Home আন্তর্জাতিক চীনের অত্যাধুনিক রণতরী ফুজিয়ানের যাত্রা শুরু

চীনের অত্যাধুনিক রণতরী ফুজিয়ানের যাত্রা শুরু

26

অনলাইন ডেস্ক।।

প্রথমবারের মতো সমুদ্রে নেমেছে চীনের নতুন, বৃহত্তম ও আধুনিক বিমানবাহী রণতরী ‘দ্য ফুজিয়ান’। সাংহাই থেকে পূর্ব চীন সাগরের উদ্দেশে বুধবার রণতরীটি তার পরীক্ষামূলক অভিযান শুরু করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সামরিক প্রতিযোগিতার অংশ হিসেবে এ রণতরী নির্মাণ করেছে চীন। এটি চীনের নিজেদের নির্মাণ করা তৃতীয় রণতরী। জিয়াংনান শিপইয়ার্ডে ফুজিয়ানকে নির্মাণ করতে মোট ছয় বছর সময় লেগেছে।

চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সিনহুয়া বুধবার জানায়, সমুদ্রে মহড়ার সময় রণতরীর প্রোপালশন ও ইলেকট্রিক সিস্টেমের নির্ভরযোগ্যতা ও স্থিতিশীলতা পরীক্ষা করা হবে। ২০২২ সালে এই যুদ্ধজাহাজের উদ্বোধন হলেও এবারই প্রথম সমুদ্রে পাঠানো হয়েছে। চীনের নৌবাহিনীর অপর দুই রণতরী শানডং (৬৬ হাজার টন) ও লিয়াওনিং (৬০ হাজার টন) চেয়ে অনেক বেশি ভার বইতে পারে ফুজিয়ান (৮০ হাজার টন)। শুধু যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ফুজিয়ানের চেয়ে বড় রণতরী রয়েছে। ফুজিয়ানের গুরুত্বপূর্ণ একটি ফিচার হলো, তড়িৎ-চুম্বকীয় ক্যাটাপাল্ট সিস্টেম, যার মাধ্যমে অপর দুই রণতরীর তুলনায় অপেক্ষাকৃত ভারী যুদ্ধবিমান এই জাহাজ থেকে উড়ে যেতে পারবে। পুরোনো দুই রণতরীতে স্কি-জাম্প প্রক্রিয়া ব্যবহার হয়।

বিশ্লেষকদের মতে, নতুন এই ফিচারের কারণে চীন আরও বড় বড় যুদ্ধবিমানকে বেশি দূরত্বে পাঠাতে পারবে এবং একই সঙ্গে এই বিমানগুলো আগের তুলনায় আরও বেশি গোলাবারুদ বহন করতে পারবে। সার্বিকভাবে এ রণতরী চীনের নৌযুদ্ধ সক্ষমতাকে অনেকাংশ বাড়িয়ে তুলবে। তবে মার্কিন রণতরীগুলোর বিশেষ একটি সুবিধা রয়েছে, যা চীনের তিন রণতরীর নেই। যুক্তরাষ্ট্রের জাহাজগুলো পারমাণবিক শক্তিতে পরিচালিত। ফলে এগুলো দীর্ঘ সময় সমুদ্রে থাকতে পারে।

অন্যদিকে, ফুজিয়ানে প্রথাগত জ্বালানি ব্যবহৃত হচ্ছে। এতে এ রণতরীকে নিয়মিত বিরতিতে কোনো বন্দর থেকে অথবা অন্য তেলের ট্যাঙ্কার থেকে জ্বালানি সংগ্রহ করতে হয়। সিএনএন।