বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ডা. শহিদুল আলমের সাথে পূজা উদযাপন পরিষদের মতবিনিময়
স্টাফ রিপোর্টার
বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা, বিশিষ্ট চিকিৎসক সাতক্ষীরার গণমানুষের অতি পরিচিত মুখ ড. শহিদুল আলম কালিগঞ্জ পূজা উদযাপন পরিষদ নেতৃবৃন্দের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন। রবিবার (১৮ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১ টায় উপজেলার নলতায় ডা. শহিদুল আলমের বাসভবনে সনাতন ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ সাথে মতবিনিময়কালে বলেন- আমরা সকলে ভাই ভাই, আমাদের একে অন্যের যে কোন সমস্যায় আমরা পাশে থাকতে চাই।বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে দেশে দুঃশাসনের পরে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় আমরা সকলে মিলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করব । তিনি আরো বলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ও সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী, আপোষহীন নেত্রী দেশ মাতা বেগম খালেদা জিয়ার সুযোগ্য পুত্র আগামীর রাষ্ট্রনায়ক তারেক রহমানের নির্দেশে সনাতনধর্মের ভাইবোনদের সুরক্ষায় আমরা সচেষ্ট আছি এবং থাকবো। মতবিনিময় সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন বিএনপির অন্যতম নেতা ও নলতা ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান, রফিকুল ইসলাম খোকন মেম্বর, শাহাদাত হোসেন, পূজা উদযাপন পরিষদ কালিগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি অধ্যাপক সনৎ কুমার গাইন, সাধারণ সম্পাদক গ্রাম্য ডাক্তার মিলন কুমার ঘোষ, সহ- সভাপতি রনজিত সরকার, সমাজকল্যাণ সম্পাদক মিলন কুমার সরকার, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ কালিগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি ও দক্ষিণ শ্রীপুর ইউপি চেয়ারম্যান গোবিন্দ মন্ডল, সাধারণ সম্পাদক অসিত সেন, নলতা ইউনিয়ন পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক পুরঞ্জন স্বর্ণকার, ভাড়াসিমলা ইউনিয়ন পূজা উদযাপন পরিষদের লক্ষণ সাহা সহ কালিগঞ্জ উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের বারটি ইউনিয়নের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
দুর্নীতি দুঃশাসনমুক্ত উন্নত কল্যাণ রাষ্ট্র গঠন এখন সময়ের দাবি- ইসলামী আন্দোলন
খবর বিজ্ঞপ্তি
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা মহানগর নেতৃবৃন্দ বলেছেন, গত ১৬ বছর আওয়ামী দুঃশাসন দেশের সব সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করেছে, নির্বাচনকে করেছে নির্বাসিত। ব্যাপক লুটপাটের মাধ্যমে অর্থনীতিকে করেছে বিপর্যস্ত। বৈষম্যহীন অর্থনৈতিক মুক্তি এবং রাষ্ট্রের সব অসংগতি দূর করে দুর্নীতি দুঃশাসনমুক্ত উন্নত কল্যাণ রাষ্ট্র গঠন এখন সময়ের দাবি। ঐক্যবদ্ধভাবে সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায় বিচারভিত্তিক সমৃদ্ধ রাষ্ট্র নির্মাণের জন্য আন্তরিকভাবে সবাইকে কাজ করতে হবে।
গতকাল রবিবার (১৮ আগস্ট ) সন্ধ্যায় পাওয়ার হাউজ মোড়স্থ দলীয় কার্যালয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা মহানগর কমিটির এক জরুরি সভায় উপরোক্ত কথা বলেন নেতৃবৃন্দ।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা মহানগর সহ-সভাপতি মুফতি আমানুল্লাহ সভাপতিত্বে ও নগর সেক্রেটারি মুক্তি ইমরান হোসাইনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত জরুরী বৈঠকে আরো উপস্থিত ছিলেন নগর সহ-সভাপতি শেখ মোঃ নাসির উদ্দিন, আলহাজ্ব আবু তাহের, জেলা সেক্রেটারী হাফেজ আসাদুল্লাহ আল গালিব, জয়েন্ট সেক্রেটারি মোহাম্মদ আবু গালিব, অ্যাসিস্টেন্ট সেক্রেটারি মাওলানা দ্বীন ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা সাইফুল ইসলাম, মাওলানা হাফিজুর রহমান, এইচএম আরিফুল ইসলাম, মোহাম্মদ সরোয়ার হোসাইন বন্দ, মাওলানা নাসিম উদ্দিন, আলহাজ্ব আমজাদ হোসেন, মোল্লা রবিউল ইসলাম, গাজী ফেরদাউস সুমন, আলহাজ্ব জাহিদুল ইসলাম টুটুল মোড়ল, মোহাম্মদ কবির হোসেন, গাজী মিজানুর রহমান, শ্রমিক নেতা এস এম আবুল কালাম আজাদ, যুব নেতা খালিদ হাসান নাজমুল, শেখ নাজমুল হোসেন, ছাত্র নেতা মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন, মোঃ মাহাদী হাসান মুন্না, মোহাম্মদ মোস্তফা আল গালিব প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
নেতৃবৃন্দ বলেন, শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি না মেনে খুনি হাসিনা সরকার নির্বিচারে ঠান্ডা মাথায় পাখির মতো গুলি করে হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে। খুনি হাসিনাসহ সব হত্যাকারী, বিদেশে অর্থ পাচারকারী, দুর্নীতিবাজদের বিচার করতে হবে। পাচারকৃত অর্থ দেশে ফিরিয়ে এনে বাজেয়াপ্ত করতে হবে। তারা বলেন, সুন্দর একটি বাংলাদেশ দেখার প্রত্যাশা করছে দেশবাসী।
বিগত জালেম সরকারের নির্বাচন কমিশনে জড়িতদের বিচার করে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে হবে। দেশের সংখ্যালঘুদের জানমাল ধর্মীয় উপাসনালয়ের নিরাপত্তা দেওয়া ইমানি দায়িত্ব। নবগঠিত অন্তর্র্বতী সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং সব উপদেষ্টাকে অভিনন্দন জানিয়ে নতুন সরকারের সব ভালো কাজের সহযোগিতা করার প্রতিশ্রুতি দেন। সবাই মিলে রাষ্ট্র সংস্কার এবং একটি আধুনিক কল্যাণ রাষ্ট্র গঠনের কাজ এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।
অন্তর্র্বতী সরকারের মেয়াদ ছয় মাসের বেশি হতে পারবে না। অন্তর্র্বতী সরকারের কেউ পরবর্তী নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না। গ্রহণযোগ্য তদন্ত কমিশন ও স্বতন্ত্র ট্রাইব্যুনাল গঠন করে জুলাই গণহত্যাকান্ডের বিচার করতে হবে। একই সঙ্গে গত ১৬ বছরে সংঘটিত সব রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক হত্যাযজ্ঞ, গণহত্যা, গুম ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিচার করতে হবে। তদন্তসাপেক্ষে আহত-নিহত পরিবারকে ক্ষতিপূরণসহ পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে।এক্ষেত্রে যেসব ব্যক্তি বা সংগঠন দোষী সাব্যস্ত হবে, তাদের রাজনীতি ও নির্বাচন থেকে স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করতে হবে। তদন্তসাপেক্ষে ১৬ বছরে দুর্নীতিবাজ ও বিদেশে অর্থ পাচারকারীদের সব সম্পত্তি ক্রোক করে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা করতে হবে এবং বিদেশে পাচারকৃত টাকা ফেরত আনার উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। গত ১৬ বছরে যারা ক্ষমতায় ছিলেন তাদের সম্পদের হিসাব দিতে হবে। সব দুর্নীতি ও টাকা পাচারের শ্বেতপত্র প্রকাশ করতে হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, প্রশাসন, বিচার বিভাগসহ প্রজাতন্ত্রের যেসব কর্মচারী আইন, সংবিধান, শপথ লঙ্ঘন করে অপেশাদার আচরণ করেছেন তাদের বিচারের মুখোমুখি করতে হবে। দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠীর চিন্তা-চেতনা ও অনুভূতির বিরুদ্ধে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না।
নির্বাচন কমিশনকে পুনর্গঠন করতে হবে এবং অবাধ, সুষ্ঠু গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের জন্য সংখ্যানুপাতিক নির্বাচন পদ্ধতি (চ.জ) চালু করতে হবে। বিগত তিনটি নির্বাচন বাতিল করতে হবে এবং নির্বাচনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে বিচারের আওতায় আনতে হবে। আওয়ামী দুঃশাসনের গত ১৬ বছরে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এ দেশের সাধারণ শিক্ষা খাতের মান ও নৈতিকতা। এই ক্ষতি দ্রুত সময়ের মধ্যে কাটিয়ে ওঠার লক্ষ্যে দেশপ্রেমিক শিক্ষাবিদ ও ওলামায়ে কেরামের সমন্বয়ে একটি জাতীয় শিক্ষা কমিশন গঠন করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
দাকোপে হিন্দুদের মন্দির ও বাড়ি -ঘর পাহারায় রয়েছে ইসলামী আন্দেলন
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনার হিন্দু অধ্যুষিত উপজেলা দাকোপ এর প্রাণ কেন্দ্র চালনা পৌরসভাসহ উপজেলা সংখ্যালঘুদের মন্দির, বাড়ী-ঘর,ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ সর্বসাধারণের জান মালের নিরাপত্তা প্রধানের লক্ষ্যে উপজেলা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের স্বেচ্ছাসেবী টিম
এর কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। উপজেলা শাখার সেক্রেটারি মোহাঃ শফিকুল ইসলামের নেত্বত্বে স্বেচ্ছাসেবী এ টিমে রয়েছেন হাফেজ মোঃ ওসমান করিম,আলহাজ্ব জাহিদুল ইসলাম, মাষ্টার রফিকুল ইসলাম,মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক, মোঃ তরিকুল ইসলাম, আব্দুল কাদের সানা দেলোয়ার হোসেন, হাফেজ আঃ রহিম সরদার,আবু ইউসুফ, মামুনুর রশিদ ফকির, জাহিদ হাসান, মোঃ আব্দুল হান্নান শেখ,মাওলানা বেলাল হোসাইন, মাওলানা অলিউর রহমান, মাওলানা আমিরুল ইসলাম, মাওলানা মাহমুদুর রশিদ, মোঃ নুরআলী, মোহাঃ কামরুল বিশ্বাস,আইয়ুব আলী শেখ আব্দুল কুদ্দুস প্রমুখ।
নেতাকর্মীদের পালাক্রমে হিন্দু অধ্যুষিত এই উপজেলার সংখ্যালঘুদের বাড়ি-ঘর মন্দির পাহারা দেওয়ায় স্থানীয় হিন্দু ও সাধারণ মানুষ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ,ও পীর সাহেব চরমোনাই এর ভুয়াসি প্রশংসা করছেন।
দাকোপের সুতারখালি নদীতে যাত্রীবাহী ট্রলারে অভিযান চালিয়ে ২৫০ কেজি চিংড়ি জব্দ করেছে কোস্টগার্ড
বাজুয়া (দাকোপ) প্রতিনিধি
