
রামপালে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি সুধাংশু আটক
রামপাল (বাগেরহাট) সংবাদদাতা
রামপাল থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ইয়াবাসহ সুধাংশু হালদার (৩৭) নামের এক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে। এ ঘটনায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের হয়েছে। মামলাটি দায়ের করেছেন এসআই দেলোয়ার হোসেন।
জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার বিকাল ৫ টায় রামপাল থানার ওসি মোহাম্মদ সামসুদ্দীন এর নির্দেশনা এসআই দেলোয়ার হোসেন সঙ্গীয় ফোর্সসহ উপজেলার মল্লিকেরবেড় ইউনিয়নের ছোট সন্ন্যাসী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। ওই সময় সন্ন্যাসী ভাইজোড়া খালের কালভার্টের উপর শুভংকর হালদার (৩৭) কে ৯ পিস ইয়াবাসহ আটক করেন। আটক শুভংকর ছোট সন্ন্যাসী গ্রামের সুধাংশু হালদারের পুত্র। এর পূর্বে সাজাপ্রাপ্ত প্রতারক একরামুল হক রাজীবকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত সুধাংশু দীর্ঘদিন ধরে মাদক বিক্রির সাথে জড়িত ছিল বলে স্থানীয়রা জানান।
শহীদ জ্যোতিষ-আজিজ মুক্তিযোদ্ধাদেও আত্মত্যাগ জাতি কোন দিন ভুলবে না
খবর বিজ্ঞপ্তি:
খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও সাবেক বিরোধী দলীয় হুইপ বীরমুক্তিযোদ্ধা শেখ হারুনুর রশিদ বলেছেন, শহীদ জ্যোতিষ-আজিজ মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগ জাতি কোন দিন ভুলবে না। বিনম্্র শ্রদ্ধা আর ভালোবাসার মধ্য দিয়ে যুগ যুগন্তর স্মরণ করবে। তিনি ১৯৭১ সালের ২৯ নভেম্বরের স্মৃতিচারণ করে বলেন এই দিন ৬০ ঘন্টা পাকিস্তানী দোষরদের বিরুদ্ধে সম্মূখ যুদ্ধে বটিয়াঘাটার সুন্দরমহল গ্রামের জ্যোতিষ মন্ডল ও পাইকগাছা উপজেলার মধূখালী গ্রামের আব্দুল আজিজ মোল্যা শহীদ হয়। তাদের বুকের তাজা রক্তে রঞ্জিত হয় বারোাড়িয়ার, শত্রুমুক্ত হয় এই জনপদ। প্রতি বছরের ন্যায় এবছরও যথাযোগ্য মর্যাদায় দিনটি স্মরণ করতে নানান কর্মসূচির আয়োজন করা হয় বটিয়াঘাটার বারোআড়িয়াস্থ শহীদ জ্যোতিষ-আজিজ স্মৃতিসৌধে। সকাল ১১টায় আনুষ্ঠানিক ভাবে মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ, খুলনা জেলা পরিষদ, উপজেলা প্রশাসন, সুরখালী ইউনিয়ন পরিষদ ও শহীদ স্মরণী মহাবিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে শহীদদের স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলী অর্পণ করা হয়। শ্রদ্ধাঞ্জলী অর্পণ শেষে স্মৃতিসৌধে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন শেখ হারুনুর রশিদ। এসময় উপস্থিত ছিলেন বটিয়াঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ নূরুল আলম, সহকারী কমিশনার(ভূমি) এম আব্দুল্লাহ বিন মাসুদ, খুলনা জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, জেলা যুবলীগের সভাপতি কামরুজ্জামান জামাল, বীরমুক্তিযোদ্ধা যথাক্রমে বিনয় কৃষ্ঞ সরকার, বিশ্বাস সামছুর রহমান, নূরুল ইসলাম মানিক, মীনা আলাউদ্দীন, নিরঞ্জন রায়, নূরুল ইসলাম খোকন, বিকাশ কুশুম মন্ডল, আব্দুস সালাম, জোতিন মন্ডল, এসএম দেলোয়ার হোসেন, দিবাকর মন্ডল, বিধান দত্ত, হরিপদ মল্লিক, দিপক মন্ডল, জিয়াউর রহমান, জেলা আ’লীগের সদস্য জামিল খান, পাপিয়া সরোয়ার, জেলা যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সরদার জাকির হোসেন, উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক শেখ মোঃ ওয়াহেদুর রহমান, সুরখালী ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান-১ এসএম ফরিদ রানা, প্যানেল চেয়ারম্যান-২ জীএম এনামুল হক, ইউপি সদস্য সরদার নাজমুল সাকিব ছিদ্দিকী, মোঃ জাহিদুর রহমান, রামপদ টিকাদার, অধ্যক্ষ ফিরোজুর রহমান ফিরোজ, প্রধান শিক্ষক বিশ্বাস মোহম্মদ আলী, কৃষকলীগনেতা শেখ মোঃ শাহারিয়ার, জেলা ছাত্রলীগনেতা মোঃ আল-আমিন, চিশতী নামজুল সম্্রাট, শেখ আল-আমিন, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আমিরুল মোমেনীন রানা, স্থানীয় আ’লীগনেতা প্রদীপ মন্ডল, গাজী আহম্মদ, দেবাশীষ মন্ডল, রেজাউল বিশ্বাস, মোঃ রফিকুল ইসলাম, মোক্তার হোসেন গাজী, মফেজ শেখ, আছাবুর হালদার, আতিয়ার রহমান, যুবলীগনেতা মোঃ আসাদ শেখ, আব্দুল হাই, মোঃ সাইফুল ইসলাম, শংকর শীল, সাগর মন্ডল, আব্দুল্লাহ আল ফারুক, বিএম শরিফুল ইসলাম, এসএম সৌরভ, রবিউল বিশ্বাস, জীএম শরীফ প্রমূখ।
খুলনা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেখ হারুনুর রশিদ ওইদিন দুপুরে বটিয়াঘাটা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, সুরখালী ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা মরহুম আব্দুল আজিজ গোলদারের সহধর্মণী এবং জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুশফিকুর রহমান সাগরের মাতা মোসাঃ মাজেদা বেগমের জানাযা নামেজে অংশ গ্রহণ করেন।
সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সাগরের মাতার ইন্তেকালে মহানগর যুবলীগ ও ছাত্রলীগের শোক
খবর বিজ্ঞপ্তি
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ খুলনা জেলা শাখার সাবেক সাধারন সম্পাদক মুশফিকুর রহমান সাগরের মাতা ও বটিয়াঘাটা থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল আজিজ গোলদারের সহধর্মিনী বেগম মাজেদা আজিজ(৬৪) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নাৃ………….রাজিউন)। মঙ্গলবার ভোর ৬ টায় খুলনা মহানগরীর গল্লামারীস্থ বাসভবনে তিনি মৃত্যু বরন করেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে নগরীর একাধিক হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে সর্বশেষ গল্লামারীর বাসায় মুমূর্ষু অবস্থায় ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি একপুত্র ও কন্যাসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে যান।
তার মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগ খুলনা মহানগর শাখার নেতৃবৃন্দ। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ মরহুমার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেছেন। পাশাপাশি শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি জানান গভীর শোক ও সমবেদনা।
