Home আঞ্চলিক খুলনায় অপহরণ করে চাঁদাবাজীর মামলার ৩আসামির রিমান্ড মঞ্জুর

খুলনায় অপহরণ করে চাঁদাবাজীর মামলার ৩আসামির রিমান্ড মঞ্জুর

25

 

স্টাফ রিপোর্টার

নগরীর পুর্ব বানিয়াখামার এলাকার এক ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে চাঁদা দাবির মামলায় জেলহাজতে থাকা ৩আসামির রিমা- মঞ্জুর করেছে আদালত। সোমবার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ড. মো. আতিকুস সামাদ রিমা-ের আদেশ প্রদান করেছেন।

আসামিরা হলেন নগরীর শেখপাড়া পুরাতন মসজিদ গলির রেজাউলের বাড়ির ভাড়াটিয়া মৃত. আব্দুস সাত্তারের ছেলে মো. মেহেদী হাসান (৩২), লবণচরা থানার সাচিবুনিয়া মদিনাবাদ এলাকার মো. ফয়জুল হক হিরুর স্ত্রী আসমা বেগম (৪৫) ও সরোয়ার মল্লিকের স্ত্রী ফজিলা বেগম (৪০)। এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. আব্দুল হান্নান মোল্লা আসামিদের আদালতে হাজির করে ৭দিনের রিমা-ের আবেদন করেছিলেন। আদালত মেহেদী হাসান এর ৩দিন এবং আসমা বেগম ও ফজিলা বেগম এর ২দিনের রিমা- মঞ্জুর করেছে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, নগরীর পুর্ব বানিয়াখামারের আব্দুল হাই এর বাড়ির ভাড়াটিয়া মো. জুয়েল শেখ এর সঙ্গে পরিচয় সুত্রে আসামি আসমা বেগমের স্বামী মো. ফয়জুল হক হিরুর যাওয়া-আসা ছিল। সে মোতাবেক ২০১৩সালে জুয়েল কুয়েত যাওয়ার জন্য হিরুকে ২লাখ ৫০হাজার টাকা দেয়। কিন্তু জুয়েলকে কুয়েত পাঠাতে পারে না। টাকা ফেরত চাইলে এক লাখ বিশ হাজার টাকা ফেরত দেয়। পরে হিরু নেপাল চলে যায়। গত ৮ফেব্রুয়ারি জুয়েল হিরুর স্ত্রী আসমা বেগমের কাছে বাকি টাকা ফেরত চাইলে সে পরের দিন আসতে বলে। ৯ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৮টার দিকে জুয়েল হিরুর বাসায় টাকা আনতে গেলে আসামিরাসহ আরো ৪/৫জন তাকে মারপিট করে তার কাছে থাকা ৫০হাজার টাকা নিয়ে নেয়। পরে তাকে একটি গাড়িতে তুলে নিয়ে কাস্টমঘাট এলাকার একটি বাড়িতে হাত-পা বেঁধে আটকে রাখে। ১১ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ৭টার দিকে বাটিয়াঘাটা থানার ছয়ঘরিয়া থেকে হাত-পা বাঁধা ও মুখে টেপ লাগানো অবস্থায় বাটিয়াঘাটা থানা পুলিশ জুয়েলকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। এঘটনায় জুয়েলের স্ত্রী সাবিহা সুলতানা বাদী হয়ে ৩জনের বিরুদ্ধে লবণচরা থানায় মামলা দায়ের করেন যার নং-১০।