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে বিষ প্রয়োগ করা ২৫০ কেজি চাকা চিংড়ি জব্দ করেছে কোস্টগার্ড পশ্চিম জোন। সুন্দরবন সংলগ্ন দাকোপের সুতারখালি হ্যাচারী ঘাট থেকে জব্দ করা হয় জনস্বাস্থ্যর জন্য হুমকি বিষযুক্ত চিংড়ি মাছ। ১৮ আগস্ট রবিবার বিকালে এতথ্য নিশ্চিত করেন কোস্টগার্ড পশ্চিম জোন মোংলা সদর দপ্তরের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট মুনতাসির ইবনে মহসীন। তিনি বলেন, কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের অধিনস্ত বিসিজি স্টেশন নলিয়ানের একটি আভিযানিক দল ১৮ আগস্ট রবিবার দুপুর ১২ টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দাকোপ উপজেলার সুতারখালি হ্যাচারিঘাট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালে একটি যাত্রীবাহী ট্রলারে তল্লাশি করে ২৫০ কেজি বিষ প্রয়োগ করা চিংড়ি মাছ জব্দ করা হয়। তবে এঘটনায় কাউকে আটক করতে পারেনি কোস্টগার্ড সদস্যরা। পরবর্তীতে বিষ প্রয়োগ করা চাকা চিংড়ি দাকোপ উপজেলা মৎস্য অফিসের প্রতিনিধির উপস্থিতিতে মাটি চাপা দিয়ে ধ্বংস করা হয়।কোস্টগার্ড কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট মুুনতাসির ইবনে মহসীন আরো বলেন, কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের এখতিয়ারভূক্ত এলাকাসমূহে আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ ও বন্যপ্রাণী রক্ষার পাশাপাশি সুন্দরবনে জলদস্যুতা, বনদস্যুতা, ডাকাতি দমন, মাদক নিয়ন্ত্রন ও জননিরাপত্তায় পাশাপাশি উপকূলীয় নদী ও সমুদ্র এলাকায় যে কোন ধরনের উদ্ধার অভিযান অব্যাহত আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।
বিপিজেএ খুলনা জেলার কার্যনির্বাহী কমিটির দুই সদস্যকে সাময়িক বহিস্কার
খবর বিজ্ঞপ্তি:
বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট এ্যাসোসিয়েশ খুলনা জেলা শাখার নির্বাহী কমিটির দুই সদস্য আব্দুর রাজ্জাক ও শেখ শান্তকে গঠনতন্ত্র পরিপন্থী কার্যাকলাপের জন্য সংগঠন থেকে সাময়িক বহিস্কার করা হয়েছে। এবং সেই সাথে আগামী ৭ দিনের মধ্যে উক্ত দু’জনকেই সন্তোষজনক কারণ দর্শানোর জন্য আহবান জানানো হয়েছে। অন্যথায় তাদেরকে সংগঠন থেকে স্থায়ীভাবে বহিস্কার করা হবে বলে বিবৃতি প্রদান করেছেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শেখ কামরুল আহসান। শনিবার (১৭ আগস্ট) দুপুরে খুলনা প্রেসক্লাবে সংগঠনের সকলের উপস্থিতিতে এক জরুরী সভার মাধ্যমে সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
রূপসায় সাংবাদিক ও সুধীজনদের সাথে জামায়াতে ইসলামীর মতবিনিময় সভা
রূপসা প্রতিনিধি ।।
রূপসা উপজেলার সকল সাংবাদিক ও সুধীজনদের সাথে জামায়াত ইসলামী রূপসা উপজেলা শাখার মতবিনিময় সভা ১৮ আগষ্ট রবিবার বিকাল ৩ টায় কাজদিয়া সরকারি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। রূপসা উপজেলা জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত মতবিনিময় সভায় বক্তৃতা করেন উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা মোঃ লবিবুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক হাবিবুল্লাহ ভূঁইয়া ইমন, সহ সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ইসমাইল হোসেন, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আনোয়ার আলী, রূপসা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি নাজিম উদ্দীন, জামায়াতে ইসলামীর কর্মপরিষদ ও সূরা সদস্য হাফেজ মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, মাওলানা হেকমত আলী, মাওলানা মোঃ মহিউদ্দিন, মো: সেলিম রেজা, মোঃ অধ্যাপক আসাদুজ্জামান, মোঃ হেলাল উদ্দিন, মোঃ ইকবাল আমীন, অধ্যাপক গিয়াসউদ্দিন, রেজাউল ইসলাম, হাফেজ মোঃ সাইফুল ইসলাম, নাসিম সরদার, মোঃ সিরাজুল ইসলাম, আঃ কাদের, ডাঃ মোঃ সাইফুল ইসলাম, হাফেজ মাওলানা গোলাম রসুল, মো: আল আমিন, মোঃ নাসিম সরদার, ডাঃ মো: রেজাউল করিম, খান, মাওলানা মামুনুর রশিদ, শিবির নেতা মো: ইসমাইল হোসেন, সৌরভ ইসলাম, প্রান্তবিন আলম, নাহিদুল ইসলাম ইমন, হাসান মীর্জা, ইমাম হুসাইন, যোবায়ের হোসেন, তামিম ইসলাম, ওয়াসিফ হোসেন প্রমূখ।
মোংলায় ফুল দিয়ে ওসি’র সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ সেচ্ছাসেবী সংগঠনের
মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
সার্ভিস বাংলাদেশ’র প্রতিনিধি দল রবিবার সকাল ১১টায় মোংলা থানার অফিসার ইনচার্জ কে,এম আজিজুল ইসলাম’র সাথে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় অফিসার ইনচার্জ কে,এম আজিজুল ইসলাম সবাইকে মাদকের বিরুদ্ধে সচেতনতা বৃদ্ধি, পরিচ্ছন্নতা অভিযান, ঘুষ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে তরূণদেরকে সচেতনতামূলক কর্মসূচীর আহবাণ জানান। সার্ভিস বাংলাদেশ’র অতীতের কার্যক্রম সম্পর্কে তাকে অবহিত করা হয়।
সার্ভিস বাংলাদেশ’র প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান মিলন’র নেতৃত্বে প্রতিনিধি ছিলেন সংগঠনটির উপদেষ্টা আবু বকর ছিদ্দিক, সমন্বয়ক খন্দকার তুরানুজ্জামান, ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ ফরহাদ হোসেন, সহ- সভাপতি মোঃ আল আমিন, তথ্য সম্পাদক সাংবাদিক মাসুদ রানা রেজা, সোহেল মাহমুদ, কবি আফরোজা হীরা, বিজয় দত্ত, পরামর্শক হাসিবুর রহমান সাকিব, ইরফান হাসান, সদস্যশাকিল ও চঞ্চল।
এছাড়াও দুপুর ১২ টায় মোংলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিশাত তামান্নার সাথে সংগঠনের প্রতিনিধি দল সাক্ষাৎ ও আলোচনা সভা করেন। এ সময় ইউএনও সবাইকে মাদক, ঘুষ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে তরূণদের অবস্থান এবং কিশোর-তরূণদের খেলাধুলার প্রতি গুরুত্বরোপ করেন। #
কুয়েটে হল খুলবে ২১ আগস্ট সন্ধায়, ক্লাস শুরু ২৫ আগস্ট
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) এর আবাসিক হলসমূহ আগামী ২১ আগস্ট বুধবার সন্ধ্যা ৬ টায় খুলবে, ক্লাস শুরু হবে ২৫ আগস্ট রবিবার। অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের গত ১১ আগস্ট অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের ৯৩তম (জরুরী) সভার সিদ্ধান্ত, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের স্মারক নং-৩৭.০০.০০০০.০৭১.০৬.০০৭.২০১৬-৩৩৩ তারিখ: ১৫/০৮/২০২৪খ্রি: এর নির্দেশনা এবং ১৮ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত সমন্বয় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে পরীক্ষা সংক্রান্ত তারিখ সংশ্লিষ্ট বিভাগ কর্তৃক জানানো হবে বলে সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সমন্বয় সভায় সভাপতিত্ব করেন দায়িত্বপ্রাপ্ত ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মুহাম্মদ মাছুদ।
উল্লেখ্য, আবাসিক হলে শিক্ষার্থীদের কক্ষ বন্টনের ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলের নিয়মাবলী কঠোরভাবে অনুসরণ করে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য হল প্রভোস্টদের নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
কালিগঞ্জে রাজবাড়ি কলেজের অধ্যক্ষের পদত্যাগে একদফা দাবীতে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত
কালিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জের কাটুনিয়া রাজবাড়ি ডিগ্রী কলেজের দুর্নীতি ও নানান অপকর্মের হোতা অধ্যক্ষ আব্দুল ওহাবের পদত্যাগে একদফা দাবীতে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১৮ আগস্ট) সকাল ১০ টায় অধ্যক্ষের নানান অনিয়ম দুর্নীতি ও অন্যের জমি জবরদখলসহ বিবিধ অপরাধের ফিরিস্তি তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা। আ’লীগ নেতা আব্দুল ওহাব কলেজের অধ্যক্ষ হিসাবে যোগদানের পর থেকে সাবেক এমপি জগলুল হায়দারের পরিচয়ে প্রভাব খাটিয়ে প্রায় ৩০টি নিয়োগের বিপরিতে প্রায় ৩ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে ব্যাক্তি একাউন্টে রেখে সমুদয় টাকা আত্মসাৎ করেছে। শত শত ছাত্র ছাত্রীসহ শিক্ষক, অভিভাবক ও হাজার হাজার সাধারণ মানুষ বিক্ষোভে
অংশগ্রহণ করেণ। কলেজ ক্যাম্পাস থেকে বিক্ষোভ মিছিল কদমতলা বাজার, নুরনগর বাজারসহ গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিন করে। বিক্ষোভ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন কলেজের উপধ্যক্ষ ওলিউল ইসলাম, সহকারী অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম, সহকারী অধ্যাপক এস এম ফজলুল হক, সহকারী অধ্যাপক আব্দুল মানান, সহকারী অধ্যাপক আবু হেনা মোঃ মোস্তফা হাসান, সহকারী অধ্যাপক রিনা পারভীন। উপস্থিত ছিলেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃবৃন্দসহ শতশত বিদগ্ধ জনতা। বক্তাগন বলেন দুর্নীতিবাজ এই অধ্যক্ষের পদ থেকে পদত্যাগ ও কোটি কোটি টাকার দুর্নীতির বিচার করতে হবে। অসংখ্য পরিবারকে ঘরছাড়া, বাড়ি ছাড়া করে ক্ষতিগ্রস্থ করেছে। ছাত্র জনতা অদক্ষ ও দুর্নীতিবাজ অধ্যক্ষ মোঃ আব্দুল ওহাব এর পদত্যাগের
তিনদিনের আলটিমেটাম দিয়ে বলেন তার আর ক্ষমা নেই, তাকে পদত্যাগ করতেই হবে। তা নাহলে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি দেওয়া হবে।
কালিগঞ্জের বিষ্ণুপুরে ইসলামী ছাত্র শিবিরের অফিস উদ্বোধন
কালিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির কালিগঞ্জ উপজেলার পূর্ব শাখার অফিস উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১৮ আগস্ট) বিকাল ৪ টায় বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মাষ্টার নুর ইসলাম এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরা জেলা শাখার সংগ্রামী সেক্রেটারি জননেতা মাওলানা আজিজুর রহমান। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সাবেক সংসদ সদস্য জামায়াতের অন্যতম নেতা আলহাজ্ব গাজী নজরুল ইসলাম, উপজেলা জামায়াতের সভাপতি মাওলানা আব্দুল ওহাব সিদ্দিকী, উপজেলা সহকারী সেক্রেটারী অধ্যাপক মোশাররফ হোসেন চৌধুরী, জামায়াতে নেতা মাওঃ আব্দুস সামাদ, বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক জিএম রফিকুল ইসলাম, ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম, ছাত্র শিবিরের জেলা সেক্রেটারী মোঃ জোবায়ের হোসেন প্রমুখ। এসময়ে উপস্থিত ছিলেন বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এম হাফিজুর রহমান শিমুল, সদস্য সচিব আজিজুর রহমান খাঁন, জামায়াত নেতা প্রিন্সিপ্যাল মাওঃ আব্দুল কাদের হেলালী, মাষ্টার হাবিবুর রহমান, মাওঃ আব্দুল জব্বার, মাওলানা মোনায়েম হোসেন, শেখ আব্দুর রহিম প্রমুখ। অনুষ্ঠান পরিচালনায় ছিলেন ছাত্র শিবিরের দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়ন সেক্রেটারী আব্দুর রহমান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে শতশত মটর সাইকেল যোগে শান্তি মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। উল্লেখ্য যে, ২০১৩ সালে আওয়ামিলীগের সন্ত্রাসী বাহিনী বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের প্রাণ কেন্দ্র চৌমুহনী ছাত্র শিবিরের অফিসটি লুটপাট, ভাংচুর ও অগ্নি সংযোগ করে সর্বস্ব পুড়িয়ে দেয়। দীর্ঘ ১৭ বছর পরে সেই অফিস সংস্কার করে উদ্বোধন করা হয়েছে।
রামপালে আওয়ামীলীগের ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহর অফিস থেকে মাদকদ্রব্য উদ্ধার
রামপাল (বাগেরহাট) সংবাদদাতা
রামপালের ৩ নং বাইনতলা ইউপি চেয়ারম্যান ফকির আব্দুল্লাহর বঙ্গবন্ধু গণ পাঠাগারের কার্যালয় থেকে মাদকদ্রব্য উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সংবাদ পেয়ে রামপাল থানার অফিসার ইনচার্জ সোমেন দাশের নির্দেশে এসআই হুসাইন আহমেদ রবিবার (১৮ আগষ্ট) বেলা ১১ টায় সঙ্গীয় ফোর্স চাকশ্রী বাজারে যানা। বাজারের পাশে বঙ্গবন্ধু গণ পাঠাগারের তালা খুলে ভেতরে প্রবেশ করেন পুলিশের ওই দলটি। তারা জনসম্মুখে কয়েক বোতল মদ ও ২৮ পিস ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেট, এক বোতল কেরু মদ, হাফ বোতল বিদেশী মদসহ গাজা সেবনের সরঞ্জাম জব্দ করে পুলিশ।
এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান ফকির আব্দুল্লাহর মুৃঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি জানান, আপনারা জানেন, বিগত দিনে আমি মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করে মাদক নির্মূলে অভিযান করেছি। বড় ধরনের গাজা ও ইয়াবার চালান আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছি। ৫ তারিখের পর আমার অফিস কয়েকবার ভাংচুর করে অফিসের মালামাল জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছে। মাদক রাখার তো কোন প্রশ্নই ওঠে না, বরং আমাকে হুমকি দেয়া হচ্ছে। আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।
মাদক উদ্ধারের বিষয়ে রামপাল থানার অফিসার ইনচার্জ সোমেন দাশের সাথে কথা হলে তিনি জানান, গত ৫ আগষ্ট গণ পাঠাগারে হামলা করে দরজা ভেঙ্গে ফেলে কতিপয় লোকজন। এরপরে তারা পাঠাগারের মালামাল বের করে আগুন দেয়। ভেতরে মাদক আছে এই তথ্য জানতে পারি রবিবার সকালে। সেখানে গিয়ে আমাদের টিম মাদ ও ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেট উদ্ধার করে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে, এটা সাজানো কি না এমন প্রশ্ন করেন। জব্দ তালিকা করে এ ব্যাপারে রামপাল থানায় একটি সাধারণ ডাইরি করা হয়েছে।#
চুয়াডাঙ্গায় বিজিবির হাতে কুষ্টিয়া ও রাজশাহী আওয়ামী প্রজন্ম লীগের দু’ নেতা আটক
দামুড়হুদা (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি
চুয়াডাঙ্গার দর্শনা সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে পালানোর চেষ্টা কালে টহল বিজিবির হাতে কুষ্টিয়া ও রাজশাহী আওয়ামী প্রজন্ম লীগের দু’ নেতা আটক হয়েছে।এসময় তাদের কাছ থেকে একটি ল্যাপটপ, অসংখ্য দলীয় সীল ও দলীয় প্যাডসহ সার্টিফিকেট উদ্ধার করা হয়। রবিবার দুপুর টায় দর্শনার জয়নগর সীমান্তের ৭৬ নম্বর মেইল পিলারের সামনে দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে যাওয়ার চেষ্টা করে কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারা থানার কাজিহাটা গ্রামের আশরাফুল আহমেদের ছেলে মোঃ বুলবুল আহমেদ (৩৮) ও রাজশাহী জেলার বাগমারা উপজেলার খাজুরা গ্রামের মনির হকের ছেলে মোঃ ফজলুলু হক (৩৫)।এসময় দর্শনা বিওপির টহলরত বিজিবি সদস্যরা তাদেরকে আটক করে।
পরে তাদের ব্যাগ তল্লামি করে একটি ল্যাপটপ, অসংখ্য দলীয় সীল ও প্যাডসহ সার্টিফিকেট উদ্ধার করে। এরা আওয়ামী প্রজন্ম লীগের নেতা বলে বিজিবির কাছে জানিয়েছেন। বিকালে দুজনকে দর্শনা থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।
রামপাল সদর ইউপি চেয়ারম্যান নাসিরের বিরুদ্ধে দূর্নীতির অভিযোগে ৯ ইউপি সদস্যদের অনাস্থা
রামপাল (বাগেরহাট) সংবাদদাতা
রামপালে সদর ইউপি চেয়ারম্যান মো. নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে দূর্নীতির অভিযোগে ৯ জন ইউপি সদস্য অনাস্থা দিয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্নভাবে তাদের সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিতকরাসহ অবমূল্যায়ন করায় তারা এই অনাস্থা আনেন। রবিবার (১৮ আগষ্ট) দুপুর সাড়ে ১২ টায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর ৯ জন ইউপি সদস্য ১৬টি অভিযোগ এনে লিখিত এই অভিযোগপত্রটি দাখিল করেন।
রামপাল সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. নাসির উদ্দীন হাওলাদারের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগে স্বাক্ষর করেছেন, মহিলা ইউপি সদস্য দীপ্তি রাণী হালদার, রোজিনা বেগম, মো. গিয়াস উদ্দিন, মনোজিত কুমার মুখার্জি, শেখ মো. সাইফুল্লাহ, উজ্জ্বল কুমার মন্ডল, আ. ছালাম শেখ, মো. মিকাইল হোসেন, আলমগীর ফকির।
লিখিত অভিযোগে জানা গেছে, এডিবির বরাদ্দকৃত অর্থ থেকে বিদ্যালয়ের ক্রীড়া সামগ্রী ক্রয়ের নামে স্কুলের ভুয়া প্রত্যায়ন দিয়ে গ্রাম পুলিশ হাছিবুর রহমানের মাধ্যমে টাকা আত্মসাৎ করা। বিগত বছরগুলোতে পরিষদের সকল কর্মকান্ড থেকে ইউপি সদস্যদের বিরত রাখা। উপজেলা থেকে বরাদ্দকৃত টিউবওয়েলগুলো মোটা অংকের টাকার মাধ্যমে ইউপি সচিব গৌতম বসু ও গ্রাম পুলিশ হাছিবুর রহমানের মাধ্যমে বিক্রয় করা। জন্ম নিবন্ধন, মৃত্যু নিবন্ধন, ওয়ারেশ কায়েম ও প্রত্যয়নপত্রসহ সকল কার্যক্রমের ক্ষেত্রে বেহিসাবি টাকা হাতিয়ে নেওয়া। গ্রাম পুলিশ হাছিবুর রহমান পরিষদের গাছ কর্তন ও পরিষদের পুরনো সকল আসবাবপত্র বিত্রি করে আত্মসাত করাসহ মাদকদ্রব্য ও নারী সংঘটিত কাজে লিপ্ত থাকে। বরাদ্দকৃত সেলাই মেশিন, বাইসাইকেল, স্কুল ব্যাগসহ অন্যান্য মালামাল প্রকৃত হতদরিদ্র ও দুস্থদের মাঝে বন্টন না করে স্বজনপ্রীতি করা। এলজিএসপি’র বরাদ্দকৃত অর্থ দ্বারা রাস্তাসহ উন্নয়নের বিভিন্ন প্রকল্প চেয়ারম্যান ইউপি সদস্যদের মাঝে বন্টন না করে গ্রাম পুলিশ হাছিবুর রহমানের মাধ্যমে ছয় নয় করে টাকা আত্মসাত করা। ৪ হাজার ৪ শত করে প্রতিমাসের ইউপি সদস্যদের সম্মানি ভাতা তেত্রিশ মাস ধরে প্রদান না করা। গ্রাম পুলিশ হাছিবুর রহমান দায়িত্ব পালনকালে পোশাক পরিধান না করা। ইউনিয়ন পরিষদের সকল প্রকল্প ও প্রজেক্ট চেয়ারম্যান নাসির উদ্দীন পরিষদের সচিব গৌতম বসু ও গ্রাম পুলিশ হাছিবুর রহমানের মাধ্যমে পরিচালনা করা ও ইউনিয়নের বাজেট সম্পর্কে ইউপি সদস্যদের কাছে কোনো তথ্য সরবরাহ না করাসহ বিভিন্ন অভিযোগ সংযোজন করা হয়েছে।
লিখিত অভিযোগে তারা আরো দাবি করেছেন বিগত সময়ের লাঞ্চনা-বঞ্চনা থেকে মুক্তি পেতে ওই চেয়ারম্যান সাথে কাজ না করার দাবিতে এই অনাস্থার ঘোষণা দিয়েছেন। পাশাপাশি অভিযোগের বিষয়গুলি তদন্ত করে ওই চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনেরও জোর দাবি জানিয়েছেন।
এবিষয়ে অভিযুক্ত চেয়ারম্যান মো. নাসির উদ্দীন হাওলাদারের মুৃঠোফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। যে কারণে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রহিমা সুলতানা বুশরা জানান, অভিযোগপত্রটি পেয়েছি। তদন্ত করে উর্ধতন কর্মকর্তাদের অবহিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
রামপালে অফিস করলেন উপজেলা চেয়ারম্যান ও দুই ভাইস চেয়ারম্যান
রামপাল (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
রামপাল উপজেলা চেয়ারম্যান ও দুই ভাইস চেয়ারম্যান অফিস করেছেন। রবিবার (১৮ আগষ্ট) থেকে তাদের অফিস করতে দেখা গেছে।
গত ৫ আগষ্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আওয়ামীলীগ সরকারের পতনের পর তারা নিরাপত্তা জনিত কারণে গা ঢাকা দিয়েছিলেন। গা ঢাকা দেওয়ারা হলেন, রামপাল উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সেখ মোয়াজ্জেম হোসেন, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও ভাইস চেয়ারম্যান শেখ নূরুল হক লিপন ও উপজেলা মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হোসনেয়ারা মিলি। উল্লেখ্য, বৈশম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হাসিনা সরকারের পতন ও পলায়নের পর সারাদেশের মত রামপাল আওয়ামীলীগ দলীয় নেতাকর্মীরা গা ঢাকা দেয়। এর পাশাপাশি জনপ্রতিনিধিরা ও তাদের কর্মস্থল ও এলাকা ত্যাগ করে পালিয়ে থাকে। এ বিষয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান সেখ মোয়াজ্জেম হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন ১২ তারিখ থেকেই অফিস করছি। ভাইস ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানেরা ও করছেন। ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানগণ রবিবারেই অফিস করছেন বলে জানালে তিনি বলেন হতে পারে। পরিবর্তিত পরিস্থিতির কারণে অফিসে আসেননি বলে তারা জানান।#
