খুলনায় বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশে কেন্দ্রীয় নেতা মজিবুর রহমান সারওয়ার:
স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র হুমকিতে, পুনরুদ্ধারে বুকের রক্ত দিতে হবে
স্টাফ রিপোর্টার
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মজিবুর রহমান সারওয়ার বলেছেন, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গঠনের জন্য জনগনের ভোটে নির্বাচিত সরকারের প্রয়োজন। দেশে যে সরকার রয়েছে, তারা নির্বাচিত নয়। ২০১৪ ও ২০১৮ সালে প্রহসনের মাধ্যমে রাষ্ট্রক্ষমতা দখলকারী সরকার দেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রকে হুমকির মুখে ফেলেছে দাবি করে তিনি বলেন, বুকের রক্ত দিয়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য আমাদের প্রস্তত থাকতে হবে। সংগঠনকে শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ করে আন্দোলনের ডাক আসা মাত্র আমাদের ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। যেখানেই বাঁধা আসবে, সেখানেই প্রতিরোধ সৃষ্টি করতে হবে।
সারাদেশে সীমাহীন লোডশেডিং ও জ¦ালানি খাতে দুর্নীতি অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে খুলনায় অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা মজিবুর রহমান সারওয়ার এ কথা বলেন। শনিবার বিকেলে নগরীর কে ডি ঘোষ রোডস্থ দলীয় কার্যালয়ের সামনে মহানগর বিএনপির উদ্যোগে কেন্দ্র ঘোষিত এ কর্মসুচি পালিত হয়।
বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র, জাতীয় সংসদের সাবেক হুইপ ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা মজিবুর রহমান সারওয়ার অভিযোগ করেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূলমন্ত্রকে ভূলুন্ঠিত করেছে সরকার। তিন দলীয় জোটের রূপরেখাকেও তারা বাস্তবায়ন হতে দেয়নি। পরিকল্পিতভাবে সংবিধান থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করেছে। আজ রাষ্ট্র, সরকার ও দল একাকা হয়ে গেছে। নির্বাহী বিভাগ বিচার বিভাগকে নিয়ন্ত্রণ করছে। আর এর সবই করা হচ্ছে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে জেলে পাঠানোর জন্য। তারেক রহমান যাতে দেশে ফিরে রাজনীতি করতে না পারেন, সে জন্য। এ পরিস্থিতির বিরুদ্ধে আমাদেরকে শক্তিশালী গণঅভ্যূত্থান গড়ে তুলতে হবে।
মজিবুর রহমান বলেন, প্রখ্যাত অর্থনীতিবীদ নোবেল জয়ী অমর্ত্য সেন বলেছিলেন, ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশে যে দূর্ভিক্ষ হয়েছিল, তা খাদ্যের অভাবে হয়নি। বরং পর্যাপ্ত তথ্যের অভাবে ও অব্যবস্থাপনার কারণে হয়েছিল। সে সময়ের সরকার সত্য প্রকাশকে ভয় পেতো। তারা চারটি সংবাদপত্র রেখে বাকি সব পত্রিকা বন্ধ করে দিয়েছিল। দেশ আবারও সেই সংকটে পতিত হয়েছে।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন মহানগর বিএনপির আহবায়ক শফিকুল আলম মনা। প্রধান বক্তার বক্তব্যে বিএনপির নির্বাহী কমিটির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল বলেন, শ্রীলঙ্কার রাজাপাকসে সরকার দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। কিছুদিন আগে কাবুল বিমান বিন্দর দিয়ে আফগান সরকার পালিয়েছে। কিন্ত বাংলাদেশে জিয়ার সৈনিকেরা হাতে হাত রেখে ব্যাুরিকেড গড়ে তুললে শেখ হাসিনার সরকার পালাবার পথ পাবেনা। ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিদ্যুতের দাবিতে বিএনপির আন্দোলন নাকি কৌতুক! গত ১০ বছর বিদ্যুৎ খাত থেকে ৭০ হাজার কোটি টাকা চুরি করে বিদেশে পাচার করেছে পেঙ্গুইন কোট পরা দলের নেতারা। উন্নয়নের নামে দেশবাসীর হাতে হারিকেন ধরিয়ে দিয়েছে। ৩০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের দাবি করলেও আজ দেখা যাচ্ছে ১০ হাজার মেগ্ওায়াট বিদ্যুৎ উৎপান হচ্ছেনা। ১৮ কোটি মানুষের দেশে তথাকথিত জনশুমারি চালিয়ে সরকার বলছে দেশের জনসংখ্যা ১৬ কোটি। সরকারের এই দাবিকে বিএনপি প্রত্যাখ্যান করছে। বিদ্যুৎ নিয়ে, জনশুমারি নিয়ে সরকার জনগনের সাথে জালিয়াতি করেছে। সিইসির সাথে সংলাপের আমন্ত্রণ প্রসঙ্গে হেলাল বলেন, কার সাথে সংলাপ, কিসের সংলাপ। সংলাপ হবে জনগনকে সাথে নিয়ে রাজপথে।
সমাবেশে প্রধান বক্তা ছিলেন সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রনেতা ও মহানগর বিএনপির সম্মানিত সদস্য রকিবুল ইসলাম বকুল। বিশেষ বক্তা ছিলেন বিএনপি নির্বাহী কমিটির সদস্য সাবেক এমপি শেখ মুজিবুর রহমান।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন খুলনা বিভাগীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক জয়ন্ত কুমার কুন্ডু, কেন্দ্রীয় সহ প্রচার সম্পাদক কৃষিবীদ শামীমুর রহমান শামীম, জেলা বিএনপির আহবায়ক আমির এজাজ খান, সদস্য সচিব মনিরুল হাসান বাপ্পী, মহানগর সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক তারিকুল ইসলাম জহির, জেলার সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আবু হোসেন বাবু, সৈয়দা রেহানা ঈসা, এ্যাড. ইুরুল হাসান রুবা, কাজী মাহমুদ আলী, আজিজুল হাসান দুলু, শের আলম সান্টু, আবুল কালাম জিয়া, মোল্লা মোশারফ হোসেন মফিজ, খায়রুল ইসলাম খান জনি, মাহবুব হাসান পিয়ারু, তৈয়েবুর রহমান, একরামুল হক হেলাল, শামীম কবির, নাজমুল হুদা চৌধুরী সাগর, ইবাদুল হক রুবায়েদ, ইঞ্জিনিয়ার নুর ইসলাম বাচ্চু, শহিদুল ইসলাম, মুজিবর রহমান, উজ্জল কুমার সাহা, আজিজা খানম এলিজা, এ্যাড. তছলিমা খাতুন ছন্দা, আব্দুল মান্নান মিস্ত্রি, ইসতিয়াক আহমেদ ইস্তি, সজীব তালুকদার, মোল্লা কবির হোসেন, আবু সাঈদ প্রমুখ।
সমাবেশ পরিচালনা করেন মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব শফিকুল আলম তুহিন, যুগ্ম আহবায়ক চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন ও শেখ সাদী। সমাবেশের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন মাওলানা কাজী আবু নাঈম।
এ সময় মঞ্চ ও সমাবেশস্থলে উপস্থিত ছিলেন স ম আব্দুর রহমান, বদরুল আনাম খান, মাসুদ পারভেজ বাবু, চৌধুরী হাসানুর রশিদ মিরাজ, শেখ জাহিদুল ইসলাম, আব্দুর রাজ্জাক, হাফিজুর রহমান মনি, আশফাকুর রহমান কাকন, ওয়াহিদুর রহমান দীপু, বেগ তানভিরুল আযম, শাহিদুল ইসলাম পাখি, রোবায়েত হোসেন বাবু, মুর্শিদ কামাল, আরিফ ইমতিয়াজ খান তুহিন, এ্যাড. মোল্লা মাসুম রশিদ, কে এম হুমায়ুন কবির, বিপ্লবুর রহমান কুদ্দুস, সাজ্জাদ হোসেন তোতন, সৈয়দ সাজ্জাদ আহসান পরাগ, কাজী মিজানুর রহমান, এহতেশামুল হক শাওন, এ্যাড. তৌহিদুর রহমান চৌধুরী তুষার, একরামুল কবির মিল্টন, জহর মীর, নাজিরউদ্দিন আহমেদ নান্নু, শেখ ইমাম হোসেন, হাবিব বিশ^াস, শেখ জামালউ্িদ্দন, আব্দুল হালিম, আবু সাঈদ হাওলাদার আব্বাস, আফসারউদ্দিন, মোল্লা ফরিদ আহমেদ, আনসার আলী, নাসির খান, আব্দুস সালাম, আলমগীর হোসেন, কাজী শাহনেওয়াজ নীরু, আব্দুর রহমান ডিনো, ফারুক হোসেন হিল্টন, তরিকুল ইসলাম, মোঃ জাহিদ হোসেন, মিজানুর রহমান মিলটন, শফিকুল ইসলাম শফি, ফারুক হোসেন, মাসুদ খান বাদল প্রমুখ।
প্রখর খরতাপ উপেক্ষা করে দুপুরের পর থেকে একের পর এক মিছিল আসতে থাকে সমাবেশস্থলে। ুিকছু সময়ের মধ্যে সমগ্র এলাকা কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। মুর্হুমুর্হু শ্লোগানে শ্লোগানে বিদ্যুতের দাবি জানান নেতাকর্মীরা। মিছিলকারীদের অনেকের হাতেই হ্যারিকেন দেখা যায়।
অভিন্ন দাবিতে রবিবার একই স্থানে খুলনা জেলা বিএনপির আহবানে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। কেন্দ্রীয় বিএনপির বিশেষ সম্পাদক ও ছাত্রদলের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ড. আসাদুজ্জামান রিপন সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখবেন।
শেখ সোহেলের আশু সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল
খবর বিজ্ঞপ্তিঃ
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভ্রাতুষ্পুত্র, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক ও যুবসমাজের আইকন মানবিক নেতা শেখ সোহেল এর আশু সুস্থতা কামনা করে গতকাল বেগম রাজিয়া নাসের অক্সিজেন সেবার উদ্যোগে সংগঠনের আহসান আহমেদ রোডস্থ অস্থায়ী কার্যালয়ে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। উক্ত দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মোঃ কামরুজ্জামান জামাল, খুলনা জেলা আওয়ামী লীগ এর সদস্য পাপিয়া সরোয়ার শিউলি, মোঃ জামিল খান, জেলা যুবলীগ নেতা সরদার জাকির হোসেন, হাজী সাইফুল ইসলাম, এবিএম কামরুজ্জামান, বিধান চন্দ্র রায়, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইমরান হোসেন, এফ এম মফিজুর রহমান, কবির আহমেদ মনা, ছাত্রনেতা তানভীর রহমান আকাশ, চিশতি নাজমুল বাসার, সম্পদ, আবিদ হাসান ফাহিম, ইসমাইল মৃধা ইমন, আজম, মিরাজ, মিরাজুল ইসলাম বাধন, অয়ন, আবরার রাজ, বিপ্র প্রমুখ।
তেলিগাতী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শেখ জাহিদ ইকবালের চেয়ার বিতরন
ফুলবাড়ীগেট প্রতিনিধি
