স্পোর্টস ডেস্ক।।
বাংলাদেশের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে আফগানিস্তান শিবিরে আত্মবিশ্বাসের কোনো ঘাটতি নেই। হংকংয়ের বিপক্ষে বড় জয়ের পর তারা রয়েছে ফর্ম ও আত্মবিশ্বাসের শিখরে। অন্যদিকে হোঁচট খেয়ে পথ হারিয়েছে বাংলাদেশ। হংকংয়ের বিপক্ষে জয় পেলেও ছিল ব্যাটিং-বোলিংয়ে অনিশ্চয়তা, এরপর শ্রীলংকার কাছে হেরে পড়ে গেছে মহা চাপের মধ্যে।
সামনের ম্যাচটি তাই বাংলাদেশের জন্য একদমই সহজ নয়—এটা শুধু একটি ম্যাচ নয়, বরং সুপার ফোরে টিকে থাকার বাঁচা-মরার লড়াই।
কিন্তু ম্যাচ-পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে আফগানিস্তানের কোচ জনাথন ট্রট সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে প্রথমে বলেই ফেলেন,‘বাংলাদেশ তো এই টুর্নামেন্টে কয়েকবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে…’
তবে পাশে থাকা মিডিয়া ম্যানেজার সঙ্গে সঙ্গে সংশোধন করে জানান, বাংলাদেশ কখনোই এশিয়া কাপ জিততে পারেনি। ট্রট একটু বিস্মিত হয়ে বলেন, ‘আমি ভেবেছিলাম তারা ৫০ ওভারের এশিয়া কাপ জিতেছে!’
শেষপর্যন্ত ভুল বুঝতে পেরে স্বীকার করেন, ‘আমি আসলে ভুলেই গিয়েছিলাম ওরা কখনো চ্যাম্পিয়ন হয়নি।’
এরপর বাংলাদেশের প্রশংসা করে বলেন, ‘তাদের দলে ম্যাচ ঘুরিয়ে দেওয়ার মতো খেলোয়াড় আছে। আমাদের ভালো খেলতে হবে, মানসিক ও শারীরিকভাবে প্রস্তুত থাকতে হবে।’
এর আগে ২০১৪ সালে প্রথম টি-টোয়েন্টি দেখায় বাংলাদেশ সহজেই ৯ উইকেটে হারিয়েছিল আফগানিস্তানকে। সেবার আফগানিস্তান ছিল আইসিসির সহযোগী সদস্য। তবে এরপর গত এক দশকে আফগানিস্তান শুধু পূর্ণ সদস্য হয়নি, টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে বাংলাদেশের চেয়েও ধারাবাহিক ও শক্তিশালী দলে পরিণত হয়েছে।
যদিও দুই দলের মুখোমুখি ১২ টি-টোয়েন্টির মধ্যে আফগানিস্তান জিতেছে ৭টি। আর বাংলাদেশ জিতেছে ৫টি।
এই পরিসংখ্যান আফগানদের পক্ষে কথা বললেও, বাংলাদেশ জানে এই ম্যাচে হার মানলে বিদায় ঘণ্টা বেজে যাবে।
সুপার ফোরে যেতে জটিল সমীকরণ রয়েছে বাংলাদেশের। কেননা সরাসরি জিতলেই সুপার ফোর—এমন সহজ সমীকরণ নয় বাংলাদেশের জন্য। আফগানিস্তানকে হারাতে হবে বড় ব্যবধানে এবং প্রার্থনা করতে হবে, শ্রীলংকা যেন আফগানিস্তানকে হারিয়ে দেয় এই দুটি শর্ত পূরণ হলেই কেবল সম্ভাবনা জাগবে সুপার ফোরে ওঠার।
এমন পরিস্থিতিতে আফগান কোচ ট্রট বেশ আত্মবিশ্বাসী, ‘বাংলাদেশের সঙ্গে আগের ম্যাচগুলো বেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ছিল। আমরা আবারও একটি উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচের অপেক্ষায় আছি। আশা করি, জয় আমাদের দিকেই যাবে।’










































