- মিলি রহমান
গ্রাম বাংলার একটি জনপ্রিয় ফুল হচ্ছে গাঁদা ফুল। গাঁদা ফুল কে না ভালবাসে! ফুল দেখলে সকলেরই মন চায় গন্ধ নেওয়ার জন্য। ফুল শুধু সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে না এই ফুলে বয়েছে বহু ঔষধি গুনাগুণ। নির্ন্মে গাঁদা ফুলের ঔষধি গুনাগুণ সম্পর্কে আলোচনা করা হলো।
সুগন্ধি তৈরীতেঃ গাঁদা ফুলের সুগন্ধ মানুষের মনকে মাতাল করে দেয় এবং মনকে করে প্রাণবন্ত। তাই এখন প্রকৃয়ার মাধ্যমে গাঁদা ফুল থেকে বিভিন্ন ধরণের সুগন্ধি তৈরী হয়।
ক্যান্সার প্রতিরোধেঃ এই ফুলে আছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও ফ্যাভনয়েড নামক উপাদান যা মানবদেহের ক্যান্সার কোষের বাড়ন্ত অবস্থাকে প্রতিহত করতে সাহায্য করে।
টিউমার প্রতিরোধেঃ গাঁদা ফুলে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট আছে যা আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে। ফলে আমাদের শরীরে কোন ফোঁড়া বা টিউমার হতে রক্ষা করে এই গাঁদা ফুল।
কাটা ও ঘা সারিয়ে তুলতেঃ শরীরের কোথাও কোন কেটে গেলে বা ঘা হলে কিংবা রক্ত পড়া বন্ধ না হয়। তখন গাঁদা ফুলের পাতা হাতে ডলে ক্ষত স্থানে ঘষে দিলে তৎক্ষনাত রক্ত পড়া বন্ধ হয়ে যাবে। শরীরে যদি ব্যাথা থাকে গাঁদা পাতার বেটে প্রলেপ দিলে ব্যাথা কমে ও কাটা স্থান তাড়াতাড়ি জোড়া লাগে।
অর্শ্ব-পাইলসঃ এই ফুলের পাপড়ি অল্প পরিমাণ মাখনের সাথে মিশিয়ে টানা কয়েকদিন সকালে খালি পেটে খেলে অর্শ্ব-পাইলসের রক্ত পড়া বন্ধ হয়ে যায়।
কান পাকাঃ কান পাকলে গাঁদা ফুলের পাতার রস কানের ভিতরে কয়েক দিন দিলে কান পাকা ভাল হয়। এছাড়া ছত্রাক জনিত সমস্যা সারাতেও গাঁদা ফুলের জুড়ি নেই।
মহিলাদের অনিয়মিত মাসিকঃ যাদের নিয়মিত মাসিক হয়না বা মাসিকের সময় পেট ব্যাথা করে তারা প্রতিদিন গাঁদা ফুলের চা খেতে পারেন। এতে ব্যাথা কমে ও মাসিকের সমস্যা দূর হয়। এ সমস্যা সাধারণত উঠতি বয়সের মেয়েদের ক্ষেত্রে বেশী হয়।
চুলের যত্নেঃ গাঁদা ফুল ভাল ভবে বেঁটে নারিকেল তেলের সাথে মিশিয়ে মাথায় নিয়মিত ১০-১৫ দিন লাগালে মাথার খুশকি দূর হয়, চুল কুচকুচে কালো হয়।
মৌসুমী রোগ থেকে রক্ষাঃ গাঁদা ফুলে আছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট যা আমাদের মৌসুমী রোগ থেকে মুক্তি দেয়। যেমনঃ-ঠান্ডা, জ্বর, কাশি ইত্যাদি।
স্কার্ভি রোগ হতে সুরক্ষাঃ গাঁদা ফুল শুকিয়ে পুড়ে ছাই দেয়ে নিয়মিত দাঁত মাজলে দাঁতের গোড়া শক্ত হয়, মুখের দুর্গন্ধ দূর হয়, মুখের ঘা হওয়া থেকে বাঁচাই।










































