Home খেলাধুলা চড়া মূল্যে বিক্রি হলো মাশরাফি-সাকিবদের সারিত ব্যাট

চড়া মূল্যে বিক্রি হলো মাশরাফি-সাকিবদের সারিত ব্যাট

30

ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রমেই জমজমাট হয়ে উঠছে বাংলাদেশে ক্রীড়াবিদদের স্মৃতি স্মারক নিলামের বিষয়টি। খেলোয়াড়দের পাশাপাশি ক্রিকেট স্মারক সংগ্রাহকরাও এগিয়ে আসছেন নিজেদের প্রিয় কোন স্মৃতি নিলামে তুলতে। সবার উদ্দেশ্য একটাই- করোনা দুর্গতদের সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসা।
সাকিব আল হাসানের বিশ্বকাপের ব্যাট দিয়ে শুরু হয়েছিল এ ধারা। সোমবার নিলামে ওঠানো হয়েছিল সাকিবদের সারিত একটি ব্যাট। এটিও পেয়েছে চড়া মূল্য। বাংলাদেশ জাতীয় দলের প্রায় ১৮জন ক্রিকেটারের সার সম্বলিত একটি ব্যাটের নিলাম হয়েছে সোমবার রাতে। এই নিলামের সমাপনী টানার লাইভে অকশন ফর অ্যাকশন পেজে উপস্থিত ছিলেন সাকিব। জাতীয় ক্রিকেটারদের সার সম্বলিত এই ব্যাটের ভিত্তিমূল্য রাখা হয়েছিল ৯৯ হাজার ৯শ ৯৯ টাকা। শেষপর্যন্ত এটিকে ৩ লাখ টাকায় কিনে নিয়েছে কার্নিভাল ইন্টারনেট কোম্পানি।
বিশেষ এই ব্যাটটিতে রয়েছে মাশরাফি বিন মর্তুজা, সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মুশফিকুর রহীম, সৌম্য সরকার, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, তাইজুল ইসলাম, ইমরুল কায়েস, সাব্বির রহমান, রুবেল হোসেন, তাসকিন আহমেদ, শুভাশিষ রয়, শুভাগত হোমসহ প্রায় ১৮জন ক্রিকেটারদের অটোগ্রাফ।
সর্বোচ্চ ৩ লাখ টাকা দাম হাঁকিয়ে এটি কিনেছে ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান কার্নিভাল ইন্টারনেট। তাদের এই পুরো অর্থই সরাসরি তুলে দেয়া দ্য সাকিব আল হাসান ফাউন্ডেশনে। এর আগে কিংবদন্তি ফুটবলার মোনেম মুন্নার একটি জার্সিও কিনেছিল কার্নিভাল ইন্টারনেট।
এদিকে এখন ‘স্পোর্টস ফর লাইফ’ প্ল্যাটফর্মে চলছে একসঙ্গে অনেকগুলো স্মৃতিস্মারকের নিলাম। যেখানে রয়েছে মুশফিকুর রহীমের দেশের হয়ে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি করা ব্যাট, যুব দলের অধিনায়ক আকবর আলি বিশ্বকাপ ফাইনালে ব্যবহৃত জার্সি ও গ্লাভস। এছাড়া ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপে ২৭ বলে ৫২ রান করা মোসাদ্দেক হোসেনের ব্যাট, ভারতের বিপে ৮১ রানের ইনিংস খেলা মোহাম্মদ নাঈম শেখের ব্যাট, ২০১১ সালের বিশ্বকাপে অংশ নেয়া সকল খেলোয়াড়দের সারিত ব্যাট এবং মাশরাফি বিন মর্তুজার অটোগ্রাফযুক্ত একটি ক্যাপ। এই নিলাম চলবে আগামী ১৪ মে পর্যন্ত।