তেলিগাতী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বাৎসরিক প্রীতিভোজ অনুষ্ঠান গতকাল অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠান শেষে তেলিগাতী কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের প্রতিষ্ঠাতা মাদার তেরেসা স্বর্নপদকপ্রাপ্ত ব্যাংকার শেখ জাহিদ ইকবাল নিজস্ব অর্থায়নে তেলিগাতী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২০ টি চেয়ার প্রদান করেন। বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি শেখ মোস্তাফিজুর রহমান ও প্রধান শিক্ষক শিরিনা আকতার বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে চেয়ার গ্রহন করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন যোগিপোল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাজ্জাদুর রহমান লিংকন। আড়ংঘাটা থানার ওসি ওয়েহিদুজ্জামান, ইউপি সদস্য কাজী শহিদুল ইসলাম পিটো, দিপংকার হালদার দিপক, কাজী নাসির উদ্দিন, হানিফ ফারাজি, রাজু সরদার, রফিকুল ইসলাম ফকির হুমায়ুন, রাজু আহম্মেদ, ফকির আবজাল হোসেন , এ সময় বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য সহ শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
পাইকগাছা প্রিমিয়ার ক্রিকেট লীগের চ্যাম্পিয়ন মরিয়ম ট্রেড কর্পোরেশন
খবর বিজ্ঞপ্তি
পাইকগাছা প্রিমিয়ার ক্রিকেট লীগ (পিপিসিএল) এর ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে চ্যাম্পিয়ন হয় মরিয়ম ট্রেড কর্পোরেশন ক্রিকেট একাদশ। পিপিসিএল গভর্নিং বডি আয়োজিত শিরোপা নির্ধারণী এই ম্যাচে মুখোমুখি লড়ে মরিয়ম ট্রেড কর্পোরেশন (এমটিসি) ও লস্কর লায়ন্স (এলএল)। ফাইনাল খেলাটি শুরু হয় গত মঙ্গলবার দুপুর ২টায়। পাইকগাছা সরকারি কলেজ মাঠে ফাইনালে মরিয়ম ট্রেড কর্পোরেশন টসে জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিলে লস্কর লায়ন্স ব্যাটিং করতে নেমে রাকিবের ৩২বলে ৮৬ রানের ঝড় ইনিংসে ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ২০৪ রান সংগ্রহ করে। ২০৫ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে মরিয়ম ট্রেড কর্পোরেশন ব্যাটসম্যানদের দুরান্ত ব্যাটিং এ ৩ উইকেটে জয় তুলে ফাইনাল খেলার গৌরব অর্জন করে। এমটিসি ১৯ ওভার ১ বলে ৭ উইকেট হারিয়ে ২০৫ রানের লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছায়ে যায়। ফলে ৩উইকেটে চ্যাম্পিয়ন হয় মরিয়ম ট্রেড কর্পোরেশন। প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে পুরস্কার বিতরণ করেন খুলনা ৬ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ আক্তারুজ্জামান বাবু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাইকগাছা উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ আনোয়ার ইকবাল মন্টু,ভাইস চেয়ারম্যান লিপিকা ঢালী ও শিয়াবুদ্দীন ফিরোজ বুলু, ইউএনও মমতাজ বেগম,সহকারী কমিশনার (ভূমি) এম.আব্দুল্লাহ ইবনে মাসুদ আহমেদ, থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ জিয়াউর রহমান, গর্ভনিং বডির সভাপতি পিআইও মোঃ ইমরুল কায়েস, সচিব এনআরবিসি ব্যাংক পাইকগাছা শাখার ব্যবস্থাপক শেখ জাহিদুজ্জামান, সদস্য সমাজসেবা কর্মকর্তা সরদার আলী ও পল্লীব্যাংক শাখা ব্যবস্থাপক জয়ন্ত কুমার ঘোষ, কাউন্সিলর তৈয়বুর রহমান, ফাতেমা জাহাঙ্গীর, রানা প্রমুখ।
খুলনায় কওমি মাদ্রাসা পরিষদের উলামা সম্মেলন অনুষ্ঠিত
খবর বিজ্ঞপ্তি
গতকাল শনিবার (৩০ জুলাই) বিকাল ৪ টায় খুলনা বিভাগীয় কওমি মাদ্রাসা পরিষদ খুলনা জেলার উদ্যোগে উলামা সম্মেলন নগরীর জামিয়া রশিদিয়া গোয়ালখালী মাদ্রাসা অডিটরিয়ামে জেলা সভাপতি হাফেজ মাওলানা মোস্তাক আহমদের সভাপতিত্বে ও জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি আব্দুল্লাহ ইয়াহহিয়ার পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়।
সম্মেলনের প্রধান অতিথি ছিলেন আওলাদে রাসুল আল্লামা আসজাদ মাদানী ভারত।
বিশেষ অতিথি ছিলেন আওলাদে রাসুল আল্লামা হাসান মাদানী ভারত, মাওলানা আব্দুল বাসেত খান।
সম্মেলনে আরো বক্তব্য রাখেন নির্বাহী সভাপতি মাওলানা আনোয়ারুল করিম যশোরী, মাওলানা রফিকুর রহমান, অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা আব্দুল আউয়াল, মাওলানা নাসিরুল্লাহ, মুফতি গোলামুর রহমান, মুফতি নুরুল আমিন মাওলানা হুমায়ুন কবির, মুফতি আব্দুল হাই, মাওলানা আকবর হোসাইন, মাওলানা আসাদুল্লাহ মাওলানা নজির বিন হাসেম, মাওলানা মোস্তাক আহমেদ মুফতি জিহাদুল ইসলাম মুফতি ওয়াইজ আহমেদ মুফতি হাফিজুর রহমান মাওলানা আহমাদুল্লাহ মুফতি ইলিয়াস হোসেন জাহানাবাদী মুফতি আবু সালে মুফতি আব্দুর রহমান মিয়াজী মুফতি আব্দুর রহিম মাওলানা আরিফ বিল্লাহ মুফতি আব্দুস শুকুর আব্দুল্লাহ নোমান, উপস্থিত ছিলেন মুফতী মাহবুবুর রহমান, শেখ মোঃ নাসির উদ্দিন, শেখ হাসান ওবায়দুল করিম, মুফতী ইমরান হোসাইন প্রমুখ।
বক্তারা সম্মেলনে কওমি মাদ্রাসার শিক্ষা ব্যবস্থা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে উলামায়ে কেরামের অবদানকে সম্মান জানিয়ে আজকে আরও বেগবান করা, সেই সাথে শিক্ষার মানোন্নয়নের জন্য উলামাদের ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করার নির্দেশনা দেন, এছাড়া ইসলামী শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে সকল ষড়যন্ত্রের মোকাবেলায় সকলকে সোচ্চার থাকার আহ্বান জানান।
কেশবপুর চারুপীড আর্ট স্কুলের উদ্যোগে বিজ্ঞানী ড.আব্দুল আজিজ কে সংবর্ধনা প্রদান
কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি।।
কেশবপুরের কৃতি সন্তান পাটখড়ি হতে কার্বন প্রস্তুত ও চিত্রাঙ্কনের রংসহ বহুবিধ ব্যবহারের উদ্ভাবক বিজ্ঞানী ও গবেষক ড. আব্দুল আজিজকে কেশবপুর চারুপীঠ আর্ট স্কুলের উদ্যোগে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। কেশবপুর প্রেসক্লাবের হলরুমে শনিবার বিকেলে তাঁকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
কেশবপুর চারুপীঠ আর্ট স্কুলের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মশিউর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ড. আব্দুল আজিজের হাতে প্রধান অতিথি হিসেবে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম এম আরাফাত হোসেন। অনুষ্ঠানে সংগঠনের পরিচালক উৎপল দের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন উপজেলা ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আবু বকর সিদ্দিকী, কেশবপুর সরকারি পাইলট উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ আছাদুজ্জামান, সহকারী প্রধান শিক্ষক প্রবীর সরকার, উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের ইনস্ট্রাক্টর রবিউল ইসলাম, কেশবপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি আশরাফ-উজ-জামান খান, সাধারণ সম্পাদক জয়দেব চক্রবর্ত্তী, উপজেলা সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সহসভাপতি শেখ শাহীন,চারুপীঠের অভিভাবক সদস্য সাংবাদিক আশরাফুজ্জামান।
ড. আব্দুল আজিজ সৌদি আরবের কিং ফাহাদ ইউনিভার্সিটি অব পেট্রোলিয়াম এন্ড মিনারেলসে বিজ্ঞানী ও গবেষক হিসেবে কর্মরত রয়েছে। তাঁর বাড়ি কেশবপুরের মোমিনপুর গ্রামে।
অভয়নগরে মাদক ছাড়বার মুসলেকা দেওয়া দুই কারবারি ফের মাদকসহ আটক
স্টাফ রিপোর্টার, অভয়নগর
যশোরের অভয়নগরে মাদক ছাড়বার মুসলেকা দেওয়া ড্রাইভারপাড়া এলাকার মৃত নুর ইসলাম ওরফে গাঁজা নুরইসলামের পুত্র শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আলী ওরফে মোহাম্মদ (২৬) ও ওহিদুল ইসলাম (৩২) নামের দুই কারবারিকে ফের মাদকসহ আটক করেছে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এ পি বি এন) সদস্যরা।
শনিরার (৩০ জুলাই) দুপুরে উপজেলার ড্রাইভারপাড়া এলাকায় তাদের বাড়ি অভিযান চালিয়ে আনুমানিক দুইশত গ্রাম গাঁজা, ইয়াবা, ইয়াবা সেবনের সরঞ্জাম, ফেন্সিডিলের খালি বোতল, ও মাদক বিক্রির নগত ৩১ হাজার টাকা সহ তাদের দু’ ভাইকে আটক করা হয়।
এ বিষয়ে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এ পি বি এন) এর ইনস্পেক্টর বাবুল আক্তার আসামি আটকের বিষয়ে নিশ্চিত করে বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি ড্রাইভারপাড়া এলাকার চিহ্নিত মাদক কারবারি মোহাম্মদ তার নিজ বাড়িতে মাদক বিক্রি করছে এমন সংবাদ পেয়ে তাদের দু’টি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে গাঁজা, ইয়াবা, ইয়াবা সেবনের সরঞ্জাম, ফেন্সিডিলের খালি বোতল ও মাদক বিক্রির নগত ৩১ হাজার টাকা-সহ মোহাম্মদ ও তার বড় ভাই ওহিদুল ইসলামকে আটক করি। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন।
উল্লেখ্য গত বছরের ২ সেপ্টেম্বর ৪,৫,৬ ওয়ার্ডেও ২নং বিট পুলিশিং এর এক সভায় অভয়নগর থানার অফিসার ইনচার্য (ওসি) এ কে এম শামীম হাসান বিট অফিসার এস আই মোঃ শাহ-আলম সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে মাদক ব্যবসা না করার অঙ্গীকার করে মুচলেকা দেয় এলাকার ৬ মাদক
ব্যবসায়ী। এদের মধ্যে মোহাম্মদ, ও তার বড় ভাই ওহিদুল অন্যতম।
জনগণ চলাচলে উন্মুক্ত করা হল ডুমুরিয়ার চটচটিয়া শিবনগর সেতুটি
ডুমুরিয়া প্রতিনিধি
আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের আগেই কোন চার চাকার যানবাহন চলতে পারবে না,এমন শর্তে খুলে দেয়া হয়েছে ঘেংরাইল নদীতে নব নির্মিত চটচটিয়া-শিবনগর ব্রিজ। শনিবার পড়ন্ত বিকেলে সংসদ সদস্য নারায়ণ চন্দ্র চন্দ’র নির্দেশে জন ভোগান্তি লাঘবের কথা ভেবে ¯’ানীয় জনপ্রতিনিধিদের উদ্যোগে এটি খুলে দেয়া হয়। জনগণ চলাচলের জন্য ব্রিজ টি খুলে দেয়া হবে,এমন খবর পেয়ে দুপারের হাজার হাজার উৎসুক জনতা ব্রিজের উপর এসে ভিড় জমাতে থাকে। এরপর বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে মাগুরখালী ইউপি চেয়ারম্যান বিমল কৃষ্ণ সোনা, শরাফপুর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ রবিউল ইসলাম রবি ও রঘুনাথপুর ইউপি চেয়ারম্যান মনোজিৎ বালাসহ ¯’ানীয় আ’লীগ নেতা কর্মীদের উদ্যোগে ৩১৫ মিটার দৈর্ঘ্য ব্রিজটির মাঝখানে থাকা বাসের বেড়া উঠিয়ে জন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হয়। এর আগে ¯’ানীয় জনতার উদ্দেশ্যে বক্তব্য দেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শেখ নাজিবুর রহমান নাজু,চেয়ারম্যান বিমল কৃষ্ণ সানা, শেখ রবিউল ইসলাম রবি,আ’লীগ নেতা শেখ আব্দুল কুদ্দুস, প্রভাষক বিষ্ণুপ্রসাদ মল্লিক, ও মোল্যা জাহিদুর রহমান।
অভয়নগর আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের সাথে আরশাদ পারভেজের মতবিনিময় সভা
স্টাফ রিপোর্টার, অভয়নগর
যশোরের অভয়নগর আওয়মী মৎস্যজীবী লীগের সাথে ইঞ্জিনিয়র আলহাজ্ব আরশাদ পারভেজের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। গতকাল শনিবার (৩০জুলাই)বিকালে নওয়াপাড়া প্রফেসর পাড়ার নিজ বাসভবনে অভয়নগর উপজেলা আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের আহবায়ক এস এম রিপন’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আলহাজ্ব আরশাদ পারভেজ।
এসময় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাকেন যশোর জেলা আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেলিম রেজা বাদশা।
অনুষ্ঠানে আরোও বক্তব্য রাখেন, বাঘারপাড়া কমিটির আহবায়ক এনায়েৎ হোসেন লিটন, অভয়নগর উপজেলা কমিটির সদস্য সচিব শেখর কুমার বর্মন, নওয়াপাড়া পৌর কমিটির সদস্য সচিব নূর ইসলাম মনি, যুগ্ম-আহবায়ক বায়েজিদ হোসেন, নজিবর সরদার, মুক্তার হোসেন, প্রেমবাগ ইউনিয়ন কমিটির আহবায়ক বাবুল আক্তার, যুগ্ম-আহবায়ক শেখ শাওন হোসেন, ফিরোজ হোসেন, সুন্দলী ইউনিয়ন কমিটির আহবায়ক সৌরভ মল্লিক, পায়ড়া ইউনিয়ন কমিটির আহবায়ক আব্দুর রশিদ বিশ্বাস, যুগ্ম-আহবায়ক মহিউদ্দীন পলাশ, উপজেলা কমিটির সদস্য উৎপল বর্মন, বাধন দাস সহ এসময় অভয়নগর-বাঘারপাড়া আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের বিভিন্ন স্থরের নেতা কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
কলারোয়ার ধানদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগে উৎকোচ কেলেঙ্কারিতে নিয়োগ স্থগিত!
খান নাজমুল হুসাইন
সাতক্ষীরা কলারোয়া উপজেলার জয়নগর ইউনিয়নের ধানদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীর তিনটি সৃষ্ট পদে নিয়োগের পুর্বে প্রধান শিক্ষক ও সভাপতির বিরুদ্ধে ৩৫ লক্ষ টাকার উৎকোচ নেওয়ার অভিযোগ উঠে। এর প্রেক্ষিতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদটি প্রকাশিত হয়। সেই সাথে বিভিন্ন মহলে আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় উঠে প্রধান শিক্ষক এবং সভাপতির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ঢাকা হতে প্রকাশিত জাতীয় দৈনিক আলোকিত প্রতিদিন পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি, যশোর হতে প্রকাশিত দৈনিক গ্রামের কন্ঠ পত্রিকার নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা হতে প্রকাশিত দৈনিক অনির্বাণ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার মোঃ ইব্রাহিম খলিল, ঢাকা হতে প্রকাশিত জাতীয় দৈনিক সরেজমিন বার্তা পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার খুলনা হতে প্রকাশিত দৈনিক খুলনাঞ্চল জেলা প্রতিনিধি সাতক্ষীরা হতে প্রকাশিত দৈনিক সাতঘরিয়া পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার খান নাজমুল হুসাইন, ঢাকা হতে প্রকাশিত জাতীয় দৈনিক অন্যধারা পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি কামরুল ইসলাম সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক বরাবর নিয়োগ বানিজ্যের বিরুদ্ধে প্রতিকার চেয়ে লিখিত পৃথক তিনটি অভিযোগ দেন। একপর্যায় গত ইংরেজি ২৯/০৭/২২ তারিখ শুক্রবার সকাল ১০ ঘটিকার সময় ধানদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নিজস্ব ভবনে নিয়োগ বোর্ড বসার কথা থাকলেও তা ভেস্তে যায়। জানা গেছে, সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক হুমায়ুন কবির এর নির্দেশে কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুলী বিশ্বাস ধানদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নিয়োগ প্রক্রিয়া কার্যক্রম স্থগিত করেন। এদিকে স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, ধানদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের তিনটি সৃষ্ট নিয়োগ পদে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং সভাপতির যোগসাজশে নিয়োগের পুর্বে তাদের মনোনীত ৩ জনের নিকট থেকে ৩৫ লক্ষ টাকা উৎকোচ নেওয়ার বিষয়টি বিভিন্ন মহলে জানাজানি হয়। তারা আরও বলেন, প্রধান শিক্ষক এবং সভাপতি কতৃক উৎকোচ বানিজ্যের ঘটনায় নিয়োগ কার্যক্রমে যাতে বাধাগ্রস্ত না হয় সে কারণে তারা গোপনে নিয়োগ বোর্ড বসানোর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। ধানদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী স্থানীয়দের সাথে শুক্রবার সকালে নিয়োগ বোর্ড বসার ব্যাপারে তারা অবগত ছিলেন কি না জানতে চাইলে তারা জানান আমরা জানিনা। এদিকে যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলার সাগরদাড়ী ইউনিয়নের মির্জাপুর গ্রামের আবু মুছার ছেলে তারেক হোসেন কে সাতক্ষীরা কলারোয়া ধানদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নিরাপত্তা কর্মী নিয়োগের জন্য তার নিকট থেকে অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আজিজুর রহমান ও সভাপতি মোঃ রওশন আলী উৎকোচ গ্রহণ করেন। একই উপজেলার মির্জাপুর গ্রামের বেনজির হোসেন এর স্ত্রী রুমি আক্তার কে উল্লেখিত বিদ্যালয়ের আয়া পদে নিয়োগের জন্য তার নিকট থেকে মোটা অংকের উৎকোচ গ্রহণ করেন। সাতক্ষীরা পাটকেলঘাটা থানার সেনেরগাতি গ্রামের হোসেন মল্লিকের ছেলে আশিকুর রহমান চঞ্চল কে অফিস সহায়ক পদে নিয়োগের জন্য উৎকোচ গ্রহণ করেন বলে এ দাবী করেন স্থানীয়রা ৷ উল্লেখিত বিদ্যালয়ের নিরাপত্তা কর্মী, আয়া ও অফিস সহায়ক পদে নিয়োগের জন্য তিন জন প্রার্থীর কাছ থেকে যথাক্রমে ৩৫ লক্ষ টাকার ঘুষ গ্রহণ করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সভাপতি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ব্যক্তি জানান, ধানদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত হওয়ায় প্রধান শিক্ষক ও সভাপতি বাচার তাগিদে কৌশলে তাদের মনোনীত তিন জনের নিয়োগ পরীক্ষার আবেদন সাম্প্রতি সরিয়ে নিয়েছেন। সেই সাথে প্রধান শিক্ষক ও সভাপতি সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে বলে বেড়াচ্ছেন উল্লেখিত তিন জন ধানদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে আবেদন করেনি। তারা আরও জানান, নিয়োগ বোর্ডের দায়িত্বে থাকা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ভুল বুঝিয়ে পুনরায় নিয়োগ বোর্ড বসানোর পায়তারা চালিয়ে যাচ্ছে বলে সুত্রটি দাবি করেছে। কলারোয়া ধানদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আজিজুর রহমান এর সাথে মুঠো ফোনে আলাপকালে তিনটি সৃষ্ট নিয়োগ পদের বিপরীতে ৩৫ লক্ষ টাকা ঘুষ গ্রহণ করার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি অস্বীকার করেন। এ বিষয় সাতক্ষীরা কলারোয়া উপজেলার ধানদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি রওশন আলীর সাথে মুঠো ফোনে আলাপকালে তিনি উৎকোচ আদায়ের ব্যপারে অস্বীকার করেন এবং কৌশলে এড়িয়ে যান। এ বিষয় সাতক্ষীরা কলারোয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুল হামিদ এর সাথে মুঠো ফোনে আলাপ কালে নিয়োগ স্থগিতের ব্যপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, নিয়োগ বোর্ড স্থগিত হয়েছে তবে কি কারণে হয়েছে তা আমি জানিনা। এ বিষয় সাতক্ষীরা জেলা শিক্ষা অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন এর সাথে মুঠো ফোনে আলাপ কালে ধানদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগ স্থগিতের ব্যপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন , আমি ডিজির প্রতিনিধির মাধ্যমে জানতে পেরেছি কলারোয়া উপজেলা ইউএনও নিয়োগ বোর্ড স্থগিত করেছেন। প্রধান শিক্ষক এবং সভাপতি কতৃক নিয়োগ বানিজ্যের বিরুদ্ধে তদন্ত হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ডিসি স্যার যদি ইউএনও সাহেব কে তদন্তের জন্য বলে থাকেন তা হলে তদন্ত হবে। এ বিষয় কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুলী বিশ্বাস এর সাথে মুঠো ফোনে আলাপকালে নিয়োগ স্থগিতের ব্যপারে জানতে চাইলে তিনি সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ধানদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নিয়োগ স্থগিত করা হয়েছে। তদন্ত করা হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ছুটির দিন বলে সিদ্ধান্ত নিতে পারিনি, রবিবার আমি এবং কলারোয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সহ তিন জনের আলোচনা সাপেক্ষে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এ বিষয় সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক হুমায়ুন কবির এর সাথে মুঠো ফোনে একাধিকবার আলাপের চেষ্টাকালে আলাপ কলটি গ্রহণ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
