Home আঞ্চলিক পানি সংকট নিরসনে উপকূলীয় উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠনের দাবি

পানি সংকট নিরসনে উপকূলীয় উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠনের দাবি

11

খবর বিজ্ঞপ্তি।।

খুলনায় সেমিনারে বক্তারা পানি সংকট নিরসনে উপকূলীয় উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠন, প্রকৃতি নির্ভর পানি ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার সুপারিশ করেছেন। তারা বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তন খুলনাসহ উপকূল এলাকার পরিবেশ-প্রতিবেশকে বিপন্ন করে তুলছে। নদী ভাঙন, লবণাক্ততা বৃদ্ধি, জলাবদ্ধতা, তাপমাত্রা বৃদ্ধি সামাজিক ও অর্থনীতির ওপর আঘাত হানছে। সুপেয় পানির সংকট দিন দিন তীব্র হচ্ছে। পরিকল্পনাহীন অনেক পানি প্রকল্প নেওয়া হলেও তা সাধারণ মানুষের কাজে আসছে না। ফলে সংকট নিরসন না হলে অর্থনাশ ঘটছে।
রবিবার (৩১ জুলাই) বিকালে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত : খুলনা অঞ্চলের পানি সংকট ও ভবিষ্যৎ পথরেখা -শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন। বেসরকারি সংস্থা অ্যাওসেডের পৃষ্ঠপোষকতায় কোস্টাল ভয়েচ অব বাংলাদেশ, পানি অধিকার কমিটি, সুন্দরবন ও উপকূল সুরক্ষা আন্দোলন এবং উপকূলীয় পানি সম্মেলন কমিটি যৌথভাবে এ সেমিনারের আয়োজন করে।
নগরীর বিএমএ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন উপকূলীয় পানি সম্মেলন কমিটির খুলনা জেলা শাখার সভাপতি ও প্যানেল মেয়র মো. আলী আকবর। মুল বক্তব্য উপস্থাপন করেন খুলনা প্রযুক্তি ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট)’র ইউআরপি ডিসিপ্লিনের প্রধান প্রফেসর ড. মোস্তফা সরোয়ার। বিভিন্ন পর্যায়ে বক্তব্য দেন খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারি রিসোর্সেস বিভাগের প্রধান ড. মো. মেহেদী হাসান, সুন্দরবন ও উপকূল সুরক্ষা আন্দোলনের সমন্বয়ক, সিনিয়র সাংবাদিক নিখিল ভদ্র, কোস্টাল ভয়েসের সভাপতি মোস্তফা জামাল পপলু, পানি অধিকার কমিটির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ূন কবির ববি, সিনিয়র সাংবাদিক মো. সাহেব আলী, অ্যাওসেড সমন্বয়ক মাহবুবুর রহমান মোহন, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম আজাদ, গাজী টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক রাজু আহমেদ প্রমুখ। সেমিনারটি সঞ্চালনা করেন কোস্টাল ভয়েসের সাধারণ সম্পাদক কৌশিক দে।
অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএফইউজে-বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মো. হেদায়েৎ হোসেন মোল্লা, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের মো. নুর আলম শেখ, অর্থনীতি সমিতির অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম, স্কান’র সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মুকুল, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের ক্রীড়া সম্পাদক সাকিলা রুমা প্রমুখ।
সেমিনারে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, কুয়েট, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও নর্দাণ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকসহ বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের অর্ধশতাধিক প্রতিনিধিরা অংশ নেন