এবার করোনায় স্থগিত বিশ্বকাপের বাছাইপর্ব

ক্রীড়া প্রতিবেদক
এবার করোনাভাইরাসের ধাক্কা গিয়ে লাগল নারী ক্রিকেট বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে। শুধু নারী বিশ্বকাপের বাছাইপর্বই নয়, একইসঙ্গে আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে ইউরোপ ডিভিশন-২ এর খেলাও স্থগিত করা হয়েছে।
আগামী ৩ জুলাই থেকে ১৯ জুলাইয়ের মধ্যে শ্রীলঙ্কায় হওয়ার কথা ছিল নারী বিশ্বকাপের বাছাইপর্ব। উপমহাদেশে শ্রীলঙ্কাতেই করোনা পরিস্থিতি সবচেয়ে ভাল। তাই আশা করা হচ্ছিল, করোনার ধাক্কা হয়তো এই টুর্নামেন্টে পড়বে না। কিন্তু বেশিরভাগ দেশেই এখনও বিমান চলাচল বন্ধ। এছাড়া করোনা পরিস্থিতিও দূর হয়নি কোথাও। ফলে ঝুঁকি নেয়ার পে নয় আইসিসি। তাই প্রায় দুই মাস আগেই স্থগিত করে দেয়া হলো নারী বিশ্বকাপের বাছাইপর্ব।
স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা ছাড়াও বাংলাদেশ, আয়ারল্যান্ড, নেদারল্যান্ড, পাপুয়া নিউগিনি, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র, ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং পাকিস্তান নারী দলের এ বিশ্বকাপ বাছাইয়ে অংশ নেয়ার কথা ছিল। যেখান থেকে তিনটি দল পেত আগামী বছরের বিশ্বকাপের মূল পর্বে খেলার সুযোগ।
অন্যদিকে আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের দল বাছাইয়ের জন্য ডেনমার্কে আগামী ২৪ থেকে ৩০ জুলাইয়ের মধ্যে হওয়ার কথা ছিল ইউরোপ অঞ্চলের বাছাইপর্ব। এখন সেটি কবে করা হবে, এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাবে আইসিসি।
এছাড়া অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের আরও দুইটি আঞ্চলিক বাছাইপর্বের ব্যাপারে গভীর পর্যবেণ চালাচ্ছে আইসিসি। তানজানিয়াতে আগামী ৭ থেকে ১৪ আগস্ট পর্যন্ত আফ্রিকা অঞ্চলের বাছাইপর্ব হওয়ার কথা রয়েছে। আর থাইল্যান্ডে এশিয়া অঞ্চলের বাছাইপর্ব হওয়ার কথা রয়েছে আগামী ১ থেকে ৯ ডিসেম্বরে।

ক্লাবগুলোই চায় না প্রিমিয়ার লিগ খেলতে

ক্রীড়া প্রতিবেদক
স্থগিত হওয়া বাংলাদেশ প্রিমিয়ার ফুটবল লিগে আর যে ফিরতে চায় না কাবগুলো সেটা প্রফেশনাল লিগ কমিটিকে জানিয়ে দিয়েছিল গত ২৫ এপ্রিলের সভায়। লিগ কমিটির ওই সভার পরই মূলতঃ নির্ধারণ হয়ে আছে ঘরোয়া ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদার প্রিমিয়ার লিগের এবারের আসরের ভাগ্য।
লিগ হবে কি হবে না, এ সিদ্ধান্ত দেয়ার এখতিয়ার বাফুফের নির্বাহী কমিটির। তাইতো লিগ কমিটির ওই সভায় নিজেরা লিগ বাতিলের পে রায় দিলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য বল ঠেলে দেয় বাফুফের কোর্টে। আগামী রোববার জরুরি সভা করে বাফুফে লিগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। যারা খেলবে সেই কাবগুলো যখন না করছে তখন লিগ হয় কি করে? ধরেই নেয়া যায় লিগ বাতিলের আনুষ্ঠানিক ঘোষণাই কেবল বাকি। কাবগুলো ক্যাম্প বন্ধ করে দেয়ার পর স্থানীয় ফুটবলাররা যে যার বাড়ি চলে গেছেন। ছিলেন শুধু বিদেশি কোচ আর ফুটবলাররা। তারাও ধীরে ধীরে দেশে পাড়ি জমাচ্ছেন বিশেষ বিমানে। সর্বশেষ সোমবার রাতে ঢাকা ছেড়েছেন আবাহনীর পর্তুগিজ কোচ।

