Home আঞ্চলিক সারা খুলনা অঞ্চলের সব খবরা খবর

সারা খুলনা অঞ্চলের সব খবরা খবর

33

বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদযাপিত হলো খুলনা জেলার ১৪২তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী
স্টাফ রিপোর্টার
বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, স্মরণিকা প্রকাশনা অনুষ্ঠান, মেজবানী, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে খুলনা জেলার ১৪২তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী। দিনটি উপলক্ষে মঙ্গলবার ২৫ এপ্রিল সকাল ১০টায় নগরীর শিববাড়ি মোড়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শুরু হয়ে নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয়। এতে নেতৃত্ব দেন খুলনার সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক।
খুলনা দিবস উপলক্ষে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথিরা বলেন, দলমত নির্বিশেষে সবাইকে খুলনার উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। এক সময়ের অবহেলিত ও বঞ্চিত খুলনা আজ উন্নয়নের ধারায় ফিরে এসেছে। বর্তমান সরকার খুলনার উন্নয়নের জন্য ব্যাপক কাজ করে যাচ্ছে। অতিথিরা খুলনার চলমান ড্রেনেজ ও রাস্তার নির্মাণ কাজ দ্রুত সম্পন্ন করে খুলনাবাসীর ভোগান্তি লাঘব করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি দাবি জানান। বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কিমিটির আয়োজনে শোভাযাত্রার আগে শিববাড়ি মোড়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি শেখ আশরাফ-উজ-জামান এবং অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মহাসচিব কাউন্সিলর শেখ মোহাম্মদ আলী। উল্লেখ্য, ১৮৮২ সালের এই দিনে নতুন জেলা হিসেবে খুলনা গেজেট নোটিফিকেশন হয়। সেই থেকে প্রতি বছর খুলনাবাসী ২৫ এপ্রিল দিনটিকে খুলনা দিবস হিসেবে উদযাপন করে আসছে ।
এসময় অন্যান্যদের মধ্যে কেডিএর চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম মিরাজুল ইসলাম, কেএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার সরদার রকিবুল ইসলাম, খুলনার অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার ফিরোজ শাহ্, জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান অধ্যাপক রুনু ইকবাল বিথার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মুকুল কুমার মৈত্র, সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু, সাবেক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মনি, খুলনা মহানগর বিএনপির আহবায়ক এ্যাডভোকেট শফিকুল আলম মনা, বীর মুক্তিযোদ্ধা এ্যাডভোকেট স ম বাবর আলী, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জাফর ইমাম, প্রকৌশলী আজাদুল হক, ড. প্রকৌশলী বিভূতি রায়, বিএমএ খুলনা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ডাঃ মেহেদী নেওয়াজ, ফুলতলা উপজেলা চেয়ারম্যান শেখ আকরাম হোসেন, সিপিবি নেতা মিজানুর রহমান বাবু, খুলনা চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক চৌধুরী মিনহাজ উজ জামান সজল, মফিদুল ইসলাম টুটুল, হায়দার গাজী সালাহউদ্দিন রুনু, বাসদ নেতা জনার্ধন নান্টু, কেসিসির প্যানেল মেয়র আলী আকবর টিপু, কাউন্সিলর জেড এ মাহমুদ ডন, রূপান্তরের নির্বাহী পরিচালক স্বপন কুমার গুহ, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আবু জাফর, বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক আলমগীর কবীর, বীর মুক্তিযোদ্ধা সরদার মাহবুবুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা নুর ইসলাম বন্দ, বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির নেতৃবৃন্দ শেখ মোশাররফ হোসেন, মোঃ নিজামউর রহমান লালু, শাহীন জামান পন, অধ্যাপক মোঃ আবুল বাসার, এ্যাডভোকেট কুদরত-ই-খুদা, জোবায়ের আহমেদ খান জবা, মিনা আজিজুর রহমান, মোঃ মনিরুজ্জামান রহিম, এ্যাডভোকেট শেখ হাফিজুর রহমান হাফিজ, শেখ হাসান ইফতেখার চালু, মিজানুর রহমান জিয়া, মীর বরকত আলী, মোঃ খলিলুর রহমান, এস এম আসাদুজ্জামান মুরাদ, শেখ আবিদ উল্লাহ, এস.এম ইকবাল হোসেন বিপ্লব, এস এম আক্তার উদ্দিন পান্নু, রকিব উদ্দিন ফারাজী, সরদার রবিউল ইসলাম রবি, অধ্যাপক মোঃ আজম খান, আফজাল হোসেন রাজুসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সদস্য, বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ, পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষার্থী, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ খুলনার সর্বস্তরের মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

উপজেলায় বিএনপি’র নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটির নেতৃবৃন্দকে যুবদল ছাত্রদল ও জাসাসের অভিনন্দন
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনার পাঁচ উপজেলা ও দুই পৌরসভায় বিএনপি’র নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটির নেতৃবৃন্দকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন জেলা যুবদল, ছাত্রদল ও জাসাসের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ। গতকাল মঙ্গলবার পৃথক বিবৃতিতে নবগঠিত পূর্ণাঙ্গ আহবায়ক কমিটির নেতৃবৃন্দকে অভিনন্দন জানিয়ে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আগামীর রাষ্ট্রনায়ক জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতন্ত্র পুনঃরুদ্ধার ও বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তিসহ জনগুরুত্বপূর্ণ ১০দফা দাবি আদায়ের আন্দোলন-সংগ্রাম সফলে রাজপথের পরীক্ষিত ত্যাগী-পরিশ্রমী নবগঠিত কমিটি অগ্রণী ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন নেতৃবৃন্দ।
যুবদল : খুলনা জেলা যুবদলের সভাপতি এসএম শামীম কবির গতকাল এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন অতীতের যেকোন সময়ের চেয়ে খুলনা জেলা বিএনপি এখন অনেক বেশি শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ। ফলে আগামীর দুর্বার সংগ্রামে মাফিয়া সরকার প্রধান ফ্যাসিষ্ট শেখ হাসিনা পতন আন্দোলন নিশ্চয়ই নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দ ঐক্যবদ্ধভাবে রাজপথ দখলে রাখবে। উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড পর্যায়ের যুবদল নেতাকর্মীদের নবগঠিত এসব কমিটির নেতৃবৃন্দের সাথে মিলে দলীয় কর্মসূচি সফলের আহবান জানিয়েছেন তিনি।
ছাত্রদল : দলমান গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে বেগবান করার লক্ষ্যে খুলনার পাঁচটি উপজেলা ও দু’টি পৌরসভা বিএনপি’র পূর্ণাঙ্গ আহবায়ক কমিটি ঘোষণা করায় বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আগামীর রাষ্ট্রনায়ক জনাব তারেক রহমান, বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক আলহাজ্ব রকিবুল ইসলাম বকুল ও তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, জেলা বিএনপি’র আহবায়ক আমীর এজাজ খান ও সদস্য সচিব এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পীকে সংগ্রামী শুভেচ্ছা এবং নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দকে অভিনন্দন জানিয়েছেন খুলনা জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুল মান্নান মিস্ত্রী। গতকাল এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ছাত্রদল মনে-প্রাণে বিশ্বাস করি চলমান ফ্যাসিষ্ট শেখ হাসিনা পতন আন্দোলনে এসব নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দ সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করে রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে সরব থাকবেন ইনশাআল¬াহ্।
জাসাস : জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা-জাসাস খুলনা জেলা শাখার আহবায়ক মোঃ শহিদুল ইসলাম ও সদস্য সচিব আজাদ আমিন অনুরুপ বিবৃতিতে নবগঠিত নেতৃবৃন্দকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।
প্রসঙ্গত্ব, গত ২৪ এপ্রিল খুলনা জেলার পাঁচ উপজেলা ও দুইটি পৌরসভায় পূর্ণাঙ্গ আহবায়ক কমিটি ঘোষণা করেছে খুলনা জেলা বিএনপি। গতকাল বিভিন্ন উপজেলা ও দু’টি পৌরসভায় নবগঠিত আহবায়ক কমিটির নেতৃবৃন্দকে ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত করেছেন তৃণমূল নেতাকর্মীরা। একই সাথে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক আলহাজ্ব রকিবুল ইসলাম বকুল ও তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, জেলা বিএনপি’র আহবায়ক আমীর এজাজ খান ও সদস্য সচিব এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পীকে অভিনন্দন জানিয়ে মিছিল করেছে তারা।।

