স্টাফ রিপোর্টার।।
খুলনা জেলার দিঘলিয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের পানিগাতী মোড়ল পাড়া গ্রামে এক যুবতী চাচার হাতে যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছে। নির্যাতনের ফলে ওই এখন যুবতী ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। বিষয়টি জানাজানি হলে চাচা আজম মোড়ল গা ঢাকা দিয়েছে। তবে তাকে গ্রেফতার করতে বিভিন্ন জেলায় অভিযান করছেন দিঘলিয়া থানার পুলিশ। ইতিমোধ্যে আজম মোড়লকে র্যাবের সহযোগিতায় ঢাকার লালবাগ থানার ভেরিবাঁধ এলাকা থেকে আটক আটক করে দিঘলিয়া থানায় আনা হয়েছে বলে জানান মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মোঃ হেলালুজ্জামান।
দিঘলিয়া থানার ওসি (তদন্ত) ও মামলার তদন্তকারী কমকর্তা মোঃ হেলালুজ্জামান জানান, পানিগাতী গ্রামের শাহজাহান মোড়লের পুত্র আজম গত বছর নভেম্বর মাসে দিঘলিয়া সদর ইউনিয়নের পানিগাতী গ্রামের ওই যুবতীকে কাপড় কিনে দেওয়ার কথা বলে খুলনা বড় বাজারে নিয়ে যায়। কেনাকাটা শেষে মেয়েটিকে খুলনায় নির্জন একটি পরিত্যাক্ত ঘরে ছুরি দিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপুর্বক ধর্ষণ করে। এক পর্যায়ে চাচারুপী লম্পট আজম মেয়েটাকে বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণ করে। এরপর থেকে মেয়েটিকে ধারনকৃত ভিডিও সোস্যাল মিডিয়ায় ছেড়ে দেয়ান ভয় দেখিয়ে দ্বারা ব্লাক একাধিকার ধর্ষন করে। মেয়েটি বর্তমানে ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। লোক জানাজানির পর ধর্ষক আজম মোড়ল পালিয়ে এলাকা ত্যাগ করে।
এদিকে মেয়টির পরিবার মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা ধরা পড়ায় পড়েছে চরম বিপদে। পরিবারের লোকজন মেয়েটিকে গর্ভপাত করার জন্য হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তার ডেলিভারী করাতে অস্বীকৃতি প্রকাশ করেন। ধর্ষক আজম মোড়ল আড়াল থেকে ৭ মাসের বাচ্চা নষ্ট করতে মেয়েটির পরিবারকে মোটা অংকের টাকা প্রস্তাব দিয়েছে বলে এলাকাবাসী জানায়। ওসি (তদন্ত) আরো জানান এ ঘটনায় মেয়েটির পিতা গত ২৮ জুলাই খুলনা পারিবারিক আইন সহায়তা কেন্দ্রের মাধ্যমে আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। চলতি মাসের ৪ তারিখে আদালত ঘটনাটি তদন্ত করে মামলা রজ্জু করার নির্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশে আসামীকে ঢাকা থেকে গ্রেফতার করে বৃহস্পতিবার আদালতে প্রেরন করা হয়েছে বলে ওসি (তদন্ত) মোঃ হেলালুজ্জামান জানান।










