বিবৃতি দাতা নেতৃবৃন্দরা হলেন নগর যুবলীগের আহবায়ক সফিকুর রহমান পলাশ, যুগ্ম আহবায়ক শেখ শাহাজালাল হোসেন সুজন খুলনা মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান রাসেল সহ মহানগর সহ নগর যুবলীগ ও ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
কলারোয়ার গয়ড়া বাজারে স’মিলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান
সোহাগ হোসেন, কলারোয়া প্রতিনিধি
কলারোয়া উপজেলার চন্দনপুর ইউনিয়নে গয়ড়া বাজার সংলগ্ন আক্তারুল ইসলামে স’মিলে অভিযান চালিয়ে ৪ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
মঙ্গলবার দুপুরে জরিমানা আদায় করেন ম্যাজিস্ট্রেট ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রুলী বিশ্বাস। ভ্রাম্যমাণ আদালতের প্রসিকিউটর হিসাবে ছিলেন মোঃ ইউনুস আলী ফরেস্ট অফিসার,বেঞ্চ সহকারী মোঃ বেনজির রহমান, মোঃ মোহাম্মদ আলী, ফরেস্ট অফিসের অফিস সহকারী, সাংবাদিক এস এম ফারুক হোসেন, ভ্রাম্যমাণ আদালতে শার্শা উপজেলার কায়বার ইউনিয়নের কায়বার গ্রামের আজগর আলীর পুত্র মোঃ আক্তারুল ইসলামের গয়ড়া বাজার সংলগ্ন “স” মিলের লাইসেন্স না থাকার কারনে করাত কল বিধিমালা ১২ ধারা মোতাবেক ৪হাজার টাকা জরিমানা করেন, এবং স মিলের মালিক আক্তারুল ইসলাম ৭দিনের মধ্যে লাইসেন্স করে নিবেন বলে মৌখিক ভাবে সময় চাইলে, ৭ দিন সময় প্রদান করেন, ৭দিনের ভিতরে লাইসেন্স না করলে ” স” মিল টি বন্ধ করে দেওয়া হবে ভ্রাম্যমাণ আদালত জানান।
মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইনের সুস্থতা কামনা করে খেলাফত মজলিস নেতৃবৃন্দের দোয়া কামনা
খবর বিজ্ঞপ্তি :
খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন সোমবার হঠাৎ বুকের ব্যাথাসহ বিভিন্ন জটিলতার কারণে অসুস্থ হয়ে পড়লে খুলনা ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। দ্রুত তার সুস্থতা কামনাকরে খেলাফত মজলিস খুলনা মহানগর ও জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ সকলের কাছে দোয়া কামনা করেছেন। বিবৃতিদাতারা হলেন- খেলাফত মজলিস’র খুলনা জেলা সভাপতি মাওলানা এমদাদুল হক, মহানগর সভাপতি মাওলানা নাসির উদ্দীন, সহ-সভাপতি মুফতি আলী আহমদ, মাওঃ শফিক উদ্দীন, মাওঃ সালাহুদ্দীন,নগর সাধারণ সম্পাদক এ্যাডঃ শহিদুল ইসলাম, জেলা সাধারণ সম্পাদক মাওঃ আব্দুল্লাহ যোবায়ের, মোঃ আকরামুল ইসলাম, হাফেজ সাজ্জাদ হোসেন, জামান বিন রায়হান, এস.এম.মামুনুর রশিদ, এফ এম হারুনর রশীদ, মাওঃ আজিজুল হক, মাওঃ আবুল হোসেন, মোঃ মিজানুর রহমান সহ জেলা ও মহানগর শাখার নেতৃবৃন্দ।
খুলনা মহানগর আ’লীগের জরুরি বর্ধিত সভা আজ
খবর বিজ্ঞপ্তি
মহান বিজয়ের মাসকে সামনে রেখে খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ জরুরি বর্ধিত সভার আয়োজন করেছে। আজ বুধবার বিকাল ৩টায় দলীয় কার্যালয়ে এ জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় মহানগর আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ, থানা, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ এবং মহানগর পর্যায়ের সকল সহযোগি সংগঠনের সভাপতি সাধারণ সম্পাদক সহ দলীয় সকল কাউন্সিলরদের যথাসময়ে উপস্থিত থাকার জন্য বিশেষ আহবান জানিয়েছেন খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক ও সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা।
রূপসায় আনসার ও ভিডিপি’র উপজেলা সমাবেশ অনুষ্ঠিত
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা রূপসা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের সভাকক্ষে মঙ্গলবার দুপুরে আনসার ও ভিডিপি উপজেলা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা কমান্ডেন্ট আনসার- ভিডিপি খুলনা মো:. সেলিমুজ্জামান।
সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন সহকারী জেলা কমান্ডেন্ট মো. মিরাজুল ইসলাম খাঁন, রূপসা থানার অফিসার ইনচার্জ সরদার মোশাররফ হোসেন ও উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মদন কুমার দাস। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা আনসার-ভিডিপি কর্মকর্তা আরিফা খাতুন। সমাবেশে প্রধান অতিথি বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু’র সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুপ্রেরণায় আনসার ও ভিডিপি বাহিনী সমাজের নানা পর্যায়ে জনহিতকর কাজ করে যাচ্ছে। আইন-শৃঙ্খলা সমুন্নত রাখতে বিশেষ অবদান রাখছে । আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে আনসার-ভিডিপি’র সদস্যরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি আনসার-ভিডিপি’র প্রতিটি সদস্যকে সততা ও নিষ্ঠার সাথে তাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করার জন্য আহবান জানান। সমাবেশ শেষে প্রধান অতিথি প্রসংশনীয় কাজের স্বকৃতিস্বরূপ সদস্য-সদস্যদের মাঝে বাইসাইকেল, ছাতা ও তোয়ালেসহ অন্যান্য উপহার সামগ্রী প্রদান করেন।
কেশবপুরে নষ্ট হচ্ছে সরকারের কোটি কোটি টাকার সোলার স্ট্রিট লাইট
আলমগীর হোসেন ,কেশবপুর
সন্ধ্যা নামার সাথে সাথে ফাঁকা মাঠের ভিতর মাইকেল রোড দিয়ে চলাচল করার সময় চৌরাস্তা মোড়ে আসতেই অন্ধকারে গা ঝিমঝিম করত। আবার সোনাতোলা নামক মাঠের ভিতর দিয়ে রাস্তায় রাতের অন্ধকারে চোর ডাকাতের ভয়ে চলাচল করা কঠিন হয়ে পড়ত। কেশবপুর উপজেলার এমন অনেক রাস্তাঘাট ও জন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ধাপে ধাপে স্ট্রিট লাইট স্থাপনের মাধ্যমে আলোর ব্যবস্থা করে রাতের অন্ধকারে মানুষের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করেছিলো গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার (কাবিখা) এবং গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (টি,আর) কর্মসূচি। যে কারণে স্বস্তি ও নিরাপদে রাতের আঁধারে চলাচল করতে পারত এই জনপদের মানুষ। অনেক সময় দূর্যোগের কারণে বিদ্যুৎ না থাকাতে গ্রামের ভিতরে দেখা যেত ছেলে মেয়েরা এই সোলার স্ট্রিট লাইটের নিচে বসে পড়াশুনা করেছে। সন্ধ্যা নামার সাথে সাথেই সংক্রিয় ভাবে জ্বলে উঠত লাইট গুলো। আবার ভোরে সূর্যের আলোতে নিভে যেত। এ যেন শেখ হাসিনা সরকারের “গ্রাম হবে শহর” স্লোগানের বাস্তব চিত্র।
দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের আওতাধীণ ২০১৭-২০১৮ অর্থ বছর থেকে শুরু হওয়া এই ধারাবাহিক প্রকল্প হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায় ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরে। ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে কাবিখার ১ কোটি ১৮ লাখ ৭৯ হাজার ৫৬০ টাকা খরচে ১৪৯ টি স্ট্রিট লাইট স্থাপন করা হয়। এই অর্থ বছরে টি,আর এর ৮ লাখ ৪৮ হাজার ৫৪০ টাকা খরচে ১১ টি সোলার স্ট্রিট লাইট স্থাপন করা হয়। যেখানে প্রতিটা লাইটে গড়ে খরচ হয় ৭৯ হাজার ৫৫০ টাকা ৬২ পয়সা। ২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরে কাবিখার ১ কোটি ৫৪ লাখ ২৮ হাজার টাকা খরচে ২০০ টি এবং টি,আর এর ১ কোটি ৪৩ লাখ ৪৮ হাজার ৪০ টাকা খরচে ১৮৬ টি সোলার স্ট্রিট লাইট স্থাপন করা হয়। এ অর্থ বছরে সর্ব উচ্চ সংখ্যক লাইট বসানো হয়। যার গড়ে প্রতিটা লাইটে খরচ হয় ৭৭ হাজার ১৪০ টাকা। সর্বশেষ ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরে কাবিখার ১ কোটি ৩৩ লাখ ৪৫ হাজার ২২০ টাকা খরচে ১৭৩ টি এবং টি,আর এর ১ কোটি ৩১ লাখ ৯০ হাজার ৯৪০ টাকা খরচে ১৭১ টি সোলার স্ট্রিট লাইট স্থাপন করে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়, কেশবপুর। যেখানে পড়ে প্রতিটা লাইটে খরচ দেখানো হয় ৭৭ হাজার ১৪০ টাকা। কেশবপুর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ৩ অর্থ বছরে ৬ কোটি ৯০ লাখ ৪০ হাজার ৩০০ টাকা খরচে মোট ৮৯০ টি সোলার স্ট্রিট লাইট বসানো হয়।
বর্তমান সময়ে এই সোলার স্ট্রিট লাইটগুলো অধিকাংশ নষ্ট হয়ে পড়ে আছে। রক্ষণাবেক্ষণ বা পরবর্তীতে মেরামতের জন্য কোনো ফান্ড না থাকার কারণে অনেকের নজরে আসছে না বিষয়টি। যে কারণে জনদূর্ভোগ বেড়েছে। এক সময় অন্ধকার দূর করতে আলোকিত উপজেলা গড়তে এই প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়। এখন যেন আবার গোটা উপজেলা ব্যাপি আলোর পরে অন্ধকার নেমে এসেছে। উল্লেখ্য, এই সব গুলো লাইট বসানোর কাজ করে ঊঢচঊজঞ জঊঘডঊঅইওখ ঊঘঊজএণ ্ ঊঘএওঘঊঊজওঘএ খঞউ শ্যামলী, ঢাকা নামক কোম্পানী। প্রতি অর্থ বছরে বরাদ্ধকৃত স্ট্রিট লাইটের জন্য ৩ বছর মেয়াদী কোম্পানী কর্তৃক মেরামত করার কথা ছিলো।
সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার মজিদপুর এতিমখানা সামনে মেইন রোডের পাশে ১ টি লাইট বসানো হয়েছিলো সেটা নষ্ট হয়ে পড়ে আছে। ইউনিয়ন পরিষদের মাঠে ২ টি লাইটের মধ্যে ১ টি নষ্ট। আবু চেয়ারম্যানের কবরের সামনে রাস্তার পাশে ১ টি ও বাগদাহ মহিউস সুন্নাহ হাফিজিয়া মাদ্রাসার সামনে ১ টি লাইটের ব্যাটারি, সোলার প্যানেল চুরি হয়ে গেছে। দেউলি বাজারের ২ টি লাইটের মধ্যে ১ টি নষ্ট, প্রতাবপুর বাজারের ৪ টি মধ্যে ১ টি নষ্ট, হাসানপুর বাজারের পুরাতন কৃষি ব্যাংকের সামনে ১ টি নষ্ট। সুফলাকাটি ইউনিয়নের ফেসবুক মোড়ে ৩ টি নষ্ট। সাগরদাঁড়ী ইউনিয়ন পরিষদের সামনে ১ টি নষ্ট। সাগরদাঁড়ী কপোতাক্ষ নদীর দুই পাড়ে ৬ টি নষ্ট। ত্রিমোহনি-বাঁশবাড়িয়া সোনাতোলা মাঠে ৫ টি, জিয়েলতলা বাজারের ২ টিই নষ্ট ছিলো পরে বাজার কমিটি থেকে মেরামত করেছে, ঝিকরা গনির মোড়ে ১ টি নষ্ট। এমন অনেক জায়গায় লাইট নষ্টের খবর পাওয়া যাচ্ছে।
এ সব এলাকার মানুষ জানান দীর্ঘদিন লাইট গুলো নষ্ট হয়ে পড়ে আছে। চোরে ব্যাটারি, সোলার প্যানেল চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে। কেউ কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না।
এক্সপার্ট গ্রুপের ফাউন্ডার এবং ম্যানেজিং ডিরেক্টর এনএইচ রিমনের সাথে কথা বললে তিনি জানান, আমরা ইতিমধ্যে ৩ বছর মেয়াদ শেষ হওয়া লাইটগুলো আবেদনের মাধ্যমে পিআইও অফিসকে জানিয়ে দিয়েছি। যে গুলোর মেয়াদ আছে অফিস সেগুলো মেরামতের জন্য বললে আমরা মেরামত করে দিবো।
কথা হয় কেশবপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) শুভাগত বিশ্বাসের সাথে। তিনি বলেন, লাইট গুলো নষ্ট হয়ে যাচ্ছে সোলার প্যানেলের উপরে ময়লা পড়ার কারণে। অনেক সময় ছায়াযুক্ত স্থানে লাইট বসানোর কারণে ব্যাটারিতে চার্জ উঠছে না। প্রকল্পটি দ্রুত সময়ের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হয়েছিলো যার কারণে চেয়ারম্যান, মেম্বররা যে যে স্থানের লিস্ট পাঠিয়েছিলো সেখানে সেখানে বসানো হয়েছে। ভালো ভাবে পর্যবেক্ষণ করে লাইট বসানোর সুযোগ হয়নি। পরবর্তীতে স্ট্রিট সোলার লাইটের জন্য কোনো বরাদ্ধ আসেনি। যে কারণে আমাদের কিছু করার নেই। তবে বিষয়টি নিয়ে আমরাও চিন্তিত। দেখা যাক উপর মহল থেকে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় কি না।
এদিকে সরকারের কোটি কোটি টাকা এভাবে নষ্ট হওয়াতে সাধারণ নাগরিক মহলে দেখা দিয়েছে নানা ক্ষোপ। তাহলে কি সারা বিশ্বের উন্নয়নের রোল মডেল বাংলাদেশের কোটি কোটি টাকার সরকারি সম্পদ এভাবে নষ্ট হয়ে যাবে! সচেতন নাগরিক সরকারি সম্পদের সুষ্ঠ ব্যবহার, রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করা অতিব জরুরি বলে মনে করেন।
মানুষকে সচেতন করে তোলা সম্ভব না হলে নারী নির্যাতনমুক্ত সমাজ গড়া যাবে না
খবর বিজ্ঞপ্তি
নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ উদযাপন উপলক্ষে রূপান্তর আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা বলেছেন, দেশে অনেক আইন থাকলেও নারী নির্যাতন বন্ধ করা যাচ্ছে না। মানুষকে সচেতন করে তোলা সম্ভব না হলে কাক্সিক্ষত নারী নির্যাতনমুক্ত সমাজ গড়ে তোলা যাবে না। আর এই সচেতনতা সৃষ্টির কাজে সকলকে যে যার অবস্থান থেকে এক সাথে কাজ করতে হবে।
মঙ্গলবার বিকেলে “সবার মাঝে ঐক্য গড়ি নারী ও শিশু নির্যাতন বন্ধ করি” প্রতিপাদ্যকে সমানে রেখে আলোচনা সভাটি নগরীর শিরিশনগরস্থ রূপান্তর প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক স্বপন কুমার গুহ। সভায় রূপান্তর-এর সর্বস্তরের কর্মীরা ছাড়াও বিভিন্ন ওয়ার্ডের পিস ক্লাবের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।
