুমতি নদ থেকে যে পানি সরবরাহ করছে তা লবণাক্ত। ফলে লবণাক্ততা দূর করতে আবারও নতুন প্রকল্প গ্রহণ করছে। মঙ্গলবার (১ জুন) ওয়াসা কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানালেন খুলনা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মো. আব্দুল্লাহ। এসময় উপস্থিত ছিলেন, ওয়াসার উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী এমডি কামাল হোসেন। ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, ২০১১ সালে একনেকে খুলনা ওয়াসার পানি সরবরাহ প্রকল্প অনুমোদিত হয়। এরপর জাপানি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান এন জে এস ২০০৯-২০১০ প্রকল্পের সম্ভবতা যাচাই করে। কয়েকটি নদ-নদীর উপর জরিপ চালিয়ে মোল্লহাটে ইনটেক পয়েন্ট করে সেখান থেকে পানি সরবরার করার ব্যবস্থা করা হয়।

শুষ্ক মৌসুমে মাত্র ১৫ দিন পানিতে লবণ থাকার কথা থাকলেও ওয়াসার পানিতে এখন সেটি বেশী স্বীকার করে এমডি বলেন, লবণাক্ততা কমানোর জন্য নলকূপের পানি মিশিয়ে সরবরাহ করা হচ্ছে। এতে ভূগর্ভের পানির উপর চাপ পড়ছে। ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, জরুরি পরিস্থিতিতে এটা করা হচ্ছে। তবে সম্মেলনে অনেক প্রশ্ন এড়িয়ে যান খুলনা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক।

ঝিনাইদহে বিশ্ব দুগ্ধ দিবস পালিত

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি-

“ প্রতিদিন এক গ্লাস দুধ পান করুন, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করুন” এ শ্লোগানকে সামনে রেখে ঝিনাইদহে বিশ্ব দুগ্ধদিবস  পালিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে  প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরের আয়োজনে প্রাণী সম্পদ ও ডেইরী উন্নয়ন প্রকল্পের সহযোগীতায় এ উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে জেলা প্রশাসক মজিবর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য খালেদা খানম। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ আনন্দ কুমার অধিকারী, সহকারী পুলিশ সুপার আরিফুল ইসলাম। এছাড়া সদর উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ সুব্রত কুমার ব্যানার্জী,  ডেইরী ফার্মার এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কাজী মোহাম্মদ ফারুকসহ প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরের বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারী ও উপকারভোগীরা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা শেষে উপস্থিত শিশুদের মাঝে প্যাকেটজাত দুধ বিতরণ করা হয়। বক্তারা, নিরাপদ দুধ সরবরাহ নিশ্চিত করার পাশাপাশি সকলকে প্রতিনিয়ত দুধ পান করার আহবান জানান।

রামপালে জিয়াউর রহমানের ৪০ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত

মোংলা প্রতিনিধি

বাগেরহাটের রামপালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬ বিএনপির কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে উপজেলার ফয়লাহাট বাজারে অবস্থিত উপজেলা বিএনপি’র আঞ্চলিক কার্যালয়ে জিয়াউর রহমানের শাহাদৎ বার্ষিকীর আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। নব গঠিত ছাত্রদলের আহবায়ক কমিটির রামপাল শাখার সদস্য সচিব রবিউল ইসলাম রবির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে অন্যান্যর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাট জেলা ছাত্রদলের প্রস্তাবিত সহ-সভাপতি তারেক আনাম, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ন আহবায়ক মোঃ মারুফ খান, মেহেদী হাসান, ইব্রাহীম আকুঞ্জি, মিলন লশকর, সদস্য আশিকুজ্জামান সুমন, জোবায়ের পরশ এবং ইউনিয়ন ছাত্রদল নেতা শেখ এম এ রাসেল, সবুজ শেখ, রওনক ইসলাম শুভ, দিপংকর দাস, বাকিবিল্লাহ, শিহাব ও তালহা। এ সময় বক্তারা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কর্মময় জীবন ও অমর কীর্তি শীর্ষক আলোচনা সভায় তার আদর্শ এবং চেতনার বিষয়বস্তু তুলে ধরেন। দলকে সুসংগঠিত করে আন্দোলনের মাধ্যমে এ সরকারের পতন ঘটিয়ে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করার ঘোষণাও দেন বক্তারা। শেষে বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনা করে একই সঙ্গে দেশ ও জাতিকে করোনা মহামারি থেকে রক্ষা করার জন্য বিশেষ মোনাজাত ও দোয়া করা হয়।