পাইকগাছায় বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী শিবপদ মন্ডলের সাংবাদিক সম্মেলন
পাইকগাছা, খুলনা, প্রতিনিধি।।
পাইকগাছায় মেসার্স সসতা ফিসের সত্ত্বাধিকারী শিবপদ মন্ডলের বাড়ীতে ভাংচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় তাকে ব্যবহার করে পাইকগাছা উপজেলা বি এন পির সাধারণ সম্পাদক এস এম এনামুল হকের বহিষ্কারে প্রতিবাদ জানিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। শুক্রবার বিকালে পাইকগাছা বাজারে নিজ ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সাংবাদিকদের নিয়ে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন,উপদজেলার সোলাদানা ইউনিয়নে সাবেক চেয়ারম্যান এস এম এনামুল হক সোলাদানা ইউনিয়নের হিন্দু সম্প্রদায়ের আশ্রয়স্থল। তিনি হিন্দুদের জানমালের রক্ষার জন্য বিভিন্ন সময় জীবন বাজী রেখেছেন। হিন্দুদের জায়গা জমি ভূমি দস্যুদের কবল থেকে উদ্ধার সহ লীজ ঘের উদ্ধারের জন্য একাধিক বার ভূমিকা রেখেছেন। এক যুগেরও বেশি সময় আওয়ামী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে আমাদের প্রহরী হয়ে পাহারা দিয়ে রেখেছেন। ৫ আগষ্ট সরকার পরিবর্তন হলে ঐ সময় আমি বাড়িতে ছিলাম না। সন্ধ্যা রাতে কে বা কারা লাঠি শোটা সহকারে আমার বাড়ীতে ঢুকে ভাংচর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করে। আমার পিতা, কাকা, স্ত্রী সহ সকলে বাড়ীতে ছিল।কিন্তু তাদের তান্ডবে সবাই হতভম্ব হয়ে পড়ে। সংবাদ পেয়ে সাবেক চেয়ারম্যান এনামুল হকের স্মরনাপন্ন হওয়ার চেষ্টা করি। তখম জানতে পারি, উনি থানায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও প্রশাসনের সহিত মত বিনিময়ে আছেন। পরে যোগাযোগ মাধ্যমে ও পত্রিকা মারফত জানতে পারি, আমার নাম ব্যবহার করে এনামুল হককে তার রাজনৈতিক দল বি এন পি থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। তখন আমি হতভম্ব হয়ে পড়ি। এনামুল হক আমার বাড়ীতে যায়নি। সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্হিত ছিলেন শিবপদ মন্ডলের পিতা পতিরাম মন্ডল, স্ত্রী কৃষ্না রানী, কাকা, ভাই ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা।
নড়াইলে স্ত্রীর করা প্রতারণার মামলা তুলে নেওয়ার হুমকি দেওয়ায় মানববন্ধন
মো. তাহের, নড়াইল প্রতিনিধি:
নড়াইলে স্ত্রীর করা প্রতারণা ও জালিয়াতি মামলা তুলে নেবার হুমকি দিচ্ছেন স্বামী মোজাহিদুল ইসলাম শুভ ও তার পরিবারের লোকেরা। এর প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে ভুক্তভোগি পরিবারের সদস্যরা। ভুক্তভোগি পরিবার ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে রবিবার (১৮আগষ্ট) দুপরের দিকে নড়াইল ডিসি অফিস চত্বরে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এসময় মানবন্ধনে স্ত্রী শোভা সুলতানা সহ তার পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় ছাত্র-ছাত্রীরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় শোভা সুলতানা অভিযোগ করে বলেন, নানা জায়গা থেকে ধার-দেনা করে আমার স্বামী মোজাহিদ ইসলাম শুভকে বিদেশ পাঠাতে ১৫ লক্ষ টাকা প্রদান করে আমার পরিবার। এরপর বিদেশে যেয়ে আমাদের সাথে যোগাযোগ করেনা সে পরকীয়াতে লিপ্ত। মামলা তুলে নেবার হুমকী দিচ্ছেন শশুর মহিদুল, শাশুড়ি সেফালী বেগম, ননদ তাসমিম ঐশি সহ কয়েকজন, অন্যদিকে স্বামী মোজাহিদুল ইসলাম শুভ ও লন্ডন থেকে হুমকী দিচ্ছে বলে জানান শোভা সুলতানা। শোভা সুলতানা আরও বলেন, এই বিষয়ে ১৭ আগষ্ট সদর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছি, আমি ও আমার পরিবার এখন হত্যার হুমকীর মধ্যে আছি। নড়াইল সদর থানা-পুলিশের উপ-পরিদর্শক মো. সেলিম বলেন, অভিযোগটি পেয়েছি। তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কোটচাঁদপুরে ম্যাকলিউড এর সাহেববাড়ি এখনও ইতিহাসের স্বাক্ষী
কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি:
দেড়শ’ বছরের পুরনো কোটচাঁদপুরের ম্যাকলিউড সাহেবের বাড়িপ্রায় দেড়শ’ বছরের পুরনো কোটচাঁদপুরের সাহেববাড়ি এখনও ম্যাকলিউড পরিবারের স্মৃতি বহন করে চলছে। কালের সাক্ষী এ বাড়িটি সংরক্ষণের উদ্যোগ নেই। সাহেব বলতে এদেশের মানুষের মনে আতঙ্ক, নানান অত্যাচারের কাহিনী ফুটে ওঠে। কিন্তু কোটচাঁদপুরবাসী আজও ম্যাকলিউড পরিবারকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে। নীল চাষের পাশাপাশি চিনির ব্যবসায়ের সুবাদে কোটচাঁদপুর এলাকায় সাহেবদের আগমন ঘটে। অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষ ভাগে বাল. কে. নামে এক সাহেব কোটচাঁদপুরে একটি চিনি ফ্যাক্টরি স্থাপন করেন। ব্যবসায়ে মন্দা দেখা দিলে তিনি ফ্যাক্টরিটি নিউ হাউস নামে আরেক সাহেবের কাছে বিক্রি করে দেন। তিনি তাহেরপুরে আরো একটি চিনি ফ্যাক্টরি স্থাপন করেন। পরে লোকসান শুরু হলে চিনি উৎপাদন বন্ধ করে ‘রাম’ মদ তৈরি করা হতো। কোটচাঁদপুরে তখন চিনি শিল্পের রমরমা অবস্থা। কিন্তু দেশীয় ময়রাদের সাথে প্রতিযোগিতায় তিনি ব্যবসায়ে সাহেব টিকতে পারেন না। অন্যান্য সাহেব বিলেতে পাড়ি জমালেও নিউ হাউস কোটচাঁদপুরে এক বিশাল বাড়ী তৈরী করে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। তার একমাত্র কন্যার নাম ছিল সারা। সিনোলাব ম্যাকলিউডের সাথে সারার বিয়ে হয়। নিউ হাউজের বাড়ির কোন অস্তিত্ব নেই।ম্যাকলিউড ছিলেন স্কটল্যান্ডের বাসিন্দা। তিনি চৌগাছায় গ্লাডস্টোন এন্ড কোম্পানির চিনি ফ্যাক্টরির দ্বিতীয় ম্যানেজার ছিলেন। কোটচাঁদপুর শহরের উন্নয়নে তিনি যথেষ্ট অবদান রাখেন। তার তিন পুত্র ছিল এডোয়ার্ড জি ম্যাকলিউড, জেমস ম্যাকলিউড ও হ্যারল্ড ম্যাকলিউড। জি. ম্যাকলিউড ব্যারিস্টার ছিলেন। তবে তিনি কোটচাঁদপুরে ব্যবসা করতেন। কপোতাক্ষ নদীর তীরে তিনি এক বিশাল বাড়ি নির্মাণ করেন। ১৮৬৯ সালে কোটচাঁদপুর পৌরসভা স্থাপনে তিনি অবদান রাখেন। ১৮৯২ থেকে ১৯০৪ সাল পর্যন্ত পৌরসভার মনোনীত প্রথম চেয়ারম্যান ছিলেন। তাঁর মৃত্যুর পর ছোট ভাই হ্যারল্ড জি. ম্যাকলিউড পৌরসভার চেয়ারম্যান হন (১৯০৪-১৯০৮) তিনি ও বড় ভাইয়ের পাশে একটি দ্বিতল ভবন নির্মাণ করেন। তার বাড়ি ছোট সাহেব বাড়ী নামে পরিচিত। এটি বর্তমানে কোটচাঁদপুর হাইস্কুলের মূল ভবন। দ্বিতল এ ভবনটির ১৪ টি কক্ষ রয়েছে। তবে দীর্ঘদিনেও সংস্কার না হওয়ায় বাড়িটি ধীরে ধীরে নষ্ট হতে বসেছে। দীর্ঘদিনে ব্যবহারে কাঠের সিঁড়ি ক্ষয়ে জরজীর্ণ হয়ে পড়েছে। ১৫ একর জমির উপর স্থাপিত এবাড়ীর চারিপাশে আম ও লিচু বাগানে ঘেরা ছিল। বড় ও ছোট সাহেব বাড়ির মাঝখানে পারিবারিক কবরস্থান চারিদিকে লোহার গ্রিলে ঘেরাও ছিল। রাতের আধারে দুর্বৃত্তরা কবরগুলো ভেঙেচুরে খুড়ে ভেতরে কোনো লুকানো ধন-সম্পদ আছে কিনা সন্ধান করেছে। তবে বাড়ির মালিকানা বদল হয়ে ঘোষ জমিদারদের হাতে যায়। বড় সাহেব বাড়ি ভেঙে চুরে বিক্রি করে দেয়া হয়। ১৯৫৭ সালে ছোট সাহেব বাড়িটিতে কোটচাঁদপুর হাইস্কুল স্থানান্তরিত হয়। স্কুলের নতুন নতুন ভবন তৈরির কারণে মূল সাহেব বাড়ীর গুরুত্ব কমে গেছে। এখন অফিসের কাজ ও লাইব্রেরী হিসাবে ব্যবহার হচ্ছে।
সাংবাদিক আজিমকে অপহরণ ও হত্যার হুমকি দিয়েছে সন্ত্রাসীরা
সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের দাবিতে প্রতিবাদের ঝড়
স্টাফ রিপোর্টার
নিউজ প্রকাশের জের ধরে সন্ত্রাসীরা দৈনিক প্রবাহের স্টাফ রিপোর্টার ও রূপসা প্রেস ক্লাবের সহ-সাধারণ সম্পাদক এমএ আজিকে অপহরণ ও হত্যার হুমকি দিয়েছে। শনিবার বিকেল থেকে সন্ধ্যার মধ্যে পৃথক ৩টি নম্বর থেকে ফোন করে তাকে এ হুমকি দেওয়া হয়। এ ঘটনায় সাংবাদিক আজিম চরমভাবে আতংকিত হয়ে পড়েছেন। এ ঘটনায় সোনাডাঙ্গা মডেল থানায় সাধারণ ডায়রি করা হয়েছে।এদিকে, পেশাগত দায়িত্ব পালনের কারণে একজন সাংবাদিককে একাধিকবার ফোন করে অপহরণ ও হত্যার হুমকির ঘটনায় চরম নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কর্মরত সাংবাদিকরা। একইসঙ্গে হুমকিদাতা সন্ত্রাসীদের ২৪ ঘন্টার মধ্যে খুঁজে বের করে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। জানা গেছে, গত ১৩ আগষ্ট-২৪ ইং তারিখে দৈনিক প্রবাহে ‘রূপসায় ইউপি চেয়ারম্যান-সাংবাদিক কেউ রেহাই পায়নি : জবাই করে হত্যাসহ বাড়িতে বাড়িতে ও বিভিন্ন এলাকায় ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট, আতংকে সাধারণ মানুষ’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশ হয়। ওই সংবাদের জের ধরে শনিবার (১৭ আগষ্ট) বিকেল ৫টা ৩৩ মিনিটে মামুন পরিচয়ে ০১৮৯০-০৩৯৭৮৪ নম্বর থেকে সাংবাদিক এমএ আজিমের ০১৭১২-৬৮০৬৮৫ এই নম্বরে ফোন করে ওই নিউজ কেন করা হয়েছে- তার কৈফিয়ত চায় এবং হুমকিমূলক কথা-বার্তা বলে। এর মাত্র ৫৫ মিনিট পর সন্ধ্যা ৬টা ২৮ মিনিটে ০০৪০০২৮৫৪৭ এই নম্বর থেকে মিরাজ পরিচয়ে ফোন করে নিউজ করার জন্য সরাসরি হত্যার হুমকি দেয় এবং অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে। এমনকি পুলিশ ও সেনা বাহিনীর আশ্রয় নেওয়ার কথা বললেও বাহিনীর নাম উল্লেখ করেও গালিগালাজ করে। এক পর্যায়ে শিববাড়ী পুলিশ বক্সের সামনে থাকতে বলে সেখান থেকে তুলে নিয়ে যাবে বলেও হুমকি দেয়। এর মাত্র ২২ মিনিট পর সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটে আবারও ০১৭১৪-৩৫৩৭৫৩ এই নম্বর থেকে কামরান পরিচয়ে ফোন করে তাকে একইভাবে হুমকি দেয়। এতে তিনি চরমভাবে আতংকিত হয়ে পড়েছেন। মিরাজ নামক ব্যক্তিই বিভিন্ন পরিচয়ে নিজে এবং সন্ত্রাসী দিয়ে এই হুমকি দিয়েছেন বলেও ধারণা করছেন সাংবাদিক আজিম।এদিকে, পেশাগত দায়িত্ব পালনের কারণে একজন সাংবাদিককে একাধিকবার ফোন করে অপহরণ ও হত্যার হুমকির ঘটনায় চরম নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন খুলনা ও রূপসায় কর্মরত সাংবাদিকরা। এ ধরণের হুমকিতে স্বাধীন সাংবাদিকতা বাঁধাগ্রস্ত হবে- উল্লেখ করে হুমকিদাতা সন্ত্রাসীদের ২৪ ঘন্টার মধ্যে খুঁজে বের করে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। এ ঘটনায় সোনাডাঙ্গা মডেল থানায় সাধারণ ডায়রি করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে যৌথ বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।