রূপান্তর-এর বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মীদের মধ্যে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন ফারুক আহমেদ, মঞ্জু আরা পাভীন, আক্তারুন্নেছা নিশা, খন্দকার জিলানী হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান, কাজী মফিজুর রহমান, দিপ্তী রায়, গোলাম কিবরিয়া, বনানী দাশগুপ্ত বাসন্তী, আতাবুর রহমান টিপু, দীপঙ্কর মণ্ডল, ফারহানা রহমান, শামসাদ পারভীন এলিজা প্রমূখ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায় ছিলেন অসীম আনন্দ দাস।
উল্লেখ্য, নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ উদযাপন উপলক্ষে ৩০ নভেম্বর সন্ধ্যে ছ’টায় নগরীর শহীদ হাদিস পার্কে “মোমবাতি প্রজ্জ্বলন ও আঁধার ভাঙ্গার শপথ” অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি থাকবেন খুলনার সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক এবং বিশেষ অতিথি থাকবেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক হাসনা হেনা।
কেপিআই ব্লাড ডোনার সোসাইটির প্রথম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন
খবর বিজ্ঞপ্তি
মহানগরীর খালিশপুরে অবস্থিত খুলনা পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটে (কেপিআই) কেপিআই ব্লাড ডোনার সোসাইটি, খুলনার প্রথম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী জাঁকজমকভাবে পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং সর্বোচ্চ রক্তদাতা ও অতিথিদের সম্মাননা স্বারক প্রদান করা হয়। গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১০টায় খুলনা পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট অডিটোরিয়ামে এসব কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়।
জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (নন টেক) তালাত মাহমুদ জোয়ার্দ্দারের সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের অধ্যক্ষ প্রকৌশলী অনিমেষ পাল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের উপাধ্যক্ষ গাজী নুরুল ইসলাম সামছি। সম্মানিত অতিথি হিসেবে ছিলেন সরকারি খুলনা মহিলা পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের অধ্যক্ষ গাজী নেয়ামুল শাহীন, সফটম্যাক্স অনলাইন স্কুলের সিইও সাব্বির হোসেন, আইডিইবি খুলনা জেলার সাধারন সম্পাদক প্রকৌশলী মাহাবুবুর রহমান শামীম।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি বলেন, ‘একজনের সামান্য এক ব্যাগ রক্ত, অথচ এই এক ব্যাগ রক্তে একটি জীবন রক্ষা হচ্ছে। পৃথিবীতে এর চেয়ে মহৎ কাজ থাকতে পারে না। ইঞ্জিনিয়ারিং পড়াশোনার পাশাপাশি কেপিআই ব্লাড ডোনার সোসাইটির সদস্যরা সে রকম মহৎ কাজ করে সর্বোচ্চ মানবতার পরিচয় দিচ্ছে। এই মহৎ কাজের ফল তারা তাদের চলার পথে প্রতি ক্ষেত্রে পাবে। আগামীতে তাদের পথচলা আরো শুভ হোক এই কামনাই রইল।’
রাইহান জিহাদ, শাহরিয়ার কবির প্লাবণ ও সাজিম শরীফের সার্বিক তত্তাবধায়নে আলোচনায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রাইভেট সেক্টর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ফেডারেশন খুলনা জেলা শাখার সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার সোহেল হাসান রুমি, সাধারণ সম্পাদক মো: হাসানুর রহমান তানজিরসহ খুলনা পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের সকল ডিপার্টমেন্ট প্রধান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীবৃন্দ।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা এবং কেপিআই ব্লাড ডোনার সোসাইটির সার্বিক কর্মকান্ড উপস্থাপন করেন রাকিবুল হাসান। এছাড়াও কেপিআই ব্লাড ডোনার সোসাইটির সকল সদস্যসহ অন্যান্য শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।
খুলনা মহানগরের উদ্যোগে মত বিনিময় সভা
খবর বিজ্ঞপ্তি
জাতীয় পার্টির কেদ্রীয় ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ও জাতীয় ওলামা পার্টির সাধারন সম্পাদক মাওলানা এস এম আল জুবায়েরের খুলনায় শুভাগমন উপলক্ষে জাতীয় ওলামা পার্টি খুলনা মহানগরের উদ্যোগে এক মত বিনিময় সভা গতকাল দুপুর ২টায় নগরীর একটি রেষ্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত হয়। খুলনা মহানগর ওলামা পার্টির আহবায়ক এস.এম আনিসুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুিষ্ঠত মত বিনিময় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় পার্টির কেদ্রীয় ধর্ম বিষায়ক সম্পাদক মাওলানা এস.এম আল জুবায়ের।বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় পার্টির কেদ্রীয় সদস্য ও খুলনা জেলার সাধারণ সম্পাদক এম হাদীউজ্জামান, প্রধান বক্তা ছিলেন মহানগর জাতীয়পার্টির সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল মামুন।খুলনা মহানগর জাতীয় পার্টির যুগ্ন আহবায়ক আশরাফুল ইসলাম সেলিম, মত বিনিময় সভায় বক্তৃতা করেন মহানগর জাতীয় পার্টির নেতা তোবারক হোসেন তপু,মোঃ কালা চাঁন,কাজি শহিদুল কাদির উৎসব,কাজী হাসানুর রশীদ রাসেল,সাহাবুদ্দিন জাতীয় কৃষক পার্টির খুলনা মহানগরের সাধারণ সম্পাদক,মত বিনিময় সভা পরিচালনা করেন খুলনা মহানগর ওলামা পার্টির সদস্য সচিব মোস্তফা কামাল রিপন। মত বিনিময় সভরি শুরুতে প্রধান অতিথি জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক এবং ওলামা পার্টির সাধারন সম্পাদক মাওলানা এস.এম আল জুবায়ের কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান নেতাবৃন্দ।
খুবিতে প্রশাসনিক কাজের গতি ত্বরান্বিত করতে আন্তঃবিভাগীয় সমন্বয়ে গুরুত্বারোপ
