স্পোর্টস ডেস্ক
অবশেষে হাঁপ ছাড়লেন লুকাস পাকেতা। জুয়ার অংশ হিসেবে ইচ্ছাকৃতভাবে ম্যাচে হলুদ কার্ড দেখার অভিযোগ থেকে অব্যাহতি পেলেন এ ব্রাজিলিয়ান তারকা। দুই বছর ধরে তদন্ত চললেও এর আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আনা হয় ২০২৪-এর মে মাসে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগ থেকে পুরোপুরি নিষিদ্ধ হওয়ার শঙ্কাও ছিল এ ওয়েস্ট হ্যাম ইউনাইটেড মিডফিল্ডারের। ফুটবল এসোসিয়েশনের (এফএ) তদন্তের পর একটি স্বাধীন কমিটি পাকেতাকে অভিযোগ থেকে মুক্তি দেয়। বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে নিশ্চিত করে এফএ ও ওয়েস্ট হ্যাম। এফএ জানায়, পাকেতার বিরদ্ধে স্পট ফিক্সিংয়ের অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি। ইংলিশ ক্লাবটির হয়ে ২০২২- এ লেস্টার সিটি ও ২০২৩-এ অ্যাস্টন ভিলা, লিডস ইউনাইটেড ও বোর্নমাউথের বিপক্ষে চারটি ম্যাচে ফিক্সিংয়ের অভিযোগ ওঠে এ ২৭ বছর বয়সী মিডফিল্ডারের ওপর। এরপর সে বছরের আগস্টে তদন্ত শুরু করে এফএ। পাকেতার ওপর অভিযোগ গঠন করা হয় ‘বাজির বাজারকে প্রভাবিত করার অনৈতিক উদ্দেশ্যে’ কার্ড দেখায়। স্বাধীন নিয়ন্ত্রক কমিশন এ বিষয়ে শুনানির পর আনা চারটি অভিযোগ প্রমাণ করা সম্ভব নয় বলে মনে করে। তদন্তে অসহযোগিতা ও অভিযোগ অস্বীকার করায় পাকেতার বিরুদ্ধে আরও দু’টি অভিযোগ গঠন করা হয়। ২০২৩-এর আগস্টে ৮৫ মিলিয়ন পাউন্ডে তার ম্যানচেস্টার সিটিতে যোগদানের কথা থাকলেও সেটি আর হয়নি। যদিও এরপর থেকে ওয়েস্ট হ্যাম ও জাতীয় দলের হয়ে খেলা চালিয়ে গেছেন পাকেতা। ইংলিশ ক্লাবটি পুরো সময়ই তাকে সমর্থন দিয়ে গেছে। এক বিবৃতিতে এফএ বলে, ‘লুকাস পাকেতা তার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং রেগুলেটরি কমিশন শুনানিতে সেসবের কোনো প্রমাণ পায়নি।’ নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ার পর সংবাদমাধ্যমে পাকেতা বলেন, ‘তদন্ত শুরুর প্রথম দিন থেকে আমি এসব মারাত্মক অভিযোগের মুখোমুখি হয়ে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে এসেছি। এ মুহূর্তে এর চেয়ে বেশি কিছু বলতে পারছি না। তবে এটুকু বলতে চাই, সৃষ্টিকর্তার কাছে আমি কৃতজ্ঞ এবং দু‘বছর পর হাসিমুহে মাঠে ফিরতে মুখিয়ে রয়েছি।’ ফরাসি ক্লাব ওলাপিক লিও থেকে ২০২২-এর আগস্টে ওয়েস্ট হ্যামে পাড়ি জমান পাকেতা। ২০২২-২৩ মৌসুমে ক্লাবটির উয়েফা কনফারেন্স লীগ জয়ে দারুণ ভূমিকা রাখেন তিনি। গত মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ওয়েস্ট হ্যামের হয়ে ৩৬ ম্যাচে ৫ গোল করেন এই ব্রাজিলিয়ান। দেশের জার্সিতে গত বছর ১৩ ম্যাচে করেন ২ গোল।











