সরকারের কাছে অর্থ চেয়েছে বাফুফে

ক্রীড়া প্রতিবেদক
মাঠে খেলা নেই। তবে কাবগুলোর খরচ থেমে নেই। খেলা বন্ধ থাকায় বেশি তির মুখে ঘরোয়া ফুটবলের প্রাণশক্তি কাবগুলো। প্রিমিয়ার থেকে শুরু করে পাইওনিয়ার লিগ পর্যন্ত সব কাবই খেলা বন্ধ হওয়ায় বিপাকে। খেলোয়াড়, কোচ, রেফারি থেকে শুরু করে ফুটবলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অনেকেই তির মুখে।
প্রিমিয়ার লিগের কাবগুলোর প থেকে ইতোমধ্যেই বাফুফের কাছে সহযোগিতা দেয়ার বিষয়টি তোলা হয়েছে। বিশেষ করে করোনাভাইরাসের কারণে তিগ্রস্থ কাবগুলোকে ফিফা সহযোগিতা দেয়ার আশ্বাসের পর এ দাবিটি আরও জোরদার। সরকার ইতোমধ্যে অসহায় ও দুস্থ খেলোয়াড়দের সাহায্য করার জন্য ১ কোটি টাকা বরাদ্দের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই খাত থেকে ১৫০-২০০ জন ফুটবলার উপকৃত হবে। কিন্তু কাবগুলো কী পাবে? কাবগুলোর কথা মাথায় আছে তাদের অভিভাবক সংস্থা বাফুফের।

বাফুফের ইফতার কার্যক্রম নজর কেড়েছে ফিফার

ক্রীড়া প্রতিবেদক
করোনাভাইরাসের প্রকোপ শুরু লকডাউনের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। বিপাকে পড়ে খেটে খাওয়া মানুষ। এর পর থেকেই বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) পে দুস্থদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করা হচ্ছিল। যা রমজানেও জারি রয়েছে।
প্রতিদিন ৩০০ জনকে ইফতার করাচ্ছে বাফুফে। রাজধানীর মতিঝিলে ফেডারেশন ভবনের সামনে স্বাস্থ্যবিধি তথা সামাজিক দূরত্ব মেনেই দেয়া বিতরণ করা হচ্ছে ইফতার প্যাকেজ। বাফুফের এই কার্যক্রম এবার নজর কেড়েছে আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থার (ফিফা)। বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থার ওয়েব সাইটে এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে বিষয়টি। প্রতিবেদনে বাফুফের মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশন ম্যানেজার আহসান আহমেদ অমিত বলেছেন, ‘প্রতিদিন, এতিম, দুস্থ ও কর্মহীন হয়ে পড়াদের মাঝে ইফতার বিতরণ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, জীবন যাত্রা স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই কর্মসূচি চালিয়ে যাবে বাফুফে।

নিলামে মুশফিকের ব্যাটের দাম ৪১ লাখ ছাড়িয়েছে

ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রাণঘাতি করোনাভাইরাসের কারণে অসহায় মানুষদের আর্থিক সহায়তার জন্য দেশের হয়ে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি করা ব্যাট নিলামে তুলেছেন বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। নিলামে মুশফিকের ব্যাটের দাম ইতোমধ্যেই ৪১ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। ব্যাটটির ভিত্তিমূল্য ছিলো ৬ লাখ টাকা।
নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক অ্যাকাউন্টে সরাসরি এ নিলামের লিংক দিয়েছেন মুশফিক। ব্যাটের দাম কত উঠছে, সেখানে তা দেখে নিচ্ছেন ক্রিকেটপ্রেমীরা। এ পর্যন্ত ৫৩ বার মুশফিকের ব্যাটের দাম হাঁকা হয়েছে, ৪১ লাখ ৪১ হাজার ১ টাকা। আগামীকাল রাত ১০টায় নিলাম পর্ব শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। ২০১৩ সালে শ্রীলংকার বিপে গল টেস্টে এই ‘এস এস’ ব্যাট দিয়ে অপরাজিত ২০০ রান করেছিলেন মুশফিক। বাংলাদেশের পে টেস্টে যা প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি।

