Home আঞ্চলিক দেশের উন্নয়ণে বাঁধা সৃষ্টিকারীদের ছাড় দেয়া হবে না: খালেক

দেশের উন্নয়ণে বাঁধা সৃষ্টিকারীদের ছাড় দেয়া হবে না: খালেক

11

 

স্টাফ রিপোর্টার।।

খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক বলেছেন, সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্নসহ উন্নয়ণে বাঁধা সৃষ্টিকারীদের ছাড় দেয়া হবে না। তিনি বলেন, বিএনপি জামায়াতকে সাথে নিয়ে দেশের অভ্যন্তরে অরাজকতা সৃষ্টি করতে চায়। তারা পায়ে পাড়া দিয়ে ঝগড়া করার মতো দুরভিসন্ধি করছে। আওয়ামী লীগ সরকার গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে। তাই বিএনপিকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জনসভা করতে সরকার অনুমতি দিয়েছে। এতে যেমন শহরের যানজট কমবে, তেমনি জনসভায় বেশি মানুষও ধরবে। বিএনপি সোহরাওয়ার্দীতে জনসভার অনুমতি চেয়ে এখন তারা পল্টনে সমাবেশ করতে চায়। অর্থাৎ বিএনপি ইচ্ছাকৃতভাবে দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টির ষড়যন্ত্র করছে। তিনি বলেন, বিএনপির এই ষড়যন্ত্র কোন অবস্থাতেই সফল হতে দেয়া হবে না। বিজয়ের মাসের শুরু থেকেই তাদের সকল ষড়যন্ত্রের দাঁতভাঙা জবাব দেয়া হবে। তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন বিএনপি-জামায়াতের সকল ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সকলকে প্রস্তুত থাকতে হবে।

গতকাল বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৩টায় নগরীর রূপসা ট্রাফিক মোড়ে মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত গণমিছিল পূর্ব সমাবেশে সভাপতির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা, সহ-সভাপতি এ্যাড. আইয়ুব আলী শেখ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আশরাফুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ কামাল, উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. মফিদুল ইসলাম টুটুল, নির্বাহী সদস্য ও সদর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এ্যাড. মো. সাইফুল ইসলাম, নির্বাহী সদস্য এস এম আকিল উদ্দিন, মহানগর কৃষক লীগের আহ্বায়ক এ্যাড. এ কে এম শাহজাহান কচি, মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক মো. সফিকুর রহমান পলাশ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি এম এ নাসিম, মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম আসাদুজ্জামান রাসেল, মহানগর ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইবনুল হাসান ও ছাত্রনেতা রাহুল শাহরিয়ার। খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগের পরিচালনায় এসময়ে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা আলহাজ্ব মিজানুর রহমান মিজান, কাজী এনায়েত হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা শ্যামল সিংহ রায়, বীর মুক্তিযোদ্ধা নুর ইসলাম বন্দ, অধ্যক্ষ শহিদুল হক মিন্টু, বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যা. আলমগীর কবির এ্যাড. খন্দকার মজিবর রহমান, মো. শাহজাদা, প্যানেল মেয়র আলী আকবর টিপু, কাউন্সিলর জেড এ মাহমুদ ডন, কাউন্সিলর শামছুজ্জামন মিয়া স্বপন, এ্যাড. অলোকা নন্দা দাস, কামরুল ইসলাম বাবলু, বীরেন্দ্র নাথ ঘোষ, নুর মোহাম্মদ শেখ, শেখ মোশাররফ হোসেন, মাহবুবুল আলম বাবলু মোল্লা, সিদ্দিকুর রহমান বুলু বিশ্বাস, তসলিম আহমেদ আশা, কাউন্সিলর শেখ হাফিজুর রহমান হাফিজ, কাউন্সিলর আনিছুর রহমান বিশ্বাষ, কাউন্সিলর শেখ গাউসুল আজম,

বীর মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলর মুন্সি আব্দুল ওয়াদুদ, কাউন্সিলর এস এম মোজাফফর রশিদী রেজা, কাউন্সিলর আবুল কালাম আজাদ বিকু, কাউন্সিলর ইমাম হোসেন চৌধুরী ময়না, কাউন্সিলর গোলাম মওলা শানু, কাউন্সিলর আরিফ হোসেন মিঠু, কাউন্সিলর রেকসোনা কালাম লিলি, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মোতালেব মিয়া, রনজিত কুমার ঘোষ, অধ্যা. এ বি এম আদেল মুকুল, এ্যাড. শামীম আহমেদ পলাশ, নজিবুল ইসলাম নজু, মো. মোক্তার হোসেন, শেখ আবিদ উল্লাহ, মো. নুর ইসলাম, শেখ জাহিদ হোসেন, মো. জাহিদুল হক, চ. ম মজিবুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মুন্সি আইয়ুব আলী, শেখ আব্দুল আজিজ, জামিরুল হুদা জহর, মঈনুল ইসলাম নাসির, ফেরদৌস হোসেন লাবু, বাবুল সরদার বাদল, আব্দুল হাই পলাশ, এ্যাড. মো. ফারুক হোসেন, শেখ মো. রুহুল আমিন, সরদার আব্দুল হালিম, মীর মো. লিটন, মো. মোতালেব মিয়া, মো. জাকির হোসেন, মো. ইউসুফ আলী খান, শেখ হাসান ইফতেখার চালু, নজরুল ইসলাম তালুকদার, মো. আজম খান, মো. শিহাব উদ্দিন, এ্যাড. শামীম মোশাররফ, শেখ এশারুল হক, আতাউর রহমান শিকদার রাজু, মো. ফয়েজুল ইসলাম টিটো, ওহিদুল ইসলাম পলাশ, মুন্সি মো. সেলিম হোসেন, চৌধুরী রায়হান ফরিদ, এস এম হাফিজুর রহমান, আলী আকবর মাতুব্বর, তোতা মিয়া ব্যাপারী, মো. আবুল হোসেন, কাজী কামাল হোসেন, শওকত হোসেন, কবির পাঠান, তাজুল ইসলাম, মোস্তফা শিকদার, মেহজাবিন খান, জেসমিন সুলতানা শম্পা, বলাকা রায়, আলেয়া সাঈদ, আইরিন চৌধুরী নীপা, নাসরিন ইসলাম তন্দ্রা, আফরোজা জেসমিন বিথী, মো. শহীদুল হাসান, শেখ জিহাদ, শাহাদাৎ হোসেন, আজিজুল হক মৃধা, শ্যামল দত্ত, নজরুল ইসলাম মিঠু, লুৎফর রহমান, জব্বার আলী হীরা, মাসুদ হাসান সোহান, জহির আব্বাস, মাহমুদুল হাসান সোহান, মাহমুদুর রহমান রাজেস, সৈয়দ সালমান হোসেন, শংকর কুন্ডু, ওমর কামালসহ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীবৃন্দ।