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কাজের গতি আরও ত্বরান্বিত করতে বিভিন্ন বিভাগ ও শাখা প্রধানদের সাথে মতবিনিময় করেছেন রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস। ২৯ নভেম্বর (মঙ্গলবার) বিকাল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ ভবনের সম্মেলন কক্ষে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বমানে নিয়ে যেতে বর্তমান উপাচার্য যোগদানের পর থেকে এ পর্যন্ত নানামুখী প্রচেষ্টা ও উদ্যোগ নিয়েছেন। যার ফলে একাডেমিক, প্রশাসনিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে গতি পেয়েছে। নতুন পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে দৃশ্যমান পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। তিনি প্রশাসনিক ক্ষেত্রে বিভিন্ন বিভাগ ও শাখার কাজের মধ্যে সমন্বয় সাধন, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সময়মতো উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ, কাজের গুণগত মান বৃদ্ধি এবং দক্ষতা বৃদ্ধির প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। সভায় প্রতিমাসে একটি সমন্বয় সভা অনুষ্ঠানসহ বেশকিছু প্রস্তাব ও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
মতবিনিময় সভায় অংশ নেন প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মো. আব্দুর রাজ্জাক, অর্থ ও হিসাব বিভাগের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) শেখ মুজিবুর রহমান, জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) এস এম আতিয়ার রহমান, শাখা প্রধান (সেন্ট্রাল স্টোর) অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার টিপু সুলতান, শাখা প্রধান (প্রশাসন) উপ-রেজিস্ট্রার দীপক চন্দ্র মণ্ডল, শাখা প্রধান (সংস্থাপন-১) উপ-রেজিস্ট্রার মো. শহিদুল আলম হাওলাদার, অর্থ ও হিসাব বিভাগের উপ-পরিচালক এইচ এস শাহরিয়ার কামাল রানা, রেজিস্ট্রারের সচিব উপ-রেজিস্ট্রার মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন। সভায় বিভিন্ন বিভাগীয় ও শাখা প্রধান এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
ক্রীড়া ক্ষেত্রে বর্তমান সরকার অসামান্য অবদান রাখছে: এ্যাড. সুজিত
রূপসা প্রতিনিধি
খুলনা জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. সুজিত অধিকারী বলেছেন, ক্রীড়া ক্ষেত্রে বর্তমান সরকার অসামান্য অবদান রাখছে। শেখ হাসিনার সরকার ক্রীড়া বান্ধব বিধায় ক্রীড়া ক্ষেত্রে দেশের বাহিরেও বাংলাদেশের নাম প্রচার হচ্ছে। তিনি বলেন বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালিন সময়ে লুটপাট আর সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল। তাদের অপরাধের কারনে দেশের জনগন তাদেরকে বারবার ভোটের মাধ্যমে জবাব দিয়েছে। দেশ যখন পৃথিবীর বুকে স্থান করে নিচ্ছে ঠিক তখনি বিএনপিসহ কতিপয় দল বিদেশের কাছে বাংলাদেশের সুনাম নষ্ট করার পায়তারা করছে। আগামী নির্বাচনে আবারো বিএনপিকে জনগন বয়কট করবে। তিনি ২৮ নভেম্বর বিকেলে রূপসা উপজেলার ডোবা গ্রামে নবারুন সংঘ কর্তৃক আয়োজিত শেখ হেলাল উদ্দিন ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন। খেলায় শহীদ মুনসুর স্মৃতি সংসদ শেখ কামাল একাদশকে ২-০ গোলে পরাজিত করে। বিজয়ী গোল দুটি করেন হাসান। খেলা পরিচালনা করেন বিপ্লব, সুমন, তানভির। অনুষ্ঠানে আলোকিত অতিথি ছিলেন খুলনা মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এম ডিএ বাবুল রানা। বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সরফুদ্দিন বিশ্বাস বাচ্চু, জেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক এম এ রিয়াজ কচি, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক মোজাফ্ফর হোসেন, উপ-প্রচার সম্পাদক খায়রুল আলম, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম ডাবলু, জেলা আওয়ামীলীগ সদস্য আজগর বিশ্বাস তারা, অমিয় অধিকারী, মুক্তিযোদ্ধা আঃ মজিদ ফকির, অধ্যাপক আহমেদুল কবির চাইনিজ , সাবেক ছাত্র নেতা দেব দুলাল বাড়ই বাপ্পি, উপজেলা আ’লীগের সহ-সভাপতি মোর্শেদুল আলম বাবু। নবারুন সংঘের সভাপতি চঞ্চল অধিকারীর সভাপতিত্বে ও রাজীব মহলীর পরিচালনায় বক্তৃতা করেন জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি পারভেজ হাওলাদার, আ’লীগ নেতা অধ্যাপক আল মামুন সরকার, সোহেল জোনায়েদ, সমাজ সেবক বাবলু কুমার আশ, সাবেক চেয়ারম্যান সাধন অধিকারী, হাবিবুর রহমান, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সুজন কুমার দাশ, নিখিল মল্লিক, অরুন মহলী, অজয় সরকার, শিমুল অধিকারী, প্রভাষ বাকচি, ছাত্র নেতা আশিকুজ্জামান তানভির, খায়রুল বাশার, মোল্লা রুবেল হোসেন, আবির হোসেন হৃদয়, রুপম দাশ, হিরন সিকদার প্রমূখ।
বটিয়াঘাটায মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে প্রস্ততিমূলক সভা
বটিয়াঘাটা প্রতিনিধি
বটিয়াঘাটা উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে মহান বিজয় দিবস ২০২২ উদযাপন উপলক্ষ্যে এক প্রস্ততি মূলক সভা গতকাল মঙ্গলবার বিকাল ৩ টায় স্হানীয় জ্যোতিষ্ক সন্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ নুরুল আলম’র সভাপতিত্বে ও মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নারায়ন চন্দ্র মন্ডল’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই গাইন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) এম আবদুল্লাহ ইবনে মাসুদ আহমেদ, অধ্যক্ষ অমিতেষ দাস, প্রাণী সম্পদ অফিসার ডাঃ পলাশ কুমার দাস, কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ রবিউল ইসলাম, সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ মনিরুল মামুন, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ ইমদাদুল হক, সমাজ সেবা কর্মকর্তা মোঃ মাসুদুর রহমান, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জিএম আলমগীর কবির, খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা মোঃ জাকির হোসেন, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ আবুবকর মোল্লা,নির্বাচন কর্মকর্তা অপূর্ব বিশ্বাস, আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা মোঃ সাইদুল ইসলাম,পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার দেবু টিকাদার,পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা সুলতানা নাসরিন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নবনীতা দত্ত, তথ্য সেবা কর্মকর্তা মিতালী মন্ডল, সমবায় কর্মকর্তা জান্নাতুননেছা, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি প্রতাপ ঘোষ, সাধারণ সম্পাদক ইন্দ্রজিৎ টিকাদার , ইউপি চেয়ারম্যান বিধান রায়,ইউপি চেয়ারম্যান পল্লব বিশ্বাস রিটু,বীর মুক্তিযোদ্ধা নিরঞ্জন কুমার রায়, প্রধান শিক্ষক তৃপ্তি রাণী বিশ্বাস,সিনিয়র সাংবাদিক এস এম এ ভূট্টো,সাংবাদিক নিখিলেশ গাইন, সাংবাদিক পরাগ রায় ,ইউআরসি ইন্সট্রাক্টর গুলশান আরা, ইউআরসি সহকারী ইন্সট্রাক্টর বি,এম, আসিক বিন আজাদ , সহকারী সমাজ সেবা কর্মকর্তা সত্যজিৎ দাস, সহকারী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ রফিকুল ইসলাম,এসআই মোঃ নূর ইসলাম, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক মনোরঞ্জন মন্ডল, প্রমূখ। সভায় দিবসটি উদযাপন উপলক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি প্রনয়ন করা হয়।