ফের ৩৫০ পরিবারকে খাবার দিচ্ছেন রুবেল

ক্রীড়া প্রতিবেদক
দেশে করোনাভাইরাস পরিস্থিতি তখনও প্রকট আকার ধারণ করেনি। কিন্তু মানুষের সমস্যার সুবিধা নিয়ে অসাধু ব্যবসায়ীরা বাড়িয়ে দিয়েছিল নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম। তখন থেকেই করোনা মোকাবিলায় সরব বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের পেসার রুবেল হোসেন।
এই কয়েকদিন আগেই নিজ শহর বাগেরহাটে নিজে উপস্থিত থেকে অভাবী মানুষদের মাঝে ২১৫ প্যাকেট খাদ্য বিতরণ করেছিলেন রুবেল। পরে আরেকবার বাড়ি বাড়ি গিয়ে ৪৫০ পরিবারকে প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী দিয়েছিলেন তিনি। সে ধারা বজায় রেখেছেন তিনি। সোমবার তৃতীয়বারের মতো অসহায় মানুষদের পাশে খাবার নিয়ে পাশে দাঁড়িয়েছেন রুবেল। এবার তিনি সাহায্য করেছেন ৩৫০টি পরিবারকে। রুবেল নিজেও ভুলে গিয়েছেন কয়বার তিনি সাহায্য করছেন মানুষকে।

বিশ্বকাপ কাবাডি ম্যাচের জার্সিটি নিলামে তুলতে চান মান্নান

ক্রীড়া প্রতিবেদক
বাংলাদেশসহ বিশ্বের অনেক বিখ্যাত খেলোয়াড়রা করোনায় দুর্গত মানুষের সাহায্যের জন্য নিলামে তুলেছেন প্রিয় ও স্মরণীয় ব্যাট, বল, জার্সিসহ আরো কত কি। এবার সেই তালিকায় নাম লেখাতে চান বাংলাদেশের স্বনামধন্য কাবাডি রেফারী এস এম আব্দুল মান্নান। নিলামে তুলতে চান সবশেষ ২০১৬ সালে ভারতের গুজরাট প্রদেশের আহাম্মেদাবাদে অনুষ্ঠিত ৩য় বিশ্বকাপ কাবাডির ওপেনিং ও স্বাগতিক ভারত বনাম ইরানের মধ্যকার ফাইনাল ম্যাচসহ মোট ৯টি খেলা পরিচালনা করা সেই জার্সিটি।
জার্সি নিলামে তোলা প্রসঙ্গে রেফারী মান্নান বলেন, করোনা ভাইরাসে আমাদের দেশের অসংখ্য গরীব মানুষ তিগ্রস্ত হয়েছে। ক্রিকেটারদের ব্যাট, মোনেম মুন্নার জার্সি ও ফুটবল রেফারী তৈয়ব ভাইয়ের রেফারিং জার্সিও নিলামে বিক্রি করা হয়েছে। তাই আমিও ভাবলাম আমার জার্সিটি তো বিশ্বকাপ এর মত বড় আসরের খেলা পরিচালনা করা জার্সি। এটি বাসায় স্ব-যতেœ রাখা আছে। কিছুদিন পর হয়তো আমি থাকবো না। তখন এই জার্সি থেকে কি লাভ? তাই এমন কঠিন পরিস্থিতিতে যদি জার্সি বিক্রির পুরো অর্থটা অসহায় মানুষের কাজে লাগানো যেত তাহলে খুব ভাল হতো। আশা করি অসহায় মানুষদের সহযোগিতায় নিলামে তোলা আমার এ জার্সিটি কেনার জন্য সমাজের বিত্তবান মহান ব্যক্তিরা এগিয়ে আসবেন।