এদিকে রূপসা প্রেসক্লাবের সহ-সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক প্রবাহের স্টাফ রিপোর্টার এম এ আজিমকে মোবাইলে প্রানের নাশের হুমকির ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন রূপসা প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ। বিবৃতিদাতারা অবিলম্বে হুমকি দাতার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।
বিবৃতিদাতারা হলেন, ক্লাবের সভাপতি এস এম মাহবুবুর রহমান, সহ-সভাপতি মোঃ আব্দুল কাদের, সাধারণ সম্পাদক খান আঃ জব্বার শিবলী, সাবেক সভাপতি তরুণ চক্রবর্তী বিষ্ণু, সাইফুল ইসলাম বাবলু, সাবেক সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণ গোপাল সেন, কোষাধ্যক্ষ তৌহিদুল ইসলাম কচি, সাংগঠনিক সম্পাদক এমডি অলিদ শেখ, প্রচার ও দপ্তর সম্পাদক তরিকুল ইসলাম।
দাকোপের রোপা আমন চাষীরা ব্যস্ত সময় পার করছে তাদের জমিতে সেই স্বপ্নের আমন ধান রোপনে
বাজুয়া (দাকোপ) প্রতিনিধি
খুলনার দাকোপে কৃষকের স্বপ্নের রোপা আমন ধান রোপে ব্যস্ত সময় পার করছে। যেন দম ছাড়ার সময় নাই কৃষকের। বীজতলা তৈরির পর জমি চাষ ও জমিতে চারা রোপনের কাজে দাকোপের প্রতিটা কৃষক পরিবার ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। এলাকা ঘুরে দেখা যায় উপজেলার ৩১,৩২ ও ৩৩ নং পোল্ডারের কৃষকেরা আমন ধান রোপনে ব্যস্ত সময় পার করছে। বাজুয়ার আমন চাষী রমেশ রায় জানান আমার জমিতে আমন ধান রোপনের কাজ চলছে। তবে এবছর কৃষকের আমন ধান চাষ করতে খরচ একটু বেশি পরছে। কেননা প্রতিটা জিনিসের দাম বেশি। চাষ খরচ গত বছরের চেয়ে বেশি দিয়ে জমি চাষ করতে হয়েছে। এছাড়া চারা রোপণের জন্য এক সপ্তাহের জন্য আমি পাঁচ জন লোক এনেছি প্রতি জন লোকের টাকা দিতে হবে ৪ হাজার টাকা করে। যা গত বছরের তুলনায় বেশি লাগছে। এরপর তো চারা রোপণের পর সার ও কীটনাশক তো আছে। দাকোপ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান দাকোপে এখন সর্বত্র রোপা আমন ধান চাষ চলছে। আবহাওয়া যদি চাষীদের অনুকূলে থাকে তবে ভালো ফসল হবে বলে আশা করা যায়। তিনি আরো বলেন এবছর এলাকায় প্রচুর বৃষ্টিপাত হওয়ায় চাষের শুরুতে কৃষকের আমন ধানের বীজতলা পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় কিছু কৃষকের বীজতলার চারা নষ্ট হয়েছে। তবে সব মিলিয়ে বলা যায় আমন চাষীরা তাদের স্বপ্নের আমন ধান চাষে ব্যস্ত সময় পার করছে।
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করলেন যশোর নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজের ইনচার্জ
শহিদুল ইসলাম দইচ যশোর।।
নানা অনিয়ম দুর্নীতির এবং অর্থ লুটপাটের অভিযোগ তুলে যশোর নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজের নার্সিং ইনস্ট্রাক্টর ইনচার্জ খুকু বিশ্বাসের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন করেছে অত্র কলেজের শিক্ষার্থীরা। একপর্যায়ে আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করেন ইনস্ট্রাক্টর ইনচার্জ।
রোববার (১৮ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে যশোর নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজের মূল ফটকের সামনে অবস্থান নেয় আন্দোলকারী প্রায় সাড়ে তিনশতাধিক শিক্ষার্থীরা। এক পর্যায়ে নার্সিং ইনস্ট্রাক্টর ইনচার্জের কক্ষে প্রবেশ করে ইনচার্জকে ঘেরাও করে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকে যশোর নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজের বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। টানা পাঁচ ঘন্টা আন্দোলনের পর দুপুর ২টার দিকে যশোর সিভিল সার্জন ও যশোর জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায়কের উপস্থিতিতে পদত্যাগ পত্রে সাক্ষর করে পদত্যাগ করেন ইন্সট্রাক্টর ইনচার্জ খুকু বিশ্বাস। পদত্যাগের পর ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব গ্রহন করেন নার্সিং ইন্সট্রাক্টর মোছা: আরজিনা খাতুন। ইনচার্জের পদত্যাগে সন্তোষ প্রকাশ করে উল্লাস করেন যশোর নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজের শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবি পরবর্তীতে কোন দায়িত্বপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তা যেন এ ধরনের দূর্নীতি করার সাহস না পায় তার জন্য দূর্নীতিগ্রস্থ ইনচার্জের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক।
আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, সরকার থেকে দেওয়া প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রীর মাসিক স্টাইপেন্ড কারণ দেখিয়ে কর্তন করে, বলা হয় কর্তন করা টাকা সরকারের কাছে জমা দেওয়া হয় কিন্তু ডিজিএনএম থেকে স্পষ্ট বলা আছে কোনো টাকা ফেরত নেয় না তারা। কলেজের সহকারী শিক্ষকরা সাধারণ শিক্ষার্থীদের সরকারি স্টাইপেন্ডের টাকা আত্মত্মসাৎ করে, এর প্রধান মদদ দাতা ইনচার্জ। হোস্টেলে মেয়েদের ডাইনিং খরচ ১৫০০ টাকা, ২০ দিন খেলেও দিতে হয় ৩০ দিন খেলেও দিতে হয়। যে মাসে ২০ দিন খায় সে মাসের বাকি ১০ দিন ডাইনিং বন্ধ থাকলেও সম্পূর্ণ টাকা নেওয়া হয়। এই টাকা ফান্ডে জমা থাকে বলা হলেও কোন স্বচ্ছতা দেখাতে পারেনি। ইনচার্জসহ শিক্ষকরা এই টাকা আত্মসাৎ করে।
শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, একজন স্টুডেন্ট এর বাবা মারা গিয়েছে, ইনচার্জের কাছে ছুটি চাইতে গেলে সরাসরি ইনচার্জ উওর করে ‘মাটি দিয়ে দিতে বলো ২ দিন পর কলেজ বন্ধ হবে, তখন বাসায় যাবে।’ একজন প্রতিষ্ঠান প্রধান কিভাবে একথা বলেন। ইসলাম ধর্মের ধর্মীয় অনুভূতি তে আঘাত করে চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী (আশিষ) এবং একই সাথে মায়ের বয়সী আঞ্জুমান খালার সাথে (আশিষ) অশ্লীল আচারণ করলে আমরা প্রতিবাদ করলে, ইনডোরে মিচুয়াল করার চেষ্টা করলে আমরা লিখিত অভিযোগ দিয়ে শাস্তি দাবি করলে ইনচার্জ একাই তার পক্ষে কথা বলে আমাদেরকে দমিয়ে রাখে এবং তার শক্তি বলে এখনো কোনো পদক্ষেপ গ্রহন করেনি। অভিযুক্ত আশিষ রাত্রিকালীন ডিউটি চলাকালীন মাদকাসক্ত এবং নানা অপকর্মে যুক্ত থাকে জানতে পেরে হোস্টেলের মেয়েরা লিখিত অভিযোগ দিলেও ইনচার্জ তার ক্ষমতা বলে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গেলে শিক্ষার্থীদেরকে ব্যক্তিগতভাবে ইনচার্জের রুমে ডেকে হেনস্থা করা হয়। ভাইভা ও ফরমেটিভ মার্ক কম দিবে এমন ভয়ভীতি দেখিয়ে সকল ম্যামরা শিক্ষার্থীদের দমিয়ে রাখে। যার মদদ দেন ইনচার্জ। কারণবসত ঘোষিত ছুটির একদিন পর কলেজে আসলে ছাত্রত্ববাতিল সহ অভিভাবকের ডেকে অপমান অপদস্ত করা হয়। হোস্টেলের মেয়েদের সাথে অশ্লীল ব্যবহার করা হয় বলে অভিযোগ আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের।
যশোর সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান জানান, আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা ইনচার্জের রুমে ঢুকে তাকে অবরুদ্ধ করে রাখে। পরবর্তী আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে শিক্ষার্থীদের অভিযোগগুলো শুনি এবং ইনচার্জের সাথে কথা বলি। আমাদের উপস্থিতিতে ইনচার্জ মহাপরিচালকের সাথে কথা বলে পদত্যাগ পত্রে সাক্ষর করেন।
এক প্রশ্নের জবাবে সিএস ডাক্তার মাহমুদুল হাসান বলেন, পদত্যাগ পত্রটি আমি গ্রহণ করেছি যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। যশোর জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক রশিদ বলেন, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে পদত্যাগ করেছেন খুকু বিশ্বাস। এই মুহূর্তে দায়িত্ব পালন করছেন প্রতিষ্ঠান ইন্সপেক্টর আরজিনা খাত
চুয়াডাঙ্গা জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত
মাহমুদ হাসান রনি, দামুড়হুদা(চুয়াডাঙ্গা)
চুয়াডাঙ্গা জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার বেলা ১২ টায় জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. কিসিঞ্জার চাকমার সভাপতিত্বে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটি, আদালত সহায়তা, সন্ত্রাস ও নাশকতা প্রতিরোধ; মানব পাচার প্রতিরোধ; চোরাচালান নিরোধ সমন্বয়; সড়ক দুর্ঘটনা হতাহতদের নির্ভুল ও সমন্বিত পরিসংখ্যান প্রণয়ন; জেলা সড়ক নিরাপত্তা কমিটি; চোরাচালান নিরোধ; অনিস্পন্ন চোরাচালান মামলাসমূহ সম্পর্কে মনিটরিং সেলের সভা অনুষ্ঠিত হয়।এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশ সুপার আর এম ফয়জুর রহমান, পিপিএম-সেবাসহ
জেলার বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানগণ, জনপ্রতিনিধিবৃন্দ, সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ এবং মিডিয়া ব্যক্তিবর্গ।
মোংলায় পৌর মেয়র-কাউন্সিলরদের অপসারণ দাবীতে অবস্থান কর্মসূচি ও বিক্ষোভ
মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
জনগণের ভোট চুরি করে অবৈধভাবে নির্বাচিত হওয়া মোংলা পোর্ট পৌরসভার মেয়র ও কাউন্সিলদের অপসারণ দাবী করেছেন পৌরবাসী। এ দাবীতে রবিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত পৌর মার্কেট চত্বরে অবস্থান নিয়ে এ বিক্ষোভ করেন তারা। এ সময় তারা মেয়র-কাউন্সিলরদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন শ্লোগানসহ বক্তৃতায় তাদের অপসারণ দাবী করেছেন। এ অবস্থান কর্মসূচি ও বিক্ষোভে পৌরসভার বিভিন্ন শ্রেণী পেশার লোকজন অংশ নেন।
