খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসারবৃন্দদের পবিত্র হজ্বে গমন উপলক্ষ্যে অফিসার্স কল্যাণ পরিষদের আয়োজনে এক দোয়া মাহফিল ৩১ মে (বুধবার) সকাল ১০টায় শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ প্রশাসনিক ভবনের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন।
তিনি বলেন, হজ্ব নিজেকে পরিশুদ্ধ করার জায়গা। হজ্বের মাধ্যমে নিজের মধ্যে আমূল পরিবর্তন আসে যা দেখে অন্যরা আকৃষ্ট হয়। হজ্ব পালনের মাধ্যমে নিজেকে খাঁটি মানুষ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব। ইসলাম যে শান্তির ধর্ম সেটা প্রতিষ্ঠা করা হজ্বের একটি লক্ষ্য, যা আমরা মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এঁর বিদায় হজ্বের ভাষণে দেখতে পাই। তিনি আরও বলেন, পবিত্র হজ্বব্রত পালনের সময় খেয়াল রাখবেন জ্ঞাত বা অজ্ঞাতসারে যেনো কোন ভুল না হয়। এর যে আনুষ্ঠানিকতা আছে তা ধৈর্য্য সহকারে সুচারুরূপে পালন করবেন। হজ্বের সবকটি আহকাম পালন করে সুস্থ শরীরে ফিরে আসবেন এই দোয়া করি। তিনি অফিসার্স কল্যাণ পরিষদকে এ ধরনের আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ জানান। পাশাপাশি এই ধারা অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ হোসনে আরা ও ট্রেজারার প্রফেসর অমিত রায় চৌধুরী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পরিষদের সভাপতি প্রধান প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) এস এম মনিরুজ্জামান। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক উপ-রেজিস্ট্রার (প্রশাসন) দীপক চন্দ্র মন্ডল।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস। এসময় কর্মকর্তাদের পক্ষে অর্থ ও হিসাব বিভাগের পরিচালক শেখ মুজিবুর রহমান, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) শেখ শারাফাত আলী, উপ-রেজিস্ট্রার (সংস্থাপন-৪) শেখ আরিফ নেওয়াজ। হজ্ব গমনকারীদের মধ্য থেকে উপ-রেজিস্ট্রার মো. আলী আকবর, নির্বাহী প্রকৌশলী শেখ মোঃ সাইফুল আলম বাদশা বক্তব্য রাখেন।
পরে হজ্ব গমনকারী, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার এবং বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও কল্যাণ কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া পরিচালনা করেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম মুফতি আব্দুল কুদ্দুস। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ে সদ্য যোগদানকৃত কর্মকর্তাদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়।
খুবির কেন্দ্রীয় গবেষণাগারের ওয়েবসাইট উদ্বোধন
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায় কেন্দ্রীয় গবেষণাগারের ওয়েবসাইট (িি.িধঢ়পৎপষ.শঁ.ধপ.নফ) উদ্বোধন করা হয়েছে। ৩১ মে (বুধবার) সকাল ৯.৩০ মিনিটে শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ প্রশাসনিক ভবনের উপাচার্যের কার্যালয়ে প্রধান অতিথি হিসেবে এ ওয়েবসাইটের উদ্বোধন করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন।
এসময় সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি বলেন, গবেষণাগারের এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, এতদাঞ্চলের গবেষকসহ সাধারণ মানুষ উপকৃত হবেন। বিশেষ করে এই গবেষণাগারের সকল সেবাই এখন থেকে অনলাইনের মাধ্যমে সম্পন্ন করা যাবে। এ সকল সুবিধা গ্রহণের জন্য সবাইকে উল্লিখিত ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। তিনি আরও বলেন, আমাদের পাশেই মোংলা বন্দর। এখানে আমদানি-রপ্তানির ক্ষেত্রে যে ধরনের টেস্টিংয়ের প্রয়োজন তা এই গবেষণাগার থেকে ন্যূনতম খরচে করা সম্ভব হবে। এতে সময় ও অর্থের সাশ্রয় হবে। এখানে ফুড, ডিএনএ সিক্যুয়েন্স, কোভিড, ক্যান্সার, হেভিমেটালসহ অন্যান্য টেস্ট করা যায়। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার ছাড়াও এতদাঞ্চলের স্কুল-কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা গবেষণা এবং বিভিন্ন শিল্প-কলকারখানার প্রয়োজনীয় টেস্টিং করতে পারবেন।
এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর অমিত রায় চৌধুরী, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস, কেন্দ্রীয় গবেষণাগারের পরিচালক প্রফেসর ড. মো. ইফতেখার শামস্, অতিরিক্ত পরিচালক প্রফেসর ড. আরিফুল ইসলাম, উপাচার্যের সচিব সঞ্জয় সাহাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
খুবির এফএমআরটি ডিসিপ্লিন ও এনজিএফের যৌথ উদ্যোগে কর্মশালা অনুষ্ঠিত
খবর বিজ্ঞপ্তি
বাংলাদেশে কাঁকড়া হ্যাচারির বাণিজ্যিক সফলতার বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ এবং সেগুলো মোকাবেলায় করণীয় নির্ধারণে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ এন্ড মেরিন রিসোর্স টেকনোলজি ডিসিপ্লিন (এফএমআরটি) এবং নওয়াবেঁকী গণমুখী ফাউন্ডেশন (এনজিএফ), সাতক্ষীরার যৌথ উদ্যোগে এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
৩১ মে (বুধবার) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য জগদীশ চন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনের সাংবাদিক লিয়াকত আলী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘চ্যালেঞ্জেস এন্ড অপরচুনিটিস ফর সাসটেইনেবল কমার্শিয়াল মাড ক্রাব হ্যাচারি অপারেশন্স ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক এ কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন এফএমআরটি ডিসিপ্লিন প্রধান প্রফেসর ড. মো. গোলাম সারোয়ার। সঞ্চালনা করেন ডিসিপ্লিনের সিনিয়র শিক্ষক প্রফেসর ড. মো. নাজমুল আহসান।
কর্মশালায় এফএমআরটি ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. মো. গোলাম সারোয়ার, প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আব্দুর রউফ কাঁকড়া হ্যাচারি ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন দিক যেমন ব্রুডস্টক নির্বাচন, পরিবহন, লার্তা পালন, পুষ্টি, রোগ প্রতিরোধ ইত্যাদি বিষয়ে তাদের গবেষণালব্ধ ফলাফল উপস্থাপন করেন। প্রফেসর ড. এ এফ এম হাসানুজ্জামানের পক্ষে তাঁর গবেষণালব্ধ ফলাফল উপস্থাপন করেন সহযোগী অধ্যাপক মো. রাশেদুল ইসলাম। উক্ত কর্মশালায় আলোচকবৃন্দ কাঁকড়া হ্যাচারি শিল্পের বাণিজ্যিক প্রসারের জন্য অধিকতর গবেষণার উপর গুরুত্ব আরোপ করে এ বিষয়ে পিকেএসএফ-কে মৎস্য এবং বন বিভাগের সাথে গবেষকবৃন্দের সমন্বয়ের উপর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
কর্মশালায় পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ), বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের মৎস্য এবং বন কর্মকর্তা, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানের গবেষকবৃন্দ ছাড়াও কাঁকড়া শিল্পের সাথে জড়িত বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারগণ উপস্থিত থেকে বাংলাদেশে কাঁকড়া শিল্পের উন্নয়নে হ্যাচারি প্রযুক্তির বিদ্যমান সমস্যাসমূহ চিহ্নিত করে হ্যাচারি পরিচালনার ধারাবাহিকতা এবং বাণিজ্যিক প্রসার নিশ্চিতকরণে সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারগণের অভিজ্ঞতা, সর্বোত্তম অনুশীলন এবং পরবর্তী করণীয় নিয়ে পারস্পারিক মতবিনিময়ের মাধ্যমে উপযুক্ত সুপারিশমালা প্রণয়ন করেন যা বাংলাদেশে কাঁকড়া শিল্পের টেকসই উন্নয়নের পাশাপাশি সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে আশা করা যায়।









