#খানজাহান আলী থানা   যুবদল ফোরামের উদ্যোগে

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪০ তম শাহাদাৎ বার্ষিকি পালিত

ফুলবাড়ীগেট( খুলনা) প্রতিনিধি

 মহান স্বাধীনতার ঘোষক বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৪০ তম শাহাদাৎ বার্ষিকি উপলক্ষে খানজাহান আলী থানা সাবেক যুবদল ফোরাম আয়োজিত এবং খুলনা ৩ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী আলহাজ্ব রকিবুল ইসলাম বকুল এর সার্বিক সহযোগীতায় ১ জুন মঙ্গলবার বিকাল ৫ টায় ফুলবাড়ীগেটস্থ বিএনপি কার্যালয়ে এক দোয়া ও দুস্থদের মাঝে খাদ্য বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

খানজাহান আলী থানা  যুবদলের সাবেক  সভাপতি মোল্লা সোহরাব হোসেনের  সভাপতিত্বে ও মোঃ এমদাদুল হকের পরিচালনায়  অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খানজাহান আলী থানা বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোঃ এনামুল হাসান ডায়মন্ড, মহানগর যুবদলের সাবেক সাধারন সম্পাদক শের আলম সান্টু,  বিশেষ অতিথি ছিলেন সোনাডাঙ্গা থানা যুবদলের সাবেক সাধারন সম্পাদক মেহেদি হাসান সোহাগ , খালিশপুর থানা যুবদলের সাবেক সভাপতি জাহিদ হাসান, মহানগর যুবদল নেতা সাইফুল ইসলাম সান্টু, সদর থানা যুবদল নেতা গোলাম কিবরিয়া , অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন খানজাহান আলী থানা বিএনপির সহ সভাপতি মুন্সি আঃ রব, যুগ্ন সম্পাদক আশরাফ ঢালি, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান, প্রচার সম্পাদক মোল্লা সোহাগ হোসেন, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক মোঃ শাহ আলম মেম্বার, মুন্সি আজম, শেখ সেলিম, আঃ হাই রুমি, মোঃ মিজান, যুবদল নেতা মাসুম খান, শরিফ ওবায়দুর রহমান চয়ন, মোল্যা শরিফুল ইসলাম, জিয়া উদ্দিন, রফিকুল ইসলাম, মারুফ হাওঃ , শামিম, লিটন, রানা, আলম, শপিকুল, হাসান শেখ , স্বোসেবক দল নেতা কামরুল ইসলাম, বিল্লাল হাসেন, নাজমুল হুদা পলাশ, বিল্লাল কাজী, এমদাদ মোড়ল,ছাত্রদল নেতা হাবিবুর রহমান বিপ্লব, মাসুম বিল্লাহ, ফয়সাল আহম্মেদ, মানিক মোল্যা, মেহেদী হাসান, শ্রমিকদল নেতা, শাহিন রেজা, মোঃ জসিম, মোঃ জিল্লুর রহমান, মোশারফ হোসেন প্রমুখ।

উল্লেখ্য, খুলনা ৩ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রদল নেতা আলহাজ্ব রকিবুল ইসলাম বকুল এর সার্বিক সহযোগীতায় খুলনার জেলা ও মহানগর বিএ্নপিসহ অংগ সংগঠনের আয়োজনে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউ্র রহমানের ৪০ তম শাহাদাৎ বার্ষিকি উপলক্ষে জিয়াউর রহমানের জিবনি সম্পর্কে  আলোচনা সভা,দুস্থ, অসহায়, ভাসমান মানুষের মধ্যে খাদ্য বিতরণসহ বিভিন্ন কর্মসূচী পালন করে আসছে যা অব্যাহত রয়েছে।

