Home আঞ্চলিক খুবির প্রত্যেক ভবন ও ল্যাব সুরক্ষায় অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হচ্ছে :...

খুবির প্রত্যেক ভবন ও ল্যাব সুরক্ষায় অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হচ্ছে : উপাচার্য

9

খবর বিজ্ঞপ্তি।।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেক্ট্রনিক্স এন্ড কমিউনিকেশন্স ইঞ্জিনিয়ারিং (ইসিই) ডিসিপ্লিনের উদ্যোগে ড. সত্যেন্দ্রনাথ বসু একাডেমিক ভবনের সংশ্লিষ্ট ডিসিপ্লিনের ক্লাসরুমে অগ্নিনির্বাপণ ও উদ্ধার সংক্রান্ত এক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। ১১ জানুয়ারি (বুধবার) সকাল ১০টায় প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন।
তিনি বলেন, সৃষ্টির শুরুতে এবং সভ্যতার বিকাশে আগুন ছিলো। আবার এই সভ্যতার অনেক পর্যায়ে ধ্বংস ও বিপর্যয়ের কারণও এই আগুন দ্বারা সংঘটিত হয়েছে। সভ্যতা ও প্রযুক্তির বর্তমান যুগে নানাভাবে ও নানা মাধ্যমে শক্তি হিসেবে আমরা বিদ্যুৎ ও গ্যাসসহ বিভিন্ন অনুসঙ্গ ব্যবহার করি। সচেতনতার অভাবে অনেক বড় বড় দুর্ঘটনা দেখতে পাই। জীবন ও সম্পদ ধ্বংস হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার বিষয়টি জরুরি। কারণ, এখানে যে গবেষণা হয়, ল্যাবে যে মূল্যবান যন্ত্রপাতি থাকে, তথ্য-উপাত্ত থাকে তা একবার নষ্ট হলে অমূল্য ক্ষতি হয়। যা বহুবছরেও পুনরুদ্ধার সম্ভব হয় না। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের উদ্যোগ ও অর্থবরাদ্দ সত্ত্বেও সবক্ষেত্রে অগ্নি থেকে সুরক্ষার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা এখনও গড়ে ওঠেনি। এটা আমাদের এক ধরনের ব্যর্থতা হলেও এর থেকে শিক্ষা নিয়ে গোটা ক্যাম্পাসে অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি ভবন ও ল্যাবরেটরির সুরক্ষায় অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে ইতোমধ্যে একটি কমিটি গঠিত হয়েছে। শীঘ্রই তা পুনর্গঠন করা হবে এবং সেখানে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের একজন প্রতিনিধিকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। অগ্নিনির্বাপণ ও উদ্ধার সংক্রান্ত এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশিক্ষণের আয়োজন করায় তিনি ইসিই ডিসিপ্লিনকে ধন্যবাদ জানান এবং অন্যান্য স্কুল ও ডিসিপ্লিনও এ ব্যাপারে উদ্যোগী হবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। পরে তিনি প্রশিক্ষণের উদ্বোধন ঘোষণা করেন। ইসিই ডিসিপ্লিন প্রধান প্রফেসর ড. মো. আব্দুল আলিম এর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তিবিদ্যা স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. কামরুল হাসান তালুকদার, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস। ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের পক্ষ থেকে উপ-পরিচালক মামুন মাহমুদ বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইসিই ডিসিপ্লিনের জ্যেষ্ঠ শিক্ষক প্রফেসর ড. মো. ইসমত কাদির। সঞ্চালনা করেন সহকারী অধ্যাপক ইতু পোদ্দার। প্রশিক্ষণে ইসিই ডিসিপ্লিনের শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ প্রতিটি ব্যাচ থেকে ৫ জন করে শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। এসময় সংশ্লিষ্ট স্কুলের বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের প্রধান ও শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। প্রশিক্ষণের শেষ পর্যায়ে বেলা ২টায় অগ্নিনির্বাপণ মহড়া প্রদর্শন করা হয়। সেখানে অগ্নিনির্বাপণ করেন ডিসিপ্লিনের শিক্ষক প্রফেসর সেহরীশ খান।

