Home খেলাধুলা ক্রিকেটে থুতুর বদলে আসছে মোমের প্রলেপ

ক্রিকেটে থুতুর বদলে আসছে মোমের প্রলেপ

14


ক্রীড়া প্রতিবেদক


করোনাপরবর্তী সময়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ওপরই জোর দেবে গোটা বিশ্ব। খেলাধুলাও এর ব্যতিক্রম নয়। এরই মধ্যে শুরু হয়ে গেছে চিন্তাভাবনাও। করোনার প্রকোপ কমার পর যখন খেলাধুলা মাঠে গড়াবে তখন ক্রীড়াবিদদের মেনে চলতে হবে অনেক বিধিনিষেধই।
পরিবর্তন আনতে হবে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা অনেক অভ্যেসের। ক্রিকেটেই তো বল চকচকে করার জন্য তাতে থুতু ও ঘাম মাখানোর ব্যাপারটি পুরোনো এক রীতি। আইসিসি এ ব্যাপারটিই বন্ধ করে দেওয়ার কথা ভাবছে। বলে থুতু লাগানো এমনিতেই অস্বাস্থ্যকর।কিন্তু অনেক ক্রিকেটারই মনে করেন অস্বাস্থ্যকর হলেও এটি বোলারদের বল সুইং করানোর সবচেয়ে কার্যকরী উপায়। এটি নিষিদ্ধ হয়ে গেলে ক্রিকেটের সুইংশিল্পই তিগ্রস্ত হবে। মাঠে বলব্যাটের ভারসাম্য হারিয়ে যাবে। ব্যাটসম্যানরা পেয়ে যাবে বাড়তি সুবিধা। থুতু ও ঘামের ব্যবহার নিয়ে ক্রিকেট দুনিয়ায় যখন তোলপাড়, তখন নীরবেই এর বিকল্প তৈরির পথে অনেকদূর এগিয়ে গেছে ক্রিকেট সরঞ্জাম প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান কোকাবুরা। অস্ট্রেলীয় এই প্রতিষ্ঠানটি এরই মধ্যে থুতু ও ঘামের বিকল্প হিসেবে এক ধরনের মোমের তৈরি প্রলেপ উৎপাদন করতে চলেছে, যেটি বল চকচকে রাখতে থুতু ও ঘামের বিকল্প হিসেবে কাজে লাগবে।
কোকাবুরার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ব্রেট ইলিয়ট বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, ক্রিকেট মাঠে বল চকচকে রাখার দীর্ঘদিনের উপায় থুতু ও থামের বিকল্প উদ্ভাবনে আমরা গবেষণা চালিয়েছি। অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি, আমরা থুতু ও ঘামের বিকল্প হিসেবে মোমের তৈরি এক ধরনের প্রলেপের উৎপাদন শুরু করতে যাচ্ছি। ক্রিকেটের বর্তমান আইন অনুযায়ী বলকে চকচকে করতে কোনো ধরনের কৃত্রিম বস্তু ব্যবহার করা নিষিদ্ধ। সেটি করা হলে তা বল বিকৃতির অপরাধের মধ্যে পড়ে। করোনাপরবর্তী সময়ে থুতু ও ঘামের বিকল্প আনতে গেলে এই আইনে পরিবর্তন আনতেই হবে এটা আইসিসিও ভেবেছে।
আগামী এক মাসের মধ্যে এটি বাজারে আনার কথা বলছে কোকাবুরা। তবে যে বাজারে আনলেই এটির ব্যবহার যে শুরু হয়ে যাবে, তেমনটি মনে করে না প্রতিষ্ঠানটি। কোকাবুরা ধরেই নিয়েছে এটি আইসিসিসহ পৃথিবীর সব ক্রিকেট খেলুড়ে দেশের নিয়ন্ত্রক সংস্থা পরীা নিরীার জন্য সময় নেবে।