শুকিয়ে ঠনঠনে জলাশয়: পাট এখন কৃষকের গলার কাটা
সাবজাল হোসেন,বিশেষ প্রতিনিধি ॥
গত কয়েক বছর পাটের দাম ছিল বেশ। তাই এ বছরও লাভের আশায় কৃষকেরা বেশি করে পাটচাষ করেছিলেন। ক্ষেতের পাট দেখে হাসি খুশিতে ছিলেন তারা। ভেবেছিলেন সোনালী আঁশের সেই সোনালী দিন ফিরে এসেছে বুঝি। কিন্ত সেই আশা আজ নিরাশায় পরিণত হতে চলেছে। কেননা আষাঢ় পার হয়ে শ্রাবনের আজ মাঝামাঝি সময়। মাঝে মধ্যে দু এক পসলা ছাড়া ভারি বৃষ্টির দেখা নেই। গ্রামের খানাখন্দ,ডোবা নালাসহ পাট পঁচানো সব ধরনের জলাশয় পানির অভাবে শুকিয়ে ঠনঠনে। এদিকে গত কয়েক দিনের কাঠফাঁটা রোদে ক্ষেতের পাট শুকিয়ে যাচ্ছে। পানি নেই তাই কৃষকেরা ক্ষেতের পাট কাটতেও পারছেন না। উপায় না পেয়ে কেউ কেউ বাড়ির পুকুরের হাঁটু পানিতে পাট জাগ দিচ্ছেন। আবার অনেকে স্যালোমেশিনে খানাখন্দে যত সামান্য কিছু পানি তুলে কাঁদা পানিতে ডুবিয়ে রাখছেন পাট। যাদের কোন উপায় নেই তারা দুরের গ্রামের জলাশয় ভাড়া নিয়ে পাট পঁচানোর চেষ্টায় আছেন। এতে তাদের বেড়ে যাচ্ছে উৎপাদন ব্যয়। ফলে এ বছর পাট নিয়ে কোন সুখবর দেখছেন না কৃষকেরা। কৃষকদের ভাষ্য, সারাদেশের মধ্যে দেশের দক্ষিণাঞ্চালের জেলাগুলোতেই বেশি পাট উৎপাদন হয়ে থাকে। এ এলাকার নদী খালগুলো মাটি ভরাট হয়ে নাব্যতা হারিয়েছে। আবার বৈশি^ক জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে প্রকৃতি অত্যন্ত রুক্ষ রুষ্ঠ হয়ে উঠেছে। বর্ষার আষাঢ় শ্রাবনেও ছিটেছাটা বৃষ্টির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। এমনকি মৌসুমেও ছোট ছোট জলাশয়গুলো থাকে পানিশূন্য। এতে পাট পঁচানোর ক্ষেত্রে প্রভাব পড়ে। ফলে পাটের ঐতিহ্য ধরে রাখতে সরকারী উদ্যোগে এ অঞ্চলের নদী খালগুলো খননের দাবি কৃষকদের।
সরেজমিনে কালীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন মাঠে গেলে দেখা যায় বেশির ভাগ পাট ক্ষেতেই দাঁড়িয়ে আছে। তবে প্রচন্ড খরায় এ পাটগুলো শুকাতে শুরু করেছে। আবার কোন কোন কৃষক পাট কেটে খানাখন্দের পাশে ফেলিয়ে রেখেছেন। তারা বৃষ্টির আশায় চেয়ে আছেন। খানাখন্দে একটু পানি জমলেই সেখানে পাট পঁচাতে দেবেন। তার আগে অনেক পাট শুকিয়ে জ¦ালানীতে পরিণত হচ্ছে।
উপজেলা কৃষি অফিসসূত্রে জানাগেছে, এ বছর ১ হাজার ৬ ’শ ৫০ হেক্টর জমিতে পাট চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু ১ হাজার ৫’শ ২৫ হেক্টর জমিতে চাষ হয়েছে। চাষীরা জানায়, আষাঢ় শেষে শ্রাবণ মাসের মাঝামাঝি সময় এসে গেলেও জলাশয়ে পানি নেই। প্রকৃতির খামখেয়ালী আবহাওয়ায় প্রখর রোদে শুকিয়ে গেছে খাল, বিল,পুকুর, জলাশয় ফেঁটে চৌচির। এতে জমিতে উৎপাদিত পাট কেটে তা পঁচানো নিয়ে বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা। অনেকেই বাড়তি টাকা খরচ করে পুকুর ভাড়া বা শুষ্ক পুকুরে পানি দিয়ে পাট জাগ দিচ্ছেন। এতে বাড়ছে উৎপাদন খরচ।
উপজেলার মোল্যাডাঙ্গা গ্রামের কৃষক নাইমুল ইসলাম জানান, এবছর ২ বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছেন। প্রতিবছর যে খানায় পাট পঁচাতে দেন। সে স্থানটি শুকিয়ে ফেঁটে চৌচির। তাই বাধ্য হয়ে পুকুরের মাছ বিক্রি করে সেখানে জাগ দিচ্ছেন। তিনি বলেন পাটচাষীদের কথা চিন্তা করে এ এলাকার নদী খালগুলো খনন করা জরুরী।
খড়িকাডাঙ্গা গ্রামের ইনামুল ইসলাম জানান, তাদের বাড়ির পাশের ডোবা খানায় পানি তুলে বেশ কয়েক জন কষাকষি করে জাগ দিয়েছেন।
মনোহরপুর গ্রামে আতিয়ার রহমান জানান, মোট ২৪ জন পাটচাষী গ্রামের সুলতান মাহামুদের মাঠের একটি ডোবা খানা ভাড়া নিয়ে স্যালোমেশিনে পানি সেচ দিয়ে সবাই পাট পঁচাচ্ছেন। এ জন্য তাদেরকে জায়গা ভাড়াবাবদ মোট ৫ হাজার টাকা দিতে হয়েছে।
ঈশ^রবা গ্রামের পাটচাষী আকিদুল ইসলাম জানান, গতবারের তুলনায় এবার পাটের ফলন ভালো হয়েছে। কিন্তু জলাশয়ে পানির অভাবে পাট জাগ দিতে পারছি না। মাঠে পাট কেটে ফেলিয়ে রাখা হয়েছে। রোদে পাট শুকিয়ে যাচ্ছে। এতে পাটের রং আকর্ষনীয় হবে না। ফলে অপেক্ষাকৃত কম দামে পাট বিক্রি করতে হবে।
অধিকাংশ কৃষকের ভাষ্য,আগের দিনের মত গ্রামের পতিত জলাশয় নেই বললেই চলে। এগুলো সব ভরাট করে চাষাবাদের উপযোগী হয়ে গেছে। আবার কেউ কেউ বাধ্য হয়ে হাঁটু পানি কাঁদার মধ্যে ডুবিয়ে পাট পঁচাচ্ছেন। বৈশি^ক জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে এখন আর আগের দিনের মত বর্ষা মৌসুমে ভারী বৃষ্টি হয় না। এদিকে প্রত্যন্তাঞ্চলের নদী খালগুলো সব ভরাট হয়ে গেছে। এমন অবস্থা ঝিনাইদহ কালীগঞ্জসহ পাট উৎপাদনের বিশেষ এলাকা খ্যাত বৃহত্তর দক্ষিণাাঞ্চালের সমস্ত নদী ও খালগুলো খনন হওয়া দরকার। এটা করতে পারলেই সত্যিই ফিরে আসবে সোনালী আঁশের সেই সোনালী দিন।
কালীগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শিকদার মোহায়মেন আক্তার জানান, পাট পঁচাতে বৃষ্টির পানির কোন বিকল্প নেই। কিন্ত এবছর বর্ষা মৌসুমে পানি নেই বললেই চলে। ফলে পাট পঁচাতে পারছেন না কৃষকেরা। কিন্তু রিবন রেটিং পদ্ধতিতে অল্প পানিতে পাট পঁচানো যায়। তিনি বলেন, রিবন পদ্ধতিতে পাট পঁচানোর পরামর্শ দিচ্ছেন।
দুই ছাগল চোর জেলে
এস.এম মজনু, পাটকেলঘাটা
ছাগল চুরি করতে গিয়ে জনতার হাতে গনধোলাই দিয়ে অবশেষে এলাকাবাসী পুলিশের হাতে তুলে দেয়। পুলিশ দুই ছাগল চোরকে মামলা দিয়ে জেল হাজতে পাঠিয়ে দেয়।
জানাগেছে গতকাল বিকাল ৪ টার দিকে পাটকেলঘাটা ত্রিশমাইল নামক স্থানে রাস্তার পাশে কাপাসডাঙ্গা গ্রামের দুলাল মিস্ত্রির দুটি ছাগল ঘাস খাওয়ার জন্য বেধে রাখে। আসে পাশে কেও না থাকায় সাতক্ষীরা সদরের তালতলা গ্রামের ফারুক হোসেনের পুত্র আল আমিন (২৩) ও পাশের গ্রাম গোপিনাথপুর গ্রামের মুজিবর রহমানের পুত্র মিলন (২১) দুই বন্ধু মিলে দুই ছাগল খুটি উপড়ে চুরি করে নিয়ে যাওয়ার পথে পাটকেলঘাটা ওভারব্রিজ এলাকায় আসলে এলকাবাসী তাদেরকে ধরে ফেলে। পরে থানা পুলিশের হাতে সোপর্দ করে। থানা পুলিশ এদেরকে ছাগল চুরির মামলা দিয়ে জেল হাজতে প্রেরন করে।
কুয়েটে “আইসিআইসিটিডি ২০২২” শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) ৩০ জুলাই শনিবার দুই দিনব্যাপী ১ম “ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন ইনফরমেশন এন্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি ফর ডেভেলপমেন্ট (আইসিআইসিটিডি ২০২২)” শীর্ষক আন্তর্জাতিক কনফারেন্স এর সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। কুয়েটের ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন এন্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজী (আইআইসিটি) এর আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রনিক্স এন্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সেমিনার কক্ষে কনফারেন্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন ইউজিসি এর সম্মানিত সদস্য প্রফেসর ড. মোঃ সাজ্জাদ হোসেন। প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুয়েটের মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. কাজী সাজ্জাদ হোসেন। কনফারেন্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে অন্যানোর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন টিপিসি চেয়ার জাহাঙ্গীরনগর বিশ^বিদ্যালয়ের সিএসই বিভাগের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শরিফ উদ্দিন, জেনারেল চেয়ার কুয়েট আইআইসিটি এর ডাইরেক্টর প্রফেসর ড. মহিউদ্দিন আহমাদ এবং কনফারেন্সের জেনারেল সেক্রেটারী প্রফেসর ড. মনির হোসেন। অনুষ্ঠানের প্রধান পৃষ্ঠপোষক বিশ^বিদ্যালয়ের মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. কাজী সাজ্জাদ হোসেন আইসিআইসিটিডি-২০২২ এর অংশগ্রহনকারীদের মধ্যে প্রফেসর ড. মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ বেস্ট পেপার এ্যাওয়ার্ড ও বেস্ট ফিমেল অথর এন্ড প্রেজেন্টেশন এ্যাওয়ার্ড তুলে দেন। উল্লেখ্য, ২৯-৩০ জুলাই দুই দিনব্যাপী এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ৪৩ ওরাল সেশন, ৫ টি কি-নোট স্পিচ, ৩ টি ইনভাইটেড টকস, ১ টি সেমিনার এবং ৩ টি পেরালাল ওরাল সেশন অনুষ্ঠিত হয়। কনফারেন্সে দেশ-বিদেশী গবেষক, শিক্ষক, দেশের স্বনামধন্য প্রকৌশলী ও প্রযুক্তিবিদগণ অংশগ্রহন করেছেন।
দেবহাটার কুলিয়ায় বহুতল বিশিষ্ট জামে মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন
কে এম রেজাউল করিম দেবহাটা