কপিলমুনিতে রানা ট্রাস্টের উদ্যোগে ফ্রি চিকিৎসা সেবা
কপিলমুনি (খুলনা) প্রতিনিধি ||
কপিলমুনিতে সোহেল রানা সড়ক দূর্ঘটনা কল্যাণ ট্রাস্টের উদ্যোগে মা ও শিশু নিরাপদ মাতৃত্ব বিষয়ক মত বিনিময় সভা ও শিশু রোগীদের ফ্রি চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়েছে।
মঙ্গলবার সকাল ৯ টায় কপিলমুনির কাশিমনগর মৎস্য আড়ৎ সংলগ্ন ট্রাস্টের কার্যালয় চত্ত্বরে ট্রাস্টে প্রতিষ্ঠাতা সেলিনা আহম্মেদের সভাপতিত্বে ও সাংবাদিক পলাশ কর্মকারের সঞ্চালনায় মত বিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন পাইকগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মমতাজ বেগম। বিশেষ অতিথি ছিলেন অধ্যক্ষ শিমুল বিল্লাল বাপী, ডাঃ ঋত্তিকা জামান, কপিলমুনি স্বর্ণ ব্যবসায়ী সমিতির সহ সভাপতি দিপংকর দত্ত, মৎস্য আড়ৎ ব্যবসায়ী সমিতির সাঃ সম্পাদক শেখ আবু হোসেন, গুণীজন স্মৃতি সংসদের সভাপতি আঃ সবুর আল আমীন প্রমূখ। সভা শেষে ডাঃ ঋত্তিকা জামান এলাকার শিশু রোগীদের ফ্রি চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন।

কপিলমুনিতে স্মরণিকার মোড়ক উন্মোচন ও অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের শ্রদ্ধা নিবেদন
কপিলমুনি (খুলনা) প্রতিনিধি ||
শেখ ইমাম উদ্দীন সংসদের উদ্যোগে কপিলমুনি সহচরী বিদ্যা মন্দির স্কুল এন্ড কলেজে স্মরণিকা ‘দেদীপ্যমান’এর মোড়ক উন্মোচন ও অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়েছে।
রবিবার বিকাল ৫ টায় স্কুল এন্ড কলেজ প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শেখ ইমাম উদ্দীন সংসদের আহবায়ক ও ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. স. ম. আলী রেজা। সংসদের যুগ্ম আহবায়ক শেখ আব্দুল্লাহ আল মামুনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ শেখ হাফিজুর রহমান, পাইকগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মমতাজ বেগম, প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক হরেকৃষ্ণ দাশ, প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক মোঃ কবীর আহম্মেদ, অবসরপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক প্রকাশ চন্দ্র দাশ, সমিরণ দাশ, বিষ্ণুপদ মন্ডল, মোঃ শহিদুল ইসলাম, মোঃ লুৎফর রহমান, গোবিন্দ বসু, বিদায়ী শিক্ষক মাওঃ শফিকুল ইসলাম। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চায়নার গুয়াংজুর স্টেইট ব্যুরো অব ফরেইন এক্্রপার্ট ও শেখ ইমাম উদ্দীন সংসদের যুগ্ম আহবায়ক জি এম আমিনুল ইসলাম, শেখ কামরুজ্জামান প্রিন্স, ফেরদৌসী পপী প্রমূখ। উপস্থিত ছিলেন প্রবীণ ব্যক্তিত্ব ও সমাজ সেবক আল্হাজ্ব এরফান আলী মোড়ল, সাবেক উপাধ্যক্ষ মোঃ আফসার আলী, সহচরী বিদ্যা মন্দিরের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) সঞ্জয় কুমার মন্ডল, প্রধান শিক্ষিকা রহিমা আখতার শম্পা, কেকেএসপির সভাপতি শেখ আব্দুর রশীদ, শেখ আছাদুর রহমান পিয়ারুল, এড. বিপ্লব কান্তি মন্ডল, সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী মুস্তাফিজুর রহমান পারভেজ, সাংবাদিক জি এম আসলাম হোসেন, আঃ সবুর আল আমীন, পলাশ কর্মকার প্রমূখ।

সাক্ষর জাল করে এতিমদের খাবারের জন্য অর্থ উত্তোলন, মাদরাসা অধ্যক্ষ কারাগারে
বাগেরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটে সাক্ষর জালিয়াতির মাধ্যমে ক্রয় ভাউচার ও বিভিন্ন কাগজপত্র তৈরি এবং আত্মসাতের উদ্দেশ্যে সরকারি টাকা গ্রহনের মামলায় ফকিরহাট কারামতিয়া ফাজিল মাদরাসার অধ্যক্ষ এ বি এম আব্দুল মান্নানকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। মঙ্গলবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে আদালতে হাজির হয়ে জামিন প্রার্থনা করলে বাগেরহাট চীপ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট ওসমান গনি জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণের আদেশ দেন।
মামলা সূত্রে জানাযায়, সমাজ সেবা অধিদপ্তর থেকে ২০১৭-১৮ এবং ১৮-১৯ অর্থ বছরে কারামতিয়া এতিম খানা ও লিল্লাহ বোর্ডিংয়ের এতিম শিশুদের ব্যয় বাবদ এতিম খানার ব্যাংক হিসেবে এক লক্ষ ১৯ হাজার ২৫০ টাকা প্রদান করা হয়। আসলে ওই সময়ে এতিম খানায় কোন এতিম ছিল না। ভুয়া বিল-ভাউচার ও কাগজপত্র তৈরি করে টাকা আত্মসাতের উদ্দেশ্যে মাদরাসা অধ্যক্ষ এ বি এম আব্দুল মান্নান সমাজ সেবা অধিদপ্তরে জমা দিয়েছে এমন অভিযোগ এনে ২০১৯ সালের ৩০ জুন বাগেরহাট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন ফকিরহাট উপজেলার মোল্লা আনিসুর রহমান রাসেল নামের এক ব্যক্তি। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে ফকিরহাট থানা পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ দেন। তদন্ত করে ফকিরহাট থানা পুলিশ বাদীর অভিযোগ সত্য নয়, মর্মে আদালতে প্রতিবেদন দেন। পরবর্তীতে বাদীর আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) বাগেরহাটকে অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দেন। দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০২৩ সালের ০৫ ফেব্রুয়ারি ভুয়া ও জাল ভাউচার তৈরি হয়েছে মর্মে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দেয় পিবিআই, বাগেরহাট। এই তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পরে আদালত মামলার একমাত্র আসামী অধ্যক্ষ এ বি এম আব্দুল মান্নানের বিরুদ্ধে সমন জারি করেন। অধ্যক্ষ এ বি এম আব্দুল মান্নান উচ্চ আদালত থেকে ৬ সপ্তাহের আগাম জামিন নেন। ৬ সপ্তাহ শেষ হওয়ায় নিম্ম আদালতে জামিন প্রার্থনা করলে আদালত তাকে কারাগারে প্রেরণের আদেশ দেন।
মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন সৈয়দ আলমগীর হোসেন মুকুল ও কাজী ইয়াছিন। আসামী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন আব্দুল ওয়াদুদ।
বাদী পক্ষের আইনজীবী কাজী ইয়াছিন বলেন, পিবিআইয়ের তদন্তে জাল জালিয়াতি ও ভুয়া ভাউচার তৈরির বিষয়ে সত্যতা পাওয়ায় আদালত তার বিরুদ্ধে সোমন জারি করে। পরে ওয়ারেন্টও জারি হয় অধ্যক্ষের নামে। আজকে জামিন নিতে আসলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