মহেশপুরে কোটি টাকার সৌরবিদ্যুৎ সড়কে আছে কিন্তু বাতি জ্বলেনা
মহেশপুর(ঝিনাইদহ)প্রতিনিধিঃ
ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার বিভিন্ন সড়কের পাশে কিবা রাস্তার মোড়ে মোড়ে স্থাপন করা হয় কোটি টাকা খরচের সৌর সড়ক বাতি। সেই সোলার প্যালেনের ৮০ শতাংশই এখন নষ্ট ও অকেজো হয়ে পড়ে আছে। অনেক জায়গায় সোলার লাইট স্থাপনের কয়েক মাসের মধ্যে তা দেখতে অনেকটা খেলনার লাইটের মত হয়ে গেছে।
কোথাও কোথাও সোলার আছে বাতি নেই,অনেক স্থানে ল্যামপোষ্ট ভেঙ্গে পরেছে। নিয়মতান্ত্রিক ভাবে এগুলো রক্ষনাবেক্ষন,সংস্কার বা দেখভালের কথা থাকলেও ঠিকমতো দায়িত্ব পালন না করার কারনেই আজ এগুলো নষ্ট হয়ে পড়ে রয়েছে। সড়ক গুলোতে নিম্নমানের সৌর প্যালেনসহ অন্যান্য যন্ত্রাংশ সংযোজন করে বেশির ভাগ অর্থই নিন্মমানের সোলার কোম্পানী হাতিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
আজ সৌর বাতিগুলো না জ্বলার কারণে অন্ধকারে দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে গ্রামীন জনপদের সাধারণ মানুষকে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার অফিস সূত্রে জানাগেছে, দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের গ্রামীন অবকাটামো সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ কর্মসূচির আওতায় ২০১৭-১৮ অর্থ বছরসহ কয়েকটি অর্থ বছরে বিভিন্ন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান স্টিক সোলার ও হোম সোলার স্থাপন করেন। এ উপজেলায় আনুমানিক ৫০০টে স্টিক সোলার ও হোম সোলার স্থাপন করা হয়েছে। প্রতিটি ল্যাম্পপোষ্টের বরাদ্ধ ধরা হয়েছে আনুমানিক ৫৬ হাজার টাকা। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন স্থান,রাস্তা,মসজিদ,মন্দির,স্কুল,কলেজ ও প্রতিষ্ঠানের সামনে পথচারীদের সুবিধার্থে ২৫,৩০ও ৫০ ওয়ার্ডের এ স্টিক সোলার গুলো বসানো হয়।
মহেশপুর উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন ও পৌর সভায় এসব সোলার লাইটগুলো দেখভালের দায়িত্ব কার এমন প্রশ্ন স্থানীয় সাধারণ মানুষের। নিয়মতান্ত্রিক ভাবে এই সোলার লাইট স্থাপন ও দেখভালের দায়িত্ব উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার। কিন্তু মহেশপুর উপজেলায় এসব লাইট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান লাগিয়ে যাওয়ার পর আর সংস্কার করা হয়নি। উপজেলার ১২টি ইউনিয়নসহ পৌরসভায় মসজিদ,মন্দির,বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রাস্তাঘাট,হাট-বাজার ও জনগুরুত্বপূর্ন স্থানে কয়েক কোটি টাকা ব্যয়ে সোলার সিস্টেম প্যালেন ল্যাম্পপোস্ট বসানো হয়। এদিকে সড়ক বাতিগুলো না জ্বলায় সরকারের সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন স্থানীয়রা। সরকারের কোটি কোটি টাকা জলে গেছে বলে মনে করছেন স্থানীয় লোকজন।
সরজমিনে গিয়ে দেখাযায়, উপজেলার ১২ টি ইউনিয়ন এবং একটি পৌর এলাকার জনবহুল ও গুরুত্বপূর্ন স্থানে বসানো ল্যাম্পপোষ্টের লাইটগুলোর অধিকাংশ যেন এক একটি খেলনার মত দাড়িয়ে রয়েছে,সেগুলো এখন দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ হয়ে রয়েছে। সৌরবাতির খুঁটিগুলো দাঁড়িয়ে আছে,বাতি আছে আলো নেই।
স্বরুপপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বলেন,তার ইউনিয়নের সোলার প্যানেলে গুরুত্বপূর্ন ল্যাম্পপোস্টগুলোর অধিকাংশ বন্ধ হয়ে আছে। লাগানোর কিছুদিন পড় থেকে আর লাইটগুলো জ্বলছে না। সরকারের এত টাকার সড়কবাতি ব্যবহারে কোন সুফল আসছে না।
এসবিকে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়রম্যান আরিফান হাসান চৌধুরী নুথান জানান,আমার ইউনিয়নের কয়েকটি বাজারসহ গুরুত্বপূর্ন সড়কে বসানো সোলার লাইট বসানো আছে। কিন্তু তার অধিকাংশোই নষ্ট হয়ে গেছে,এখন আর জ্বলে না শুধু খুঁটিগুলো দাঁড়িয়ে আছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মেহেরুন নেছা বলেন, মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার কারণে সোলার লাইট গুলো হয়তো নষ্ট হয়ে গেছে। তাছাড়া ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ইউপি চেয়ারম্যানরা তাদের ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে সোলার লাইটগুলো লাগিয়েছে এটা আমাদের দেখার বিষয় না।
উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আজিজুল হক আজা জানান, কম দামের সোলার প্যানেল বসালে তো নষ্ট হবেই। দাম দিয়ে কিনলেতো আরো নষ্ট হতো না। আজ শুধু পৌর এলাকা না মহেশপুরের অধিকাংশো সোলার প্যানেল গুলো আজ নষ্ট হয়ে পড়ে পরেছে। কে দেখবে বা কে মেরামত করবে আমরা তার কিছুই বলতে পারছিনা।
লোকাল গভর্নমেন্ট কোভিড-১৯ রেসপন্স এ্যান্ড রিকভারি প্রজেক্টের কর্মশালা অনুষ্ঠিত
তথ্য বিবরণী