এবার ৫ কোটি টাকার চিকিৎসা সরঞ্জাম দিলেন মেসি

ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস মোকাবিলায় শুরু থেকেই তৎপর ভূমিকা পালন করছেন আর্জেন্টাইন ফুটবল তারকা লিওনেল মেসি। করোনা আঘাত হানার শুরুতেই স্পেন ও আর্জেন্টিনায় বিভিন্ন ত্রাণ তহবিলে মোটা অঙ্কের অর্থ সাহায্য দিয়েছেন তিনি।
এবার মেসি দিলেন করোনা হাসপাতালে চিকিৎসা সরঞ্জামাদি। আর্জেন্টিনায় করোনা মোকাবিলার জন্য তহবিল সংগ্রহ করছে গারাহান ফাউন্ডেশন। এ ফাউন্ডেশনের সঙ্গে যোগ দিয়েই প্রায় ৫ কোটি টাকার চিকিৎসা সরঞ্জামাদি দিয়েছেন মেসি। করোনা মহামারীর বিরুদ্ধে লড়াই করতে থাকা চিকিৎসক, নার্সদের জন্য বিভিন্ন সুরা সরঞ্জামের ব্যবস্থা করেছে গারাহান ফাউন্ডেশন। লিওনেল মেসির অনুদানকৃত অর্থ থেকে প্রায় ৫ লাখ ইউরোর সমপরিমাণ (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৫ কোটি টাকার কাছাকাছি) মূল্যের চিকিৎসা সরঞ্জামাদি বিতরণ সম্ভব হয়েছে।

বেতন কাটা যাচ্ছে কুজনারের

ক্রীড়া প্রতিবেদক
মে মাসে বেতন কাটা হবে ২৫ শতাংশের মতো। পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে জুনে। যদি জিম্বাবুয়ে সফরটি স্থগিত হয়। তাহলে বেতন কর্তণের পরিমাণ গিয়ে দাঁড়াবে ৫০ শতাংশে।
এই সিদ্ধান্তের ফলে তিগ্রস্ত হচ্ছেন হেড কোচ ল্যান্স কুজনার ও ব্যাটিং কোচ এইচডি অ্যাকারমান। সহকারী কোচ নওরোজ মঙ্গলও এই বেতন কর্তণের আওতায় থাকছেন। তিনি আফগানদের সহকারী কোচ। অবশ্য প্রথম তিন মাসেই চুক্তিভুক্ত খেলোয়াড়দের বেতন ঠিকঠাক মতোই পরিশোধ করেছে এসিবি। কিন্তু পরিস্থিতি আরও শোচনীয় হলে বোর্ড তাদের বেতনেও হাত দিতে পারে। গত বছরের সেপ্টেম্বরে যোগ দেওয়া কুজনারের চুক্তি রয়েছে এই বছরের শেষ পর্যন্ত।

অনূর্ধ্ব-১৭ নারী বিশ্বকাপের নতুন দিনণ জানাল ফিফা

ক্রীড়া প্রতিবেদক
অনূর্ধ্ব-১৭ নারী বিশ্বকাপের নতুন দিনণ চূড়ান্ত করে ফেলল ফিফা। আগামী বছর ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৭ মার্চ ভারতের মাটিতে বসবে মেগা এই টুর্নামেন্ট।
২০১৭ সালে অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপ সাফল্যের সঙ্গে আয়োজন করেছিল ভারত। অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশনের বিশ্বকাপ আয়োজন ও ব্যবস্থাপনা দেখে প্রশংসা করেছিল ফিফা। সেবারের সাফল্যের পুরস্কার হিসাবে ২০২০ সালের অনূর্ধ্ব-১৭ মেয়েদের ফুটবল বিশ্বকাপ আয়োজনের সুযোগ পেয়েছিল ভারত। চলতি বছরের নভেম্বর মাসে এই টুর্নামেন্ট হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনার কারণে নারীদের যুব বিশ্বকাপ পিছিয়ে দেয় বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা। কোনোরকম ঝুঁকি নিতে রাজি হয়নি ফিফা।

