অনলাইন ডেস্ক
চাঁদের একটি অংশ নিয়ে মহাকাশ গবেষকদের মধ্যে কৌতূহলের শেষ নেই। সম্প্রতি তাদের মধ্যে এ নিয়ে আগ্রহ আরও বেড়েছে। গবেষকরা দেখেছেন, চাঁদের ওই অংশটিতে বরফ থাকতে পারে, যা সেখানে যেতে আগ্রহী নভোচারীদের জন্য সুবিধাজনক নাও হতে পারে।
গত বছর যখন ভারতের মহাকাশ যান চন্দ্রযান-৩ চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণ করে, তখন থেকেই বিজ্ঞানীদের মধ্যে ওই এলাকা নিয়ে আগ্রহ বাড়তে থাকে। প্রথমবারের মতো চন্দ্রযান সেখানে সফলভাবে অবরতণ করে। এর আগে রাশিয়ার লুনা-২৫ একই এলাকায় অবতরণকালে বিধ্বস্ত হয়। এরই মধ্যে নাসা তাদের আর্টিমিস-৩ মিশনের জন্য দক্ষিণ মেরুর ওই এলাকাটিকে শনাক্ত করেছে। আগামী ২০২৬ সালের দিকে তারা এ অভিযান পরিচালনা করতে পারেন। চীন চাচ্ছে চাঁদে আবাসন গড়তে।
কিন্তু সম্প্রতি নাসার অর্থায়নে করা এক গবেষণায় সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, চাঁদের কেন্দ্র ক্রমাগত শীতল ও সংকুচিত হওয়ায় এর পৃষ্ঠদেশে ভাঁজ পড়ছে। এটা অনেকটা আঙুর শুকিয়ে যাওয়ার মতো। এর জেরে চাঁদে ভূকম্পনের পাশাপাশি ভূমিধসও হচ্ছে।
গবেষণা দলের প্রধান ন্যাশনাল এয়ার অ্যান্ড স্পেস মিউজিয়ামের সেন্টার ফর আর্থ অ্যান্ড প্ল্যানেটারি স্টাডিজের ইমেরিটাস জ্যেষ্ঠ বিজ্ঞানী থমাস আর ওয়েটারস বলেন, এটা চাঁদের ওই অংশে অনুসন্ধান পরিচালনায় অনুৎসাহিত করতে কোনো সতর্কবার্তা নয়। এটা বলা কারণ হলো– চাঁদ এমন কোনো স্থান নয়, যেখানে কার্যত কিছুই ঘটছে না।
গবেষকরা বলছেন, গত কয়েক মিলিয়ন বছরে চাঁদ দেড়শ ফুট সংকুচিত হয়েছে। এটা ভূপ্রাকৃতিক বিচারে অনেক বড় বিষয় হলেও পৃথিবীর ওপর এর বাস্তবিক কোনো প্রভাব নেই।











































