স্পোর্টস ডেস্ক
সহযোগী দেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সেঞ্চুরি করে ইতিহাস গড়লেন কানাডার যুবরাজ সামরা। তবে তার দুর্দান্ত শতরানও দলকে হার থেকে বাঁচাতে পারেনি। আট উইকেটের জয় তুলে নিয়ে সুপার এইট পর্বে জায়গা নিশ্চিত করেছে নিউজিল্যান্ড।
৬৫ বলে ১১০ রানের ঝড়ো ইনিংসে ১১টি চার ও ছয়টি ছক্কা হাঁকান সামরা। তার ব্যাটে ভর করে কানাডা তোলে ১৭৩/৪। ৫৮ বলেই শতরান পূর্ণ করেন ১৯ বছর বয়সী এই তরুণ, যা ছিল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে কোনো সহযোগী দেশের ক্রিকেটারের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্কোর। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারন জোন্স কানাডার বিপক্ষে ৯৪ রানে অপরাজিত ছিলেন।
১৯ বছর ১৪১ দিনে সামরা হয়ে যান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সী সেঞ্চুরিয়ানও। তিনি ভেঙে দেন পাকিস্তানের আহমেদ শেহজাদের (২২ বছর ১২৭ দিন) রেকর্ড, যিনি ২০১৪ সালে বাংলাদেশের বিপক্ষে শতরান করেছিলেন।
চেন্নাইয়ে জ্যাকব ডাফির বলে ডিপ স্কয়ার লেগে গ্লেন ফিলিপসের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন সামরা। মাঠ ছাড়ার সময় দর্শকদের দাঁড়িয়ে অভিবাদন পান তিনি।
উল্লেখ্য, তার নাম রাখা হয়েছে সাবেক ভারতীয় ব্যাটার যুবরাজ সিংয়ের নাম অনুসারে।
কানাডার অধিনায়ক দিলপ্রীত বাজওয়া, যিনি সামরার সঙ্গে প্রথম উইকেটে ১১৬ রানের জুটি গড়েন।
নিউজিল্যান্ডের হয়ে ম্যাট হেনরি, কাইল জেমিসন, জিমি নিশাম ও জ্যাকব ডাফি একটি করে উইকেট নেন।
১৭৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতে ধাক্কা খায় নিউজিল্যান্ড। দ্রুত টিম সেইফার্ট ও ফিন অ্যালেনকে হারিয়ে ৩০/২ হয়ে যায় তারা। তবে সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি কানাডা। তৃতীয় উইকেটে রাচিন রবীন্দ্র ও গ্লেন ফিলিপসের অবিচ্ছিন্ন ১৪৬ রানের জুটিতে ২৯ বল হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে কিউইরা।
ফিলিপস ৩৬ বলে অপরাজিত ৭৬ এবং রবীন্দ্র ৩৯ বলে অপরাজিত ৫৯ রান করেন।
এই জয়ে সুপার এইটে জায়গা করে নেয় নিউজিল্যান্ড। অন্যদিকে কানাডার সঙ্গে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেয় সংযুক্ত আরব আমিরাত ও আফগানিস্তান।










