সিদ্দিকুরের অনুপ্রেরণা প্রথম এশিয়ান ট্যুরের শিরোপা


ক্রীড়া প্রতিবেদক
করোনাভাইরাসের প্রকোপে সবাই এখন ‘ঘরবন্দি’। দেশের সব খেলাও বন্ধ। অবসর সময়ে অনেক খেলোয়াড়ই অনলাইনে এসে স্মৃতিচারণমূলক আড্ডায় মেতে উঠছেন। সেই আড্ডায় উঠে আসছে তাদের খেলোয়াড়ি জীবনের নানান দিক। এই যেমন দেশসেরা গলফার সিদ্দিুকর রহমান ও ভারতের শিব শঙ্কর চৌরাসিয়া মেতে উঠেছিলেন আড্ডায়। সোমবার বিকেলে ‘দ্য গলফ হাউস গলফ টক’ প্রোগ্রামে যোগ দিয়েছিলেন তারা।
আন্তর্জাতিক গলফে সিদ্দিকুরের অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বী চৌরাসিয়া।দুজনের ক্যারিয়ার শুরু গল্পটা প্রায় একই। দুজনেই বলবয় দিয়ে শুরু করে এখন নিজ নিজ দেশে আইডল। গলফ কোর্সে প্রতিদ্বন্দ্বী হলেও ব্যক্তিগত জীবনে কিন্তু দুজনের বন্ধুত্ব দারুণ। লাইভে এসে পৌনে দুই ঘন্টা আলাপচারিতায় সেই বন্ধুত্বের গল্পের সঙ্গে তারা জানালেন অজানা অনেক কথা।
৩৫ বছর বয়সী সিদ্দিকুর ২০০৫ সালে পেশাদার গলফের আঙিনায় পা রেখেছিলেন। বাংলাদেশের একমাত্র গলফার যিনি দুইবার এশিয়ান ট্যুর জিতেছেন, ২০১০ ও ২০১৩ সালে। এছাড়া ২০১৬ সালে ব্রাজিলের অলিম্পিকে খেলেছেন সরাসরি। ৯ বছর বয়স থেকে কুর্মিটোলা গলফ কাবে তার শুরুটা হয়েছিল বলবয় দিয়ে। সেই স্মৃতি রোমন্থন করে সিদ্দিকুর বলেছেন, ‘আমি যখন দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ি তখন কুর্মিটোলা গলফ কাবে যাওয়ার সৌভাগ্য হয়েছিল। একজন আত্মীয়ের মাধ্যমে সুযোগ আসে। কাজের সন্ধানে যাই। সেখান থেকে আস্তে আস্তে এখন আমি দেশের পতাকা বহন করছি। দেশের জন্য গলফ খেলছি। যতদিন পারব খেলে যাব।’
দুটি এশিয়ান ট্যুর জিতেছেন সিদ্দিকুর। ২০১৩ সালেরটি সেরা অর্জন হলেও ক্যারিয়ার এগিয়ে নেওয়ার অনুপ্রেরণা পেয়েছিলেন তিনি ২০১০ সালে প্রথম এশিয়ান ট্যুরের শিরোপা জয়ের মাধ্যমে। সিদ্দিকুরের ভাষায়, ‘আমার অন্যতম সেরা অর্জন হলো ২০১৩ সালের শিরোপাটি। দাদাও (চৌরাসিয়া) আমাকে অনুপ্রেরণা দিয়েছিল। তবে ব্রুনেই ওপেন ২০১০ জেতাটা সবচেয়ে স্মৃতিময়। যখন আমি অর্থনেতিক সংকটে ভুগছিলাম, তখন এটা বেশ কাজে দেয়। এরপর আমি ঘুরে দাঁড়াই, আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।’