দেবহাটার কুলিয়ায় বহুতল বিশিষ্ট জামে মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার ৩০ জুলাই, ২২ ইং তারিখ সকাল সাড়ে ৮টায় কুলিয়ার প্রায় ২শত ৫০ বছরের অধিক পুরানো মসজিদটির আধুনিকায়ন ও বহুতল বিশিষ্ট করনের লক্ষ্য নিয়ে ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করা হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করেন দেবহাটা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও সাবেক দেবহাটা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এডঃ গোলাম মোস্তফা। তিনি এসময় বলেন, এই মসজিদে তাদের পিতা, পিতামহ ও প্রপিতামহগন নামায আদায় করেছেন। তাদের পূর্ব পুরুষদের স্পর্শ বিজড়িত এই মসজিদটি দ্রুত নির্মানে তিনি এলাকাবাসীসহ উপজেলার সকল ধর্মপ্রান মানুষদের সহযোগীতা কামনা করেন। তিনি বলেন, মসজিদ আল্লাহর ঘর, এখানে সকলে সহযোগীতা ও আন্তরিকতা দেখালে দ্রুত মসজিদ নির্মান করা সম্ভব হবে ইনশাল্লাহ। এসময় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মসজিদ কমিটির সভাপতি আলহাজ¦ আব্দুল খালেক। উপস্থিত ছিলেন মসজিদ কমিটির সাধারন সম্পাদক বাবলু রহমান, কুলিয়ার ৫নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোশাররফ হোসেন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আব্দুল মান্নান, ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আলী, ব্যবসায়ী আলহাজ¦ আব্দুস সামাদ, দক্ষিন কুলিয়া ঈদগাহ কমিটির সভাপতি মজনুর রহমান, জাকির হোসেন, দেলদার রহমানসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। ভিত্তিপ্রস্তর শেষে মোনাজাত পরিচালনা করেন এলাকার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক আলহাজ¦ আবুল হাসান।
দেবহাটার সখিপুর-পারুলিয়া বস্ত্র ব্যবসায়ী সমিতির বার্ষিক সভা ও কমিটি গঠন
কে এম রেজাউল করিম দেবহাটা (সাতক্ষীরা)
দেবহাটা উপজেলার সখিপুর-পারুলিয়া বস্ত্র ব্যবসায়ী সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভা ও নতুন কমিটি গঠন হয়েছে। ব্যবসায়ী সমিতির নিজস্ব কার্য্যালয়ে শুক্রবার সন্ধ্যায় পারুলিয়া বাজারের স্বপ্নধরা মার্কেটে এই সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় সখিপুর-পারুলিয়া বাজারের সকল বস্ত্র ব্যবসায়ীদের মতামতের ভিত্তিতে পুরানো কমিটিকে বিলুপ্ত ঘোষনা করে নতুন কমিটি গঠন করা হয় । উক্ত কমিটিতে আজিজুল হককে সভাপতি করে ও মোস্তাফিজুর রহমান মিঠুকে সধারন সম্পাদক করে যথাক্রমে সহ- সভাপতি আব্দুর রহিম, সহ- সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ মেহেদি জামান, দপ্তর সম্পাদক আবু সাইদ, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, প্রচার সম্পাদক রফিকুল ইসলাম পাখিসহ সদস্য হিসেবে আছেন শেখ আব্দুল মুহিত, দীলিপ কুমার, মোস্তাফিজুর রহমান। উক্ত কমিটির উপদেষ্টামন্ডলির সদস্য হলেন সখিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সখিপুর বাজার কমিটির সভাপতি সাইফুল ইসলাম, পারুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও পদাধিকার বলে পারুলিয়া বাজার কমিটির সভাপতি গোলাম ফারুক বাবু, পারুলিয়া বাজার কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের মহিউদ্দিন, সখিপুর বাজার কমিটির সাধারন সম্পাদক আবু রায়হান তিতু ও খলিলুর রহমান।
রূপসায় উপজেলা যুবলীগের উদ্যোগে শেখ সোহেলের সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল
রূপসা প্রতিনিধিঃ
রূপসায় খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদীর ব্যবস্থপনায় বঙ্গবন্ধুর ভ্রাতুষ্পুত্র, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক শেখ সোহেলের সুস্থ্যতা কামনায় দোয়া মাহফিল ৩০ জুলাই বাদ আসর উপজেলা আওয়ামীলীগের কার্য্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা যুবলীগ আয়োজিত দোয়া মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক এবিএম কামরুজ্জামান।
এসময় উপস্থিত ছিলেন রূপসা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ কামাল উদ্দীন বাদশা,আওয়ামীলীগ নেতা মোর্শেদুল আলম বাবু,জেলা যুবলীগ নেতা নাসির হোসেন সজল, সরদার নুরুজ্জামান,যুবলীগ নেতা মোল্যা কামরুল ইসলাম, আশিষ রায়, হারুনুর রশিদ, মোঃ ফরিদ শেখ,সাইদুর রহমান ছগির, বাসুদেব রায় চৌধূরী,বাদশা মিয়া, কামরুজ্জামান সোহেল,এমপির প্রধান সমন্বয়ক ও যুবলীগ নেতা নোমান ওসমানী রিচি, সুব্রত বাগচী, সরদার জসীম উদ্দীন,বাদল মোল্যা, মেঝবাবুর রহমান, রবিউল ইসলাম,তারেক আজিজ, মোঃ আবুল কালাম আজাদ,রতন মন্ডল,মল্লিক শাহনেওয়াজ কবীর টিংকু,খায়রুজ্জামান সজল, সাইফুল ইসলাম শাওন,শারাফাত হোসেন উজ্জল, মোস্তাফিজুর রহমান হেলাল,আরাফাত হোসেন সাকিব, আঃ করিম শেখ,আশিক ইকবাল,মুসা লস্কর,খান মারুফ হোসেন,মইনুল ইসলাম নিয়ন,এহতেশামুল হক অপু,আশিষ বিশ্বাস, রহিম মিনা, ইন্দ্রজিত বিশ্বাস, ইখতিয়ার লস্কর, ইউসুফ শেখ,কৃষ্ণ শীল,মাহমুদা খাতুন,মুরাদ মোল্যা, রায়হান ফকির, ফারুক শেখ, সাইফুল ইসলাম,সোহেল ব্যাপারী, আঃ আজিজ শেখ, মোঃ ওলিয়ার,বাবু শিকদার,শাহনেওয়াজ হোসেন মিলন,সুমন শেখ, মুরাদ শেখ,আকাশ মোল্যা প্রমূখ। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কাজদিয়া বাজার জামে মসজিদের ইমাম মোঃ গোলাম মোস্তফা।
বৃহত্তর খুলনার ইতিহাস গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন
খবর বিজ্ঞপ্তি
মোহাম্মদ রেজওয়ানউল হক রচিত বৃহত্তর খুলনার ইতিহাস গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠান শনিবার উমেশচন্দ্র পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনার জেলা প্রশাসক মোঃ মনিরুজ্জামান তালুকদার।
প্রধান অতিথি তাঁর বক্তৃতায় বলেন, বইটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের যারা ইতিহাস পছন্দ করেন ও ইতিহাস নিয়ে কাজ করেন তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। খুলনার সামগ্রীক উন্নয়নে এবং আমরা সামনের খুলনাকে কিভাবে দেখতে চাই এই বইটি বিশেষ অবদান রাখবে। বইটি পাঠক আকৃষ্ট হবে। বইপড়া ও বইকেনার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারলে নতুন প্রজন্ম সমৃদ্ধশালী হবে। পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পরে দক্ষিণাঞ্চল এখন আর পিছিয়ে পরা অঞ্চল নয়।
খুলনা উমেশচন্দ্র পাবলিক লাইব্রেরির সহসভাপতি রোজী রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আলোচক ছিলেন উমেশচন্দ্র পাবলিক লাইব্রেরির সহসভাপতি প্রফেসর মোহাম্মদ মাজহারুল হান্নান। স্বাগত জানান লাইব্রেরির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আনোয়ারুল কাদির। গ্রন্থের রচয়িতা মোহাম্মদ রেজওয়ানউল হক অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বৃহত্তর খুলনার ইতিহাস গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করেন।
ফকিরহাট উপজেলা প্রশাসনের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান
ফকিরহাট প্রতিনিধি।
বাগেরহাটের ফকিরহাট সদর বাজার থেকে ভৈরব নদীতে যাওয়ার একটি রাস্তার উপর একটি মহল ৫০বছর আগে অবৈধ ভাবে একটি পাঁকা ঘর নির্মাণ করেন। যে কারনে উক্ত পথ দিয়ে নদীতে যাতায়াতে সীমাহিন সমস্যার সৃষ্টি হয়ে আসছিল। ওই বাজারের দোকানদার ও ব্যবসায়িরা বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করেন। এরই পেক্ষিতে শনিবার (৩০জুলাই) সকাল ১০টায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মনোয়ার হোসেনের হস্তক্ষেপে রাস্তার উপর নির্মিত অবৈধ পাঁকা ঘরটি উচ্ছেদ করা হয়। ঘরটি উচ্ছেদ ও রাস্তাটি চলাচলে উন্মুক্ত করায় উপজেলা প্রশাসনকে সাধুবাদ জানিয়েছেন বিভিন্ন দোকানদার ও ব্যবসায়ী মহল।
স্থানীয়রা জানান, হারুনার রশিদ নামের এক ব্যবসায়ী গোডাঊন হিসেবে ব্যববহার করে আসছিলনে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিদের্শে তিনি গোডাউন থেকে সকল মালামাল সরিয়ে নেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মনোয়ার হোসেন বলেন, দীর্ঘ ৫০বছর ধরে রাস্তার উপর অবৈধ ঘর থাকায় ভৈরব নদীতে চলচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়ে আসছিল। এদিন ঘরটি উচ্ছেদ করে রাস্তাটি উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। তিনি আরো বলেন, জেলা প্রশাসকের নির্দেশ রয়েছে খালসহ হাট-বাজার ও রাস্তার পাশে সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে হবে। তাই যেখানে অবৈধ স্থাপনা দেখা যাবে সেখানে অভিযান পরিচালনা করে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে। আর এই অভিযান চলমান থাকবে বলেও তিনি জানান।
ফকিরহাটে শিক্ষাবিদ প্রদ্যুৎ কুমার দাশ’র স্মরণ সভা
ফকিরহাট প্রতিনিধি।
বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার বেতাগা ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে বেতাগা ইউনাইটেড মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ প্রদ্যুত কুমার দাশ এর স্মরণ সভা শনিবার সকাল সাড়ে ১১টায় ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ ইউনুস আলী শেখ এর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি স্বপন দাশ। বিশেষ অতিথি ছিলেন শেখ হেলাল উদ্দীন ফাউন্ডেশন এর সভাপতি অধ্যক্ষ অমিত রায় চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ মোস্তাহিদ সুজা, শেখ হেলাল উদ্দীন কলেজের অধ্যক্ষ বটু গোপাল দাস, উপজেলা আ’লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ (সাহেব মল্লিক)।
সহকারী শিক্ষক মোঃ নাজমুল হুদার সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ দাশ শিশির কুমার, অধ্যক্ষ শ ম নাসিম উদ্দিন মাহাতাব, উপজেলা আ’লীগের সহ সভাপতি দুলাল চন্দ্র দাশ, বেতাগা ইউনাইটেড মাধ্যমিক বিদ্যালয় এর সভাপতি মোঃ নজরুল ইসলাম, শুভদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ ফারুকুল ইসলাম, প্রধান শিক্ষক বিধান চন্দ্র দাশ, সরদার মোঃ হাফিজুর রহমান, মোঃ শহীদুল্লাহ শেখ, প্রজিত কুমার মজুমদার, অবসরপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ সুরেশ চন্দ্র দাশ, বেতাগা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ তৌফিকুল ইসলাম, এস এম আলফাজ মেহবুব, মহিলা সদস্য রাফেজা বেগম ও শিক্ষিকা নীলুফার ইয়াসমিন প্রমুখ। উল্লেখ্য প্রদ্যুৎ কুমার দাশ গত ১৭ জুলাই খুলনার আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালে লিভার ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন।
