খবর বিজ্ঞপ্তি।।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য ডিসিপ্লিনের উদ্যোগে আজ ০১ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) তিন দিনব্যাপী আর্ককেইউ ডিগ্রি শো-২০২৪ এর উদ্বোধন করা হয়। বেলা ১১টায় ড. সত্যেন্দ্র নাথ বসু একাডেমিক ভবনের ৩য় তলায় স্থাপত্য ডিসিপ্লিনের সম্মেলন কক্ষ উঠানে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে আর্ককেইউ ডিগ্রি শো উদ্বোধন করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন।
এ সময় সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য ডিসিপ্লিন প্রথম থিসিসের গবেষণালব্ধ ফলাফল এই ডিগ্রি শো আয়োজনের মাধ্যমে উপস্থাপন করে। পরবর্তীতে অন্যান্য ডিসিপ্লিনেও থিসিসের গবেষণালব্ধ ফলাফল উপস্থাপন কার্যক্রম শুরু হয়। এর মাধ্যমে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্নকারী শিক্ষার্থীদের জ্ঞানের প্রতিফলন প্রকাশিত হয়। এটা সৃজনশীল কর্ম। যার মাধ্যমে দেশ ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে নিজের কাজকে তুলে ধরা যায়। তিনি আরও বলেন, স্থাপত্য মানুষের জীবনকে বদলে দেয় এবং নতুন নতুন স্বপ্ন দেখায়। উপাচার্য স্থাপত্য ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থীদের স্থপতি হয়ে নতুন নতুন প্রজেক্টের মাধ্যমে দেশ ও জাতির জন্য অবদান রাখার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ হোসনে আরা, ট্রেজারার প্রফেসর অমিত রায় চৌধুরী এবং বিজ্ঞান প্রকৌশল ও প্রযুক্তিবিদ্যা স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. কামরুল হাসান তালুকদার। সভাপতিত্ব করেন ডিসিপ্লিন প্রধান প্রফেসর ড. শেখ সিরাজুল হাকিম। স্বাগত বক্তৃতা করেন ১৮ ব্যাচের সেশনাল কোর্স কো-অর্ডিনেটর ডিসিপ্লিনের সহযোগী অধ্যাপক এস এম নাজিমুদ্দিন। এ সময় ডিসিপ্লিনের শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে স্থাপত্য ডিসিপ্লিনের ১৮ ব্যাচের তিন শিক্ষার্থীকে বেস্ট থিসিস অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। অ্যাওয়ার্ডে প্রথম স্থান অর্জন করেন মো. মাসুদুর রহমান, দ্বিতীয় স্থান শুভ গোস্বামী এবং তৃতীয় হন মো. শাহরিয়ার আকাশ। এ সময় অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্তরা অনুভূতি ব্যক্ত করেন। পরে প্রধান অতিথিসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ আর্ককেইউ ডিগ্রি শো-২০২৪ এ প্রদর্শিত নবীন ৪৩ জন স্থপতির থিসিসভিত্তিক বিভিন্ন স্থাপত্যকর্মের মডেল ঘুরে দেখেন। এতে কক্সবাজার বিচ রিসোর্ট, রাজশাহী আরডিএ বাজার, নওয়াপাড়া সিরামিক ইন্ডাস্ট্রি, কিশোরগঞ্জ মিঠামইনে শিল্পকলা একাডেমি, বরিশালের আরবান কমার্শিয়াল অ্যাক্টিভিটিস, মহিপুর ফিশ ল্যান্ডিং স্টেশন, জুট রিসার্চ এন্ড প্রমোশন সেন্টার, ফুটওয়্যার ইন্ডাস্ট্রি, ঢাকার পূর্বাচলে ফাইভ স্টার হোটেল মডেল, রেলওয়ে মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালসহ বিভিন্ন ধরনের স্থাপত্যকর্মের মডেল প্রদর্শিত হয়।
অনুষ্ঠানের অন্যান্য কর্মসূচির মধ্য দুপুরে ছাত্র-শিক্ষক মিলন মেলা, রাতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এর আগে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়।
খুবি উপাচার্য কর্তৃক আইকিউএসি প্রকাশিত
ডি-নথি সহায়িকার মোড়ক উন্মোচন
আজ ০১ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) দুপুর ১২টায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি) কর্তৃক প্রকাশিত ডি-নথি সহায়িকার মুদ্রিত কপির মোড়ক উন্মোচন করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন। এ সময় উপাচার্য বলেন, দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ডি-নথি বাস্তবায়নে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় অগ্রবর্তী স্থানে রয়েছে। এবার আইকিউএসি থেকে ডি-নথি সহায়িকা প্রকাশ হয়েছে, যা দেশের মধ্যে প্রথম। এটি অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে এবং উৎসাহ জোগাবে। তিনি এই কাজের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানান। মোড়ক উন্মোচন ও সহায়িকা হস্তান্তর অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আইকিউএসি’র অতিরিক্ত