Home আঞ্চলিক হরিনটানা থানা জামায়াতে ইসলামীর ঈদপুণর্মিলনী

হরিনটানা থানা জামায়াতে ইসলামীর ঈদপুণর্মিলনী

28


খবর বিজ্ঞপ্তি।।

ঈদ-উল-আযহার শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে এদেশে দ্বীন ইসলামকে বিজয়ী আদর্শ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে বলে উল্লেখ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও খুলনা মহানগরী আমীর অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান বলেন, মনের পশুত্বকে কুরবানি করাই মূলত ঈদ-উল-আযহার প্রকৃত শিক্ষা। ইবরাহীম (আ.)-এর মাধ্যমে সংঘটিত কুরবানির ধারাবাহিকতায় আমরা যেন আমাদের মুসলিম উম্মাহর সঠিক পরিচয়কে চিনতে সক্ষম হই। বাংলাদেশ আজ কঠিন সময় অতিক্রম করছে। বিশেষ করে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, মানবিক অস্থিরতা ও পাশবিকতা আজ গোটা সমাজ ব্যবস্থাকে বিষিয়ে তুলেছে। তিনি বলেন, আমাদের শহীদেরা আমাদের সম্পদ। তারা আমাদের জন্য রেখে গেছেন দ্বিধাহীন সোজা পথ, আমরা উজ্জীবিত হয়েছি তাদের কর্মে ও প্রেরণায়। আজকে আমরা শপথ গ্রহণ করতে চাই, কুরআনের যে সমাজ প্রতিষ্ঠার আন্দোলন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী করে যাচ্ছে তাকে বিজয়ের শেষ প্রান্তে না পৌঁছানো পর্যন্ত আমাদের পথচলা অব্যাহত থাকবে। জুময়াবার (২৮ জুন) সকালে হরিণটানা থানা জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে ঈদপুর্ণমিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ সব কথা বলেন।
থানা আমীর মো. আব্দুল গফুরের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন থানা সেক্রেটারি ব ম মনিরুল ইসলাম, শাফায়েত হোসেন লিখন, ডা. ফজলুর রহমান প্রমুখ।
অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান বলেন, আল্লাহ তায়ালার পথে ত্যাগ ও কুরবানির শিক্ষা গ্রহণ করে আমাদের নিজেদেরকে অগ্রগামী হতে হবে। দ্বীন ইসলামকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য আমাদের সবকিছু বিলিয়ে দেওয়ার প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে। যারা দুনিয়ার সুখ সুবিধাকে আখেরাতের বিনিময়ে বিক্রি করে দেয় সত্যিকারভাবে তারাই আল্লাহর দ্বীনের পথে কাজ করার উপযোগী। এ জন্য আল্লাহ তায়া’লা বলেছেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ তায়ালা মুমিনের জান ও মাল ক্রয় করে নিয়েছেন জান্নাতের বিনিময়ে। আমাদের ছেলে-মেয়ে পরিবারসহ সবার প্রতি অনেক ভালোবাসা রয়েছে। কিন্তু সে গুলো যেন আমাকে ইকামাতে দ্বীনের পথ থেকে বিচ্যুত করতে না পারে সেদিকে সজাগ থাকতে হবে। তাই ইসলামী আন্দোলনের ফরজ দায়িত্ব পালনে কেউ যেন গাফলতি না করি। আমাদের জীবনের যতটুকু শক্তি আছে তার সবটুকু দিয়ে হলেও আল্লাহর দ্বীন বিজয়ের কাজে অগ্রসর হতে হবে।