ঢাল-সড়কি ও বল্লম নিয়ে মহড়া, সংঘর্ষ ঠেকালেন ওসি
স্টাফ রিপোটার,বাগেরহাট
বাগেরহাটের চিতলমারীতে মাইকে ঘোষণাকৃত বড়গুনি ও ঘোলা গ্রামের সংঘর্ষ ঠেকালেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)। সোমবার (২৪ এপ্রিল) সকাল ১১ টায় বড়গুনি গ্রামের সহাস্রাধিক মানুষের দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মহড়াকালে সংগীয় ফোর্স নিয়ে তিনি এ সংঘর্ষ ঠেকান। ওসির এ ভূমিকায় হতাহত ও আইন-শৃংখলা নিয়ন্ত্রণে থাকায় এলাকার সাধারণ মানুষ তাঁকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।
পুলিশ ও গ্রামবাসি সূত্রে জানা গেছে, ১৯ এপ্রিল বিকেলে বড়গুনি গ্রামের শওকাত আলী মোল্লার ছেলে লাভলু মোল্লাকে ঘোলা গ্রামের শেখ কাউয়ুম আলীর ছেলে সাজিদ আহম্মেদ শাহিন মারধর করে। ওইদিন রাতে ঘোলা গ্রামের দুই বিশিষ্ট ব্যবসায়ি সোহেল শেখ ও সৈয়দ জান্নাত আলী বড়গুনি গ্রামে গিয়ে শাহিনের পক্ষে ক্ষমা চান। এটা বড়গুনি গ্রামবাসিদের মনোপুত না হওয়ায় রোববার (২৩ এপ্রিল) বিকেলে বড়বাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ সরদারের নেতৃত্বে বড়গুনির লোকজন বৈঠকে বসেন। এদিন রাত ৯ টার দিকে বড়বাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের ইন্ধনে বড়গুনি গ্রামের বিভিন্ন মসজিদ থেকে (বড়গুনি কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ, এরশাদ মুন্সির মোড় জামে মসজিদ, বড়গুনি বাজার জামে মসজিদ, বড়গুনি উত্তরপাড়া জামে মসজিদ, বড়গুনি পশ্চিমপাড়া জামে মসজিদ এবং বড়গুনি মাদ্রাসা ও এতিমখানা এবং ভ্যানে মাইকে প্রচার) মাইকিং করা হয়। মাইকে বলা হয়, ‘বড়গুনি গ্রামের ছোট-বড় সবাই প্রস্তুত থাকবেন। আগামীকাল (২৪ এপ্রিল) সকালে ঘোলা গ্রামবাসিদের সাথে সংঘর্ষ হবে। লাঠিসোটা নিয়ে রেডি থাকবেন।’ এ প্রচারে দুই গ্রামের সাধারন মানুষদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তাঁরা নির্ঘুম রাত কাটায়। সোমবার (২৪ এপ্রিল) সকালে বড়বাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ সরদারের নেতৃত্বে প্রায় দেড় হাজার লোক লাঠিসোটা, বল্লম, সড়কি, রামদা ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বড়গুনি ব্রীজের উপর জড়ো হয়।

অপরদিকে আত্মরক্ষার্থে ঘোলা গ্রামের লোকজন জড়ো হতে থাকে। এ খবর পেয়ে চিতলমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ এইচ এম কামরুজ্জামান খান সংগীয় ফোর্স নিয়ে বড়গুনি গ্রামে গিয়ে সংঘর্ষ ঠেকান। ওসির এ ভূমিকায় হতাহত ও আইন-শৃংখলা রক্ষা পাওয়ায় এলাকার সাধারণ মানুষ তাঁকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।

এ ব্যাপারে বড়বাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের দফাদার মোঃ আল-আমিন শেখ জানান, তিনি মাইকে প্রচার করেননি। তবে তিনি বিভন্ন মসজিদের মাইকে প্রচার শুনেছেন।

বড়বাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ সরদার সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘আমারে কি পাগলে কামড়াইছে, যে মাইকে প্রচার করাবো? কোন মাইকিং হয়নি। যারা শুনেছে ভুল শুনেছেন।’

চিতলমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ এইচ এম কামরুজ্জামান খান বলেন, ‘খবর শুনেই আমরা ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়েছি। কোন সংঘর্ষ হয়নি। পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এ ঘটনা আগামী শুক্রবার বিকালে স্থানীয় ভাবে মিমাংশা করা হবে।’

ইসলাম ধর্মের অবমাননায় হিন্দু যুবকের বিরুদ্ধে মামলা
স্টাফ রিপোটার,বাগেরহাট
রামপালে ইসলাম ধর্ম ও মাহে রমজানকে নিয়ে কটুক্তি করায় যুবকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। এ ঘটনায় মনিরুজ্জামান গোলদাের নামের এক ব্যক্তি রামপাল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার হুড়কা ইউনিয়নের মধ্যপাড়া জগারহুলা গ্রামের গোলক বিশ্বাসের ছেলে সজীব বিশ্বাস (দোদো) ১৯ এপ্রিল সন্ধ্যায় চাড়াখালী দারুল নাজাত হিফজুল কুরআন ক্যাডেট মাদরাসার সামনে উদ্দেশ্যমূলকভাবে ইসলাম ধর্ম, মাহে রমজানের তাৎপর্য ও ঈদ-উল ফিতর নিয়ে ধর্ম বিরোধী বিদ্রুপ মন্তব্য করতে থাকে। এসময় মনিরুজ্জামান অভিযুক্ত সজীবকে ধর্ম বিরোধী মন্তব্য করতে নিষেধ করলে উল্টো তার উপর চড়াও হয়ে তাকে জীবন নাশের হুমকি দেয়।

বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা উত্তেজিত হয়ে পড়েন। পরে স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও চেয়ারম্যান তপন গোলদারের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার মামলার ৬ দিন অতিবাহিত হলেও এখনো অভিযুক্ত সজীবকে আটক করতে না পারায় স্থানীয় মুসলমানদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা অতিদ্রুত ওই অভিযুক্ত সজীবকে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি করেছেন। সজীব একজন সন্ত্রাসী ও উগ্রবাদী বলে স্থানীয়রা দাবি করেন। তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে।

এবিষয়ে রামপাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শামসুদ্দিন মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করে সাংবাদিকদের জানান, হুড়কা ইউনিয়ন হিন্দু অধ্যুষিত এলাকা। সবাই মিলেমিশে বসবাস করে। কিন্তু ইসলাম ধর্ম ও পবিত্র মাহে রমজানকে নিয়ে সজীব বিশ্বাস বিদ্রুপ মন্তব্য করলে এলাকায় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক সেখানে পুলিশ পাঠানো হয় এবং স্থানীয়দের সাথে কথা বলে সবাইকে শান্ত থাকার অনুরোধ করছি। আমরা অভিযুক্ত সজীবকে আটক করতে জোর চেষ্টা চালাচ্ছি।

বাগেরহাটে মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার মত বিনিময় ও পরিচিতি সভা
স্টাফ রিপোটার,বাগেরহাট
বাগেরহাটে বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার নব গঠিত জেলা, পৌর ও সদর উপজেলা কমিটির মত বিনিময় ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ এপ্রিল) সকালে জেলা প্রসাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তৃতা করেন জেলা প্রশাসক মোহম্মদ আজিজুর রহমান। মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার জেলা শাখার সভাপতি এ্যাডভোকেট মেহেরুন নেছার সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক সৈয়দ শওকত হোসেনের সঞ্চলনায় অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তৃতা করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সাবিক) হাফিজ আল আসাদ, বিশিষ্ঠ শিক্ষাবিদ অধ্যপক মোজাফ্ফর হোসেন, অধ্যপক চৌধরী আব্দুর রব, সংগঠনের খুলনা বিভাগীয় সমন্বয়কারী এ্যাডভোকেট মমিনুল ইসলাম। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তৃতা করেন পুলিশ পরিদশক আব্দুর রাজ্জাক, সংস্থার সদর উপজেলা কমিটির সভাপতি এ্যাডভোকেট এস. এম. মাহবুব মোর্শেদ লালন, পৌর শাখার সভাপতি কল্লোল সরকার, সাধারন সম্পাদক এ্যাডভোকেট ফয়সাল আরেফিন, জেলা শাখার সংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক নারগীস আক্তার লুনা,সদর উপজেলা শাখার সহ সাধারন সম্পাদক সরদার ইমরান করি রোমেল, জেলা শাখার নির্বাহী সদস্য সুনয়না রায়, পৌর শাখার দপ্তর সম্পাদক ওমর আলী প্রমূখ।

বাগেরহাটে হতদরিদ্রদের জন্য বরাদ্দ ৭২০ কেজি চাল জব্দ
স্টাফ রিপোটার,বাগেরহাট
বাগেরহাটের খানপুর ইউনিয়ন পরিষদের খাদ্য গুদাম থেকে ঈদ উপলক্ষে হতদরিদ্রদের জন্য বরাদ্দ ভিজিএফের ৭২০ কেজি চাল জব্দ করা হয়েছে। রবিবার (২৩ এপ্রিল) গভীর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ইউপি কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) এম সাইফুল্লাহ এই চাল জব্দ করেন।পরবর্তীতে সোমবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে সহকারি কমিশনার (ভূমি) এম সাইফুল্লাহ‘র উপস্থিতিতে দরিদ্রদের মাঝে এই চাল বিতরণ করা হয়।
জানাযায়, ঈদ উপলক্ষে হতদরিদ্রদের জন্য খানপুর ইউনিয়নে ৯৪৮ জনের জন্য ১০ কেজি করে মোট ৯ হাজার ৪৮০ কেজি চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। বরাদ্দ কৃত চাল ১৫ এপ্রিলের মধ্যে হতদরিদ্রদের মাঝে বিতরণের নিদের্শনা দিয়েছিল উপজেলা প্রশাসন। কিন্তু সঠিক সময়ে চাল বিতরন না করায় ৭২০কেজি চাল অবশিষ্ট রয়ে যায়। তবে চাল প্রাপ্তরা বলছেন, রোজার সময়ে চাল নিতে ইউনিয়ন পরিষদে আসলেও, তাদেরকে চাল দেওয়া হয়নি।

খানপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা আমিরুন্ননেছা বেগম নামের এক নারী বলেন, ঈদের আগে আসছিলাম কিন্তু আমাকে কোন চাল দেয়নি। রোববার রাতে চাল নিতে আসার জন্য সংবাদ দিয়েছিল। তাই আজকে এসে চাল নিলাম। এই চালগুলো ঈদের আগে দিলে আরও ভাল হত।

খানপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ফকির মনিরুজ্জামান বলেন, ঈদ উপলক্ষে দেওয়া চাল গরীব দুঃস্থদের মাঝে বিতরন না-করে আত্মসাতের জন্য মজুদ করেছিল চেয়ারম্যান ফহম উদ্দিন। তার এধরনের কাজে আমাদের দলের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়েছে। আমরা তদন্তপূর্বক চেয়ারম্যানের বিচার চাই।

চাল আত্মসাতের চেষ্টার অভিযোগ অস্বীকার করে খানপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফকির ফহম উদ্দিন বলেন, যারা চাল পাবে তাদের সকলকে ঈদের আগেই চাল নেওয়ার জন্য খবর পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু রোজা থাকায় কিছু মানুষ চাল নিতে আসেনি। তাদের চাল গুদামে ছিল। প্রশাসনের নির্দেশে সেই চাল আজকে বিতরণ করা হয়েছে। কিন্তু কিছু মানুষ আমার ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার জন্য এই অপপ্রচার চালাচ্ছে।

চাল বিতরণের দেখভালের দায়িত্বে থাকা ট্যাগ অফিসার সদর উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মোঃ জাহিদুর রহমান বলেন, সব চাল বিতরণ করতে পারেনি এই বিষয়টি ইউপি চেয়ারম্যান আমাকে সঠিক সময়ে অবহিত করেননি।

উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) এম সাইফুল্লাহ বলেন, উর্দ্ধোতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম এবং চাল জব্দ করেছিলাম।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মাদ আজজুর রহমান বলেন, ভিজিএফ‘র চাল বিতরণ না করে আত্মসাতের চেষ্টা করছে এমন অভিযোগের ভিত্তিতে সদর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ঘটনাস্থলে যায় এবং চাল জব্দ করে। পরবর্তীতে কাগজপত্র যাচাই বাছাই করে চাল বিতরণ করা হয়। কেন সঠিক সময়ে চাল বিতরণ করেননি সে বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যানের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হবে বলে জানান জেলার এই শীর্ষ কর্মকর্তা।

নারী নেত্রী জাকিয়া আক্তারের মৃত্যুতে বৃহত্তর আমরা খুলনাবাসীর শোক
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেস্ট্রি এন্ড উড টেকনোলজি ডিসিপ্লিনের শিক্ষক ড. মো. নাজমুস সাদাতের মাতা, খুলনার একটি বেসরকারি সংস্থা বনফুলের নির্বাহী পরিচালক কাজি জাকিয়া আক্তার হোসেনের মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন বৃহত্তর আমরা খুলনাবাসীর নেতৃবৃন্দ।
নেতৃবৃন্দরা হলেন সংগঠণের সভাপতি মো. নাসির উদ্দিন, শেখ হেমায়েতুল ইসলাম, কাউন্সিল মাজেদা খাতুন, ডা. সৈয়দ মোসাদ্দেক হোসেন বাবলু, ডা. আব্দুস সালাম, শেখ হেদায়েত হোসেন হেদু, মো. কামরুল ইসলাম কামু, নিয়াজ আহমেদ তুহিন, মুন্সি আহমেদ হোসেন, সাধারন সম্পাদক এস এম মাহাবুবুর রহমান খোকন, শেখ মোহাম্মাদ আলি, এম এ জলিল, জি এম মঈন উদ্দিন, মো. কামরুল ইসলাম ভুট্রো, কাওসারি জাহান মঞ্জু, সাংগাঠনিক সম্পাদক মো. শাকিল আহমেদ রাজা, আব্দুর রাজ্জাক, ক্বারী শরীফ মিজানুর রহমান, শেখ শহিদুল ইসলাম, কবিতা আহমেদ, আরিফ, জিসান, মো. শফিকুল ইসলাম অভি, রেজাউল ইসলাম রাজা, মো. আশরাফুল ইসলাম, ইকবাল হোসেন তোকা, জাকির হোসেন চঞ্চল, রফিকুল ইসলাম রফিক, শিক্ষক আঃ মান্নান, রুহুল কুদ্দুস, রোকনুজ্জামান বাবলু, সাজ্জাদ চঞ্চল, আলাউদ্দিন, মো. জাভেদ আলম, শেখ তৈয়বুর রহমান তপু, মিকাইল হোসেন, আবু বক্কার, মো. আজমল হোসেন প্রমুখ।

৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে মহেশপুরের খালিশপুর দাখিল মাদ্রাসায় সুবর্ণ জয়ন্তী অনুষ্ঠিত
মহেশপুর(ঝিনাইদহ)প্রতিনিধিঃ
৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার খালিশপুর দাখিল মাদ্রাসার আয়োজনে মাদ্রাসা প্রাঙ্গনে শিক্ষক-শিক্ষিকা,বর্তমান ও সাবেক ছাত্র-ছাত্রী ও এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে জাকজমক পুর্ণ ভাবে সুবর্ণ ও রজত জয়ন্তী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার দিন ব্যাপি মাদ্রাসা পরিচালনা পরিষদের সভাপতি শাহাজান আলী সর্দারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সুবর্ণ ও রজত জয়ন্তী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ঝিনাইদহ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ¦ শফিকুল আজম খাঁন চঞ্চল।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন মহেশপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি সাজ্জাদুল ইসলাম সাজ্জাদ, সাধারণ সম্পাদক মীর সুলতানুজ্জামান লিটন, এস’বিকে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আরিফান হাসান চৌধুরী নুথান চৌধুরী,মাদ্রাসা সুপার মাওলানা নজরুল ইসলাম, সহকারী সুপার সাইদুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল আজিজ,এলাকার গন্যামান্য ব্যক্তিদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আব্দুল খালেক, ফিরোজ আহম্মেদ, সানোয়ার হোসেন (দিলু) ইউপি সদস্য আব্দুল খালেক বিপুল,বাবলু মিয়া প্রমুখ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বীর শ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান ডিগ্রী কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম।

কালাবগী যুব ফাউন্ডেশনের কমিটি গঠন
দাকোপ (খুলনা) প্রতিনিধি
দাকোপে সামাজিক সংগঠন কালাবগি যুব ফাউন্ডেশনের দ্বিবার্ষিকি কমিটি গঠন উপলক্ষে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্মেলনে গাজী নাজমুল হাসানকে সভাপতি ও মোঃ শরিফুল ইসলামকে সাধারন সম্পাদক করে ১০১ সদস্য বিশিষ্ঠ কার্যকরী কমিটি গঠন করা হয়।
রবিবার বিকেল ৪ টায় কালাবগি বাজারস্থ সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয়ে আহবায়ক গাজী নাজমুল হাসানের সভাপতিত্বে ও মোঃ লিটন সানার পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সম্মেলনে স্বাগত বক্তৃতা রাখেন সংগঠনের উপদেষ্টা সাংবাদিক গাজী আবুল বাশার। অন্যানের মধ্যে বক্তৃতা করেন ইউপি সদস্য নিমাই রায়, শেখ মহসিন, শেখ জহীর, সোহরাব হোসেন, মোঃ আবু জাফর গাজী, মোঃ হাফিজুর রহমান, জুবাইদুর রহমান, মানিক সানা, মোঃ সোহেল আহমেদ, জামাল সানা, মোঃ শাহিনুর গাজী, মোঃ শরিফুল ইসলাম, মোঃ আবু ইছা খান, মোঃ আরাফাত সরদার, শরিফুল মীর, আরশ আলী, মাওলানা আবু মুছা সরদার, মাওলানা আতাউল্লাহ, মোঃ কামরুজ্জামান, মোঃ আলমগীর সরদার, মোঃ বদিয়ার শেখ, মোঃ মেহেদী হাসান, মুস্তাফিজুর রহমান, সুনাম খান, ওলিউর রহমান, নিতিশ বাওয়ালী, তানভী শেখ, রিস্তাদুল গাজী, হাফিজুর রহমান গাজী, জিল্লুর রহমান গাজী, ছাবিউল্লাহ সানা,উজ¦ল গাজী, ইকলাছুর রহমান, ইকরামুল সানা প্রমুখ। উল্লেখ সংগঠনটি দির্ঘদিন যাবৎ অসহায়, হতদরিদ্র, মেধাবি শিক্ষার্থী, বাল্যবিবাহ, স্বাস্থ্যসেবাসহ নানা সামাজিক কর্মকান্ড পরিচালনা করে আসছে।