উল্লেখ্য, ২০২১সালের ১৬জানুয়ারী অনুষ্ঠিত হয় বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের পাতানো ভোট চুরির একতরফা পৌর নির্বাচন।
স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে খুমেক হাসপাতাল কর্মকর্তাদের
সাথে খুলনা মহানগর বিএনপি’র শীর্ষ নেতাদের মতবিনিময়
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহতদের শয্যাপাশে বিএনপি
খবর বিজ্ঞপ্তি
নিরবিচ্ছন্ন স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্মকর্তাদের মতবিনিময় করেছেন খুলনা মহানগর বিএনপি’র শীর্ষ নেতৃবৃন্দ। এসময়ে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় চিকিৎসাধীন দৌলতপুরের ছাত্রনেতা নাঈম শিকদারসহ অন্যদের শয্যা পাশে যেয়ে তার চিকিৎসার সার্বিক খোঁজ-খবর নিয়েছেন তারা। গতকাল রবিবার (১৮ আগস্ট) বেলা পৌনে ১২টার দিকে খুমেক হাসপাতালে গিয়ে খুলনা মহানগর বিএনপি’র আহবায়ক এ্যাড. শফিকুল আলম মনা ও সদস্য সচিব মোঃ শফিকুল আলম তুহিন দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সর্ববৃহৎ এ হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার পরামর্শ দেন। মতবিনিময় করেন খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ গৌতম কুমার পাল ও উপ-পরিচালক ডাঃ মোঃ আখতারুজ্জামানের সাথে।
এসময়ে মহানগর বিএনপি’র আহবায়ক এ্যাড. শফিকুল আলম মনা ও সদস্য সচিব মোঃ শফিকুল আলম তুহিন বলেন, পদ্মার এপাড়ের বিশাল জনগোষ্ঠি খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা নিতে আসেন। কোনোভাবেই যেনো এই হাসপাতালের স্বাস্থ্য বিঘ্নিত না হয়। খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালটি হবে জনগনের স্বাস্থ্য সেবার প্রাণ কেন্দ্র। এটি রাজনীতি চর্চার স্থান নয়। কে কোন দলের নেতা-কর্মী-সমার্থক এটি বড় কথা নয়; রোগী হিসেবে হাসপাতালে আসলে সকলের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে হবে। এটি সকল নাগরিকের সাংবিধানিক মৌলিক অধিকার। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে বুকে তাজা রক্তের বিনিময়ে দেশে দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে গণতন্ত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত হয়েছে। জনগনের প্রতিষ্ঠান খুমেক হাসপাতাল হবে সর্বস্তরের মানুষের আদর্শ স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র।
পরে চিকিৎসাধীন ছাত্র নেতা নাঈম শিকদারের চিকিৎসার্থে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আগামীর রাষ্ট্রনায়ক জনাব তারেক রহমানের নির্দেশে বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক আলহাজ¦ রকিবুল ইসলাম বকুলের সহযোগিতায় নগদ অর্থ প্রদান করেছেন মহানগর বিএনপি নেতৃবৃন্দ। পরবর্তীতে আহতদের চিকিৎসা সেবায় সার্বিক সহযোগিতার প্রতিশ্র“তি দিয়েছেন নেতৃবৃন্দ।
এসময়ে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপি’র যুগ্ম-আহবায়ক বদরুল আনাম, দৌলতপুর থানা বিএনপি’র আহবায়ক মুর্শিদ কামাল ও সদস্য সচিব ইমাম হোসেন, ১৭নং ওয়ার্ড বিএনপি’র আহবায়ক শেখ ফারুক হোসেন প্রমুখ।
আফিল জুট উইভিং মিল ভাঙচুর
বেনাপোল প্রতিনিধি
যশোরের শার্শায় আফিল জুট উইভিং মিলে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় মিলের বিভিন্ন স্থাপনা ভাঙচুরসহ মসজিদের গ্লাস ভাঙচুর করা হয়। রোববার সকাল ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
আফিল জুট উইভিং মিলের প্রশাসনিক কর্মকর্তা তোফায়েল আহমেদ বলেন, আফিল জুট উইভিং মিলে নারী-পুরুষ মিলে ৫ হাজার কর্মচারী কর্মরত। রোববার সকাল ৯টার দিকে শতাধিক দুর্বৃত্ত মিলের গেটে এসে হামলা চালায়। গেট বন্ধ থাকায় দুর্বৃত্তরা গেট টপকে ভিতরে প্রবেশ করে। প্রথমে তারা মসজিদের গ্লাস ভাঙচুর করে এবং গেটের পাশের রুমের গ্লাস ভাঙচুর করে। তারপর আমাদের মালিকের চেম্বার ভাঙচুর করে। এভাবে তারা একের পর এক বিভিন্ন স্থাপনা ভাঙচুর করে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করেছে। মিল ভাঙচুর করায় কর্তৃপক্ষের নির্দেশে মিল বন্ধ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, আমরা ৫ হাজার কর্মচারী এই মিলের কাজের উপরেই নির্ভরশীল। এখন আমরা কিভাবে আমাদের সংসার চালাব আমরা নিজেরাই বুঝতে পারছি না। কবেনাগাদ মিল চালু হবে তা বুঝতে পারছি না। মিল চালু না হলে পরিবার-পরিজন নিয়ে আমাদের রাস্তায় নামতে হবে।
শার্শার মানুষের বেকারত্ব দূরীকরণের জন্য ২০০৯ সালে এই আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শেখ আফিল উদ্দিন আফিল জুট উইভিং নামে একটি মিল প্রতিষ্ঠা করেন।
শার্শা থানার ওসি মনিরুজ্জামান বলেন, আপিল উইভিং জুট মিলে হামলার খবর পেয়ে ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে গেলে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়।
ভারতের সাড়া নেই, চালু হচ্ছে না রেলে পণ্য ও যাত্রী পরিবহন
যশোর অফিস
বেনাপোল দিয়ে স্থলপথে ভারতের সঙ্গে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য ও যাত্রী পারাপার স্বাভাবিক হলেও ভারতের আপত্তির কারণে রেলপথে দুই দেশের মধ্যে পণ্য পরিবহন ও যাত্রী পারাপার এখনও বন্ধ রয়েছে। এতে পণ্য পরিবহনে বাধা সৃষ্টি হওয়ায় শিল্পকারখানায় উৎপাদন এবং নিরাপদ যাত্রা বিঘ্নিত হচ্ছে। কবে নাগাদ রেলপথে বাণিজ্য স্বাভাবিক হবে, তা অনিশ্চিত।
বেনাপোল বন্দর দিয়ে রেল ও সড়কপথে ভারতের সঙ্গে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য হয় এবং যাত্রী চলাচল করে থাকে। ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গত ১৯ জুলাই সড়কপথে যাতায়াত সীমিত এবং রেলপথে পণ্য ও যাত্রী পরিবহন বন্ধ হয়ে যায়। এক সপ্তাহ আগে সড়কপথে শুরু হয়েছে বাণিজ্য ও যাত্রী চলাচল। তবে রেলপথে বানিজ্য ও যাত্রী চলাচল শুরু করতে বাংলাদেশের রেল কর্তৃপক্ষ ভারতের রেল মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানালেও সাড়া মিলছে না।
রেলপথে আমদানি পণ্যের বেশির ভাগ শিল্পের কাঁচামাল, বিভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল, সার, সিমেন্ট তৈরির উপকরণ ও কৃষি যন্ত্রাংশ।
বেনাপোল আমদানি-রপ্তানি সমিতির সহসভাপতি উজ্জ্বল বিশ্বাস জানান, সড়কপথে যে পরিমাণ পণ্য আমদানি হতো, তার অর্ধেক পরিমাণ পণ্য রেলপথে আমদানি হতো। বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মুজিবর রহমান জানান, রেলে শিল্পকারখানার জরুরি কাঁচামাল ও কৃষিপণ্য বেশি আমদানি হয়। পণ্য পরিবহন বন্ধ থাকায় কলকাখানার উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।
বেনাপোল আন্তর্জাতিক রেলস্টেশন মাস্টার সাইদুর রহমান জানান, বেনাপোল বন্দর দিয়ে রেলপথে যাত্রী পরিবহন করে বন্ধন এক্সপ্রেস। এ ছাড়া ওয়াগান, পার্সেল ভ্যান ও সাইডডোর কন্টেইনার কোম্পানির মাধ্যমে আমদানি পণ্য পরিবহন হয়।
আত্মগোপনে জনপ্রতিনিধিরা, মিলছে না নাগরিক সুবিধা
বাগেরহাট প্রতিনিধি
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে আত্মগোপনে রয়েছেন বাগেরহাটের বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌরসভায় মেয়র, চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্য, নারী ইউপি সদস্য, কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলররা। জনপ্রতিনিধিরা কার্যালয়ে না আসায় নাগরিক সেবা ব্যাহত হচ্ছে। অতিদ্রুত স্থানীয় সরকার বিভাগের এই সেবা স্বাভাবিক করে নাগরিক ভোগান্তি নিরসনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তবে মন্ত্রণালয় থেকে নির্দেশনা দিলে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন জেলা প্রশাসক মোহা. খালিদ হোসেন।
জানা যায়, বাগেরহাটে ৯টি উপজেলা, তিনটি পৌরসভা ও ৭৫টি ইউনিয়ন রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে মেয়র, কাউন্সিলর, উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্য, নারী ইউপি সদস্য মিলে এক হাজার ৪১ জন জনপ্রতিনিধি রয়েছেন, যাদের বেশিরভাগ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী।
ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে গেল ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পদত্যাগ ও দেশ ত্যাগের পরে জেলার বেশিরভাগ নেতাকর্মীরা গা ঢাকা দিয়েছেন। কেউ কেউ এলাকা ছেড়ে পালিয়েছেন সুবিধা মত স্থানে। নিজ কার্যালয়ে আসছেন না অধিকাংশ জনপ্রতিনিধি।
যার ফলে জন্মসনদ, মৃত্যু নিবন্ধন, নাগরিক সনদ, ট্রেড লাইসেন্স, ওয়ারেশকায়েম সনদসহ কোনো প্রকার সেবা পাচ্ছেন না নাগরিকরা।
সরেজমিনে গোটাপাড়া ও বেমরতা ইউনিয়ন পরিষদ ঘুরে তেমন কোনো জনপ্রতিনিধির দেখা মেলেনি। বাগেরহাট পৌরসভারও একই চিত্র দেখা যায়। সদরের কাড়াপাড়া, ষাটগম্বুজ, কচুয়ার রাড়িপাড়া, বাধালসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদও ছিল ফাঁকা। তবে কোথাও কোথাও পরিষদের উদ্যোক্তা ও সচিবদের দেখা যায়।
হরিণখানা এলাকার সেবা প্রত্যাশী বাসিন্দা মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘একটি জরুরি প্রয়োজনে নাগরিকত্বের সনদ প্রয়োজন। তাই পৌরসভায় যাই, কিন্তু মেয়র না থাকায় কেউ দিতে পারেনি।
এ বিষয়ে কোহিনুর আক্তার ডালিম নামে এক নারী কাউন্সিলর জানান, কয়েকদিন ধরে মেয়রসহ কোনো কাউন্সিলর আসেন না কার্যালয়ে। আসলেও মেয়র না থাকলে তো অফিসিয়াল কাজ করা যায় না। তারপরও মাঝে মাঝে এসে ঘুরে যাই।’
এ দিকে কাড়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোক্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘অফিসে আসি। অনেক নাগরিকও আসেন সেবা নিতে। কিন্তু চেয়ারম্যান না থাকায় আমরা কোনো সেবা দিতে পারি না। যারা আসেন তাদের বুঝিয়ে দেই।’
