মিলি রহমান
কবি অতনু দত্ত লিখেছেন, ‘হাড্ডিমা ডিম ডিম, সাদা খোলের ভেতর ক্রিম, ডিমের গুণ অপরিসীম।’ হ্যাঁ, জানাতে যাচ্ছি ডিমের পুষ্টিগুণের কথা। মানবদেহের জন্য যতো পুষ্টি দরকার তার সবই আছে ডিমে। তাই বিজ্ঞানীরা ডিমকে বলছে ‘সুপারফুড’। আসুন জেনেই ডিমের গুণাগুণ- (১). ডিম আগে না মুরগি আগে, এটা নিয়ে মানুষের মাঝে তর্কের শেষ না হলেও মুরগির গোশতের চেয়ে ডিমে রয়েছে বেশি পুষ্টি। (২). আদর্শ খাদ্য ডিম নিয়ে রয়েছে মাতামাতি। কারও পছন্দ মামলেট, কারও আবার ওমলেট, কেউ ডিম দিয়ে বানান চপ, খাবার পাতে কেউ চান ডিম ভুনা। তবে কেক কিংবা পুডিং সবখানেই চাই ডিম। (৩). ডিমে রয়েছে ক্যালোরি, প্রোটিন, ফ্যাট, ভিটামিন ‘এ’, ভিটামিন বি ২, সায়ানো কোবেলামিন, ফসফরাস, ম্যাগনেসিয়াম, কোলেস্টেরল, ফোলেট, সোডিয়াম, ক্যালসিয়াম, জিংক, কোলাইন, সেলেনিয়াম ও আয়রন। (৪). স্বাদে সেরা ডিমের ফলিক অ্যাসিড, গর্ভাবস্থায় থাকা শিশুর জন্মগত রোগ স্পাইনা বাইফিডাকে করে প্রতিরোধ। (৫). ডিমে ওমেগা ৩ ফ্যাট, ডেকাসোহেক্সানয়িক অ্যাসিড, যা মস্তিস্কের বিকাশ, রক্তের কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ এবং দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে দারুণ সহায়ক। (৬). ডিমের লুটেইন এবং জিয়াজ্যানথিন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রেটিনাকে রাখে সুস্থ। (৭). ভিটামিন ‘এ’ এবং সায়ানোকোবেলামিন মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। (৮). যারা শরীরচর্চা করেন, তারাও ডিম খেতে পারেন নিয়মিত। (৯). ডিমে থাকা প্রোটিন, মানবদেহের টিস্যুকে করে মেরামত এবং শক্তিশালী করে মাংসপেশীকে। (১০). পুষ্টিবিজ্ঞানী মনিরুল ইসলামের মতে, ডিম হচ্ছে একটা সুপারফুড। এতো অল্প পয়সায় এতো পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ খাবার আর পাওয়া যায় না। (১১). ডিম শিশুদের মস্তিষ্ক গঠনে সহায়ক। এজন্য দুই বছর থেকে প্রত্যেক বাচ্চাকে নিয়ম করে ডিম খাওয়ানো উচিত। (১২). যাদের উচ্চরক্ত চাপ নাই, তারা অনায়াসে তিনটি করে ডিম খেতে পারেন, তাতে কোনও সমস্যা নাই।











