মহেশপুরে গলায় ফাঁস দিয়ে যুবকের আত্মহত্যা
মহেশপুর (ঝিনাইদহ)প্রতিনিধি,
ঝিনাইদহের মহেশপুরে গলায় ফাঁস দিয়ে শহিদুল ইসলাম (৩০) নামে এক যুবক আত্মহত্যা করেছেন। মঙ্গলবার গভীর রাতে উপজেলার পান্তাপড়া ইউনিয়নের পীরগাছা গ্রামের শষ্ঠীতলা পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। শহিদুল ইসলাম ওই গ্রামের গোলাম রহমানের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাতে পরিবারের সবার অজান্তে নিজের ঘরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন শহিদুল ইসলাম। সকালে পরিবারের লোকজন শহিদুলের কোন সাড়া শব্দ না পেয়ে একটি শিশুকে জানাল দিয়ে তার ঘরে ঢুকিয়ে দিয়ে আত্মহত্যার বিষয়টি জানতে পারে। খবর পেয়ে মহেশপুর থানার এসআই রফিক ঘটনাস্থলে যেয়ে লাশের শ্রোতহাল রিপোর্ট করে ময়না তদন্তের জন্য লাশ ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে মর্গে পাঠিয়ে।
মহেশপুর থানার ওসি খন্দকার শামীম উদ্দীন ঘটনার সত্যতা নিচ্ছিত করে বলেন,ঘটনায় মৃত শহিদুল ইসলামের চাচা হাবিবুল্লাহ বাদী হয়ে মহেশপুর থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা করেছেন।

কালীগঞ্জে শিলা ঝড়ো বৃষ্টিতে ২০ গ্রামে হাহাকার: মাঠে মাঠে কৃষকের বুকফাঁটা কান্না
সাবজাল হোসেন, বিশেষ প্রতিনিধি ॥
কথায় আছে,ধারদেনা আর খরচের বোরো ধান। ইতোপূর্বে চাষ পর্ব শেষ। দুু’এক দিনের মধ্যেই অনেকে কাটা শুরু করবে। কিছু ক্ষেতে লাগবে আরও কয়টা দিন। তারপরও সপ্তাহ খানেকের মধ্যে সব ধান ঘরে উঠানো যাবে। তখন কৃষক পরিবারগুলো আনন্দে ভরে উঠবে। অন্তত কয়েক মাসের জন্য হলেও মিটবে তাদের প্রায় সব অভাব। এমন আশা ছিল গ্রামের কৃষক পরিবারগুলোতে। কিন্ত সে আশা আর কপালে সইল না তাদের।

কেননা সোমবার বিকালে আকাশে ঘন কালো মেঘ জমে শুরু হয় ঝড়ো বাতাস। কিছুক্ষনের মধ্যে সমানে পড়তে থাকে শিলাবৃষ্টি। কয়েক মিনিটের তান্ডবে ঝিনাইদহ কালীগঞ্জের সিমলা রোকনপুর ইউনিয়নের আংশিক কয়েকটি গ্রাম,ত্রিলোচনপুর ইউনিয়নের বেশিরভাগ গ্রাম, পাশ^বর্তী পশ্চিমে কোটচাঁদপুর উপজেলার এলাঙ্গী ইউনিয়নের এলাঙ্গী, নওদা গ্রাম, ও বলাবাড়িয়াসহ কয়েকটি গ্রাম, পূর্বে যশোরের চৌগাছা উপজেলার হাকিমপুর ইউনিয়নের চন্দ্রপাড়া ও স্বরুপপুরসহ এ এলাকার কমপক্ষে ২০ টি গ্রামের মাঠের বোরো ধানের সর্বচ্চ ক্ষতি হয়ে হয়েছে। একই সাথে মাঠের পাট, কলা, আম লিচু ও সবজির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্রচন্ড তাহদাহের মধ্যে বয়ে যাওয়া ঝড় বৃষ্টি কৃষক ও সাধারন মানুষসহ প্রাণীকুলের জন্য আর্শিবাদ হলেও উল্লেখিত এলাকায় ধানসহ ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে কি পরিমান ক্ষতি হয়েছে তা মঙ্গলবার বিকাল পর্যন্ত জানাতে পারেনি জেলা কৃষি অফিস। কয়েকটি গ্রামের মিলে মোট এ অঞ্চলের বিশ- বাইশটিরও অধিক গ্রামের ওপর দিয়ে এ ধবংসযজ্ঞ বয়ে গেছে। একমাত্র কৃষিপ্রধান এ অঞ্চলের মাঠের পর মাঠের বোরো পাকা ধানের গাছগুলোতে মাত্রাতিরিক্ত শিলাবৃষ্টি পড়ে কৃষকের কপাল পুড়েছে। ক্ষেতের সোনালী ধান গাছগুলো এখনও দাড়িয়ে থাকলেও শীষে একটি ধানও নেই। সব ধান ঝরে ক্ষেতে পড়ে গেছে।

মঙ্গলবার সকালে ওই এলাকাটিতে গেলে গেলে দেখা যায়,কালীগঞ্জের সিমলা,বালিয়াডাঙ্গা, গবরডাঙ্গা, ধলা, দাঁদপুর,শাহপুর ঘিঘাটি,চাঁদবা, একতারপুর, কালুখালী, আজমতনগর, মধুপুর, ত্রিলোচনপুরসহ বেশ কিছু গ্রামের ফলজ ক্ষেতের,সব ধরনের বানিজ্যিক ফুল ও সবজির মাচা মাটিতে মিশে ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে। ধরন্ত কলা গাছ বেশিরভাগই ভেঙে গেছে। সবুজ পাট গাছের কান্ড আছে কিন্তু মাথা নেই। ধরন্ত আম গাছের তলায় ঝরা আমের জালিতে ভরাট হয়ে আছে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, বসতবাড়ির যেগুলো ক্ষতি হয়েছে সেগুলো সংখ্যায় খুব বেশি নয়। তবে তা মেরামতে তেমন একটা গুরুত্বও দিচ্ছেন না তারা। ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর ভাষ্য, না হয় গাছতলাতে থাকবো তাও তো বাঁচা যাবে। কিন্ত ধানসহ মাঠের সব ধরনের ফসল শেষ হয়ে গেছে। এখন খাবো কি ?
ত্রিলোচনপুর- গোবরডাঙ্গা মাঠে দেখা হয় শামছুল – মোমেনা দম্পতির। তারা নিজেদের ক্ষেতের শিলাবৃষ্টিতে ঝরে যাওয়া ধান হাত দিয়ে কুড়াচ্ছেন আর টানা নিঃশ^াস নিচ্ছেন। চোখের পানি ফেলছেন। তারা জানান, খুব কষ্ট করে মাঠে ২ বিঘা জমিতে বোরো ধানের ধান চাষ করেছিলেন। কমপক্ষে ৫০ মন ধান পাওয়ার আশা ছিল এখন সব শেষ হয়ে গেছে।
দাদপুর গ্রামের কৃষক নুরুল ইসলাম জানান, ৪ বিঘা জমিতে বোরো চাষ করে কমপক্ষে ১’শ মন ধান পাওয়ার আশা ছিল। সোমবারের কয়েক মিনিটের শিলাবৃষ্টিতে শিষ থেকে সব ধান ঝরে গেছে। তিনি বলেন, বৃষ্টির শেষে কৃষকেরা সবাই মাঠে গিয়ে দেখেন ধান গাছের পাতা পর্যন্ত শিলার আঘাতে চিরে চিকন খড়ের রুপ ধারন করেছে। তিনি বলেন,এমন ক্ষতির পর মাঠে মাঠে কৃষকের বুকফাঁটা আহাজারি চলছে। আবার কেউ কেউ মনের কষ্টে মাঠের দিকেই যাচ্ছেন না। এলাকাজুড়ে এখন কোন মানুষের মুখে হাসি নেই। কেননা এ আবাদে একটি ধানও তাদের ঘরে আসবে না।
বেলেডাঙ্গা গ্রামের কৃষক রেজাউল ইসলাম জানান, তার এ বছর ২ বিঘা জমিতে সরবি জাতের কলা ছিল। সব গাছগুলোতে কাঁধি হয়েছিল কিন্ত ঝড়ে এখন আর কোন কলাগাছ সোজা নেই। সব ভেঙে গেছে। তিনি বলেন, তাদের আশপাশের কয়েক গ্রামের পেয়ারা, আম, পেপে, বানিজ্যিক ফুল, যাবতীয় সবজির যে ক্ষতি হয়েছে সে ক্ষতি সহজে কাটিয়ে উঠা যাবে না। আর এ বছর মাঠ ধরেই পাকা কাঁচা ধান ক্ষতিগ্রস্থ। তিনি আরও বলেন কৃষকেরা মনের কষ্টে এখন বসে টানা নিশ^াস ছাড়ছেন।

