স্টাফ রিপোর্টার
খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার ফুলতলা গ্রামে পুলিশ সদস্যের ৪ বছরের শিশুপুত্র অনুভব মন্ডল যশকে হত্যায় নিহতের কাকা অনুপ কুমার মন্ডল (৪০)কে জিজ্ঞাসাবাদে ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।
গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে খুলনা জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট নয়ন বিশ্বাস ৭ দিনের রিমান্ড শুনানি শেষে এ আদেশ প্রদান করেছেন। নিহত শিশুর মাকে নেয়া হয়েছে পুলিশ হেফাজতে। সোমবার যশকে হত্যার অভিযোগে গতকাল মঙ্গলবার নিহতের পিতা এএসআই অমিত কুমার মন্ডল বাদী হয়ে বটিয়াঘাটা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন যার নং-১।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বটিয়াঘাটা থানার ওসি তদন্ত উজ্জল কুমার দত্ত বলেন, আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদে আদালতের মাধ্যমে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছিল। শুনানি শেষে আদালত ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। নিহত শিশুর মরদেহ এখনো খুমেক হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহে তার পিতার কাছে হস্তান্তর করা হবে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, বটিয়াঘাটার ফুলতলা গ্রামের নিমাই ম-লের ছেলে
অমিত কুমার মন্ডল পুলিশ বাহিনীতে ঢাকার বাড্ডা থানায় এএসআই পদে কর্তব্যরত। সাথে থাকেন স্ত্রী তনুশ্রী মন্ডল ও একমাত্র পুত্র সন্তান যশ (৪)। গত ২৯ নভেম্বর রাত ৮টার দিকে তনুশ্রী ও তার শিশুপুত্র যশ ফুলতলা গ্রামে বেড়াতে আসে। রাতের খাবার খেয়ে নিজ রুমে যশকে নিয়ে ঘুমিয়ে পড়ে তনুশ্রী। রাত সাড়ে ৩টার দিকে ঘুম থেকে বাহিরে যায় এবং যশকে নিয়ে আবার ঘুমিয়ে পড়ে। পরের দিন সকাল ১০টার দিকে শাশুড়ি ডাক দিলে পরে উঠবে বলে জানায় তনুশ্রী। সাড়ে ১০টার দিকে তনুশ্রীর মা জোনাকি মহলদার রুমে ডুকে যশকে কোলে নিতে গিয়ে মৃত দেখতে পায়। এঘটনায় নিহতের পিতা এএসআই অমিত কুমার মন্ডল বাদী হয়ে একমাত্র ভাই অনুপ মন্ডলের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতদের আসামি করে বটিয়াঘাটা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন যার নং-১।
পুলিশ সদস্য অমিত কুমার মন্ডল জানিয়েছেন, ২০১৫ সালে তার স্ত্রী তনুশ্রীর সাথে ভাই অনুপ মন্ডলের অবৈধ সম্পর্কের বিষয়টি জানাজানি হলে তিনি স্ত্রীকে নিয়ে কর্মস্থলের পাশে বাড়া ভাড়া নিয়ে বসবাস করতেন। সেই সম্পর্কের জেরধরে শিশু যশকে হত্যা করা হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। এরআগেও হত্যার চেষ্টাও করেছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এদিকে, স্থানীয়দের মাঝে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠেছে। স্থানীয়রা বলছেন, ঠাকুরপো অনুপের সাথে বৌদি তনুশ্রীর পরকীয়ার বলি শিশু যশ।
বটিয়াঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. রবিউল কবির জানান, হত্যার রহস্য উদঘাটনে দ্রুত তদন্ত প্রক্রিয়া চলছে।
ধর্ষণ মামলায় রিপন রিমান্ডে
স্টাফ রিপোর্টার
বটিয়াঘাটা থানাধিন বাঁশবাড়িয়া গ্রামের মামা জামালের বাড়িতে নিয়ে হারবাল প্রোডাক্ট বিক্রেতা মিরা আক্তারকে ধর্ষণ মামলার আসামি কসমেটিক ব্যবসায়ী মো. রিপন খান (৩৩) এর একদিনের রিমা- মঞ্জুর করেছে আদালত।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বটিয়াঘাটা থানার ওসি তদন্ত উজ্জল কুমার দত্ত ৩০ নভেম্বর আসামিকে আদালতে হাজির করে ৫দিনের রিমা-ের আবেদন করেন। গতকাল মঙ্গলবার আদালতের বিচারক জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট নয়ন বিশ্বাস রিমা-ে আদেশ প্রদান করেছেন। রিপন খান হরিণটানা থানাধিন হোগলাডাঙ্গা গ্রামের মৃত. ফজলে আলি খানের ছেলে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, নগরীর গোবরচাকা শাহিনুর জামে মসজিদ রোডস্থ কুতুব খানের বাড়ির ভাড়াটিয়া মিরা আক্তার এক্সিলেট হারবাল প্রোডক্টে চাকরি করেন। সেই সুবাদে হোগলাডাঙ্গার কসমেটিক দোকানদার রিপন খান এর সঙ্গে পরিচয় হয়। প্রায় দু’বছর আগে রিপন ফোনে মামা জামালের বাড়িতে দাওয়াত দেয়। সেখানে গেলে রিপন কৌশলে তার সঙ্গে মেলামেশা করে এবং ভিডিও করে রাখে। পরবর্তীতে ওই ভিডিও নেটে ছেড়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে রিপন মিরাকে অনেকবার ধর্ষণ করে। মিরা রিপনকে বিয়ের কথা বললে তার কাছে ৩০লাখ টাকা দাবি করে। এঘটনায় মিরা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন যার নং-১৩।










































