গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি
গোপালগঞ্জ সদর উপজেলায় গ্রাম্যশালী বৈঠকে ভ্যান চুরির মীমাংসা করতে গিয়ে উল্টো সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে গ্রামবাসী। উক্ত শালিশ বৈঠকে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নারীন্ডশিশু সহ অর্ধশতাধিক আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে ৫৬ জনকে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ভেন্নাবাড়ি গ্রামের লিটন মেম্বারের এক সমর্থক একই গ্রামের রেফায়েত ডাক্তারের সমর্থক ইব্রাহিম সেখের একটি ভ্যান চুরি করে নিয়ে যায়। ঘটনাটি ইব্রাহিম সেখ পার্শ্ববর্তী জেলার এক গুনিনের (কবিরাজ) কাছে যায় চোর সনাক্ত করার জন্য। সেখানে ওই গুনিন লিটন মেম্বারের এক সমর্থকের নাম বলে।
তবে এক পক্ষের দাবি গুনিন যার নাম বলেছে সে ভ্যান চুরির সাথে জড়িত নয় এবং তাকে সমাজে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য এ ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে অভিমত প্রকাশ করেন। এ নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা চলছিল।
রোববার বেলা ১১ টায় বিষয়টি নিয়ে লিটন মেম্বারের বাড়িতে সালিশন্ডবৈঠক বসে। সেখানে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে উভয় গ্রুপের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। প্রায় দুই ঘন্টাব্যাপী দফায় দফায় এই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত অর্ধশতাধিক লোক আহত হন।
গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মির মোহাম্মদ সাজেদুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বর্তমানে উক্ত এলাকার পরিস্থিতি তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আরো তোদের গোপালগঞ্জ ২৫০ জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে। কোনো পক্ষই এখনো থানায় অভিযোগ নিয়ে আসেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উক্ত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন করা আছে।











