হার্ট অ্যাওয়ার্ডে অর্থ করোনার তহবিলে দিলেন সানিয়া

ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রথম ভারতীয় টেনিস তারকা হিসেবে ফেড কাপ হার্ট অ্যাওয়ার্ড পুরস্কার পেয়েছেন সানিয়া মির্জা। সন্তান জন্ম দেয়ার পর কোর্টে ফিরে সফল হয়েছেন। প্রত্যাবর্তনের কারণে পুরস্কারটি জিতে নিয়েছেন। সেই পুরস্কারের অর্থ করোনাভাইরাস মোকাবিলায় ত্রাণ তহবিলে দান করলেন তিনি।
চলতি বছরের তিনটি আঞ্চলিক গ্রুপের মনোনীত প্রার্থীদের মধ্যে ভোট হয়। মোট ১৬ হাজার ৯৮৫ ভোটের মধ্যে ১০ হাজারের বেশি ভোট পান সানিয়া। এশিয়া এবং ওশিয়ানিয়া অঞ্চলের হয়ে পুরষ্কার জিতে নেন টেনিস কুইন খ্যাত এই তারকা। প্রতিটি বিভাগের বিজয়ীরা ২ হাজার মার্কিন ডলার পুরষ্কার হিসাবে পেয়েছেন। চার বছর পর ফেড কাপে ফিরেছিলেন সানিয়া। ইতিহাসে প্রথমবারের মতো প্লে-অফের জন্য ভারতকে যোগ্যতা অর্জনে সহায়তা করেছিলেন।

জার্মান কাপ ফাইনালের নতুন সূচি চূড়ান্ত

ক্রীড়া প্রতিবেদক
করোনা ভাইরাসের কারণে বিশ্বের প্রায় সব ফুটবল লিগই স্থগিত হয়েছে। তবে ইউরোপের ধীরে ধীরে ফের শুরু হতে চলেছে বিভিন্ন পর্যায়ের লিগ। এরই ধারাবাহিকতায় জার্মান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (ডিএফবি) চলতি মৌসুমে জার্মান কাপের ফাইনাল ও সেমি-ফাইনালের নতুন সূচি চূড়ান্ত করেছে। আগামী ৪ জুলাই প্রতিযোগিতাটির শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।
সোমবার এক বিবৃতিতে ডিএফবি জানায়, বায়ার্ন মিউনিখ ও আইনট্রাখট ফ্রাঙ্কফুর্ট এবং সারব্রুকেন ও বায়ার লেভারকুসেনের সেমি-ফাইনাল দুটি হবে যথাক্রমে আগামী ৯ ও ১০ জুন। এছাড়া জার্মান ফুটবলের শীর্ষ দুই লিগেরও শুরু হওয়ার নতুন সূচি হয়েছে। বুন্দেসলিগা ও বুন্দেসলিগা-২ এর খেলা আগামী ১৬ মে মাঠে গড়াবে। তবে সব প্রতিযোগিতার ম্যাচ হবে দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে।

তরুণ মাইয়াকে কিনতে আগ্রহী বার্সেলোনা

ক্রীড়া প্রতিবেদক
মাত্র ১৯বছর বয়সেই ব্রাজিলীয় কাব সাও পাওলোতে খেলেছেন গুস্তাবো মাইয়া। তবে এখনও সিনিয়র দলে অভিষেক না হলেও তাকে কিনতে আগ্রহী লিভারপুল ও অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদের মতো বার্সেলোনাও। কারণ সাও পাওলোর হয়ে খেলা এক ম্যাচে তিন গোল করে বার্সেলোনার প্রতিনিধিদের নজর কেড়েছিলেন মাইয়া।
এ ব্যাপারে মাইয়ার এজেন্ট নেলসন মৌরা স্প্যানিশ সংবাদ মাধ্যম মার্কাকে বলেন, ‘সে প্রথমে বার্সার একজন প্রতিনিধির নজরে আসে। আমরা এরই মধ্যে আলাপ শুরু করেছি। বার্সার সঙ্গে তার চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা আছে। বার্সেলোনার প্রতিনিধিরা কোপা সাও পাওলোর ম্যাচে তাকে দেখতে এসেছিল। ওই ম্যাচে মাইয়া তিন গোল করে। এরপরই তার সঙ্গে আলোচনায় অগ্রহী হয় বার্সা।’ মাইয়ার এজেন্ট আরো জানান, স্প্যানিশ কাব বার্সার প থেকে বলা হয়েছিল, তার সঙ্গে চুক্তির ব্যাপারটি গোপন রাখতে। কিন্তু এরই মধ্যে লিভারপুল এবং অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদ তার সঙ্গে দ্রুতই চুক্তি করার আগ্রহ দেখানোয় বার্সার বিষয়টি গোপন রাখা সম্ভব হয়নি।