কেশবপুরে ইটের ভাটার জমিতে ঘেরের ভেড়িবাঁধ নির্মাণ বন্ধে আদালতের নিষেধাজ্ঞা
স্টাফ রিপোর্টার:
যশোর কেশবপুরে হামজা ব্রিকসের জমিতে জোরপূর্বক মাছের ঘেরের ভেড়িবাঁধের নির্মাণ কাজ একটি মহল চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। থানায় অভিযোগ দিয়েও নির্মাণ কাজ বন্ধ না হওয়ায় অবশেষে আদালতের নির্দেশে পুলিশ ওই জমিতে ১৪৪ ধারা জারি করেছে। আদালত জমির প্রকৃত দখলদার কে তা সরেজমিনে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্যে কেশবপুর থানা পুলিশকে নির্দেশনা দিয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালে খুলনার খালিশপুর এলাকার মৃত আব্দুর রশিদ মিয়ার ছেলে হুমায়ুন কবীর উপজেলার সীমান্তবর্তী আগরহাটি গ্রামের শ্রী নদীর অববাহিকার প্রকৃত কৃষকদের ৪০ বিঘা জমি ইজারা নিয়ে মেসার্স হামজা ব্রিকস নামের একটি ইটভাটা স্থাপন করে ইট উৎপাদন ও বিকিকিনির কাজ চালিয়ে যাচ্ছিলেন। ভাটাটি স্থাপনকালে ভাটা মালিকের কাছে মোটা অংকের টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলো ওই এলাকার ফকির চাঁদ বিশ্বাসের ছেলে শিমুল বিশ্বাস ও শংকর বিশ্বাস। চাঁদার টাকা না দেয়ায় ২০২১ সালের ৭ জানুয়ারি রাতে শিমুল বিশ্বাসের নেতৃত্বে শংকর বিশ্বাস, ফকির চাদ বিশ্বাস, সাধনা বিশ্বাস, শরিফুল মোল্লা, আক্তার হোসেন গোলদার, মহাসিন মোল্লাসহ ৭/৮ জন যুবক লাঠিসোটা নিয়ে ভাটার ম্যানেজার তপন চক্রবর্তীসহ অন্যান্য কর্মচারীদের মারপিট ও ভয়ভীতি, হুমকি দিয়ে চলে যায়। এ ঘটনায় হুমায়ুন কবীর বাদি হয়ে শিমুল বিশ্বাসসহ ৯ জনের নামে কেশবপুর থানায় একটি চাঁদাবাজির মামলা করে (নং-১২, তাং- ১৮/০১/২০২১)। যা এখন আদালতে বিচারাধীন বলে বাদী জানান। এ নিয়ে ভাটা মালিকের সাথে শিমুল বিশ্বাসের বিরোধের সৃষ্টি হয়। এরই সূত্র ধরে শিমুল বিশ্বাস একের পর এক ওই ভাটার ক্ষতি সাধন করে চলেছে।
ভাটা মালিক হুমায়ুন কবীর অভিযোগ করেন, ভাটার ভেতর শিমুল বিশ্বাসের কোন জমি নেই। অথচ সে সম্পূর্ণ গায়ের জোরে ভাটার জমিতে মাছের ঘেরের ভেড়িবাঁধ করার নামে আমার লাখ লাখ টাকার কাঁচা ইট নষ্টসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দিয়ে ক্ষতিসাধন করে আসছে। তারা এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী। এরই ধারাবাহিকতায়, গত ১৫ জুলাই সকালে শিমুল বিশ্বাস লোকজন নিয়ে ভাটার জমি জবর দখল করে মাছের ঘেরের ভেড়িবাঁধ নির্মাণ কাজ চালিয়ে যেতে থাকে। এ সময় ভাটা মালিক হুমায়ুন কবীর লোকজন নিয়ে বাঁধা দিলে তাদেরকে ভয়-ভীতি ও হুমকি দিয়ে তাড়িয়ে দিয়ে ভেড়িবাঁধের নির্মাণ কাজ অব্যাহত রাখে। এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা ভঙ্গের আশঙ্কায় ভাটার জমিতে প্রতিপক্ষের কার্যক্রম বন্ধে ভাটা মালিক ১৪৪ ও ১৪৫ ধারায় যশোর অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা করেন (নং-১৪৬, তাং- ২৪/০৭/২০২২)। গত ২৪ জুলাই আদালতের নির্দেশে কেশবপুর থানাধীন ভেরচি ফাঁড়ি ইনচার্জ মইনুল ইসলাম বিরোধীয় জমিতে আদালতের নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। আগামী ২৭ নভেম্বর মামলার পরবর্তী শুনানীর দিন ধার্য করা হয়েছে বলে বাদীর আইনজীবী যুথিকা ঘোষ জানান।
কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বোরহান উদ্দিন বলেন, ভাটাটি নিয়ে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দেয়ায় বর্তমান এর কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। ভাটার জমিতে মাছের ঘেরের ভেড়িবাঁধ নির্মাণ কাজ বন্ধে আদালতের নির্দেশে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। নির্দেশনা অমান্য করলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
দৌলতপুর বীণাপাণী স্কুলে শিক্ষার্থীদের মাঝে ছায়াবৃক্ষের গাছের চারা বিতরণ
খবর বিজ্ঞপ্তি
শনিবার বেলা সাড়ে ১২টায় পরিবেশবাদী সংস্থা ছায়াবৃক্ষের পক্ষ থেকে খুলনার দৌলতপুরস্থ সরকারি বীণাপাণী স্কুলের শিক্ষার্থীদের মাঝে দেশি জাতের ফলোজ গাছের চারা বিতরণের মধ্য দিয়ে এ বছরের বৃক্ষরোপণ ও বিতরণ কর্মসূচি শুরু করা হয়েছে। এ উপলক্ষে স্কুল প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা শেপালী খানম। সংগঠনের প্রধান নির্বাহী মাহবুব আলম বাদশার পরিচালনায় অনুষ্ঠানে অংশ নেন স্কুলের সহকারি শিক্ষক ফাতেমা খাতুন ও ফালল্গুনী সাহা, ছায়াবৃক্ষের সদস্য রবিউল ইসলাম বিপ্লব, মনির হোসেন, আঃ সোবহান, ইফতেখার আজম, ফেরদৌস নবীন, খলিলুর রহমান সুমন, আর.জি উজ্জল, মারুফ হোসেন রাব্বী প্রমূখ। সভা শেষে শিক্ষার্থীদের মাঝে দেশী ফলোজ গাছের চারা বিতরণ করা হয়।
প্রচন্ড তাপদাহে অতিষ্ঠ মোংলার উপকূলের মানুষ
মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
মোংলায় কয়েকদিন ধরে চলছে প্রচন্ড তাপদাহ। সূর্য্যরে প্রখর তাপে এখানকার মানুষজন যেন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন। একদিকে গরম অন্যদিকে বিদ্যুৎতের লোডশেডিং মানুষকে সীমাহীন দুর্ভোগে ফেলেছেন। শনিবারের তাপদাহে স্বস্তি পেতে ছোট বুড়ো সবাই পানিতে ও গাছের ছায়ায় অবস্থান করছেন। গরমে রাস্তাঘাটেও লোকজন কম। তাপদাহে ঘরেও থাকতে পারছেনা মানুষ। বয়স্ক ও শিশুদের দেখা গেছে পুকুরের পানিতে নেমে স্বস্তি নিতে। কিন্তু প্রচন্ড রোদ্রে পুকুরের পানিও উত্তপ্ত হয়ে গেছে। তাই পুকুরের পানিতেও যেন স্বস্তি মিলছেনা মানুষের।
পৌর শহরের কবরস্থান রোড এলাকার বাসিন্দা মো: আক্কাস আলী বলেন, এখন শ্রাবণ মাস চলছে, বৃষ্টি তো হচ্ছেই না উল্টো প্রচন্ড গরম। গরমে ঘরবাড়ীতে থাকা যাচ্ছেনা। তাই নাতি-পুতনিদের নিয়ে পুকুরের পানিতে নেমে বসে আছি। পুকুরের পানিও গরম।
দিগন্ত কলোনীর বাসিন্দা কাঞ্চন মাঝি বলেন, রোদ্রের যন্ত্রনায় টিকতে পারছিনা। কবরস্থান সরকারী পুকুরের ঘাটে পানিতে নেমে বসে আছি। পুকুরের পানিও একহাত নিচে পর্যন্ত গরম।
এছাড়া অবলা প্রাণীদেরও দেখা গেছে গাছের ছায়ায় আশ্রয় নিতে। গরমে ছুটাছুটি করছে প্রাণীকুলও। শনিবার দুপুরে বন্দরের প্রশাসনিক ভবন এলাকায় দেখা গেছে একটি গুইসাপ গরমে মাটির উপর থেকে পাশের ড্রেনে নেমে পড়েছে ছায়ার স্বস্তি পেতে। আর পৌর শহরের সামছুল হক সড়কে গরু আশ্রয় নিয়েছে গাছের ছায়ায়। গরমেও পানি খেয়ে তৃঞ্চা মিটছেনা খেটে খাওয়া দিনমুজরদের। গরমে পানিশুণ্যতাসহ নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন লোকজন। তৃঞ্চা মিটানোর সুপেয় পানির সংকট রয়েছে পৌর শহরে।
পৌর শহরের ভ্যান চালক মো: মহিদুল ইসলাম বলেন, গরমে ভ্যান চালাতে কষ্ট হয়। একবার যাত্রী টেনে দশ মিনিট বিশ্রাম নিতে হচ্ছে। গরমে পানির পিপাসাও লাগছে। পিপাসা মিটানোর মতও খাবার পানি এখানে নেই। খাওয়ার যেন পানি সরবরাহ করা হয় তাও পরিমাণে খুব কম। তাতে আমাদের পরিপূর্ণ তৃঞ্চাও মিটাতে পারছিনা।
পৌরসভার শিকারীর মোড়ের বাসিন্দা মো: কবির বলেন, গরমে প্রচন্ড শরীর ঘামছে, পানিশুণ্যতা দেখা দিয়েছে। শরীর দুর্বল হয়ে পড়ছে। আর পানি তো লবণ তা খেয়েও পিপাসা মিটছেনা।
এছাড়াও গরমে মরার উপক্রম হয়েছে ঘেরের বাগদা চিংড়ি মাছ। আর দুরদুরান্ত থেকে মোংলার ঘের মালিকদের কাছে সাদা মাছ বিক্রি করতে ব্যবসায়ীরাও পড়েছেন চরম বিপাকে।
উপজেলার মিঠাখালী গ্রামের ঘের মালিক মোজাম্মেল ও নাজমুল হক বলেন, তাপদাহে ঘেরের পানি গরম হয়ে মাছ মরে যাওয়ার অবস্থা হয়েছে। যদি তাপদাহ না কমে এবং বৃষ্টি না হয় তাহলে ঘেরের মাছ মরে যাবে।
খুলনা ফুলতলা থেকে সাদা মাছ বিক্রি করতে আসা আব্দুল কুদ্দুস বলেন, গরমে হাড়ির মাছ মরে যাচ্ছে, তাই পুকুরের পানি তুলে হাড়ির পানি পাল্টাচ্ছি। তা না হলে হাড়ির মাছ গরমে সব মরে যাবে। এখানে পুকুরের পানিও ভাল না।
এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তরের (ঢাকা) আবহাওয়াবিদ ড. মো: আবুল কালাম মল্লিক বলেন, শনিবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস মোংলায়। এর আগে শুক্রবার দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল মোংলাতে ৩৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তিনি বলেন, এ তাপদাহ অবশ্য দুই একদিনের মধ্যে কমে যাবে।
রূপান্তর সাধারন পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত
খবর বিজ্ঞপ্তি
উন্নয়ন সংগঠন রূপান্তরের সাধারন পরিষদের সভা শনিবার বেলা ১১টায় সংগঠনের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফাজ্জেল হোসেন মঞ্জু। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক খান মোতাহার হোসেন। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা ওয়াটার-এইডের সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার রেভিন চাকমা। সভায় সাধারন সম্পাদকের রিপোর্ট উত্থাপন করেন সংগঠনের সম্পাদক স্বপন কুমার গুহ, আর্থিক প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন কোষাধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম খোকন। বক্তব্য রাখেন সাধারণ পরিষদের সদস্য, বিশিষ্ট শিল্পপতি এম. এম. এ সালাম, আব্দুস সবুর বিশ্বাস, অসীম কুমার পাল, সরদার আব্দুল লতিফ, বীর মুক্তিযোদ্ধা মিনা রাজীব উদ্দিন অহমেদ, দেবাশীষ কর্মকার, মর্জিনা বেগম, চমন আক্তার, এ্যাডভোকেট কানিজ ফাতেমা আমিন, নাসরিন সুলতানা লিমা, হাফিজ উদ্দিন মল্লিক, রুকসানা পারভীন। এছাড়াও সংগঠনের সিনিয়র কর্মকর্তাবৃন্দ সভায় উপস্থিত ছিলেন।
