Home বিনোদন মণিহার সিনেমা হলও ভেঙে ফেলা হচ্ছে

মণিহার সিনেমা হলও ভেঙে ফেলা হচ্ছে

22


বিনোদন প্রতিবেদক।।
দেশের সবচেয়ে বড় ও নামকরা সিনেমা হলমণিহারও বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। ৪২ বছরের ঐতিহ্যবাহী এই প্রেক্ষাগৃহটি ভেঙে সেখানে মার্কেট এবং আবাসিক হোটেল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন হলটির মালিকপক্ষ। মণিহারের মালিক জিয়াউল ইসলাম মিঠু জানান, গত ঈদের পর বেশ মন্দা সময় পার করছেন তারা। সিনেমা না থাকায় এখন হলটিতে কলকাতার সিনেমা চালাতে হচ্ছে। তাতেও দর্শক মিলছে না। সিঙ্গেল হলটি ছাড়াও একটি মাল্টিপ্লেক্স হল ‘মণিহার সিনেপ্লেক্স’ থাকায় সেটি চালু রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা।

গ্যাস সিলিন্ডারে মিলল ৪৪ হাজার ইয়াবা, দুই কারবারি আটক গ্যাস সিলিন্ডারে মিলল ৪৪ হাজার ইয়াবা, দুই কারবারি আটক
তিনি বলেন, এখন তো ছবি নেই, ছবি না থাকলে হল কিভাবে চালাব। এখন কলকাতার ‘অভিমান’ সিনেমাটি চালাচ্ছি, যেটা এর আগে চারবার চালিয়েছি আর সিনেপ্লেক্সে চালাচ্ছি সালমান শাহের ‘বিক্ষোভ’ সিনেমাটি। এভাবে তো চালানো যায় না। তাই আমরা পরিকল্পনা করছি হলটি বন্ধ করে দেওয়ার।

অবৈধ গ্যাস কারখানায় সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, মালিকসহ দগ্ধ ১০অবৈধ গ্যাস কারখানায় সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, মালিকসহ দগ্ধ ১০
লোকসানের পাল্লা ভারী হতে হতে এখন হলের খরচ চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের। হলটি ভেঙে মার্কেট করা প্রসঙ্গে তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের হলের সিট সংখ্যা ১৪৩০টি। আমাদের স্টাফ আছে ২৫ জন। এভাবে তো চালানো যায় না। দেখা যায় পুরো মার্কেটে প্রতি মাসে বিদ্যুৎ বিল আসে এক লাখ কিংবা দেড় লাখ। সিঙ্গেল হলটি ভেঙে হয়তো সামনে মার্কেটের জন্য জায়গা করব, আবাসিক হোটেলগুলোকে স্যাংকশন করব। তা ছাড়া আরেকটা সিনেপ্লেক্সও হতে পারে। ইতিমধ্যে আর্কিটেকচারকে ডিজাইন করতে দেওয়া হয়েছে, এরপর সেটা পাস করে পরিকল্পনা মোতাবেক কাজ হবে। এটাও সময় লাগবে সব কিছু হতে। তার আগ পর্যন্ত হয়তো আমরা এভাবেই চলাব।’


কবে নাগাদ এই সিঙ্গেল হলটি ভেঙে ফেলা হবে, সেটি এখন নিশ্চিত করতে না পারলেও জানালেন, পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ চলছে, সেগুলো পাস হলে তারপর হয়ত ভাঙনের কাজ শুরু হবে। এ সময় দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার বিষয়টিও উল্লেখ করেন।