মহেশপুরে প্রভাবশালীদের দখল থেকে সরকারী জমি উদ্ধারের দাবিতে গ্রামবাসীদের মানববন্ধন

মহেশপুর(ঝিনাইদহ)প্রতিনিধিঃ

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার নলপাতুয়া গ্রামের গ্রামবাসীরা গতকাল মঙ্গলবার সকালে এলাকার প্রভাবশালীদের দখল থেকে সরকারী জমি উদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন।

মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত ঘন্টা নলপাতুয়া জলুলী সড়কের ধারে ও  এলাকার প্রভাবশালীদের দখলে থাকা জমিতে এ মানববন্ধন করেন নলপাতুয়া ও তালপট্্ির পাড়ার গ্রামবাসীরা।

গ্রামবাসীরা জানান, সরকারের নলপাতুয়া মৌজায় একের ১ খতিয়ানের ৬৬ একর ৭০ শতক জমি দীর্ঘ দিন ধরে এলাকার প্রভাবশালীরা দখল করে চাষাবাদ করে আসছিলো। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে স্থানীয় সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ¦ শহিদুল ইসলাম মাষ্টার গ্রামবাসীদের কাছ থেকে ভূয়া দলিলের মাধ্যমে রেজিষ্ট্রি করে নিয়েছিলেন। পরে ২০০৭ সালে তত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতা গ্রহনের পর মহেশপুরের সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসিব আহসান এর নিকট ভূয়া দলিলের মাধ্যমে রেজিষ্ট্রিকৃত জমি ফেরত দেন।

কিন্তু পরবর্তীতে আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে এলাকার প্রভাবশালীরা ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তাদের মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ম্যানেজ করে সরকারী জমি ও সরকারের বিল দখল করে একের পর এক পুকুর খনন করে চলেছে।

নলপাতুয়া গ্রামের ইউছুব আলী জানান, সরকারের ৬৬ একর জমি এলাকার আতিয়ার রহমান,রজব আলী মাষ্টার,খলিলুর রহমান,সালমা খাতুন,বাবুল হোসেন,হাবিবুর রহমান,মুজিবর রহমানসহ ১২ জন দখল করে নিয়েছে। এর মধ্যে কয়েক জন বড় বড় পুকুরও খনন করেছে। আমরা সরকারের জমি সরকারের কাছে থাক এটাই দাবি জানায়।

খড়োমান্দারতলার দুদু খন্দকার জানান, সরকারের জমি সরকারের কাছে থাকবে এটাই আমার দাবি। সরকারের জমি এলাকার প্রভাবশালীরা নিজেদের নামে কিভাবে রেকর্ড করে নেয়। এর সাথে কারা কারা জরিত আছে তাদেরকেউ ধরতে হবে।

তালপট্্িরপাড়ার সিরাজুল ইসলাম জানান, শুধু আমরা নয়, এলাকার শত শত মানুষ সরকারের এ খালে মাছ ধরেছে। আর আজ এলাকার প্রভাবশালীরা দখল করে নিয়ে সব বড় বড় পুকুর খনন করে তারা মাছ চাষ শুরু করেছে। আমরা সরকারের জমি সরকারের ফিরিয়ে আনার দাবি জানায়।

যাদবপুর ইউপি চেয়ারম্যান এবিএম শাহীদুল ইসলাম জানান, সরকারের এতো জমি কি ভাবে ব্যক্তি মালিকরা দখল করে তা আমার জানা নেই। আমি সরকারের দখল হওয়া জমি গুলো উদ্ধার করারও পক্ষে।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) কাজি আনিচুল ইসলামের সরকারী নম্বনসহ ২টি মুঠো ফোন বন্ধ পাওয়ায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাশ^তী শীল জানান, খুব তারাতারিই আমরা সরকারের জমি উদ্ধারের জন্য ব্যবস্থা নেব। সরকারের জমি কেউ জোর করে দখলে রাখতে পারবেনা।