Home আঞ্চলিক লুৎফা দু:সময়ের একজন পরীক্ষিত নেতা ছিলেন: সিটি মেয়র

লুৎফা দু:সময়ের একজন পরীক্ষিত নেতা ছিলেন: সিটি মেয়র

16

খবর বিজ্ঞপ্তি

খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক বলেছেন, লুৎফা দু:সময়ের একজন পরীক্ষিত নেতা ছিলেন। তিনি স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলন করতে গিয়ে অনেক অত্যাচার নির্যাতন সহ্য করেছেন। তিনি শত প্রতিকূল পরিবেশকে উপেক্ষা করে মহিলা আওয়ামী লীগকে সুসংগঠিত করেছেন। তিনি একজন নির্লোভ মুজিব সৈনিক ছিলেন। লুৎফা কখনও অর্থের পেছনে দৌড়ায়নি। তিনি নির্বাচিত একজন কাউন্সিলর হয়েও কোন অসৌজন্য আচরণ কারো সাথে করেন নি। তিনি যেমন ছিলেন বিনয়ী, তেমনি ধৈর্য্যশীলা। তিনি আরো বলেন, লুৎফা কখনও নিজের জন্য কিছু করেন নি। তিনি দলের নেতাকর্মীদের জন্য ভাবতেন। মুজিব সৈনিক হিসেবে তিনি প্রত্যেকটি নির্বাচনে নারীদেরকে সুসংগঠিত করে বিজয়কে ছিনিয়ে আনতে বিশেষ ভূমিকা রেখেছেন। তিনি দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, একজন লুৎফা পাওয়া খুবই কঠিন। লুৎফার মত প্রত্যেককে নির্লোভ ত্যাগী মুজিব আদর্শের পরীক্ষিত কর্মী হতে হবে। তাহলেই জননেত্রী শেখ হাসিনার ভিশন তড়িৎ ভাবে বাস্তবায়িত হবে।

গতকাল শনিবার বাদ মাগরিব দলীয় কার্যালয়ে মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক লুৎফুন নেছা লুৎফার স্মরণ সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। স্মরণ সভায় বক্তব্য রাখেন, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা। সভা পরিচালনা করেন, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ। দোয়া পরিচালনা করেন, আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা আ. খ. ম. জাকারিয়া। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, আওয়ামী লীগ নেতা অধ্যা. হোসনে আরা রুনু, রনজিৎ কুমার ঘোষ, মীর বরকত আলী, এস এম আসাদুজ্জামান রাসেল।

এসময়ে উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় কমিটির সাবেক সদস্য এ্যাড. চিশতি সোহরাব হোসেন শিকদার, আওয়ামী লীগ নেতা মো. আশরাফুল ইসলাম, শ্যামল সিংহ রায়, এ্যাড. অলোকা নন্দা দাস, মো. জাহাঙ্গীর হোসেন খান, অধ্যক্ষ শহিদুল হক মিন্টু, হাফেজ মো. শামীম, মো. মফিদুল ইসলাম টুটুল, শেখ নুর মোহাম্মদ, কাউন্সিলর ফকির মো. সাইফুল ইসলাম, এস এম আনিসুর রহমান, এ্যাড. সুলতানা রহমান শিল্পী, এস এম আকিল উদ্দিন, কাউন্সিলর এস এম মোজাফফর রশিদী রেজা, শেখ মো. আবু হানিফ, এস এম খালেদিন রশিদী সূকর্ন, মোস্তফা কামাল, মঈনুল ইসলাম নাসির, আব্দুল হাই পলাশ, এ্যাড. শেখ ফারুক হোসেন, চৌধুরী মিনহাজ উজ জামাল সজল, ফয়েজুল ইসলাম টিটো, আতাউর রহমান শিকদার রাজু, এ্যাড. শামীম মোশাররফ, মো. শিহাব উদ্দিন মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী পারভীন ইলিয়াছ, আঞ্জুমানোয়ারা বেগম, শারমিন রহমান শিখা, নূরীনা রহমান বিউটি, নুরজাহান রুমি, তাসলিমা আক্তার, জাহানারা সিরাজ, জেসমিন সুলতান সম্পা, সুপ্তি হাসান, মনোয়ারা বেগম, রেখা হাসান, পারভীন হাসমত, মমতাজ বেগম, খাদিজা কবীর তুলি, মামুনরা জাকির খুকুমনি, রেজওয়ানা প্রধান, উরমিলা নন্দী, হাসিনা চৌধুরী, আফরোজা হক কোহিনুর, ফেরদৌসী সাথী, মাকসুদা খানম পাখি, ফেরদৌসী আলম রিতা, সবমন মোস্তারি বকুল, স্মরনি ইসলাম স্ইুটি, মিনু আহমেদ, নাছিমা খান কাজল, মেহেজাবিন মায়া, সাবিহা ইসলাম আঙ্গুর, সাহানা বানু, তামান্না ইসলাম, কবিতা ওসি, লুৎফুন্নাহার লিপি, রেশমা আক্তার, শাহানা বেগম, নারগিস, মুক্তা হক, জব্বার আলী হীরা, ইখতিয়ার উদ্দিন মোল্লা, ইয়াছিন আরাফাত দিদারুল আলম, সোহান হোসেন শাওন, ইবনূল হাসান, মাহামুদুর রহমান রাজেশ, মো. শাহীন আলম, নিশাত ফেরদৌস অনি, ওমর কামাল, আব্দুল কাদের সৈকৎ, তরিকুল ইসলাম তুফান, সৈকৎ কুমার দাস, শংকর কু-ু, গালিব হোসেন, সাইদুল ইসলাম, পিয়াল হাসান, আলী হোসেন, হাসান আল সাকিব সহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

স্মরণ সভা শেষে মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দলীয় কার্যালয় এবং বিকালে ২৯নং ওয়ার্ডে তার পরিবারে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।