খুবির এগ্রোটেকনোলজি ও এফএমআরটি ডিসিপ্লিন থেকে খুকৃবির নবনিযুক্ত উপাচার্যকে সংবর্ধনা জ্ঞাপন
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এগ্রোটেকনোলজি এবং ফিশারিজ এন্ড মেরিন রিসোর্স টেকনোলজি (এফএমআরটি) ডিসিপ্লিনের যৌথ আয়োজনে ১১ জানুয়ারি (বুধবার) বেলা ২.৩০ মিনিটে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবুল কাসেম চৌধুরীকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞান স্কুলের ডিন অফিসের কনফারেন্স রুমে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়।
সংবর্ধনার জবাবে তিনি বলেন, উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের লক্ষ্য অভিন্ন, তা হচ্ছে দেশের উন্নয়ন। নতুন নতুন গবেষণার মাধ্যমে দিকনির্দেশনা প্রদান। তিনি আরও বলেন, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় একেবারেই নবীন। এখানে অনেক বিভাগ খোলা হলেও প্রয়োজনীয় শিক্ষক, অবকাঠামো নেই এবং বিধি-বিধানও তৈরি হয়নি। ফলে নানামুখী সমস্যার মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে। যোগদানের পরে এগুলো নিরসনের জন্য আমি চেষ্টা করছি। প্রয়োজনীয় বিধি-বিধান ও নীতিমালা ছাড়া এ ধরনের একটি প্রতিষ্ঠান সামনে এগোতে পারে না। এসব বিষয় প্রণয়নে অগ্রাধিকারভিত্তিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় যেহেতু আমাদের নিকটবর্তী এবং এ বিশ্ববিদ্যালয়টি অনেক আগেই সুপ্রতিষ্ঠা লাভ করেছে এখানে অভিজ্ঞ শিক্ষক, গবেষক রয়েছেন। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আগেই আমাকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। সে প্রেক্ষিতে আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের এগ্রোটেকনোলজিসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ডিসিপ্লিনের সহযোগিতা প্রত্যাশা করি। তাছাড়া যৌথ গবেষণা ও প্রকল্পে কাজ করার মাধ্যমে নবীন এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, আমার কর্মমেয়াদে কোনো নিয়োগ-বাণিজ্য হবে না বলে আমি দৃঢ়ভাবে ঘোষণা দিচ্ছি। তিনি তাকে সংবর্ধনা দিয়ে সম্মানিত করায় সংশ্লিষ্ট ডিসিপ্লিনসহ উপস্থিত অন্যান্য ডিসিপ্লিনের শিক্ষকবৃন্দকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিন প্রধান প্রফেসর ড. শামীম আহমেদ কামাল উদ্দিন খান। এসময় বক্তব্য রাখেন এফএমআরটি ডিসিপ্লিন প্রধান প্রফেসর ড. মো. গোলাম সরোয়ার, এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের শিক্ষক প্রফেসর ড. মো. ইয়াছিন আলী, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ বশীর আহমেদ, বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. মো. রায়হান আলী, ফিশারিজ এন্ড মেরিন রিসোর্স টেকনোলজি ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. মো. নাজমুল আহসান, প্রফেসর ড. খন্দকার আনিসুল হক, এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. সালমা বেগম, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. মো. আসাদুজ্জামান। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ডিসিপ্লিনের সহযোগী অধ্যাপক রহিমা নুসরাত রিম্মি। এসময় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ও খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কয়েকজন শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন।

খুবিতে ৫ দিনব্যাপী ৬ষ্ঠ বার্ষিক চিত্র প্রদর্শনী শুরু হচ্ছে আজ
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা স্কুলের আয়োজনে ৫ দিনব্যাপী ৬ষ্ঠ বার্ষিক চিত্র প্রদর্শনী শুরু হচ্ছে আজ বৃহস্পতিবার (১২ জানুয়ারি)। এদিন বেলা ১১টায় প্রদর্শনীর উদ্বোধন করবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ হোসনে আরা ও ট্রেজারার প্রফেসর অমিত রায় চৌধুরী। সভাপতিত্ব করবেন চারুকলা স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. নিহার রঞ্জন সিংহ। আরও বক্তব্য রাখবেন ভাস্কর্য ডিসিপ্লিনের প্রধান মো. আমিনুল ইসলাম এবং ড্রইং এন্ড পেইন্টিং ডিসিপ্লিন প্রধান রকিব হাসান। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখবেন ভাস্কর্য ডিসিপ্লিনের সহযোগী অধ্যাপক মো. শেখ সাদী ভূঁইয়া।
আগামী ১২ থেকে ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত ৫ দিনব্যাপী অনুষ্ঠিতব্য এ প্রদর্শনী প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে। প্রদর্শনীতে ৪ শত ছবি স্থান পাচ্ছে। প্রদর্শনী সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।