নেট বোলারকে সাহায্য মুশফিকের


ক্রীড়া প্রতিবেদক
সবার জানা, বাংলাদেশ জাতীয় দলের ট্রেনিং সিডিউলের বাইরে মুশফিকুর রহীম সব সময়ই বেশি সময় ধরে অনুশীলন করেন। শেরে বাংলার নেটে অন্যদের তুলনায় সারা বছরই বেশি সময় দেন মিস্টার ডিপেন্ডেবল এবং খুব স্বাভাবিকভাবেই জাতীয় দলের নেট বোলারদের সাথে তার সময়টাও কাটে বেশি। এবার সবার অল্েয বাংলাদেশ জাতীয় দলের নেট বোলারদের সাহায্য করেছেন দেশসেরা এই ব্যাটসম্যান। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের অধীনে থাকা ৩০ নেট বোলারকে সহায়তা করেছেন মুশফিক।
নেট বোলারদের পে মুশফিকুর রহীমের এ সাহায্যের কথা স্বীকার করেছেন নেট বোলার রাকিবুল। তিনি বলেন, ‘আমরা খুব খুশি হয়েছি যে মুশফিক ভাই এ সময়ে আমাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন। আমাদের অর্থ সাহায্য করেছেন।’
রাকিবুল আরও জানান, মুশফিক ভাই আমাকে ডেকে জানতে চাইলেন নেট বোলারদের কার কি অবস্থা? সব শুনে তিনি সাহায্য করার কথা বলেছিলেন। তবে ৩০ নেট বোলারের কাকে কত করে দেয়া হয়েছে, তা জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেন রাকিবুল।

নিলামে উঠছে গেইল-মাহমুদউল্লাহ স্বারিত ব্যাট


ক্রীড়া প্রতিবেদক
করোনাভাইরাস মহামারির শুরু থেকেই সচেতনতামূলক কাজ করে আসছে বিপিএল দল চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। গত বিপিএলে চ্যালেঞ্জার্সের হয়ে খেলা দেশি-বিদেশি ক্রিকেটারা সচেতনতামূলক ভিডিও বার্তা দিচ্ছেন। এবার ক্রিকেটারদের স্বার করা একটি ব্যাট নিলামে তুলতে যাচ্ছে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স।
গত বিপিএলে চ্যালেঞ্জার্সের হয়ে খেলেছেন মাহমুদউল্লাহ, ক্রিস গেইল, লেন্ডন সিমন্স, ইমরুল কায়েস, লিয়াম প্লাংকেটরা। দলের প্রত্যেক ক্রিকেটারদের স্বার করা ব্যাটটি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান চলোসবাই.কম ওয়েবসাইটে আজ থেকে নিলামে তোলা হবে। নিলাম চলবে ১৫ মে পর্যন্ত।
চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স দলের প্রধান নির্বাহী সৈয়দ ইয়াসির আলম জানিয়েছেন, আমাদের দলে গেইল, মাহমুদউল্লাহর মতো ক্রিকেটাররা ছিল। ২০ জন তারকা ক্রিকেটারের স্বার করা ব্যাট ছিল। তাই আমরা চিন্তা করলাম ব্যাট নিলামে দেওয়ার। ব্যাট বিক্রির অর্থ নিম্ন আয়ের মানুষদের স্বাস্থ্যসেবায় ব্যবহার করা হবে।

২৫ লাখ টাকা পাচ্ছেন ফুটবল রেফারিরা


ক্রীড়া প্রতিবেদক
ঘরোয়া ফুটবলের বিভিন্ন প্রতিযোগিতা পরিচালনা করা প্রায় ১০০ রেফারির বাফুফের কাছে পাওনা ছিল প্রায় কোটি টাকা। করোনাভাইরাসে সব খেলা বন্ধ হওয়ার পর এই রেফারিরা পড়েছিলেন বিপাকে। সংকটময় সময়ে তারা বাফুফের কাছে দাবি করেছিলেন সব পাওনা পরিশোধ করতে।
করোনায় সব কিছু বন্ধ হওয়ার পর বাফুফে রেফারিদের পাওনার মধ্যে ২৪ লাখ টাকা পরিশোধ করেছে। ঈদের আগে আরো ২৫ লাখ টাকা দেবেন বলে জানিয়েছেন বাফুফের সাধারণ সম্পাদক মো. আবু নাঈম সোহাগ।
‘৯০ জনের মতো রেফারি আমাদের বিভিন্ন খেলা পরিচালনা করেন; কিন্তু খেলা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় রেফারিদের বেশ কিছু টাকা বকেয়া হয়ে যায়। যার পরিমান ৮১ লাখ টাকা। এর মধ্যে করোনায় সব কিছু বন্ধ হওয়ার পর ২২৩টি চেকে আমরা ২৪ লাখ টাকা পরিশোধ করেছি। আমরা ঈদের আগে আরো ২৫ লাখ টাকা প্রদান করবো। তাহলে রেফারিদের পাওনার ষাট ভাগের মতো পরিশোধ হয়ে যাবে’ বলেন বাফুফের সাধারণ সম্পাদক।

