স্পোর্টস ডেস্ক
সামরিক উত্তেজনার পর দীর্ঘদিন মাঠের বাইরে থাকা ভারত ও পাকিস্তান এবার আবারও মুখোমুখি হতে যাচ্ছে ক্রিকেটে। দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ড পরস্পরের মাটিতে দল পাঠাতে না চাইলেও, এশিয়া কাপের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিযোগিতায় মুখোমুখি লড়াই এড়ানো প্রায় অসম্ভব।
আগামী সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এশিয়া কাপ, যেখানে অংশ নেবে ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, শ্রীলংকা, আফগানিস্তান এবং স্বাগতিক সংযুক্ত আরব আমিরাত (সম্ভাব্য)। এবারের আসর হবে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে। যদিও আয়োজক দেশ হিসেবে ভারতের নাম থাকলেও, রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং নিরাপত্তা আশঙ্কায় পুরো টুর্নামেন্টই সরে যেতে পারে নিরপেক্ষ ভেন্যু সংযুক্ত আরব আমিরাতে।
ভারতের মাটিতে খেলতে অনিচ্ছুক পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) এবং পাল্টা পাকিস্তানে দল পাঠাতে নারাজ বিসিসিআই—এই অবস্থান থেকেই আলোচনায় এসেছে হাইব্রিড মডেল। যেখানে পাকিস্তানের ম্যাচ আলাদা ভেন্যুতে আয়োজন করা যেতে পারে। এমনটাই হয়েছিল ২০২৩ সালের এশিয়া কাপে, যেখানে ভারতের সব ম্যাচ আয়োজন করা হয়েছিল শ্রীলংকায়।
একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, এশিয়া কাপের সূচি ঘোষণা হতে পারে জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে অনুষ্ঠিতব্য এসিসি বৈঠকের পর। এবারের টুর্নামেন্টে প্রাথমিকভাবে ওমান ও হংকংয়ের অংশগ্রহণের কথা থাকলেও, শেষ পর্যন্ত তাদের ছাড়াই প্রতিযোগিতা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
বিসিসিআইয়ের একটি অংশের দাবি, কেবলমাত্র নকআউট পর্বেই ভারত-পাকিস্তান মুখোমুখি হোক, গ্রুপ পর্বে একসঙ্গে রাখার বিরোধিতা করতে পারে ভারতীয় বোর্ড। কোচ গৌতম গম্ভীর নিজেও পাকিস্তানের সঙ্গে কোনো ক্রিকেটীয় সম্পর্ক বজায় রাখার বিপক্ষে। তবে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে হলে নিরপেক্ষ ভেন্যু হলেও খেলতে হবে, তা না হলে পড়তে হতে পারে শাস্তির মুখে।
এদিকে, নারী ক্রিকেটে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের সূচি ইতিমধ্যেই চূড়ান্ত, ৫ অক্টোবর কলম্বোয় এক দিনের বিশ্বকাপে মুখোমুখি হবে দুই দল।
সব মিলিয়ে রাজনৈতিক টানাপড়েনের মধ্যেও এশিয়া কাপে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ হওয়া এখন কেবল সময়ের অপেক্ষা, যা নির্ভর করছে আসন্ন সূচি ঘোষণার ওপর। কারণ, এখন পর্যন্ত বিসিসিআই বা পিসিবি—কোনো পক্ষই এশিয়া কাপ থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেয়নি।











