বাগেরহাট জেলা প্রশাসক মোহা. খালিদ হোসেন বলেন, ‘স্থানীয় সরকার বিভাগের চাহিদা অনুযায়ী আমরা জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিত থাকা ও না থাকার একটা তালিকা পাঠিয়েছি। মন্ত্রণালয় থেকে পরবর্তী নির্দেশনা আসলে পরবর্তী সিদ্ধান্ত মোতাবেক কাজ করতে হবে।’
বাগেরহাটে সাংবাদিককে ছুরিকাঘাত, আইসিইউতে ভর্তি
নিজস্ব প্রতিবেদক, বাগেরহাট
বাগেরহাটে আরিফ ঢালী নামের স্থানীয় এক সংবাদ কর্মীকে ছুরিকাঘাত করেছে দূর্বৃত্তরা। আহত আরিফ ঢালি খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। শনিবার (১৭ আগস্ট) রাতে চুলকাঠি বাজারে এই ঘটনা ঘটে।
আহত আরিফ ঢালী বাগেরহাট সদর উপজেলার সুগন্ধী গ্রামের আশ্বাব ঢালীর ছেলে। সে দৈনিক সময়ের খবর পত্রিকার সিএন্ডবি বাজার প্রতিনিধি ও চুলকাঠি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক।
আহত সাংবাদিক আরিফের বাবা আশ্বাব ঢালী বলেন, গেল কয়েকদিন ধরে সিএন্ডবি বাজার এলাকার বাসিন্দা বিএনপি নেতা পরিচয় দেওয়া সাইফুজ্জামান বাবু ও তার লোকজন চুলকাঠি বাজারের সুগন্ধি এলাকার যে ব্যবসায়ীরা রয়েছেন তাদের উপর নানা অত্যাচার করছে। শনিবার সন্ধ্যায় সাইফুজ্জামান বাবুর ছেলে মাসুদ আমার ভাইয়ের ছেলে তন্ময়কে বেধরক মারধর করে। বিষয়টি জানতে আমার ছেলে আরিফসহ কয়েকজন বাজারে যাই। সাইফুজ্জামান বাবু ও তার লোকজনের সাথে কথা হয়। কথা বলে ফিরে আসার সময় সাইফুজ্জামান বাবুর খালাতো ভাই রাজন, বাবুর ছেলে মাসুদসহ কয়েকজন আমাদের উপর হামলা করে। হামলাকারীরা আমাদেরকে মারধর করে এবং আরিফকে ছুরি মেরে দেয়। হামলাকারীরা আরিফের মোটরসাইকেলও ভেঙ্গে ফেলেছে। পরে আমরা আরিফকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছি।
তিনি আরও বলেন, আমার ছেলের অবস্থা ভাল না, খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে রয়েছে। সাইফুজ্জামান বাবু, তার ছেলে ও ভাই-ই আমার ছেলেকে মেরেছে আমি তাদের বিচার চাই।
এ বিষয়ে সাইফুজ্জামান বাবু‘র কাছে জানতে তাইলে তিনি বলেন, আরিফ ও তার বাবাসহ কয়েকজন বাজারে এসেছিল। তখন হয়ত ব্যবসায়ীরা হামলা করেছে তাদের উপর।
বিএনপি‘র কোন পদে আছেন জানতে চাইলে সাইফুজ্জামান বাবু বলেন, আপনি আমার দলীয় লোক, আপনাকে পদ বলব কেন। আর আরিফ ও তার বাবার উপর আমরা হামলা করিনি।
বাগেরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ সাইদুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে রাতেই আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করেছি। এখন পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। এখনও কেউ কোন অভিযোগ করেনি, অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
বাগেরহাটে বাসের পেছনে মোটরসাইকেলের ধাক্কা, নিহত ২
নিজস্ব প্রতিবেদক, বাগেরহাট
বাগেরহাটের মোল্লাহাটে বাসের পেছনে ধাক্কা লেগে মোটরসাইকেল আরোহী দুই যুবক নিহত হয়েছেন।রোববার (১৮ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে খুলনা –মাওয়া মহাসড়কের বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলার রাজপাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, মোল্লাহাট উপজেলার মেঝের গাওলা গ্রামের রাজা সরদারের ছেলে অমিত সরদার (২৪) ও লিয়াকত শেখের ছেলে রানা শেখ (২৫)।
মোল্লাহাট হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ নুরুজ্জামান চানু বলেন, সকালে বাড়ি থেকে বের হয়ে মোটরসাইকেল আরোহী দুই যুবক মোল্লাহাট উপজেলা সদরে যাচ্ছিল। মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি চলন্ত বাসের পিছনে ধাক্কা দেয়। এসময় তারা ঘটনাস্থলে নিহত হয়। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে মোল্লাহাট হাইওয়ে থানায় নিয়ে আসে। আইনী প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্থান্ত করা হবে বলে জানান ওসি।
বাগেরহাটে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সাথে বিএনপি নেতার মতবিনিময়
নিজস্ব প্রতিবেদক, বাগেরহাট
বাগেরহাটে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সাথে মত বিনিময় করেছেন বিএনপি নেতারা। রোববার (১৮ আগস্ট) সকালে বাগেরহাট সরকারি বালিকা বিদ্যালয় ও উচ্চ বালক বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে গিয়ে মতবিনিময় করেন জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এম এ সালাম।
এসময় জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সমশের আলী মোহন, বিএনপি নেতা শেখ শাহেদ আলী রবি, মেহেবুবুল হক কিশোর, হাদিউজ্জামান হিরো, যুবনেতা আইউব আলী মোল্লা, জেলা ছাত্রদল সভাপতি ইমরান খান সবুজ, সাধারণ সম্পাদক আলী সাদ্দাম আহমেদ দীপ, জাসাস নেতা সাংবাদিক কামরুল ইসলাম, জিয়া পরিষদের আহ্বায়ক হাছিবুর রহমানসহ ছাত্র ও যুবদলের প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
বিএনপি নেতা এম এ সালাম বলেন, শিক্ষার্থীদের নির্বিঘ্নে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আসতে হবে। কোন প্রকার ভয়-ভীতির কারণ নাই।তোমরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। যার প্রমান এই সরকারের পতন। দেশব্যাপী ছাত্র আন্দোলনের ফলেই স্বৈরাচারী সরকারকে পতন হয়েছে। তাই আগামী দিনের সুন্দর বাংলাদেশের জন্য তোমাদের নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসতে হবে। এছাড়া পরিচ্ছন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে ও শিক্ষার পরিবেশ ঠিকঠাক রাখতে যে কোন সমস্যার সমাধানের আশ্বাস দেন বিএনপির এই নেতা।
বাগেরহাটে দুই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার
নিজস্ব প্রতিবেদক, বাগেরহাট
বাগেরহাটে পৃথক স্থান থেকে দুই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার (১৮ আগস্ট) সকালে বাগেরহাট সদর উপজেলার মগরা এলাকার একটি পুকুর থেকে হোসেন আলী শেখ (৮৭) নামের এক বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
অন্যদিকে শনিবার রাতে একই উপজেলার মশিদপুর গ্রামের একটি পুকুর থেকে রাফসান শেখ (১৯) নামের এক তরুণের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে পুলিশ।
হোসেন আলী শেখ মগরা গ্রামের উকিল উদ্দিন শেখের ছেলে। সে মানসিক প্রতিবন্ধী ছিলেন। সে গেল দুই দিন ধরে নিখোজ ছিলেন। রাফসান শেখ মশিদপুর গ্রামের আবুল বাশারের ছেলে। শনিবার সকাল থেকে নিখোজ ছিলেন।
বাগেরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ সাইদুর রহমান বলেন, উদ্ধার হওয়া দুটি মরদেহের শরীরে কোন আঘাতের চিহ্ন নেই। পরিবারের পক্ষ থেকেও কোন অভিযোগ নেই। এঘটনায় দুটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।
বাগেরহাটে চেয়ারম্যানের পাঠাগার থেকে বিদেশী মদের বোতল ও ইয়াবা উদ্ধার
নিজস্ব প্রতিবেদক, বাগেরহাট
বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার বাইনতলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ ফকিরের অফিস থেকে বিদেশী মদের বোতল ও ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। রবিবার (১৮ আগস্ট) বিকেলে ইউনিয়নের চাকশ্রী বাজারে বঙ্গবন্ধু গণ পাঠাগার থেকে এই মাদকদ্রব্য উদ্ধার করে পুলিশ। এসময়, কয়েক বোতল মদ ও ২৮ পিস ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেট, এক বোতল কেরু মদ, হাফ বোতল বিদেশী মদসহ গাজা সেবনের সরঞ্জাম জব্দ করে পুলিশ। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।
রামপাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোমেন দাস বলেন, অভিযান চালিয়ে বিদেশী মদের দুটি বোতল এবং কিছু ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে, চেয়ারম্যানের সংশ্লিষ্টতা থাকলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের মাঝামাঝি সময়ে ১৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা ব্যয়ে চাকশ্রী বাজার এলাকায় বঙ্গবন্ধু গণ পাঠাগার তৈরি করেন চেয়ারম্যান আব্দুলল্লাহ ফকির। পরে ২৯ আগস্ট খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক পাঠাগারটি উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের পর থেকে নিজের অফিস হিসেবে পাঠাগারটিকে ব্যবহার করতেন চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ ফকির। তবে এ বিষয়ে কথা বলার জন্য ফোন করলে চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ ফকির ফোন রিসিভ করেননি।
ফকিরহাটে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত
ফকিরহাট প্রতিনিধি
ছাত্র জনতা সহ বিরোধী দল-মতের নেতাকর্মীদের উপর নির্বিচারে গুলি, খুন-গুম হত্যার দায়ে খুনি হাসিনা ও তার দোসরদের ফাঁসির দাবিতে ফকিরহাট উপজেলা বিএনপির নেতা ইফতেখার আহমেদ পলাশের উদ্দ্যোগে হাজার হাজার জনতার বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১৮ আগস্ট) বিকেল ৪টায় বিশ্বরোড মোড় থেকে বাজার প্রদক্ষিণ করে ডাকবাংলো মোড়ে এসে শেষ হয়। বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্যে রাখেন বাগেরহাট-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য প্রার্থী এ্যাডভোকেট ইঞ্জিনিয়ার মাসুদ রানা, যুবদলের আহবায়ক শেখ মুশফিকুর জামান রিপন, সদস্য সচিব শেখ দেলোয়ার হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক মোল্লা রাজু আহমেদ ও স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক কাজী মঈন উদ্দিন। এসময় উপস্থিত ছিলেন জিয়া পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক মোবাস্বর হোসেন, লখপুর যুবদল নেতা শেখ শরিফুল ইসলাম, কৃষকদল সদস্য সচিব মোড়ল জাকির হোসেন, মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম দলের সভাপতি মীর মোশারফ হোসেন, তাঁতীদলের সভাপতি শেখ এনামুল কবির, সাধারণ সম্পাদক শেখ কামরুজামান, স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ন আহবায়ক ইকবাল, সরদার শরীফ, সোহেল রাজু, আরমান ও ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান পলাশ। উপজেলা মহিলাদলের সভানেত্রী কলিনা ইসলাম, সমাজ কল্যাণ পরিষদের সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান, এস এম এডভোকেট সায়েম, ছাত্রদলের আহ্বায়ক রবি ফকির, সদস্য সচিব সাবিতুল ইসলাম সাগর ও যুগ্ন আহ্বায়ক সবুজ হাসান সহ অসংখ্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। ##