কৃষিকর্মকর্তারা জানান, সোমবার বিকাল ৩ টায় বয়ে যাওয়া কালাবৈশাখী ঝড় এবং সাথে শিলাবৃষ্টি শুরু হয়। এতে যশোরের চৌগাছা উপজেলার হাকিমপুর ইউনিয়নের চন্দ্রপাড়া ও স্বরুপপুর মাঠের সামান্য অংশ ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার ত্রিলোচনপুর ইউনিয়ন ও কোটচাঁদপুর উপজেলার এলাঙ্গী ইউনিয়নসহ কিছু এলাকায় ফসলের মাত্রাতিরিক্ত ক্ষতি হয়েছে।

কালীগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহবুব আলম রনি জানান, আমরা ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকাা করছি। কি পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে তা এখনি বলা যাচ্ছে না। তবে উপজেলার ত্রিলোচনপুর ইউনিয়নের মাঠে পাকা ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বলে উল্লেখ করেন।

জেলা কৃষি কর্মকর্তা আজগার আলী জানান, আমরা ক্ষতিগ্রস্ত মাঠে আছি। এখনি বলতে পারছি না কি পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে শিলাবৃষ্টিতে কিছু কিছু এলাকায় কৃষক এমন ক্ষতি হয়েছে যা বর্ণনা করার মত নয় বলে যোগ করেন এ জেলা কৃষি কর্মকর্তা।

আশাশুনির আম ব্যবসায়ীদের রক্ষার আকুল আকুতি
আশাশুনি প্রতিনিধি
বিগত বছরে চরম ক্ষতিগ্রস্ত আশাশুনি উপজেলার আম ব্যবসায়ীরা এবছর পুঁজিসহ ব্যবসা ধ্বংসের হাত থেকে রাক্ষার্থে জেলা প্রশাসকের কাছে আকুল আকুতি জানিয়েছেন। দেশের সম্মান রক্ষাসহ মানুষের মুখে স্বাস্থ্য সম্মত আম তুলে দিতে সততার সাথে ব্যবসা করার সুযোগ দেওয়ার জন্য তারা যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহনে প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন। মঙ্গলবার (২৫ এপ্রিল) সকালে উপজেলার বুধহাটা করিম সুপার মার্কেটে আম ব্যবসায়ী সভায় তারা এ আকুতি জ্ঞাপন করেন।
আশাশুনি উপজেলার প্রাণ কেন্দ্র বুধহাটা এলাকা সংশ্লিষ্ট আম ব্যবসায়ীদের উপস্থিতিতে সভায় বক্তব্য রাখেন, ব্যবসায়ী ইদ্রিস আলী, রেজাউল করিম, কবির হোসেন, আজহারুল ইসলাম প্রমুখ। বক্তাগণ বলেন, গত বছর ঘূর্ণিঝড়সহ নানা কারনে আম নষ্ট হয়ে যাওয়ায় আমরা চরম ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পূঁজি হারিয়েছিলাম। এক বছর ধরে আমরা জমি বন্ধন দিয়ে ও ব্যাংক-এনজিও থেকে ঋণের টাকা ব্যয় করে সেচসহ পরিচর্চার মাধ্যমে প্রচুর আমের ফলন ফলাতে সক্ষম হয়েছি। ব্যাপক তাপমাত্রা ও লবণাক্ততার কারনে এবং আশাশুনির প্রেক্ষাপটে অগ্রিম জাতের অনেক গাছের আম পেকে গেছে। বিশেষ করে গোলাপ খাস, শরীফ খাস, বেল খাস, গোবিন্দ ভোগ, গোপাল ভোগ ও বিভিন্ন প্রজাতির আটির আম, বৈশাখী আম পেকে গেছে। বাদুড়ে আম খেয়ে যাচ্ছে, পাকা আম পড়ে নষ্ট হচ্ছে। এসব আম এখনই পেড়ে বাজারজাত, আড়তজাত করা জরুরী হয়ে পড়েছে। সদাশয় জেলা প্রশাসন গত বছর ১ মে অগ্রিম জাতের আম ও ৫ মের পর থেকে হিমসাগর আম বাজারজাত করার সময় বেধে দিয়েছিলেন। কিন্তু এবছর ১১ দিন পিছিয়ে ১২ মে স্থানীয় জাতের, ২০ দিন পিছিয়ে ২৫ মে হিমসাগর/ক্ষীরসাপাতি, ১ জুন ল্যাংড়া ও ১৫ জুন থেকে আম্রপালি আম পাড়ার সময় নির্দ্ধারন করা হয়েছে। কাল বৈশাখীর ছোবলে পড়লে গাছের অগ্রিম জাতের পাকা আম নষ্ট হয়ে যাবে।
ব্যবসায়ীরা অনুনয়ের সাথে দাবী করেন, অগ্রিম জাতের আম পেকে গেছে। এসব আমগুলো প্রশাসনের তদারকিতে ব্যবসায়ীদেরকে গত বছরের সময় মত ১ মে থেকে পাড়ার অনুমতি দেওয়া হোক। তারা প্রশাসনের অবগতির মাধ্যমে তাদের সরেজমিন উপস্থিতিতে আম পেড়ে আড়ৎজাত করতে চায়। রাসায়নিক দ্রব্য তারা সম্পূর্ণভাবে ব্যবহার না করার নিশ্চয়তা প্রদান করে বলেন, ৩ মাস আগে গাছে মুকুল এসেছিল, পরবর্তীতে আরও ২ বার মুকুল এসেছে। প্রথম মুকুল আসা গাছের আম পেকে গেছে। অপরপিক্ক জাতের আম তারা যথারীতি বিলম্বে পাড়তে চায় এবং বিদেশে রপ্তানীযোগ্য করে বাজারজাত করতে চায়। তারা জেলা প্রশসক মহোদয়ের কাছে সদয় দিকনির্শেনার আদেবন জানিয়ে বলেন, পাকা আম পাড়তে না দিলে ব্যবসায়ীরা বিগত বছরের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে এবং এবছরের লাভের মুখ দেখতে পারবেনা।
আশাশুনি উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ এস এম এনামুল ইসলাম জানান, সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে তারা যথাসাধ্য কাজ করে যাচ্ছেন। ব্যবসায়ীদের কোম্পানীর সাথে চুক্তি থাকলে চুক্তিপত্র দেখাতে হবে, অগ্রিম পেকে যাওয়া আম পাড়তে হলে আড়তদারের সাথে আমাদের যোগাযোগ করাতে হবে। তখন উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের সরেজমিন পাঠিয়ে সঠিক চিত্র পর্যবেক্ষণ করে বিশেষ ব্যবস্থাধীনে আম পাড়ার ব্যবস্থা করা হবে। যাতে চাষীরা ক্ষতিগ্রস্ত না হন সেদিক বিবেচনা করা হবে। তবে কোন ভাবেই অপরিপক্ক আম পাড়া বা রাসায়নিক দ্রব্য মিশানোর মাধ্যমে আম পাকানোর সুযোগ দেওয়া হবেনা বলে তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

রুপপুরের মালামাল নিয়ে মোংলায় বন্দরে ভিড়েছে রুশ জাহাজ
মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
বাংলাদেশের রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মালামাল নিয়ে এবারও সরাসরি রাশিয়া থেকে ছেড়ে আসা বিদেশী জাহাজ এম,ভি ইয়ামাল অরলান মোংলা বন্দরে ভিড়েছে। মেশিনারী পণ্য নিয়ে আসা এ জাহাজটি মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটায় বন্দরের ৮নম্বর জেটিতে ভিড়ে। জেটিতে পণ্য খালাস শেষে তিনদিন পর এ জাহাজটির মোংলা বন্দর ত্যাগ করার কথা রয়েছে।

জাহাজটির স্থানীয় শিপিং এজেন্ট কনভেয়ার শিপিং লাইন্স’র খুলনার ম্যানেজার (অপারেশন) সাধন কুমার চক্রবর্তী জানান, গত ২৮মার্চ রাশিয়ার নভোরোসিয়েস্ক বন্দর থেকে ২হাজার ৫শ ২২মেট্টিক টন মেশিনারী পণ্য নিয়ে মোংলা বন্দরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসে বিদেশী জাহাজ এম,ভি ইয়ামাল অরলান। এরপর মঙ্গলবার (২৫এপ্রিল) দুপুর আড়াইটায় মোংলা বন্দরের ৮নম্বর জেটিতে ভিড়ে রাশিয়ান পতাকাবাহী এ জাহাজটি। দুপুর থেকেই জাহাজটি হতে ১হাজার ৩শ ৬০ প্যাকেজে আসা মেশিনারী পণ্য খালাসের কাজ শুরু হয়। আপাতত খালাসকৃত পণ্য জেটিতে রাখা হচ্ছে। পণ্য খালাস শেষে শুক্রবার জাহাজটি রাশিয়ার উদ্দেশ্যে মোংলা বন্দর ছেড়ে যাবে। পণ্য খালাসের তিন দিন পর সড়ক পথে এ সকল পণ্য বন্দর জেটি থেকে নেয়া হবে রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে।

