বিনোদন ডেস্ক।।
প্রেম, বিয়ে, ভাঙা-গড়া জীবনেরই অংশ। তারকাদের ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম নয়। তবে জীবনের এই পর্যায়কে অনেক মানুষকেই পরিণত করে তোলে। এমনটাই বিশ্বাস হলিউডের গায়িকা জেনিফার লোপেজের।
অভিনেতা বেন অ্যাফ্লেকের সঙ্গে সম্প্রতি ডিভোর্স হয়েছে জেনিফারের। সম্পর্ক ভাঙার সেই অভিজ্ঞতা জানালেন তিনি। এই গায়িকা মনে করেন, জীবনের এই কঠিন সময়টায় নিজের সঙ্গে কাটানো উচিত। নিজেকে নানা প্রশ্ন করা উচিত। কেন এমন হলো? কী করলে এই বিচ্ছেদ আটকানো যেত, এমন প্রশ্ন নিজেকেই করা উচিত।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী জানান, তার জীবনে অনেকটা পরিবর্তন হয়েছে গত কয়েকদিনে।
তিনি বলেন, ‘আবেগ আর মানসিক দিক থেকে হৃদয় ভাঙার পর মনের বিকাশ ঘটেছে। তবে শুধু প্রেমের জন্য নয়, কর্মক্ষেত্রেও ব্যর্থতাই শিক্ষা দিয়েছে আমায়।’
জীবনে বহু মানুষ এসেছে জেনিফার। প্রতিটি সম্পর্কের ক্ষেত্রেই কখনও কখনও মনে হয়েছে এটাই হয়তো পারফেক্ট তার জন্য। তবে সম্পর্ক না টিকলেও, মন ভাঙাকে জীবনের পরাজয় বলে মনে করতে নারাজ জেনিফার।

সম্প্রতি এ অভিনেত্রীর নতুন রোমান্টিক কমেডি সিনেমা ‘অফিস রোমান্স’ মুক্তি পেয়েছে । এ সিনেমার প্রচারে এসে মিশরীয় কমেডিয়ান ও শিল্পী কারিম রাহমার জনপ্রিয় শো ‘সাবওয়ে টেকস’-এ হাজির হন লোপেজ। সেখানেই প্রেম ও ক্যারিয়ারের বিচ্ছেদ নিয়ে নিজের জীবনের গভীর উপলব্ধির কথা শেয়ার করে নেন তিনি।
জেনিফার লোপেজ ব্যক্তিগত জীবনে ১৯৯৭ সালে ওজানি নোয়ার সঙ্গে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন। সেই বিয়ে এক বছরও টেকেনি। এরপর ক্রিস জুড এবং সংগীতশিল্পী মার্ক অ্যান্থনির সঙ্গে সংসার করেন তিনি। সেই ঘরে তার ১৮ বছর বয়সি যমজ সন্তান রয়েছে— মাক্স ও এম্মে।
সেই বিয়েবিচ্ছেদের পর ২০১৯ সালে অ্যালেক্স রদ্রিগেজের সঙ্গে আংটি বদল করেন জেনিফার লোপেজ। কিন্তু বিয়ের আগেই ২০২১ সালে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে। একই বছর তিনি পুরোনো প্রেমিক বেন অ্যাফ্লেকের সঙ্গে পুনরায় সম্পর্কে জড়ান এবং ২০২২ সালে বিয়ে করেন। তবে সেই সংসারও টেকেনি, ২০২৪ সালে তাদের আনুষ্ঠানিক ডিভোর্স হয়।
জেনিফার লোপেজ বলেন, জীবনের সবচেয়ে বড় শিক্ষাগুলো আসে ধাক্কা খাওয়ার পর থেকে। মানসিক, মনস্তাত্ত্বিক এবং আবেগীয় দিক থেকে আমার জীবনের সবচেয়ে বড় বিকাশগুলো ঘটেছে হৃদয় ভাঙার পর থেকে। এটা শুধু রোমান্টিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে নয়, ক্যারিয়ারের ব্যর্থতা বা কাজের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য।











