মুন্না ও তৈয়বের জার্সির নিলাম ৯মে


ক্রীড়া প্রতিবেদক
১৯৯৫ সালে মিয়ানমারে চার জাতির আন্তর্জাতিক ফুটবল টুর্নামেন্টের শিরোপা জয়ের মিশনে ব্যবহৃত প্রয়াত ফুটবল সুপারস্টার মোনেম মুন্নার জার্সি নিলামে তোলার কথা ছিল। কিন্তু নাহ। আসলে নিলামে তোলা হবে ১৯৮৯ সালে দেশের মাটিতে বাংলাদেশের প্রথম আন্তর্জাতিক ট্রফি জেতার স্মৃতিবিজড়িত মোনেম মুন্নার ঐতিহাসিক জার্সিটি। খবরটি নিশ্চিত করেছেন তার স্ত্রী সুরভী মোনেম।
৯ মে অনলাইন নিলামের প্লাটফর্ম অকশন ফর অ্যাকশনের ফেসবুক পেজে বিডিং হবে রাত সাড়ে দশটায়। একই সঙ্গে নিলামে উঠবে বাংলাদেশের সাবেক ফিফা রেফারি তৈয়ব হাসান শামসুজ্জামানের ঐতিহাসিক জার্সিটি।
নিলামে তোলার ঘোষণা দেওয়ার পর রেফারি তৈয়ব হাসানের জার্সির দাম হাঁকিয়েছেন দুই জন ব্যবসায়ী। সাতীরার তরুণ ব্যবসায়ী শেখ তানজিম কালাম তমাল ২ লাখ টাকায় কিনতে চান জার্সিটি। পরে সাতীরার চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি নাছিম ফারুক খান দাম হাঁকান ৫ লাখ ৫৫ হাজার টাকা। কিন্তু তাতে সায় দেননি সাবেক এ রেফারি।

বিওএ’র সাবেক কোষাধ্য সামসুল ইসলাম আর নেই


ক্রীড়া প্রতিবেদক
বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশনের জাতীয় কোর্স পরিচালক এবং সাবেক কোষাধ্য এ এইচ এম সামসুল ইসলাম মন্ডল গতকাল মঙ্গলবার বাদ ফজর তাঁর কুড়িগ্রামের নিজ বাড়িতে বার্ধক্যজনিত কারণে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না…. রাজিউন)।
সামসুল ইসলাম তাঁর বর্ণাঢ্য কর্মজীবনে দীর্ঘদিন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও তিনি শারীরিক শিা কলেজের অধ্য হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন। তিনি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্মসচিব, ইরাকে বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম সচিব এবং সর্বশেষ ব্যুরো অফ ম্যান পাওয়ার বিভাগের মহাপরিচালক হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন।

করোনায় বাতিল জিম্বাবুয়ের পুরো ক্রিকেট মৌসুম


ক্রীড়া প্রতিবেদক
সাবেক অধিনায়ক ও দলের অভিজ্ঞতম ব্যাটসম্যান ব্রেন্ডন টেলর অনেক আগেই বলেছিলেন, করোনাভাইরাসের আঘাত বেশ ভারী হয়েই পড়বে জিম্বাবুয়ের ক্রিকেটে। অরে অরে মিলে গেল তার এই কথা।
মহামারী করোনাভাইরাসের কারণে ২০১৯-২০ সালের ক্রিকেট মৌসুম বাতিল করে দিয়েছে ক্রিকেট বোর্ড। যার ফলে ঘরোয়া ক্রিকেটের প্রথম শ্রেণি কিংবা লিস্ট ‘এ’- কোন টুর্নামেন্টেরই চ্যাম্পিয়ন দলের নামও ঘোষণা করা হবে না। গত ১৮ মার্চ থেকে বন্ধ ছিল জিম্বাবুয়ের সবধরনের ক্রিকেট। পরে ৩০ মার্চ থেকে লকডাউনে চলে যায় পুরো জিম্বাবুয়েই। যা প্রাথমিকভাবে ছিল ৩ মে পর্যন্ত। তবে সেটি বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে আরও দুই সপ্তাহ। তাই এমতাবস্থায় ক্রিকেট মৌসুম পুনরায় শুরু করার চিন্তা বাদ দিয়েছে জিম্বাবুয়ে।