লোকাল গভর্নমেন্ট কোভিড-১৯ রেসপন্স এ্যান্ড রিকভারি প্রজেক্ট (এলজিসিআরআরপি) এর দিনব্যাপী কর্মশালা মঙ্গলবার সকালে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের শহিদ আলতাফ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক। প্রধান অতিথির বক্তৃতায় সিটি মেয়র বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সময়োপযোগী পদক্ষেপের কারণে আমরা কোভিড-১৯ মোকাবেলা করতে সক্ষম হয়েছি। করোনাভাইরাসের প্রকোপ দেশ থেকে এখনও শতভাগ দূর হয়নি। তাই এই ভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। তিনি বলেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশও অর্থনৈতিকভাবে কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দেশের চলমান পরিস্থিতিতে এই ধরণের প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। করোনা মহামারীর সময়ে যারা মৃত্যুবরণ করেছে তাদের বিভিন্ন কবরস্থান ও শ্মশানে সমাহিত করা হয়েছে। এই প্রকল্পের অর্থ বিভিন্ন কবরস্থান, শ্মশান, বাজার, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালের উন্নয়নে কাজে লাগানো যেতে পারে। প্রকল্পের অর্থ সঠিক পথে ও সুন্দরভাবে ব্যয় করতে মেয়র সংশ্লিষ্টদের নিদের্শনা দেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী শেখ মুজাক্কা জাহের, কেসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা লস্কার তাজুল ইসলাম ও বিশ^ ব্যাংকের সিনিয়র আরবান ডেভেলপমেন্ট বিশেষজ্ঞ সেনহুয়া ওয়াঙ। কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন প্রকল্প পরিচালক নাজমুস সাদাত মোঃ জিল্লুর রহমান। প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কেসিসি’র তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান এবং বিশ^ ব্যাংকের প্রতিনিধি জিনিয়া সুলতানা। বিশ^ ব্যাংকের সহযোগিতায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর এই কর্মশালার আয়োজন করে। দেশের ১০টি সিটি কর্পোরেশন এবং ৩২৯ টি পৌরসভায় এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে। কর্মশালায় খুলনা বিভাগের ১০ জেলার ৩৬টি পৌরসভার মেয়র, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা, প্রধান প্রকৌশলী, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী, কেসিসি’র সহকারী প্রকৌশলী ও সংশ্লিষ্ট কর্মকতারা অংশ নেন।
দাকোপে শীত নিবারণে পুরাতন কাপড়েই ঝুঁকছে মধ্যবিত্তরা
মোঃ শামীম হোসেন – বাজুয়া
সারা দেশে চলছে শীতের মৌসুম কুয়াশার সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে শীত। কনকনে ঠান্ডায় মানুষ নির্জীব, বেলা বের না হওয়া পর্যন্ত কাজে চলছে ধীরগতি। করোনাকালীন সময় পার হওয়ার পর এই পরিবেশে অর্থসংকটে অধিকাংশ মানুষ তাইতো শীত নিবারণে খুলনার দাকোপে বিভিন্ন ফুটপাতের উষ্ণ কাপড়ের দোকানগুলোতে ভিড় জমাচ্ছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষ। উপজেলার পুরাতন কাপড় বিক্রয়ের জন্য খ্যাত উপজেলা সদরের চালনা বাজার ও বাজুয়া বাজার যেখানে শিশু, যুবক, যুবতী, বৃদ্ধা সহ সকল মানুষের কাপড় পাওয়া যায় সুলভ মূল্যে। সপ্তাহে মঙ্গলবার ও বুধবারের হাটে দেখা যায় উষ্ণ কাপড় ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড়। এখানে বিক্রয় করা হয় মাফলার-৫০, কানটুপি-২০, চাদর-১০০, ট্রাউজার-৬০, জেকেট-১০০ সহ শীত নিবারণের বিভিন্ন উষ্ণ কাপড়। ঢাকাসহ পার্শ্ববর্তী জেলা ঝিনাইদহ, যশোর থেকে আনা হয় এ সব কাপড়। এমনি একজন কাপড় বিক্রেতা মাসুদ রানার সাথে কথা বললে তিনি জানান, কোরোনা পূর্ববর্তী সময়ে খুলনা ডাকবাংলো মার্কেটে কাপড় বিক্রি করতাম মার্কেটটি যুগ যুগ ধরেই পুরাতন কাপড় বিক্রয়ের জন্য সেরা ছিল। করোনার পর বর্তমানে পুরাতন কাপড় ক্রয়ের জন্য অনেক ক্রেতাই এখানে আসে না ফলে বিক্রি অনেক কম হচ্ছে। বাজুয়া বাজারে কাপড় ক্রয় করতে আসা এক ব্যক্তির সাথে কথা বললে তিনি জানান কম মূল্যে মোটামুটি একটু ভালো কাপড় পাওয়া যায় এখানে তাই নিজে ও পরিবারের সদস্যদের শীত নিবারণ করতে প্রায়ই আসি এখানে। মার্কেটটাকে আরো একটু সম্প্রসারণ করে স্থায়ী মার্কেট করে দিলে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষ স্বল্পমূল্যে ভালো কাপড় ক্রয় করতে পারবে বলে ধারণা করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
দাকোপে শীত নিবারণে পুরাতন কাপড়েই ঝুঁকছে মধ্যবিত্তরা
বাজুয়া (দাকোপ) প্রতিনিধি
সারা দেশে চলছে শীতের মৌসুম কুয়াশার সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে শীত। কনকনে ঠান্ডায় মানুষ নির্জীব, বেলা বের না হওয়া পর্যন্ত কাজে চলছে ধীরগতি। করোনাকালীন সময় পার হওয়ার পর এই পরিবেশে অর্থসংকটে অধিকাংশ মানুষ তাইতো শীত নিবারণে খুলনার দাকোপে বিভিন্ন ফুটপাতের উষ্ণ কাপড়ের দোকানগুলোতে ভিড় জমাচ্ছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষ। উপজেলার পুরাতন কাপড় বিক্রয়ের জন্য খ্যাত উপজেলা সদরের চালনা বাজার ও বাজুয়া বাজার যেখানে শিশু, যুবক, যুবতী, বৃদ্ধা সহ সকল মানুষের কাপড় পাওয়া যায় সুলভ মূল্যে। সপ্তাহে মঙ্গলবার ও বুধবারের হাটে দেখা যায় উষ্ণ কাপড় ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড়। এখানে বিক্রয় করা হয় মাফলার-৫০, কানটুপি-২০, চাদর-১০০, ট্রাউজার-৬০, জেকেট-১০০ সহ শীত নিবারণের বিভিন্ন উষ্ণ কাপড়। ঢাকাসহ পার্শ্ববর্তী জেলা ঝিনাইদহ, যশোর থেকে আনা হয় এ সব কাপড়। এমনি একজন কাপড় বিক্রেতা মাসুদ রানার সাথে কথা বললে তিনি জানান, কোরোনা পূর্ববর্তী সময়ে খুলনা ডাকবাংলো মার্কেটে কাপড় বিক্রি করতাম মার্কেটটি যুগ যুগ ধরেই পুরাতন কাপড় বিক্রয়ের জন্য সেরা ছিল। করোনার পর বর্তমানে পুরাতন কাপড় ক্রয়ের জন্য অনেক ক্রেতাই এখানে আসে না ফলে বিক্রি অনেক কম হচ্ছে। বাজুয়া বাজারে কাপড় ক্রয় করতে আসা এক ব্যক্তির সাথে কথা বললে তিনি জানান কম মূল্যে মোটামুটি একটু ভালো কাপড় পাওয়া যায় এখানে তাই নিজে ও পরিবারের সদস্যদের শীত নিবারণ করতে প্রায়ই আসি এখানে। মার্কেটটাকে আরো একটু সম্প্রসারণ করে স্থায়ী মার্কেট করে দিলে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষ স্বল্পমূল্যে ভালো কাপড় ক্রয় করতে পারবে বলে ধারণা করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
দাকোপে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ঐতিয্যবাহী নব জাগ্রত যুব সংঘের বার্ষিক সম্মেলন
দাকোপ (খুলনা) প্রতিনিধি
নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে খুলনার দাকোপে ঐতিয্যবাহী নব জাগ্রত যুব সংঘের বার্ষিক সম্মেলন-২০২২। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে সমাজ সেবায় বিশেষ অবদানের জন্য স্বীকৃতি সরুপ সংগঠনের সভাপতি শিক্ষক প্রসেনজিৎ রায়কে গণ-সংবর্ধনা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, গুণী শিক্ষক ও কৃতি শিক্ষার্থীদের সম্মাননা, দুঃস্থ ও পীড়িতদের মাঝে আর্থিক চেক বিতরণ, বিনা খরচে চিকিৎসা সেবা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক।
সম্মেলন প্রস্তুতি ও পরিচালনা কমিটির আহবায়ক তন্ময় মন্ডলের স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানা যায়, আগামী ২ ডিসেম্বর রোজ শুক্রবার বিকাল ৩টায় কামারখোলা ইউনিয়নের শ্রীনগর প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। উপজেলা আ‘লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং বর্তমান সদস্য, নব জাগ্রত শিক্ষা কল্যান তহবিলের প্রধান উপদেষ্ঠা অ্যাডঃ জি.এম কামরুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত সম্মেলন ভার্চুয়ালী উদ্বোধন করবেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান। প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন খুলনা-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ননী গোপাল মন্ডল। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন নব জাগ্রত যুব সংঘের সভাপতি শিক্ষক সংবর্ধিত অতিথি প্রসেনজিৎ রায়, বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ উপজেলা শাখার সভাপতি আ‘লীগনেতা অসিত বরণ সাহা, নব নির্বাচিত খুলনা জেলা পরিষদ সদস্য সরোজিত কুমার রায়, থানা পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) উজ্জ্বল কুমার দত্ত, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ সোহেল হোসেন, লাউডোব ইউপি চেয়ারম্যান শেখ যুবরাজ, বাজুয়া সুরেন্দ্রনাথ মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ শ্যামল কান্তি রায়, পাইকগাছা উপজেলার কালিনগর মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ দিবাকর মন্ডল, কামারখোলা সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান উমাশংকর রায়, দাকোপ সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সঞ্জয় কুমার মোড়ল,
উপজেলা পরিষদ সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডঃ সুভদ্রা সরকার, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডাঃ মৃনাল কান্তি সানা, অ্যাডঃ দেবপ্রসাদ বৈদ্য। এছাড়া উক্ত অনুষ্ঠানকে সম্মৃদ্ধ করতে ভার্চুয়ালী শুভেচ্ছা বক্তৃতা করবেন ভারতের বিধান সভার বিধায়ক রাষ্ট্রীয় পুরস্কার প্রাপ্ত বিশ্বখ্যাত লোক কবি কবি অসীম সরকার, অষ্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ আ‘লীগ সভাপতি আইনজীবী ড. সিরাজুল হক, সাবেক ধর্ম ও পানি সম্পদ মন্ত্রী এম নাজিমউদ্দিন আল আজাদ, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব পীরজাদা শহীদুল হারুন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের
পালি বিভাগের অধ্যাপক ড. জিনোবধি ভিক্ষু, মুক্তিযোদ্ধা আশালতা বৈদ্য, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য, নব জাগ্রত যুব সংঘের উপদেষ্ঠা সুনীল শুভ রায় প্রমুখ। এসময়ে সরকারি, বেসরকারি বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক এবং এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থাকবেন।
প্রধান অতিথি থাকবেন শামসুজ্জামান দুদু: খুলনায় বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ বুধবার
খবর বিজ্ঞপ্তি।।
‘পুলিশের মিথ্যা মামলা, গায়েবি মামলা, পুলিশি নির্যাতন ও গ্রেফতারের প্রতিবাদে’ আজ ৩০ নভেম্বর (বুধবার) সারাদেশের ন্যায় খুলনায় বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি। কেন্দ্রীয় কর্মসুচির অংশ হিসেবে বেলা ২টায় কেডি ঘোষ রোডস্থ বিএনপি কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ কর্মসুচি অনুষ্ঠিত হবে। কর্মসুচিতে প্রধান অতিথি থাকবেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু। বিশেষ অতিথি থাকবেন খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির তথ্য সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, কেন্দ্রীয় বিএনপির ছাত্রদলের সাবেক সহ সভাপতি ও খুলনা মহানগর বিএনপির সম্মানিত সদস্য রকিবুল ইসলাম বকুল, কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক বাবু জয়ন্ত কুমার কুন্ডু। সভাপতিত্ব করবেন মহানগর বিএনপির আহবায়ক এড. শফিকুল আলম মনা।
আজকের বিক্ষোভ সমাবেশ সফল করতে খুলনাবাসী, বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীকে বিক্ষোভ কর্মসূচি সফল করার আহ্বান জানিয়েছেন খুলনা মহানগর বিএনপির আহবায়ক এড. শফিকুল আলম মনা, জেলা বিএনপির আহবায়ক আমীর এজাজ খান, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব শফিকুল আলম তুহিন ও জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মনিরুল হাসান বাপ্পী।
ব্রাজিলের প্রতাকা টাঙাতে গিয়ে কুষ্টিয়ায় মাদ্রাসা ছাত্রের মৃত্যু
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে সুপারি গাছে ব্রাজিলের পতাকা টাঙাতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে মিঠু শেখ (১৪) নামের এক মাদ্রাসাছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার পান্টি ইউনিয়নের পীতাম্বর বশী গ্রামের স্কুল পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
মিঠু শেখ ওই এলাকার দিনমজুর শহিদ শেখের ছেলে ও ডাঁসা মহুর আলী দাখিল মাদ্রাসার নবম শ্রেণির ছাত্র। পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, মিঠু বেলা ১ টা ২০ মিনিটের দিকে সুপারি গাছের মাথায় ব্রাজিলের পতাকা টাঙাতে গাছে উঠেছিল। এ সময় বিদ্যুতায়িত হয়ে গাছ থেকে মাটিতে পড়ে যায়। এতে তার পা পুড়ে যায় এবং মুখ দিয়ে ধোঁয়া বের হতে থাকে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এবিষয়ে কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোহসীন হোসাইন বলেন, ব্রাজিলের পতাকা টাঙাতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে গাছ থেকে পড়ে মাদ্রাসাছাত্র মারা গেছে। এ বিষয়ে আইনি কার্যক্রম চলমান রয়েছে।









































