ফুলবাড়ীগেট প্রতিনিধি
পরকিয়ায় স্বামীকে নির্যাতন করে জোরপূর্বক তালাক দিয়ে মোহরানার টাকা নিয়ে এক কন্যা সন্তানের জননী নাসিমা আক্তারের (৪৭) একের পর এক মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলায় সর্বশান্ত দিনমুজুর মো. সামছুল আলম (৫৩)। সামছুল আলমের বিরুদ্ধে বিবাহ বিচ্ছেদ পরবর্তি সাত বছরে গুম, মারপিট, ছিনতাই, হাস্যকর দ্বিতীয় বিবাহ সহ ৮টি মামলা করে নাসিমা আক্তার এর মধ্যে একটি খানজাহান আলী থানায় বাকী গুলো বিজ্ঞ আদালতে দায়ের করা হয়েছে। যার মধ্যে ৬টি মামলা মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় সামছুল আলমকে বিজ্ঞ আদালত অব্যহতি প্রদান করেন । বর্তমানে আরো দুটি মামলা আদালতে চলমান রয়েছে। যার একটি পারিবারিক আদালতের মামলা যেখানে বিবাহপরবর্তি ২য় বিবাহের মিথ্যা ও হাস্যকর অভিযোগ আনাহয় সেই মামলায় শামছুল আলমকে খালাস পাওয়ার পরও পুনজীবিত করা হয়েছে। আর একটি মারামারি ও ছিনতাই মামলায় আদালত কর্তৃক ১০ হাজার টাকায় মিমাংসার মাধ্যমে জুন মাসে খালাস প্রদান করার পরও আগে মার্চ মাসের অপর একটি মারপিট ও ছিনতাই মামলা রয়েছে। গুনঞ্জন আছে নাছিমা আক্তারের কাছে থেকে বিশেষ কোনসুবিধা নিয়ে বিনিময়ে অসহায় দিনমুজুর শামছুল আলমকে একের পর এক কপি পেস্ট মামলা দিয়ে চলেছে।
মামলা ও জিডির অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, খানজাহান আলী থানাধিন যোগিপোল ৮নং ওয়ার্ডেও দিনমুজুর মো. সামছুলআলমের সাথে ১৯৯৬ সালে পিরোজপুরের কাউখালি থানার জোহাগাতী গ্রামের আবুল কাশেম হাওলাদারের মেয়ে নাসিমা আক্তারের সাথে বিবাহ হয়। দাম্পত্ত জীবনে তাদেও সংসাওে সুমনা (২১) নামের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। দরিদ্র দিনমুজুর সামছুল আলমের সংসারে নাসিমা আক্তারের জীবনযাপন ছিল অত্যন্ত বিলাসিতাময়। দীর্ঘ সংসার জীবনে হঠাৎ যেন অশান্তি নেমে আসে সামছুল আলমের জীবনে। স্বামী এবং প্রাপ্ত বয়স্ক কন্যা সন্তান রেখেনাসিমা আক্তার জড়িয়ে পড়ে একাধিক পরকিয়ায়। ব্যক্তি বিশেষের প্ররোচনায় নাসিমা আক্তার তালাকনিতে স্বামী এবং কন্যা সন্তানের উপরচালায় নির্যাতন। এক পর্যায়ে জোরপূর্বক নাছিমার নিজের আত্মিয় স্বজনদের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে দেন মোহরের টাকা বুঝেনিয়ে শামছুল আলমকে গত ২০১৭ সালের ৯ অক্টোবর তালাক দেয় নাসিমা আক্তার। কিছুদিন পর সবকুল হারিয়ে কতিপয় সুবিধা ভোগী ব্যক্তির যোগসাজগে পুরান স্বামীসামছু লআলমকে সায়েস্তা করতে এবং তার কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিতে গুম, মারপিট, ছিনতাই, হাস্যকর দ্বিতীয় বিবাহ সহ ৮টি মামলাকওে নাসিমা আক্তার এর মধ্যে একটি খানজাহানআলী থানায় বাকী গুলো বিজ্ঞ আদালতে দায়ের করা হয়। যার মধ্যে ৬টি মামলা মিথ্যা প্রমাণি তহওয়ায় মামলা থেকে অব্যহতি পেয়েছেন সামছুল আলম।
এ্যাড মাসুদুর রহমান বলেন, সামছুর রহমানের পুর্বেও আদালতের খালাসের রায় প্রদান করার পর এ মামলা চলতে পারেনা। বিজ্ঞ আদালত বিবাদীর কাগজপত্র পর্যালোচনা করলে আশাকরি এই মামলা থেকে তিনি ন্যায়বিচার খালাস পাবেন। তিনি আরো বলেন, সামছুর রহমানকে শুধুমাত্র হয়রানি করতেই একের পর এক মামলা দেওয়া হচ্ছে।
এ ব্যাপারে মামলার বাদী নাসিমা আক্তার বলেন, মামলার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোন ব্যাখ্যা দিতে নাপারলেও তিনি জানান, বারবার অপরাধ করে এ জন্য বারবার মামলা করি। সাংবাদিকের কাছে নালিশ দিয়ে কিছুহবে না। ওকে আমি শায়েস্তা কওে ছাড়বো।
ভুক্তভোগী অসহায় দরিদ্র দিনমুজুর সামছুল আলম হয়রানীমূলক মামলা থেকে রেহায় পেতে এবং মামলাবাজ নাসিমা আক্তার সহ তার এ সকল মিথ্যা মামলার নেপথ্যে থেকে যারা কলকাটি নাড়ছে তাদেও বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুক ব্যবস্থা গ্রহণে বিজ্ঞ আদালতের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।









