ব্রাজিলের তরুণকে নিয়ে ইংলিশ দুই কাবের কাড়াকাড়ি


ক্রীড়া প্রতিবেদক
তার খেলার ধরণ অনেকটা গ্যাব্রিয়েল হেসুসের মত। অল্প কদিনেই নজরে এসে গেছেন বড় কাবগুলোর। ১৭ বছর বয়সী পালমেইরার্স ফরোয়ার্ড গ্যাব্রিয়েল ভেরনকে নিয়ে তো রীতিমত কাড়াকাড়ি চলছে ইংলিশ দুই কাব আর্সেনাল আর এভারটনের।
গ্রীষ্মের দলবদলেই গাব্রিয়েল ভেরনকে দলে ভেড়ানোর চেষ্টায় যোগাযোগ চালিয়ে যাচ্ছে আর্সেনাল আর এভারটন। ব্রাজিলের সিনিয়র দলে ভেরনের অভিষেক হয়েছে বেশিদিন যায়নি। বড়দের হয়ে মাত্র চারটি ম্যাচ খেলেছেন। এর মধ্যে দুই গোলের সঙ্গে করেছেন একটি অ্যাসিস্ট। মূলত অনূর্ধ্ব ১৭ দলে দুরন্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েই নজরে আসেন ভেরন। ২০১৯ সালে ব্রাজিলকে যুব বিশ্বকাপ জেতানোর অন্যতম নায়ক ছিলেন এই ফরোয়ার্ড।

ইতালিতে ফিরেই কোয়ারেন্টাইনে রোনালদো


ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রায় দুই মাস করোনাভাইরাসের কারণে পর্তুগালে নিজের বাড়িতে লকডাউন থাকার পর অবশেষে সোমবার শেষ বিকেলে ইতালিতে ফিরে এলেন বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। এসেই পরিবারসহ তাকে দুই সপ্তাহের বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইনে চলে যেতে হলো।
ইতালিয়ান মিডিয়া জানাচ্ছে, সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে রোনালদো তার পরিবার-পরিজন নিয়ে তুরিন বিমান বন্দর ল্যান্ড করেন। পর্তুগালে নিজের বাড়ি মাদেইরা থেকে সরাসরি ব্যক্তিগত বিমানে ইতালিতে আসেন সিআর সেভেন। এরপর সেখান থেকে তুরিনে নিজের বাড়িতে গিয়ে পৌঁছান জুভেন্টাসে খেলা এই ফুটবলার। ইতালিতে ফিরলেও নিয়ম অনুযায়ী, তুরিনে নিজের বাড়িতে ২ সপ্তাহের কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে ৫বারের ব্যালন ডি’অর জয়ী এই ফুটবলারকে। সঙ্গে কোয়ারেন্টাইন পালন করবেন তার পরিবারের বাকি সদস্যরাও।

বুন্দেসলিগার ১০ ফুটবলার করোনায় আক্রান্ত


ক্রীড়া প্রতিবেদক
পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পথ যখন তৈরি তখনই দুঃসংবাদ! বুন্দেসলিগা যখন ফের শুরুর কথা ভাবা হচ্ছিল তখনই জানা গেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত দশ ফুটবলার। এমন খবরে বেশ শঙ্কিত আয়োজকরা। জার্মানির এই শীর্ষ ফুটবল লিগ শুরুর ণটাও মনে হচ্ছে পিছিয়ে গেল।
বুন্দেসলিগা কর্তৃপ জানাল, ৩৬টি কাবের ১,৭২৪ জনের করোনা পরীা করেছেন তারা। এরমধ্যে ১০জন প্রাণঘাতী এই ভাইরাসে আক্রান্ত। এরমধ্যে অবশ্য বুন্দেসলিগার প্রথম ও দ্বিতীয় ডিভিশনের ফুটবলার ও কোচরাও রয়েছেন। যে দশ জনের শরীরে করোনাভাইরাস পাওয়া গেল তাদের নাম জানানো হয়নি। তবে স্বাস্থ্য বিভাগের কাছে করোনা আক্রান্তদের নাম পাঠিয়েছে তারা। জার্মান মিডিয়া অবশ্য জানিয়েছে বুন্দেসলিগার দল এফসি কোলনের তিন ফুটবলার করোনায় আক্রান্ত।