উল্লেখ্য, সাম্প্রতিককালে ৭টি জাহাজ কোম্পানীর ৬৯টি জাহাজে রুপপুরের পণ্য পরিবহণে নিষেধাজ্ঞা জারি করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। যার ফলে নিষেধাজ্ঞার বাহিরে থাকা জাহাজগুলো রাশিয়া থেকে রুপপুরের পণ্য নিয়ে সরাসরি মোংলা বন্দরে আসছে। আর নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকা জাহাজগুলো রাশিয়া থেকে পণ্য নিয়ে ভারতের হলদিয়া বন্দরে খালাস করছে, পরে তা বাংলাদেশ-ভারত ট্রানজিট চুক্তির আওতায় সেখান থেকে সেপণ্য আসছে মোংলা বন্দরে। আবার কোন কোন পণ্য হলদিয়া বন্দর থেকে সড়ক পথেও আসছে রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে বলে জানিয়েছেন সংশিষ্টরা শিপিং এজেন্ট।

রামপালে মৎস্যঘেরে আগুন মাছ লুটের অভিযোগ
রামপাল (বাগেরহাট) সংবাদদাতা
রামপালের মুজিব নগর গ্রামে গোলাম মওলা নামের এক মৎস্য খামারির ঘেরের মাছ লুট ও বাসা ঘরে আগুন দিয়ে ভষ্মিভূত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী গোলাম মওলা দুই লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে দাবি করে রামপাল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগে জানা গেছে, মুজিব নগর গ্রামে গোলাম মওলার সাড়ে ৬ একরের একটি মৎস্য ঘের রয়েছে। সে গত ২ বছর ধরে জমির মালিকদের হারির টাকা পরিশোধ করে মৎস্য চাষ করে আসছে। গত ২০ এপ্রিল বৃহস্পতিবার রাত ১০ টায় একই গ্রামের শেখ তরিক, শেখ রফিক, বিল্লাল হোসেন, মাদারতলা গ্রামের শেখ পিয়ার, শেখ মোজাফফর, শেখ মোতালেব, শেখ সুমনসহ ৮/১০ জন দুষ্কৃতকারী ওই ঘেরে গিয়ে বিপুল পরিমাণ বাগদাসহ অন্যান্য মাছ লুটে নেয়। এরপর যাওয়ার সময় বাসা ঘরে আগুন লাগিয়ে দেয় বলে লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন। এ সময় তারা ঘেরের বেড়িবাঁধ কেটে দেয় এবং মাছ ধারার সরঞ্জাম নদীতে ফেলে দেয়। এতে মওলার আড়াই লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে। মওলা বলেন লোন করে, দায় দেনা করে ঘেরে মাছ ছেড়েছি। এখন সব মাছ লুটে নেওয়ায় আমি সর্ব শন্ত
হয়ে গেছি। ওয়ার্ড সদস্য সরোয়ার হোসেন বলেন, একটা কুচক্রী মহল আমাদের পিছনে লেগেছে। তারা আমাদের ক্ষতি করার চেষ্টা করছে।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত শেখ তরিকুল, শেখ রফিকুল, শেখ বিল্লাল, শেখ পেয়ারসহ অন্যদের সাথে কথা হলে তারা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমাদের জমিতে আমরা দুই বছর ধরে ঘের করতে পারছি না। মওলা ঘের দখল করেছে। তার বাসাঘর কারা পুড়িয়েছে তা আমরা জানিনা।

এ বিষয়ে রামপাল থানার ওসি মোহাম্মদ সামসুদ্দীন এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন এ সংক্রান্ত দুইটা অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।#

মাগুরার শালিখাতে আব্দুর রহমান-আলেয়া রহমান ফাউন্ডেশন বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান
নওয়াব আলী মাগুরাঃ
মাগুরার শালিখাতে আব্দুর রহমান-আলেয়া রহমান ফাউন্ডেশন বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান -২০২৩ সোমবার পুলুম গোলাম ছরোয়ার মাধ্যমিক বিদ্যালয় অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুর রহমান।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এ্যাড.শ্যামল কুমার দে। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন গঙ্গারামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হালিম,পুলুম সালিমা হক মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি মোঃ খলিলুর রহমান,প্রধান শিক্ষক মোঃ ওহিদুর রহমান ওয়াদুদ,পুলুক গোলাম ছরোয়ার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মির্জা মো: আব্দুল গফ্ফার,শিক্ষক সম্ভু মৈত্র,নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী মিথিলা,পুলুম সালিমা হক মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী জুই আক্তার,প্রথমিক শিক্ষা শিক্ষা অফিসার মো:আমজাদ হোসেন,রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড.আপেল মাহমুদ,দৈনিক ইত্তেফাকের সাংবাদিক জিআরএম তারিক প্রমুখ। অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পুলুম কাজী সালিমা হক মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় ও গোলাম ছরোয়ার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৩০ জন শিক্ষার্থী কে বৃত্তি প্রদান করা হয়।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাব শালিখার সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ মো: নওয়াব আলী, সদস্য মুন্সী মোয়াজ্জেম হোসেন, স্থানীয় দুইটি বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষার্থী অভিভাবক ও গণ্যমাণ্য ব্যক্তি বর্গ।
অনুষ্ঠানের সঞ্চালক ছিলেন ফাউন্ডেশনের কো-চেয়ারম্যান মো:রেজাউল ইসলাম।

দাকোপে আগামী ইউপি নির্বাচনে নতুন মুখ দেখার স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে চলেছে এলাকাবাসী
মোঃ শামীম হোসেন – বাজুয়া (দাকোপ)
খুলনার দাকোপে আগামী ইউপি নির্বাচনে নতুন মুখ দেখার স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে চলেছে এলাকাবাসী। এলাকা ঘুরে জানা যায় সৌদি প্রবাসী বাংলাদেশের কৃতি সন্তান, খুনলা জেলার দাকোপ উপজেলার ৪ নং কৈলাশগঞ্জ ইউনিয়নের, রামনগর গ্রামে মোঃ ছোমেদ ফরাজির পুত্র আব্দুর রাজ্জাক ফরাজিকে বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সহযোগী সংগঠনের নেত্রী বৃন্দদের পক্ষ থেকে ঘোষনা করা হয়েছে আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সৎ যোগ্য ও নিষ্টাবান ব্যাক্তিকে, নৌকা পথিক প্রদান করে জয়যুক্ত করার প্রত্যাশা করে, বঙ্গবন্ধু ভ্রাতৃত্ত পুত্র শেখ হেলাল উদ্দিন এমপির দেওয়া ইদুল ফিতরের ঈদ উপহার, দাকোপ উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান, আলহাজ্ব শেখ আবুল হোসেনের মাধ্যমে সমাজ সেবক সৌদি প্রবাসী আব্দুর রাজ্জাকের হাতে হস্তান্তর কৃত, ঈদ উপহার কৈলাশগজ্ঞ ইউনিয়নের গরিব ও দুস্থ অসহায়দের মাঝে শাড়ি পাঞ্জাবি বিতরন করা হয়, এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি সরজিত রায়(কুজ্ঞ), সাধারণ সম্পাদক মৃনাল কান্তি মল্লিক। গাজী আঃ রশিদ সহ সহযোগী অংগ সংগঠনের নেত্রী বৃন্দ। এ সময় উপস্থিতিদের বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়, আগামী ইউপি নির্বাচনে সৌদি প্রবাসী আব্দুর রাজ্জাককে নৌকা প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় এলাকাবাসি, বিগত দিনের অত্যাচারি ব্যাত্তিদের চেয়ারম্যান হিসেবে আর দেখতে চায় না কৈলাশগজ্ঞ এলাকার ভুত্ত ভুগিরা, তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সহযোগিতা কামনা করেন।

