Home আন্তর্জাতিক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আহত

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আহত

10

খুলনাঞ্চল ডেস্ক||
অল্পের জন্য হেলিকপ্টার দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জলপাইগুড়ি থেকে বাগডোগরায় ফেরার সময় ঝড়-বৃষ্টির কবলে পড়ে মমতাকে বহন করা হেলিকপ্টারটি। পরে ভারতীয় সেনার সেবক এয়ার বেসে হেলিকপ্টারটি জরুরি অবতরণ করা হয়। এ সময় দ্রুত নামতে গিয়ে পায়ে ও কোমরে আঘাত পান মমতা। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এদিকে খবর পেয়ে ফোন করে মমতার খোঁজ-খবর নিয়েছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস।

জানা যায়, মঙ্গলবার বিকেলে বৈকুণ্ঠপুরের জঙ্গলের ওপর দিয়ে যাওয়ার সময় প্রবল ঝড়-বৃষ্টির কবলে পড়ে হেলিকপ্টারটি। হঠাৎ এটি দুলতে শুরু করে। এ সময় হেলিকপ্টারটি জরুরি অবতরণ করা হয়। দ্রুত নামতে গিয়ে পায়ে ও কোমরে চট পান মমতা । পঞ্চায়েত নির্বাচনের ভোটপ্রচারে পশ্চিমবঙ্গের উত্তরবঙ্গে গিয়েছিলেন তিনি। মঙ্গলবার জলপাইগুড়ির ক্রান্তিতে জনসভা ছিল। সেখান থেকে বাগডোগরা বিমানবন্দর হয়ে বিকেলে কলকাতা ফেরার কথা ছিল। কিন্তু বাগডোগরা পৌঁছনোর আগেই দুর্যোগের কবলে পড়ে মুখ্যমন্ত্রীর হেলিকপ্টারটি।

পশ্চিমবঙ্গের সচিবালয় সূত্রে জানা যায়, সেনা এয়ার বেসে জরুরি অবতরণের সময় কর্তৃপক্ষের থেকে আলাদা করে অনুমতি নিতে হয়। কিন্তু পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ রূপ নেয় যে, আর অনুমতি নেওয়ার জন্য অপেক্ষা করেননি পাইলট। এরপর সেবক থেকে সড়কপথে বাগডোগরা পৌঁছান মমতা। সেখান থেকে বিকেল ৪টা ৩৫ মিনিটে কলকাতা বিমানবন্দরে যান তিনি। বাইরে মমতার জন্য অ্যাম্বুলেন্স রাখা হয়েছিল। তবে নিজের গাড়িতেই রওনা দেন মুখ্যমন্ত্রী।

এ সময় বিমানবন্দরে উপস্থিত সাংবাদিকরা মুখ্যমন্ত্রীকে প্রশ্ন করেন, কেমন আছেন। গাড়ির সামনের সিটে বসে সাংবাদিকদের উদ্দেশে না সূচক হাত নাড়েন মমতা। এরপর গ্রিন করিডোর করে মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে নিয়ে যাওয়া হয় কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে। সেখানেই তার চিকিৎসা চলছে।

এসএসকেএমের ডিরেক্টর ড. মণিময় বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাম হাঁটুর লিগামেন্টে আঘাত পেয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রীকে উপদেশ দেওয়া হয়েছিল ভর্তির জন্য। তিনি হাসপাতালে ভর্তি হবেন না। বাড়িতে থেকেই চিকিৎসা নেবেন।

প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে বেরিয়ে নন্দীগ্রামে পা ভেঙেছিল পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ভাঙ্গা পা নিয়ে রাজ্যজুড়ে প্রচারে ঝড় তুলেছিলেন মমতা।