স্টাফ রিপোর্টার।।
খুলনা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. রফিকুল ইসলাম গাজী জানিয়েছেন, খুলনা সিটি করপোরেশনের এলাকায় ডেঙ্গুর ১৮টি হটস্পট রয়েছে। গতমাসে হাসপাতালটিতে দুই হাজার আটশত ৩৮ জনের ডেঙ্গু পরীক্ষা করে এক হাজার ৪৬ জনের ডেঙ্গু শনাক্ত হয়। খুলনা জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির অক্টোবর মাসের সভায় এ তথ্য জানান তিনি।
আজ রবিবার জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাতের সভাপতিত্বে তার সম্মেলনকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় জেলা প্রশাসক বলেন, খুলনায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকারি হাসপাতালগুলোয় দিনের যে কোন সময় ডেঙ্গু পরীক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করা প্রয়োজন। শারদীয় দুর্গাপূজার মন্ডপ গুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি নিরাপদ বিদ্যুৎ সংযোগ ও অগ্নিদুর্ঘটনারোধে কার্যকর ব্যবস্থা রাখতে হবে।
তিনি আরো বলেন, শুষ্ক মৌসুমে অগ্নিদুর্ঘটনা রোধে এবং চলমান ডেঙ্গু পরিস্থিতির অবসানে সবাইকে সচেতন হওয়ার বিকল্প নেই।
তিনি বলেন, চলমান ওএমএস কার্যক্রমে মনিটরিং বাড়াতে হবে।
প্রশাসক বলেন, দাকোপের পানখালী এসডিজি গ্রাম বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সকল সরকারি দপ্তরকে তাদের নির্ধারিত কার্যক্রম যথাযথ ভাবে সম্পন্ন করতে মনোযোগী হতে হবে।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. বদরুজ্জামান সভায় জানান, মা ইলিশ সংরক্ষণে গতমাসে ২০টি মোবাইল কোর্ট এবং ৫০টি অভিযান চালানো হয়েছে। ইলিশ আহরণ বন্ধকালীন খুলনার তিন হাজার নয়শত ৮৬ জেলে পরিবারের মধ্যে তিন হাজার নয়শত ১৯ পরিবার তাদের অনুকূলে বরাদ্ধ চাল পেয়েছেন। এ সময় ৬ দশমিক ৮ লাখ মিটার জাল আটক করা হয়েছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক নজরুল ইসলাম সভায় জানান, খুলনা জেলায় তিন লাখ ৫০ হাজার কৃষক কার্ড প্রদানের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ১২ শতাংশ কৃষকের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। বটিয়াঘাটার আমীরপুর ইউনিয়নের এক হাজার ৪৯২ জন কৃষক প্রত্যেকে দুই হাজার পাঁচ শ টাকা করে প্রণোদনা পেয়েছেন। জেলায় সার ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়া চলমান। আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা ৯৯ শতাংশ অর্জিত হয়েছে।
সভায় সিভিল সার্জন ডা. মনিরুজ্জামান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিতান কুমার মন্ডল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোছা. রনী খাতুন, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাসহ কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।











