বিধি নিষেধ ভঙ্গে নিষিদ্ধ ফুটবলার কালু


ক্রীড়া প্রতিবেদক
করোনাভাইরাস বদলে দিচ্ছে অনেক কিছু। এই যেমন সামাজিক রীতি-নীতিও। এখন হ্যান্ডশেক করলেও শাস্তি পেতে হচ্ছে! জার্মান কাব হার্থা বার্লিনের ফুটবলার সলোমন কালু সেই দুর্ভাগা।
সতীর্থের সঙ্গে অনেক দিন পরে খেলার মাঠে দেখা হওয়ায় পুরনো অভ্যাস অনুযায়ী হৃদ্যতায় গলে হ্যান্ডশেক করেন আইভরি কোস্টের এই স্ট্রাইকার। আর তা দেখে কড়া এক বিবৃতি দিয়েছে জার্মান ফুটবল লিগ (ডিএফএল)। তারই প্রেেিত কালুর হ্যান্ডশেকের সেই ছবি ফেসবুকে পোস্ট করে হার্থা বার্লিন তাকে তাৎণিকভাবে সবধরনের অনুশীলন এবং খেলা থেকে সাময়িক নিষিদ্ধের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দেয়।

খেলোয়াড়দের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করলো ইসিবি


ক্রীড়া প্রতিবেদক
করোনাভাইরাসের কারণে একেরপর এক স্থগিত হচ্ছে ক্রীড়া ইভেন্ট। এক বছর পেছানো হয়েছে ‘দ্য হান্ড্রেড’। তাই খেলোয়াড়দের সঙ্গে ৮টি ফ্র্যাঞ্চাইজির করা সকল চুক্তি বাতিল করলো ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)।
মাঠে দর্শক আনতে সীমিত পরিসরের এই ইভেন্টটি জনপ্রিয় করতে চেষ্টা চালাচ্ছে ইসিবি। চলতি বছর জুলাইয়ের ১৭ থেকে আগস্টের ১৫ আগস্টের মধ্যে মাঠে গড়ানোর কথা ছিল নতুন ফরম্যাটের ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক এই টুর্নামেন্ট। কিন্তু করোনার কারণে মাঠে গড়ানোর আগেই এক বছর পিছিয়ে গেল ইসিবি’র অনেক সাধের এই আসর।

চলতি সপ্তাহেই মাঠে ফিরছে বার্সেলোনা


ক্রীড়া প্রতিবেদক
করোনা সঙ্কট কাটিয়ে আবারো মাঠে ফিরতে যাচ্ছে বিশ্বের নামি দামি ফুটবল কাবগুলো। এরই মধ্যে ইউরোপের বেশির ভাগ দেশই মাঠে ফুটবল ফেরাতে তোড়জোড় শুরু করে দিয়েছে। আর অনুশীলনের অনুমতি পাওয়ায় চলতি সপ্তাহেই মাঠে ফিরতে যাচ্ছে মেসির বার্সেলোনা সহ অধিকাংশ স্প্যানিশ কাব।
জুনে লিগ শুরু করার পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে লা লিগা কর্তৃপ। এ বিষয়ে স্পেনের ক্রীড়া ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে অনুমতিও পেয়েছে তারা। কিন্তু, স্বাস্থ্য সুরার বিষয়ে সব দলকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। এসবের মাঝেই এ সপ্তাহে অনুশীলনে নামতে যাচ্ছে মেসি-সুয়ারেজ-গ্রিজম্যানরা। অনুশীলনে নামার আগে প্রত্যেক ফুটবলার ও কোচিং স্টাফের করোনা ভাইরাস পরীা করা হবে। পাশাপাশি প্র্যাক্টিস গ্রাউন্ডে দূরত্ব বজায় রাখতেও স্বাস্থ্য বিভাগের নির্দেশনা রয়েছে।