Home Lead আজ এক ঘন্টা ‘শাটডাউন’, আসতে পারে ‘খুলনা অচল’ কর্মসূচি

আজ এক ঘন্টা ‘শাটডাউন’, আসতে পারে ‘খুলনা অচল’ কর্মসূচি

109
ফাইল ফটো

স্টাফ রিপোর্টার।।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের অপসারনের আল্টিমেটাম শেষ হচ্ছে আজ শনিবার দুপুর ১২টায়। দুপুর ১২টা থেকে খুলনা অচল কর্মসূচির হুশিয়ারি রয়েছে ছাত্র-জনতার। ছাত্র-জনতার এই দাবির সাথে একাত্মতা প্রকাশ করেছে ইতিমধ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলও।


আলোচিত সমালোচিত এস অই সুকান্তকে মঙ্গলবার ইস্টান গেট এলাকা থেকে জনতা মারধর করে পুলিশে সোপর্দের পর তাকে ছেরে দেওয়ায় ফুসে উঠে ছাত্র জনতা। এর প্রতিবাদে বুধবার তারা খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সদর দপ্তরের গেটে তালা মেরে দুপুর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত বিক্ষোভ করে। এ সময় পুলিশ কমিশনার মোঃ জুলফিকার আলী হায়দার খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের কার্যালয়ে অবরুদ্ধ থাকেন। পরে রাতে পুলিশ তালা ভেঙ্গে তাকে বের করে। পরবর্তী দিন বৃহষ্পতিবার দুপুর থেকে আবার পুলিশ কমিশনারের পক্ষপাত মূলক আচারন ও খুলনার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় ব্যার্থতার পরিচয় দেওয়ার কারনে তার অপসারন দাবি করে ছাত্র-জনতা। পরে রাতে এক সংবাদ সম্মেলনে খুলনা জেলা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক সাজিদুল ইসলাম বাপ্পি পুলিশ কমিশনারকে ২৪ঘন্টার মধ্যে অপসারণের আল্টিমেটাম দেন। দাবি আদায় না হলে আজ শনিবার দুপুর ১২টা থেকে খুলনা অচলের কর্মসূচি দিয়েছেন তারা।


অপরদিকে ছাত্র জনতার এই আন্দোলনের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করেছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দও। বিএনপি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, আমজনতার দল সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সচেতন নাগরিক সমাজ এই দাবির সাথে একাত্মতা প্রকাশ করেছে।


রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ বলেন, ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে খুলনায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে। গতকালও খুলনা মহানগরী এলাকায় একজনকে জবাই করে হত্যা করা হয়েছে। নগরীর পাশ^বর্তী এলাকা রাজাপুরে সন্ত্রাসীদের দুই গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলি একজন নিহত ও দুই জন আহতের ঘটনা ঘটেছে। প্রতিদিন রাতেই নগরীর কোথাও কোথাও কোপাকুপি-মারামারি, গুলি, হামলা, হত্যাসহ নানা ঘটনা ঘটছে। এতে নগরবাসী উৎকন্ঠা দিন দিন বাড়ছে। পাশাপাশি আওয়ামী লীগের চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও তাদের গডফাদারদের ধরতেও ব্যার্থতার পরিচয় দিয়েছে পুলিশ প্রশাসন। এ কারণে অবিলম্বে এই পুলিশ কমিশনারকে অপসারণ করে খুলনার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নতুন পুলিশ কমিশনার নিয়োগের আহ্বান তাদের।


আন্দোলনে সম্পৃক্তদের সঙ্গে কথা বলে জানাগেছে, শনিবার আল্টিমেটাম শেষ হচ্ছে। এতে যদি দাবি বাস্তবায়ন না হয়, আরো কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে। প্রয়োজনে ‘খুলনা অচল’ কর্মসূচির মাধ্যমে ছাত্র-জনতা তাদের দাবি বাস্তবায়ন করা হবে।