রূপসায় শোকাহত যুবলীগ নেতার পরিবারের পাশে জেলা আওয়ামী লীগ নেতা জামাল
খবর বিজ্ঞপ্তিঃ
রূপসা উপজেলার ঘাটভোগ ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা সোহাগ শেখ এর শিশু কণ্যা আফরিন মৌ (২.৫ বছর) সড়ক দূর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ করেছে ( ইন্না.. রাজিউন) । তার মৃত্যুর সংবাদ শুনে রূপসার আলাইপুরস্থ বাসভবনে ছুটে যান খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মোঃ কামরুজ্জামান জামাল। এসময় অন্যাণ্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মোঃ জামিল খান, জেলা মৎস্যজীবী লীগের সভাপতি হাজী সাইফুল খান, সরদার জাকির হোসেন, গাজী মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, ব্রজেন দাস, বিধান চন্দ্র রায়, মোঃ আল আমিন এহসান, আবুল কালাম আজাদ, মারুফ মুন্সি, জাকির হোসেন, রবিউল ইসলাম, সোহেল মুন্সি, হিরণ প্রমুখ।
এসময় নেতৃবৃন্দ মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

মনবতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো স্থানীয় ইউনিয়ন ছাত্রলীগ
বটিয়াঘাটা প্রতিনিধি
বটিয়াঘাটা উপজেলার সুরখালী ইউনিয়নের কল্যানশ্রী এলাকার কৃষিকাজ করে জীবিকা নির্বাহ করা দরিদ্র কৃষক সিরাজ শেখ’র জমির ধান কেঁটে বাড়ীতে পৌঁছে দিয়ে মনবতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো স্থানীয় ইউনিয়ন ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ। গতকাল মঙ্গলবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নির্দেশে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ইমরান হোসেন ইমু ও উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আমিরুল মোমেনিন রানার দিকনির্দেশনায় ইউনিয়ন ছাত্রলীগনেতা আরমান বিশ্বাসের নেতৃত্বে প্রায় বিশজন ছাত্রলীগনেতাকর্মী তার এ ধান কেঁটে বাড়ীতে পৌঁছে দেন। ধান কাঁটায় সরাসরি অংশ গ্রহণ করেন ছাত্রলীগনেতা মোঃ রিয়াদ শেখ, সৌমিত্র রাহা, মোঃ পাপলু শেখ, মোঃ মোহাব্বাত শেখ, মোঃ অলিদ মুন্সি, মোঃ সোয়াইব বিশ্বাস, মোঃ রাব্বি হাসান, মোঃ ইসান বিশ্বাস, মোঃ জুবায়ের বিশ্বাস, মোঃ জিহাদ বিশ্বাস, মোঃ সাইফুল শেখ, মোঃ আসিফ শেখ, মোঃ নয়ন শেখ, মোঃ হানিফ মোড়ল, গৌরব দাস, মোঃ তামিম বিশ্বাস প্রমূখ। উল্লেখ্য উক্ত সিরাজ শেখ নিজের জমানো কিছু টাকা ও ধারদেনা করে ধান চাষ করেন। কিন্তু শ্রমিক অভাব ও ব্যক্তিগত অপারগতায় পাঁকা ধান কেঁটে বাড়ী তুলতে না পারার কারনে ছাত্রলীগের নেতাকর্মী তার এ ধান কেঁটে বাড়ীতে পৌঁছে দেয়।

‘গাছের নিচে এসে দেখি মন্টু নেই, শুধু বাঘের পায়ের ছাপ আছে’
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
সুন্দরবনে মধু কাটতে গিয়ে বাঘের আক্রমণে মন্টু গাজী (৫৫) নামের এক মৌয়ালের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। তবে তার লাশ পাওয়া যায়নি। মন্টু গাজী শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের চকবারা গ্রামের সাবুত আলী গাজীর ছেলে।

জানা যায়, গত ১ এপ্রিল বুড়িগোয়ালিনী ফরেস্ট স্টেশন থেকে ১১ জন মধু কাটার পারমিট নিয়ে সুন্দরবনে প্রবেশ করেন। কিন্তু মধু কাটার একপর্যায়ে গত ১৬ এপ্রিল ভারতের বন বিভাগের কাছে তাদের নৌকা আটক হয়। নৌকা আটক হওয়ার পর মৌয়ালিরা গত ১৯ এপ্রিল বাংলাদেশের তালপট্টি খাল নামক স্থানে পালিয়ে আসেন।

সুন্দরবন থেকে ফিরে আসা মৌয়াল নজরুল কয়াল বলেন, ভারতে নৌকা খোয়া যাওয়ার পর আমরা সবাই গাড়ানদী পার হয়ে তালপট্টি খালে চলে আসি। তালপট্টি খালে আসার পর মন্টু গাজী অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে একটি কাঁকড়া গাছের নিচে বসিয়ে রেখে আমরা সবাই নদীর পাড়ে আসি অন্য নৌকার সন্ধানে। পরে সেই গাছের নিচে এসে দেখি মন্টু ওখানে নাই। সেখানে শুধু বাঘের পায়ের ছাপ আর কিছু ডালপালা ভাঙা দেখতে পাই, পরে বুঝতে পারি তাকে বাঘে নিয়ে গেছে।

এ বিষয়ে বুড়িগোয়ালিনী ফরেস্ট স্টেশন কর্মকর্তার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ফিরে আশা মৌয়ালদের ভাষ্যমতে জানা যায়- ভারতের বনবিভাগের কাছে মৌয়ালদের নৌকা খোয়া গেছে। তিন দিন পর বাংলাদেশের অংশের তালপাট্টিতে আসার পরে মন্টু নামের এক মৌয়াল বাঘের আক্রমণে নিহত বা নিখোঁজ হয়েছেন।

 

 

হোমিও চিকিৎসার আড়ালে মাদক ব্যবসা
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে র্যাবের করা মাদক মামলায় এক হোমিও চিকিৎসককে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে তাকে কারাগারে পাঠায় পুলিশ। এর আগে সোমবার (২৪ এপ্রিল) রাতে ২০০ বোতল অ্যালকোহলসহ তাকে আটক করে কুষ্টিয়া র্যাব-১২।
গ্রেফতার ওই চিকিৎসকের নাম খন্দকার নুরুজ্জামান (৬০)। তিনি উপজেলার যদুবয়রা ইউনিয়নের যদুবয়রা গ্রামের মৃত আব্দুল ওয়াহেদের ছেলে ও জয়বাংলা বাজারের আজিম হোমিও হলের চিকিৎসক।
এলাকাবাসী, র্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, খন্দকার নুরুজ্জামান জয় বাংলা বাজার এলাকায় আজিম হোমিও হলের আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে অ্যালকোহলের ব্যবসা চালিয়ে আসছিল। সোমবার রাত সাড়ে ৯টায় দিকে জয় বাংলা বাজার সংলগ্ন জোতমোড়া এলাকায় অভিযান চালায় র্যাব-১২। অভিযানে ২০০ বোতল অ্যালকোহলসহ ওই হোমিও চিকিৎসককে আটক করে র্যাব।

এরপর উদ্ধার আলামতসহ তার বিরুদ্ধে কুমারখালী থানায় মামলা করে র্যাব। ওই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে মঙ্গলবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে আসামিকে কারাগারে পাঠায় পুলিশ।
এ বিষয়ে কুষ্টিয়া র্যাব-১২, সিপিসি-১ এর কোম্পানি কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার মোহাম্মদ ইলিয়াস খান বলেন, হোমিও চিকিৎসার আড়ালে খন্দকার নুরুজ্জামান অ্যালকোহলের ব্যবসা করছিলেন। রাতে অভিযান চালিয়ে ২০০ বোতল অ্যালকোহলসহ তাকে আটক করা হয়েছে।
কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহসীন হোসাইন বলেন, র্যাবের করা মামলায় হোমিও চিকিৎসককে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ঈদে নানাবাড়ি বেড়াতে এসে লাশ হলো শিশু
বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি
যশোরের বেনাপোলে ঈদে মায়ের সঙ্গে নানাবাড়ি বেড়াতে এসে পুকুরে ডুবে সাবিত হোসেন (৪) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে বেনাপোল ইউনিয়নের গয়ড়া গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত সাবিত যশোরের শার্শা উপজেলার জামতলা টেংরা গ্রামের প্রবাসী লিটন হোসেনের ছেলে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, ঈদের দ্বিতীয় দিন বিকেলে সাবিতের মা ছেলেকে নিয়ে বাবার বাড়িতে বেড়াতে আসেন। মঙ্গলবার সকালে প্রতিবেশী বাচ্চাদের সঙ্গে খেলতে যায় সাবিত। খেলা শেষে সবাই ফিরে এলেও সে বাড়ি ফেরেনি। পরে পরিবারের সবাই খোঁজাখুঁজি করেন। একপর্যায়ে পাশের একটি পুকুরে সাবিতকে ডুবন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। ততক্ষণে শিশুটি মারা যায়। বেনাপোল ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মিন্টু মিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।