সভায় প্রধান অতিথি সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক খান মোতাহার হোসেন তার বক্তব্যে বলেন, রূপান্তর একটি ব্যতিক্রমধর্মী উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান হিসেবে তৃণমূল মানুষ বিশেষ করে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে উন্নয়নের মূল ধারায় সম্পৃক্ত করতে যে কর্মকান্ড পরিচালনা করছে সরকারসহ বিভিন্ন মহলে দারুনভাবে তা’ সমাদৃত হচ্ছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, মানুষকে পরনির্ভর নয়, স্বনির্ভর এবং অধিকার সচেনত করতে এ সংগঠনটি সরকারের সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। বিশেষ করে করোনাকালীন সময়ে রূপান্তর যে ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে তা’ সকলের কাছে সমাদৃত হয়েছে। সভায় সাধারণ পরিষদের সদস্যবৃন্দ করোনাকালীন পরিস্থিতি পরবর্তী বৈশ্বিক যুদ্ধকালীন অবস্থা এবং চলমান জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্চসমূহ মোকাবেলা এবং এ সকল অভিঘাতের সাথে রূপান্তরের নিবেদিত কর্মী বাহিনীর নিরলস প্রচেষ্টাকে অসাধারণ উদ্যোগ বলে অভিহিত করেন।
রামপালে মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে ডিজিটাল সার্টিফিকেট ও স্মার্ট কার্ড বিতরণ
রামপাল (বাগেরহাট) সংবাদদাতা
রামপাল উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধাগণের মাঝে ডিজিটাল সার্টিফিকেট ও স্মার্ট কার্ড বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার বেলা ১১ টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এসব সামগ্রী বিতরণ করেন খুলনা সিটি করপোরেশন এর মেয়র তালুকদার আবদুল খালেক।
রামপাল উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কবীর হোসেন এর সভাপতিত্বে ডিজিটাল সার্টিফিকেট ও স্মার্ট কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন সিটি করপোরেশনের মেয়র তালুকদার আবদুল খালেক।
এ সময় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সেখ মোয়াজ্জেম হোসেন, রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কবীর হোসেন, এসি ল্যান্ড শেখ সালাউদ্দিন দিপু, ওসি মোহাম্মদ সামসুদ্দীন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ আ. ওহাব, সহ সভাপতি মোল্লা আ. রউফ, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার অতিন্দ্র নাথ হালদার দুলাল, কমান্ডার মো. মোজাফফর হোসেন, বাইনতলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ ফকির, সদর ইউপি চেয়ারম্যান মো. নাসির উদ্দীন, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মনির আহমেদ প্রিন্স, প্রভাষক মোস্তফা কামাল পলাশ, প্রভাষক শাহনেওয়াজ, ছাত্রলীগের সভাপতি মো. হাফিজুর রহমান, গোলাম ইয়াছিন রাজু, মো. দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ। ওই সময়ে রামপালের ২২৯ মুক্তিযোদ্ধা মধ্যে ১৪৬ মুক্তিযোদ্ধার মাঝে ডিজিটাল সার্টিফিকেট ও স্মার্ট কার্ড বিতরণ করা হয়। ৮৩ জন প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধার পরিবার ও তাদের পোষ্যবর্গের মাঝেও ডিজিটাল সার্টিফিকেট ও স্মার্ট কার্ড বিতরণ করা হয়েছে। বিতরণ অনুষ্ঠানে সিটি মেয়র বলেন, সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের পুনর্বাসনসহ তাদের পোষ্যদের সরকারি সকাল সুযোগ সুবিধা দেয়া হয়েছে। জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের গৌরবগাথা, গৌরবোজ্জ্বল পরিচয়কে আগামী প্রজন্মের মধ্যে পরিচয় করানোর জন্য সরকার কাজ করে যাচ্ছে।
দাকোপের বাজারে এবার বেড়েছে মাছের দাম
বাজুয়া দাকোপ) প্রতিনিধি
খুলনার দাকোপসহ সকল উপজেলার বাজারে এবার বেড়েছে মাছের দাম।বাজারের ব্যবসায়ীরা জানায় সরবরাহ কম থাকায় বাজারে বেড়েছে মাছের দাম। বাড়তি দাম হওয়ায় বাজারে ক্রেতা সংকট দেখা দিয়েছে। এদিকে মাছের দাম না কমায় মুখ কালো করে দোকান ছাড়ছেন ক্রেতারা। পণ্যের বাড়তি দামে খুশি নন বিক্রেতারাও। খুলনার দাকোপসহ বিভিন্ন উপজেলার বাজার ঘুরে দেখা যায়, দেড় থেকে ২ কেজি ওজনের কাতল ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা, ২ থেকে ৪ কেজি ওজনের কাতল ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ৬০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ১ হাজার টাকা, বড় সাইজের বোয়াল ৭০০ টাকা, ছোট সাইজের বোয়াল ৫০০ টাকা, মৃগেল ২২০ থেকে ২৫০ টাকা, ৩ কেজি ওজনের দেশি রুই ৫৫০ টাকা, ছোট রুই ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা, গ্রাস কার্প ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, পাঙ্গাশ মাছ ১৮০ থেকে ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজারে কৈ দেশি মাছের কেজি ৫০০ টাকা, আইড় ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, বাছ মাছ ৬০০ টাকা, পাবদা ৫০০ টাকা, ট্যাংরা ৬০০ টাকা, চিতল ৬০০ টাকা, চাষের কৈ ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকা, দেশি শিং ১ হাজার টাকা, শোল ৫০০ টাকা, দেশি মাগুর ৬৫০ টাকা, চাষের শিং ৫০০ টাকা ও টাকি মাছ ৪৫০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। বাজুয়া বাজারের মাছ ব্যবসায়ী রবীন শীল বলেন, গত সপ্তাহের চেয়ে এই সপ্তাহে মাছের বাজার কিছুটা চড়া রয়েছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দিগরাজ ও মোংলা পাইকারি বাজারের ১২ থেকে ১৫টি মাছের ট্রাক আসত। আজ এসেছে মাত্র ৫টি। সরবরাহ কম থাকায় দামটাও একটু বেশি। আরেক মাছ ব্যবসায়ী মহাদেব বলেন, বর্তমানে বাজারে মাছের সরবরাহ কমে গিয়েছে। আর সরবরাহ কম থাকায় বেড়েছে মাছের দাম। দাম বাড়ায় বাজারে কমেছে ক্রেতার সংখ্যা।
মোংলায় একটি বিদ্যালয়ের নির্মাণাধীন সেফটি ট্যাংকির ডোবায় পড়ে শিশুর মৃত্যু
মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
মোংলায় ডোবায় পড়ে এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শনিবার সকালে মায়ের সাথে নানা বাড়ী বেড়াতে এসে দিগন্ত সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নির্মাণধীন সেফটি ট্যাংকি নির্মাণের জন্য খনন করা ডোবা পড়ে মৃত্যু হয় ২১ মাস বয়সের এ শিশুটির।
নিহত শিশুর মামা মানিক খাঁন জানান, পৌর শহরের কবরস্থান এলাকায় বসবাস করেন তার বোন খাদিজা বেগম (৪০)। শনিবার সকাল ৯টার দিকে খাদিজা বেগম তার ছোট শিশু সন্তান ইয়ামিন হোসেন (২১ মাস) কে নিয়ে দিগন্ত কলোনী এলাকায় বাবার বাড়ীতে বেড়াতে আসেন। শিশু ইয়ামিন নানা বাড়ী আসার পর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কলোনীর দিগন্ত প্রকল্প সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নির্মাণাধীন সেফটি ট্যাংকির ডোবায় পড়ে যান। এরপর খোঁজাখুজির এক পর্যায়ে ডোবার মধ্যে শিশুটির মরদেহ ভাসতে দেখে আত্মীয়স্বজনেরা উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। হাসপতালে নেয়া হলে কর্তৃপক্ষ শিশুকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ইয়ামিনের বাবা বাবুল হোসেন পেশায় একজন টমটম চালক। তার তিন ছেলের মধ্যে ইয়ামিন সবার ছোট।
নিহত শিশুর মামা মানিক বলেন, দিগন্ত সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার বিদ্যালয়ের সেফটি ট্যাংকি নির্মাণের জন্য দুই বছর আগে ৭/৮ ফুটের গভীরতার ডোবা করে রাখে। সেই ডোবায় পড়ে তার ভাগিনা মারা গেছে।
পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর জিএম আলআমিন বলেন, দিগন্ত স্কুলের তিনতলা বিশিষ্ট টয়লেট নির্মাণের কাজ করছেন ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান বিসমিল্লাহ এন্টারপ্রাইজ। তারা দুইতলা পিলার ও ছাদ দিয়ে রেখেছেন এবং সেফটি ট্যাংকির জন্য বড় ডোবা করে ফেলে রাখেন। ঠিকাদারের গাফিলতিতে সেই ডোবায় পড়ে এই শিশুটির মৃত্যু হয়েছে।
উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী সোহান আহমেদ বলেন, সংশ্লিষ্ঠ টিকাদারকে বার বার দ্রুত কাজ শেষ করার জন্য বলে হলেও তিনি তা করেননি। তাদের ওয়ার্ক অর্ডারের মেয়াদও শেষ হয়ে গেছে। ওই ঠিকাদরের এখানে চরম গাফিলতি রয়েছে, তাদের বার বার বলার পরও তারা কথা শোনেনি। এই ঠিকাদারের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেয়া যায় সেটা উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে এনিয়ে আলোচনা করছি।
ঠিকাদার প্রতিনিধি তুহিন আহমেদ তাদের গাফিলতির কথা স্বীকার করে বলেন, এটা নিছক দুর্ঘটনা, তারপরও শিশুটির পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেয়া হবে আমাদের পক্ষ থেকে।
এ বিষয়ে মোংলা থানার ওসি (তদন্ত) বিকাশ চন্দ্র রায় ঘোষ বলেন, দিগন্ত সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের টয়লেট নির্মাণের জন্য বড় ডোবা খুড়ে রাখেন সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার। এ ঘটনায় তদন্ত করে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি। নিহতের সুরতহাল রিপোর্ট করার পর দাফনের জন্য তার পরিবারকে অনুমতি দেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