ইন্দুরকানীতে শেখ হাসিনার ফাঁসির দাবীতে ছাত্র জনতার বিক্ষোভ মিছিল
ইন্দুরকানী (পিরোজপুর) সংবাদদাতাঃ
ছাত্র হত্যাসহ সকল হত্যাকান্ডের নির্দেশদাতা শেখ হাসিনার ফাঁসির দাবীতে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে স্মরনকালের বিক্ষোভ মিছিল করেছে পিরোজপুরের ইন্দুরকানীর ছাত্র জনতা। রবিবার সকালে উপজেলার সরকারী ইন্দুরকানী কলেজের সামনে থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে ইন্দুরকানী বাজার প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা চত্বরে গিয়ে এক পথসভার মাধ্যমে শেষ হয়।
রবিবার সকাল থেকে খন্ড খন্ড মিছিল নিয়ে বিভিন্ন এলাকা থেকে ছাত্র জনতা কলেজ মোড়ে এসে জমায়েত হয়। পরে সকাল ১০ টায় মিছিলটি শুরু হয়। মিছিলে নেতৃত্ব দেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক হাফিজুর রহমান। মিছিল শেষে পথসভায় বক্তব্য রাখেন ইন্দুরকানী উপজেলা পরিষদের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মাসুদ সাঈদী, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুল লতিফ হাওলাদার, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ফরিদ হোসন, সদস্য সচিব আলমগীর কবির মান্নু, উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা আলী হোসাইন, সেক্রেটারী তৌহিদুর রহমান রাতুল প্রমুখ।
মাসুদ সাঈদী বলেন, “ শেখ হাসিনা এদেশের নিরাপরাধ হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছেন। এসকল হত্যার বিচার এই বাংলাদেশের মাটিতেই হবে ইনশাআল্লাহ। অপরাধ করে কেউ পার পেয়ে যায়নি, পার পাবেও না। এই খুনি শেখ হাসিনা আল্লামা সাঈদীসহ আলেম ওলামাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রহসনের যুদ্ধাপরাধ মামলা সাজিয়েছিল। কিন্ত এদেশের মানুষ জানে আল্লামা সাঈদী নির্দোষ। আমরা আইন হাতে তুলে নিব না। আইনের মাধ্যমেই তাদের সকল হত্যার বিচার করা হবে”।
কালীগঞ্জের সরকারী নলডাঙ্গা ভূষন হাইস্কুলে শিক্ষার্থীদের ১২ দফা ॥ না মানলে আন্দোলন
বিশেষ প্রতিনিধি ॥
ঝিনাইদহ কালীগঞ্জের অন্যতম বিদ্যাপিঠ সরকারী নলডাঙ্গা ভূষন হাইস্কুল দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য আজ হারাতে বসেছে। কেননা প্রতিষ্ঠানটিতে বিগত কয়েক বছরে অবধৈ নিয়োগ, প্রাইভেট বানিজ্য ছাড়াও অভিভাবকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরনে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। রবিবার সকাল ১১ টায় এ সকল অনিয়ম দূর্নীতি তুলে ধরে সেগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন ও সংস্কারের জন্য মোট ১২ দফা দাবি পেশ করেছেন প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা। সাথে সাথে আগামী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে দাবি মানা না হলে কঠোর আন্দোলনের হুমকি দেয়া হয়েছে। তাদের ১২ দফা সম্বলিত লিখিত দাবিটি বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে গ্রহন করেন সিনিয়র শিক্ষক আজিবর রহমান।
শিক্ষার্থীদের দেয়া দাবিতে বলা হয়েছে, বিদ্যালয়টির কতিপয় শিক্ষক তাদের কাছে প্রাইভেট না পড়লে ওই শিক্ষার্থীকে পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেয়া হয়। এ বিষয়ে অভিভাবকেরা খাতা মুল্যায়ন দেখতে চাইলে শিক্ষকেরা তাদের সঙ্গে খারাপ আচরন করে থাকেন। এমন অভিযোগ অহরহ ঘটলেও তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহন করা হয় না। এ সমস্ত শিক্ষকদেরকে শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
স্পোর্টস ক্লাব, পৌর ফান্ড, রেড ক্রিসেন্ট, গ্রন্থাগার, বিজ্ঞানাগারসহ বেতনের সঙ্গে নেয়া ফিসসমুহের সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। বিদ্যালয়ের স্কাউট শিক্ষকের নৈতিক স্খলনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। বিদ্যালয়ের জমিতে স্থাপনকৃত দোকান ঘরের ভাড়া বিদ্যালয়ের উন্নয়নে কাজ করতে হবে। ৭৫ ভাগ শিক্ষার্থীর উপবৃত্তি নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষার্থী ,অভিভাবক, শিক্ষক ও সাংবাদিকদের নিয়ে মনিটরিং টিম করতে হবে। তাদের নিয়ে প্রতিমাসে সভা করতে হবে। এ সকল দাবি আগামী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে মেনে না নেয়া হলে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে কঠোর আন্দোলনের ঘোষনা দেয়া হয়েছে।
বাজার কমিটির সভাপতি জাকির হোসেন কায়েম করেছেন ত্রাস ও চাদাঁবাজির রাজত্ব
খালিশপুর প্রতিনিধি
দীর্ঘদিন বৈকালী জংশন বাজারের নির্বাচন না হওয়ায় সাধারণ ব্যবসায়ীদের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে। অনিয়ম আর দূর্নীতির বেড়াজালে আটকে থাকা বর্তমান কমিটি ক্ষমতার দাপট আর অবৈধ অর্থের প্রভাব খাটিয়ে দীর্ঘ ১০ বছর জোরপূর্বক চাঁদাবাজি করছে। অভিযোগ উঠেছে দীর্ঘদিন নির্বাচনবিহীন কমিটির দায়িত্বে থাকা নগরীর বৈকালী জংশন বাজার কমিটির সভাপতি মোঃ জাকির হোসেন এসবের মূল হোতা। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, প্রতি ২ বছর পর পর নির্বাচনের মাধ্যমে কমিটি গঠনের নিয়ম থাকলেও জাকির হোসেন তার সন্ত্রাসী কর্মকান্ড আর ভয় ভীতি দেখিয়ে বিগত ১০ বছর যাবত বৈকালী বাজারের সভাপতির পদটি কুক্ষিগত করে রেখেছেন। যে কারণে বাজারের সাধারণ ব্যবসায়ীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে বিরুপ প্রতিক্রিয়া। তারা জানান ৩৩৬ জন স্থায়ী এবং ১০০ জন অস্থায়ী, পাশাপাশি ৮৬ জন মাছ দোকানী প্রতিদিন ত্রিশ টাকা ও ১৫ টাকা হারে চাঁদা দিয়ে আসলেও দীর্ঘদিন যাবত বাজারের কোন উন্নয়ন না করে জাকির হোসেন এসব টাকা হাতিয়ে নেয়। বিভিন্ন সময়ে বাজারের মাছ ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর, গণি মিয়া, কাঁচামাল ব্যবসায়ী হেলালের ছেলে, মানিক, বাদলকে মারধর ও লাঞ্ছিত এমনকি জোরপূর্বক বারেক এর দোকান থেকে মাছ নিয়ে যায় জাকিরের সন্ত্রাসী পুত্র রাকিব যা তৎক্ষণাৎ পুলিশের হস্তক্ষেপেও তোয়াক্কা করেনি রাকিব। কমিটির নির্বাচনের জন্য কথা বললে জাকির হোসেনের পুত্র রাকিব ঐসব ব্যবসায়ীদের হুমকি দেয়। সাধারণ দোকানীরা জানান, প্রতিদিন নির্দিষ্ট হারে টাকা জমা দিলেও বাজারের অবকাঠামোগত কোন উন্নয়নই করা হয় না । অবহেলিত এই বাজারের সমস্যার সমাধানকল্পে কোন প্রকার সার্বিক সহযোগিতায় কমিটির সভাপতি জাকির হোসেন এর কাছে গেলে তিনি পক্ষপাত মূলক আচরণ করেন। যে কারণে কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও দু-তিন জন সদস্য ইস্তফা দিয়ে কমিটি থেকে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি নিয়েছেন। যে কারণে বাজারের সাধারণ ব্যবসায়ীরা অনতিবিলম্বে বাজার কমিটির নির্বাচনের জন্য প্রশাসনের কাছে অনুরোধ জানান।
কয়রায় মিথ্যা মামলায় হয়রানীর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
কয়রা(খুলনা)প্রতিনিধি
কয়রায় বাঘের আক্রমন থেকে বেঁচে আসা কামাল হোসেন ওরফে টাইগার কামালকে মিথ্যাভাবে বন মামলা দিয়ে হয়রানীর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী কামাল হোসেন। গতকাল ১৮ আগস্ট বেলা ১১ টাঢ কয়রা উপজেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন লিখিত বক্তব্য তিনি জানান, সুন্দরবনে মাছ ধরতে গিয়ে ২০১১ সালে বাঘের আক্রমনের শিকার হন তিনি। মারাত্মক আহত অবস্থায় তার সঙ্গীরা বাঘের কবল থেকে তাকে উদ্ধার করে নিয়ে এসে চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। দির্ঘ ২ বছর চিকিৎসা শেষে কিছুটা সুস্থ হয়ে পুনরায় জীবিকার তাগিদে সুন্দরবনে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করে আসছি। তবে নিষিদ্ধ সময়ে সুন্দরবনে প্রবেশ করা থেকে বিরতি থাকি। বর্তমানে আমার মাথার সমস্যার পাশাপাশি চোখের খুবই অসুস্থার মধ্যে চিকিৎসাধীন আছি। এলাকার লোকজনের সহয়তায় চিকিৎসা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। এতো কিছুর পরেও মিথ্যা বন মামলা দিয়ে আমাকে হয়রানি করছে বন বিভাগ। তিনি সংবাদ সম্মেলনে আরও জানান, ইতিমধ্যে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যাভাবে ৪ টি বন মামলা দায়ের করেছে। খুলনা রেঞ্জের হায়াতখালী ও শাকবাড়ীয়া বন টহল ফাঁড়ি হতে এ সকল মিথ্যা মামলাগুলি দায়ের করা হয়েছে। আমি এ সকল মামলায় জেল হাজতও খেটেছি। প্রকৃত ঘটনাটি হলো যে, বাংলাদেশ জামায়াতী ইসলামী রাজনৈতিক দলের সমর্থক হিসাবে কাজ করে থাকি। সেই সুবাধে আওয়ামীলীগের স্থানীয় নেতা কর্মিরা বন বিভাগকে ভুল বুঝিয়ে বন বিভাগকে দিয়ে আমাকে হয়রানি করতে এ সকল মিথ্যা মামলা দায়ের করে হয়রানী করছে। মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাকে হয়রানি করায় এলাকার সাধারণ মানুষের মাঝে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। সংবাদ সম্মেলন মাধ্যমে মিথ্যা মামলা থেকে অব্যাহতি পাইতে পারি তার সু ব্যবস্থা গ্রহন করতে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছি।











