পরিচালক প্রফেসর ড. মো: মতিউল ইসলাম, প্রফেসর ড. জগদীশ চন্দ্র জোয়ারদার ও জনাব মো: মোস্তাফিজুর রহমান উপাচার্যের সচিব সঞ্জয় সাহা ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রচেষ্টাকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইকিউএসি ২০২২ সালের ১৮ মার্চ প্রথম ওরিয়েন্টেশন টু ই-ফাইলিং এ্যাট খুলনা ইউনিভার্সিটি শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি হাতে নেয়। পরবর্তীতে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন ই-ফাইলিং থেকে বিষয়টি ডি-নথি তে আরও একটু বিস্তৃত পরিসরে ইলেক্ট্রনিক পদ্ধতিতে নথি আদানপ্রদানের উদ্যোগ নিলে, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ও সে উদ্যোগে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। বস্তুত যে কয়টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ডি-নথির মাধ্যমে কাজকর্ম শুরু করেছে তারমধ্যে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় সবার কাছে পথিকৃৎ হিসেবে স্বীকৃত। আইকিউএসির উদ্যোগে বিভিন্ন স্লটে ২০২২ সাল হতে অদ্যাবধি বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বমোট ৩৩৭ জন শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে ১৭ দিন হাতে কলমে এ বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। প্রতিটি প্রশিক্ষণের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন উপাচার্য, যার সর্বশেষ নজির এই ডি-নথি সহায়িকার মোড়ক উন্মোচন।
সহায়িকাতে ডি-নথির পোর্টালে প্রবেশ থেকে শুরু করে আগত ডাক, ডাক প্রেরণ, ডাক ফেরত, নথিতে ডাক উপস্থাপন, ডাক নথিজাতকরণ, আর্কাইভিং, আপলোডিং, শেয়ারিং ইত্যাদি কাজে ব্যবহারকারি কিভাবে সুচারুরূপে, নির্ভুলভাবে সফল হবেন তার বর্ণনা রয়েছে। পাশাপাশি, প্রতিটি ক্ষেত্রের ‘ক্লিকিং’ এন্ড ‘রাইটিং’ কেমন হবে, সে বিষয়ে নান্দনিক গ্রাফিক্স ব্যবহার করে গোটা কমান্ডিং ব্যবস্থাটিকে ধাপে ধাপে সাজিয়ে দেওয়া হয়েছে, যা খুবই সহজ ও সাবলিল হয়েছে। এটি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার আন্দোলনে সক্রিয় থাকার একটি অন্যতম উদাহরণ।
খুবি উপাচার্যের সাথে অফিসার্স কল্যাণ পরিষদের
নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির সৌজন্য সাক্ষাৎ
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন এর সাথে আজ ০১ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) দুপুরে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন অফিসার্স কল্যাণ পরিষদের নবনির্বাচিত সভাপতি দীপক চন্দ্র মন্ডল ও সাধারণ সম্পাদক মো. শহিদুল আলম হাওলাদারসহ নির্বাহী কমিটির নেতৃবৃন্দ। এসময় নেতৃবৃন্দ উপাচার্যকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।
উপাচার্য নবনির্বাচিত কমিটির নেতৃবৃন্দকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান এবং তাদের কর্মমেয়াদের সাফল্য কামনা করেন। তিনি বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ ভৌত অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও প্রশাসনিক অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। তাদের কর্মদক্ষতার কারণে এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮৯% কাজ ডি-নথির মাধ্যমে সম্পন্ন হচ্ছে। যা দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। তিনি আরও বলেন, কর্মকর্তাদের নিজেদের মধ্যে গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি করতে হবে। দলমত নির্বিশেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে কাজ করতে হবে। নিজেদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে। একই সাথে উপাচার্য আইনের মধ্যে থেকে চলতে কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান।
অপরদিকে অফিসার্স কল্যাণ পরিষদের নবনির্বাচিত কমিটির নেতৃবৃন্দ উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ হোসনে আরা এবং ট্রেজারার অমিত রায় চৌধুরীর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এসময় তাঁরাও নবনির্বাচিত কমিটিকে শুভেচ্ছা জানান এবং তাঁদের কর্মমেয়াদের সাফল্য কামনা করেন।











