খুবিতে ‘এ’ ইউনিটের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত
খবর বিজ্ঞপ্তি
গুচ্ছ পদ্ধতিতে দেশের ২২টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হয়েছে। ৩০ জুলাই (শনিবার) বেলা ১২টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ‘এ’ ইউনিটে বিজ্ঞান বিভাগের ভর্তি পরীক্ষা খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম দিনের পরীক্ষা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়।
এদিকে পরীক্ষা শুরু হলে ক্যাম্পাসে পরীক্ষার হল পরিদর্শন করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন। পরে তিনি সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন। উপাচার্য বলেন, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের দাবির প্রেক্ষিতে দ্বিতীয়বারের মতো গুচ্ছ পদ্ধতিতে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এতে ২২টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় অংশ নিচ্ছে। গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার ফলে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের খরচ ও ভোগান্তি বহুলাংশে কমেছে। আমরা শতভাগ সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এ পরীক্ষা গ্রহণ করছি। সার্বিক ব্যবস্থাপনায় আমরা সন্তুষ্ট।
তিনি বলেন, এবার ভর্তি পরীক্ষায় শিক্ষার্থীরা নিজেদের পছন্দ মতো নির্দিষ্ট একটি কেন্দ্র বাছাই করে পরীক্ষা দিচ্ছে। রেজিস্ট্রশন ও ভর্তি কার্যক্রমও এবার অনলাইনের মাধ্যমে সম্পন্ন হবে। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের এবার আর বাইরে যেতে হচ্ছে না। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে ‘এ’ ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষায় উপস্থিতির হার ৯৫ শতাংশেরও বেশি হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এসময় উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ হোসনে আরা, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (চলতি দায়িত্ব) শেখ শারাফাত আলী, জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) এস এম আতিয়ার রহমান উপস্থিত ছিলেন।
‘এ’ ইউনিটে গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে (খুবি) আসন সংখ্যা ছিল ৭ হাজার ৭৬৪ জন। যার মধ্যে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে রোল নং ১৭৪৩৩৫ থেকে ১৭৯৭৫৮ পর্যন্ত মোট ৫ হাজার ৪২৪ জন, রেভারেন্ড পলস্ হাই স্কুলে রোল নং ১৭৯৭৫৯ থেকে ১৮১২৭০ পর্যন্ত ১ হাজার ৫১২ জন ও হোপ পলিটেকনিক উপকেন্দ্রে রোল নং ১৮১২৭১ থেকে ১৮২০৯৮ পর্যন্ত ৮২৮ জন।
এছাড়াও আগামী ১৩ আগস্ট ‘বি’ ইউনিটে মানবিক এবং ২০ আগস্ট ‘সি’ ইউনিটে বাণিজ্য বিভাগের ভর্তি পরীক্ষা শুধুমাত্র খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হবে।
শেখ সোহেলের সুস্থতায় কামনায় মহানগর আওয়ামী লীগের দোয়া অনুষ্ঠিত
খবর বিজ্ঞপ্তি
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভ্রাতুষ্পুত্র, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রিয় কার্যনির্বাহী সংসদের প্রেসিডিয়াম মেম্বর ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক শেখ সোহেল হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন। তাঁর সুস্থ্যতা ও দীর্ঘায়ু কামনায় গতকাল শনিবার সন্ধ্যা ৭টায় দলীয় কার্যালয়ে মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক। খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানার উপস্থাপনায় দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা কাজী এনায়েত হোসেন, বেগ লিয়াকত আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ শহিদুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেন মিন্টু, বীর মুক্তিযোদ্ধা শ্যামল সিংহ রায়, এ্যাড. আইয়ুব আলী শেখ, বীর মুক্তিযোদ্ধা নুর ইসলাম বন্দ, আবুল কালাম আজাদ, অধ্যক্ষ শহিদুল হক মিন্টু, জামাল উদ্দিন বাচ্চু, শেখ মো. আনোয়ার হোসেন, মো. শাহজাদা, মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ, কাউন্সিলর জেড এ মাহমুদ ডন, এ্যাড. অলোকা নন্দা দাস, বীর মুক্তিযোদ্ধা মাকসুদ আলম খাজা, শেখ ফারুক হাসান হিটলু, শেখ মো. জাহাঙ্গীর আলম, শেখ ইউনুস আলী, কামরুল ইসলাম বাবলু, বিরেন্দ্র নাথ ঘোষ, মো. মফিদুল ইসলাম টুটুল, শেখ নুর মোহাম্মদ, মোজাম্মেল হক হাওলাদার, অধ্যা. রুনু ইকবাল, মাহবুবুল আলম বাবলু মোল্লা, এ্যাড. মো. সাইফুল ইসলাম, শেখ সৈয়দ আলী, সিদ্দিকুর রহমান বুলু বিশ্বাস, শেখ আবিদ হোসেন, কাউন্সিলর ফকির মো. সাইফুল ইসলাম, মনিরুল ইসলাম বাশার, তসলিম আহমেদ আশা, এস এম আনিছুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলর আব্দুূল ওয়াদুদ, এস এম আকিল উদ্দিন, এ্যাড. এ কে এম শাহজাহান কচি, রনজিত কুমার ঘোষ, এ্যাড. সুলতানা রহমান শিল্পী, এম এ নাসিম, মো. সফিকুর রহমান পলাশ, অধ্যা. এ বি এম আদেল মুকুল, এস এম আসাদুজ্জামান রাসেলসহ থানা ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ। দোয়া পরিচালনা করেন হাফেজ মো. আব্দুর রহীম।
পাইকগাছায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে চা দোকানদারের মৃত্যু
প্রতিনিধি পাইকগাছা
পাইকগাছায় কেটলিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে চা দোকানদারের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার দুপুর ১২ টায় পৌরসভার জিরোপয়েন্ট নামক স্থানে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায থানায় অপমৃত্যু হয়েছে।
জানাগেছে, সোলাদানা ইউনিয়নের ভিলেজ পাইকগাছার বারিক সরদারের ছেলে আব্দুল কাদের পৌরসভার জিরো পয়েন্ট নামক স্থানে একটি চা দোকান রয়েছে। শনিবার দুপুর ১২ টায় চা কেটলিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ঘটনাস্থলে সে মারা যায়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে সুরতহাল রিপোট শেষে থানায় অপমৃত্যু করেছে। পাইকগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ জিয়াউর রহমান জানান কারোর কোনঅভিযোগ না থাকায় লাশ পরিবারের নিকট দেয়া হয়েছে।
খুলনায় ময়লার গাড়ির ধাক্কায় সাইকেল আরোহী নিহত
স্টাফ রিপোর্টার
খুলনা জিরো পয়েন্ট এলাকায় খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ময়লাবাহী গাড়ির ধাক্কায় সাইকেল আরোহী আব্দুল জলিল (৬০) নিহত হয়েছেন। শনিবার বেলা ১০টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
হরিণটানা থানার ওসি মো. ইমদাদুল হক জানান, আব্দুল জলিল কৈয়া বাজারের দিক থেকে জিরো পয়েন্টের দিকে আসছিলেন। জিরো পয়েন্টের কাছাকাছি শিকদার ফিলিং স্টেশনের সামনে একটি ট্রাকের ধাক্কায় তিনি ঘটনাস্থলে নিহত হন। স্থানীয় লোকজন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ময়লাবাহী একটি গাড়ি আটক করে। পরে সেটি পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। আব্দুল জলিল নগরীর সোনাডাঙ্গা তৃতীয় আবাসিক এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।
খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো. আব্দুল আজিজ জানান, নগরী থেকে ময়লা বোঝাই একটি ট্রাক ময়লা রাজবন্ধ এলাকায় ডাম্পিং করার জন্য যাচ্ছিল। সেই ট্রাকের ধাক্কায় একজন নিহত হয়েছে বলে তিনি শুনেছেন। তবে সেই ট্রাকটি দুর্ঘটনার পর রাজবন্ধ চলে যায়। পরে আরেকটি ট্রাক ময়লা নিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় লোকজন সেটিকে আটক করে। বিষয়টি তিনি থানায় জানিয়েছেন।
কমরেড রতন সেনের ৩০তম হত্যাবার্ষিকী রবিবার
স্টাফ রিপোর্টার
প্রখ্যাত কমিউনিস্ট নেতা, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)’র কেন্দ্রীয় সম্পাদক ম-লীর সদস্য ও খুলনা জেলা কমিটির সাবেক সভাপতি, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক কমরেড রতন সেনের ৩০তম হত্যাবার্ষিকী রবিবার। ১৯৯২ সালের ৩১ জুলাই খুলনার ডিসি-এসপি অফিসের সামনে ঘাতকরা নির্মম নিষ্ঠুরভাবে তাঁকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে।
কমরেড রতন সেনের জন্ম ১৯২৩ সালের ৩ এপ্রিল। তিনি ১৯৪২ সালে বিএল কলেজ থেকে জেলে বসে ডিস্টিংশনসহ বিএ পাশ করেন। তিনি ছিলেন তৎকালীন কলেজের ছাত্র নেতা। ১৯৪৩ সালে বটিয়াঘাটা বয়ারভাংগার বিশ্বম্ভর স্কুলে ও পরে রূপসার আজাগড়া স্কুলে শিক্ষকতা করেন। রাজনৈতিক কারণে ৫০ বছর রাজনৈতিক জীবনে ২৩ বছর তিনি জেলে অথবা আত্মগোপনে ছিলেন।
কমরেড রতন সেনের হত্যাবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) খুলনা জেলা কমিটি রবিবার বিকেল ৪টায় শহীদ হাদিস পার্কের সামনে পি সি রায় রোডে জমায়েত, কমরেড রতন সেন স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদন ও হত্যা ন্যায় বিচারের দাবিতে লাল পতাকার মিছিল অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া রতন সেন পাবলিক লাইব্রেরি, রতন সেন কলেজিয়েট স্কুল, ছাত্র ইউনিয়ন, যুব ইউনিয়ন, টিইউসি, কৃষক সমিতি, ক্ষেত মজুর সমিতি, উদীচীসহ বিভিন্ন গণসংগঠন শ্রদ্ধা নিবেদন এবং নানা কর্মসূচির আয়োজন করেছে।











































